📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Hadith#6/A || Part 21: 40Hadith-Imam An Nawawi || Hadith of Taqwa & Sincerity

Straight Path17:30

Transcription

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। ইমাম নববীর 40 টি হাদিস এর আলোকে আমাদের হাদিস আলোচনা আমরা কন্টিনিউ করছি। আজকে আমরা যে হাদিসটি নিয়ে আলোচনা করব এটা হচ্ছে 40 হাদিসের ছয় নাম্বার হাদিস। খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি হাদিস এবং আমি সবাইকে অনুরোধ করব এ হাদিসটিকে খুব ভালোভাবে বুঝার জন্য চেষ্টা করা। কারণ এটি হচ্ছে ওয়ান অফ দা ফাউন্ডেশন অফ আওয়ার ইসলাম।

এই হাদিসটাকে বিভিন্নভাবে নামকরণ করা হয়েছে। একটা নাম দেওয়া হয়েছে যে আমাদের হার্টকে বা আমাদের কলবকে কিভাবে সুরক্ষা দেওয়া যায় সেটা জানা যায় এই হাদিসের মাধ্যমে। এ হাদিসে আরেকটা নাম হচ্ছে যে সন্দেহজনক বিষয় সম্পর্কে জানানোর জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এই হাদিসটি আমাদেরকে বলেছেন। আবার এটাকে বলা হয়ে থাকে তাকওয়া এবং সিনসিয়ারিটি। আল্লাহর ভয় এবং ইখলাসের হাদিস সেটাও বলা হয়ে থাকে এই হাদিসকে। তাহলে আমরা দেখছি যে বিভিন্ন দিক থেকে এ হাদিসটির বিভিন্ন জিনিস কাভার করা হয়েছে এবং যে প্রত্যেকটা জিনিসই হচ্ছে আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আমরা যদি হাদিসটি রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম যেভাবে বলেছেন সেভাবে দেখতে চাই তাহলে এখানে আমাদের আরবিটা দেওয়া আছে এবং আমরা যারা হচ্ছে আরবিটা দেখে বুঝতে চাই তারা এটা পড়ে পরবর্তীতে আমি অর্থগুলো এটার সাথে মিলিয়ে বলব যে কি অর্থ এখানে প্রকাশ করা হয়েছে তখন আমাদের জন্য সেই হাদিসটা বুঝা অনেক সহজ হয়ে যাবে। হাদিসটার অর্থটা আমি পড়ছি সেটা হচ্ছে বুখারী এবং মুসলিম শরীফে বর্ণিত আবু আব্দুল্লাহ আল নোমান বিন বাশির রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনি বলেছেন যে আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এর কাছ থেকে শুনেছি যা কিছু হালাল সেটা সুস্পষ্ট যা কিছু হারাম তাও সুস্পষ্ট এবং এর মাঝখানে এমন কিছু জিনিস রয়েছে যে জিনিসগুলো অস্পষ্ট যেগুলো হচ্ছে অধিকাংশ মানুষেরই জানা নেই যারা হচ্ছে এই অস্পষ্ট জিনিসগুলোর ব্যাপারে সতর্ক থাকে সে তার ধর্মকে এবং সম্মানকে রক্ষা করে এবং যে এই অস্পষ্ট জিনিসের মধ্যে হারিয়ে যায় সে আসলে হারামের মধ্যে নিজেকে হারিয়ে ফেলে।

তারপর রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম একটা উদাহরণ দিয়েছেন এখানে যে এটা একটা মেশপালকের উদাহরণের সাথে এটাকে কম্পেয়ার করা যায় যে হচ্ছে তার ভেড়াগুলোকে চড়িয়ে বেড়ায়। কিন্তু সেই ভেড়াগুলো হচ্ছে খুব তার যে সীমানা সে সীমানার কাছাকাছি অবস্থান করে এবং শেষ পর্যন্ত দেখা যায় যে সীমানার কাছাকাছি অবস্থান করতে করতে একসময় তারা সেই সীমানাকে পার হয়ে যায়। প্রত্যেক রাজারই হচ্ছে তার নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে এবং আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তিনি হচ্ছেন রাজাধিরাজ। তার যে সীমা সেটা হচ্ছে তিনি আমাদের জন্য কিছু হারাম নির্ধারিত করে দিয়েছেন। এবং আমাদের শরীরে আরেকটি উদাহরণ এখানে দিচ্ছেন রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম যে আমাদের শরীরে একটা মাংসপিণ্ড রয়েছে। যদি এই মাংসপিণ্ডটা সুস্থ থাকে তাহলে পুরো শরীর সুস্থ থাকবে। এবং যদি এটা করাপ্টেড হয় এটা দূষিত হয় তাহলে পুরো শরীর হচ্ছে দূষিত হয়ে যাবে। এবং এই যে মাংসপিণ্ডটা সেটা হচ্ছে আমাদের কল্ব। আমাদের হার্ট।

