📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Surah Ya Sin || Part 31: Ayah 23|| Worship only Allah

Straight Path17:51

Transcription

আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম।

আমি কি তার পরিবর্তে অন্যান্যদেরকে উপাস্য রূপে গ্রহণ করব? কোনময় যদি আমাকে কোশ্চেনে বৈঠত করতে চান তবে তাদের সুপারিশ আমার কোনই কাজে আসবে না এবং তারা আমাকে রক্ষও করতে পারবে না।

সূরা ইয়াসিনের 23 নাম্বার আয়াত। এর আগে আমরা দেখেছি সেখানে একজন ব্যক্তি যিনি হচ্ছেন তার কওমের লোকদের দুর্দশা দুরবস্থা চিন্তা করে তাদের জন্য ছুটে এসেছেন তাদেরকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য এবং তাদেরকে উপদেশ দিয়েছেন যে কেন তাদের এই মেসেঞ্জারদেরকে অনুসরণ করা উচিত। তার একটা কারণ হিসেবে তারা বলেছে সে বলেছে যে তারা কোন কম্পেনসেশন তারা তোমাদের কাছে কোন পুরস্কার চান না। এটার জন্য কোন দাম চান না এবং সেখানে আমরা দেখেছি যে একটা কথা আমাদের মধ্যে প্রচলিত রয়েছে যে খুব কম দামে কোরআনের কথাকে বিক্রি করে দেওয়া কোরআনের এই কথাটাকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সো সেখানে আমরা এটার অর্থ এটা যে এই কম দামে বিক্রি করার অর্থ হচ্ছে যে অডিয়েন্সের সুবিধা অনুযায়ী আমি কোরআনের কথার অর্থকে যখন চেঞ্জ করে দেই সেটাই হচ্ছে কম মূল্যে কোরআনকে বিক্রি করে দেওয়া। যে আমি দেখলাম যে আমার এই কথাটা বলতে গেলে আমি জানি কোরআনে সুস্পষ্টভাবে এই কথাটা বলা আছে। কিন্তু যারা শুনবে তারা সেই কথা শুনে আমাকে পছন্দ করবে না বা এই কথাগুলো তাদের হাতে ঘা লাগার মত অবস্থা হবে তখন আমি সেগুলোকে মডিফাই করে প্রচার করলাম। সেটাই হচ্ছে কোরআনকে অল্পমূল্যে বিক্রি করে দেওয়া।

এবং এখানে আরেকটা যে বৈশিষ্ট্যের কথা বলা হয়েছে সেটা হচ্ছে যে তারা হচ্ছে সুপথে পরিচালিত। তাহলে যে হচ্ছে সেলফলেসলি কোন ধরনের পরিণামের আশা না করেই তোমাদের জন্য এত কষ্ট করছে এবং তারা সৎপথেও পরিচালিত অর্থাৎ তারা কোরআন যেভাবে বলেছে ঠিক সেভাবেই বা তাদের কাছে দ্বীনের কথা যেভাবে এসেছে ঠিক সেভাবেই তাদের দ্বীন জীবনকে অতিবাহিত করছে তাহলে তাদেরকে তোমরা কেন ফলো করবে না এখানে তারপরেই বলা হয়েছে যে কেন আমাদের আসলে কি আমাদের করা উচিত প্রথমত আমাদের জানাচ যে কে আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন যিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন তিনিই জানেন আমাদের সৃষ্টির উদ্দেশ্য কি যেটা কোরআনে আল্লাহ সরাসরি বলে দিয়েছেন যে আমি মানুষ এবং জীন জাতিকে শুধুমাত্র আমার ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছি আমি যদি জানি আমার সৃষ্টিকর্তাকে আমি যদি জানি আমার সৃষ্টির উদ্দেশ্য কি তাহলে আমি যখন সেটা থেকে দূরে সরে থাকবো সেটাই তো আমার ব্যর্থতার কারণ তো আমাদের উচিত হচ্ছে সফলতা পেতে হলে আমার সৃষ্টিকর্তাকে জানা যিনিস সৃষ্টি করেছেন তার দেওয়া মেনু স্ক্রিপ্ট ফলো করা। কারণ যিনি তৈরি করেছেন আমরা যখন কোন একটা জিনিস তৈরি করি তখন স্বাভাবিকভাবেই সেটার জন্য একটা ইনস্ট্রাকশন শিট সেটার সাথে দিয়ে দেই। অথবা কোন একটা জিনিস আমরা যখন এসেম্বল করছি নতুন কিনেছি সেই জিনিসটা কিভাবে চলবে সেটার জন্য যে এটার অরিজিনেটর, যে এটার ক্রিয়েটর, যে এটাকে বানিয়েছে তার ইনস্ট্রাকশনটা আমরা ফলো করি। অথচ হাস্যকরভাবে দেখা যায় দুনিয়ার জীবনে যিনি আমাদের সৃষ্টিকর্তা সে আল্লাহর দেওয়া ইন্স্ট্রাকশন সে গাইডলাইন সেই কোরআনকে মানতে আমাদের যত অনিচ্ছা সো এখানে বলা হয়েছে যে যিনি তোমার ক্রিয়েটর যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন কোন কিছু ছিল না যখন তখন থেকে তোমার আবির্ভাব ঘটেছে তার কারণেই হচ্ছে তোমার জীবনের প্রতিটা মুহূর্ত তুমি এত সুন্দরভাবে কাটাতে পারছো তুমি সেই সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশ্য কিভাবে ভুলে যাও এবং এখন এই ব্যক্তি আবার সেই মেসেজে ফিরে যাচ্ছে। তখন তিনি আবার কোশ্চেন করছে। এখানেও তার কোশ্চেনের উদ্দেশ্য হচ্ছে বিবেককে জাগ্রত করা। যে তোমরা কেমন বোকা? যে তোমরা যে তোমাকে সৃষ্টি করেছে যার ম্যানুস্ক্রিপ্ট, যার গাইডলাইন ছাড়া তোমার চলা মুশকিল। তাকে ছাড়া অন্যদেরকে তুমি ইবাদত করো, অন্যদের উপাসনা করো। সো এখানে আমরা দেখি যে তাদেরকে এভাবে অন্যের উপাসনা করা যিনি সৃষ্টি করেছেন তাকে বাদ দিয়ে অন্যদেরকে খুশি করার যে চেষ্টা এটা আসলেই হচ্ছে আনগ্রেটফুল ফুলিশ একটা অক্ট। সো এটাই কি তোমরা সবাই জন্য সাজেস্ট করছো? তোমাদের বিবেক কি বলে? তোমাদের যদি এতটুকু বুদ্ধি থাকে তোমরা কি এটাকে মেনে নিতে পারো? তো এভাবেই হচ্ছে তাদের বিবেককে জাগিয়ে তোলার জন্য চেষ্টা করা হয়েছে এই আয়াতের মধ্যে।

এবং এখানে প্রথমেই যে কথাটা বলা হয়েছেতামিদুনিহ আলিহা যে তোমরা কিভাবে তাকে ছাড়া অন্য কাউকে তোমাদের মাবুদ বানিয়ে নাও কিভাবে অন্য কারো ইবাদত তুমি করো তো এই যে যেই লোক তাদের ত্রাণকর্তা হিসেবে এগিয়ে এসেছে সেখানে সে তার লজিক দিয়ে বুঝিয়ে দিচ্ছে যে যিনি সৃষ্টি করেছেন যিনি গাইড করেছেন তিনি ছাড়া অন্য কেউ আসলে আমাদের ইবাদতের যোগ্য হতে পারে না এবং এখানেই তাদের যে কাজ সে কাজটা যে একদম বোকার মত হচ্ছে বুদ্ধিহীন হচ্ছে সেই কথাটাই প্রকাশ পাচ্ছে তার এই কোশ্চেনের মধ্য দিয়ে তারপরে তিনি কি বলছেন তারপরে তিনি বলছেন ইরদই রহমানবিদ যে তোমরা এই যে রহমান এখানে বলা হচ্ছে যে যদি যিনি হচ্ছেন আর রহমান তিনি আমার ক্ষতি করতে চান তো এখানে দুইটা জিনিস আমরা দেখতে চাচ্ছি একদিকে হচ্ছে আর রহমান বলা হয়েছে আরেকদিকে বলা হয়েছে তিনি যদি ক্ষতি করতে চান সো আর রহমান শব্দটার অর্থ কি আর রহমান হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার সুন্দরতম নামের একটা এবং তার অর্থ হচ্ছে যিনি হচ্ছেন মোস্ট কম্পেশনেট যিনি হচ্ছেন সবচেয়ে বেশি দয়ালু এবং তার দয়াটা হচ্ছে এক্সেসিভ পরিমাণে এই যে এক্সেসিভ পরিমাণে অতিরিক্তভাবে যিনি ভালোবাসেন দয়া