📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Dua of Surah Al Imran: Ayah 16/B ||Be Sincere in Belief||

Straight Path12:51

Transcription

প্রথম অংশে এসেছে কনফেসিং ফেথ যে আমি যে ঈমান এনেছি সে ঈমানের প্রকাশ ঘটানো ঈমানের প্রচার ঘটানো সেটার আগে আমরা দেখি সেখানে কি বলা হয়েছে। রব্বানা, রব্বানা অর্থ হচ্ছে হে আমার লর্ড, হে আমার মালিক, হে আমার প্রভু। যে আমরা আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছে চাচ্ছি এবং রব্বানা শব্দটার মধ্যে খুব সুন্দর একটা সম্পর্ক আসলে এখানে স্বীকার করা হচ্ছে এবং বলা হচ্ছে রব হচ্ছেন তিনি যিনি আমাদেরকে তৈরি করেছেন, যিনি আমাদেরকে পৃথিবীতে এনেছেন, যিনি আমাদেরকে পৃথিবীতে চলার মত যা কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস রয়েছে সেগুলো সাপ্লাই দিয়েছেন এবং তিনি হচ্ছেন আমাদের মুরুব্বি, তিনি আমাদেরকে গাইড করেন, তিনি আমাদেরকে তার বা প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন এবং সমস্ত কিছুর ব্যবস্থা তার কাছ থেকেই আসে। তিনি হচ্ছেন রব। তাহলে আমরা দেখি যে আমাদের জন্ম থেকে শুরু করে প্রতিটা মুহূর্তে যার স্নেহ ভালোবাসায় যার দেওয়া জিনিসগুলো দিয়ে আমরা পরিতৃপ্ত হচ্ছি, তুষ্ট হচ্ছি, আমাদের বৃদ্ধি ঘটছে তিনি হচ্ছেন রব। এবং সেই রবকে আমরা যখন আন্তরিকভাবে ডাকি তখনই সেটা বলা হয় রব্বানা, হে আমাদের প্রভু। এবং এর মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার সাথে আমাদের যে ক্লোজনেস সেটা আমরা দেখতে পাই। যে আল্লাহু বললে আল্লাহর একটা নাম বলে ডাকা হচ্ছে। কিন্তু রব্বানা বলে যখন আমরা বলছি তখন আসলে আল্লাহকে আমরা স্বীকার করে নিচ্ছি যে আমি আমি তাকে এভাবেই চিনি যে আমি প্রতি মুহূর্তে তার কাছে কৃতজ্ঞ। কারণ তার অবদান ছাড়া, তার দান ছাড়া, তার দেওয়া জিনিসগুলো ছাড়া একটা সেকেন্ড টিকে থাকা আমার পক্ষে সম্ভব না। টিকে থাকা যেমন সম্ভব না তেমনিভাবে এই দ্বীনের পথে চলও আমার পক্ষে সম্ভব না। একজন মুমিন মুসলমান হিসেবে নির্দেশগুলো পালন করাও সম্ভব হবে না। যদি না আমরা তার কাছ থেকে তারবিয়া পেয়ে থাকি। তার কাছ থেকে এ প্রশিক্ষণ বা গাইডলাইন পেয়ে না থাকি। আল্লাহই আমাদেরকে গাইড করেন। সে কারণেই দেখা যায় ভালো এবং মন্দের অনুভূতি আমাদের মধ্যে রয়েছে। আমরা যদি আসমানি কিতাব নাও পড়ি তাও প্রত্যেকটা মানুষ জানে যে কোন জিনিসটা ভালো, কোন জিনিসটা খারাপ। সে ফিতরত আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে দিয়েছেন। কারণ তিনি হচ্ছেন আমাদের রব। এবং আল্লাহর সাথে এই যে ক্লোজনেস, তার নৈকট্য অনুভব করা সেটার জন্যই আমরা রব্বানা বলে থাকি।

