Transcription
গোসাইয়া নামের এক মেয়ে ছিল। সে শহর থেকে অনেক দূরে, একটা ছোট গ্রামে তার মায়ের সাথে থাকত। গোসাইয়া খুব সুন্দরী ছিল এবং যৌবনের পথে পা রেখেছিল। কিন্তু তার কোনো ভাই-বোন ছিল না, এবং তার শারীরিক সুখের কোনো ধারণাও ছিল না। প্রতিদিন সকালে গোসাইয়া উঠে ঘরে গিয়ে দুধ দই খেত। তারপর সে গরুগুলোকে
জঙ্গলে নিয়ে যেত। গোসাইয়া জঙ্গলে গিয়ে একটা গাছের নিচে বসে কুকুরের সাথে সময় কাটায়। তারপর সে তার সব কাপড় খুলে নদীতে স্নান করত। কিন্তু তার মনে হত কেউ তাকে লুকিয়ে দেখছে, চারপাশে কাউকে দেখতে পায় না। এটা তার ভুল ধারণা ছিল। গোসাইয়া সেখানেই শুয়ে বিশ্রাম করতে শুরু করলো। কিন্তু ঠিক তখন তার উপর কোনো ছায়া পড়তে দেখল। গোসাইয়া সেই ছায়ার অস্তিত্ব অনুভব করল এবং সেই ভাবনায় রাত ঘুরিয়ে কাটাতে পারল না। তার মা তার জিজ্ঞাসা করলেও, রাত পর্যন্ত ঘুমাতে পারল না। কিন্তু গোসাইয়া তার মাকে ঠিক মতো উত্তর দিতে পারল না। কারণ তার শরীরে যে পরিবর্তনগুলো হচ্ছিল তাতে সে উদ্বিগ্ন ছিল। আর এই বিষয়টা তার মাকে বলতে সে খুব লজ্জা পেত।
পরদিন গোসাইয়া তার গরু নিয়ে জঙ্গলে গেল এবং একটা গাছের নিচে বসে বিশ্রাম করছিল। ঠিক তখন সেখানে একজন লোককে দেখতে পেল যিনি বসে বসে পেইন্টিং করছিলেন। তখন গোসাইয়া সেই লোকের কাছে গেল এবং লোকটি তার পেইন্টিং দেখালো। যেখানে তিনি গোসাইয়াকে নগ্ন অবস্থায় আঁকছিলেন। গোসাইয়া সেই নগ্নতায় অস্বস্তিতে পড়ে গেল। পর সেই লোকটি তাকে পানি খেতে দিল এবং তার জিজ্ঞাসা করল, "তুমি এখানে কী করছ?" গোসাইয়া বলল, "আমি এখানে কাছাকাছি থাকি।" গোসাইয়া সেই লোককে জিজ্ঞাসা করল, "তুমি কোথায় থাকো?" তখন লোকটি উত্তর দিল, "কোনো স্থায়ী ঠিকানা নেই। এখানে ওখানে ঘুরে ঘুরে থাকি। যেখানে ইচ্ছে সেখানে চলে যাই।" লোকটি গোসাইয়ার কাছে এল এবং তার শরীরে হাত দিতে শুরু করল। এমন স্পর্শে গোসাইয়া ভয় পেয়ে চলে যেতে চাইল।
পরদিন গোসাইয়া আবার সেই জায়গায় গেল এবং লোকটিকে খুঁজতে লাগল। কিন্তু তাকে কোথাও দেখতে পেল না। ঠিক তখন হঠাৎ লোকটি তাকে ডাকতে শুরু করল। সেই ডাক শুনে গোসাইয়া তার কাছে যেতে শুরু করল। সেখানে বসে পেইন্টিং করছিল। তখন লোকটি গোসাইয়াকে তার আঁকা পেইন্টিংগুলো দেখালো। সেগুলো দেখে গোসাইয়া খুব লজ্জা পেল। তারপর গোসাইয়া সেই লোককে জিজ্ঞাসা করল, "তুমি কেন আমাকে নগ্ন অবস্থায় আঁকছ?" লোকটি বলল, "কারণ তুমি খুব সুন্দরী এবং তোমার শরীর দেখতে কত সুন্দর!" তারপর গোসাইয়া বলল, "তুমি কি জানো, তোমার এই যৌবন-বয়সী শরীর তোমার কিসের জন্য?" গোসাইয়া বলল, "এমন কিছু জানি না।" তখন সেই লোক গোসাইয়াকে আরেকটি নগ্ন ছবি দেখিয়ে বলল, "তোমার শরীর শারীরিক সুখ দিতে পারে।" লোকটি বলতে বলতে গোসাইয়ার সব কাপড় খুলে ফেলতে বলল। তখন গোসাইয়া তার সব কাপড় খুলে ফেলল, আর লোকটি তার শরীরে হাত দিয়ে তাকে উত্তেজিত করতে লাগল। গোসাইয়া নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারল না এবং তাদের মধ্যে অন্তরঙ্গতা ঘটল। লোকটির সাথে সময় কাটিয়ে গোসাইয়া খুব খুশি ও আনন্দে সারারাত ঘুরিয়ে কাটাতে পারল না। ভোরবেলায় ঘুম ভেঙে গোসাইয়ার এই পরিবর্তন দেখে তার মা সন্দেহ করতে শুরু করল। গোসাইয়া এতো পরিবর্তন হয়ে গেছে যে তা বোঝা যায়।
