📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] || Historical events & Seerah || Part : 73 || LIFE OF PROPHET MUHAMMAD (SAW) ||

Straight Path23:49

Transcription

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের জীবনীর এ পর্যায়ে আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের জীবনের অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য একটি সময়। যেই সময়টাকে বলা হয় ইয়ার অফ গ্রিফ। রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লামের জীবনের অনেক কষ্টের একটি সময়। যেই সময়ে তিনি তার প্রিয়জনদেরকে হারিয়েছেন। কোন ধরনের সাপোর্ট সিস্টেম না থাকায় তিনি তায়েফে গিয়েছেন। সাপোর্ট খোঁজার জন্য। সেখান থেকে তিনি রক্তাক্ত হয়ে ফিরেছেন এবং যখন তিনি মক্কায় এসেছেন তখন তাকে সাপোর্ট দেওয়ার মত কেউ সেখানে ছিল না এবং তার নিরাপত্তার জন্য একজন অমুসলিম এগিয়ে এসেছিলেন এবং সেই পর্যায়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের জীবনে তার জীবনের অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য একটি ঘটনা ঘটে সেটা হচ্ছে ইসরা ও মেরাজ।

এই পরিস্থিতিতে আমরা একটু সেই সময়ের যেই হিস্টরিক ইভেন্টগুলো চলছিল এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের জীবনের সাথে সেগুলোর যে সমন্বয় আমরা দেখতে পাই সেটা সম্পর্কে একটু আলোকপাত করব যাতে হচ্ছে এই ইভেন্টগুলা বহির্বিশ্বের সাথে আমরা মিলিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের জীবনী এটাকে সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারি। আমরা যদি একটু পিছনের দিকে যাই ঈসা আলাইহিস সালামের সময়ের পরবর্তী সময়টাকে আমরা যদি চিন্তা করি তাহলে দেখবো যে সেই সময়ে ঈসা আলাইহিস সালামের জন্মেরও 54 বছর আগে থেকে রোম এবং ইরান রোমান এবং পার্শিয়ান সাম্রাজ্যের মধ্যে যুদ্ধ চলছিল ছিল এবং সেটা ইমরানের ফ্যামিলি জাকারিয়া আলাইহিস সালাম ইয়াহিয়া আলাইহিস সালাম ঈসা আলাইহিস সালামের সময়কে কাটিয়ে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের সময় পর্যন্ত এসেছিল এবং 700 বছর ধরে এই যুদ্ধ চলেছে এবং শেষ পর্যন্ত মুসলমানদের দ্বারা এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে এবং ঈসা আলাইহিস সালামের মৃত্যুর বেশ কয়েক বছর পরেই দেখা যায় যে রোমান সাম্রাজ্য বায়তুল মাকদাস অথবা জেরুজালেমকে দখল করে নেয়। 325 খ্রিস্টাব্দের দিকে দেখা যায় যে রোমান সাম্রাজ্য যাদের মধ্যে মূলত হচ্ছে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী ধর্মাবলম্বী ছিল তারা হচ্ছে জেরুজালেমে ইহুদিদেরকে ব্যান করে দেয় যে তারা সেখানে প্রবেশ করতে পারবে না এবং এরপরে আমরা দেখি যে যখন যেই বছর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম এর জন্ম হচ্ছে 570 খ্রিস্টাব্দে সেই বছরই হচ্ছে খুশ্রু পারভেজ যে তার জন্ম জন্ম হয় সো তারা দুজন একই সময়ে আসলে একই বছরে জন্মগ্রহণ করে থাকেন। তো আমরা দেখি যে বহির্বিশ্বের যে ঘটনাক্রম সেগুলো রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লামের জীবনের সাথে আসলে কিভাবে কানেক্টেড হয়ে গিয়েছে।

