📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Surah Ya Sin || Part 12: Ayah 9 || The Barriers and Covering!!

Straight Path27:01

Transcription

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। সূরা ইয়াসিনের আট নাম্বার আয়াত পর্যন্ত আমরা দেখলাম আল্লাহ সুবহানা তায়ালা বর্ণনা করেছেন যে কিছু মানুষের জন্য আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তাদের জন্য যে প্রাপ্য শাস্তি সেটাকে তিনি ফিক্স করে দিয়েছেন। এটা থেকে তাদের কোন মুক্তি নেই। এবং তাদের অবস্থাটা হচ্ছে এরকম যে তারা কিছুতেই বিশ্বাস করবে না। তারা তাদের নিজস্ব রাস্তা পছন্দ করে নিয়েছে এবং আল্লাহ সুবহানা তা'আলার সুন্নাহ হলো যে যে রাস্তা পছন্দ করবে আল্লাহ সুবহানা তা'আলা সেটাই তার জন্য সহজ করে দিবেন সেটাকে অনুসরণ করা।

এবং এই পরিস্থিতিতে আল্লাহ সুবহানাতা সুবহানা তায়ালা বলছেন যে তাদের যে অবস্থা সেটা হলো প্রথমে তিনি বললেন যে তাদের গলার মধ্যে মোটা চেইন পড়িয়ে দেওয়া হয়েছে যেমন চেইন পড়িয়ে দেওয়া হয় কয়েদিদের গলার মধ্যে যে এমনভাবে সেই চেইন পড়িয়ে দেওয়া হয়েছে যে সেটা তার চিবুক পর্যন্ত উঠে গিয়েছে এবং এর ফলে তার মাথা হচ্ছে উদ্ধত হয়ে আছে যে অন্য অহংকার করে অন্যদেরকে হেও জ্ঞান তার মাথা যেমন উদ্ধত অবস্থায় উপরের দিকে থাকে তা এই তাদের শাস্তি হচ্ছে এটা যে তাদেরকে এরকম অবস্থার মধ্যে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা ফিক্স করে দিয়েছেন। এখান থেকে তাদের আর রেহাই পাওয়ার কোন সুযোগ নেই। আমরা একটু যদি ইমাজিন করি যে চিত্রটা এইযে গলায় যে মোটা চেইন পড়িয়ে দেওয়া হলো চিবুক পর্যন্ত তাহলে দেখতে পাবো যে তার মাথাটা উদ্যত হয়ে আছে তার চোখ শুধু উপরের দিকে সমান্তরালেই দেখতে পাচ্ছে। সে তার আশেপাশে কোন কিছুই আর দেখতে পাচ্ছে না।

এখানে নয় নাম্বার আয়াতে আল্লাহ সুবহানাতালা বলছেন, "আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম। বাহলা আমি তাদের সামনে ও পিছনে প্রাচীর স্থাপন করেছি। অতঃপর তাদেরকে আবৃত করে দিয়েছি। ফলে তারা দেখে না।" আট নাম্বার আয়াতের সাথে আমরা যদি এই নয় নাম্বার আয়াতটাকে মিলাই তাহলে দেখব যে আট নাম্বার আয়াতে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলেছেন যে তাদেরকে তাদের নিজেদের মধ্যে যে পরিবর্তনটা আসছে সেটা হচ্ছে যে তাদের মাথা উদ্যত অবস্থায় উপরের দিকে উঠে গিয়েছে। যে কারণে হচ্ছে তারা কোনদিকেই তাদের মাথা ঘুরাতে পারছে না। একটা অবস্থানে সেটা ফিক্স হয়ে গিয়েছে এবং চারপাশে কি হচ্ছে সেটা আর তারা দেখতে পাচ্ছে না। আর এখানে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন যে তাদের যে প্রতিবন্ধকতাকে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এত বেশি বাড়িয়ে দিয়েছেন যে তাদের একদিকে তারা তো ঘাড় ঘুরিয়ে মাথা ঘুরিয়ে কোনদিকে দেখতে পারছে না অন্যদিকে তাদের সামনে পিছনে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এমন দেয়াল দিয়ে দিয়েছেন এবং তাদেরকে উপর থেকে আবৃত করে দিয়েছেন যে তারা আর কিছুই এখন দেখতে পাচ্ছে না।

স পুরো সিচুয়েশনটা আমরা যদি ইমাজিন করি তাহলে বুঝতে পারব যে কি কঠিন একটা অবস্থার মধ্যে তারা পড়েছে এবং তাদের জন্য আসলে যেকোন সোর্স থেকে হেদায়েত পাওয়ার রাস্তাটাই আল্লাহ সুবহানাতালা যেন এখানে বন্ধ করে দিয়েছেন। আল্লাহ বলছেন, "ওয়াজনামিনবাহ সাদ্দা।" এখানে সাদ্দা শব্দটার অর্থ হচ্ছে একটা ব্যারিয়ার একটা প্রতিবন্ধকতা। একটা দেয়ালকে হচ্ছে সাদ্দা বলা হয়। সাদ হচ্ছে এমন একটা জিনিস যেটা হচ্ছে দুইটা জিনিসের মধ্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। অর্থাৎ দুইটা জিনিসকে কাছাকাছি আসতে যেই জিনিসটা বাধা দান করে সেই জিনিসটাই হচ্ছে সাদ। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে তাদের সেই কঠিন পীড়াদায়ক অবস্থার বর্ণনা দিচ্ছেন এবং তারা কেমন অভিশপ্ত সেটা আমাদেরকে বুঝিয়ে দিচ্ছেন।

