Transcription
তো এখানে আমরা দেখি যে এই যে কোরআন নাযিল হয়েছে আল আজিজ আর রাহিমের কাছ থেকে, এটা কোন একটা রেন্ডম জায়গা থেকে আসে নাই যে কেউ এটাকে পাঠিয়ে দেন নাই। তাহলে এটা যিনি পাঠিয়েছেন তার পরিচয় কি? তার পরিচয় হচ্ছে তিনি আল আজিজ, তিনি আর রাহিম। আল আজিজ নামটা আল্লাহ আসমাউল হুসনার অন্তর্ভুক্ত সুন্দরতম একটি নাম, যেখানে আজিজ বলতে বুঝানো হয় আজিজ শব্দের অর্থ হচ্ছে স্ট্রং, যেটা হচ্ছে খুব শক্তিশালী যাকে কোন কিছু পরাজিত করতে পারে না এবং যার হচ্ছে ইজ্জত আছে।
সো এখানে আমরা দেখি যে আল আজিজ যখন বলা হচ্ছে, সে হচ্ছে এমন একজন শক্তি যিনি হচ্ছেন সমস্ত জিনিসের চেয়ে শক্তিশালী। যিনি হচ্ছেন যাকে হচ্ছে কখনো পরাজিত করা যায় না, যাকে কখনো ধ্বংস করা যায় না এবং যার হচ্ছে ইজ্জত রয়েছে। সো তিনি হচ্ছেন এমন একজন যিনি সমস্ত কিছুকে ডমিনেট করেন, তাকে কেউ ডমিনেট করতে পারে না, তিনি হচ্ছেন ফার্ম, তিনি হচ্ছেন পাওয়ারফুল। তাহলে আল্লাহ সুবহানা তায়ালার এই যে বিশেষত্ব বা এই যে আসমাউল হুসনাটা আমরা দেখছি এখানে যে আল্লাহ বলছেন এই কোরআন যেন তেন জায়গা থেকে আসে নাই, এই কোরআন এসেছে আল আজিজের কাছ থেকে, যিনি হচ্ছেন সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী। যিনি হচ্ছেন সবার উপরে ডোমিনেটিং, যাকে কোনভাবেই ধ্বংস করা যায় না এবং যিনি হচ্ছেন সমস্ত ইজ্জতের আধার। তাহলে এমন একটা জায়গা থেকে যে কোরআন এসেছে, সেই কোরআনকে ওভারলুক করা কি কারো পক্ষে সম্ভব?
আমরা দেখি যে এই আল আজিজ নামটাকে ব্যাখ্যা করতে যেয়ে বলা হয়েছে যে তিনিই হচ্ছেন আল আজিজ। যিনি হচ্ছেন সমস্ত সম্মানের অধিকারী। তো তিনিই হচ্ছেন অন্যদেরকে সম্মান দিয়ে থাকেন। অন্যদেরকে হচ্ছে মর্যাদা দিয়ে থাকেন এবং যাকে খুশি তিনি তাকে এই শক্তি বা স্ট্রেন্থ দিয়ে থাকেন। এবং সেটাই আমরা দেখি যে আল্লাহ সিলেক্টেড বান্দারাই হচ্ছে সিরাতুল মুস্তাকিমের পথে থাকতে পারে। আল্লাহ সিলেক্টেড বান্দারাই হচ্ছে কোরআনকে গাইডলাইন হিসেবে নিয়েছে। আল্লাহ সিলেক্টেড বান্দারাই এই কোরআনের দাওয়াত মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারছে।
এবং তারপরে এখানে বলা হচ্ছে যে তিনি হচ্ছেন আর রাহিম। তাহলে আমরা এখানে দেখি যে আর রাহিম শব্দের অর্থ কি? আমরা সবাই এসব নামটার সাথে পরিচিত। আর রহমানুর রাহিম। যে আর রাহিম হচ্ছেন যিনি হচ্ছেন সবচেয়ে বেশি দয়ালু। এবং আর রাহিম নামটার স্পেশালিটি হচ্ছে যে তিনি হচ্ছেন কনস্ট্যান্টলি মারসিফুল। সারাক্ষণ তার সেই দয়া রয়েছে। কখনোই সে দয়ায় কখনো ঘাটতি পড়ে না। এবং এই আর রাহিমটা হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার একটা স্পেশাল ট্রিবিউট। যেটা হচ্ছে তার মুমিন বান্দাদের জন্য। যারা হচ্ছে আল্লাহর পছন্দনীয় বান্দা তাদের জন্য আল্লাহ সুবহানাতায়ালা স্পেশালি এটাকে ছড়িয়ে দেন।