প্রদর্শন করেন তিনি কিভাবে কারো ক্ষতি করতে পারেন সেটা হচ্ছে প্রথম কোশ্চেন আমাদের মাথায় চলে আসে যে যদি আর রহমানকে আমরা চিনে থাকি তিনিই হচ্ছেন আমার ক্রিয়েটর তিনি আমার উপরে দয়া করছেন প্রতিটা মুহূর্তে তার দয়া আমার উপর বর্ষিত হচ্ছে তাহলে তিনি কিভাবে আমার ক্ষতি করবেন তো সেই জিনিসটি এখানে বলা হচ্ছে কানেক্টেড করা হয়েছে এভাবে যে যদি আর রহমান যিনি হচ্ছেন সবচেয়ে বেশি করুণাময় সবচেয়ে বেশি রহম শীল তিনি যদি আমার ক্ষতি করতে চান তাহলে কে আছে আমার এই ক্ষতি থেকে বাঁচাতে পারি তাই না যে এখানে যে কথাটা বলা হচ্ছে যে তিনি আর রহমান এক নাম্বার তো আমার কোন ক্ষতি উনি করতে পারেন না কিন্তু বাহ্যিকভাবে যেই জিনিসটা আমার কাছে ক্ষতিকর মনে হচ্ছে আমার মনে হচ্ছে যে এটার মাধ্যমে আমার কোন লস হচ্ছে সে জিনিসটা আসলে আমার জন্য ক্ষতিকর না কারণ হচ্ছে আর রহমান এটা আমাকে দিয়েছেন নিশ্চয়ই এর মধ্যে আমার জন্য ভালো কিছু রয়েছে। সো এই জিনিসটাই আমরা এখানে বুঝে যাচ্ছি যে আর রহমান কোন ক্ষতি করার যদি চায়ও যদি তারপরেও মনে হয় যে আমরা এটাকে ক্ষতি হিসেবে দেখি তাহলে এমন কেউ কি আছে যে এটাকে বন্ধ করতে পারে? যে জিনিসটা আমরা ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের জীবনে দেখেছি। তিনি কি করেছেন? তিনি সবগুলো মূর্তির মাথা ভেঙ্গে দিয়ে সেই কুড়ালটা হচ্ছে সবচেয়ে বড় মূর্তি যেটা সেটা ঘাড়ে ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন এবং তারপর তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন তারপর এলাকার লোকেরা যখন ফিরে আসলো কওমের লোকেরা যে কে এই কাজ করেছে তখন তিনি বললেন যে তুমি তোমাদের যে বড় মূর্তিটা যাকে তোমরা সবচেয়ে বেশি ক্ষমতাবান মনে করো তার গলায় তো কুড়ালটা ঝুলছে তাহলে তাকেই জিজ্ঞাসা করো কে এই কাজ করেছে তারা হচ্ছে তোমাদের এমন মাবুদ যে তোমার কোন সাহায্যও করতে পারে না। আবার তুমি যখন কোন ক্ষতির মধ্যে যাও, কষ্টের মধ্যে যাও তখন তারা তোমার সহযোগিতাও করতে পারে না। এরকম কাউকে তুমি আল্লাহর সাথে শরী বানিয়ে নিয়েছো। কোশ্চেনটা হচ্ছে এরকম।

এখানে তারপরে যে কথাটা আসছে সেটা হচ্ছে লাশাফাহুমশাইয়া যে তিনি ছাড়া আর কেউ তোমাদের জন্য শাফায়াত করার মত নাই। তাহলে এই আর রহমানের যে কনসেপ্টটা সে কনসেপ্টটা আমরা যদি এখানে বুঝে ফেলি তাহলে দেখব রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম যে কথাটা বলেছেন সেটা হচ্ছে যে মুমিনের সবকিছুই হচ্ছে আশ্চর্যজনক যখন তার জন্য ভালো কিছু ঘটে তখন সে এই ভালোর জন্য খুশি হয় এবং আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে তো সেটার জন্য তার জন্য ভালো লিখা হয়ে যায় তার আমলনামার মধ্যে আবার যখন সে কষ্টের মধ্যে পড়ে তখন সে কি করে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে এবং সেটার জন্য তার ক্ষতি লিখা হয়ে যায় সো মুমিনের জীবনে যা কিছুই ঘটে না কেন সেটা আর রহমানের পক্ষ থেকে এসেছে। ভালো হলে