Transcription
এই আয়াতেরই পরে আমরা দেখতে পাচ্ছি বলা হচ্ছে ইন্না আনজালনাহু লাইলাতুল কদর যে আমরা এই কোরআনকে নাযিল করেছি। আমরা এটা নাযিল করেছি লাইলাতুল কদরে। এই যে লাইলাতুল কদর এবং পুরা সূরাটাই নামই হচ্ছে সূরা আল কদর। পুরা সূরাটাতে আমরা দেখি যে একটা বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে যেটা আমরা অন্য কোথাও দেখি না। সেটা হচ্ছে শুধুমাত্র কদরের বর্ণনা, কদরের সম্মান, কদর সম্পর্কে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা এখানে আলোচনা করেছেন।
তাহলে এই লাইলাতুল কদর বলতে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা কি বুঝিয়েছেন? কেন এই লাইলাতুল কদর শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে সেটা যদি আমরা বুঝতে পারি তাহলে পুরা সূরাটার গুরুত্ব আমরা আসলে বুঝতে পারব। সো লাইলাতুল কদরের যে বৈশিষ্ট্য বা সম্মান সেটা এই কোরআনের মধ্যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে সুস্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন। এবং এখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে বলছেন যে সারা দুনিয়ার জন্য, সারা দুনিয়ার বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের জন্য এটা হচ্ছে গ্রেটেস্ট এন্ড মোস্ট সিগনিফিকেন্ট ইভেন্ট। যে এটা এমন একটা ইভেন্ট যেটা হচ্ছে পুরো মানব মানবজাতিকে পরিবর্তন করে দিয়েছে। পুরো পৃথিবীর যে ম্যানেজমেন্ট, অর্গানাইজেশন, প্ল্যানিং সমস্ত কিছু চেঞ্জ হয়ে গিয়েছে। এবং এই একটা রাতই হচ্ছে মানুষকে পরিবর্তন করার জন্য যথেষ্ট। তারপর সমাজকে পরিবর্তন করার জন্য যথেষ্ট যদি আমরা এই রাতটাকে গুরুত্বের সাথে নিতে পারি।
এবং এই ব্যাপারে আমরা দেখি যে পরের যে চারটা আয়াত সেটা শুধুমাত্র এই লাইলাতুল কদরের উপরেই ফোকাস করে বলা হয়েছে। সো এখানে লাইলাতুল কদর, লাইলাতুন মানে হচ্ছে রাত, সেটা আমরা জানি। এখন কদর বলে সেই রাতটাকে বিশেষিত করা হয়েছে। সো কদরের রাত এবং কদর শব্দটাকে যদি আমরা বুঝতে পারি তাহলে হচ্ছে এই রাতটা সম্পর্কে আমাদের ভালো একটা জ্ঞান অর্জন করা হয়ে যাবে। সো এটা হচ্ছে কদরের রাত।
তাহলে কদর শব্দের অর্থ কি? কদর শব্দের অনেকগুলো অর্থ বলেছেন তাফসীরকারকগণ। একটা অর্থ যেটা হচ্ছে কদর শব্দের অর্থ যে এটা হচ্ছে পরিমাপ অথবা হচ্ছে তাকদীর এর অর্থ হতে পারে। সো এটা হচ্ছে এমন একটা রাত যে রাতে হচ্ছে ক্যালকুলেশন করা হয়। যে জিনিসটা হচ্ছে পরিমাপ করা হয়, গণনা করা হয়। সো যেই গণনা করার যে জিনিসটা যে এটা হচ্ছে পরিমাপ এবং ডিটারমিনেশন, স্টিমেশন এন্ড ডিটারমিনেশন। এই দুইটাই হচ্ছে এই কদর দিয়ে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। সো