📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Surah Ya Sin || Part 14: Ayah 11/A || Follow Quran & Fear Allah Alone!!

Straight Path20:34

Transcription

আসসালামু আলাইকুম। সূরা ইয়াসিনের 10 নাম্বার আয়াতে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলেছেন যে তাদের জন্য সবই সমান। আপনি তাদেরকে সতর্ক করুন আর নাই করুন। তারা ঈমান আনবে না।

সেখানে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন যে যখন মানুষকে প্রপার জ্ঞান দেওয়া হয় তাদের দ্বীনের উপরে তাদের বেসিক জ্ঞানটা থাকে তখন দেখা যায় যে তাদেরকে সতর্ক করলে সেটা কাজে লাগতে পারে। কিন্তু যেহেতু তাদের হচ্ছে জ্ঞান অর্জন করার বা হেদায়েতের পথে চলার সমস্ত দরজায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে এখন তাদেরকে সতর্ক করা না করা একই রকম তাদের জন্য তারা সেই হেদায়েতের রাস্তা আসার পথ বন্ধ করে দেওয়ার কারণে তাদের ঈমান আনার আর সুযোগ নেই।

11 নাম্বার আয়াতে আল্লাহ সুবহানাতালা আমাদেরকে বলছেন, "আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম। ইন্নামাতা রহমানবিলফিরাত কারীম। আপনি কেবল তাদেরকেই সতর্ক করতে পারেন যারা উপদেশ অনুসরণ করে এবং দয়াময় আল্লাহকে না দেখে ভয় করে। অতএব আপনি তাদেরকে সুসংবাদ দিয়ে দিন ক্ষমা ও সম্মানজনক পুরস্কারের।"

11 নম্বর আয়াতে আমাদেরকে বলছেন যে সতর্ক করে দেওয়া ওয়ার্নিং দিলে কাজ হবে কাদের জন্য। এর আগে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা যে গ্রুপ অফ পিপলের কথা বলেছেন আমরা দেখেছি তাদের গলার মধ্যে হচ্ছে শিকল পড়িয়ে দেওয়া হয়েছে যে কারণে তাদের উদ্ধত্বের কারণে মাথা এক জায়গায় ফিক্সড হয়ে গিয়েছে। তাদের চারপাশে এমনভাবে দেয়াল দিয়ে তারা আবদ্ধ হয়ে গিয়েছে যে দেয়ালের বাইরে কি আছে তারা সেটা দেখতে পায় না। ইভেন কি উপর থেকে তাদেরকে এমনভাবে ঘেরাও করে দেওয়া হয়েছে আবৃত করে দেওয়া হয়েছে যে বাইরে থেকে আলো আসার সুযোগও তাদের কাছে নেই।

এই মুহূর্তে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন যে আপনি যে সতর্ক বাণী দিচ্ছেন সে সতর্ক বাণী থেকে তারাই হচ্ছে সুবিধা পেতে পারবে সে সতর্ক বাণী তাদের কাজে লাগবে যাদের মধ্যে কিছু গুণাবলী থাকবে। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে আমাদেরকে দাওয়াতি কাজের, আল্লাহ সুবহানাতায়ালা উম্মতে মুহাম্মদীকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লামের মাধ্যমে যে রেসপন্সিবিলিটি দিয়ে দিয়েছেন যে নো ম্যাটার ওয়াট তোমাকে হচ্ছে দ্বীনের কথা বলে যেতে হবে। নো ম্যাটার হোয়াট তোমাকে হচ্ছে মানুষের সামনে এই দ্বীনের রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে দাঁড়াতে হবে এবং সেটা কাজ করবে কাদের জন্য সেটাও বুঝার উপায় আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আমাদেরকে বলে দিয়েছেন।