আট নাম্বার এবং নয় নাম্বার আয়াত দুইটাতেই আমরা দেখি। বলা হচ্ছে জালনা আমরা মেক করেছি আমরা তাদেরকে এই অবস্থার মধ্যে নিয়ে এসেছি এবং এখানে কোন ধরনের প্রতিবন্ধকতার কথা আল্লাহ বলছেন ফাস্ট যে প্রতিবন্ধকতা ছিল অবস্টেকল ছিল সেটা হচ্ছে যে তাদের অহংকার তাদের এমন একটা পজিশনে রেখে দিয়েছে যে তারা সত্যকে আর দেখতে পাচ্ছে না আমরা যদি ফিজিক্যালিও চিন্তা করি যে তার মাথায় এমন অবস্থার মধ্যে রয়েছে সে আর তার সারাউন্ডিংসে কি আছে সত্যকে বুঝার মত কোন সোর্স তার কাছে আসতে পারছে না। আর এখন যে অবস্থাটার কথা আল্লাহ বলছেন সেটা হচ্ছে যে যদিও বা তারা চেষ্টা করে কিছুটা হলেও তাদের সামনে দেখতে পেত বা চোখ ঘুরিয়ে সাইডে দেখতে পেত। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তাদের এমন একটা ব্যারিয়ার এখন দিয়ে দিয়েছেন সে ব্যারিয়ারটা হচ্ছে এক্সটার্নাল ব্যারিয়ার যে তাদের সামনের দেয়াল পিছনের দেয়াল এবং তাদের উপর থেকেও ঘিরে দেওয়া হয়েছে।

এই যে ব্যারিয়ার বা এই যে বাধা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে সেই বাধাটা আসলে কি? এই বাধাটা আসলে তাদেরকে হুদা গাইডেন্স থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে। তাদেরকে ঈমান থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে। এবং এই যে তারা দূরে সরে গিয়েছে গাইডেন্স থেকে। হুদা থেকে তাদের ঈমান থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছে সেটা কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে সেটা সৃষ্টি হয়েছে তাদের ডিসঅবিডিয়েন্স থেকে তাদের আল্লাহকে অস্বীকার করা থেকে আল্লাহ দেওয়া নিষিদ্ধ গন্ডি মধ্যে চলে যাওয়ার কারণে তাদের গুনাহ তাদেরকে সেই প্রতিগন্ধকতা সৃষ্টি করে রেখেছে এবং আল্লাহ বলছেন এখানে যে মিন বাইনি আইডি তাদের সামনে একটা দেয়াল যে তাদের পিছনে একটা দেয়াল তাদের দেয়ালের মাঝে দেয়াল এবং দেয়ালটা হচ্ছে এমনভাবে অবস্থান করছে যে তাদের মাঝে এবং রেস্ট অফ দা ওয়ার্ল্ড এটার মাঝে হচ্ছে তারা এমনভাবে টাইটলি আটকা পড়ে গিয়েছে যে তাদের আর কোথাও নড়ার শক্তি নাই।

সো একটা পাওয়ারফুল ইমাজি আল্লাহ সুবহানা তায়ালা এখানে দিয়েছেন যে আমরা একবার চিন্তা করি যে ঘাটটা উঁচু হয়ে আছে মাথা নাড়াতে পারছে না সামনের দিকে তাকালে সে দেখতে পাচ্ছে একটা দেয়াল পিছনের দিকে সে যেতে পারছে না কারণ পিছনেও একটা দেয়াল তাহলে এই যে একটা সিচুয়েশন যে একটা সাফোকেটিং সিচুয়েশন সেখানে তার দম বন্ধ হয়ে আসা অবস্থা এটা কখনোই কারো জন্য কমফর্টেবল একটা লাইফস্টাইল হতে পারে না অথচ সেই কমফর্টেবল লাইফ সেই লাইফ স্টাইলটাই তারা গ্রহণ করে নিয়েছে। যদিও এখন তারা সেখানে বন্দি হয়ে আছে এবং সেখান থেকে বের হওয়ার কোন রাস্তা নেই যে তারা যেন এখানে লকড হয়ে আছে ট্র্যাপ হয়ে আছে যে একটা জায়গায় তারা এমনভাবে আটকা পড়ে গিয়েছে।