তাহলে এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি আল্লাহ সুবহানাতায়ালার দুইটা বিশেষণ বলা হয়েছে যে তিনি হচ্ছেন সবচেয়ে শক্তিশালী। তিনি হচ্ছেন সবচেয়ে বেশি দয়ালু। ফাস্ট অট্রিবিউটটা দিয়ে আমরা দেখতে পাই যে এটা আমাদেরকে বুঝানো হচ্ছে যে রিয়েলিটি হচ্ছে যে কোরআন হচ্ছে কোন পাওয়ার পাওয়ারলেস প্রিচার থেকে আসে নাই। কোন পাওয়ারলেস সত্তা থেকে আসে নাই। যে যার কোন ক্ষমতা নাই সেরকম কারো কাছ থেকে এই কোরআন আসে নাই। যে এটাকে তুমি ওভারলুক করবা। এটাকে তুমি ইগনোর করবা। এবং তুমি যদি এটাকে পালন না করো তাহলে তার কোন কনসিকুয়েন্স থাকবে না। এরকম না। কারণ এটা হচ্ছে এমন একজনের কাছ থেকে এসছে যিনি হচ্ছেন সমস্ত কিছুর ওনার। যিনি হচ্ছেন সবচেয়ে শক্তিশালী। এবং তিনি যা বলবেন সেটাকে কেউ হচ্ছে ডিনাই করতে পারবে না বা সেটার এগেন্স্টে কোন কিছু করতে পারবে না। তার বিরুদ্ধে লাগার মত কোন শক্তি এই পৃথিবীতে বা পৃথিবীর বাইরে কোথাও নাই এবং তিনি যখন কারো ক্ষতি করতে চাইবেন সে ক্ষতিকে কেউ আসলে বন্ধ করতে পারবে না।
আবার যখন আর রাহিম বলা হচ্ছে তখন আমাদেরকে এটা বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে এই যে কোরআন তোমাদের কাছে এসেছে এটা হচ্ছে আল্লাহর বিশেষ একটা রহমত। তার এই রহমত তার এই কাইন্ডনেসের প্রমাণ হচ্ছে কোরআন আমাদের কাছে এসেছে এজ এ গাইডেন্স এবং সেটার জন্য আবার একজন রোল মডেল পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং সে কোরআন শুধু যে আমাদের জন্য গাইডবুক হিসেবে এসেছে তাই না একজন মেসেঞ্জারকে পাঠিয়ে দেন হয়েছে যার ব্যাপারে কারো কোন ধরনের প্রশ্ন নাই তিনি হচ্ছেন উসওয়াদুল হাসানা যিনি হচ্ছেন সেই জাহিলিয়াতের যুগেও আল আমিন আজ সাজাদিক ছিলেন এবং তিনি একটু একটু করে সেই কোরআনকে পালন করে দেখিয়ে দিয়েছেন যাতে কোন ধরনের ভুল আমাদের মধ্যে না হয় আমরা যাতে সঠিক পথ অবলম্বন করতে পারি এবং তারপরে তাদের পথ অনুসরণ করে আমরা আমাদের চরম সাকসেসের দিকে যেতে পারি।
তাহলে এখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার দয়ার মধ্যে রয়েছে তিনি আমাদেরকে দয়া করে সৃষ্টি করেছেন। তিনি আমাদেরকে পথ দেখানোর জন্য বই দিয়ে দিয়েছেন। তিনি সেই বইকে ফলো করার জন্য একজন রোল মডেল দিয়ে দিয়েছেন এবং সেই রোল মডেলের পুরো জীবনটাই ছিল আল কোরআন। আয়েশা রাদিয়াল্লাহকে যখন জিজ্ঞাসা করা হলো যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম সম্পর্কে আমাদেরকে কিছু বলেন তখন তিনি বললেন তোমরা কি কোরআন পড়ো নাই? অর্থাৎ এই কোরআনটা কি তিনি তার জীবন দিয়ে বাস্তবায়ন করে দেখিয়ে দিয়ে গিয়েছেন যাতে আমরা ভুল না করি।
তাহলে এই কোরআনকে আমাদের সঠিকভাবে বুঝার জন্য চেষ্টা করতে হবে। শুধু মুখস্ত করলে হবে না। শুধু রিওয়ার্ডের আশায় পড়লে হবে না এবং তার সাথে সাথে সে সুন্নাহকে আয়ত্ত করতে হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লামের জীবন সম্পর্কে জানতে হবে যে তিনি কখন কিভাবে এই কোরআনকে আমল করেছেন এবং তাহলেই আমরা সে আলোয় নিজেরাও আলোকিত হতে পারব।