এই হাদিসটা হচ্ছে খুবই কম্প্রিহেন্সিভ একটা হাদিস। এটা আমাদের শরীয়া বা ইসলামিক ল এর বিভিন্ন এরিয়াকে কাভার করছে। ইমাম নববী এবং মেনি স্কলারস তারা এই হাদিসটাকে কনসিডার করেছেন যে পাঁচটা হাদিসের মধ্যে চারটা অথবা পাঁচটা হাদিস। যেগুলো হচ্ছে বেসিক আমাদের এন্টায়ার রিলিজিয়নের জন্য দ্বীনের জন্য তার মধ্যে অন্যতম একটি হাদিস হচ্ছে এটি। এবং এই হাদিসে আমরা দেখি যে তিনটা জিনিসকে মূলত ফোকাস করা হয়েছে হালাল কি, হারাম কি এবং অস্পষ্ট জিনিস কি?

আমরা যদি এই হাদিসের বেসিক যে বর্ণনাকারী সেটা সম্পর্কে জানতে চাই তাহলে দেখব যে এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল নোমান বীর বাশীর রাদিয়াল্লাহু আনহু। তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের যে সাহাবারা ছিলেন উল্লেখযোগ্য সাহাবাদের অন্তরগত একজন তিনি মদিনাতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং তার জন্মগ্রহণটা হলো ঐতিহাসিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মুহাজিররা হিজরত করার পরে মদিনাতে যখন তারা হিজরত করেছেন তারপরে আনসারদের প্রথম সন্তান ছিলেন আবু নোমান বিন বাসর রাদিয়াল্লাহ আনহু। অর্থাৎ যে একদম ইসলামিক পরিবেশের মধ্যে বা মুসলমানদের মধ্যে জন্মগ্রহণকারী প্রথম সন্তান ছিলেন আনসারদের মধ্যে মদিনাবাসীদের মধ্যে নোমান বিন বাসর। সো তিনি হাদিস অনেকগুলো হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি একজন কবি ছিলেন। তিনি পরবর্তীতে কুফার গভর্নর। কুফা এবং হিমস দুইটা জায়গার গভর্নর হয়েছিলেন এবং আর হিজরতের 64 বছর পরে হচ্ছে তিনি মারা গিয়েছেন।