আমরা তার পরবর্তীতে দেখি যে 602 খ্রিস্টাব্দের দিকে সেখানে একটা বিরাট ঘটনা ঘটে। সেটা হচ্ছে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য অর্থাৎ রোম সাম্রাজ্যের যে সম্রাট ছিল মরিস তাকে হচ্ছে পরাজিত করে ফোকাস নামক আরেকজন লিডার। এবং তাদের নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ সংযত হয় এবং ফোকাস যখন ক্ষমতা দখল করে মরিসের কাছ থেকে তখন সে নির্মম হত্যাযোগ্য ঘটায় মরিসের সমস্ত ছেলে সন্তানদেরকে মেয়েদেরকে হত্যা করে এবং তার মাধ্যমে সে হচ্ছে সে সাম্রাজ্যটাকে দখল করে নেয় এবং এই পরিস্থিতিতে আমরা দেখি যে পার্শিয়ান যে রাজা ছিলেন খস্রু পারভেজ সে খস্রু পারভেজ তখন একটা এক্সকিউজ পেয়ে যায় বাইজেন্টাইন অথবা বা রোমান অটাক করার জন্য। সো সেখানে ফোকাসের কাছ থেকে রোম সাম্রাজ্যকে রক্ষা করার জন্য তখন খসরু পারবেজ অর্থাৎ ইরানের যে সম্রাট সে তখন তার সৈন্যবাহিনীকে এগিয়ে নিয়ে যায় তাকে ধ্বংস করার জন্য এবং এর মধ্যে আমরা দেখি যে ফোকাস ছিল এত জঘন্য একজন শাসক যে তার সময়ে হচ্ছে সে বিরাট হত্যাযজ্ঞ ঘটায় এবং এই সময়ে দেখা যায় যে সে বাইজেন্টাইন অথবা রোমানদের সাথে 603 খ্রিস্টাব্দে যেয়ে একটা যুদ্ধ শুরু করে দেয়। সো এই সময় দেখা যাচ্ছে যে অন্য যারা ছিলেন রোমান সাম্রাজ্যের তারা দেখতে পেল যে তাদের রোমান মিনিস্টার যারা ছিল তারা দেখতে পেল যে ফোকাস আসলে তাদের সাম্রাজ্যকে বা তাদের দেশকে রক্ষা করতে পারবে না। তখন তারা সাহায্য প্রার্থী হলো আফ্রিকান গভর্নরের কাছে। আফ্রিকান গভর্নর তখন হিরাক্লিয়াস নামে তার সন্তানকে পাঠালো। সেই ফোকাসকে কন্ট্রোল করার জন্য বা ফোকাসকে ক্ষমতাচুত করার জন্য এবং ফোকাস ক্ষমতাচুত হওয়ার পরে হীরালিয়াস হচ্ছে সেখানকার সম্রাটে পরিণত হন এবং সে যেভাবে মরিস সম্রাট মরিসের সাথে আচরণ করেছে ঠিক সেরকম আচরণই ফোকাসের সাথে করা হয় এবং এটা সংঘটিত হচ্ছে 610 খ্রিস্টাব্দে তাহলে সেই সময় হিরোক্লিয়াস হচ্ছে রোমান সম্রাট হয় এবং এই 610 খ্রিস্টাব্দে আমরা দেখি যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের কাছে নবুয়ত আসা শুরু হয় তাহলে আমরা এই দুইটা ঘটনাই পরপর এখানে দেখতে পাচ্ছি যে একই বছরে আবার হিরাক্লিয়াস হচ্ছে রোম সাম্রাজ্য দখল করে নেয় এবং তখন হিরাক্লিয়াস রোম সাম্রাজ্য দখল করার পরপরই খসরু পারভেজের কাছে হচ্ছে চিঠি পাঠায় এবং সেখানে খোস্রু পারভেজকে হচ্ছে তার নেতৃত্ব মেনে নেওয়ার জন্য আহ্বান করা হয় কিন্তু খোস্রু পারভেজ সেটা মেনে নেয় নাই এবং সে হচ্ছে যদিও ফোকাস সেখানে ছিল না খসু পারবেসের যুদ্ধ করার একটা এক্সকিউজ এটাই ছিল যে ফোকাসেরকে ফোকাসের মৃত্যু অথবা ফোকাসকে ক্ষমতাচুত করার যেটা হেরাক্লিয়াস নিজে সেটা করে দিয়েছেন। কিন্তু তারপরও দেখা গেল যে খুসরু পারভস হচ্ছে যুদ্ধটা কন্টিনিউ করে গেল। সো এই যুদ্ধটা আল্টিমেটলি যেটা হলো সেটা হচ্ছে যে অগ্নিপূজারী এবং খ্রিস্টানদের মধ্যে যুদ্ধে পরিণত হয়ে গেল এবং ইরানের যারা ছিল তারা ছিল হচ্ছে অগ্নিপূজারী