Transcription
স এটাই হচ্ছে আমাদের মেইন চাওয়া আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে। এবং এই চাওয়াটার জন্যই এতক্ষণ যে কথাগুলো বলা হয়েছে, সেই জিনিসগুলো হচ্ছে আমাদেরকে আমাদেরকে আল্লাহ সুবহানাতাআলার সামনে এ কথাগুলো চাওয়ার জন্য প্রস্তুত করার জন্য।
এখানে আমরা বলছি, "ফলি আমাদেরকে ক্ষমা করে দাও।" এই যে আমি তোমাকে রব হিসেবে মেনে নিচ্ছি, সেভাবে কাজ করছি। তোমাকে ইলাহ হিসেবে মেনে নিয়ে কাজ করছি। তুমি আমার সৃষ্টিকর্তা সেটা মেনে নিয়ে কাজ করছি। আমি পরিপূর্ণভাবে স্বীকার করছি যে আমি তোমার স্লেভ, আমি তোমার আব। এবং সেজন্য হচ্ছে আমি পরিপূর্ণভাবে তোমার কাছে যে প্রতিজ্ঞা করে এসেছি, সে প্রতিজ্ঞার ব্যাপারে আমি সচেতন। সেটা সে প্রতিজ্ঞা রাখার ব্যাপারে আমি সচেতন। তোমার নেয়ামতগুলোর ব্যাপারে আমি সচেতন। সাথে সাথে আমি এও জানি যে এত সচেতন থাকার পরেও আমার গুনাহ হয়ে যাচ্ছে, আমি ভুল করে ফেলছি। কিন্তু আবারও আমি তোমার কাছে ফিরে আসছি। সো, তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও।
স, এখানে আমরা আল্লাহকে সমস্ত কিছু বলার পরে যে, "এই কন্ডিশনগুলো সব আমি ফুলফিল করার জন্য চেষ্টা করছি। স, তুমি আমাকে এখন ক্ষমা করে দাও।" কারণ তুমি ছাড়া আর কেউ তো ক্ষমা করার মত নাই আমার। আমি তোমাকে ছাড়া আর কার কাছে চাইবো? এই যে হৃদয় থেকে এই কথাগুলো বের হয়ে আসা। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা চান যে এই কথাগুলো আমার অন্তর থেকে বের হয়ে আসুক। ঠোটের আগা থেকে না, শুধুমাত্র ঠোঁট চালিয়ে আমি এই কথাগুলো বলবো সেটা আল্লাহ সুবহানা তায়ালা চান না। বরং এই কথাগুলো আমার মন থেকে নিঃসরিত হতে হবে। সো, তুমি আমার অনলি লর্ড, অনলি ওয়ান টু ফরগিভ। তুমি ছাড়া আর কেউ এটা করতে পারে না। তুমি ছাড়া, তুমি যদি আমাকে ক্ষমা না করো, আমি কখনোই সন্তুষ্ট হবো না, কখনোই পরিতুষ্ট হবো না। বরং আমার ব্যর্থতাই শুধু থেকে যাবে। এইভাবে আল্লাহর কাছে আমাদেরকে সারেন্ডার করতে হবে।
সো, আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে এভাবে নিজেকে যখন আমি সমর্পণ করবো এবং তার কাছে ক্ষমা চাইবো, তখনই দেখা যাবে যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম বলেছেন, আবু দাউদের একটা হাদিসে যে, তোমার রব যিনি হচ্ছেন মোস্ট হাই, তোমার তার বান্দার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যান। যখন সে বান্দা বলে, "আমার গুনাহ ক্ষমা করে দাও, ফলি ফরগিভ মাই সিন্স।" যখনই এই কথা বলে, তখনই আল্লাহ সুবহানাতালা অনেক বেশি সন্তুষ্ট হয়ে যান। নো ওয়ান ফরগিভ সিন্স এক্সেপ্ট হিম। কারণ আমরা এটা স্বীকার করছি যে, আর কারো কাছে না, তোমার কাছে শুধু আমি ক্ষমতা ক্ষমা পেতে পারি এবং তোমার ক্ষমাটাই হচ্ছে আমার কাছে সবচেয়ে বেশি দরকারি।
