📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Surah Ya Sin || Part 67: Ayah 65|| Your Body will Talk against You ||

Straight Path15:47

Transcription

সূরা ইয়াসিনের 65 নাম্বার আয়াত।

আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম। আলাহমুনাজহমা। আজ আমি তাদের মুখে মোহরে দেব, তাদের হাত আমার সাথে কথা বলবে এবং তাদের পা তাদের কৃতকর্মে সাক্ষ্য দিবে। খুবই স্কেি একটি আয়াত যেখানে আল্লাহ সুবহানা তাআলা বিচারের দিনের যে ভয়ঙ্কর সিচুয়েশন হবে আমাদের সে কথাটি এখানে তুলে ধরেছেন।

সেটা হবে তেমন দিন যেই দিনে আমাদের মুখে সিল মেরে দেওয়া হবে এবং সেদিন আমাদের হাত কথা বলে উঠবে। আমাদের পা আমাদের জন্য সাক্ষী হবে যা কিছু আমরা এই দুনিয়ার জীবনে করেছি। এখানে আল ইয়াম শব্দটি এসেছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি টুডে আজকে। সো বারবারই আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সেই দিনের কথা আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন যে মনে করো আজকেই সেদিন। আজকে যদি তোমার এই অবস্থা হয় তাহলে তুমি কি করবে? এবং এই যে আমি এখন এভাবে এই আজকের দিনে স্মরণ করছি চিন্তা করছি যে আমার মুখে যদি সিল মেরে দেওয়া হয়, আমার হাত পা আমার ব্যাপারে কি বলবে কি সাক্ষ্য দিবে? সেই আজকেই আমার সচেতন হওয়ার দিন, আজকেই আমাকে ট্রান্সফর্ম করার দিন, আজকেই আমার মধ্যে পরিবর্তন আসার দিন।

সেই দিনটাকে আমরা যখন চোখের সামনে দেখতে পাবো, সেই দিনের আমার কি অবস্থা হবে সেটা চিন্তা করে কোন মন চিন্তাশীল মন যে মনের বিবেক রয়েছে বুদ্ধি রয়েছে তারা আসলে চুপ করে বসে থাকতে পারবে না। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এমনিভাবে আমাদের অবচেতন মনকে জাগিয়ে দেন প্রতিটি আয়াতে।

আলইমা নাতিম। নাতিম মানে হচ্ছে খাতম শব্দটার সাথে আমরা পরিচিত আছি। কোন কিছু শেষ করা। খাতম মানে হচ্ছে একটা এনভলপের মধ্যে খামের মধ্যে যখন সিল মেরে দেওয়া হয় সেটাকেও খতম বলা হয়। এটা হচ্ছে মুখ বন্ধ করে দেওয়া। এটাকে সিল মেরে দেওয়া বুঝানোর জন্য যে নাতিম আমরা বন্ধ করে দিব আলা আফহিহম তাদের মুখের মধ্যে। সেদিন যারা হচ্ছে কাফের যারা হচ্ছে মুনাফিক। সেদিন তাদের অবস্থা কি হবে? তারা নিজের গুনাহগুলোকে অস্বীকার করতে থাকবে। এই পৃথিবীতে যা কিছু তারা করেছে সেগুলো তারা করে নাই বলে বলতে থাকবে। তখন আল্লাহ সে মুখগুলোকে সিল করে দিয়ে তাদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে কথা বলার স্বাধীনতা দান করবেন।

এ ব্যাপারে আমরা দেখি হাদিসে এসেছে যেখানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন যে কি ধরনের পরিস্থিতি সেদিন হবে। সাহাবাদের বর্ণনা এসেছে আনাস রাদিয়াল্লাহ আনহু থেকে যে তারা সাহাবারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামের সাথে বসেছিলেন এবং হঠাৎ করে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম হেসে উঠলেন এবং আমরা জানি রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লামের হাসি হচ্ছে সবসময় স্মৃদ্ধ হাসি মুচকি হাসি তো তিনি এমনভাবে হেসে উঠলেন যে তাদের তার মাড়ির দাঁত পর্যন্ত দেখা যাচ্ছিল যে মোলারটি যেটা একদম শেষ প্রান্তের দাঁত পর্যন্ত দেখা যাচ্ছিল তখন তিনি বললেন যে তোমরা কি জানো আমি কেন হাসছি? তখন সাহাবারা বললেন যে স্বাভাবিকভাবেই তারা এত বিনয়ী তারা সবসময় বলেন যে আল্লাহ এবং তার রাসূলই সবচেয়ে ভালো জানেন। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম বললেন যে সেদিন কেয়ামতের দিন যখন বিচারের জন্য হাজির করা হবে আল্লাহর একজন বান্দা কিভাবে তার সাথে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবে আর্গু করবে সেটা মনে করে তিনি হাসছেন। সে বলবে যে হে আমার রব তুমি কি আমাকে অন্যায় থেকে ইনজাস্টিস থেকে বাঁচাবে না আজকে? আল্লাহ বলবে অবশ্যই আমি তোমাকে বাঁচাবো। তখন সেই বান্দা আবার বলতে থাকবে যে আমি আমার এগেইন্স্টে আমার বিরুদ্ধে কোন সাক্ষী আজকে একসেপ্ট করবো না। আমি নিজেই শুধু আমার কথা বলতে পারবো। তখন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলবে যে তুমি নিজেই আজকে যথেষ্ট তোমার বিরুদ্ধে বলার জন্য এবং তোমার আমলনামায় যা কিছু লিখা আছে যে রেকর্ড বুক তোমার আছে সেটাই তোমার এগেন্স্টে বলার জন্য যথেষ্ট সাক্ষী। তখন আল্লাহ তার মুখকে সিল মেরে দিবেন এবং তখন তার অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সারা শরীরের কাছ থেকে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা নির্দেশ দিবেন কথা বলো কথা বলার সুযোগ তিনি দিয়ে দিবেন এবং তারা তখন বলতে থাকবে তারা কি করেছে এবং তখন সেই লোক বলতে থাকবে যে তোমরা ধ্বংস হয়ে যাও সো আমি তোমাদের জন্য এত কষ্ট করেছি।

সো আমরা যদি একটু চিন্তা করি যে দুনিয়ার বুকে আমরা যখন অন্যায় করি সে অন্যায় এটা কি করি? আমার নিজের শরীরের মনোরঞ্জনের জন্য, নিজের শরীরকে আনন্দ দেওয়ার জন্য আমরা এই কাজগুলো করে থাকি। অথচ আমরা চিন্তা করি না যে এই কাজগুলো করা উচিত হবে নাকি অনুচিত হবে। আমরা আমাদের চোখ দিয়ে খারাপ জিনিস দেখি, কান দিয়ে খারাপ কথা শুনি, হাত দিয়ে খারাপ কাজ করি, পা দিয়ে খারাপ জায়গায় যাই। এ সমস্ত কিছুই আমরা মনে করি যে আমরা আসলে আমাদের শরীরকে এখানে আনন্দ দিচ্ছি। কিন্তু এই শরীরকে আল্লাহ সুবহানা তাআলা তার অনুগত করে তৈরি করেছেন। যে কারণে হচ্ছে যখন তাদেরকে নির্দেশ দেওয়া হবে কথা বলার তখন তারা সেই সত্য কথাটাকে তাদের আল্লাহর সামনে উপস্থাপন করবেন।

তারপরে বলা হচ্ছে ওয়াতুকাল্লিমুনা আইদিহিম যে তখন তাদের আইদিহিম হচ্ছে তাদের হাতগুলো কথা বলে উঠবেদ আরজুলহম এবং তাদের পাগুলো হচ্ছে সাক্ষী দিবে কইয়া কানা শব্দটা যখন বলা হয় তার মানে হচ্ছে যে তারা ইউজ টু করত স্বভাবত তারা করত এটা একদিন দুইদিনের ব্যাপার না এটা তাদের চিরাগত নিয়ম চিরাচরিত নিয়ম অথবা তারা জেনারেলি সাধারণভাবে এই কাজগুলো করতো এবং সেই কাজের ব্যাপারেই হচ্ছে এখানে তারা সাক্ষী দিবে তারা কথা বলে উঠবে। সো এখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা কোনভাবেই কোন ইনজাস্টিসের সুযোগ এখানে দিবেন না। বরং এই কথার মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা কে কি করেছে সেটা তারা সেটা সাক্ষী তিনি নিয়ে নিবেন।