এবং রোমান যারা ছিল তারা হচ্ছে খ্রিস্টান ধর্মের অবলম্বী। তো এই পরিস্থিতিতে আমরা দেখি যে রোমান সেই সময়ে যারা ইহুদি ছিল সেই ইহুদিরাও হচ্ছে খুশর আর্মিতে প্রবেশ করল। সাথে তারা একাত্মতা বোধ করল এবং সেই সময় দেখা গেল যে জুস যারা ইহুদি ছিল ইহুদিদের সংখ্যা প্রায় 26 হাজার এর মত ছিল এবং তারা হচ্ছে ইরান নিয়ে অথবা খুস পারবেজের সাথে এলাই তৈরি করল বা তাদের সাথে মিত্রতা স্থাপন করল জেরুজালেমে যেসব ইহুদি ছিল তারাও হচ্ছে তখন পারবেজের সাথে তারা মিত্রতা স্থাপন করল সেখানে।

এরপরে আমরা দেখি যে 613 খ্রিস্টাব্দে 613 খ্রিস্টাব্দে রাসূল সাল্লাল্লাহু আ সাল্লামের জীবনের ঘটনা কি ছিল? সেই সময় তিন বছর পরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম তার যে নীরব দাওয়াত সেখান থেকে বের হয়ে তিনি পাবলিক দাওয়াত শুরু করেছিলেন। আর অন্যদিকে আমরা যদি রোমান এবং পার্শিয়ান সাম্রাজ্যের দিকে তাকাই তাহলে দেখব যে হিরাক্লসের কাছে ফাস্ট নিউজ আসলো যে পার্শিয়ান বা ইরান ইরান সাম্রাজ্য তখন হচ্ছে এন্টিউক দখল করে নিয়েছে এবং এন্টিউক দখল করার পরেই হচ্ছে ডেমাস্কাসের পতন ঘটে সেখানে এবং সেখানে হচ্ছে ইরানীরা তখন জেরুজালেম দখল করে নেয় এবং যখন তারা জেরুজালেমকে দখল করে নেয় তখন হচ্ছে সেখানে এখানে প্রায় 9 হাজার খ্রিস্টানকে তারা হত্যা করে এবং তখনকার সময়ের জন্য যদি আমরা চিন্তা করি তাহলে 9 হাজার খ্রিস্টিয়ানকে তলোয়ারের মাধ্যমে হত্যা করা সেই সময়টা আসলে কত জঘন্য ছিল এবং কি পরিমাণ রক্তপাত সেখানে ঘটেছিল সেটা আমরা দেখতে পাই এবং তারা যে কাজটা করে যে সেখানে তখন জেরুজালেম থেকে অরিজিনাল যে ক্রস ছিল যেটা বলা হয় যে ঈসা আলাইহিস সালামকে যেই ক্রসে রেখে তারা হত্যা করার চেষ্টা করেছিল সেই ক্রসটা তারা হচ্ছে চুরি করে নিয়ে যায়। সো ওইখানে যারা হচ্ছে যে প্রিস্ট ছিল চিফ প্রিস্ট জাকারিয়া তাকে প্রিজনার হিসেবে নিয়ে যায়। পুরো সিটিটাকে তারা একটা ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে দেয়। এবং এই সময় খুস পারবেজ তার বিজয়ে এত বেশি গর্বিত হয়ে পড়েছিল যে সে তখন হিরাক্লিয়াসকে একটা চিঠি পাঠায় জেরুজালেম দখল করার পরে যে সে লিখে যে ফ্রম খোসু। খসুর কাছ থেকে দ গ্রেটেস্ট অফ অল গড। যে সব গডের মধ্যে যে সবচেয়ে বড় গড মাস্টার অফ দা হোল ওয়ার্ল্ড যে রাব্বুল আলামীন সে নিজেকে রাব্বুল আলামীন হিসেবে ঘোষণা করছে যে হিরাক্লিয়াস যে হচ্ছে তার মোস্ট রেচেড এন্ড মোস্ট স্টুপিড সার্ভেন্ট যে হিরাক্লিয়াসকে সে এভাবে পরিচিত করছে যে হচ্ছে সবচেয়ে নিকৃষ্ট এবং সবচেয়ে বোকা দাস তুমি যদি বল যে তুমি আল্লাহতে বিশ্বাস করো তাহলে হচ্ছে তাহলে হচ্ছে তোমাকে মাকে হচ্ছে পরিশ্রমণ দেওয়া হবে। সরি তাকে বলা হলো যে তুমি যদি তুমি যদি এটাই বলে থাকো যে তোমার লর্ড লর্ডের উপরে বা তোমার রবের উপরে তুমি বিশ্বাস করো তাহলে তোমার রব কেন জেরুজালেমকে রক্ষা করে নাই তোমার জন্য। তো এখানে আমরা দেখি যে তার যে অধ্যত্ব এখানে প্রকাশ পেয়েছে সেই জিনিসটা সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে এবং সে নিজেকেই হচ্ছে