আবু আনোমান আল নোমান বিন বাশীর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সম্পর্কে যদি আমরা জানতে চাই তাহলে দেখি যে হিজরীর দ্বিতীয় সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের যখন ওফাত হয় তখন তার বয়স আট থেকে 10 বছরের মধ্যে ছিল এবং তার মার নাম ছিল আমরা বিনতে রাওয়াহা রাদিয়াল্লাহু আনহা এবং তার বাবার নাম ছিল বাশীর বিন সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনি 100টার উপরে হাদিস বর্ণনা করেছেন ইন টোটাল বলা হয়ে থাকে 116 টা হাদিস তিনি বর্ণনা করেছেন যেগুলো হচ্ছে বুখারী এবং মুসলিম শরীফে স্থান পেয়েছে সহীহ বুখারীতে তার ছয়টা হাদিস অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এবং তার উল্লেখযোগ্য হাদিস যেগুলো রয়েছে তার মধ্যে এটা অন্যতম হাদিস যেখানে এই যে একটা মাংসপিণ্ডের কথা বলা হয়েছে এবং সেটাকে সুস্থ রাখার ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আমাদের হার্ট বা কল্বের কথা বলা হয়েছে আরেকটা হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে তিনি বলেছেন যে বাচ্চাদের সাথে ফেয়ারনেস বা তাদের সাথে যে ভালো সমতা বিধান করার যে নিয়ম রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন সেটার উপরে যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম তার বাবাকে বলেছেন যে আমাকে তুমি সাক্ষী হিসেবে চেও না যে কারণ আমি হচ্ছে কোন আনফেয়ারনেসের সাক্ষী হবো না অর্থাৎ বাচ্চাদের মধ্যে সমতা বিধান করা সেটার ব্যাপারে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন এবং ঈমানদারদের ইউনিটির উপরেও তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যে একটা একজন মুসলমান বা মুসলিম উম্মাহ হচ্ছে একটা শরীরের মত একটা দেহের মত যে একটা শরীরের প্রত্যেকটা পার্টের জন্য আমাদের যেমন স্নেহ দয়া থাকে সেরকমভাবে একটা শরীরের একটা অংশে যদি ব্যথা হয় তাহলে পুরোটা শরীর যেভাবে রিএক্ট করে মুসলিম উম্মাহ সম্পর্কটাও সেরকম হওয়া উচিত যে কোথাও একজন মুসলিমও যদি কষ্ট পায় আক্রান্ত হয় তাহলে পুরো মুসলিম উম্মাহ সেটাতে কষ্ট পাবে। সো এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু হাদিস এই উল্লেখযোগ্য সাহাবার কাছ থেকে এসেছে এবং যদি সোর্স হিসেবে দেখি যে হাদিসটি কোথায় স্থান পেয়েছে তাহলে বুখারী এবং মুসলিম শরীফে আমরা দেখতে পাই যে উল্লেখযোগ্য এবং যে হাদিসগুলো হচ্ছে সবচেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য সে হাদিসগুলো এসেছে বুখারী এবং মুসলিম শরীফে এবং সে কারণে এই দুইটা হাদিস গ্রন্থে যখন কোন হাদিস উল্লেখ করা হয়ে থাকে সেটাকে মুত্তাফাক আলাইহ বলা হয়ে থাকে যে উভয় হাদিস গ্রন্থের মধ্যেই সেটা রয়েছে এবং এই হাদিসগুলো সম্পর্কে খুব কমই সন্দেহ রয়েছে এবং খুবই গুরুত্বপূর্ণ হাদিস এগুলো। সো এই হাদিসটার গুরুত্ব আমরা এখান থেকেও বুঝতে পারি।

আমরা যদি সত্যিকারভাবেই এর ভার্চু বা গুরুত্ব দিকে খেয়াল করি তাহলে দেখব যে এই হাদিসটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি হাদিস আমাদের দ্বীন বা রিলিজিয়নকে বুঝার জন্য। সো ইমাম বুখারী এই হাদিসটি স্থান দিয়েছেন তার হাদিস গ্রন্থে। এই ব্যাপারে হাদিস বিশারতগণ সুন্দরভাবে আর কিছু ব্যাখ্যা করেছেন। তারা বলেছেন যে তিনি শুধু যে মুহাদ্দিস ছিলেন যিনি হচ্ছেন হাদিস মেমোরাইজ করতেন। হাদিস সংগ্রহ করতেন এবং সেগুলোকে রেকর্ড এবং কম্পাইলড করতেন। তাই না বরং তিনি ছিলেন একজন ফাকি। ফাকি মানে হচ্ছে যিনি হচ্ছেন জুরিস্ট। যিনি হচ্ছেন জাজ এবং তিনি হচ্ছেন তার এই ফিক বা তার যে জাজমেন্ট সেগুলো হচ্ছে বিভিন্নভাবে মানুষের সামনে উপস্থিত উপস্থিত করতেন এবং তিনি তার যেই বুখারী শরীফ লিখেছেন সেই বুখারী শরীফের প্রত্যেকটা চ্যাপ্টারের জন্য তিনি একটা করে টাইটেল নির্ধারণ করেছেন এবং এই টাইটেলগুলো তিনি নির্ধারণ করেছেন যে হাদিসগুলোর সার্টেন স্টেটমেন্ট এর উপরে যে সেখানে যে বিষয়গুলো উল্লেখযোগ্য তার উপরে ডিপেন্ড করে এবং এই টাইটেলগুলো দিয়ে আমরা বুঝতে পারি তার যে ফিকের জ্ঞান বা ইসলামিক যে মূল বিষয়গুলো সে সম্পর্কে তার যে জ্ঞান সেগুলো রিফ্লেক্ট হচ্ছে তার এই টাইটেলগুলোর মধ্য দিয়ে এবং যেভাবে তিনি হাদিসগুলো কালেক্ট করেছেন তার মাধ্যমে। সো এই একটা হাদিসে দেখা যাবে বিভিন্ন চ্যাপ্টারে রিপিট হয়েছে কিন্তু সেটা ডিপেন্ড করে তার মধ্যে যে সাবজেক্টগুলো রয়েছে সেটা কতটুকু রিলেভেন্ট সেই টাইটেলের সাথে।