এখানে আমরা দেখি যে, এই কথাটার মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার অপরিসীম দয়া, সে দয়ার উপরে আমি আশা রাখছি। সো, এই যে আল্লাহর উপরে আমার বিশ্বাস, সে বিশ্বাসটাই হচ্ছে আমার ঈমানকে জাগিয়ে রাখবে। এবং এখানে আমরা দেখি যে, আল্লাহর ব্যাপারে সুধারণা রাখাটা যে কত গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন যে, যে ব্যক্তি আল্লাহ সম্পর্কে সুধারণা রাখবে, আল্লাহ তার সম্পর্কে সুধারণা রাখেন। আল্লাহ সম্পর্কে যে খারাপ ধারণা করে, আল্লাহ তার সম্পর্কে খারাপ ধারণা করেন। সো, আল্লাহর ব্যাপারে সবসময় আমাদের সুধারণা রাখতে হবে। সবসময় পজিটিভলি চিন্তা করতে হবে। তাহলে দেখা যাবে যে, আল্লাহ সুবহানাতায়ালার যে রহমত, সেই রহমতগুলো আমরা পেতে পারছি।
এখানে ইব্রাহিম ইবনে আদহাম রহমতুল্লাহ আলাইহের জীবনের একটা ঘটনা এখানে উল্লেখ করছি। সেখানে একজন লোক তার কাছে গিয়েছিল এবং তাকে বলল যে, "হে আবু ইসহাক, আমি সারাক্ষণই নিজের উপরে গুনাহ করে যাচ্ছি। সারাক্ষণ গুনা ভুল করছি এবং যা আমাকে জীবন আমার জীবনকে উন্নত করতে পারে, সেগুলো থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছি।" তখন ইব্রাহিম রহমতুল্লাহ আলাইহি বললেন যে, "তুমি যদি পাঁচটা কন্ডিশন ফুলফিল করতে পারো, তাহলে কখনোই গুনাহ তোমার কোন ক্ষতি করতে পারবে না এবং তুমি তোমার ইচ্ছামত চলতে পারবা।" তখন সেই লোক খুবই হয়ে গেল সচেতন হয়ে গেল, খুব আগ্রহের সাথে জিজ্ঞাসা করল যে, "হ্যাঁ, পাঁচটা কন্ডিশন কি, সেটা আমাকে বলেন।"
তো এখানে আমরা দেখি যে, সে লোকের ব্যাপারে, সে নিজে আসলে বুঝতে পেরেছে যে সে গুনাহ করে যাচ্ছে এবং সেখান থেকে সে বের হয়ে আসতে চায় এবং তাকেই তিনি হচ্ছে এ পাঁচটা কন্ডিশন বললেন। তিনি বললেন যে, "প্রথম কন্ডিশন হচ্ছে যে, তুমি যদি আল্লাহকে অমান্য করতে চাও, তাহলে তুমি এটা মাথায় রাখবা যে যখনই তোমার আল্লাহকে অমান্য করার ইচ্ছা হবে, তুমি বলবা যে আমি তার দেওয়া কোন রিজিক থেকে খাবো না। আমি তার মানে, আল্লাহ যে রিজিক দিয়েছে, সেখান থেকে খাবো না। আমি নিজের মত করে খাবো।" তখন সেই লোক বলল যে, "তাহলে আমি কি খাবো? কারণ পৃথিবীতে যা কিছু আছে, সব তো তার কাছ থেকেই আসছে।"
তারপরে ইব্রাহিম রহমতুল্লাহ আলাইহি বললেন যে, "তুমি যদি তার দেওয়া রিজিক কি খাও, তুমি এবং সেটা তুমি এভয়েড করতে না পারো, তাহলে কিভাবে তুমি তাকে অমান্য করার সাহস করতে পারো।" স, তখন সে লোক বলল যে, "না, এটা আমার পক্ষে সম্ভব না।" তাহলে সেকেন্ড কন্ডিশন কি? তখন তিনি বললেন যে, "তুমি যদি আল্লাহকে অমান্য করতে চাও, তাহলে তার যেই মাটি, সেই মাটির কোথাও তুমি থাকবা না, সেটা তুমি চিন্তা করবা।" তখন সেই লোক বলল যে, "পূর্ব পশ্চিমে যা কিছু আছে, সেটা তো মানে, প্রথমটার চেয়েও তো এই কন্ডিশন আরো বেশি খারাপ। কারণ সমস্ত কিছুর বিলং করে হচ্ছেন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা। তাহলে আমি কোথায় থাকবো?"