তারপরে বলা হচ্ছে ইন্না। ইন্না শব্দের অর্থ হচ্ছে নিশ্চিতভাবে, যার মধ্যে কোন ধরনের সন্দেহ নেই। না হচ্ছে আমরা নিশ্চয়ই আমরা আমান্না। আমানা শব্দের অর্থ হচ্ছে বিশ্বাস করা। আনা দিয়ে আবার উৎসা হচ্ছে আমরা। খেয়াল করুন এ তিনটা শব্দ আমরা এখানে বললাম প্রথম অংশে রব্বানা, ইন্না, আমান। প্রত্যেকটা শব্দের শেষে না আছে, নুন আলিফ আছে। এই না হচ্ছে আমরা বুঝানোর জন্য। এখানে আমরা যখন দোয়া করি আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে খুব আল্লাহর নৈকট্য অনুভব করি তখন আমরা সাধারণত একা একাই দোয়া করে থাকি। গ্রুপে বসে দোয়া করে আমরা সেই আল্লাহর সাথে যে ক্লোজনেস সেটা আসলে খুব কমই অনুভব করি। আমরা যখন সিজদায় পড়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করি, আমাদের বিপদের সময় আল্লাহর কাছে দোয়া করি অথবা তাহাজ্জুদের নামাজে দোয়া করি সেগুলো হয় একাকি সময়ে। কিন্তু আমি যখন দোয়া করছি তখন আমি কি বলছি রব্বানা, ইন্না, আমান্না। আমরা হে আমাদের রব, আমরা নিশ্চিতভাবে আমরা আমরা বিশ্বাস করেছি। এখানে একজন মুসলমান কখনো একা কোন কিছু চিন্তা করে না। সে চিন্তা করে সামগ্রিকভাবে। আমরা একা যতই ভালো মুসলিম হওয়ার জন্য চেষ্টা করি আর একা যতই জান্নাতের জন্য চেষ্টা করি সেটা ইসলামিক ওয়ে না। এখানেই আমাদেরকে বুঝানো হচ্ছে যে আমরা যেন ফিল করি পুরা কমিউনিটিকে, আমরা যেন পুরা মুসলিম উম্মাহকে ফিল করি এবং সেই ফিলিংসটাই আমরা এই না শব্দটার মধ্যে আমরা শব্দটার মধ্যে নিয়ে আসছি যে আমি যা কিছু চাই সেটা ভাগীদার হচ্ছে আমার পরিবার, সেটার ভাগীদার হচ্ছে আমার বন্ধু বান্ধব, সেটার ভাগীদার হচ্ছে আমার আত্মীয়স্বজন, সেটার ভাগীদার হচ্ছে সমস্ত মুসলমান। তাদের সবাইকে নিয়েই আমি এক, তাদের সবাইকে নিয়েই হচ্ছে আমি আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে এই জিনিসগুলো চাচ্ছি। সো মুসলমান কখনো একা কোন কিছু করতে পারেনি। আমাদের প্রত্যেকটা সফলতার পিছনে রয়েছে সামগ্রিক ঐক্য এবং সেভাবেই হচ্ছে আমরা আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে তার দেওয়া বিধানগুলোকে পালন করার জন্য চেষ্টা করব এবং সেটাই আমরা এই দোয়ার মধ্যেও প্রতিফলিত হতে দেখি।

এখানে আমরা আল্লাহ সুবহানাতালার কাছে স্বীকার করছি যে আমরা ঈমান এনেছি। অর্থাৎ এই যে ডিক্লারেশন অফ ফেথ, আমাদের ঈমানের যে প্রকাশ সেটা কিভাবে ঘটে। আমরা জোরে জোরে স্বীকার করে বলি আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া ইবাদতের যোগ্য আর কেউ নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম হচ্ছেন আল্লাহর বান্দা এবং রাসূল। আমরা যারা হচ্ছে জন্মগতভাবে মুসলমান তারা আসলে এটা বলে মুসলিম হই নাই। আমরা দেখে দেখে শিখে শিখেই মুসলিম হয়েছি। এবং যে কারণে দেখা যায় যে আরবের কাফেররা যেভাবে এই ঈমানের যে ডিক্লারেশন সেটাকে বুঝতে পেরেছিল আমরা অনেকেই সেটাকে বুঝতে পারি না। আমরা মনে করি আমরা মুসলমান এটুকু বললেই যথেষ্ট। কিন্তু আমাদের এই তাশাহুদ অথবা আমাদের যে ঈমানের বহিঃপ্রকাশ যে কথাটার মাধ্যমে ঘটছে একজন মানুষ যখন মুসলমান হচ্ছে সে যখন জোরে জোরে এই কথাটার সাক্ষ্য দিচ্ছে সেটা আসলে আমাদের বুঝতে হবে যে এই বুঝার মাধ্যমেই হচ্ছে আমরা আমাদের ঈমানের যে মজবুতি সেটা ঈমানকে বুঝতে পারি এবং ঈমানের মজবুতি অর্জন করতে পারি। এই যে কথাটা আমরা বলি আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু এর তিনটা পার্ট রয়েছে।