সো এই দুনিয়াতে আমরা আমাদের হাত দিয়ে কি করছি? পা দিয়ে কি করছি? মুখ দিয়ে কি বলছি এ সমস্ত কিছুর জন্যই হচ্ছে সাবধান থাকতে হবে সতর্ক থাকতে হবে কারণ আখেরাতে যেয়ে এদের উপরে আমাদের কোন কন্ট্রোল থাকবে না। সূরা ফুসসিলাতে বলা হয়েছে তারা যখন জাহান্নামের কাছে পৌঁছাবে তখন তাদের কান চক্ষু তক তাদের কর্ম সম্পর্কে সাক্ষ্য দিবে। আমরা কি একটু চিন্তা করি না যে আসলে আমরা কান দিয়ে কি শুনছি চোখ দিয়ে কি দেখছি? আমাদের এই শরীরটাকে সুন্দর সতেজ দেখার জন্য আমরা কি হারাম জিনিসের সাহায্য নিচ্ছি? সো আল্লাহ সুবহানা তায়ালা সেদিন তাদের কাছ থেকে সাক্ষ্য নিবেন।

এ ব্যাপারে আমরা দেখি যে আরেকটা হাদিসে এসেছে কেয়ামতের দিন হিসাবের দিনে হচ্ছে ঈমানদারদেরকে ডাকা হবে। সেদিন তার রব তা হচ্ছে তার কাজগুলো দেখাবে এবং সেই কাজগুলো হচ্ছে সেদিন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা দেখতে পাবেন এবং সেই বান্দা শুধুমাত্র দেখতে পাবে। তখন সেই ঈমানদার আমরা জানি আমরা জেনে না জেনে অনেক গুনাহ করে ফেলি। ঈমানদারদের সাথে কাফেরদের যে পার্থক্য সেটা আমরা দেখি যে আদম আলাইহিস সালাম এবং শয়তানের কাজের মধ্যে পার্থক্য যেটা ছিল আদম আলাইহিস সালাম যখন ভুল করেছেন সে ভুলটা তিনি বুঝতে পেরেছিলেন এবং সাথে সাথে সেটা স্বীকার করে নিয়েছিলেন। আর ইবলিশ সে এত অহংকারী ছিল ভুল করেছে কিন্তু ভুল স্বীকার করে নেয় নাই বরং এটার পিছনে আরো যুক্তিতর্কর অবতারণা করেছে।

কেয়ামতের দিনেও আমরা দেখব যে একজন মুমিন কি করবে যখন তার সামনে তার আমলনামা উপস্থাপন করা হবে সে স্বীকার করবে যে হে আল্লাহ আমি এটা করে ফেলেছি তখন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তাকে ক্ষমা করে দিবেন কারণ তিনি হচ্ছেন গাফুর। আমরা জানি গাফুর শব্দটার অর্থ হচ্ছে যিনি ক্ষমা করে দেন যে যে গুনাহ গুলো করা হয় সেটাকে লুকিয়ে রাখেন সো আল্লাহ ছাড়া সেই গুনাহগুলো সম্পর্কে আর কেউ জানবে না পৃথিবীর আর কেউ জানতে পারবে না যে সে কি অন্যায় করেছিল আল্লাহ সেগুলোকে ঢেকে দিবেন এবং তার ভালো কাজগুলো হচ্ছে সবার সামনে উপস্থাপন করা হবে। সুবহানাল্লাহ। আমরা সবাই চাই আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে এভাবে সম্মানিত করুন।

অন্যদিকে যারা হচ্ছে কাফের যারা হচ্ছে মুনাফিক তাদেরকে তাদের হিসাব দেখানো হবে তাদের আমলনামা দেখানো হবে তখন তারা বলবে যে হে রব তোমার প্রশংসা করছি যে যা কিছু এই ফেরেশতারা যা কিছু লিখেছে এগুলো আমি কিছুই করি নাই তখন ফেরেশতারা বলবে যে তুমি কি এটা এটা করো নাই অমুক দিন অমুক জায়গায় অমুক কাজটা তুমি করো নাই তখন সে বলবে যে না আমি তো এটা করি নাই সেখানে যেয়েও আমরা দেখব যে তারা মিথ্যার বা ছলনায় আশ্রয় নিচ্ছে তখন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তার মুখটাকে সিল মেরে দিবেন এবং তখন বলা হলো যে আবু মুসা আশারী যিনি হাদিসটা বর্ণনা করছিলেন তিনি বললেন যে আমার মনে হয় যতটুকু মনে আছে যে প্রথম যেই পার্ট শরীরের যে অংশটা কথা বলবে সেটা হচ্ছে আমাদের রাইট থাই যে ডানদিকের উরু হচ্ছে কথা বলে উঠবে এবং তখন তিনি এই আয়াতটা পড়লেন যেখানে বলে দেওয়া হচ্ছে যে আজকের দিনে তোমাদের মুখে সিল মেরে দেওয়া হবে তোমাদের হাতগুলো কথা বলবে এবং তোমাদের পা গুলো সাক্ষী দিবে তোমরা এই দুনিয়ার বুকে কি কাজ করতে।

এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি একজন ঈমানদার এবং একজন কাফেরের আমলনামার উপস্থাপন এবং তাদের যেনি নিজেদের স্বীকৃতি বা কথা বলা সেই ব্যাপারে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম এর মাধ্যমে। সো আল্লাহ সুবহানাতা আরেকটা হাদিসে এসেছে এরকম যে প্রথম যে অঙ্গ আমাদের কথা বলবে আমাদের মুখে সিল মেরে দেওয়ার পরে মুখ বন্ধ করে দেওয়ার পরে সেটা হচ্ছে বাম পা। সো আমরা দুইটা হাদিস এখানে দেখতে পাচ্ছি যেটাই হোক যে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে ফাস্ট হচ্ছে আমাদের পা থেকে সেই সাক্ষ্যটা নেওয়া শুরু হয়ে যাবে। স আমাদেরকে আসলে খুবই খুবই কেয়ারফুল হতে হবে যে এই হাত পা আমরা কোন কাজে লাগাচ্ছি যে সূরা নূরে যেমন বলা হয়েছে যে যেদিন প্রকাশ করে দেবে তাদের জিহ্বা তাদের হাত ও তাদের পা যা কিছু তারা করত তাহলে এই সমস্ত কিছুর ব্যাপারে আমাদেরকে সচেতন থাকতে হবে যে কোন ধরনের সাক্ষ্য আমরা নিয়ে আসছি।

সো এখানে বলা হতে পারে যে এখানে জিহ্বার কথা বলা হয়েছে। আবার এই সূরাতে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে মুখে সিল মেরে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সো এই ব্যাপারে তাফসীরকারকগণ বলেছেন যে তারা যখন হচ্ছে কথা বলবে কথা বলার পরে অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সাক্ষ্য তখন নেওয়া হবে। তো যে কারণে তখন হচ্ছে তাদের মুখের মধ্যে সিল মেরে দেওয়া হবে। সো এই আয়াতটা হচ্ছে আমাদের জন্য একটা সতর্কীকরণ। আমাদের জন্য একটা সতর্ক বার্তা যে আমরা যেন আমাদের প্রত্যেকটা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের হক আদায় করি এবং তাদেরকে সঠিক কাজে লাগাই এবং এইদিন হচ্ছে জিজ্ঞাসা করা হবে যে মানুষের যখন দেখবে যে তাদের হাত পা চামড়া কথা বলে উঠছে তখন তারা জিজ্ঞাসা করবে যে তোমার জন্য আমি এত কষ্ট করেছি আর তুমি আমার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিচ্ছো। তখন তারা এর জবাব দিবে যে আমরা আল্লাহর নির্দেশে আমাদেরকে সৃষ্টিই করা হয়েছে আল্লাহর নির্দেশ মানার জন্য এবং আল্লাহ যা বলেন তা শোনার জন্য। সো আল্লাহই আজকে আমাদেরকে কথা বলার শক্তি দিয়েছেন। আল্লাহ তোমাকেও কথা বলার শক্তি দিয়েছেন এবং তোমাকে আবার ফিরিয়ে এনেছেন এবং আজকে যখন আমাদেরকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে তখন আমরা আল্লাহর নির্দেশেই হক কথা এবং সত্য কথা আল্লাহর সামনে উপস্থাপন করছি।

সো আমরা এখানে দেখতে পাচ্ছি যে কতটুকু হেল্পলেস হয়ে যাব আমরা সেই কঠিন দিনে যখন হচ্ছে আমাদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে থাকবে। সূরা মুমিনুনে বলা হয়েছে আল্লাহ বলবেন তোমরা ধিকৃত অবস্থায় এখানেই পড়ে থাকো এবং আমার সাথে কোন কথা বলো না। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সেদিন কতটুকু আপসেট হবেন আমাদের উপরে সেটা আমরা এখান থেকে দেখতে পাচ্ছি যে আল্লাহ এখানে এই আয়াতের মাধ্যমে আমাদেরকে সতর্ক করে দিচ্ছেন কিন্তু এই সতর্ক করার পরেও দেখা যাবে যে এই ভুলগুলো আমরা করে যাচ্ছি। আল্লাহ আমাদেরকে সেই সতর্ক বাণী অনুযায়ী আল্লাহ সুবহানা তাআলার পথে কাজ করার তৌফিক দিন।