তারপরে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই জিনিসটাকে আরেকটু বাড়িয়ে দিয়েছেন বলে যেইনাহুম। এরপরে কি হয়েছে? তাদের সামনে তাদের মাথা হচ্ছে এক জায়গায় ফিক্স হয়ে আছে। তাদের সামনে দেয়াল তাদের পিছনের দেয়াল। আগাইনাহুম আমরা তাদের উপরে আগশা করে দিয়েছি। আগশাইনা হচ্ছে গাশিয়া যেটার অর্থ হচ্ছে কোন কিছু দিয়ে ঢেকে দেওয়া। তাহলে শুধু সামনে পিছনে সাইড থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছে না বরং উপর থেকেও তাদেরকে কিছু একটা দিয়ে কমপ্লিটলি কাভার করে দেওয়া হয়েছে যে উপর থেকে যে ডেইলাইট আসার কথা সূর্যের আলো আসার কথা সেটাও তারা তাদের কাছে আসছে না অর্থাৎ কমপ্লিটলি তারা এখানে অন্ধকার একটা জগতে ব্লাইন্ডনেসের মধ্যে চলে এসেছে এবং যে কারণে আল্লাহ বলছেন লা ইউসিরুন সো তারা দেখতে পায় না।

সো এখানে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা যে সিচুয়েশনটা আমাদের মাঝে দেখাচ্ছেন যে যারা হচ্ছে অবিশ্বাসী তারা এমন অবস্থার মধ্যে পড়েছে যে তাদের কোন দিক থেকেই কোন ধরনের আলো আসার সুযোগ নাই কোন হেদায়েতের উৎস রিসোর্স আসার তাদের কাছে সুযোগ নাই এবং তারা নিজেরাও টোটালি আনওয়ার যে তাদের চারপাশে কি আছে এখানে আমরা দেখি যে তাদের যে ডিপ রুটেড অবিশ্বাস কুফরি এবং তাদের মধ্যে শিরক এমনভাবে প্রবেশ করেছে যে সত্য তাদের আশেপাশে থাকার পরেও হচ্ছে তারা সেটাকে দেখতে পাচ্ছে না। তারা এমনভাবে মিথ্যার সাথে নিজেদেরকে জড়িত করে ফেলেছে যে তাদেরকে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সত্য আসার যেকোন ধরনের উৎসকে বন্ধ করে দিয়েছেন তাদের জন্য।

সো এখানে আমরা দেখি যে তাদেরকে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা মূলত তাদের মূল সমস্যাটা যেটা ছিল সেটা হচ্ছে মিসগাইডেন্স। তারা সঠিক পথে চলতে চায় নাই এবং ডিফারেন্ট ওয়েতে সে মিসগাইডেন্স তাদের কাছে চলে এসেছে ইন্টার্নালি এক্সটার্নালি এবং যে কারণে হচ্ছে ইন্টার্নালি এবং এক্সটার্নালি আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তাদেরকে হেদায়েতের পথ পাওয়ার রাস্তাও বন্ধ করে দিয়েছেন এবং এটার কারণ একটাই সেটা হচ্ছে যে তাদের ইগনোরেন্স তারা এত বেশি অহংকারী ছিল যে জন্য তারা হচ্ছে সত্যকে জানতে চায় নাই এবং যেটা তাদেরকে আরো বেশি মূর্খরতার দিকে নিয়ে গিয়েছে এবং যে কারণে তারা সত্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

আমরা যদি এই রূপক যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে যে প্রতিবন্ধকতাগুলোর কথা বলেছেন সেটাকে যদি আমরা আরেকটু ভালো করে বুঝতে চাই তাহলে দেখবো যে আমাদের সামনে যখন কোন বাধার কথা বলা হয় সামনে একটি দেয়াল আছে সেটা দিয়ে আসলে কি বুঝায় সেটাকে বলা হয়েছে এমনভাবে যে আমাদের সামনে কি আছে আমরা যা কিছু আমাদের সামনে দেখতে পাই আমরা আমাদের আশেপাশে যা কিছু রয়েছে ক্রিয়েশন অফ আল্লাহ আল্লাহ সুবহানাতায়ালার যত সৃষ্টি আছে সেগুলোকে আমরা দেখতে পাই এবং আল্লাহর সৃষ্টির দিকে আমরা যখন তাকাই কেউ যখন খোলা মনে আল্লাহর সৃষ্টি দেখে এবং এই সৃষ্টির মধ্যেই যে চেঞ্জগুলো আসছে সূর্য চাঁদ তারপরে হচ্ছে দিন রাত মানুষ নিজের সৃষ্টির দিকে যদি তাকায় তার সামনে যেভাবে হচ্ছে মাটি থেকে একটা বীজ থেকে চারা হচ্ছে সেই গাছ কিভাবে বড় হচ্ছে মানুষ যখন দেখে তার সামনে পাখি উড়ে যাচ্ছে এ প্রত্যেকটা জিনিস হচ্ছে তাকে হেদায়েতের পথে নেওয়ার একটা সুযোগ যে সে যখন চিন্তা করবে যে এগুলা কিভাবে সম্ভব হচ্ছে অবশ্যই চিন্তা করবে এর পিছনে একজন সৃষ্টিকর্তা রয়েছেন যিনি এই সমস্ত কিছুকে এত সুন্দরভাবে ম্যানেজ করছে।