একটা হচ্ছে যে এটা আল্লাহ সুবহানা তাআালার সাথে আমার একটা প্রতিজ্ঞা। সে আল্লাহ হচ্ছেন এই আসমান এবং জমিনের স্রষ্টা। সে আল্লাহ হচ্ছেন আমার রব। যিনি হচ্ছেন সমস্ত কিছু যা কিছু রয়েছে সমস্ত কিছুর শাসনকর্তা। এবং তিনিই হচ্ছেন সমস্ত কিছুর উপরে অবস্থিত। এবং এই আল্লাহর সাথে আমার যেই ওয়াদা বা প্রতিজ্ঞা সেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি। এই আমাদের যেই তাশাহুদ সরি তাশাহুদ না আমরা যেই কালিমা শাহাদাত বলছি তার মাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে। সো এখানে আমরা দেখি যে ঈমান ঈমান বলতে যে জিনিসটাকে বুঝায় সেটা তিনটা অংশ।

একটা হচ্ছে যে এটা আমাদের অন্তর দিয়ে সেটাকে প্রকাশ করা। অন্তরে এসে বিশ্বাস করা। এই জিনিসটা হচ্ছে ফাস্ট পার্ট। সে আমি যখনই এটা খুবই ইজি যে আশহাদু আল্লাহ বলে ফেলা যে না বুঝে। সো এখানে আমি যখন এটা বলি তখন আসলে আমি যেটা বলছি যে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে এই ইউনিভার্স বা বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের জিনিসটা এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের মধ্যে রয়েছে সমস্ত নক্ষত্র, সমস্ত গ্রহ, সূর্য, চন্দ্র, আসমান, জমিন যা কিছু আমার জানা এবং অজানার মধ্যে রয়েছে এ সমস্ত কিছুর স্রষ্টা হচ্ছেন আল্লাহ। এবং তিনিই হচ্ছেন সবকিছুর অর্গানাইজার। তিনি হচ্ছেন প্ল্যানার অফ অল এফেয়ারস। তিনিই হচ্ছেন সেই সত্তা যিনি আমাদেরকে জীবন দেন। তিনি হচ্ছেন যিনি আমাদেরকে মৃত্যু দেন। এবং তিনিই হচ্ছেন একমাত্র রিজিকদাতা এবং তিনিই হচ্ছেন যিনি আমাদেরকে সিকিউরিটি দিতে পারেন। এই যে স্বীকৃতি দেওয়া আল্লাহর ওয়াননেস অফ লর্ডশিপ অফ আল্লাহ। এটা হচ্ছে তাওহীদ রুববিয়া। যে আমি আমার অন্তর দিয়ে সেটাকে স্বীকার করে নিচ্ছি।

দুই নাম্বার পার্ট যেটা সেটা হচ্ছে যে আমরা সেখানে স্বীকার করে নিচ্ছি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালাই হচ্ছেন তিনি যিনি হচ্ছেন আমার সমস্ত ইবাদতের উপযুক্ত। তিনি ছাড়া আর কেউই এই ওয়ারশিপ করার অথবা ইবাদত যোগ্য না। যখন আমি এই ইবাদতের যোগ্য বলছি যে তাকেই আমরা ইবাদত করছি। আমরা তার তখন এর মাধ্যমে যে কথাটা প্রকাশ পায় সেটা হচ্ছে যে যেকোন ধরনের ইবাদত হচ্ছে শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য আর কারো জন্য না। এটা হতে পারে ফেরেশতা হতে পারে রাসূ ঈসা আলাইহি সালাম, মারিয়াম আলাইহিস সালাম, ওজায়ের অথবা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সালাম। আল্লাহ ছাড়া কেউ হচ্ছে ইবাদতের যোগ্য না। সূর্য, চন্দ্র, মূর্তি কোন কিছুই হচ্ছে ইবাদতের যোগ্য হতে পারে না। সো আমরা শুধু চাইবো কার কাছে? আল্লাহর কাছে। আল্লাহ ছাড়া আর কারো কাছেই না। আমরা হচ্ছে প্রার্থনা করব, দোয়া করব হচ্ছে আল্লাহর কাছে। আমরা সাহায্য চাইবো হচ্ছে শুধুমাত্র আল্লাহর কাছে। আমরা শপথ করব শুধু আল্লাহর নামে। আমরা স্যাক্রিফাইস করব, কোরবানী করব শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য। সো যা কিছুই আমি করি না কেন এই দুনিয়ার বুকে এই সমস্ত কিছু হচ্ছে শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য। আল্লাহ সুবহানা তাআলার নির্দেশ অনুযায়ী আমি করব। এই যে স্বীকৃতি আমরা দিচ্ছি সেটা হচ্ছে ওয়াননেস অফ দা ওয়ারশিপ অফ আল্লাহ। যেটাকে বলা হয় তৌহীদ আল উলুহিয়া। যে আল্লাহকে ইলাহ হিসেবে মাবুদ হিসেবে ইবাদতের যোগ্য হিসেবে ঘোষণা করা এবং তিনি হচ্ছেন একমাত্র সেটার যোগ্য।