সো এখানে যে যাকে দাওয়াত দেওয়া হচ্ছে সেই শুধু বেনিফিটেড হচ্ছে না বরং যে দাওয়াত দিচ্ছে যে হচ্ছে দায়ী তার কথা এখানে বলা হচ্ছে এবং দুজনেই হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার এই নির্দেশনার মধ্যে পড়েন এবং আমরা হচ্ছে আমাদের দায়িত্ব থেকে কখনোই পিছিয়ে যেতে পারি না বা আমি দায়িত্ব পালন করবো বলে সেই ব্যর্থতাকে মেনে নিতে পারি না। আমাদেরকে এগিয়ে যেতেই হবে। কারণ এই স্ট্রাগল থেকে এই যে চলার পথের কষ্ট দায়ী হিসাবে আমাদেরকে চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে সেটা আমাদের জন্য হেল্পফুল।

আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে বলে দিচ্ছেন যে কিপ কন্টিনিউ ওয়ার্নিং। তবে ওয়ার্নিং থেকে তারাই হচ্ছে সুবিধা পাবে যারা হচ্ছে ইত্তাবাখা রাহমানাবিল। এখানে দিন শেষে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম যে কাজ করছেন তিনি চান যে কিছু রেজাল্ট দেখতে কিছু ফলাফল দেখতে কিছু মানুষ এগিয়ে আসতে এবং তিনি যা করছেন সেটা মিনিংফুল সেটা বুঝার জন্য এবং এটা যে পরিবর্তন আনছে। তো আমরাও যখন দ্বীনের কাজ করি দাওয়াতের কাজ করি আমরাও চিন্তা করি যে এটাতে মানুষের কোন পরিবর্তন আসছে কি। আমি যে এত বছর ধরে মানুষকে বলে যাচ্ছি তাদেরকে দ্বীনের কথা শোনাচ্ছি সেটাতে কার কি লাভ হচ্ছে। যখন আমরা একটা রেজাল্ট দেখি তখন আসলে সেটা আমাদের কাজের প্রতি আরো বেশি আগ্রহী করে তুলে উদ্বুদ্ধ করে তোলে। যখন দেখি একজন দুইজন মানুষ হলেও তাদের জীবনে পরিবর্তন এনেছে তখন সেটা আমাদের চলার পথটাকে আরো বেগবান করে দেয়।

এখানে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন ইন্নামা ইন্নামা এখানে বলা যে নিশ্চিতভাবে তিনি বলছেন যে ইন্নামাতুনজির যে নিশ্চিতভাবে বাস্তব অবস্থায় একচুয়ালিটি আমরা যদি দেখতে চাই তাহলে যে তুমি শুধুমাত্র তাদেরকেই সতর্ক করতে পারবে কাদেরকে। সেখানে আল্লাহ বলছেন যে ইত্তাবা ইত্তাবা মানে হচ্ছে অনুসরণ করা ফলো করা যে হচ্ছে ইত্তাবাজিকরা। যে হচ্ছে জিকর শব্দটার অর্থ কি। জিকর শব্দের অর্থ হচ্ছে রিমাইন্ডার যেটা আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে জিনিসটা আমাকে আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দিবে যে জিনিসটা আমাকে হচ্ছে দ্বীনের পথে চলার কথা বারবার মনে করিয়ে দিবে সেটাই হচ্ছে জিকর এবং আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় জিকির হচ্ছে আল কোরআন।

কোরআনের মধ্যে হচ্ছে প্রতিটি আয়াতে প্রতিটি শব্দের মাঝে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তার অস্তিত্বের প্রমাণ দিয়ে আমাদেরকে রিমাইন্ডার দিয়ে যাচ্ছেন যে কোনটা করা উচিত কোনটা করা উচিত না। কারা ভালো করেছে, কারা খারাপ করেছে বারবার তিনি আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন কোরআনের মাধ্যমে এবং কোরআন হচ্ছে আমাদের জন্য রিমাইন্ডার। কোরআনের একটা নাম হচ্ছে আজকের। যে এটা আমাদের জন্য স্মরণ করিয়ে দেওয়ার কাজটা করে। তো এখানে তাফসীরগণ বলেছেন যে ইত্তাবাজিকরা বলতে বুঝানো হয়েছে কোরআনকে যারা অনুসরণ করে। আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম নবুয়তের মাধ্যমে কোরআনের যথাযে কথাগুলো তোমাদের সামনে তুলে ধরছেন সেই কথাগুলোকে যে অনুসরণ করবে তাদের কথা বলা হচ্ছে যে তাদের জন্য সতর্ককরণটা কাজে লাগবে।