এখানে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা লাইলাতুল কদর বলছেন কারণ এই রাতটা হচ্ছে এমন রাত যেই রাতে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা নির্ধারণ করেন যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা পরবর্তী বছরের জন্য কি নির্দেশ পাঠাচ্ছেন এই পৃথিবীর জন্য, এই পৃথিবীর মানুষের জন্য। তো সুবহানাল্লাহ। এই রাতটা হচ্ছে সেই রাত যে রাতে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা হচ্ছে ফেরেশতাদেরকে জানিয়ে দেন যে পরবর্তী এক বছরের জন্য কোন বান্দার জন্য তিনি কি নির্ধারণ অথবা পৃথিবীর জন্য তিনি কি নির্ধারণ করে রেখে দিয়েছেন। সো এখানে আমরা দেখি যে এটা হচ্ছে এমন একটা রাত যে রাতটা হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার ডিসিশন জানিয়ে দেন ফেরেশতাদেরকে ফর রেস্ট অফ দা ইয়ার। আল্লাহ সুবহানা তায়ালা অলরেডি জানেন। অলরেডি হচ্ছে কার তাকদীরে কি আছে সেটা কলমকে লিখতে বলে দিয়েছেন। সৃষ্টির শুরুতেই কলম সমস্ত কিছু লিখে রেখেছেন এবং আমাদের জন্মের সাথে সাথেই আমাদের তাকদীর নির্ধারিত হয়ে গিয়েছেন। সেটা শুধুমাত্র আল্লাহ সুবহানা তায়ালা জানেন। এবং প্রতিবছরের জন্য সেই বছরের জন্য কি রিজার্ভ করে রাখা হয়েছে সেই ডিসিশনটা এক্সিকিউট করার জন্য ফেরেশতাদেরকে জানিয়ে দেওয়া হয় এই লাইলাতুল কদরে।
সো আমরা দেখি যে আমরা সবসময় যেটা করে থাকি আমাদের পরবর্তী বছরের জন্য নতুন বছরের জন্য আমরা প্ল্যান করে থাকি, গোল সেট করে থাকি, আমাদের লং টার্ম ভিশন কি হবে সে অনুযায়ী আমরা নেক্সট ইয়ারে কি করব এবং সামনে ১০ বছরে কি করব, আমাদের সারা জীবনে আমাদের লক্ষ্য কি সেটা আমরা ঠিক করে রাখি। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা অলরেডি জানেন যে আমাদের তাকদীরে কি রেখেছে রেখে দিয়েছেন। কিন্তু সেই প্ল্যানটা কি আল্লাহ সুবহানাতায়ালা প্রতিবছরের জন্য একটু একটু করে জানিয়ে দেন ফেরেশতাদেরকে এবং সেই জানানোর সময়টা হচ্ছে লাইলাতুল কদর। স এই লাইলাতুল কদরে হচ্ছে আমাদের তাকদীরকে ঘোষণা করা হয়ে থাকে। স এই রাতটা হচ্ছে আমাদের প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য অথবা জাতির জন্য অথবা পুরো বিশ্বের জন্যই হচ্ছে একটা এসাইনড ডে। যে সময় হচ্ছে ফেরেশতারা জানতে পারে সমস্ত প্ল্যানিং যে আমাদের সারা বছরে কি হবে। আমরা এই রমাদান থেকে পরের রমাদান পর্যন্ত আমাদের জীবনে কি আছে, আমাদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট কি কি আসছে এ সমস্ত কিছুই হচ্ছে এই প্ল্যানিং এর অংশ। এবং ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন যে চারজন এঞ্জেল বা ফেরেশতা রয়েছেন যারা হচ্ছে এই প্ল্যানিং এ কাজ করে থাকেন। তারা হচ্ছেন ইসরাফিল আলাইহিস