আমরা দেখি যেই হাদিসটা ইমাম বুখারী তার হাদিস বুখারী হাদিস গ্রন্থের মধ্যে যেই চ্যাপ্টারের আন্ডারে এটা লিখেছেন সেটা হচ্ছে কিতাব আল বুয়। কিতাবাল বুয় মানে হচ্ছে যেখানে হচ্ছে মানুষের সাথে লেনদেন করা হয়, ব্যবসা-বাণিজ্য করা হয় সেই চ্যাপ্টারের মধ্যে তিনি এটা রেখেছেন। সো হাদিস বিশারতগণ বলেছেন যে তিনি যে এভাবে এই কিতাব আল বয়র মধ্যে এটাকে কিতাব আল বুয় চ্যাপ্টারে এটাকে সংরক্ষিত করেছেন তারও বিভিন্ন ইমপ্লিকেশন রয়েছে। তার একটা কারণ হচ্ছে যে এখানে ডাউটফুল ম্যাটারস নিয়ে বা যে জিনিসগুলো হচ্ছে অস্পষ্ট বা সন্দেহজনক সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং সেটা হচ্ছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমাদের ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য হচ্ছে এটা খুবই সংশ্লিষ্ট যখন আমরা ক্রয়-বিক্রয় করে থাকি বাণিজ্য করে থাকি লেনদেন করে থাকি তখন এই ডাউটফুল ম্যাটারগুলোর ব্যাপারে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে এবং তিনি আরো বলেছেন যে তার বাবা বা একবার তার কাছে বলেছিলেন যে তিনি তার 40 বছর জীবনে কখনোই কোন সন্দেহজনক জিনিস তার গৃহে প্রবেশ করান নাই। সো এখান থেকে আমরা দেখি যে ইমাম বুখারী তার বাবার যেই কাজ সেগুলো দিয়ে তিনি কিভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন। একটা ওয়ে হচ্ছে যে তার বাবা শুধু হালাল জিনিস ঘরের মধ্যে আনতেন। সো তার ঘরে যা কিছু খাওয়া হতো পান করা হতো ব্যবহার করা হতো সমস্ত কিছু ছিল হালাল। যে ব্যাপারে সন্দেহ রয়েছে সেগুলো তিনি কখনোই আনেন নাই ঘরের মধ্যে। তো ইমাম বুখারীর যে ব্রট আপ তিনি যেভাবে বড় হয়েছেন সেটা হচ্ছে পুরো একটা হালাল এনভায়রনমেন্টের মধ্যে বড় হয়েছেন সেখানে সন্দেহজনক কিছু নাই এবং এটাও যে কত গুরুত্বপূর্ণ সন্তানের বিকাশ সাধনের জন্য সেটা আমরা দেখতে পাই যে তার ব্যবহারে তার আচরণে তার কাজের মধ্যে এটার প্রভাব ফেলে। তিনি আরো বলেছেন যে তার বাবা আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে দোয়া করেছেন এবং আল্লাহ সুবহানা তায়ালা তার দোয়া কবুল করে নিয়েছেন যে তাকে কখনোই হচ্ছে সন্দেহজনক কিছু নিয়ে কাজ করতে হয় নাই এবং সেটা আমরা দেখি যে তার বাবা এবং তার মাধ্যমে ইমাম বুখারীর আচরণ এবং এটিচিউডের মধ্যে প্রভাব ফেলেছে সো এ কারণে আমরা দেখি যে এই জ্ঞানের ভিত্তিতেই তিনি যেভাবে বুখারী শরীফকে সাজিয়েছেন কিতাবাল বুইও বা ব্যবসা-বাণিজ্য চ্যাপ্টারের মধ্যেই হচ্ছে তিনি এই হাদিসটা রেখেছেন।

