📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Surah Ya Sin || Part 13: Ayah 10 || Warning Won’t Work if you don’t Know!!

Straight Path11:36

Transcription

সূরা ইয়াসনের 10 নাম্বার আয়াত। আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম। আলাইহ আপনি তাদেরকে সতর্ক করুন বা না করুন তাদের পক্ষে দুই সমান তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না।

আমরা যখন আপাতত দৃষ্টিতে এই আয়াতটা পড়ি, সেটা মনে হয় যে সতর্ক করা না করা একই রকম। তারা বিশ্বাস আনবে না। এটাই এখানে বুঝানো হচ্ছে। মূলত যেটা বলা হচ্ছে সেটা হচ্ছে যে এটা হচ্ছে সেম ফর দেম, যে তাদের জন্য দুইটাই সমান। আপনি এখন সতর্ক করুন আর না করুন। কারণ হচ্ছে তারা এই চয়েসটা মেক করেছে।

আল্লাহ সুবহানাতালা এখানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লামকে বলছেন যে এটা কাফেরদের জন্য একই রকম। যে আল্লাহ তাদের জন্য যেই শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে, তাদেরকে বুঝার জন্য যেই বই দেওয়া হয়েছে বা কোরআনের আয়াত নাযিল করা হয়েছে তাদেরকে বুঝানোর জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামকে দেওয়া হয়েছে, বিভিন্ন ধরনের রিমাইন্ডার তাদের সামনে এসেছে, সেগুলো কোনটাই তাদের বেনিফিট দিবে না। এবং তার কারণ হচ্ছে যে তাদের যে ইন্টেলেক্ট, তাদের যে বুদ্ধি, তাদের যে অন্তর আল্লাহ সুবহানাতায়ালা দিয়েছেন, সেটাকে তারা অলরেডি ঢেকে রেখেছে মিসগাইডেন্সের অন্ধকারে। সেখানে তারা অলরেডি হচ্ছে অহংকার দিয়ে তাদের চারপাশটাকে এমনভাবে ঘেরাও করে ফেলেছে যে সেখানে সত্য প্রবেশ করার আর কোন জায়গা নেই। এটা তাদের অন্তরের মধ্যে এমনভাবে প্রবেশ করেছে যে তাদের মনে এখন শুধু গুনাহ এবং না আল্লাহ সুবহানাতায়ালার নির্দেশকে অমান্য করাটাই হচ্ছে প্রাধান্য পায়। তাদের জন্য যত সতর্ক বাণী পাঠানো হোক না কেন, সে সতর্কবাণী তাদের মধ্যে কোন ধরনের ভীতি সৃষ্টি করে না। এবং তাদের এই কাজের পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ সুবহানা তাআলা তাদের অন্তরকে সিল করে দিয়েছেন মিসগাইডেন্স দিয়ে। সো তাদের জন্য যেই সতর্কতায় আসুক না কেন, সেটা তাদেরকে কোন বেনিফিট দিবে না, কোন উপকারে আসবে না, কোন ধরনের প্রভাবই তাদের মধ্যে পড়বে না। সো তারা কন্টিনিউয়াসলি আল্লাহ এবং তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামকে অবিশ্বাস করেই যাবে।

তো এখানে আমরা দেখি আল্লাহ বলছেন আলাইহিম, এটা হচ্ছে সেম তাদের জন্য। এটা হচ্ছে একই রকম তাদের জন্য। এখানে আন শব্দটা আমরা দেখি যে ওয়ার্নিং এর কথা বারবার কিন্তু আসছে আমাদের সামনে এই সূরার মধ্যে যে তাদেরকে ওয়ার্নিং দেওয়া হোক। তাদেরকে সাবধান করা হোক বা না করা হোক। আমলাম তনজির যে তারা বিশ্বাস করবে না। তার কারণ হচ্ছে আনন্দারটা হচ্ছে কি জিনিস? সেটা হচ্ছে সতর্ক করা। আমি কখন কাউকে সতর্ক করতে যাব যখন দেখব যে তার সামনে হচ্ছে একটা বিপদ আসছে। সো যে জিনিসটা হচ্ছে তার ক্ষতি করবে, সেই জিনিসটার জন্যই কাউকে সতর্ক করা হয়। সো আমি যখন কাউকে সতর্ক করছি, এটা কি জন্য সতর্ক করছি? ইটস আউট অফ কেয়ার। আমি তার ব্যাপারে কেয়ার করি। আমি চাই যে তার কোন ক্ষতি না হোক। আমি তাকে বিপদ থেকে উদ্ধার করতে চাচ্ছি।