সূরা কামারে আল্লাহ সুবহানা তালা বলেছেন যে আমি কোরআনকে বুঝবার জন্য সহজ করে দিয়েছি। "ওয়ালাকাদইয়াসারনাল কোরআন" যে এটা আমাদের রিমেমব্রেন্সের জন্য বুঝার জন্য রিমাইন্ডার হিসেবে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদের জন্য সহজ করে দিয়েছেন। অতএব কোন চিন্তাশীল আছে কি। আমাদের কাছে মনে হতে পারে কোরআনের কথা অনেক কঠিন কারণ আমরা এরাবিক বুঝি না কিন্তু যখন আমরা বুঝার চেষ্টা করি আমরা দেখব যে এই কথাগুলো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা খুব সহজভাবে আমাদের সামনে উপস্থাপন করেছেন যেন আমরা সেটা যে হচ্ছে একদম নিরক্ষর সেও যেমন বুঝতে পারবে যে হচ্ছে এখানে পোস্ট ডক্টরেট করা হাইলি কোয়ালিফাইড ইন্টেলেকচুয়াল পারসন সেও বুঝতে পারবে তার লেভেল অনুযায়ী।

সো এখানে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা কোরআনকে আমাদের জন্য রিমাইন্ডার হিসেবে দিয়ে দিয়েছেন আজিকের যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এর মাধ্যমে আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিতে চান সেই লোক যে হচ্ছে ইত্তাবাজিকরা কোরআনকে অনুসরণ করবে। কোরআনকে অনুসরণ করার মানে কি। কোরআনকে অনুসরণ করার মানে বুঝতে হলে আমরা দেখি যে সূরা জুমারে আল্লাহ বলছেন যে আল্লাহ যারা মনোনিবেশ সহকারে কথা শুনে অতঃপর যা উত্তম তার অনুসরণ করে তাদেরকেই আল্লাহ কি করেন? "হাদাহুল্লাহ" যে আল্লাহ তাদেরকে হেদায়াত দান করেন। "ওলাইকাহুম উলুল আলবাব" এবং তারাই হচ্ছে উলুল আলবাব তারাই হচ্ছে বুদ্ধিমান।

তো এখানে আমরা দেখি যে কোরআনকে অনুসরণ করার মানে হচ্ছে কোরআন আমাদের মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে এবং সেখান থেকে যা বলা হয়েছে সেই জিনিসটাকে আমাদের অনুসরণ করতে হবে। কোরআন মানেই হচ্ছে শোনা এবং মেনে নেওয়া। "সামিয়েনা ওয়া আতানা" যে কোরআন মানেই হচ্ছে আমি যা শুনলাম সেটাকে বুঝার চেষ্টা করলাম সেটাকে অন্তরস্থ করার চেষ্টা করলাম ইন্টারনালাইজ করলাম সেটার উপর একটাপন করলাম এবং সেটাকে স্প্রেড করার কাজ করলাম কারণ দিস ইজ এ রিমাইন্ডার সেটা শুধু নিজের মধ্যে রেখে দেওয়ার জন্য না। সো এটাই হচ্ছে রিয়েল কোরআনকে ফলো করা যে কোরআন ফলো করা মানে আমরা বলি তেলাওয়াহ। আমরা কোরআন তেলাওয়া করি। তেলাওয়াহ শব্দের অর্থ হচ্ছে ইকরা শব্দের অর্থ হচ্ছে পড়া। যখন আমি রিডিং পড়ছি আর তেলাওয়াহ শব্দের অর্থ হচ্ছে যখন আমি এটা পড়ছি বুঝছি এবং সেটাকে অনুসরণ করার জন্য চেষ্টা করছি।