থার্ড যে জিনিসটা আমরা বলছি আমাদের অন্তর দিয়ে স্বীকার করছি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা হচ্ছেন তিনি যার জন্য রয়েছে আসমাউল হুসনা সবচেয়ে সুন্দরতম নামগুলো এবং সবচেয়ে সুন্দর কোয়ালিটিস হচ্ছে আল্লাহ সুবহানা তাআলার জন্য এবং সেগুলো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বর্ণনা করেছেন কোরআনে অথবা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম আমাদের জন্য সেগুলোকে বর্ণনা করেছেন এবং আমরা এই সমস্ত কিছুকে বিশ্বাস করি এবং এগুলোকে আমরা বিশ্বাস করি এমনভাবে যে আমরা এর অর্থ অর্থ মধ্যে কোন পরিবর্তন আনি না। আমরা এর কোনটাকেই হচ্ছে ইগনোর করি না, নেগলেক্ট করি না, ডিসলাইক করি না। স আল্লাহ সুবহানাতালা এই আসমাউল হুসনা গুলোকে জানা এবং বুঝার মাধ্যমে হচ্ছে আমরা আমাদের তাওহীদের যে তৃতীয় পার্ট সে তৃতীয় পার্টটাকে আমরা কমপ্লিট করে নিচ্ছি এখানে। সো এই তিনটা জিনিস হচ্ছে আমাদের ঈমানের প্রথম অংশ।

এবং চতুর্থ অংশ যেটা আমরা দেখি সেটা হচ্ছে যে আমরা অন্তর দিয়ে এখানে ঘোষণা করছি যে জিনিসটা সে ঘোষণাটা হচ্ছে আমরা স্বীকার করে নিচ্ছি যে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাললাম মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম হচ্ছেন আল্লাহর বান্দা কিন্তু তিনি আল্লাহর রাসূলও তার কাছ থেকে সমস্ত মেসেজ এসেছে। যখনই আমরা তাকে স্বীকৃতি দিলাম যে তিনি হচ্ছেন আল্লাহ মেসেঞ্জার তার মানে হচ্ছে যে আমরা তার দেওয়া তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে যে কথাগুলো আমাদের সামনে নিয়ে আসছেন সেগুলোকে আমরা হুবহু পালন করার জন্য চেষ্টা করব সেখানে কোন ধরনের বিকৃতি আনবো না সেখানে কোন ধরনের পরিবর্তন আনবো না এবং সেই ব্যাপারে কোন প্রশ্ন আমরা করব না রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দেওয়া পথ অনুযায়ী আমরা সুদৃঢ়ভাবে এই পথে টিকে থাকার জন্য চেষ্টা করব। সো এই যে কালেমায়ে শাহাদাত সেটাকে আমরা যখন সুস্পষ্টভাবে এভাবে বুঝতে পারবো তখনই আসলে আমাদের ঈমানকে আমরা স্বীকৃতি দিচ্ছি বুঝানো হয় এবং এই ঈমান যখন আমরা স্বীকৃতি দেই সেখানে আমাদের তিনটা অংশকে কাজে লাগাতে হয় একটা হচ্ছে আমাদের অন্তর দিয়ে সেটাকে আমাদের বিশ্বাস করতে হয়। আমি যে অন্তর দিয়ে বিশ্বাস করলাম সেটা আমার জিহ্বার মাধ্যমে আমাকে প্রকাশ করতে হবে এবং থার্ড যে জিনিসটা সেটা হচ্ছে যে এই বিশ্বাসের কারণে আমার উপরে যে কাজগুলো চলে আসছে সেই কাজগুলো আমি আমার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মাধ্যমে আমার বডির মাধ্যমে সেগুলোকে প্রকাশ করার জন্য চেষ্টা করব। সো রাব্বানা ইন্নানা আমান্না আমরা নিশ্চয়ই আমরা বিশ্বাস করেছি এই কথাটা বলার মানেই হচ্ছে আমার সামগ্রিক জীবনে আমি আল্লাহ সুবহানা তাআলার নির্দেশকে বিনা শর্তে মেনে নিচ্ছি এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামের সুন্নাহকে আমি কোন ধরনের পরিবর্তন বা বিকৃতি ছাড়াই অনুসরণ করার কথা এখানে স্বীকার করে নিচ্ছি।