সো আল্লাহর সৃষ্টি হচ্ছে ওয়ান অফ দা ওয়ে যেটা হচ্ছে আমাদেরকে হেদায়েত দান করতে পারে। আল্লাহ সম্পর্কে কিউরিয়াস করে। আল্লাহকে জানতে সাহায্য করে। আল্লাহ শক্তি উপলব্ধি করার সুযোগ আমাদেরকে দিয়ে দেয়। সো তাদের সামনে এমন একটা দেয়াল যে তারা কোন ধরনের সৃষ্টি আল্লাহ দেখতে পাচ্ছে না। তার মানে এই সৃষ্টি থেকে যেভাবে তার হৃদয় উন্মুক্ত হওয়ার কথা ছিল সেটা থেকে সে বঞ্চিত হচ্ছে। পিছনের দিকে একটা দেয়াল। পিছনে কি আছে আমাদের? আমাদের পিছনে আছে হচ্ছে আমাদের অতীত। আমাদের যুগে যুগে যত মানুষ এসেছে তাদের জীবনের ঘটনা। অর্থাৎ হিস্ট্রি। ইতিহাস হচ্ছে আমাদের পিছনে। তো তার পিছনেও একটা দেয়াল। যে দেয়ালের কারণে সে জানে না যে হিস্ট্রিতে কি আছে ইতিহাসে কি আছে সে জানে না যে কিভাবে বিভিন্ন জাতি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে সেই জাতির ধ্বংসাবশেষ দেখার তার কোন সুযোগ নাই সেটা সম্পর্কে তার জানার কোন সুযোগ নাই এমনভাবে তার পিছনে একটা ব্যারিয়ার চলে এসেছে।

অন দা টপ উপরের দিকেও হচ্ছে তাকে ঢেকে দেওয়া হয়েছে উপর থেকে কি আসে আমরা জানি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই সূরার মধ্যেই বলে দিয়েছেন যে উপর থেকে যে জিনিস আসে সেটা হচ্ছে নবুয়ত। সেটা হচ্ছে রেভলেশন। সেটা হচ্ছে আল্লাহর বাণী কোরআনের কথাগুলো বা যেকোন ধরনের যে আসমানি কিতাবগুলো আল্লাহর কাছ থেকে এসেছে সবই এসেছে উপর থেকে। তো উপর থেকে যে আলো আসার কথা নবুয়তের আলো আল্লাহ সুবহানাতালা কোরআনের কথাগুলো জানার কথা সেটাও তার জন্য বন্ধ।

তাহলে আমরা দেখি যে তিন ধরনের সোর্স রয়েছে আমাদের হেদায়েতের পথে যাওয়ার জন্য। একটা হচ্ছে আল্লাহ সৃষ্টি সম্পর্কে চিন্ত গবেষণা করা আরেকটা হচ্ছে অতীত জাতি সম্পর্কে জানা এবং সেখান থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া আমরা জানি ওয়াল আসর আল্লাহ সুবহানা তায়ালা সময় শপথ করেছেন সূরা আসরে আমরা যেন সময়ের সাথে সাথে যেই ঘটনাগুলো ঘটেছে সেগুলোর উপরে আমরা খেয়াল করি এবং সেখান থেকে আমরা জানতে পারি কোরআনের মাঝে আমরা দেখবো যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বারবার বারবার বিভিন্ন জাতির কথা উল্লেখ করেছেন তাদের ধ্বংসের কারণ সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন যেন আমরা সেখান থেকে শিক্ষা নেই। তাহলে সেকেন্ড যে ব্যারিয়ারটা সেটা হচ্ছে ইতিহাস জানা। বিভিন্ন জাতির অবস্থা জানা তাদের ভালো হবার অথবা খারাপ করার কারণগুলো জানা এবং সেখান থেকে নিজেদের রাস্তা চিনা সেটা হচ্ছে আমাদের সেকেন্ড সোর্স অফ গাইডেন্স। থার্ড সোর্স এবং সবচেয়ে স্ট্রংস্ট সোর্স যেটা সেটা হচ্ছে রিভলেশন। আল্লাহর পক্ষ থেকে যে বাণী আমাদের কাছে এসেছে কোরআনের কথাগুলো হচ্ছে আমাদের জন্য স্ট্রংেস্ট। রিসোর্স আমাদের হেদায়েতের পথে যাওয়ার জন্য কারণ এটাতে কোন ভুল নাই। কোরআনিল হাকিম আল্লাহ সুবহানাতায়ালা প্রথমেই আমাদেরকে এই ব্যাপারে গ্যারান্টি দিয়ে দিয়েছে যে ফুল অফ উইজডম এখানে কোন ভুল নাই এবং এখান থেকে আমরা হচ্ছে সবসময় হচ্ছে সঠিক পথের দিশা দিতে পারি।

তো এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে এই তিনটা যেই সোর্স আছে হেদায়েতের জন্য যার মাধ্যমে মানুষ সঠিক পথে গাইডেড হতে পারে এই অভাগাদের জন্য আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই তিনটা সোর্সই বন্ধ করে দিয়েছেন এবং যখন দেয়াল দিয়ে দিয়েছেন সে দেয়ালের ওই পাশে কি আছে দেয়ালের ওই পাশে আছে ঈমান দেয়ালের ওই পাশে আছে হেদায়া তারা সেটা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে যে কারণে হচ্ছে হেদায়েতের পথ তাদের জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তারা সত্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। যার কারণে আল্লাহ তাদের থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছেন।