সো আমরা স্বাভাবিকভাবেই বলে থাকি আমরা কোরআন তেলাওয়াত করি কিন্তু বেসিক্যালি আমরা যদি চিন্তা করি তাহলে দেখা যাবে কোরআন আমরা শুধু রিসাইট করি রিডিং পড়ি। কোরআনকে ফলো করা বলতে যা বুঝা হয় সেটা অনেক সময় আমাদের হয় না। আমরা বুঝার চেষ্টা করি না কোরআনের অর্থটাকে জানার চেষ্টা করি না এবং সেটাকে নিজেদের জীবনে আনার জন্য চেষ্টা করি না। সো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে বলছেন যে প্রথম কোয়ালিটি যে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা যে ওয়ার্নিংগুলো দিচ্ছেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম আমাদেরকে যা শিখিয়েছেন সেটার জন্য প্রথম যে কোয়ালিটিটা লাগবে সেটা হচ্ছে কোরআনকে অনুসরণ করা অর্থাৎ কোরআনকে নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করা শুধু রিডিং পড়া না শুধু হিফস করা না অথবা কোরআনের ডিটেলস নিয়ে আলোচনা করার মধ্যে এটাকে সীমাবদ্ধ না রাখা বরং সেটাকে নিজের জীবনে প্রতিফলিত হতে দে সেটাই হচ্ছে ফলোইং কোরআন আফটার প্রপার আন্ডারস্ট্যান্ডিং।

এখানে সেকেন্ড কোয়ালিটির কথা আল্লাহ বলছেন। "বিল" শব্দটা খুবই ইন্টারেস্টিং একটা শব্দ যেটার অর্থ হচ্ছে ভয়। আমরা দেখি যে ভয়ের জন্য আল্লাহ সুবহানাতালা কোরআনে অনেক শব্দ ব্যবহার করেছেন। কোথাও তিনি বলেছেন খফ যে ক্ষুধার এবং দারিদ্রতার ভয়ের কথা বলা হয়েছে। তারপরে কোথাও আমরা দেখি বলা হয়েছে তাকওয়া যে আল্লাহর ভয়ে আমরা বলে থাকি। সো এরকমভাবে খুশু যে নামাজে খুশু অর্জন করা সেটাও আমরা বলে থাকি। তো এই শব্দগুলোকে আসলে আমরা যদি সঠিকভাবে বুঝতে পারি তাহলে হাসিয়া রাহমানা বিল গাইব বলতে কি বোঝানো হয়েছে সেটা আমরা বুঝতে পারবো।

সো হাসিয়া শব্দটার অর্থ হচ্ছে ভয়। এটা আমরা হচ্ছে জেনারেল সেন্সে আমরা বলতে পারি। তবে খাসিয়ার যে অর্থ সেটা হচ্ছে একটা ডিপার মিনিং রয়েছে এটা যে আমাদের খুব গভীরভাবে কোন জিনিসকে ভয় করা। সো সেই ভয়টা হচ্ছে আল্লাহ সুবহানা তাআলারকে ভয় করে আল্লাহ সুবহানা তাআলার যে গ্রেটনেস বিরাটত্ব সে জ্ঞান অর্জন করার পরে আমাদের মধ্যে যে ভয় আসে এবং সেই ভয়ের কারণে আমাদের কাজের মধ্যে যে পরিবর্তন আসে তখন সেটাকে খাসিয়া বলা হয়।

