📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Sayyidul Istighfar/B || Dua for Everyday II Part 3

Straight Path14:33

Transcription

এরপরে আমরা যে কথাটা বলছি সেটা হচ্ছে খালাতানি ওনা আবদুকা যে তুমি হচ্ছে আমাকে সৃষ্টি করেছ এবং আমি তোমার স্লেভ আমি তোমার আবদ। এখানে আল্লাহ সুবহানাতালার সাথে আমি কানেকশন তৈরি করছি। আল্লাহ সুবহানাতালার যেই আসমাল হুসনা আছে সেখানে আমরা দেখি আল্লাহর একটা নাম হচ্ছে আল খালিক যিনি হচ্ছেন সৃষ্টি করেছেন।

স আল্লাহ সুবহানা তাআলার উপরে বিশ্বাসের তিনটা দিক রয়েছে। একটা হচ্ছে রুবুবিয়া, আরেকটা হচ্ছে উলুয়াত, আরেকটা হচ্ছে আল্লাহ আসমাল হুসনা অর্থাৎ তার যে গুণাবলী রয়েছে সেগুলোর উপরে পরিপূর্ণ বিশ্বাস এবং আস্থা স্থাপন করা।

এখানে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছে আমরা স্বীকার করছি যে তুমি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছ। হালাকতানি তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ। সো আমার সৃষ্টির পিছনে কে আছে? আমি কোত্থেকে এসেছি? হঠাৎ করে কিছু থেকে আমি সৃষ্টি হয়ে যাই নাই বা হঠাৎ করে আমার কোন কিছু থেকে জন্ম হয় নাই। বরং এটা আল্লাহ সুবহানাতায়ালার প্ল্যানের একটা অংশ। আল্লাহ সুবহানাতায়ালাই আমাকে সৃষ্টি করেছেন যে কথাটা আমরা রবের মধ্যেও আসলে প্রকাশ করে থাকি এবং সেই কারণেই আমরা দেখি যে তার সাথে সাথে আমি বলছি যে ওয়া আবদুকা। যেহেতু তুমি আমার রব, যেহেতু তুমি আমার ইলাহ, যেহেতু তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ তার মানে হচ্ছে প্রতিটা মুহূর্তে প্রতিটা ক্ষেত্রেই হচ্ছে আমি তোমার দাসত্ব করতে রাজি আছি।

দাসত্ব বলতে কি বুঝানো হচ্ছে? দাসত্ব বলতে বুঝানো হচ্ছে যে আমি তোমার নির্দেশ পরিপূর্ণভাবে মেনে নিতে রাজি আছি এবং সেটাই ঘোষণা আমি এখানে দিচ্ছি যে আমার নিজস্ব কোন পছন্দ নাই এখানে। আমার নিজের রুচি মতো আমি কাজ করব। নিজের ইচ্ছামত কোন কিছু করব। সেটার কোন সুযোগ আমার নাই। কারণ আমি হচ্ছি আল্লাহর আবদ, আল্লাহর স্লেভ, আল্লাহর দাস।

সো একজন দাস এবং মালিকের সম্পর্কটা আমরা যদি চিন্তা করি তাহলে দুনিয়াবী ক্ষেত্রে একজন দাসের সম্পর্ক আমরা যখন দেখি তখন দেখি যে সেটা খুবই কনফ্লিক্টিং এবং দাস এবং মালিকের মধ্যে কোন ভালো সম্পর্ক কিন্তু থাকে না। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলেছেন যে তার সাথে তার বান্দার যে সম্পর্কটা তিনি তার বান্দারকে এত বেশি ভালোবাসেন যে বান্দা যখন নিজেকে দাস হিসেবে পরিচয় দেয় এটাই হচ্ছে তার বড় পরিচয় এবং তার কারণ হচ্ছে যে আমি যখন দাসত্ব স্বীকার করে নেই তখন আমি একদম নিঃশর্তে বলে দেই যে আমি তোমার সমস্ত শর্ত মেনে নিতে রাজি আছি এবং সেটা আমি আন্তরিকভাবেই করছি তার কারণ হচ্ছে তুমি আমার রব তুমি আমার ইলাহ তুমি ছাড়া আমার আর কোন উপায় নাই তোমার দিকে আমাকে ফিরতে হবে সেজন্য তোমার প্রত্যেকটা কথা প্রত্যেকটা আদেশ প্রত্যেকটা নির্দেশ আমি হচ্ছে মাথা পেতে নিতে রাজি আছি এবং সে কারণেই হচ্ছে আমি আবদ।

তো এখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা কোরআনে বলে দিয়েছেন যে ওমা খালাকতুল জিন্নাওয়াল ইনসা ইল্লায়াবদুন যে আমি মানুষ এবং জীন জাতিকে শুধু একটা কারণে সৃষ্টি করেছি যে তারা আমার ইবাদত করবে এবং সেখান থেকে আমরা দেখি যে এই দাসত্ব হচ্ছে আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্কের সবচেয়ে বড় সম্পর্ক এবং যে কারণে আমরা দেখি যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আ সাল্লামের পরিচয় দিতে যেয়েও আল্লাহ বলেছেন যে সে আমার দাস এটাই হচ্ছে তার বড় পরিচয় সে আমার আবদ এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম নিজেও বলেছেন যে আমি কি তার শুকরকারী আবদ হব না শুকরকারী বান্দা হব না শুকরকারী দাস হব না অর্থাৎ আল্লাহর সাথে আমাদের সম্পর্কটা হবে এরকম যে একজন দাস বা একজন বান্দা হিসেবে আমরা আল্লাহ সুবহানা তায়ালার সমস্ত নির্দেশকে অকুন্ঠ চিত্তে মেনে নিলাম এবং সেখানে আমার নিজের খেয়াল খুশি মতো আমি কোন কিছুই ইম্পোজ করবো না বা করার চেষ্টা করবো না। তো এর মাধ্যমে হচ্ছে আমি পরিপূর্ণভাবে আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে নিজেকে আত্মসমর্পণ করলাম। সেটাই আসলে প্রকাশ পাচ্ছে যে আমি নিজেকে আল্লাহর আবদ বলে ঘোষণা দেওয়ার মাধ্যমে।