তাহলে আমরা এখানে দেখতে পাচ্ছি যে এদের এই পরিণামের কারণ কি? আল্লাহ কিন্তু ইচ্ছে করেই তাদেরকে তাদের হেদায়েতের রাস্তা বন্ধ করে দেয় নাই। চার ওন ওয়ে যে তারা এটা পছন্দ করেছে। তারা কানে তুলু দিয়ে রাখত যেন রাসূল সাল্লাল্লাহু সাললাম যখন কোরআন পড়ে সেটা শুনতে না হয়। তাদের চোখের সামনে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এত উদাহরণ রেখে দিয়েছেন সেগুলো তারা চোখে দেখতো না সেগুলো বুঝার চেষ্টা করতো না তারা বিভিন্ন জাতির ধ্বংসাবশেষের পাশ দিয়ে যেত সফরের কারণে কিন্তু সেগুলো নিয়ে তারা চিন্তা করতো না সো তাদের নিজেদের অবহেলা এবং তাদের যে অহংকার সেই অহংকারের কারণেই তাদের জন্য এই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে তারা গুনাহর মধ্যে এমনভাবে লিপ্ত হয়ে গিয়েছে যে এই গুনাহ একটু একটু করে তাদেরকে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছে।

তাহলে তাদের এই যে দূরত্ব আল্লাহর সাথে সৃষ্টি হয়েছে আল্লাহর যেই আজাব দুনিয়াবী আজাব আমরা এখানে দেখতে পাচ্ছি যে সত্যকে না জানা সেটার কারণ হচ্ছে এই আল্লাহ সুবহানা তায়ালা থেকে দূরত্ব সৃষ্টি হওয়া গুনাহের কারণে। কিভাবে এটা হয়? আমরা যদি একটু চিন্তা করি তাহলে দেখবো যে, একটা কারণ হচ্ছে যে আমাদের হৃদয়ে হচ্ছে দাগ পড়ে যাওয়া। আমরা যখন কোন গুনাহ করি, মেজর সিন্স, মাইনর সিন্স, কবিরা গুনা, সগীরা গুনা আমরা যাই বলি না কেন আমরা যখন কোন গুনাহ করি এবং কন্টিনিউয়াসলি আমরা এটা করতে থাকি তওবা করা ছাড়া, তখন দেখা যায় যে আমাদের অন্তরের মধ্যে একটা দাগ পড়ে যায়। এবং যত করতে থাকি তত বেশি আমাদের অন্তরে দাগ পড়তে থাকে এবং ইভেনচুয়ালি দেখা যায় যে আমাদের হার্টটা হচ্ছে সিলড হয়ে গিয়েছে বন্ধ হয়ে গিয়েছে এটা একদম কালো হয়ে গিয়েছে যে সেখানে আর গাইডেন্স পৌঁছতে পারে না মানে হেদায়েতের আলো সেখানে বোঝার কোন সুযোগ থাকে না।

সেকেন্ড যে জিনিসটা আমরা দেখি সেটা হচ্ছে যে যখন মানুষ গুনাহের মধ্যে লিপ্ত হয়ে যায় তখন তার মধ্যে স্পিরিচুয়াল যে আনন্দ জয় সেটা হারিয়ে যায় অর্থাৎ অর্থাৎ সে যখন কোন ইবাদত করে সে ইবাদত করে সে সেখানে কোন আনন্দ পায় না সেটাতে তার কোন পরিতৃপ্তি হয় না নামাজ পড়ে সে হেলায় ফেলায় কোরআন পড়তে গিয়ে তার কোন আগ্রহ থাকে না এবং সেটা তার কাছে একটা বোঝা মনে হয়ে যায় এবং এভাবেই আস্তে আস্তে আল্লাহর সাথে তার দূরত্ব সৃষ্টি হয়।

থার্ড যে জিনিসটা আমরা দেখতে পাই সেটা হচ্ছে যে ফরজ কাজে অবহেলা করা যে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা যে কাজগুলো আমাদের জন্য ফরজ করে দিয়েছেন অবলিগেটরি করে দিয়েছেন যখন দেখা যায় যে আমরা গুনাহর মধ্যে এত বেশি লিপ্ত হয়ে যাই তখন আমাদের মধ্যে সে ফরজগুলা করার ব্যাপারে অবহেলা সৃষ্টি হয়ে যায়। যেমন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ায়। সে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার মধ্যে দেখা যায় হয়তোবা আগে রেগুলার নামাজ পড়তো। কিন্তু আস্তে আস্তে গুনাহ করার কারণে সে নামাজের প্রতি তার বিরক্তি চলে আসে। নামাজ পড়াটা তার কাছে অনেক কষ্টকর মনে হয়। একদিন দুইদিন করে আস্তে আস্তে একটা দুই এক ওয়াক্ত দুই ওয়াক্ত করে মিস করতে করতে শেষে দেখা যায় সে নামাজে ছেড়ে দিয়েছে অথবা আল্লাহ সুবহানাতায়ালা নির্ধারিত অন্যান্য হালাল হারামের ব্যাপারে সে কোন ধরনের পরোয়া করে না এবং যার মাধ্যমে সে আল্লাহ থেকে আরো দূরে সরে যায়।

