📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Surah Ya Sin || Part 44: Ayah 36/B|| Allah is the Creator!!

Straight Path13:45

Transcription

এই আয়াতে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা বলছেন যে পবিত্রতা ঘোষণা করে করছে সেই শক্তির যিনি সৃষ্টি করেছেন। কি সৃষ্টি করেছেন? আল্লাজ খালাকাল আজওজা কুল্লাহায। সমস্ত কিছু যা আল্লাহ সুবহানাতায়ালা পেয়ার হিসাবে, জোড়া হিসাবে সৃষ্টি করেছেন।

আজওয়াজ শব্দটার অর্থ আমরা সাধারণত দেখি যে এটার অর্থ করা হয় এভাবে যে পেয়ার অথবা জোড়া অথবা হচ্ছে স্পাউসকে বুঝানোর জন্য আজওয়া শব্দটা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সো এখানে আজওয়াদ শব্দের অর্থ জোড়া সেটা ঠিক আছে। যেমন হচ্ছে মেল এবং ফিমেল বুঝানোর জন্য, দুই মেল ফিমেল জোড়া বুঝানোর জন্য হচ্ছে আজওয়াদ শব্দটা বলা হয়ে থাকে। এখানে যেকোন ক্যাটাগরি এবং কাইন্ড প্রকার বুঝানোর জন্য এটা ব্যবহার হয়ে থাকে। সো একদিকে হচ্ছে পুরুষ স্ত্রী এই পেয়ার বুঝানোর জন্য এটাকে ব্যবহার করা যেতে পারে।

আরেকটা হচ্ছে যে কন্ট্রাস্টিং বুঝানোর জন্য দুইটা জিনিস কন্ট্রাস্ট করে সেরকম অর্থ বুঝানোর জন্য হচ্ছে আজওয়াদ শব্দটা। যেমন ঠান্ডা এবং গরম একটা আরেকটা পরিপূরক। মাটি এবং পানি একটা আরেকটা পরিপূরক। দুঃখ এবং আনন্দ একটা আরেকটা পরিপূরক লাইক স্বাস্থ্য এবং অসুস্থতা। সো এই সমস্ত কিছুকেই আবার এই যে একটা আরেকটা পরিপূরক তারা একই অর্থের না কিন্তু সেটার জন্য আজওয়াজ শব্দটা ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

সো এখানে আমরা দেখি যেকোন ধরনের প্রকার এবং ক্যাটাগরি বুঝানোর জন্য আল্লাহ আজ শব্দটা কোরআনে ব্যবহার করা হয়েছে। এটা এই আজ শব্দটা হচ্ছে আল্লাহ আরাবিকে ব্যবহার করা হয়ে থাকে মানুষের জন্য, যেকোন প্রাণীর জন্য অথবা গাছপালার জন্য এ সমস্ত কিছুর জন্যই আল্লাহ সুবহানা তায়ালা এ আজওয়াজ শব্দটা ব্যবহার করে থাকেন।

তাহলে এখানে আমরা দেখি যে এক নাম্বার আমরা দেখি যে স্বামী স্ত্রী অথবা পুরুষ মহিলা বুঝানোর জন্য এই শব্দটা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটা মানুষের জন্য যেমন এনিমেল লাইফের জন্য তেমনি হচ্ছে প্লান্ট লাইফের জন্য এটা প্রযোজ্য। আবার অপোজিট ফোর্স যেগুলো পজিটিভ এবং নেগেটিভ ফোর্স সেটা বোঝানোর জন্য আজওয়াজা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেমন হচ্ছে ইলেকট্রন প্রোটন এই দুইটা হচ্ছে একটা আরেকটা পরিপূরক সেটাকেও আজওয়াজ বলা হতে পারে।

সো এখানে তাফসীকারকগণ বলেছেন যে অল ডিফারেন্ট স্পেসেস এবং টাইপ হচ্ছে আল্লাহ যা কিছু সৃষ্টি করেছেন। যে খালাকাল আজওয়াজা কুল্লাহা যে আল্লাহর যত সৃষ্টি আছে ডিফারেন্ট টাইপ ডিফারেন্ট স্পেসেস সবকিছু এটার অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। সো আল্লাহ এখানে আমাদেরকে বলছেন যে ডিফারেন্ট কালারে তিনি সৃষ্টি করেছেন। ডিফারেন্ট অস্তিত্ব দিয়ে তিনি তৈরি করেছেন।