সো এখানে বলা হচ্ছে যে হে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম, যে আপনি যতই কনসার্ন হন না কেন, আপনি যতই তাদেরকে সতর্ক করতে যান না কেন, আমরা জানি যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামের অন্তরটা হচ্ছে কষ্টে চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে যেত যখন তিনি দেখতেন যে এতবার বলার পরেও, এতভাবে বলার পরেও তারা তার কথায় বিশ্বাস স্থাপন করছেন না, আল্লাহর দ্বীনের প্রতি এগিয়ে আসছে না। তো বলছেন যে আপনি যতই তাদের জন্য অন্তরে কষ্ট অনুভব করুন না কেন, যতই তাদেরকে সতর্ক করার চেষ্টা করুন না কেন, তারা সেখান থেকে কোন ধরনের উপকার পাবে না।

সো এটা হচ্ছে তাহলে প্রশ্ন আসছে যে, যদি তাদের জন্য সবই সমান হয়, সব তাদেরকে সতর্ক করা যদি কোন ধরনের ফলাফল না নিয়ে আসে, তাহলে কেন তাদেরকে দেওয়ার কথা আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন বারবার, কেন তাদেরকে বলছেন যে তাদেরকে বারবার তাদেরকে এই কোরআনের আয়াতগুলো স্মরণ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে? এই উত্তরটা আমরা দেখি সূরা আরাফে বলা হয়েছে যে, আর যখন তাদের মধ্য থেকে এক সম্প্রদায় বলল, কেন সে লোকদের সদপদেশ দিচ্ছেন যাদেরকে আল্লাহ ধ্বংস করে দিতে চান কিংবা আজাব দিতে চান কঠিন আজাব? সে বলল, তোমাদের পালনকর্তার সামনে দোষ ফুরাবার জন্য এবং এজন্য যেন তারা ভীত হয়।

তাহলে এখানে আমরা দেখি যে, এটা হচ্ছে আমাদের জন্য এক ধরনের রেসপন্সিবিলিটি। এটা আমাদের দায়িত্ব। আমরা যখন কোরআন সম্পর্কে জানবো, আমরা যখন হেদায়েতের পথে থাকার চেষ্টা করবো, তখন আমাদের প্রত্যেকের কাজ হচ্ছে, যারা এই ক্ষতির মধ্যে পড়ে যাচ্ছে, তাদেরকে টেনে তুলে আনা। তাদেরকে হচ্ছে সতর্ক করে দেওয়া। এর মাধ্যমে আমি আল্লাহকে বলতে পারব যে, হে আল্লাহ আমার উপর যে দায়িত্ব ছিল, সেই দায়িত্বটা আমরা পালন করেছি। আগে নবী রাসূলদের উপর এই দায়িত্ব ছিল। নবী রাসূলরা চলে যাওয়ার পরে, এখন যেহেতু আর কোন নবী রাসূল নাই। আমরা যারাই হচ্ছে উম্মতে মোহাম্মদ, যারাই হচ্ছে কোরআন পড়ছি, যারাই হচ্ছে তার সুন্নাহকে ফলো করছে, তাদের দায়িত্ব হচ্ছে সেই মানুষদেরকে টেনে উঠিয়ে আনা যারা গর্তে পড়ে যাচ্ছে। এবং সেজন্য সেটা এজন্য যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই দায়িত্ব আমাদেরকে দিয়ে দিয়েছেন। এবং আবার বলা হচ্ছে দ্বিতীয় কারণ যেটা, যেন তারা ভীত হয়। যে ওয়ার্নিং দিলে সতর্ক করলে, আমরা যখন তাদেরকে বারবার এই শাস্তির কথা মনে করিয়ে দিব, এটা তাদের মনে পরিবর্তন আনতে পারে। সেজন্য আমরা স্টপ করব না, কারণ আমরা জানি না যে হেদায়েত কার জন্য আল্লাহ সুবহানাতায়ালা রেখে দিয়েছেন। আমরা যেহেতু জানিনা, আমাদের কাজ হচ্ছে আমরা কন্টিনিউয়াসলি মানুষকে সতর্ক করে যাব।

সো এখানে বলা হচ্ছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম বা নবীদের কাজ যেটা ছিল মানুষকে সতর্ক করা, যেন আল্লাহ সুবহানাতায়ালার সামনে দাঁড়িয়ে তারা বলতে পারে যে, আমাদের জন্য যতটুকু সম্ভব আমরা সেটা করেছি। আমরা যদি সূরা নূহ পড়ি, তাহলে দেখবো সেখানে নূহ আলাইহিস সালামের যে হৃদয়ের আকুতি, সেটা কিভাবে প্রকাশ পেয়েছে যে, হে আল্লাহ আমি তাদেরকে প্রকাশ্যে বলছি, আমি তাদেরকে গোপনে বলছি, একা একা ডেকে নিয়ে বলছি, আমি তাদেরকে দিনে বলছি, আমি তাদেরকে রাতে বলছি, অর্থাৎ এমন কোন পরিস্থিতি নাই যেটা আমি বাদ রেখেছি তাদেরকে বলার জন্য। কিন্তু তারা কি করছে? তারা আমাকে মিথ্যা বলছে এখানে।