তো খাসিয়া হলো আসলে যে বুঝতে হবে আমি যে জিনিসটাকে ভয় করছি সেই জিনিসটা গ্রেটনেস এন্ড ম্যাগনিচউড সেটা গুরুত্ব কত বেশি সেটা বিরাটত্ব কত বেশি সেটা বুঝার পরে যখন সেটার প্রতিফলন আমার জীবনে ঘটবে তখন সেটাকে খাসিয়া বলা হয়ে থাকে। আদার হ্যান্ড আমরা যদি দেখি খাফ খাফ হচ্ছে একটা জেনারেল ফিয়ার যে সাধারণভাবে আমরা নিজেদের দুর্বলতার কারণে যে ভয়টা আমরা পেয়ে থাকি সেই ভয়টার জন্য হচ্ছে ভয়টাকে খব বলা হয় এবং এই ভয়টার একটা রিএকশন আছে সেটা হচ্ছে যে আমরা সেই ভয়ের কারণে প্রিকশনারি অ্যাকশন নেই। যেমন একটা কুকুরকে দেখলাম এবং কুকুরকে দেখে আমি ভয় পেলাম যে কুকুরটা আমাকে দৌড়িয়ে আসছে আমার দিকে। সে ভয়ের কারণ হচ্ছে কুকুরের কাছ থেকে আমি একটা ক্ষতির আশঙ্কা করছি এবং সেটা থেকে বাঁচার জন্য আমি হচ্ছে দৌড়ে পালাচ্ছি কুকুর থেকে। সো এটা হচ্ছে খফ যে কুকুরের থেকে ভয় বা সিংহকে দেখে তার যে শক্তি সে শক্তির সাথে আমার নিজের যে দুর্বলতা সেটাকে কম্পেয়ার করে আমি সেটা থেকে বাঁচার জন্য কোনঅকশন নিচ্ছি তখন সেটাকে বলা হচ্ছে হরফ।

আর তাকওয়া এ শব্দটাকে আমরা স্বাভাবিকভাবে আল্লাহর ভয় বলে থাকি। কিন্তু তাকওয়া যেটা হচ্ছে সেটা হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাহু তাআলারকে সেখানে খাসিয়া থাকবে। কিন্তু এখানে আমরা হচ্ছে আল্লাহ সুবহানা তাআলা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন হয়ে যখন আমরা গুনাহ থেকে বিরত থাকি এবং আমাদের মধ্যে কৃতজ্ঞতা এবং আল্লাহর প্রতি অবিডিয়েন্স বা আনুগত্য বেড়ে যায় তখন সেটাকে বলা হচ্ছে তাকওয়া। তাকওয়া হচ্ছে এমন একটা জিনিস সেটা হচ্ছে উইকিয়া থেকে এসেছে এবং সেটার মানে হচ্ছে নিজেকে রক্ষা করা। একটা শিল্ড যে যে জিনিসটা হচ্ছে আমাকে প্রটেক্ট করবে বর্মের মত কাজ করবে সেই জিনিসটাকে হচ্ছে তাকওয়া বলা হয়। তাকওয়া হচ্ছে আমার নিজেকে রক্ষা করা। যখন আমার কাজের যে ক্ষতিকর দিকগুলো হতে পারে সেই ক্ষতিকর দিকগুলো থেকে বাঁচার জন্য আমরা যে কাজটা কাজটা করি সেটাকেই হচ্ছে তাকওয়া বলা হয়ে থাকে। শুধু ভয় পেয়ে বসে থাকা কিন্তু তাকওয়া না।