সো এখানে আমরা দেখি যে এই আয়াতের মধ্যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা কুনতুম শব্দটা বলেছেন যে তিনি তাদের ব্যাপারে তিনি উল্লেখ করে বলছেন যে সরাসরি তোমাদের ব্যাপারে যে আ বিমাসিব এখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতালা সরাসরি তাদের এখানে সরি কুনতুম নাহুম শব্দটা বলে তাদেরকে থার্ড পারসন এখানে কথা বলছেন যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তাদের সাথে কোন ধরনের কানেকশন এখানে রাখছেন। আবার এই আয়াতের মধ্যে সূরা মুমিনুনের এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সরাসরি তাদেরকে এখানে নির্দেশ করছেন এবং তাদেরকে বলছেন যে কালা কালাফিহা শব্দটা হচ্ছে আল্লাহ এত বেশি তাদের প্রতি অসন্তুষ্ট হবেন যে তাদেরকে ধিক্কার দিবেন কিন্তু ধক্কারটা হচ্ছে এরকম যে একটা কুকুরকে যখন মানুষ সুসু বলে দূরে সরিয়ে দেয় এই কথাটাই বলা হচ্ছে ইখসা এই শব্দটা দিয়ে বুঝানো হয়ে থাকে। সো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা দুনিয়াতে আমাদেরকে সুযোগ দিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু আখেরাতে যেয়ে দেখা যাবে যারা এই সুযোগে সদব্যবহার করে নাই আল্লাহ সুবহানাতালা তাদের প্রতি এত রাগন্নিত হবেন যে তাদেরকে কুকুরের মত সুসু করে তিনি তাড়িয়ে দিবেন এবং এখানে সূরা ইয়াসিনের 65 নাম্বার আয়াতে আমরা দেখি আল ইমাম নাতিম আলা আফহ বলা হচ্ছে আলা মানে হচ্ছে উপরে আপন অন টপ অফ সামথিং বুঝানো হয়ে থাকে এই অর্থটা হচ্ছে এরকম যে মুখের উপরে যে সিলটা মারা হবে সেলটা হচ্ছে উপর থেকে কোন কিছু যেন সিল মেরে দিচ্ছে তার মানে হচ্ছে এটা এমনভাবে সিল মারা হচ্ছে যেটা কমপ্লিটলি বন্ধ হয়ে যাবে এবং এটাকে ভাঙ্গা যাবে না খোলা যাবে না ওপেন করা যাবে না এখান থেকে আমরা এই আয়াতের যে ভয়ঙ্কর দিকটা সেটাও দেখতে পাচ্ছি যে কোনভাবেই তখন তারা তার মুখকে খুলতে পারবে না এবং তাদের নিজেদের ব্যাপারে কথা বলতে পারবে না।

স যখন তাদের মুখ হাত সাক্ষী দিতে থাকবে কথা বলতে থাকবে তখন চেষ্টা করবে তারা মুখ দিয়ে মিথ্যা কথা বলার জন্য কিন্তু আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানা তাআলা এমনভাবে সেই সিচুয়েশনটাকে কন্ট্রোল করবেন যে তারা সেদিন আর মুখ খুলে সে অবস্থায় কথা বলতে পারবে না। তো এই আয়াতের আরেকটা ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে এখানে যেমন ইবনে কাসির রাহমাতুল্লাহ আলাইহি বর্ণনা করেছেন যে এই অবস্থাটা হবে যারা হচ্ছে অবিশ্বাসী এবং মুনাফিক ডে অফ জাজমেন্টের দিন যখন তারা তাদের গুনাহকে অস্বীকার করবে যেটা তারা দুনিয়ার বুকে করেছিল তারা শপথ করে করে বলতে থাকবে যে তারা এই কাজগুলো করে নাই সো সে কারণেই হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা যেহেতু তারা মুখটাকে যথেচ্ছা ব্যবহার করছে এবং আল্লাহ সুবহানা তায়ালা নির্দেশমত ব্যবহার করছে না এখনো সে কারণেই হচ্ছে হচ্ছে তাদেরকে সেদিন সিল মেরে দেওয়া হবে।

আল্লাহ সুবহানা তাআলা সে কঠিনতম দিনে আমরা যাতে এমন সাক্ষী পাই আমাদের হাত পা, তক জিহ্বা থেকে যা হচ্ছে আমাদেরকে জান্নাতের পথে যাওয়ার সুগম করে দিবেন। আল্লাহ সুবহানা তাআলা আমাদেরকে সেরকম কাজ করার তৌফিক দান করুন।