তার দৃষ্টিতে যেটা ভালো সেটার জন্য সে শুকরিয়া আদায় করে। তার দৃষ্টিতে যেটা তার কষ্টের কারণ সেখানেও সে ধৈর্য ধরে। তো এখানে আর রহমান এর আগেও আমরা দেখেছি আর রহমানের কথা এই সূরাতেই এসেছে যে তিনি আমাদের জন্য যা কিছু নির্ধারিত করেছেন সেটা আমাদের ক্ষতির কারণ কখনোই হতে পারে না। আবার আরেকটা জিনিস এখানে চিন্তা করার মতো যে তোমরাই বলো যে আর রহমান মানে হচ্ছে যে যে হচ্ছে সবচেয়ে বেশি করুণা করে যিনি সবচেয়ে বেশি রহম করে। এবং সেজন্যই তোমরা কি করো? মাঝে মাঝে বল যে আর রহমান আমাকে ক্ষমা করে দিবে। সেজন্য সেটার এডভান্টেজ নও তার নামের এবং তোমরা গুনাহ করতেই থাকো। তো এই সুযোগ কিন্তু নাই। কারণ আর রহমান একদিকে তিনি যেমন রহমশীল তেমনিভাবে তিনি কিন্তু তোমাদের শাস্তিও দিতে পারেন। সো কিছু কিছু মানুষ আছে যারা হচ্ছে অনেক বেশি আশাবাদী হয়ে বলে যে অন্যায় করছে আচ্ছা আল্লাহ মাফ করে দিবে। সেরকম চিন্তা করে গুনাহর পর গুনাহ করতেই থাকে। আবার কিছু কিছু মানুষ আছে যে আল্লাহর ভয়ে এত বেশি ভীত হয়ে যায় যে, তার রহমতের কথা সে ভুলেই যায়। সো আমাদের হচ্ছে এই দুই এর মধ্যে ভয় এবং আশার মাঝে ব্যালেন্স স্থাপন করতে হবে। তাহলেই আমরা সঠিক পথে চলতে পারব। এবং আমরা যখন আর রহমানের কথা বলছি তার একটা রহমাই হচ্ছে যে যখন কাউকে সমাজ থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে সেটাও আল্লাহর রহমা যে তাকে এ সমাজের জন্য ক্ষতিকর মনে করা হচ্ছে দেখি সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সো আর রহমানের রহমা কিভাবে আসছে আমাদের উপরে সেটা অনেক সময় আমরা আসলে উপলব্ধি করতে পারি না কিন্তু আর রহমান যিনি আছেন তিনি তার উপরে আমরা যেমন আশা রাখবো ভরসা রাখবো তেমনিভাবে তার শাস্তির ব্যাপারেও আমরা সচেতন হব তারপরে যে কথাটা বলা হচ্ছে যে লাতুনিলাতু আনিশাফাশাইয়া যে তাদের যে সুপারিশ সেই সুপারিশ তোমার কোন উপকারী লাগবে এখানে বলা হচ্ছে যে তুমি যাদেরকে উপাসনা করছো আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে তার সাথে নিয়ে তার ইবাদত করছো তোমার কোন ক্ষতি যদি হয় সে ক্ষতিটা সে বন্ধ করতে পারবে না আবার তোমার জন্য সে সুপারিশও করতে পারবে না তো এখানে বলা হচ্ছে যেশাফা শব্দটি এসেছে সাফা শব্দের অর্থ হচ্ছে সুপারিশ করা যে সে আসলে তোমার কোন কাজে লাগছে দুনিয়ার ক্ষতি থেকেও তোমাকে বাঁচাতে পারছে না আখেরাতে ক্ষতি থেকেও তোমার জন্য সুপারি করতে পারছে না। তো এখানে আমাদের এশাফা বা সুপারিশ করার যে ক্ষমতা সেটা সম্পর্কে আসলে ক্লিয়ার একটা কনসেপ্ট থাকতে হবে। কে পারে আমাদের জন্য সুপারিশ করতে? আল্লাহ সুবহানাতায় নির্দেশ ছাড়া কেউ কখনো কারো জন্য সুপারিশ করতে পারবে না। কোনটা আমাদের জন্য পারমিসিবল? কখন আমরা সুপারিশকারী নিতে পারি। সো এটা একজন কোন যদি পায়াস ধর্মভীর লোক থাকে যার কাছে আমরা দোয়া চাইতে পারি এবং তারা আমার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করতে পারে এরকম কেউ হলে তার কাছে আমরা দোয়া চাইতে পারব সেটা আমরা চাইতে পারি মানুষের কাছে দোয়া চাওয়া এবং আমরা যদি মনে করি যে না সে আমার জন্য দোয়া করলে সেটা একসেপ্টেড হবে সেটা একটা অংশ যে আমি তার কাছে দোয়া চাইতে পারি আবার আমরা যারা রাইটিয়াস ওয়ান সে রাইটস ওয়ান বা যেমন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের সুপারিশের আশা করতে পারি এবং তার মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে সাহায্য চাইতে পারি। কিন্তু যারা মারা গিয়েছে সেরকম মৃত কাউকে ডাকবো কারো সাহায্য চাইবো এটা ইসলামে পুরোপুরিভাবে নিষিদ্ধ। এটা হচ্ছে শিরক। এটা হচ্ছে বিদা। তো এখানে হচ্ছে যে মারা গিয়েছে সে আসলে তার নিজের যেই কাজ সেটা তার বন্ধ হয়ে গিয়েছে এবং সে নিজেই হচ্ছে আল্লাহর সাহায্যের মুখাপেক্ষী তখন তো তার কাছে সাহায্য চাওয়া যেমন আমরা বিভিন্ন মাজারে যেয়ে সাহায্য চাইতে দেখি বিভিন্ন ব্যক্তি মারা যাওয়ার পরে তার মাধ্যমে শাফায়াত চাইতে দেখি সেটা সম্পূর্ণভাবে ইসলামে নিষিদ্ধ এবং অন্য কাউকে মনে করা যে তার কোন ক্ষমতা আছে বা আল্লাহ সুবহানা তায়ালার সাথে তাকেও হচ্ছে সঙ্গী বানিয়ে নেওয়া যে তার মাধ্যম না হলে আল্লাহ সুবহানা তায়ালার কাছ থেকে আমি কিছু পাবো না এ ধরনের মিডিয়া ঠিক করে নেওয়া যেমন হচ্ছে আমরা অনেক সময় দেখি যে পীরের মাধ্যমে আমরা মনে করি যে আমার নিজের কথা এটা আল্লাহর কাছে পৌঁছাবে না পীরের মাধ্যমে আমাকে যেতে হবে সো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এ ধরনের মিডিয়া রাখতেও আমাদেরকে নিষেধ করেছেন। কারণ আল্লাহ বলেছেন তিনি আমাদের অতি নিকটে অবস্থান করছেন। আমরা যখন তার কাছে চাই তখনই তিনি সে ডাকে সাড়া দেন। তো শাফায়াতের ব্যাপারেও আমাদের ক্লিয়ার একটা কনসেপ্ট এখানে তৈরি করতে হবে যে এ ধরনের যেসব শক্তিকে আমরা পূজা ইবাদত কর তোমরা পূজা ইবাদত করছো তাদের কোন শক্তি নাই যে তোমার শাফায়াত করবে তোমার জন্য সুপারিশ করবে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছে ওলাফিজন এবং তার কোন শক্তি নাই যে সে তোমাকে সেভ করবে সে তোমাকে রক্ষা করতে পারবে ইনফিজন শব্দটা এসেছে হচ্ছে আনকাজা থেকে যেটার অর্থ হচ্ছে কাউকে কোন কিছু থেকে রক্ষা করা অথবা মুক্ত করা। সো এর অর্থ হচ্ছে যে অন্য কেউ আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ তোমাকে তোমার সমস্যা থেকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে পারবে এ ধরনের বিশ্বাস রাখো। ঠিক না। স ইনকাজা শব্দটা অর্থ হচ্ছে আমরা যেমন কেউ হচ্ছে কোন কিছুর মধ্যে পড়ে যাচ্ছে এবং তুমি আমি তাকে হচ্ছে ধরলাম এবং তাকে সেখান থেকে বের করে নিয়ে আসলাম। এটাকে বলা হয় ইনকাজা। যে কোন ক্ষতি থেকে তাকে বাঁচিয়ে নিয়ে আসলাম। একটা গর্তের মধ্যে পড়ে যাচ্ছে বা উপর থেকে পড়ে যাচ্ছে। তাকে হাত দিয়ে ঝাপ দিয়ে ধরে তাকে সেই গর্ত থেকে পড়া থেকে আমরা বের করে নিয়ে আসলাম। এটাকে ইনকাজা বলা হয়। স যেমন ছাদের থেকে