তো আমরা দেখি যে নবী রাসূলরা এই দায়িত্বটা এত সতর্কতার সাথে পালন করে গিয়েছেন যে, যেই পরিস্থিতি হোক না কেন, যত শাস্তির মধ্য দিয়ে, যত কষ্টের মধ্য দিয়ে তাদেরকে যেতে হোক না কেন, এই যে ওয়ার্নিং দেওয়ার দায়িত্ব, তারা সেটা করেই গিয়েছেন। কারণ হচ্ছে আমাদেরকে বলা হয় নাই কখনো গিভ আপ করতে। আমরা জানি না যে তার পরিণতি কি আছে। একজন মানুষ দেখা যাবে যে সারা জীবন হচ্ছে সে অন্যায় করেছে, শেষ মুহূর্তে তার রিয়েলাইজেশন হয়েছে, সে তওবা করেছে, আল্লাহর পথে ফিরে এসেছে এবং আল্লাহ তাকে কবুল করে নিয়েছেন। তো আমরা জানি না যে কে আসলে আল্লাহর পথে ফিরে আসবে। সো আমাদের কাজ হচ্ছে সতর্ক করে যাওয়া।

আবু সুফিয়ানের কথা আমরা যদি চিন্তা করি, যে কোরআন নাযিল হওয়া তার চোখের সামনে কোরআন নাযিল হয়েছে, সে প্রতিনিয়ত এটা বিরোধিতা করেছে। 20 বছর লেগেছে তার অন্তরে সে আলো প্রবেশ করার জন্য এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামের সাথে অনেকগুলা যুদ্ধে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামের বিরুদ্ধে অনেকগুলো যুদ্ধে তিনি অংশগ্রহণ করেছেন, কিন্তু একসময় যেয়ে তিনি ইসলাম কবুল করেছেন। তো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম যদি বন্ধই করে দিতেন যে না, মক্কার যারা রয়েছে তারা সবাই আমার বিরোধিতা করেছে, 13 বছর আমি চেষ্টা করেছি, তাদেরকে আর কোন সতর্কবাণী দেওয়া হবে না, সেটা কিন্তু তিনি করেন নাই। এবং যে কারণে আমরা দেখি মক্কা বিজয়ের সময় যে বিরাট পরিবর্তনটা ঘটেছে মানুষের মধ্যে, তখন তারা ইসলামে প্রবেশ করেছে। সো সতর্ক বাণী সতর্ক করে যাওয়ার কাজটা আমাদেরকে করেই যেতে হবে। আজকে উম্মতে মোহাম্মদী হিসেবে আমাদের উপরে দায়িত্ব, আমরা কাউকে জাজ করব না যে সে এত খারাপ, তাকে ইসলামের এর কথা বলে লাভ কি? আমরা জানিনা তার অন্তরে কখন আলো প্রবেশ করবে।

কিন্তু একটা জিনিস আমাদেরকে মনে রাখতে হবে, সেটা হচ্ছে যে সতর্কতা শুধুমাত্র কাজ করবে যখন তার মধ্যে জ্ঞান থাকবে। অর্থাৎ দ্বীনের জ্ঞান যদি না থাকে, তাহলে আমি যতই বলি না তোমাকে বলি না কেন, যে তাকে আমি কিছুই বললাম না। শুধু বললাম তুমি এত খারাপ, তোমাকে জাহান্নামে যেতে হবে। এভাবে সতর্ক করতে আমাদেরকে বলা হয় নাই। বরং বলা হয়েছে আমাদেরকে প্রথমে সত্যটা তাদের সামনে তুলে ধরতে হবে। এবং আগেই আমরা জেনেছি যে গাইডেন্সের তিনটা সোর্স রয়েছে। একটা হচ্ছে আল্লাহর সৃষ্টি, আরেকটা হচ্ছে হিস্ট্রি, ইতিহাস এবং হচ্ছে থার্ড যেটা হচ্ছে, সেটা হচ্ছে রিভিলেশন, কোরআনের বাণী। সো এই তিনটা জিনিসের মাধ্যমে তাদের সামনে সত্যটা যখন আমরা তুলে ধরবো, তাদের যথার্থ জ্ঞান থাকবে, তারা সেটা বুঝতে পারবে, তারপরেই হচ্ছে সতর্কবাণী তাদের জন্য কাজ করবে।