সালাম, মিকাইল আলাইহিস সালাম, ইসরাইল আলাইহিস সালাম এবং জিবরাঈল আলাইহিস সালাম। তো এই যে ফেরেশতাদেরকে তখন জানিয়ে দেওয়া হলো এবং তাকদীর নির্ধারণ করা হলো। হল এজন্যই এ রাতটাকে কদরের রাত বলা হয়। কারণ এই রাতের ইবাদত আমাদের কদরকে নির্ধারণ করে দিতে পারে। কদরকে পরিবর্তনও করতে পারি। আমরা জানি যে কিছু তাকদীর রয়েছে যে জিনিসটা আমরা কোনভাবেই পরিবর্তন করতে পারবো না। কিন্তু কিছু জিনিস রয়েছে যেগুলো হচ্ছে আমাদের দোয়ার কারণে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা পরিবর্তন করে দিতে পারেন। সো এই রাতটা হচ্ছে সেই রাত যেই রাতের তাকদীর নির্ধারিত হয়ে থাকে এবং আমরা যদি ইখলাসের সাথে আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে দোয়া করতে পারি আল্লাহ সুবহানা তায়ালা সেই তাকদীর আমাদের পরিবর্তন করতে পারেন। আল্লাহ যেই অংশে পরিবর্তন চান সেই এই রাতের মধ্যে। সো এটা হচ্ছে এমন একটা রাত যেটা আমাদের ভাগ্য নির্ধারণ করছে এবং সেখান থেকে এর নাম লাইলাতুল কদর হতে পারে।
সেকেন্ড আরেকটা মিনিং যেটা সেটা হচ্ছে এই রাত কদরের অর্থ হচ্ছে সম্মান, নোবিলিটি, অনার, মাহাত্ব বুঝানোর জন্য। সো এই যে সম্মান কদরের রাতে সেই সম্মানের বিরাট একটা অংশ আসছে কোত্থেকে? এই সম্মানের বিরাট একটা কারণ হচ্ছে এই আল কোরআন। কারণ এই কোরআনকে এটাই হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে সম্মানিত বুক। যে বইটা হচ্ছে কেয়ামত পর্যন্ত প্রিজার্ভ থাকবে। যেটা হচ্ছে আমাদের জন্য গাইডলাইন। যে কোরআন ফলো করার মাধ্যমে আমরা আমাদের জীবনের পরিবর্তন আনতে পারি। সেই কোরআনকে বহন করে নিয়ে এসেছেন সম্মানিত ফেরেশতা জিব্রাইল আলাইহিস সালাম। সো এই কারণেই হচ্ছে এই রাতের এত সম্মান যে এই রাতে জিব্রাইল আলাইহিস সালামের মত সম্মানিত ফেরেশতা কোরআনকে নিয়ে এসেছেন। সো এই যে গ্রেটনেস, এই যে অনার, এই যে ডিগনিটি এই যে সম্মানের কথা বলা হয়েছে এই রাতটা হচ্ছে সে সম্মানটা আসছে হচ্ছে মূলত কোরআনের কাছ থেকে। সো এই কোরআনকে আমরা যত বেশি সম্মানের দৃষ্টিতে দেখব। সম্মানের দৃষ্টিতে দেখা মানে এই না যে কোরআনকে আমরা ভালো করে গিলাফ মুড়ে সবচেয়ে উঁচু তাকের মধ্যে রেখে দিব। কখনোই সেটা খুলে দেখবো না সেটা না। বরং কোরআনকে যে উদ্দেশ্যে আল্লাহ সুবহানা তাআলা আমাদের কাছে প্রেরণ করেছেন হুদাল্লিন্নাস যে আমাদের জন্য এটা গাইডলাইন হিসেবে আল্লাহ সুবহানা তাআলা দিয়ে দিয়েছেন। আমরা যখন কোরআনকে সেভাবে গাইডলাইন হিসেবে নিজেদের জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারবো তখন সেই সম্মান চলে আসবে আমাদের কাছে। এই মহিমান্বিত রাত, এই সম্মানিত রাতের সম্মান তখনই আসলে আমরা অনুধাবন করতে পারবো যখন আমরা কোরআনের কাছে ফিরে যাব। স একজন