পড়ে যাচ্ছে অথবা হচ্ছে পাহাড়ের উপর থেকে পড়ে যাচ্ছে। এরকম অবস্থায় কাউকে ধরে সেই যেটা হচ্ছে একদম দেখতে পাচ্ছি অবভিয়াসলি স্পষ্টত দেখা যাচ্ছে যে সে পড়ে যাচ্ছে এর মধ্য মাধ্যমে তার ক্ষতি হতে যাচ্ছে সেই অবস্থা থেকে তাকে বের করে নিয়ে আসা এটাকে বলা হচ্ছে ইনকজা যে তারা তোমার এই রেসকিউ তাকে তারা তোমাকে এই সম্ভাব্য ক্ষতি থেকেও মুক্ত করতে পারবে না যেমন সূরা ইউনুস বলা হয়েছে যখন আমি আস্বাদন করা সে রহমত সে কষ্টের পর যাতাদের ভোগ করতে হয়েছিল তখনই তারা আমার শক্তিমত্তার মাঝে নানা রকম ছলনা তৈরি করতে আরম্ভ করবে। আপনি বলে দিন আল্লাহ সবচেয়ে দ্রুত কলাকৌশল তৈরি করতে পারেন। নিশ্চয়ই আমাদের ফেরেশতারা লিখে রাখে তোমাদের ছলচাতুরি। তোমরা যতই হচ্ছে ছলচাতুরি করো না কেন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সমস্ত কিছু জানেন। এবং যখন মানুষ খুব কষ্টের মধ্যে পড়ে যায় তখন সে কি করে? তখন আল্লাহকেই ডাকতে থাকে এবং তখন তার সাহায্যটাই সে সবসময় চাইতে থাকে। তখন কিন্তু সে এই দেবদেবী অথবা যাদের পূজা করছে তাদেরকে ডাকে না। সো এর আবার পরের আয়াতে আমরা দেখি আল্লাহ বলছেন যে তিনি তোমাদের ভ্রমণ করান স্থলীয় সাগরে এমনকি যখন তোমরা নৌকা সময়ে আরোহণ করলে আর তার লোকজনকে অনুকূল হাওয়ায় বয়ে নিয়ে চলল এবং তাতে তারা আনন্দিত হলো নৌকাগুলোর উপরে এলো তীব্র বাতাস। আর সবদিক থেকে সেগুলো উপরধেও আসতে লাগলো এবং তারা জানতে পারলো যে তারা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। তখন ডাকতে লাগলো আল্লাহকে তার ইবাদতে নিঃস্বার্থ হয়ে যদি তুমি আমাদেরকে এ বিপদ থেকে উদ্ধার করে তলো তাহলে নিঃসন্দেহে আমরা কৃতজ্ঞ থাকবো। তো যখন আসলে চরম বিপদের মধ্যে পড়ে তখন আর তাদের সে মাবুদদের কথা মনে হয় না। তখন তারা আল্লাহর কাছেই ফিরে আসে। কারণ তারা জানে সে মাবুদ তাদেরকে কখনোই এ থেকে মুক্তি দিতে পারবে না। সূরা আনামে বলা হয়েছে আর যদি আল্লাহ তোমাকে কোন কষ্ট দেন তবে তিনি ব্যতীত তা অপসরণকারী কেউ নেই। পক্ষান্তরে যদি তোমার মঙ্গল করেন তবে তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। এটাই হচ্ছে তাওহীদের মূল কথা যে আমার জন্য আল্লাহ যদি কোন কষ্ট দেন তাহলে অন্য কেউ এটা থেকে বাঁচাতে পারবে না। আমাকে আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাইতে হবে। আবার ভালো কিছু হলে সেটাও আল্লাহর পাওয়ার এবং আল্লাহর অথরিটির মাধ্যমেই আমাদের কাছে আসছে। তাহলে আল্লাহ এই ব্যক্তি তাই সেই তার গোত্রের লোকদের কাছে বা এলাকার লোকদের কাছে যে এক্সাম্পল দিচ্ছে সে এক্সাম্পলটা হচ্ছে যে তারা হচ্ছে সত্যিকারভাবে তাদের সত্যিকার যে মাবুদ সে মাবুদের কাছে যেন তারা মাবুদের পথে যেন তারা চলে আসে। সে এই কোশ্চেনগুলা করার মাধ্যমে এই প্রশ্নগুলো করার মাধ্যমে তার লোকদেরকে আসলে সঠিক পথে সন্ধান দিচ্ছে এবং তাদেরকে তাদের যে চরম এবং মর্মান্তিক পরিণতি সেটা থেকে বাঁচার জন্য তার হাতকে বাড়িয়ে দিচ্ছে।