📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Dua of Surah Al Imran: Ayah 16/C ||Be Aware of Consequences of Deeds||

Straight Path14:13

Transcription

তারপরে দ্বিতীয় যে অংশ এখানে আসে এই দোয়াটার মধ্যে সেখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে ক্ষমা চাওয়া হচ্ছে। এখানে যখন আপনি আপনার ঈমানের স্বীকৃতি দিলেন, তার মানে হচ্ছে আল্লাহ সুবহানা তাআলাকে আপনার প্রতিটা কাজের ব্যাপারে আপনি তার উপরেই সমস্ত কিছু সমর্পণ করে দিলেন, তার উপরে বিশ্বাস স্থাপন করলেন এবং সেই পথে চলার জন্য যে রেসপন্সিবিলিটি রয়েছে এবং তার যে শিক্ষাগুলো রয়েছে সেই শিক্ষাগুলো গ্রহণ করার ব্যাপারে ফলো করার ব্যাপারে এক বাক্যে নিঃশর্ত চিত্তে আমরা সেগুলো মেনে নিচ্ছি।

সো ঈমান আনার কারণে আমাদের উপরে কিছু কর্তব্য চলে আসে এবং সেই কর্তব্যগুলো পালন করার ব্যাপারে আমরা এখন আমাদেরকে সতর্ক হতে হবে। সো যখন আমরা একজন ঈমানদার বলে যে, "রব্বানা, আমি একজন হে আমার প্রভু, আমি একজন মানুষ এবং আমি পারফেক্টলি সবকিছু হচ্ছে পারফর্ম করতে পারি না আমার ঈমান অনুযায়ী কারণ আমাদের মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে। হে আমার প্রভু, আমার আমাকে ক্ষমা করে দিন যে জিনিসগুলো আমার নেগলিজেন্স অথবা এগন্সের কারণে হয়ে যাচ্ছে।"

রাসূল সাল্লাল্লাহু আ সাল্লাম আমাদেরকে শিখিয়েছেন যে, "তোমরা আল্লাহর ইবাদত করে এমনভাবে যেন তোমরা তাকে দেখতে পাও এবং যদি তাকে তোমরা দেখতে না পাও সেই ফিলিংসটা তুমি আনতে না পারো, এটা মনে করো যে আল্লাহ তোমাদেরকে দেখছেন।" সো যখন আমরা আমাদের কাজে থাকি এবং আমাদের বস অথবা সুপারভাইজার ঠিক আমার পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে, আমার কাঁধের উপর দিয়ে দেখছে আমি কি কাজ করছি? তখন আমরা কি পরিমাণ সতর্ক হব? তখন আমরা কি কোন ভুল করার চেষ্টা করব? চেষ্টা তো করবই না। আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের মধ্যে একটা চিন্তা থাকবে যে কোন ভুল যাতে না হয়ে যায়। আমার মা যদি আমার পাশে বসে থাকে তাহলে আমি এমন কোন জিনিস আসলে দেখবো না, এমন কোন মুভি বা এমন কোন সিন যে জিনিসটা হচ্ছে তাকে রাগান্বিত করবে।

একজন ঈমানদারের অবস্থা হচ্ছে এরকম যে সবসময় স্মরণ রাখতে হয়। আমি যখন ঈমানের স্বীকৃতি দিচ্ছি তখন সবসময় আমাকে স্মরণ রাখতে হবে যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাকে দেখছেন অথবা তিনি আমার সঙ্গে রয়েছেন। স আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে এভাবেই জানিয়েছেন যে, "হে আমার বান্দা, তুমি যদি চিন্তা করো যে আমি তোমাকে দেখি না, দেন তার মানে হচ্ছে এটা তোমার ঈমানের মধ্যে ভুল রয়েছে। এবং তুমি যদি চিন্তা করো যে আমি তোমাকে দেখছি এবং তারপরও তুমি অমান্য করো আমার নির্দেশ, দেন তার মানে তুমি আমাকে কি করছো? যে আমাকে অসম্মান দেখাচ্ছো।" লিস্ট অফ ইম্পর্টেন্ট অবজারভার হিসেবে যে তার চোখের সামনে আমরা কিভাবে অন্যায়গুলো করে যাচ্ছি এটা বিশ্বাস করার পরেও যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদের প্রত্যেকটা জিনিস দেখছেন, তিনি আসসামি, তিনি আল বাছি, তার তিনি আল আলিম, তার জ্ঞানের বাইরে কোন কিছু নয় সেটা জানার পরেও আমরা কিভাবে ভুল করে ফেলি।