গড বা নিজেকেই হচ্ছে সমস্ত কিছুর মালিক বলে ঘোষণা করতে থাকে। আসলে তখন এমন একটা অবস্থার মধ্যে পড়ে গিয়েছে যে সে তখন ক্রিস্ট্রিয়া খোস্রু পারভেজের কাছে হচ্ছে সে আবেদন নিবেদন করতে থাকে যে তাকে এবারের জন্য ক্ষমা করে দেওয়ার জন্য এবং সে তার উপরে যাতে তাদেরকে যাতে দখল করে না নেওয়া হয় এবং কোস্ট্রু পারবেস তখন তাকে বলে যে এটা ততক্ষণ পর্যন্ত হবে না আমি ততক্ষণ পর্যন্ত থামবো না যতক্ষণ পর্যন্ত না তোমার ঘাড়ে আমার পা থাকবে এবং তোমার পুরা রাজত্ব আমার হাতে চলে আসবে। সো এখানে আমরা দেখি যে খুসরু পারভেজের যে উদ্যত্ব সেটার সাথে সাথে তার যে অবিশ্বাস আল্লাহর প্রতি সেটাও এখানে প্রকাশিত হয়ে গিয়েছে এবং হিরাক্লিয়াস যে হচ্ছে তখন রোমান সাম্রাজ্যের অধিকারী ছিল তার কত খারাপ অবস্থা ছিল এরকম ঘটনা পরস্পর আমরা দেখতে পাই যে 615 খ্রিস্টাব্দে সেই সময় হচ্ছে মুসলমানদের জন্য খুব কঠিন একটা অবস্থা যাচ্ছিল যেই সময় তাদের উপরে ফিজিক্যাল টর্চার খুব চরম অবস্থার মধ্যে চলে গিয়েছিল এবং যার পরিস্থিতিতে আমরা দেখি যে সুমাইয়া রাদিয়াল্লাহ আনহার শাহাদাত ঘটে তখন এবং সেই সময়ে তাদের সেই কাফেরদের অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য সাহাবাদেরকে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম আবিসিয়া হিজরত করার পারমিশন দেন। সো এদিকে মুসলমানদের অবস্থা দেখি যে তারা সেখানে কি পরিমাণ নির্যাতিত হচ্ছিল এবং যে কারণে তাদেরকে হিজড়া করতে পারমিশন দেওয়া হয়েছিল এবং 615 খ্রিস্টাব্দে আমরা যেয়ে দেখি যে রোমানরা পরাজিত হল। সো এই সময়ে কুরাইশরা হচ্ছে ইরানিয়ানদের সাথে পার্শিয়ানদের সাথে তাদের মিত্রতা ছিল। দুইটা গ্রুপই হচ্ছে শিরকের বিশ্বাসী বিশ্বাসী ছিল এবং কোরাইশিয়া তখন ইরানিয়াদের বিজয়ে তারা উল্লাস প্রকাশ করছিল। আর অন্যদিকে আমরা দেখি যে আবু জাহেল সে হচ্ছে মুসলমানদেরকে তখন মক করছিল। মুসলমানদেরকে ধিক্কার দিচ্ছিল যে তোমরা যে এক আল্লাহতে বিশ্বাস করো দেখো পৃথিবীর অবস্থা দেখো যে সেখানে তারা কিভাবে যারা এক আল্লাহয় বিশ্বাস করে তারা কিভাবে আজকে হেনস্থা হচ্ছে কিভাবে পরাজিত হচ্ছে। তো আমরা দেখি 614 15 খ্রিস্টাব্দে পার্শিয়ান সম্রাট খুশু খুশু দুই বলা হয়ে থাকে সে হচ্ছে বাইজেন্ট এম্পায়ার অর্থাৎ রোমান সাম্রাজ্যকে পরাজিত করে জেরুজালেম এবং সিরিয়াকে হচ্ছে দখল করে নেয় এবং সমস্ত সেখানে যা কিছু ছিল সমস্ত কিছুকে তারা ধ্বংস করে দেয় এবং অন্যদিকে মুসলমানরা হচ্ছে কুরাইশদের দ্বারা তখন হচ্ছে বিভিন্নভাবে অবহেলিত লাঞ্ছিত এবং নির্যাতিত হচ্ছিল এবং তারা বিভিন্নভাবে তাদেরকে অপমান অপমানিত করার চেষ্টাও করছিল।