ফোর্থ যে জিনিসটা আমরা দেখি সেটা হচ্ছে যে দুনিয়াবী যে আকর্ষণ রয়েছে সে আকর্ষণগুলো এত বেশি প্রবল হয়ে যায় তখন দেখা যায় যে সেই দুনিয়াবী ইচ্ছাগুলোকে বাস্তবায়ন করতে যেয়ে আমি যে আল্লাহকে অখুশি করছি সে কথাটা তখন আর খেয়াল থাকে না এবং সব কাজে দেখা যায় দুনিয়াবের যেই উদ্দেশ্যটা সেটাকে আমরা প্রায়রিটি দেওয়া শুরু করি সম্পদের লোভ তারপরে হচ্ছে আমাদের ফেম বা মানুষের কাছে ভালো হওয়ার যে ইচ্ছা সেসব করতে যেয়ে আমরা আমাদের স্পিরিচুয়াল যে পারপস যে আল্লাহ সুবহানাতালা সন্তুষ্টি অর্জন করা সেটা না করে মানুষকে খুশি করা নিজের যে ডিজায়ার বলা হচ্ছে যে আমার হাওয়া আমার যে আকাঙ্ক্ষা সেটাকে আমি ক্ষুদার উপরে হচ্ছে এখানে প্রাধান্য দিচ্ছি যে আমার মন কি বলে সেটা হলো সবচেয়ে বড় কথা আমার এখন মন বলছে এমন একটা জিনিস খেতে যেটা আমার জন্য ক্ষতিকর কিন্তু আমার যেহেতু ভালো লাগছে আমি সেটাই খাবো বা সেই কাজটাই করব কিন্তু সেটা আমার জন্য ক্ষতিকর জানার পরেও সেভাবে আস্তে আস্তে আমার আকাঙ্ক্ষাকে আমি এত বেশি প্রায়োরিটি দিতে থাকি দুনিয়াকে এত বেশি প্রাধান্য দিতে থাকি তখন হেদায়েতের রাস্তা থেকে আমি দূরে সরে যাই।

তারপরে যে ওয়েটা হতে পারে সেটা হচ্ছে যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার নির্ধারিত যে জিনিসগুলো সেগুলোর ব্যাপারে সেগুলোকে হচ্ছে ইচ্ছে করেই এবান্ডন করা। সেগুলো থেকে আমরা দূরে সরে যাওয়া। সেগুলোর প্রতি খেয়াল না রাখা। এটা হচ্ছে প্রতিনিয়ত যখন আমরা এই গুনাহ করতে থাকবো এবং কখনোই তওবা করার কথা আমাদের মাথায় আসে না তখনই দেখা যায় যে শয়তানের ইনফ্লুয়েন্স আমাদের মধ্যে অনেক বেশি বেড়ে যায় এবং সে কারণে হচ্ছে স্পিরিচুয়াল যে কোন জিনিস আমরা আমাদের শরীরকে এত বেশি প্রাধান্য দিতে থাকি যে আমাদের রুহের যে জিনিসগুলো দরকার রুহকে প্রশান্ত করে রুহের খাদ্য দেয় সেরকম জিনিসগুলো থেকে আমরা হচ্ছে আস্তে আস্তে দূরে সরে থাকি সরতে থাকি এবং এটাকে একটি স্পিরিচুয়াল পানিশমেন্টও বলা যায় এবং এই জিনিসগুলোর কারণেই দেখা যায় আমাদের এই যে ওয়াল সে ওয়ালগুলো একটা পর একটা বাড়তেই থাকে এবং আল্লাহর সাথে হেদায়েতের সাথে ঈমানের সাথে আমাদের দূরত্বটা বাড়তে থাকে।

আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সূরা আল লাইলে খুব সুন্দরভাবে এই জিনিসটা আমাদেরকে বুঝিয়ে দিয়েছেন। সেখানে তিনি দুই গ্রুপের কথা বলেছেন। একটা গ্রুপ হচ্ছে বিল হুসনা যে তারা হচ্ছে দান করে। তারা হচ্ছে আল্লাহকে ভয় করে। আল্লাহর কথা সবসময় স্মরণ করে এবং তারা হচ্ছে যেই জিনিসটা উত্তম সেই জিনিসটাতে বিশ্বাস করে। তখন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা কি করে? যেহেতু সে এই আল্লাহর দিকেই অগ্রসর হচ্ছে। আল্লাহর পছন্দনীয় জিনিসগুলোই করছে। ফাসানইয়াসহল ইউসরা তাকে সুখের বিষয়ের জন্য সহজ পথ দান করেন। এই যে ভালো কাজগুলো সে করতে আগ্রহী হয়, উদ্যোগ নিয়ে করতে চেষ্টা করে আল্লাহ তখন তার এই পথটাকে আরো সহজ করে দেন। সে আরো বেশি বেশি ভালো কাজ করতে পারে। আবার অন্যদিক থেকে আমরা দেখি যে বলা হয়েছে আরেকটা গ্রুপের কথা যেমাবালাবিল হুসনা ঠিক বিপরীত কাজগুলো সে কৃপণতা করে সে আল্লাহর দেওয়া সীমা নির্ধারণ নির্ধারিত সীমা থেকে সে দূরে সরে যায় এবং তারা কি করে যে ভালো জিনিসকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে ভালো জিনিস থেকে দূরে সরে থাকেল আল্লাহ তখন কষ্টের বিষয়ের জন্য তার পথটাকে সহজ করে দেন। অর্থাৎ আমি যে রাস্তা চুজ করব আমি যে জিনিসটাকে পছন্দ করব আল্লাহর সুন্নাহ হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সেই পথটাই আমাদের জন্য সহজ করে দিবেন সেটা ভালো হতে পারে সেটা খারাপ হতে পারে। সো যেটা আমি চুজ করব যেটাতে আমি আগ্রহ প্রকাশ করব আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সে রাস্তাটা আমাদের জন্য সহজ করে দিবে। সো আমাদেরকে আসলে এই ব্যাপারে খুবই সচেতন হতে হবে যে আমি আসলে কোন দিকে চলছি। তো আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছ থেকে আমাদেরকে সে সাহায্যই চাইতে হবে যে আমরা সঠিক পথটা যাতে বুঝতে পারি সেই পথে যাতে আমরা নিজেরা অটল থাকতে পারি।