এই জিনিসগুলো যখনই আমার ঈমান হচ্ছে পরিপূর্ণ হচ্ছে তখনই আমি এই জিনিসগুলো স্বীকার করব যে যদিও আমি আল্লাহর উপর বিশ্বাস করি। যদিও আমি প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যাচ্ছি তার নির্দেশমত চলার জন্য। কিন্তু তারপরেও দেখা যায় আমার ভুল হয়ে যাচ্ছে। আমাদের পা পিছলে যাচ্ছে। আমরা ভুল করে ফেলছি। কিন্তু এর কোনটাই হচ্ছে আমরা ইচ্ছে করে করছি না এবং সে কারণেই হচ্ছে আমাদের এই ভুলের জন্য আল্লাহ সুবহানা তাআালার কাছে প্রতিনিয়ত হচ্ছে আমরা অনুরোধ জানাবো হচ্ছে ক্ষমার জন্য। আমরা রিপেন্ড করব, তওবা করব আল্লাহর পথে ফিরে আসার জন্য চেষ্টা করব এবং এই ফেইথের ডিক্লারেশনের সাথে সাথেই আমরা এটাও স্বীকার করে নিচ্ছি যে ঈমান অনুযায়ী কাজ করতে গিয়ে আমার মাঝে দুর্বলতার কারণে ভুল হয়ে যাচ্ছে এবং সে ভুল থেকে আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি এবং সেজন্যই আমি কি বলছিলা মানে হচ্ছে কনসিকুয়েন্স কোন কাজের ফলাফল হিসেবে যে আমি ঈমান এনেছি, আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি কিন্তু তারপরও ভুল হয়ে যাচ্ছে কারণ আমি ইনসান, আমি ভুলে যাই তার কারণ হচ্ছে আমার ক্ষুদ্রতা রয়েছে আমার কাজের মধ্যে ভুল ত্রুটি হয়ে যাচ্ছে সে কারণে ফিরলানা সোফরগিভস আমাদেরকে ক্ষমা করুন। গফারা শব্দটার অর্থ হচ্ছে কভার করে দেওয়া, ঢেকে দেওয়া। অর্থাৎ আমি যে জিনিসগুলো ভুলগুলো করে ফেলছি তুমি সেগুলোকে ঢেকে দাও, আমাকে সেগুলো থেকে রক্ষা করো।

তারপরে বলছিবানাফলানা কি থেকে আমাদেরকে ক্ষমা করে দাও সেটা হচ্ছে শব্দটি এসেছে থেকে শব্দের অর্থ হচ্ছে লজ। কোন প্রাণীর লজ, কোন প্রাণী প্রাণী যেখানেই যায় তার লেজটা হচ্ছে তাকে ফলো করে। আমরা যে অন্যায়গুলো করে ফেলি ভুল ত্রুটিগুলো করে ফেলি এগুলোর একটা কনসিকুয়েন্স রয়েছে। এটা এমন না যে আমি করে ফেললাম এটা এখানেই শেষ হয়ে গেল। বরং এই অন্যায়ের একটা ফলাফল আমার জীবনে থাকবে, আমার জীবনের উপরে এটা প্রভাব ফেলবে অথবা আমার পরবর্তী কাজগুলোর উপরে প্রভাব ফেলবে এবং যার ফলস্মৃতিতে বিরাট যে ফলাফল অপেক্ষা করছে সেটা হচ্ছে পানিশমেন্ট। তো আমরা আল্লাহকে বলছি যে হে আল্লাহ, তুমি আমাদেরকে ক্ষমা করে দাও আমি যে কাজগুলো করছি সে ভুল কাজগুলোর গুনাহ এবং সে কাজের যে কনসিকুয়েন্স রয়েছে সেগুলো থেকে তুমি আমাদেরকে রক্ষা করো।