ঠিক আরেকটু পরে আমরা যখন যাই দেখি যে 619 খ্রিস্টাব্দের দিকে সেই সময়ে যেই সময়টা হচ্ছে আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লামের জীবনে দেখেছি যেটাকে বলা হচ্ছে যে ইয়ার অফ গ্রিফ যেটা হচ্ছে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লামের কষ্টের বছর। যেই বছরে তারা হচ্ছে এর আগেই হচ্ছে শিবে আবু তালিবে তারা অন্তরীণ ছিল। তারপরে হচ্ছে আবু তালিবের মৃত্যু ঘটে। খাদিজা রাদিয়াল্লাহ আনহার মৃত্যু ঘটে তার যে বিরাট সাপোর্ট সিস্টেম ছিল রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লামের জন্য সেটা আমরা দেখি যে শেষ হয়ে গিয়েছে এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম খুবই অনিশ্চিত একটা অবস্থার মধ্যে পড়ে গিয়েছিলেন যে কারণে তখন তিনি তায়েফে গমন করেছেন তাদের কাছ থেকে কোন সাপোর্ট পাওয়া যায় কিনা সেটা দেখার জন্য। তো সুবহানাল্লাহ এখানে আমরা দেখি যে একদিকে মুসলমানদের অবস্থা মক্কাতে করুণ এবং অন্যদিকে হচ্ছে বহির্বৃশ্যের দিকে আমরা যদি তাকাই সেখানে যারা হচ্ছে আল্লাহতে বিশ্বাসী ছিল তাদের অবস্থাও হচ্ছে খুবই করুণ এবং তারা বিভিন্নভাবে পরাজিত হচ্ছিল এবং অন্যদিকে আমরা দেখি যে যখন হচ্ছে রোমান সাম্রাজ্য হচ্ছে খুশু পারবেজ দখল করে নিচ্ছে তখন হেরাক্লিয়াস একটা ট্রিটির জন্য তার কাছে আহ্বান করলো যে এক ধরনের শান্তি চুক্তিতে আসার জন্য কিন্তু খুশ্রু পারভেজ হচ্ছে কোনভাবেই হচ্ছে সেটাতে রাজি হলো না এবং শেষ পর্যন্ত আমরা দেখি যে হিরাক্লিয়াস হচ্ছে এত এত জঘন্যভাবে পরাজিত হলো যে সে কনস্ট্যান্টিনোপাল থেকে বের হয়ে এখনকার যে টিউনিস সেখানে যেয়ে সে আশ্রয় গ্রহণ করে। সো এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে এমন একটা অবস্থা যেই সময়ে কোনভাবেই এটা চিন্তা করার সুযোগ নাই যে রোমানরা কখনো ইরানকে পরাজিত করবে। পাশিয়ান সাম্রাজ্যের উপরে তারা ডমিনেটিং হবে সেটা চিন্তা করার কোন সুযোগই নাই। এত কঠিন খারাপ একটা অবস্থার মধ্যে রোমান সাম্রাজ্য চলে গিয়েছিল যে আগামী সাত থেকে সাত আট বছরেও হচ্ছে এটা কোন পরিবর্তন হবে সেটা চিন্তা করাই যাচ্ছিল না।

এই সময়ে আমরা দেখি যে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম 622 খ্রিস্টাব্দে মক্কা থেকে মদিনাতে মাইগ্রেশন করার যে চেষ্টা সেই চেষ্টা শুরু করেন এবং সাহাবারা অলরেডি হচ্ছে সেই হিজরত করা শুরু করে দিয়েছে। সেই সময় আমরা দেখি হিরাক্লিয়াস কি করল যে সে হচ্ছে রোমানদেরকে আক্রমণ করার জন্য আবার প্রস্তুত হলো এবং 623 খ্রিস্টাব্দে আমরা দেখি যে রোমানদেরকে হিরাক্লিয়াস আক্রমণ করল এবং 624 খ্রিস্টাব্দে যে আমরা দেখি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমসাময়িক সময়ে হচ্ছে বদরের যুদ্ধ সংঘটিত এবং মুসলিম কয়েকজন মুসলমান তখন হচ্ছে বিরাট সংখ্যক যে সৈন্যবাহিনী ছিল মক্কার কাফেরদের তাদেরকে পরাজিত করে। সেখানে হচ্ছে আমরা দেখি 624 খ্রিস্টাব্দে হচ্ছে বদরের বিজয় সংঘটিত হয়। স এখানে আমরা দেখি যে খ্রিস্ট খোস পারবেজ হেক্লিয়াসকে যেখানে সে ধিক্কার দিয়েছিল এবং সেখানে বলেছিল যে তুমি আমাদের কাছে আসো। চেন শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে যে তোমাকে চেইনে বেঁধে নিয়ে আসা হবে এবং তুমি যতক্ষণ পর্যন্ত না অগ্নিপূজারী হও ততক্ষণ পর্যন্ত তোমাদেরকে রক্ষা করা হবে না এবং রোমানদের জন্য সেটা ছিল হচ্ছে সবচেয়ে কঠিন একটা বছর। ঠিক এই সময়ে আমরা দেখি যে সূরা রুম নাযিল হয়ে থাকে যখন হচ্ছে মুসলমানরা হচ্ছে সবচেয়ে লোয়েস্ট পয়েন্টে রয়েছে