সো আমরা কিভাবে এই তাকওয়া অর্জন করতে পারি? একটা হচ্ছে যে আমাদের গুনাহ গুলোকে পরিত্যাগ করার মাধ্যমে আরেকটা হচ্ছে বেশি বেশি ভালো কাজ করে নিজেদেরকে আরো বেশি সমৃদ্ধ করার মাধ্যমে যেখানে আমি আল্লাহর শাস্তিকে ভয় পাচ্ছি। অন্যদিকে আমি যদি খুশুর কথা চিন্তা করি আমরা বলি যে নামাজে খুশু অর্জন করতে হবে। সো খুশু হচ্ছে এক ধরনের ভয়। যেটা হচ্ছে শুধুমাত্র আমার অন্তরের মধ্যে না থেকে সেটা আমার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মাধ্যমে প্রকাশ পাবে। যেটা আমার মুখের মাঝে যেটা আমার হাত পায়ের মাঝে হচ্ছে প্রকাশ পাবে। সো খুশ লিটারালি মিন্স করে হচ্ছে যে নিচে সিজদায় নিচে পড়ে যাওয়া এবং সেখানে হচ্ছে ভয়ে বিনীত হয়ে থাকা যেটা আমার এক্সপ্রেশন দেখেই বুঝা যাবে। সো অন্তরের যে সাবমিসিভনেস অন্তরকে সমর্পিত করে দেওয়ার যে প্রক্রিয়াটা সেটা হচ্ছে খুশু।

আমরা যখন বুঝলাম যে খাসিয়া জিনিসটা কি। সো সেখান থেকে আমরা এটা বুঝতে পারি যে খাসিয়াটা হচ্ছে আল্লাহ সুবহানা তাআালার যে পারফেকশন তার যে শক্তি তার যে ম্যাজেস্টি সেই জ্ঞান অর্জন করার পরে আমার মধ্যে যে অনেস্ট কাজ করে আমি যে হতবাক হয়ে যাই সেটা হচ্ছে আমার মধ্যে খাসিয়া নিয়ে আসবে এবং সেটার জন্য কি করতে হবে যে আল্লাহর যে গুণাবলীগুলো রয়েছে আসমাউল হুসনা গুলো রয়েছে সেগুলো আমরা যত বেশি জানবো তত বেশি অনেস্ট আমাদের মাঝে কাজ করবে এবং খাসিয়া কিন্তু এমন না যে আমরা দুনিয়াবী কোন জিনিসকে দেখে ভয় পেয়ে যাই সেই জিনিসটা না বরং এটা এমন ভয় না যেটা আমাকে প্যারালাইজড করে দেয় বরং এটা হচ্ছে একটা কনশাস এওয়ারনেস যেটা আমার লাইফকে একশন এবং ডিসিপ্লিনে নিয়ে যেতে পারে এবং খাসিয়ার ভিত্তিটা হচ্ছে জ্ঞানের ভিত্তি। সো যত বেশি আমরা আল্লাহ সম্পর্কে জানবো তত বেশি আমাদের মধ্যে খাসিয়া কাজ করবে এবং তত বেশি আল্লাহর বিরাটত্ব আমরা বুঝতে পারব এবং যত বেশি খাসিয়া আমাদের মধ্যে কাজ করবে তত বেশি ওয়ার্নিং সতর্কীকরণ আমাদের জন্য হেল্পফুল হবে। আর তত বেশি আবার আমাদের খাসিয়া বেড়ে যাবে।

আমাদের স এটা হচ্ছে একটা ডিরেক্টলি প্রপোরশনাল যে খাসিয়া আমি তারপরে হচ্ছে আমি আল্লাহর গুরুত্ব বিরাটত্ব বুঝতে পারছি এবং সেটা আমার অন্তর উপলব্ধি করতে পারছে। আমি তখন কোরআনের যত বেশি ওয়ার্নিং পড়ছি তত বেশি আমার খাসিয়া বেড়ে যাচ্ছে। কারণ আমি পরিপূর্ণ জ্ঞান রাখছি এই ব্যাপারটা নিয়ে। এবং এটা হচ্ছে একটা মোটিভেটর হিসেবে কাজ করে আমাদের জন্য। এটা আমাদের জন্য হচ্ছে একটা পাওয়ারফুল এমন একজন এমন একটা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে যেটা আমাকে হচ্ছে আরো গতিশীল করে দেয়। যে আরেকটা জীবনের দিকে যে জীবনটা হচ্ছে মোট তাকওয়াপূর্ণ হবে। যে জিনিসটা জীবনটা হচ্ছে প্রতিনিয়ত আল্লাহ সম্পর্কে সচেতন হবে এবং আমার কাজগুলো সেটাকে রিফ্লেক্ট করবে এবং যত বেশি আমি আল্লাহকে ভালোবাসবো আল্লাহর বিরাটত্ব বুঝতে পারবো তত বেশি তাকে ডিসপয়েন্টেড করা থেকে আমি দূরে সরে থাকবো।