আবার দেখা যায় আল্লাহ সুবহানা তায়ালা যে জিনিসগুলো তৈরি করেছেন সেগুলোর মধ্যে স্বাদের ভিন্নতা রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে চেহারার ভিন্নতা রয়েছে, আকারের ভিন্নতা রয়েছে। কিন্তু সমস্ত কিছু মিলিয়ে সমস্ত কিছু হচ্ছে আল্লাহর সৃষ্টি এবং একটা আরেকটার পরিপূরক হিসেবে আমরা এই পৃথিবীতে দেখে থাকি। এখানে আজওয়াদ শব্দটা বুঝতে হলে আমাদেরকে বুঝতে হবে যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা মানুষের মধ্যে, প্রাণীদের মধ্যে, পাখিদের মধ্যে, ইনসেক্টদের মধ্যে, প্লান্ট কিংডমে সব জায়গায় হচ্ছে মেল ফিমেল হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। এটা একদিকে প্রকাশ পাচ্ছে।

আরেকদিকে তাফসীকারগণ বলেছেন কন্ট্রাস্টিক জিনিস বুঝানোর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। আবার আমরা দেখি যে কোরআনে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলেছেন যে মানুষের মধ্যে দুইটা অস্তিত্ব আল্লাহ সুবহানাতায়ালা দিয়েছেন। একটা অস্তিত্ব হচ্ছে সীমাভেদ করার চেষ্টা করে। আরেকটা অস্তিত্ব হচ্ছে আল্লাহকে ভয় করে তার নির্দেশ পালন করার জন্য চেষ্টা করে। তেমনিভাবে আমরা দেখি আমাদের বডির মধ্যে আমাদের নিজেদের মধ্যেই হচ্ছে দুইটা কন্ট্রাস্টিং জিনিস রয়েছে। একটা হচ্ছে আমাদের শরীর আরেকটা হচ্ছে আমাদের আত্মা।

আবার এই দৃষ্টিতে আমরা যদি চিন্তা করি এই যে দুনিয়াতে আমরা আছি সেই দুনিয়াটা হচ্ছে একটা সাইড। এবং এটার কন্ট্রাস্টিং সাইড কি? এটা কন্ট্রাস্টিং সাইড হচ্ছে আখিরা। সো এই পৃথিবীতে যা কিছু রয়েছে সবকিছু যেমন একটা আরেকটা জোড়া হিসেবে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তৈরি করেছেন এবং এভাবেই তিনি সমস্ত কিছু আমাদের সামনে নিয়ে এসেছেন তেমনিভাবে আমরা যদি চিন্তা করি তাহলে দেখা যাবে যে এই দুনিয়াটারও একটা কনশাস্ট বা কমপ্লিমেন্টারি পার্ট থাকা দরকার এবং আখিরাত তখনই আমাদের সামনে চলে আসে যে আখিরাতকে আমাদের অস্বীকার করার কোন শক্তি নাই। আমরা যদি স্বাভাবিক দৃষ্টিতে চিন্তা করি এবং এখান এখান থেকেও আমরা দেখি যে প্রত্যেকটা জিনিসেরই আল্লাহ কমপ্লিমেন্টারি কিছু না কিছু সৃষ্টি করেছেন।

কিন্তু আল্লাহ সুবহানাতায়ালা হচ্ছেন এমন একজন শক্তি যে কারণে আবার সুবহানা শব্দটা চলে আসে এটার সাথে যে তিনি এমন একজন শক্তি তিনি এত পারফেক্ট এবং তার কোন ব্যাপারেই কোন ধরনের সহযোগিতার দরকার নাই। কোন কমপ্লিমেন্টেরও দরকার নাই। তিনি হচ্ছেন ইউনিক। তো দুনিয়ার সমস্ত কিছুরই কমপ্লিমেন্টের ব্যাপার রয়েছে। কিন্তু আল্লাহ হচ্ছেন এমন একজন শক্তি যে তিনি এই সমস্ত কিছুর ঊর্ধে যে কারণে হচ্ছে তার কোন তার সাথে আর কারো কোন অস্তিত্ব নাই। তিনি একক এবং অদ্বিতীয়। এটাই আমরা দেখি।