গোসাইয়া প্রতিদিন জঙ্গলে গিয়ে সেই লোকের সাথে আনন্দের সময় কাটায়। সেই লোক গোসাইয়াকে ভালোবাসার পাশাপাশি পৃথিবীর বিভিন্ন আচার-আচরণ শেখাতে শুরু করল, মানুষের সাথে কথা বলতে হয় ইত্যাদি। সেই লোক গোসাইয়ার জন্য নতুন পোশাক নিয়ে আসত। গোসাইয়া খুব পছন্দ করত। একদিন তারা দুজন একটা গাছের নিচে বসে কথা বলছিল। তখন সেই লোক গোসাইয়াকে একটা বই দিল। বলল, "আমি তোমাকে সবকিছু শিখিয়ে দিয়েছি। যদি শারীরিক সুখ সম্পর্কে আর কিছু জানতে চাও তাহলে তুমি এই বইটি পড়তে পারো। তাতে শারীরিক সুখের সম্পর্কের সবকিছু বিস্তারিত লেখা আছে।" মাঝে মাঝে সেই শিশুটিকে দেখে ফেলত। তখন গোসাইয়া দৌড়ে যেত। লোকটি তাকে বলত, "তার দিকে মনোযোগ দিও না।" গোসাইয়া বাড়ি ফিরে সেই বইটি পড়তে বসে। ঠিক তখন তার মা সেই বইটি তার কাছে পেল এবং জিজ্ঞাসা করল, "তুমি এই বইটি কোথা থেকে পেলে?" গোসাইয়া জানালো, জঙ্গলে এক লোক এসে দিয়েছিল। তার মা খুব রেগে গেল এবং বলল, "আমি তোমাকে এসব করতে জঙ্গলে পাঠাইনি। তুমি গর্ভবতী হয়ে গেলে আমি তোমার সাথে কথা বলব না।"
এই কথা শুনে গোসাইয়া খুব রাগ পেল, কিন্তু সে তার মায়ের সাথে ঝগড়া করতে চায় না। তারপর তার মা বলল, "এবার আমরা চার্চে যাব এবং সেখানে তুমি ফাদারের সামনে সব কথা কনফেস করবে।" পরের রবিবার তারা দুজন চার্চে গেল এবং সেখানে গোসাইয়া ফাদারের সামনে তার সব কথা কনফেস করল। সে বলল, "নীতি অনুযায়ী সবকিছুই ঠিক নয়। কিন্তু আমি নিজেকে তার প্রতি আকর্ষিত করি এবং তার সাথে অনেকবার অন্তরঙ্গ হয়েছি। এই কারণে সব গুনাহ মাফ করুন।" এটা শুনে ফাদার তার মাকে বলল, "গোসাইয়া এখনও একটা শিশু এবং সে মাত্র যৌবনে পা রেখেছে। এ বয়সে ভুল হতে পারে। তুমি একবার গোসাইয়াকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাও এবং দেখো সে কি গর্ভবতী কিনা।"
ফাদারের কথা শুনে গোসাইয়ার মা তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেল। কিন্তু চেক আপ করার পর ডাক্তার যখন গোসাইয়ার মায়ের কাছে কিছু বলল না, তখন তিনি সম্পূর্ণরূপে হতবাক হয়ে গেলেন। ডাক্তার তার মাকে বললেন, "গোসাইয়া এখনও কুমারী এবং সে কারো সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেনি।" এটা মানে গোসাইয়া কারো স্পর্শও করেনি। কিন্তু গোসাইয়া যে সব কিছু করছে তা আসলেই ঠিক ছিল না। দিন রাত যখন গোসাইয়া তার ঘরে ঘুরে বেড়াত তখন সেই লোক গোসাইয়ার কাছে আসত এবং তাকে চুম্বন করত। গোসাইয়া তাকে দেখে বলল, "আমি চাই তুমি সব সময় পাশে থাকো।" এই কথা শুনে লোকটি বলল, "আমি এখানে তোমার সাথে আছি এবং আমি তোমাকে ছেড়ে কোথাও যাব না।" এই কথা বলে লোকটি হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে গেল। আর সেই অজানা লোক কিছুই নয়, এটা সব গোসাইয়ার কল্পনা। আমার জানা ক কিছু এমন ঘটনা দেখে গোসাইয়ার মনে একটা ভ্রান্তি, কারণ গোসাইয়া নন যৌবনে প্রবেশ করেছে এবং এই জন্য সে শারীরিক ঘনিষ্ঠতার প্রয়োজন অনুভব করলো। একাকীত্বের কারণে কল্পনা করতে শুরু করল এবং এই সিনেমা এখানেই শেষ হয়ে গেল। তো বন্ধুরা ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক দিয়ে চ্যানেলকে সাবস্ক্রাইব করে নতুন নতুন আপডেট পেতে থাকুন।