তা আমরা দেখি যে কোরআন মাজিদে আল্লাহ সুবহানা তাআলা বারবার আমাদেরকে তার এই যে মিরাকুলাস সাইন্স গুলো রয়েছে সেই জিনিসগুলো নিয়ে তার সৃষ্টি আল্লাহ সুবহানাতায়ালার যে হিস্ট্রি এখানে আমাদেরকে জানার সুযোগ করে দিয়েছেন যে রিভিলেশন আমাদেরকে দিয়ে দিয়েছেন সেগুলোর কথা বারবার তিনি উল্লেখ করেছেন যে তোমরা চারদিকে তাকাও চারদিকে তাকালেই দেখবে তোমরা আরো বেশি বিনীত হবে তোমাদের দুর্বলতা বুঝতে পারবে তোমরা যে কত ক্ষুদ্র সেটা তোমরা বুঝতে পারবে কিন্তু এমনভাবে স্টাক হয়ে গেল যখন যে তার আর ঘাড় ঘুরানোর সুযোগ নাই তার চারদিকে তাকানোর সুযোগ নাই চারিদিকে শুধু অন্ধকার সামনে পিছনে হচ্ছে ওয়াল আমরা দেখি সাইডে ওয়ালের কথা কিন্তু আল্লাহ সুবহানাতালা এখানে বলেন নাই কারণ তার গলাটা মাথাটা এমনভাবে ফিক্স হয়ে আছে চেইন দিয়ে তার মাথা ঘুরানোর কোন সুযোগ নাই তো সাইড থেকেও তার কোন ধরনের হেদায়েতের আলো আসার সুযোগ থাকলো না এবং এই যে ট্র্যাপ সিচুয়েশনটা এই ট্র্যাপ সিচুয়েশনটা হচ্ছে নিজেদের তৈরি তৈরি করা। আল্লাহ সুবহানা তায়ালা সমস্ত গাইডেন্স দিয়ে দিয়েছে। কিন্তু সে ইচ্ছা করে এই বন্দি অবস্থার মধ্যে নিজেকে নিয়ে গিয়েছে। এটা তার চয়েস ছিল। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সে কারণে সেটাকে আরো বেশি বাড়িয়ে দিয়েছেন।

তো সুবহানাল্লাহ। এখানে আমরা এই আয়াতটার মধ্যে দেখি। আল্লাহ বলছেন ওয়াজলনা যে আমরা তাকে এই অবস্থার মধ্যে নিয়ে এসেছি। তাদের জন্য এই অবস্থাটাই সহজ করে দিয়েছি। সো এরকম একটা হরিবল সিচুয়েশনে তারা আছে এমন একটা সাফোকেটিং অবস্থার মধ্যে রয়েছে আল্লাহ বলছেন যে উই হ্যাভ পুট দেম ইন ইট যে আল্লাহ নিজে এটার সাথে কানেক্টেড করছেন। সো আল্লাহ কেন এটা করছেন? সো আল্লাহ কি চান না তারা বিশ্বাস করুক। তো আমরা যখন কোরআন পড়ি তাহলে দেখব যে এর মধ্যে যে থিমগুলো রয়েছে যে ওভারঅল যে গাইডেন্সের কথা আল্লাহ সুবহানা তায়ালা বলেছেন সেখানে আমরা দেখি এক নাম্বার হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতালা আমাদের জন্য হেদায়েত পাঠিয়ে দিয়েছেন সুস্পষ্টভাবে দ্বীনের মত সত্য এস ক্লিয়ার এস ডে যে তিনি তার দয়া পাঠিয়ে দিয়েছেন তার মেসেঞ্জার পাঠিয়েছেন নবী রাসূল পাঠিয়েছেন তিনি আমাদের চারপাশে বিভিন্ন ধরনের সাইন্স নিদর্শন আমাদের জন্য দিয়ে দিয়েছেন। সো এর মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা চান আমরা যাতে সত্যটাকে বুঝতে পারি এটা সবার জন্যই খুবই সুস্পষ্ট এবং খুবই এক্সেসিবল। কারো জন্যই আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই হেদায়েতের রাস্তা বন্ধ রাখেন নাই।