রোমানরা হচ্ছে সবচেয়ে লোয়েস্ট পয়েন্টে রয়েছে এবং সেই সময় আল্লাহ সুবহানাতায়ালা নাযিল করেন তিনি বলেন যে আলিফ লাম মিম গুলিবাতি রোম যে আলিফ লাম মিম রোমকরা পরাজিত হয়েছে তারপরে বলছেন যে নিকটবর্তী এলাকায় এবং তারা তাদের পরাজয়ের পর অতি সত্তর বিজয়ী হবে কয়েক বছরের মধ্যে সো এখানে বিদিয়ার সিনি এই শব্দটা হচ্ছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে বলা হচ্ছে যে রোমানরা পরাজিত হয়েছে এবং তাদের পরাজয়ের পর অতি সত্যতারা বিজয়ী হবে কয়েক বছরের মধ্যে অগ্রপশ্চাতের কাজ আল্লাহর হাতে স আল্লাহর হচ্ছে সমস্ত কিছু জানেন এবং সেদিন মুমিনগণ আনন্দিত হবে স আমরা একবার চিন্তা করি যেই অবস্থাটা সেখানে চলছিল যে রোমানরা এত নিচের অবস্থানে তখন চলে গিয়েছিল এবং এই সময় আল্লাহ সুবহানাতালা বলছেন যে না রোমানরা কয়েক বছরের মধ্যেই আবার বিজয়ী হবে। তো সেই সময়ে এটা ছিল একটা স্বপ্নের মত যে স্বপ্নেও যেটা অনেক সময় অসম্ভব মনে হয় সেরকম একটা ঘটনার মত মনে হয়েছিল। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে দুইটা প্রেডিকশন করেছেন। একটা হচ্ছে যে রোমানরা অবশ্যই বিজয়ী হবে কয়েক বছরের মধ্যে এবং তার সাথে সাথে তিনি বলেছেন মুমিনরাও হচ্ছে আনিন্দিত হবে। অর্থাৎ মুমিনদেরও বিজয় সংঘটিত হবে। কিন্তু আমরা যদি তখনকার ঘটনা পরস্পর দেখি তাহলে সেখানে হচ্ছে কোন দূরবর্তী কোন সম্ভাবনাও দেখার সুযোগ ছিল না যে নেক্সট ফিউ ইয়ার্সের মধ্যে এ ধরনের ঘটনা সংঘটিত হবে পার্শিয়ান এবং রোমান সাম্রাজ্যের ক্ষেত্রে। আর মুসলমানদের কথা যদি আমরা চিন্তা করি তাহলে দেখব যে তারা হচ্ছে চরমভাবে নির্যাতিত হচ্ছিল তাদেরকে তখন এমন অবস্থার মধ্যে চলে যেতে হয়েছে যে তাদেরকে নিজের ঘরবাড়ি ছেড়ে তাদের প্রাণ এবং ধর্মকে টিকিয়ে রাখার জন্য তাদেরকে মদিনাতে হিজরত করতে হয়েছে। ইভেন আমরা যদি সাত আট বছরের কথাও চিন্তা করি সেই সময় থেকে সেই সময় কোনভাবেই এটা কারো মাথায় আসবে না যে রোমানরা পর বিজয়ী হতে পারে আবার অথবা মুসলমানরা হচ্ছে কোনভাবে বিজয়ী হতে পারে তো এই আয়াতটা যখন নাযিল হয়েছে তখন মক্কার কোরাইশিয়া কাফেররা তারা হচ্ছে মুসলমানদেরকে নিয়ে হাসি ঠাট্টা করতে থাকলো আসলে আমরা যদি দেখি যে আমরা যখন এখন বিভিন্ন নিউজ পড়ি আমরা যদি এই মুহূর্তে আমরা গাজার কথা চিন্তা করি প্যালেস্টাইনের কথা চিন্তা করি যে যেভাবে গত তিন বছর ধরে তাদের উপরে জুলুম চলছে সেই সময় আমরা যদি চিন্তা করি যে না গাজা তো অবশ্যই প্যালেস্টাইন হচ্ছে আবার বিজয়ী হবে প্যালেস্টাইন হচ্ছে তার অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত হবে আমাদের কাছে মনে হবে যে কিভাবে এটা সম্ভব কিন্তু আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সেখানে হচ্ছে আমাদেরকে এই সময়েই হচ্ছে কোরআনে আয়াতটা নাযিল করে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের হাতেই হচ্ছে সমস্ত কিছু লিল্লাহ যে আল্লাহ অগ্রপশ্চাতেরওমি বাদ যে অগ্রপশ্চাতের সমস্ত কিছুই হচ্ছে আল্লাহর হাতে আল্লাহর ক্ষমতা কত বেশি সেটা আমরা এখানে দেখতে পাই এবং এই সময়ে