মানুষ যখন সে সেও হচ্ছে সে সম্মানের উপযুক্ত হতে পারে যখন সে তওবার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার মাধ্যমে এই রাতটাকে পরিপূর্ণভাবে ইউটিলাইজ করবে। এই রাতের যেই বিশেষত্ব সে বিশেষত্ব অনুযায়ী নিজের গুনাহ খাতাকে মাফ করিয়ে নিতে পারবে সেও হচ্ছে সম্মানিত হবে আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম বলেছেন যে তোমাদের মধ্যে সেই হচ্ছে সর্বোত্তম যে হচ্ছে কোরআন শিখে এবং কোরআন শিক্ষা দেয়। তাহলে এই কোরআন হচ্ছে আমাকে সম্মানের দিক থেকে আল্লাহ সুবহানা তাআলার চোখে অনেক উপরে নিয়ে যেতে পারে এবং আল্লাহ সুবহানা তায়ালা সেই বান্দাকেই পছন্দ করেন যে হচ্ছে আল্লাহর কাছে তওবা করে বারবার ফিরে আসে। সো এই রাতটা হচ্ছে কোরআনের সাথে নিজেকে একাত্ম করার রাত এবং এর মাধ্যমে কোরআনকে বুঝার কোরআন অনুযায়ী নিজেকে গড়ে তোলার শপথ নেওয়ার রাত। এবং এই রাতটা হচ্ছে আল্লাহর কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করে নিজেকে একজন পরিপূর্ণ মুমিন হিসেবে নতুন মানুষ হিসেবে আল্লাহর সামনে উপস্থাপন করা।
সো এর আরেকটি অর্থ যেটা সেটা হচ্ছে রেস্ট্রিকশন যে কনজেশন। যে এই রাতটা হচ্ছে বলা হয় যে এই রাতটা হচ্ছে একদম কনজেস্টেড হয়ে যাবে। কি কেন কনজেস্টেড হচ্ছে তার কারণ হচ্ছে পরবর্তী আয়াতে আমরা দেখব যে এই রাত হচ্ছে সেই রাত যে রাতে হচ্ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ফেরেশতারা হচ্ছে আসমান থেকে দুনিয়াতে চলে আসে। সো তারা এত অসংখ্য পরিমাণ ফেরেশতা এই দুনিয়ার বুকে আসে যে সেখানে তারা তাদের ডানা বিছিয়ে দেয় যে সেখানে তিল ধারণের স্থান পর্যন্ত থাকবে না। এজন্য আমরা দেখি যে লাইলাতুল কদরের একটা বর্ণনা এসেছে যে সে রাতটা কেমন হবে। সে রাতটা হবে প্রশান্ত। সে রাতে হচ্ছে তীব্র আলো থাকবে না। সূর্যের আলোটাকেও ম্লান মনে হবে সকালবেলা। তার কারণ হচ্ছে এত ফেরেশতা হচ্ছে সেদিন পৃথিবীর বুকে আসবে যে সেখানে কোন ধরনের শূন্যস্থান থাকবে না। সো কাদেরের অর্থ আরেকটা এটা হতে পারে যে সে ফেরেশতাদের সম্মানিত ফেরেশতাদের কথা এখানে বলা হচ্ছে যে এই সম্মানিত ফেরেশতারা এমনভাবে এখানে আসবে দেখার জন্য যে আল্লাহর কোন বান্দারা হচ্ছে আল্লাহর স্মরণে এই রাতটা কাটাচ্ছে। তার আরেকটা অর্থ হতে পারে বলা হয়েছে যে কদরের অর্থ হচ্ছে এপ্রিসিয়েশন অর্থাৎ এটাকে গুরুত্ব দেওয়া এটাকে হচ্ছে মূল্য দেওয়া। সো এটা হচ্ছে সেই রাত যে রাতটাকে হচ্ছে যে রাতটা হচ্ছে একজনের গুরুত্ব একজনের মূল্য বাড়িয়ে দিবে যে হচ্ছে আল্লাহ সুবহানা তাআলার ইবাদতে কাটাবে। সুবহানাল্লাহ। আমরা চিন্তা করি যে এমন একটা রাত যে রাতে জিব্রাইল আলাইহিস সালাম সহ অনেক অসংখ্য ফেরেশতা পৃথিবীর বুকে আসছে এবং এসে দেখছে যে আমরা