সেকেন্ড যে জিনিসটা আমরা দেখি সেটা হচ্ছে যে আমাদের চারপাশে এত নিদর্শন থাকার পরেও আমাদের আল্লাহ সুবহানা তায়ালায আমাদের বিভিন্ন ফ্যাকাল্টিস দিয়ে দিয়েছেন। যেটা হচ্ছে যে আমরা আমাদেরকে চোখ দিয়েছেন। আমাদেরকে কান দিয়েছেন। আমরা যাতে এগুলো বুঝতে পারি সেগুলোকে দেখতে পারি এবং এর মাধ্যমে হচ্ছে সত্যকে উপলব্ধি করতে পারি। স আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই ফ্যাকাল্টিস গুলো আমাদের চোখ কান আমাদের অন্তর এগুলোকে দিয়ে দিয়েছেন যাতে আমাদেরকে পরীক্ষা করতে পারেন যে আমরা আসলে আল্লাহর দেওয়া এই নেয়ামতগুলো দিয়ে সত্যটা দেখার চেষ্টা করি কিনা সত্যকে বুঝার চেষ্টা করি কিনা সত্যটা শোনার চেষ্টা করি কিনা সো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে বুদ্ধি দিয়েছেন। আল্লাহ আমাদেরকে জিনিস দেখে সেটাকে কম্প্রিহেন্ড করার শক্তি দিয়ে দিয়েছেন। সেটা নিয়ে চিন্তা করার শক্তি দিয়ে দিয়েছেন। আমাদেরকে হাঁটার শক্তি দিয়েছেন। আমাদেরকে অনুভূতি দিয়ে দিয়েছেন, বুঝার শক্তি দিয়ে দিয়েছেন। এত কিছু দেওয়ার পরেই আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে ছেড়ে দিয়েছেন। নাও ইটস ইউর ওন চয়েস। তুমি এখন তোমাকে আমি সেই শক্তি দিলাম যে তুমি নিজে তোমার ডিসিশন মেক করতে পারো। সূরা ইনসানে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এত সুন্দর করে বলে দিয়েছেন যে আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি মিশ্র শুক্র বিন্দু থেকে। এভাবে যে তাকে পরীক্ষা করব অতঃপর তাকে করে দিয়েছে শ্রবণ ও দৃষ্টি শক্তি সম্পন্ন। তাহলে এই যে আল্লাহ আমাদেরকে তৈরি করেছেন এই যে আমাদের চোখ কান দিয়ে দিয়েছেন সেটা কেন দিয়েছেন যে এর মাধ্যমে তিনি পরীক্ষা করছেন যে আমরা এটাকে কিভাবে ইউটিলাইজ করছি এবং তারপরে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন আমি তাকে পথ দেখিয়ে দিয়েছি এখন সে হয় কৃতজ্ঞ হয় না হয় অকৃতজ্ঞ হয় সো রাস্তা আল্লাহ সুবহানাতায়ালা দেখিয়ে দিয়েছেন এখন আমরা কি আল্লাহর কৃতজ্ঞ বান্দা হব নাকি অকৃতজ্ঞ বান্দা হব সো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা থার্ড যে জিনিসটা যে আমাদেরকে ক্লিয়ার চয়েস দিয়ে দিয়েছেন এখানে যে কি আমরা ডিসিশন নিব এখানে স আমরাই ডিক ঠিক করব আমরা কি ঈমানদার হব নাকি কাফের হব আমরাই ঠিক করব আমরা পুরোপুরি আল্লাহর আনুগত্য মেনে নিব নাকি একটু একটু করে মানব স এভরিথিং ওয়াস ক্লিয়ার এবং আল্লাহ সুবহানাতায়ালা পুরো ডিসিশন মেকিং ক্যাপাসিটিটা এখন আমাদেরকে দিয়ে দিয়েছেন এবং কেউ যদি পছন্দ করে যে না আমি অকৃতজ্ঞ হব আমি অবিশ্বাস করব এত কিছু দেখার পরেও এত কিছু জানার পরেও আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সেই জায়গাটাই সেই রাস্তাটাই তার জন্য সহজ করে দিবেন এবং এই অবস্থায় যখন সে চলতে থাকে তখন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তার কাছ থেকে এই হেদায়েতের যে উৎসগুলো রয়েছে সেগুলো তার থেকে দূরে সরিয়ে দিবেন।

তাহলে এখান থেকে আমাদেরকে আসলে বুঝতে হবে এই যে বাধার কথা আল্লাহ সুবহানা তায়ালা বলেছেন এটা এ কারণেই বলছেন যে আমি তোমাদেরকে সমস্ত কিছু দিয়েছি বুঝার জন্য যত ধরনের প্রয়োজনীয় উপকরণ আছে সমস্ত কিছু তোমার কাছে দেওয়া আছে এবং তোমাকে আমি ফ্রিডম অফ চয়েস দিয়েছি এবং তুমি যেই চয়েস এখানে মেক করেছো সে অনুযায়ী তোমার পরিস্থিতি আজকে এরকম আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আমাদের সবাইকে হেদায়েতের রাস্তায় অটল থাকার তৌফিক দিন। হেদায়েতের উৎসগুলো বুঝার তৌফিক দেন এবং এই নিয়ামত থেকে আমরা যেন কেউই বঞ্চিত না হই।