সো মূলত প্রথমে হচ্ছে ফাউন্ডেশনটা তৈরি করতে হবে। যে তাদের মধ্যে যদি ফাউন্ডেশন না থাকে, ঈমানের জ্ঞান না থাকে, তাহলে জাহান্নামের শাস্তির কথা তাদেরকে বলে আমাদের কোন লাভ হবে না। এবং অনেক সময়ই দেখা যায় যে, যখন তাদের জ্ঞান থাকে এবং তারপরে আমরা দেখি যে তাদেরকে শাস্তির ভয় দেখানো হয়, সেটা তাদেরকে মোটিভেট করে। এই ভয়টা মানুষকে হচ্ছে এগিয়ে নিয়ে যায়। আমরা আমাদের নিজেদের মধ্যেও দেখি যে, যেহেতু আমরা জানি যে আল্লাহ কি, আল্লাহ আমাদের কাছে কি চাচ্ছেন, আমাদের কি করতে হবে, তখন যখনই আমাদেরকে কেউ মনে করিয়ে দেয় যে না, আপনি গীবত করছেন, গীবত করলে তো এই শাস্তিটা, তখন দেখা যায় যে আমার আবার মনে হয় যে, হ্যাঁ এটা তো আমার করা উচিত হয় নাই। আমি নামাজ নিয়মিত পড়ছি না, আমাকে যখন কেউ মনে করিয়ে দেয় যে, এই নামাজের ব্যাপারে আপনাকে প্রথম জিজ্ঞাসা করা হবে, সে নামাজের ব্যাপারে আপনি যদি জবাব দিতে না পারেন, তাহলে বাকি সমস্ত কাজই আপনার জন্য বিফল হয়ে যাবে, তখন দেখা যাবে যে, যেহেতু আমি জানি আমার ঈমান আছে, সে কারণে সেটা আমাকে মোটিভেট করবে। সো সো ভয় মানুষকে মোটিভেট করতে পারে। তবে সেটা হচ্ছে শুধুমাত্র যখন তার ফাউন্ডেশনটা আমরা তৈরি করতে পারবো। তাকে প্রপার নলেজ আমরা দিতে পারবো। সত্যটা সে জানতে পারবে। কোরআনের জ্ঞান তার মাঝে থাকবে। তখনই শুধু সতর্ক করলে কাজ হবে।

সো আমরা এখানে দেখি সতর্কতার একটা শর্ত হচ্ছে যে, তাকে আগে সত্যটা জানাতে হবে। তাকে হেদায়েতের কথা তাকে বুঝতে হবে তাকে। এবং সে কারণেই আমরা দেখি যে ভয় যে মানুষের মধ্যে কাজ করে, সেই সেটা আমরা হাদিসের মধ্যে দেখতে পাই, যেখানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, তোমরা বেশি বেশি করে যেই জিনিসগুলো হচ্ছে আমাদের প্লিজার বা অন্তরের যে আসক্তি সেগুলোকে ধ্বংস করে দেয়, সেই জিনিসকে তোমরা স্মরণ করো। এবং কোন জিনিস হচ্ছে আমাদের অন্তরের এই আনন্দকে ধ্বংস করে দেয়? সেটা হচ্ছে মৃত্যুর চিন্তা। আমরা যত বেশি মৃত্যুর চিন্তা করব, আমরা দেখব যে আমাদের জীবনটাকে আমরা তত বেশি সাজাতে পারব সুন্দর করে। এবং প্রতিটা দিনে আমাদের কাছে একটা নিয়ামত মনে হবে। এবং সেই দিনটাকেই সকালে ঘুম থেকে উঠে আমি চিন্তা করব যে, যেকোনো সময় আমার মৃত্যু আসতে পারে। সো আজকের দিনটাকে আমি কিভাবে সাজাতে পারি? কি করলে হচ্ছে আমি মৃত্যুর পরেও আল্লাহর সামনে সুন্দর একটা আমলনামা নিয়ে দাঁড়াতে পারবো এবং আল্লাহর কাছে তার রহমতের জন্য আশা করতে পারব।

সো যত বেশি আমরা মৃত্যুর চিন্তা করব, অর্থাৎ এই যে ভয়, ভয়টা আমাদের মধ্যে যত বেশি জাগ্রুক হবে, তত বেশি সতর্কবাণী আমাদের অন্তরে প্রবেশ করবে, তত বেশি কোরআনের কথাগুলো আমরা বুঝতে পারব, তত বেশি কোরআনের কথাগুলো আমাদের অন্তরে গভীরতা সৃষ্টি করে আমাদের মাঝে পরিবর্তন আনতে পারবে। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন যারা প্রতিনিয়ত এই কোরআন থেকে সতর্ক বাণী গ্রহণ করছে এবং সে অনুযায়ী নিজেদের জীবনকে পরিবর্তন করতে পারছে।