একটা উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটে সেটা হচ্ছে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং ওবায় বিন খালাফের মধ্যে যে কথোপকথন হয় সেটা আমরা দেখি এখানে যে অবভিয়াসলি আমরা দেখতে পাচ্ছি যে রোমানরা হচ্ছে পরাজিত হয়েছে এবং তাদের উঠে আসার কোন সম্ভাবনাই নাই। এই সময় হচ্ছে সূরা রুম নাযিল হয়েছে এবং তখন ওবাই ইবনে খালফ সে হচ্ছে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে একটা বাজি ধরল এবং তখনকার সময়ে বাজি ধরা হারাম করা হয় নাই এবং আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বাজি ধরা তখনই নিষেধ যখন কোন অনিশ্চিত জিনিসের উপরে আমরা বাজি ধরি। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বাজি ধরলেন। কারণ আল্লাহ সুবহানা তায়ালার কথার উপরে তার এত বেশি কনফিডেন্স ছিল যে আল্লাহ বলেছেন অবশ্যই এটা হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামের কাছ থেকে এটা এসেছে এ ব্যাপারে কোন ধরনের সন্দেহ নাই। এত দৃঢ় ছিল তার ঈমান এবং তারা দুইজন হচ্ছে বাজি ধরে যে রোমানরা যে বিজয়ী হবে ইরানিয়ানদের উপরে পার্শিয়ানদের উপরে সেটার জন্য তখন 10টা উট 10 টা উটের বাজি তারা ধরে যে রোমানরা যদি বিজয়ী হয় তাহলে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু 10টা উট পাবে আর যদি না হয় তাহলে উবাই বিন খালাফকে 10টা উট দেওয়া হবে। সো দেখা গেল যে যখন হচ্ছে এই ঘটনা এই আয়াতগুলো নাযিল হলো এবং একটা সেট টাইম দিয়ে দেওয়া হলো সেই সময়ে দেখা গেল যে কোন সম্ভাবনাই নাই যে মুসলমানরা বিজয়ী হওয়ার অথবা হচ্ছে রোমানরা বিজয়ী হওয়ার এবং সেখানে আমরা দেখি যে উবাই বিন খালফ তারা যেই সময়কালটা সেখানে ঠিক করেছিল সেটা হচ্ছে যেই শব্দটা এখানে ইউজ করা হয়েছে ফিবিদনিন। তো এটা হচ্ছে মেইনলি বুঝানো হয়ে থাকে তিন থেকে নয় বছর বুঝানোর জন্য। সো তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম যখন তাদের বাজির কথা শুনলেন যে তিন বছরের একটা টাইমলাইন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বাজিতে ধরেছেন 10টা উটের জন্য। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম তাকে পরামর্শ দিলেন যে তুমি বাজিটা ধরো হচ্ছে নয় বছরের জন্য। তার কারণ হচ্ছে বিদিয় সিনি বলতে থ্রি টু নাইন ইয়ার। সো তুমি ম্যাক্সিমাম ডিউরেশনটা ধরো এবং সেটা ধরো হচ্ছে 10 টা উট না 100 টা উটের জন্য। তো এখানে আমরা দেখি যে বাজিরিই কত বেড়ে গিয়েছে এখানে যে নয় বছরের সময়ের জন্য। সো এখানে যখন এর মধ্যেই হচ্ছে মক্কা থেকে মদিনায় সবাই হিজরত করা শুরু করেছে। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন হিজরত করবেন তখন ওবাই বলল যে আমার একজন গ্যারান্টর লাগবে। তোমার সাথে যে বাজি ধরেছি। তো সেটার জন্য তুমি একজন গ্যারান্টির দাও। তুমি হার হেরে গেলে কে আমাকে উটগুলা দিবে? তখন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তার ছেলে আব্দুর রহমান তিনি তখনো মুসলমান হন নাই। তাকে হচ্ছে গ্যারান্টর হিসেবে মক্কাতে রাখলেন এবং তার পরবর্তীতে আমরা দেখি