অবহেলার সাথে এই রাতটা কাটিয়ে দিচ্ছি অথবা এমন কোন কাজ করছি যেটা আল্লাহর চোখে অপছন্দনীয় সেটা আমাদের জন্য আসলে কত অপমানজনক হবে। তো এই রাতটা হচ্ছে নাইট অফ এপ্রিসিয়েশন। যেই সময়টা আল্লাহ সুবহানাতায়ালা দিয়ে দিয়েছেন আমাদের জন্য এত বিরাট একটা সুযোগ দিয়ে দিয়েছেন যে আমাদের লাইফ স্প্যান হয়তোবা ৪০ থেকে ৬০ বছর এর মধ্যে আল্লাহ সুবহানাতালা এমন একটা রাত দিয়ে দিয়েছেন যে এক রাত ইবাদত করলেও আমরা হচ্ছে হাজার রাতের চেয়েও বেশি হচ্ছে এখান থেকে ফল পেতে পারি। তাহলে এইটাকে আমরা যদি এপ্রিশিয়েট করি তাহলে সেখান থেকে আমরা আসলে যদি একটু এফর্ট দেই একটু কষ্ট করে এই রাতটাকে গুরুত্ব দেই তাহলে আমাদের গুরুত্ব আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে কত বেড়ে যাচ্ছে এবং সে কারণে আমরা দেখি কদরে আরেকটা অর্থ হতে পারে সেটা হচ্ছে পাওয়ার অথবা শক্তি। সো এটাই হচ্ছে সেই রাত যে রাতে কোরআন এসেছিল এবং কোরআনেরই হচ্ছে সেই শক্তি যে শক্তি হচ্ছে একটা মানুষকে আমল পরিবর্তন করে দিতে পারে। শুধু একজন মানুষকে না ইন্ডিভিজুয়াল মানুষের জন্যই শুধু এটা প্রযোজ্য না একটা জাতিকে পর্যন্ত পরিবর্তন করে দিতে পারে এই কোরআন যদি আমরা কোরআনকে সঠিকভাবে ধারণ করতে পারি। স আল্লাহর উপরে পরিপূর্ণ বিশ্বাস এবং কোরআনকে সঠিকভাবে অনুসরণের মাধ্যমে আমরা আমাদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারি আমরা আমাদের স্বভাব পরিবর্তন করতে পারি আমরা আমাদের যে সমস্যাগুলো রয়েছে সে সমস্যাগুলো থেকে আমরা বের হয়ে আসতে পারি এবং এই রাতের দোয়া হচ্ছে আল্লাহর কাছে এত সম্মানিত যে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা সেই দোয়াকে কখনো ফিরিয়ে দেন না। এই রাতের চেয়ে পাওয়ারফুল রাত আর কি হতে পারে? এখান থেকে আমরা দেখি যে এটা যে স্পিরিচুয়াল ইমেন্স স্পিরিচুয়াল সিগনিফিকেন্স সেটা আমরা এই রাতের কদরের শব্দটার মধ্য দিয়ে দেখতে পাই। যেটা সূরা দোখে আল্লাহ সুবহানাতালা বলেছেন যে ইন্নাজালনাহুফ লাইলাতিম মোবারাকা। এখানে আমরা দেখি সেইম কথাই বলা হয়েছে যে আমরা এটাকে নাযিল করেছি লাইলাতুল মোবারকে। একটা বরকতময় রাতে নাযিল করেছি এবং ইন্নাকুন্না মুনজিরিন যে আমি নিশ্চয়ই সতর্ককারী। যে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা এর মাধ্যমে আমাদেরকে সতর্ক করে দিচ্ছেন যে এই যে সূরা আল কদরে তোমরা লাইলাতুল কদরের কথা পড়ছো এবং এই কদরের এত মহিমা এত গুরুত্ব এত অর্থ তোমরা দেখতে পাচ্ছ এটাই হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বিরাট উইজডম যে তোমাদের জন্য এটা পাঠিয়েছেন। এর মাধ্যমে তোমরা নিজেদেরকে সম্মানিত করতে পারো এবং তোমরা নিজেদের জন্য একটা বিরাট সুযোগ বের করে নিতে পারো।