আল আজিজ অর্থ আমরা বুঝলাম। আর রাহিম শব্দের অর্থ আমরা বুঝলাম। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাতালা এই দুইটাকে একসাথে কেন বলেছেন? যখন তারা একসাথে হয় তখন সেটা আবার স্পেশাল একটা অর্থ প্রকাশ করে। এক্ষেত্রে আমরা দেখি যে আল্লাহ বলছেন তিনি হচ্ছেন সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী তার ইচ্ছার বাইরে কোন কিছু হতে পারে না। কিন্তু তার মানে এই না যে তিনি হচ্ছেন নির্দয় নিষ্ঠুর। বরং আমরা দেখি যে মানুষের মধ্যে এ ধরনের গুণ দেখা যায় যে যে হচ্ছে অনেক ক্ষমতা পেয়ে যায়। তখন সে হচ্ছে সবাইকে ওভারলুক করতে শিখে। সবাইকে হচ্ছে ইগনোর করতে শিখে এবং তার ক্ষমতা এত বেশি হয় যে তখন তার মধ্যে দয়ার অবস্থান আমরা দেখতে পাই না। কিন্তু আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আর রহমান আল আজিজ আর রহমান বলে স্পেসিফাই করেছেন যে যদিও তিনি কষম যদিও তিনি অনেক ক্ষমতার অধিকারী। কিন্তু তারপরও তিনি হচ্ছেন বিশেষভাবে তার রহমতকে ঢেলে দেন সনলি ফর দা বিলিভারস। যারা হচ্ছে ঈমান এনেছে তাদের জন্য তিনি তার রহমতকে অফুরন্ত করে দিয়েছেন এবং এখানে শুধুমাত্র যে আল আজিজ বলে আল্লাহ সবচেয়ে শক্তিশালী বুঝাচ্ছে তাই না বরং তিনি হচ্ছেন সবচেয়ে সম্মানের অধিকারীও বুঝানো হচ্ছে। সো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা যা ইচ্ছা করেন সেটাই হতে পারে কারণ তিনি হচ্ছেন আল আজিজ। সো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে বলছেন যে এই কোরআন এসেছে একজন ক্ষমতাবানের পক্ষ থেকে যিনি ক্ষমতায় অন্ধ হয়ে যান নাই। এরপরেও তিনি হচ্ছেন তোমাদের জন্য রহমত বর্ষণ করে যাচ্ছে।
এবং এর মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আমাদেরকে বলে দিচ্ছেন যে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আমাদেরকে সাহায্য করতে পারেন তার বিশেষ ক্ষমতা দিয়ে যে আমাদের যেই স্বপ্ন আমাদের যে টার্গেট রয়েছে সে টার্গেটে পৌঁছানোর জন্য যদি আমরা ট্রুলি আল্লাহ সুবহানা তাআলার উপরে রিলাই করি তার উপরে বিশেষ স্থাপন করি এবং আমরা এটা নিজেরা করতে পারবো না আমরা ইচ্ছা করলেই আমরা আমাদের জীবনের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো না যতক্ষণ পর্যন্ত না আল আজিজ আর রাহিম আমাদের সঙ্গী হচ্ছে।
ইমাম রাজি রহমাতুল্লাহ আলাইহি খুব সুন্দর একটা কথা বলেছেন যে তোমরা যদি কোরআনকে বুঝতে চাও তাহলে তোমাদেরকে আল্লাহর নামগুলোকে ভালো করে বুঝতে হবে। তাহলেই দেখবা তোমরা কোরআনকে চিনতে পারছো। তো সুবহানাল্লাহ যে আল্লাহর এই সুন্দরতম নামগুলো আল্লাহ এমনভাবে উপস্থাপন করেছেন আমাদের সামনে আমরা যদি ওই কথার সাথে মিলিয়ে আল্লাহর নামগুলোকে বুঝার চেষ্টা করি তাহলে সেই আয়াতের ভাবার্ত অনেক বেশি বোধগম্য হয়ে যাবে আমাদের কাছে।