এবং ইমাম বুখারী সম্পর্কে বলা হয়েছে তিনি একজন গ্রেট মুহাদ্দিস। সো একজন মুহাদ্দিসের কাজ হচ্ছে যে তারা হাদিসগুলো যারা বর্ণনা করেছেন তাদের সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা এবং প্রত্যেকটা হাদিস বর্ণনা আমরা দেখি যে এত বছর পরে যে হাদিসগুলো আমাদের কাছে এসেছে প্রত্যেকটা হাদিসের ব্যাপারে আমরা দেখি যেগুলো গ্রহণযোগ্য হাদিস সেগুলোর যে ন্যারেটর যারা বর্ণনা করেছেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম থেকে সাহাবা সাহাবা থেকে তাবেঈন তাবেঈ থেকে তাবে তাবেঈন তারপরে তাদের স্টুডেন্টরা এভাবে যে একটা চেইন মেনটেইন হয়েছে সেটা খুব সূক্ষ এবং সুন্দরভাবে মেনটেইন করা হয়েছে এবং যখনই তাদের কাছ থেকে হাদিস নেওয়া হয় তখন আসলে তাদের চরিত্র তাদের আচরণ তাদের যে ঈমানের যে ড্যাপ সেগুলো নিয়েও চিন্তাভাবনা করা হয়েছে। সো যারা যাদের কাছ থেকে এই হাদিস বর্ণনা করা হয়েছে তখনই হাদিসগুলো নেওয়া হয়েছে যখন তারা জানেন যে তারা হচ্ছে ট্রুথফুল এবং ট্রাস্ট অর্ডি এবং যাদের ব্যাপারে সন্দেহ ছিল তাদের কাছ থেকে হাদিসগুলোকে কালেক্ট করা হয় নাই এবং এখানে আমরা দেখি যে ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহ আলাইহি তিনি যেভাবে এই হাদিসগুলোকে সিলেক্ট করেছেন বুখারী শরীফে খুবই সতর্কতার সাথে সিলেক্ট করেছেন প্রত্যেকটা হাদিস তার নারেশন যে কথাগুলো রয়েছে সেগুলোর সত্যি কোরআন এবং হাদিসের সাথে কোন ধরনের কনফ্লিক্ট হয় কিনা যারা এই হাদিস বর্ণনা করেছে তাদের ব্যাপারে সঠিকভাবে খবর নিয়েছেন। তারপরে তিনি হচ্ছে এই হাদিসগুলোকে লিপিবদ্ধ করার আগে তিনি নিজে দুই রাকাত নামাজ পড়ে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সাহায্য চেয়েছেন। তারপরে তিনি হাদিসগুলোকে বুখারী শরীফে স্থান দিয়েছেন। সো সে এর মাধ্যমে আমরা দেখি যে ইমাম বুখারী যেই জিনিসগুলো হচ্ছে কন্ট্রোভার্সিয়াল অথবা যেগুলো হচ্ছে একটা আরেকটার সাথে ক্ল্যাশ তৈরি করে কথাগুলো সেগুলোর ব্যাপারে তিনি খুব সাবধানতা অবলম্বন করেছেন এবং সেগুলোর ব্যাপারে আমরা জানি যে তিনি খুব সতর্কতার সাথে হাদিস বাছাই করেছেন। সো এই হাদিসটার ব্যাপারে সেজন্য আমরা নিশ্চিন্ত যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তাকে যেই যোগ্যতা দিয়েছিলেন তার আলোকে তিনি খুব সুন্দরভাবে এগুলোকে যাচাই বাছাই করে আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন।