যেমন সূরা জারিয়াতে বলা হয়েছে ওমিন কুল্লিশনলাকুমুন যে আমি প্রত্যেক বস্তু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি যাতে তোমরা হৃদয়াঙ্গম কর। যে ইউ ল রিমেম্বার যে এই যে চোখের সামনে আমরা প্রতিদিন প্রতিনিয়ত প্রতি মুহূর্তে এই জিনিসগুলো দেখছি আমরা কখনো কি এটা নিয়ে রিফ্লেক্ট করি কখনো কি এটা নিয়ে চিন্তা করি আল্লাহ আমাদেরকে চিন্তা করার আহ্বান এখানে জানাচ্ছেন। এই যে তোমরা দেখছো প্রতিটা জিনিসকেই হচ্ছে জোড়ায় আজ কুল্লাহা সমস্ত কিছু সমস্ত কিছু আল্লাহ সুবহানাতালা এরকম কমপ্লিমেন্টারি করে সৃষ্টি করেছেন।

কি জিনিস আল্লাহ বলছেন যে মিমমাবিতুল যে যা কিছু তোমরা এই পৃথিবীর বুকে পাও। স এই পৃথিবীতে মাটি থেকে যা কিছু তৈরি হচ্ছে সমস্ত কিছু এরকম কমপ্লিমেন্টারি। সমস্ত কিছুই হচ্ছে জোড়ায় জোড়ায় আল্লাহ সুবহানা তায়ালা তৈরি করেছেন। তারপরে তিনি বলছেন ওয়ামিনফুসিহিম এবং তোমাদের নিজেদের মধ্যে যে তাদের নিজেদের মধ্যে অর্থাৎ মানুষ হিউম্যান কাইন্ড সেখানেও আমরা দেখি যে ডিফারেন্ট টাইপ আল্লাহ সুবহানাতালা তৈরি করেছেন মেল ফিমেল তৈরি করেছেন এবং অন্য সমস্ত কিছুর মতই এখানেও আমরা জোড়ার অস্তিত্ব দেখতে পাই।

ওমিমালাইলামুন এবং যা তোমরা জানো না সেখান থেকেও। তো এখানে আমরা দেখি যে আমরা আসলে কতটুকু জানি। আমাদের জ্ঞানের স্বল্পতা এখানে প্রকাশ পায় যে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা পরে আর ক্যাটাগরি না বাড়িয়ে বলছেন যে এবং তোমরা যে জানো না তোমরা যা জানো সেটা তো তোমাদের চোখের সামনেই আছে। কিন্তু যা তোমাদের অজানা যা এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। আমরা জানি যে সমুদ্রের গভীরে কি আছে এখন পর্যন্ত আমরা নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কার করতে দেখি। মহাকাশে কি আছে নতুন নতুন জিনিস আমরা এখনো আবিষ্কার করতে দেখি।

আল্লাহ সুবহানা তায়ালা বলছেন তিনি একা, তিনি হচ্ছেন পারফেক্ট, যিনি হচ্ছেন এই মাটি, এই সমুদ্র, এই আকাশ, এই পৃথিবী, পৃথিবীর বাইরে যা কিছু রয়েছে সমস্ত কিছুকে শুধু তিনি তৈরি করেন নয় বরং এই সমস্ত কিছুর মধ্যেই তিনি ডিফারেন্ট শেপ কালার টেস্ট টাইপ বানিয়ে দিয়েছেন মানুষের উপকারের জন্য। সো কেন তোমরা তার সাথে কোন পার্টনার অ্যাসোসিয়েট করবে? কেন তোমরা তার সাথে শরিক নিবে? তিনি একা এগুলো করেছেন আর কারো এগুলো করার কোন ক্ষমতা নেই।

যেমন আগের আয়াতে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আমাদের সামনে এভিডেন্স তুলে ধরেছেন আমাদের সামনে প্রমাণ নিয়ে এসেছেন আল্লাহ যে একক হিসেবে তার যে এবসলিউট পাওয়ার রয়েছে যে শুকন মাটিকে কিভাবে তিনি আবার জীবন দান করেন। স এটা তার জন্য কোন কঠিন বিষয় না। সমস্ত প্রশংসা, সমস্ত পারফেকশন, সমস্ত সম্মান হচ্ছে তার জন্য এবং তিনি সমস্ত ডিফেক্ট ডেফিসিয়েন্সি থেকে পিওর এন্ড ফ্রি। সো বি কেয়ারফুল যে তোমরা যখন আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে এসোসিয়েট করো সেই ব্যাপারে তোমরা সাবধান হও। যে তোমরা যদি তার সৃষ্টি সম্পর্কে জানতে, সৃষ্টি সম্পর্কে গবেষণা করতে তাহলে কখনোই তোমরা হচ্ছে এই জিনিসটাকে ওভারলুক করতে না।

এখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই কয়েকটা আয়াতে আমাদেরকে তাওহীদের একটা মূল বিষয় শিখাচ্ছেন। আমরা যখন তাওহীদের কথা বলি তখন আমরা বলি যে তাওহীদের তিনটা পার্ট রয়েছে রুবিয়া, উলু হিয়া এবং আসমাউল হুসনা। আমরা আসলে এগুলো হচ্ছে মোর একাডেমিক থিওরিটিক্যাল জিনিস। আমরা যদি চিন্তা করি যে তাওহীদ বলতে কি বুঝায়? ফাস্ট অফ অল আমাদেরকে বুঝতে হবে যে আল্লাহর গ্রেটনেস, আল্লাহর শক্তি এবং সেটাকে এপ্রিশিয়েট করতে হবে।

এই আয়াতগুলোতে আমরা কি দেখছি? প্রতিটা উদাহরণ আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদের সামনে তুলে ধরছেন এবং আমাদেরকে আমাদের মনে যাতে জিজ্ঞাসা তৈরি হয়। আমাদের ব্রেইনে যাতে আলোরণ সৃষ্টি হয় যে তোমরা একটু চিন্তা করো এগুলো তোমাদের জন্য আয়া এগুলো তোমাদের জন্য নিদর্শন এগুলো তোমাদের জন্য চিন্তার খোরাক যে তোমরা এগুলো দেখে তোমাদের কি মনে হয়? এর পিছনে কে কাজ করছে? কে এগুলো তৈরি করছে? এই যে চিন্তা, এই যে শিক্ষা এটাই হচ্ছে তাওহীদের শিক্ষা।

ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের জীবন থেকে আমরা দেখি তিনি দেখলেন যে জন্মের পর থেকে সবাই হচ্ছে দেবদেবীর পূজা করছে কিন্তু তিনি সেটা মেনে নিতে পারলেন না। তখন তিনি এক্সপ্লোর করা শুরু করলেন। তিনি চিন্তা করলেন সূর্যের কথা। এত পাওয়ারফুল নিশ্চয়ই এটা রব হওয়ার উপযুক্ত। কিন্তু দেখলেন যে সে সূর্য অস্ত যায়। তারপরে তিনি চাঁদ দেখলেন এত সুন্দর আলো। কিন্তু দেখলেন যে সকালবেলা সেই চাঁদ আবার চলে গিয়েছে। তো তিনি তখন রিজন করলেন তিনি তার যে আকল যে বুদ্ধি আল্লাহ সুবহানা তায়ালা দিয়ে দিয়েছেন সে বুদ্ধিতে তিনি চিন্তা করলেন যে যে হচ্ছে মহাশক্তির অধিকারী সে তো এরকম হতে পারে না যে কিছুক্ষণ থাকবে কিছুক্ষণ থাকবে না। তার অস্তিত্ব সবসময় বুঝে যাওয়ার কথা। তখনই তিনি তার আসল রবকে চিনতে পারলেন।

যেমনভাবে সেই বেদুইনের কথা এর আগের আয়াতে আমরা আলোচনা করেছি যে রিয়েলাইজ করতে পেরেছে যে কে আল্লাহ। আল্লাহকে সে সৃষ্টি দিয়ে চিনতে পেরেছে। সৃষ্টির দিকে তাকিয়ে সে চিনতে পেরেছে। আমরা যখন নিজেরা তাওহীদ নিয়ে শিখবো আমাদের বাচ্চাদেরকে তাওহীদের কথা শিখাবো আমরা আসলে তাদেরকে যদি থিওরি ধরে রুবুবিয়া উল স্মল হুসনা বলি সেটা তারা ওই একাডেমিক ভাবেই চিন্তা করবে কিন্তু তাদেরকে যদি আমরা রিলেট করতে চাই তাহলে বাচ্চাদেরকে নিজে জেদেরকে আমাদেরকে শিখতে হবে এই প্রকৃতি থেকে। আল্লাহ যে নিদর্শনগুলো আমাদের সামনে দিয়ে দিয়েছেন সেগুলো থেকে। তাহলেই আমরা চিনতে পারবো আর রাহমানকে, আর রাহিমকে, আর রাজ্জাক কে সমস্ত কিছু আমাদের চোখের সামনে তখন চলে আসবে।