সো এখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলে দিচ্ছেন এই কোরআন যেন তেন জায়গা থেকে আসে নাই। এটা এসেছে সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষের কাছ থেকে এবং সে শক্তিশালী মানুষ নির্দয় নিষ্ঠর না বরং তিনি হচ্ছেন রহমশীল কন্টিনিয়াসলি যিনি হচ্ছেন আমাদের উপরে রহম দিয়ে যাচ্ছেন এবং এর পরের আয়াতেই আমরা দেখবো যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা উল্লেখ করছেন যারা এই কোরআনকে রিজেক্ট করছে তাদের পরিণাম কি হবে তারা এই কোরআনের কথা শোনেনা তারা এটাতে বিশ্বাস স্থাপন করে না এবং তাদের জন্য আল্লাহ সুবহানাতায়ালা কি ধরনের শাস্তির ব্যবস্থা করে রেখেছেন সেই কথাটাও এখানে তিনি বলে দিচ্ছেন এবং আল্লাহ সুবহানা তাআলা এই সূরার মধ্যে আমরা দেখব যে বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে কারা এই কোরআনের মেসেজকে সিরিয়াসলি নিয়েছে গ্রহণ করেছে শুনেছে সে অনুযায়ী নিজেদের জীবনে রিফ্লেক্ট করেছে এবং লিভ বাই যে কোরআনের মাধ্যমে তারা জীবনকে অতিবাহিত করে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তাদের জন্য আর রাহিম হয়ে যান তাদের জন্য মোস্ট মারসিফুল হয়ে যান। স আল্লাহ সুবহানাতায়ালার এই নামগুলো আসমা হোসনার উপর উপরে আমরা যদি কন্টেমপ্লেট করি চিন্তাভাবনা করি তাহলে এই কোরআনের যে মাহাত্ব সেটা আমরা অনেক বেশি করে উপলব্ধি করতে পারবো।
সো এখানে আমরা দেখি যে কোরআন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামের কাছে এসেছে ডিরেক্টলি ফ্রম আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এবং সে আল্লাহর পরিচয় হচ্ছে তিনি হচ্ছেন সবচেয়ে শক্তিশালী সবচেয়ে বেশি রহমশীল। এটা কোন ফেব্রিকেটেড বুক না যেটা কেউ তার কথা দিয়ে বানিয়ে আমাদের কাছে উপস্থাপন করেছে। কারণ এটা এসেছে সবচেয়ে শক্তিশালী একজনের কাছ থেকে যে তার উপরে আর কারো শক্তি থাকতে পারে না। সো তার আসলে দরকারই নাই যে এই কথাগুলোকে ফেব্রিকেট করা বা এগুলোকে হচ্ছে এগুলো কোন মানুষের পক্ষে করা সম্ভব। কোন মানুষ এই কোরআনকে তৈরি করতে পারবে না।
কোন কোন মুফাসসিরগণ এই তানজিলা শব্দের ব্যাখ্যা করেছেন এভাবে যে এই যে আল্লাহ সুবহানাতাআলার পক্ষ থেকে এসেছে বলা হয়েছে এটাকে আগের আয়াতের সাথে মিলিয়ে যে ইন্নাকালামিনাল মুরসালিন তানজিলাল আজিজ রাহিম যে তোমাদের কাছে যে নবী রাসূলদেরকে পাঠানো হয়েছে তাদেরকে আজিজ আল আজিজ আর রাহিম পাঠিয়েছেন। এখানে তানজিল বলতে তারা বুঝিয়েছেন যে নবী রাসূলদেরকে আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামকে যে আমাদের কাছে পাঠানো হয়েছে সেটাকে এখানে বুঝানো হচ্ছে। সেটা যদি হয় তাহলে আমরা এভাবে এটাকে চিন্তা করতে পারি যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামকে আল্লাহর পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছে এবং সে আল্লাহ হচ্ছে সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী এবং সবচেয়ে বেশি রহমশীল যিনি এই শক্তিশালী