ইবনে কাসির বলেছেন যে এর মাধ্যমে ঈমানদারগণ আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে ক্ষমার জন্য। সেই ক্ষমা হচ্ছে তার যে ভুল শর্টকামিংস গুলো রয়েছে এবং তার জন্য সে কি করে? আল্লাহ সুবহানা তাআলার যে নেয়ামত বা রহমত সেটা তিনি যে আল গাফুর, আর রাহিম, আর রাহমান সেটার উপরে তারা নির্ভর করে তার কাছে এই দোয়াগুলো করে যায়। সো প্রত্যেকটা গুনাহ আমরা যদি করে করি, আমরা যা করি যে অন্যায় আমরা যদি করে করে থাকি তাহলে সেটার একটা কনসিকুয়েন্স রয়েছে এবং সে কনসিকোয়েন্স সে ফলাফলটা প্রত্যেকের ব্যক্তিগত জীবনের স্পিরিচুয়াল যে লাইফ, যে আত্মিক জীবন আমাদের আত্মার যে অবস্থান সেটাকে অশুদ্ধ বা বিশুদ্ধ করে নেয় এবং সেটার একটা ফলাফল রয়েছে সমাজের উপরে।

এর মাধ্যমে ইন্ডিভিজুয়ালি আমাদের কি ফল হয়? আমাদের অন্তঃশক্ত হয়ে যায়। আমরা আল্লাহর থেকে দূরত্ব অনুভব করি। আমরা আল্লাহর যে নেয়ামতগুলো রয়েছে সে নেয়ামত গুলো থেকে নেয়ামতগুলো থেকে বঞ্চিত হই এবং আমাদের জীবন হচ্ছে একটা পার স্ট্রাগলে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। আবার আমরা যদি সোসাইটাল লেভেলে চিন্তা করি তাহলে সেখানে দেখবো যে সেখানেও হচ্ছে সোশ্যাল যে হারমনি সেটা নষ্ট হচ্ছে, ক্রাইম বেড়ে যাচ্ছে, মোরাল ভ্যালু নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং তার মাধ্যমে মানুষ হচ্ছে আনফরগিভেবল সিন যেটা আল্লাহর সাথে শিরক সেটার মধ্যে চলে যাচ্ছে এবং সেইটার যে সিভিয়ারিটি অফ কনসিকোয়েন্স সেটাও তারা পরবর্তীতে দেখতে পায় তাদের নিজেদের মধ্যে এবং সমাজের মধ্যে।

সো এই প্রত্যেকটা জিনিসই হচ্ছে দুনিয়াবী কনসিকুয়েন্স এবং তার সাথে সাথে আমরা দেখি যে আখিরাতেও সেটার হচ্ছে ফলাফল রয়েছে যে প্রত্যেকটা গুনাহর জন্য সেখানে শাস্তি বরাদ্দ রয়েছে এবং আল্লাহ সুবহানাতায়ালার ইচ্ছা ছাড়া সেগুলো থেকে আমরা বাঁচতে পারবো না। তাহলে এই যে যে অন্যায় করছি অথবা তার যে ফলাফল রয়েছে সেটা থেকে আমরা যদি বাঁচতে চাই তাহলে ফাস্ট যে জিনিসটা আমাদেরকে করতে হবে আমাদেরকে যে অন্যায় করছি সেটা বুঝতে হবে এবং বুঝে সেটা থেকে আমাদেরকে তাওবা করতে হবে। তাওবা করে আমাদেরকে আল্লাহর পথে এমনভাবে ফিরে আসতে হবে যে আমরা আর কখনো সে গুনাহর মধ্যে নিমজ্জিত হবো না সেই ব্যাপারে আমরা দৃঢ়চিত্ত হব এবং সে গুনাহর সাথে সংশ্লিষ্ট সমস্ত কিছুই আমরা বর্জন করার জন্য চেষ্টা করব এবং এর মাধ্যমে দেখা যাবে যে আমরা আল্লাহর সাথে আরো বেশি নৈকট্য অর্জন করতে পারব আমাদের অন্তর পরিশুদ্ধ হবে এবং এর এই কাজকে জারি রাখার জন্য আমাদেরকে যেটা করতে হবে সেটা হচ্ছে বেশি বেশি করে আল্লাহর কাছে প্রতিনিয়ত ক্ষমা চাইতে হবে। আমাদের নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে হবে। কোরআনের মাধ্যমে আমাদের পথ সঠিক পথে রয়েছে কিনা সেটা আমাদেরকে জানতে হবে। অর্থাৎ প্রতি মুহূর্তে আল্লাহকে স্মরণ করার মাধ্যমে আমরা সেই সমস্যাগুলো থেকে নিজেদেরকে বাঁচিয়ে রাখতে পারবো।

আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন যে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন, "প্রত্যেক আদম সন্তান হচ্ছে গুনাহগার। কিন্তু তাদের মধ্যে সে গুনাহগারদের মধ্যেও সবচেয়ে উত্তম হচ্ছে যে খুব বেশি বেশি করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে।" অর্থাৎ আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা অনেক বেশি কাঙ্খিত, অনেক বেশি পছন্দের এবং সিনারদের মধ্যে গুনাগারের মধ্যেও আমরা আল্লাহর পক্ষ আল্লাহর কাছে নৈকট্য অর্জন করতে পারি। যখন আমরা এই তাওবা পথ অনুসরণ করি।

সূরা নুহ বলা হয়েছে যে, "ফাবাক্কুম ইন্নাহু যে অতঃপর বলেছি তোমরা তোমাদের পালনকর্তা ক্ষমা প্রার্থনা করো, তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল।" তাহলে আল্লাহ সুবহানাতায়ার কাছে ক্ষমা চাওয়াটা হচ্ছে আল্লাহর অত্যন্ত পছন্দের একটি কাজ যেটা সূরা ফুরকানে বলা হয়েছে, "কিন্তু যারা তওবা করে বিশ্বে স্থাপন করে এবং সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদের গুনাহকে পূণ্য দ্বারা পরিবর্তিত করে করেন করে দিবেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল এবং পরম দয়ালু।" সুবহানাল্লাহ। যে আল্লাহর নেয়ামত আমরা আসলে কখনোই চিন্তা করে শেষ করতে পারবো না যে আমরা ভুল করি সেটার জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং সেটার জন্য আল্লাহ দেখা যায় আমাদের জন্য দুনিয়া এবং আখেরাতে আরো অসংখ্য নেয়ামত বাড়িয়ে দেন। তো যখনই আমরা বুঝতে পারবো যে কোন ভুল করেছি তখনই আমরা ক্ষমা চাইয়ে নিব আল্লাহর কাছে এবং এই ক্ষমা চাওয়ার মাধ্যমে শুধু যে আমরা আখিরাতের ভালো ফলাফল লাভ করব তাই না, দুনিয়াতেও আল্লাহ আমাদেরকে রিজিককে আমাদের সন্তানের মধ্যে বারাকা দান করবেন এবং আমরা আরো বেশি আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতে পারবো।

তৃতীয় যে অংশ শেষ অংশে ফাইনালি আল্লাহ বলছেন যে সে বান্দারা তার কাছে দোয়া করে। সো এখানে আমরা দেখি বলা হচ্ছে যে, "আমাদেরকে রক্ষা করুন জাহান্নামের আজাব থেকে।" শব্দটা এসেছে শব্দ থেকে সেটা অর্থ হচ্ছে রক্ষা করা। সো আল্লাহ সুবহানা তাআালার কাছে আমরা সাহায্য প্রার্থনা করছি আখেরাতে সেই সিভিয়ার কনসিকোয়েন্স থেকে যে আল্লাহ জাহান্নামের যে আজাব সে আজাব থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া চাচ্ছি। এখানে যে আল্টিমেট রিওয়ার্ড যে জান্নাত সেটার কথা না বলে বরং আল্লাহর কাছ থেকে আমরা তার এপ্রুভাল চাচ্ছি যে তিনি যেন আমাদের প্রতি অসন্তুষ্ট না হন, তিনি যেন আমাদেরকে জাহান্নামের আগুনের মাঝে নিক্ষেপ না করেন।

রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন যে, "যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে তিনবার হচ্ছে জান্নাতের জন্য চায়, জান্নাত তখন বলতে থাকে যে, হে আল্লাহ তাকে তুমি জান্নাতে দাখিল করে দাও। আবার যে ব্যক্তি হচ্ছে তিনবার আল্লাহর কাছে জাহান্নাম থেকে রক্ষা পেতে চায়, জাহান্নাম বলতে থাকে যে, হে আল্লাহ তাকে তুমি জাহান্নাম থেকে রক্ষা করো।" সো আমাদেরকে প্রতিনিয়ত আসলে এই জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে চাইতে হবে এবং তার ফলস্মৃতিতে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আমাদেরকে সেই জাহান্নামের কঠিন আজাব থেকে রক্ষা করবেন।