যে যখন বদরের যুদ্ধ সরি উহুদের যুদ্ধ সংঘটিত হয় সেই সময়ে হচ্ছে উবাই হচ্ছে বিপক্ষ দলে ছিল কাফেরদের দলে ছিল এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম তার দিকে একটা তীর মারেন এবং সেই তীরটা হচ্ছে তার ঘাড়ের পাশ দিয়ে আঘাত করে চলে যায় এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এর আগেই বলেছিলেন যে উবায়ের মৃত্যু হবে তার হাতে এবং যখনই এই তীরটা তার ঘাড়ের কাছ দিয়েচলে গেল তাকে আঘাত করে তখনই ওবায় বলতে থাকলো যে মোহাম্মদ আমাকে হত্যা করেছে মোহাম্মদ আমাকে হত্যা করেছে তখন অন্যরা তাকে বলতে লাগলো যে এ কথা কেন বলছো এটা তো সামান্য একটা আঘাত তুমি এই আঘাতে কেউ মারা যায় না কিন্তু সে বলল যে না মোহাম্মদ বলেছে তার হাতে আমার মৃত্যু মানে এটা থেকেই হচ্ছে আমার মৃত্যু ঘটবে তো সেও জানতো যে মোহাম্মদের কথার আসলে কত গুরুত্ব ছিল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং পরবর্তীতে দেখা গিয়েছে যে ওবাই ঠিকই এই আঘাত থেকে মৃত্যুবরণ করে এবং পুরা সিরাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জীবনীতে আমরা যদি দেখি যে একজন মাত্র মানুষ যে হচ্ছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাতে সরাসরি মারা গিয়েছে সেটা হচ্ছে ওবাই বিন খালাফ এবং যে হচ্ছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে যে ব্যক্তি হচ্ছে নবী বা রাসূলকে হত্যা করে এবং অথবা যার হাত যে নবী বা রাসূলের হাতে মারা যায় তার চেয়ে নিকৃষ্ট মানুষ আর কেউ হতে পারে না। সুবহানাল্লাহ। এর পরবর্তীতে দেখা গিয়েছে যে এই টাইম ফ্রেমের মধ্যেই নয় বছরের মধ্যেই হচ্ছে ইরান পরাজিত হয় রোমানদের হাতে এবং উবাই হচ্ছে তার যে বাজি সে বাজিতে পরাজিত হয়ে যায় এবং তার মৃত্যুর পরে সেই ঘটনাটা সংঘটিত হয় এবং সে তার মাধ্যমে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু সে বাজিতে জিতে যান। তো সুবহানাল্লাহ এখান থেকে আমরা যেটা দেখি যে অসম্ভব যে অবস্থাটা দেখা যায় যে আমরা যেটা চোখের সামনে দেখি চোখের সামনে দেখি যেমন আমাদেরকে গায়েবে বিশ্বাস করতে হবে আমাদের ঈমানের মেইন অংশটাই হচ্ছে গায়েবে বিশ্বাস করা এবং গায়েবে বিশ্বাস আমরা করি কারণ এটা আমাদের ঈমানের অংশ কিন্তু যখন আমরা চোখের সামনে কোন ঘটনা দেখি যে অবভিয়াসলি আমরা দেখতে পাচ্ছি যে সেখানে বিজয়ী হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই সেই সময়ে শুধুমাত্র রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন বা আল্লাহর কাছ থেকে এসেছে এই কথার উপরে বিশেষ স্থাম করার জন্য আসলে অত্যন্ত মজবুত ঈমানের দরকার হয়। যেটা আমরা দেখি যে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তার ঈমান যে তিনি যে আস সিদ্দিক সে তিনি যে সত্যকে শোনার সাথে সাথে কিভাবে একসেপ্ট করে নিতেন সেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি এবং এরকম একটা পরিস্থিতিতেই আমরা দেখব যে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লামের জীবনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা সংঘটিত হয়।