এবং রহমশীল তোমাদেরকে এত ভালোবাসেন এবং তোমাদের উপরে তার পুরো তোমরা তার পুরো আয়াতের মধ্যে রয়েছে তিনি যে নবীকে পাঠিয়েছেন বা যে রাসূলদেরকে পাঠিয়েছেন তার প্রতি তোমাদের উপলব্ধি কি হওয়া উচিত কিভাবে তাকে গ্রহণ করা উচিত সেটা নিয়ে তোমাদের চিন্তা করা উচিত তোমরা যা করছো আমার নবীর প্রতি আমার রাসূলের প্রতি সেটা অত্যন্ত জঘন্য একটি কাজ কারো গহীত একটি কাজ কারণ হচ্ছে এটা আল আজিজ আর রাহিমের কাছে এসেছে তিনি যখন তোমাদেরকে পাকড়াও করবেন এর জন্য তখন তোমাদের আসলে বের হওয়ার কোন উপায় নাই কিন্তু তিনি আর রাহিম সে কারণেই হচ্ছে এখন পর্যন্ত তিনি সহ্য করে যাচ্ছেন যে আল্লাহ রাসূলের সাথে তোমরা যে ব্যবহার করছো।
আবার কোন কোন মুফাসসিরগণ বলেছেন যে এ তানজিলা শব্দ বলতে ঠিক আগের আয়াতের সাথে আমরা যদি দেখি আলা সিরাতি মুস্তাকিম তানজিলাল আজিজ রাহিম তাহলে এখানে সিরাতাল মুস্তাকিমকে বুঝানো হয়েছে স্ট্রেট পাথকে বুঝানো হয়েছে তাহলে এখানে এর অর্থটা এরকম হতে পারে এটা হচ্ছে সেই সিরাতাল মুস্তাকিম যেটাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম এর মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে আল আজিজ আর রাহিম আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছ থেকে এটা কোন মেড আপ রিলিজিয়ন না। এই রাস্তাটা হচ্ছে এই রাস্তাটা হচ্ছে ফুল অফ গাইডেন্স। যেটা আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে এসেছে। স আল্লাহ সুবহানাতায়ালা ভালো জানেন। কিন্তু এ তিনটা অর্থই আমরা এখানে নিতে পারি যে কোরআনকে আল আজিজ আর রাহিম পাঠিয়েছেন। রাসূলকে আল আজিজ আর রাহিম পাঠিয়েছেন অথবা সিরাতুল মুস্তাকিমটা আল আজিজ আর রাহিমের দেওয়া।
যদি আমরা এই আল্লাহর এই গুণাবলীকে বুঝতে পারি তাহলে আমরা এটা বুঝতে পারব যে এই কোরআনকে যদি আমরা সঠিকভাবে অনুসরণ করি আমরা যদি সিরাতুল মুস্তাকিমে থাকার পথে অটল থাকি এবং নবী রাসূলদের জীবনকে সঠিকভাবে অনুসরণ করি তাহলে তিনি আমাদেরকে ইজ্জত দিবেন তিনি আমাদেরকে তার দয়ার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে নিবেন এবং এর মাধ্যমে আমরা দেখি আল্লাহর পাওয়ার এবং কেয়ারিং ন্যাচার বুঝানো হচ্ছে যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা তার এই দেখানো পথে চলতে থাকবো। তার হচ্ছে আমাদেরকে শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। কারণ তাকে ডমিনেট করার মত কেউ নাই। কিন্তু আল্লাহ সুবহানা তাআলা যারাই হচ্ছে তার গাইডেন্সের পথে চলে তার প্রতি তার অসীম রহমত ঢেলে দেন। তো এখানে আল আজিজ আর রাহিম দিয়ে আমরা দেখতে পাই যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে শাস্তি দেওয়ার এত সুযোগ রয়েছে তার এত ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু তারপরও তিনি আমরা তার পথে চলবো। চলার জন্যই আল্লাহ সুবহানা তায়ালা তার খুশি হয়ে তার রহমতের ছায়ায় আমাদেরকে আগলে রাখেন।