আর যখনই এই শিক্ষার এডুকেশনাল দিকের একটা বিশেষ একটা অংশ হলো যে মোস্ট এফেক্টিভ ওয়ে টু টিচ হচ্ছে ফাস্টে হচ্ছে রিজনটা উল্লেখ করা। তারপরে হচ্ছে নির্দেশটা তাদেরকে জানানো। এখন যদি আমি আমার বাচ্চাকে এই জিনিসটা বুঝাই যে একবার চিন্তা করো তো এই গাছটা কে তৈরি করেছে? এই গাছে কে ফল দিচ্ছে? তোমার মনে কি মনে হয় যে এই শক্তিটা কার হতে পারে? কে এই বীজ থেকে চারাটা বের করে নিয়ে আসছে? তখন তাকে আমি বলতে পারি যে হ্যাঁ আল্লাহ এক এবং আল্লাহর যে এত ক্ষমতা এবং আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এগুলো সব আমাদের জন্য দিয়েছে তোমার কি মনে হয় না যে প্রতিটা ক্ষেত্রে তাহলে আল্লাহর নির্দেশে আমাদের মেনে চলতে হবে? এভাবে যখন বাচ্চাদের কাছে ফাস্ট ডে আমরা জিনিসটা ব্যাখ্যা করবো এবং তারপরে হচ্ছে তাকে নির্দেশ দিব যে সো নাউ ফলো আল্লাহ এস আস আস তখন হচ্ছে সেটা তাদের মেনে নিতে অনেক বেশি সহজ হবে ইভেন আমাদের জন্য।

এবং এখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা প্রথমে তার যে নেয়ামতগুলো তার সাইনগুলো আমাদের সামনে আছে সেগুলোর কথা তুলে ধরে তারপরে তিনি বলছেন সুবহানা যে তোমরা যদি ওইটা নিয়ে চিন্তা করো তাহলে তোমাদের মাথায় কখনোই এটা আসবে না যে আল্লাহর সাথে অন্য যেই জিনিসগুলোকে তোমরা শরিক করছো তারা এগুলার কোন ব্যাপারে শরিক হতে পারে। সো তাকে তার পারফেকশন নিয়ে তোমরা কোন ধরনের সন্দেহ করবে না।

এবং যেই লোকের কথা আমরা এর আগের প্যাসেজে পড়েছি সেই লোকের কথা আমরা দেখি যে সে কিভাবে নিজেকে প্রেজেন্ট করেছিল? সে বলেছে যে আমি কি তার ইবাদত করবো না যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন? আমি কেন তাদের ইবাদত করব যারা আমার কোন উপকার করতে পারে না? তারপরে সে বলল যে আমি এই এক আল্লাহর উপরে বিশ্বাস করেছি। স এই যে রিজনিং এবং সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা তারপরে হচ্ছে মানুষকে ধ্রুব সত্য যেটা সেটা জানিয়ে দেওয়া সেটা হচ্ছে আমাদের এডুকেশনাল যে ওয়ে সেটার মোস্ট এফেক্টিভ ওয়ে।

তো এখানে আমরা দেখি যে আয়াত 33 থেকে 36 পর্যন্ত আল্লাহ সুবহানা তায়ালা কিছু নিদর্শনের কথা আমাদের কাছে বলে দিয়েছেন। মৃত মাটি সেখান থেকে ফসল উৎপাদন। তারপরে সেখান থেকে গাছ এবং ফল ফলাদি উৎপাদন। তারপরে হচ্ছে মানুষ সেই জিনিসগুলো দিয়ে আবার নিজেরা যে জিনিসগুলো বানাচ্ছে সেগুলোর কথা এবং সমস্ত কিছু আল্লাহ সুবহানাতায়ালা যে পেয়ারে সৃষ্টি করেছেন। এই প্রত্যেকটা জিনিসের প্রতি আমরা যদি তাকাই তাহলে আমাদের মনে কখনোই আল্লাহ সম্পর্কে ভুল ধারণা সৃষ্টি হবে না। আল্লাহর শক্তি সম্পর্কে আমরা সঠিক ধারণা পাব এবং আমরা আল্লাহর পারফেকশন খোলা মনে ঘোষণা করতে পারবো। সুবহানাল্লাহ।