তখন তিনি বললেন যে, "তুমি যদি আল্লাহকে অমান্যই করতে থাকো এবং অমান্য করতে থাকো, যখন তার দেওয়া রিজিক খাচ্ছ, তার দেওয়া জায়গার মধ্যে তুমি অবস্থান করছো, তাহলে তুমি এটলিস্ট তোমার দেখা উচিত এমন এক জায়গা, যেখানে হচ্ছে তিনি কোথাও দেখতে পাবেন না তোমাকে এবং তুমি সেখানে যেয়ে তাকে অমান্য করলা।" তখন তিনি সে ব্যক্তি বলল যে, "এটা কিভাবে সম্ভব? তিনি তো একদম গভীর যে জিনিসগুলো হচ্ছে, একদম সিক্রেট গোপন জিনিসগুলো সম্পর্কেও তিনি জানেন। মানুষের অন্তরে কি হচ্ছে, সে সম্পর্কে জানেন। তো এটাও তো আমার পক্ষে করা সম্ভব না।"
তারপরে বলল যে, তাহলে ফোর্থ কন্ডিশন কি? তখন তিনি বললেন যে, "যখন তোমার কাছে মৃত্যুর ফেরেশতা আসবে, তোমার রুহকে নিয়ে নেওয়ার জন্য, তুমি তাকে বলবা যে আমাকে কিছুটা সময় দাও, তাহলে আমি হচ্ছে সিনসিয়ারলি তওবা করব এবং কিছু ভালো কাজ করার সুযোগ পাবো।" তখন সেই লোক বলল যে, "তখন যখন এই সময় আসবে, তখন তো ফেরেশতা আমার কোন কথা শুনবে না। কারণ ফেরেশতার কাজই হচ্ছে আল্লাহর নির্দেশ মানা। যেই সময়ে তার আসার কথা, সেই সময় আসবে। সে তো কোন সময় আমাকে তখন দিবে না।"
তখন তিনি বললেন, ইব্রাহিম রহমাতুল্লাহ আলাইহে যে, "তুমি যদি তোমার মৃত্যুকে একটু দূরে সরিয়ে দিতে না পারো, একটু সময় নিতে না পারো, যে জন্য তুমি তওবা করবা, তাহলে তুমি কিভাবে মনে করো যে তুমি বেঁচে যাবা? কারণ তুমি তো গুনাহ করে এসেছো।" তখন সে বলল, "আচ্ছা, আমাকে ফিফথ কন্ডিশন কি, সেটা বলেন।" তখন ইব্রাহিম রহমতুল্লাহ আলাইহি বললেন যে, "যখন জাহান্নামের ফেরেশতা তোমার কাছে আসবে, বিচারের দিনে, তার সাথে যাবা না।" তখন সে বলল, "তারা তো আমাকে ছাড়বে না। আমাকে তো নিয়েই যাবে।"
তখন তিনি বললেন যে, "তাহলে তুমি কিভাবে এটা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য চিন্তা করো?" তখন সে বলল, লোক বলল যে, "থামো, থামো, দ্যাটস এনাফ ফর মি। আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে আমি ক্ষমা চাচ্ছি এবং অবশ্যই আমি তার কাছে তওবা করব।" তো সুবহানাল্লাহ। আমরা যদি এভাবে একটু চিন্তা করি যে, প্রতিনিয়ত প্রতিটি মুহূর্তে যার নেয়ামত ছাড়া একটা সেকেন্ড আমাদের পক্ষে টিকে থাকা সম্ভব না, আমরা কিভাবে তারকে অগ্রাহ্য করি, কিভাবে তাকে ভুলে যাই? ভুলে থাকা কিভাবে সম্ভব বা কিভাবে তার সমস্ত নিয়ামত উপভোগ করে, তারপরেও হচ্ছে অন্যায় করা সম্ভব?
তো আমরা যখন এভাবে সচেতন হব, আসলে প্রতিটা মুহূর্তে এই দোয়ার প্রতিটি কথা মনে রাখার জন্য চেষ্টা করব, তাহলে দেখা যাবে যে, এই যে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন যে, সকাল সন্ধ্যায় পাঠ করলে, সে হচ্ছে জান্নাতের বাসিন্দা হয়ে যাবে। একটাবার চিন্তা করেন যে, সকালবেলা আমি যখন এই কথাগুলো আন্তরিকভাবে বুঝলাম, বুঝে বললাম, আমার পক্ষে কি সম্ভব হবে কোন গুনাহের কাজে লিপ্ত হয়ে যাওয়া? তারপরে হয়তোবা আমি ভুলে যাচ্ছি। আমার মন থেকে এটা ফেইড হয়ে যাচ্ছে, অস্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে, আমি অসচেতন হয়ে যাচ্ছি। আবার আমি সন্ধ্যার সময় সে কথাটা মনে করলাম। তাহলে প্রতিনিয়ত আমি আসলে আল্লাহ সুবহানা তাআলাকে স্মরণ করার মাধ্যমে, আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে নিজেকে আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসতে পারছি এই দোয়ার মাধ্যমে।