সো আল্লাহ সুবহানাতায়ালার আমার কাছে যে এক্সপেক্ট করছেন সেই এক্সপেক্টেশনেরর মধ্যে যাতে কোন ঘাটতি না হয়। আল্লাহর সাথে আমি যাতে প্রতিটা মুহূর্তে কানেক্টেড থাকতে পারি সেটার জন্য আমি কাজ করবো সেটা হচ্ছে খাসিয়া। সো খাসিয়া হচ্ছে আমার ঈমানের একটা অংশ যেখানে আমি আল্লাহর প্রতি একদিকে হচ্ছে ভালোবাসা থাকবে আরেকদিকে হচ্ছে আশা থাকবে এবং সেটাকে পরিচালিত করবে হচ্ছে ভয়। সো ফিয়ার হবে আমার জিপিএস এর গাইডিং ডিরেকশন আর সেটাকে ব্যালেন্স করার জন্য আমার মধ্যে থাকবে লাভ এন্ড হোপ ফর আল্লাহ। সো যখন আমি এভাবে নিজের জীবনকে ব্যালেন্স করে চলতে শিখবো তখনই বুঝবো যে সেটা আমার মাঝে খাসিয়া তৈরি করেছে এবং এটা এটা হচ্ছে এমন একটা পথ, এমন একটা রাস্তা যে রাস্তাটা আমাদেরকে সেফলি আখেরাতের পুরস্কারের দিকে নিয়ে যেতে পারবে।

তো এখানে আমাদের সেকেন্ড কোয়ালিটি আল্লাহ সুবহানাতায়ালা যেটা বলছেন যে খাশিয়া রাহমান। সো আল্লাহ এখানে বলছেন যে এই যে খাসিয়া এই যে ভয় সেই ভয়টা হবে ভেরি স্পেশালি ফর আর রাহমান। আর রাহমান হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার এমন একটা গুণাবলী গুণ যেটা আমরা দেখি যে আর রাহমান অর্থ হচ্ছে দ মোস্ট মার্সিফুল এবং আর রাহমান এই শব্দটা নিয়ে আমরা আগেও আলোচনা করেছি যে তিনি এত রহমশীল যে এই জিনিসটা আল্লাহ সুবহানা তায়ালার যে মাহত্ব সেটাকে আরো অনেক বেশি বাড়িয়ে দেন যে কন্টিনিউয়াসলি তিনি আমাদের উপরে রহম করে দিয়েছেন রহম করে যাচ্ছেন।

সো যখন খাসিয়ার রহমান বলা হচ্ছে তখন সে ভয় পাচ্ছে কিন্তু ভয় পাচ্ছে এমন একটা সত্তাকে যে সত্তা হচ্ছে প্রতিনিয়ত আমাকে ভালোবেসে যাচ্ছে। আমরা জানি যে আল্লাহ সুবহানা তাআলার যে ভালোবাসা সে ভালোবাসার 100 ভাগ থেকে একটা ভাগ শুধু দুনিয়াতে তিনি ভাগ করে দিয়ে দিয়েছেন মানুষ জীবজন্তু সবার মাঝে। অথচ এই ভালোবাসার প্রবলতা এত বেশি। আমরা দেখি যে এই ভালোবাসার টানে আমরা অনেক সময়ই হচ্ছে পথ থেকে হারিয়ে বিপদে চলে যাই। সন্তানের ভালোবাসায়, স্ত্রীর ভালোবাসায়, স্বামীর ভালোবাসায়, বাবা-মার ভালোবাসায়, বন্ধুর ভালোবাসায় যে আমরা বিপদে চলে যেতে পারি সেটা হচ্ছে সেই এক ভাগের একটা অংশ। আর আর রহমান তার রহমত হচ্ছে 99। তিনি আমাদেরকে আসলে কত বেশি ভালোবাসেন সেটা যখন আমরা উপলব্ধি করতে পারব তখন তাকে যে ভয়টা আমরা পাবো।