এর গুরুত্ব সম্পর্কে আমরা যদি দেখি তাহলে দেখব যে সহীহ আল বুখারীর কমেন্টারি করতে যেয়ে এর ব্যাখ্যা করতে যেয়ে একজন ইমাম শামসালউদ্দিন কিরমানী তিনি বলেছেন যে এটা আলেমদের মতে তারা সর্বসম্মতিক্রমে তারা সিদ্ধান্ত দিয়েছে যে এটা ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাদিসগুলোর মধ্যে একটি এটাকে পিলারস অফ ইসলামও বলা হয়ে থাকে যার মাধ্যমে হচ্ছে যে কয়েকটা হাদিস রয়েছে যেগুলো হচ্ছে ইসলামের পিলার নির্ধারণ করে সে হাদিসগুলোর মধ্যে একটা হচ্ছে এই আজকের এই ছয় নাম্বার হাদিসটির এই যে হাদিসগুলোর মাধ্যমে ইসলামের পিলারকে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে বলা হয়ে থাকে তার মধ্যে একটা হচ্ছে আমরা এই ইমাম নববীর ফাস্ট হাদিস এবং বুখারী শরীফের ফাস্ট হাদিস যে নিয়তের উপরেই কাজ নির্ভরশীল সেটা হচ্ছে নাম্বার ওয়ান নাম্বার টু আমরা দেখি তিরমিজী শরীফের একটা হাদিস যেখানে বলা হচ্ছে যে একজন মানুষ সে যে ইসলামকে সঠিকভাবে বুঝতে পেরেছে তার মানে হচ্ছে যে সে যা তার জন্য সংশ্লিষ্ট না সেগুলোকে সে ত্যাগ করে থাকে। স এটা হচ্ছে সেকেন্ড হাদিসের কথা এখানে বলা হয়েছে। যে হাদিসটা হচ্ছে আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই ছয় নাম্বার হাদিসটা হচ্ছে আরেকটা হাদিস যেটা হচ্ছে আমাদের জন্য রেখে দিয়েছেন। সো এখানে আমরা ফোর্থ হাদিস হিসেবে যেটা দেখি যে সহীহ বুখারীর 13 নাম্বার হাদিস সেখানে বলা হয়েছে যে ততক্ষণ পর্যন্ত তোমরা সত্যিকারের ঈমানদার হতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না তুমি তোমার ভাইয়ের জন্য তাই পছন্দ করবে যা তুমি নিজের জন্য পছন্দ করে থাকো। সো আমরা দেখি যে এই চারটা গুরুত্বপূর্ণ হাদিসকেই পিলারস অফ ইসলাম বলা হয়েছে। স চারটা হাদিস আসলে আমাদের সঠিকভাবে বুঝা এবং আমল করা দরকার।

আবার আমরা দেখি যে ইমাম দাকি আলদ রাহমাতুল্লাহ আলাইহি তিনি বলেছেন এই ছয় নাম্বার হাদিসটা হচ্ছে ইসলামিক যে জুরিস প্রুডেন্স অর্থাৎ নীতি নির্ধারণের ব্যাপারে একটা ফাউন্ডেশনাল প্রিন্সিপাল নির্ধারণ করেছে হচ্ছে এই হাদিসটি। এই হাদিসের গুরুত্ব সম্পর্কে আমরা আরো দেখি যে ইমাম আল বুখারী কিতাবুল বুইয়ুতে এই হাদিসটি দিয়ে শুরু করেছেন যেন হচ্ছে আমরা এই হাদিসটার উপরে গুরুত্ব দিয়ে আমাদের লেনদেনকে সুন্দর করতে পারি। ইমাম আবু দাউদ বলেছেন যে এই হাদিসটি হচ্ছে ইসলামের চার ভাগের এক ভাগ। সো এখান থেকে আমরা দেখতে পাচ্ছি আসলে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই কথাগুলো যে কত গুরুত্বপূর্ণ ইসলামকে সঠিকভাবে বুঝার জন্য ইসলামকে সঠিকভাবে পালন করার জন্য এবং আমাদের প্র্যাক্টিক্যাল লাইফে ইমপ্লিমেন্ট করার জন্য সেটা আমরা সুস্পষ্টভাবে এখানে বুঝতে পারছি।