এবং এ কারণেই এটাকে সাইয়েদুল ইস্তেগফার, সব ইস্তেগফারের বড় ইস্তেগফার বলা হয়ে থাকে। তো এখানে আমরা দেখি যে, এই সাইদুল ইস্তেগফার দোয়ার মাধ্যমে আমরা কি বেনিফিট পাচ্ছি? আমরা একদম শেষে যেয়ে দেখি, এই দোয়ার একদম শেষের অংশে যেয়ে আল্লাহর কাছে মাফ চাচ্ছি। কিন্তু প্রথম অংশটার প্রতি যদি আমরা খেয়াল করি, তাহলে দেখে দেখা যাবে যে, আমরা কি করছি? আল্লাহ সুবহানা তাআলার যে গ্রেটনেস, তার যে বিরাটত্ব, তিনি একাই যে সমস্ত ইবাদতের উপযোগী, সেটা আমরা স্মরণ করছি। আমরা স্মরণ করছি আল্লাহ সুবহানা তায়ালার সাথে কৃত ওয়াদা এবং সে তার মাধ্যমে তাকে আমাদের রব হিসেবে ঘোষণা করছি। আমরা আল্লাহ সম্পর্কে সবসময় সুধারণা রাখছি এবং আল্লাহ, আমরা আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে রক্ষা চাচ্ছি হচ্ছে সমস্ত আমাদের যত গুনাহ করেছি, সেগুলার গুনাহ থেকে এবং সেগুলার এভল কনসিকোয়েন্স থেকে।
আমরা আল্লাহ সুবহানা তাআলার নেয়ামতগুলোর কথা স্মরণ করছি এবং আমাদের যে শর্টকামিংস রয়েছে, আমাদের যে দীনতাহীনতা ক্ষুদ্রতা রয়েছে, আমাদের যে গুনাহ করার প্রবণতা রয়েছে, আল্লাহর ইবাদত করার ব্যাপারে আমাদের মধ্যে যে ভুল ত্রুটি হয়ে যায়, সেগুলো আমরা এখানে স্মরণ করছি। আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে কিভাবে ক্ষমা চাইতে হবে, সেটার একটা আদব এখানে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম আমাদেরকে দেখিয়ে দিয়েছেন যে, তার কাছে ক্ষমা চাইতে হলে আমাদেরকে ট্রুলি হাম্বল হতে হবে। তার কাছে বিনয়ী হতে হবে। তার কাছে নিজেকে সারেন্ডার করে দিতে হবে।
এই দোয়াটা আমাদেরকে শিখায় একজন মুমিনের মাইন্ডসেট কেমন হবে। এক অল্প কয়েকটা কথার মধ্য দিয়ে আল্লাহ এবং তার বান্দার মাঝে সম্পর্কটা যে কত সুন্দর এবং মজবুত হতে পারে, সেটা এই দোয়া আমাদেরকে শিখিয়ে দেয়। এই দোয়া আমাদেরকে শিখিয়ে দেয় আল্লাহ কে এবং আমরা কি, কত দুর্বল আমরা তার শক্তির কাছে। যখন আমরা এই দোয়াটা সকাল সন্ধ্যায় পড়বো, তখন তাওহীদের এ কথাগুলোকেই আমরা বারবার স্মরণ করছি, বুঝছি এবং মেনে চলার জন্য চেষ্টা করছি। স, আমাদের মূল যে বিশ্বাস, তাওহীদের বিশ্বাসটাকে আমরা আসলে আরো শক্তিশালী করছি।
এখানে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর মাধ্যমে এমন একটা নিয়ামতের সন্ধান আমাদেরকে দিয়ে দিয়েছেন যে, আমরা যদি প্রতিদিন প্রতি সকাল সন্ধ্যায় এই দোয়াটা পড়তে থাকি, পূর্ণ বিশ্বাসের সাথে, আমরা দেখব যে এখানে যে শর্তটা রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন, উইথ ফার্ম বিলিভ, অন ইয়াকিনের সাথে, যত আমরা আল্লাহর উপরে বিলিভটা করব, বিশ্বাস করব, তত বেশি তার উপরে আমাদের আস্থা বাড়বে, তত বেশি আমরা তার সন্তুষ্টির জন্য কাজ করতে পারব। সো, এটা শুধুমাত্র মুখে বুলি আউড়ানোর মত কোন কিছু না, বরং এটা অন্তর থেকে আসা দোয়া।
এবং সেটাকে আমরা চেষ্টা করব সকাল সন্ধ্যায় পড়ার মাধ্যমে, যখনই একজন আরেকজনের সাথে দেখা হবে, তাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে, আমাদের পুরো ফ্যামিলির মাধ্যমে মধ্যে আমরা যাতে এটা চর্চা বাড়াতে পারি, এ দোয়াটাকে আমরা বুঝতে পারি, আন্তরিকভাবে অনুধাবন করে এ কথাগুলো আল্লাহ সুবহানাতায়ালার সামনে আমরা বলতে পারি।