স এই যে আয়াত এই আয়াতের মাধ্যমে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা একদিকে আমাদেরকে শিখাচ্ছেন কিভাবে বিনয়ী হতে হবে। আল্লাহর সামনে নতমস্তিষ্কে আমাদেরকে চাইতে হবে এবং সাথে সাথে আমাদের যে স্পিরিচুয়াল কনশাসনেস একজন মুত্তাকী হিসেবে সেটা কিভাবে বাড়াতে হবে। এখানে আমরা দেখি যে মুত্তাকীর পরিচয় হচ্ছে সে একনলেজ করে তার দুর্বলতাগুলো এবং সেজন্য আল্লাহ সুবহানা তাআালার কাছে ক্ষমা চায় এবং সেখান থেকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা পায় এবং সেটা তখনই সম্ভব যখন তার মধ্যে প্রোফাউন্ড আন্ডারস্ট্যান্ডিং থাকবে তার ঈমান এবং ঈমানের যে ইমপ্লিকেশন সেটার ব্যাপারে এবং এর মাধ্যমে আমরা দেখি যে আল্লাহর কাছে কনস্ট্যান্টলি চাওয়ার যে গুরুত্ব এবং আল্লাহর রহমতের উপরে নির্ভর করার কত গুরুত্ব সেটাও আমরা এখানে দেখতে পাই।

সো এই যে সূরা ইমরানের 16 নাম্বার আয়াত এটা শুধুমাত্র একটা দোয়া না, এটা আসলে একজন মুত্তাকীর যে দৃঢ় বিশ্বাস সে বিশ্বাসের প্রতিফলন করছে এখানে এবং এই এসেনশিয়াল এলিমেন্ট হচ্ছে ঈমানের যে এসেনশিয়াল এলিমেন্ট সেটা হচ্ছে তাওবা এবং আল্লাহর উপরে আশা রাখা এবং এখানে আমরা দেখি যে হাদিসে বলা হয়েছে যে প্রত্যেক রাতে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আসমানের শেষ অংশে রাতের শেষ তৃতীয়াংশে তিনি একদম নিকটতম আসমানে নেমে আসেন এবং তিনি বলতে থাকেন যে, "এখানে কেউ কে আছে যে আমার কাছে চাইবে সো আমি তাকে তার রিকোয়েস্ট দিয়ে সে যা কিছু চাইছে তা দিব। কেউ কে আছে যে আমার কাছে দোয়া করবে আমি তার দোয়া যাকে কবুল করে নিব। কেউ কি আছে যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে যে আমি তাকে ক্ষমা করে দিব।" সো এর চেয়ে বড় নিয়ামত আর কি হতে পারে যে রাজাধিরাজ যিনি হচ্ছেন আমাদের সমস্ত কিছু দেওয়ার মালিক তিনি নিকট ত আসমানে এসে আমাদের কাছে বলতে থাকেন আর জিজ্ঞাসা করতে থাকেন যে আমরা যদি তার কাছে যাই আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সেই সময়ের দোয়াকে অবশ্যই কবুল করে নেয়।

সূরা ইমরানে বলা হয়েছে 17 নাম্বার আয়াতে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই মুত্তাকীদের যে দোয়া সে দোয়ার পরেই বলছেন তাদের যে পরিচয় তারা হচ্ছে ধৈর্য ধারণকারী, তারা হচ্ছে সত্যবাদী, নির্দেশ সম্পাদনকারী, সৎপথে ব্যয়কারী এবং শেষ রাতে ক্ষমা প্রার্থনাকারী। তো সুবহানাল্লাহ যে এই দোয়ার মাধ্যমে আমরা জানছি যে কিভাবে আল্লাহর কাছে চাইতে হবে এবং তারপরেই আল্লাহ সুবহানা তায়ালা বলে দিয়েছেন যে যখন তারা এই জিনিস চায় তারা চেয়েই বসে থাকে না বরং এই চাওয়াকে প্রাপ্তিতে পরিণত করার জন্য তাদের যা করা প্রয়োজন সবর অবলম্বন করা, সত্যবাদী হওয়া, তাদের আল্লাহর নির্দেশ পালন করার ব্যাপারে সচেতন থাকা, আল্লাহর পথে ব্যয় করা এবং আল্লাহর কাছে প্রতিনিয়ত প্রার্থনাকারী হিসেবে তারা নিজেদেরকে কে পরিচিত করে এবং এর মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা তাদেরকে দুনিয়া এবং আখিরাতে সাফল্য দান করেন।