আসলে খাশি রাহমান যে আমরা কখনো তার উপর থেকে আশাহত হব না। উইল নেভার গিভ আপ হোপ। আবার আমরা জানি যে তিনি আর রহমান তিনি আমার সামনে রয়েছেন আবার তাকে আমি ভয় করছি সে কারণে আমি অতিরিক্ত আসলেও তার উপরে করতে যাবো না যে আমার দায়িত্ব আমাকে সঠিকভাবে পালন করতে হবে। সো আমরা যে দুনিয়াতে বাস করি এর প্রতিটা সেকেন্ডে প্রতিটা মুহূর্তে হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার সেই রহমতের ছোঁয়া আমরা পাচ্ছি এবং আমি যখন সেটা রিয়েলাইজ করতে পারবো তখন প্রতিনিয়ত আমার এই ভয়টাও থাকবে যে আল্লাহর এই নিয়ামত না কোনভাবে আমার প্রতি বন্ধ হয়ে যায়।

সো আমরা যদি ছোট্ট একটা উদাহরণের কথায় চিন্তা করি যে আমরা যে নিঃশ্বাস নেই সেখানে আমি কখনো চিন্তা করি না যে বাতাসটা আমার ভিতরে ঢুকছে সেখানে প্রপোরশন কি সেখানে কি কি গ্যাস রয়েছে সেটা বেশি হলে কম হলে কি ক্ষতি সেটার মধ্যে একটুখানি স্মোক যদি আসে সেই স্মোকটাই আমাদের জন্য কত ক্ষতিকর হয়ে যায় কত বেশি কষ্ট হয়ে যায় মানুষের জন্য যাদের এজমা আছে তারা জানে যে একটা শ্বাস নেওয়ার জন্য তাদেরকে কি পরিমাণ কষ্ট করতে হয়। সো প্রতিনিয়ত কন্টিনিউয়াস এভি সেকেন্ডে যেই অক্সিজেন আমরা পাচ্ছি যারা কোভিড কালীন করোনাতে যারা সাফার করেছেন তারা জানেন যে অক্সিজেনের মূল্য কত।

তো এরকমভাবে প্রতিটা সেকেন্ডে প্রতিটা মুহূর্তে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা ব্লেসিংস গুলো আমাদেরকে এমনভাবে ঘেরাও করে রেখেছে সেটা উপলব্ধি করে তাকে যখন আমরা ভয় পাবো তখন আমরা চাইবো যে এই রহমত যাতে কোনভাবেই বিচ্ছিন্ন না হয়। কখনোই যাতে আমরা এটা থেকে এটা আমাদের জন্য কম পড়ে না যাই। কখনোই যাতে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তার সাপ্লাই আমাদের জন্য বন্ধ না করে দেন। সো যখন আর রাহমানকে আমরা এভাবে চিনতে পারবো এবং ভয় করব তখনই দেখা যাবে যে সতর্কীকরণ আমাদের জন্য কাজে লাগছে।

ইন্টারেস্টিংলি হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে খাসির রহমান বলে বন্ধ করে দেন নাই। তিনি কথাটা কন্টিনিউ করেছেন যে সেকেন্ড কোয়ালিটিটা আসলে আরেকটু এলাবোরেটেড। আরেকটু বেশি করে আমাদেরকে বুঝতে হবে।