তারপরে আমরা দেখি বলা হচ্ছে ওনা আলা আহদিকা ওদিকমাসতা। এখানে আমরা দেখি বলা হচ্ছে যে আমি আপনার সাথে যেই প্রতিজ্ঞা করেছি সে প্রতিজ্ঞা মেনে চলব টু দ বেস্ট অফ মাই এবিলিটি যে আমার আমি যে প্রতিজ্ঞা করেছি সেটা আমি স্বীকার করছি যে তোমার সাথে আমি প্রতিজ্ঞা করে এসেছি এবং তার সাথে সাথে আমি এটাও স্বীকার করছি যে আমার যতটুকু সামর্থ্য রয়েছে ক্ষমতা রয়েছে সেটা আমি পালন করার জন্য চেষ্টা করব।

স প্রথমেই আমরা আল্লাহর যে সুপিরিয়রিটি আছে আমাদের উপরে সেটাকে আমরা মেনে নিয়েছি। আল্লাহকে রব বলেছি। আল্লাহকে ইলাহ বলেছি। আল্লাহ আমার সৃষ্টিকর্তা। আমি তার আব সেটা আমি অকুন্ঠ চিত্তে ঘোষণা করলাম। তারপরে আমরা বলছি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার সাথে আমার যে অঙ্গীকার রয়েছে সে কাজের ক্ষেত্রে আমি চলে আসছি এখানে। সেই অঙ্গীকার আমি যথাসাধ্য পালন করার জন্য চেষ্টা করব।

এবং এই অঙ্গীকারটা কি? এই অঙ্গীকারটা এসেছে সূরা সাত নম্বর সূরার 172 নম্বর আয়াতে। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা প্রত্যেকটা সোলকে একত্রিত করে জিজ্ঞাসা করেছেন যে আমি কি তোমার রব নই? আমরা সবাই সেখানে উত্তর দিয়েছি। হ্যাঁ আমরা সাক্ষী দিচ্ছি তুমি আমাদের রব। এই যে আল্লাহ সুবহানা তাআলার সাথে আমাদের একটা প্রতিজ্ঞা আগেই হয়ে গিয়েছে যে আমরা তাকে আমাদের রব হিসেবে ঘোষণা দিয়ে এসেছি এবং আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছে আমরা সেই জিনিসটাই হচ্ছে আবার অকুন্ঠ চিত্তে সরবে জোরে সুরে আল্লাহর কাছে প্রচার করছি যে আমি এটা স্বীকার করে নিয়েছি আমি এটা বুঝতে পেরেছি এবং সেই অনুযায়ী আমি সেই আল্লাহর সাথে যে অঙ্গীকার রয়েছে সে অঙ্গীকারটাকে পালন করার জন্য চেষ্টা করব।

সো এই যে আল্লাহকে রব হিসেবে আমি মেনে নিয়েছি এবং আমি সেটা মুখে ঘোষণা করলাম এর মাধ্যমেই বুঝা গেল যে আমার আমার যথাসাধ্য আমি চেষ্টা করব। আমি জানি যে আমার দুর্বলতা রয়েছে। আমি জানি যে আমার পাপ পিছিলে যায়। আমি জানি যে আমি ভুল করে ফেলি। কিন্তু যখনই যা হোক না কেন আমি আবার তোমার কাছে ফিরে আসার জন্য চেষ্টা করবো। তোমার ইবাদত করার জন্য চেষ্টা করবো। তোমার প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়ার জন্য চেষ্টা করব যেভাবে তুমি এটা ডিজার্ভ করো।

তাহলে এখানে আমরা দেখছি যে আল্লাহর সাথে কৃত প্রতিজ্ঞার কথা যে কমিটমেন্ট আমাদের রয়েছে সে কমিটমেন্টটা আমাদের স্পিরিচুয়াল যে অবলিগেশন রয়েছে আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে সেটা আমরা এখানে স্বীকার করে নিচ্ছি।

তারপরে আমরা বলছি যে আউজুবিকা মিনশমা সানাতু। আমি তোমার কাছে প্রটেকশন চাই সেই জিনিস থেকে যা আমি করেছি। মানে আমি যে কাজ করেছি স আমি তোমার কাছে সেই জিনিস থেকে প্রতিজ্ঞা চাই সরি প্রটেকশন চাই রক্ষা পেতে চাই।

তো এইখানে এসে আমরা দেখি যে পুরোপুরিভাবে আবার আল্লাহর সামনে আমরা নিজেদেরকে সমর্পণ করে দিচ্ছি যে আমি জানি আমার দুর্বলতা রয়েছে আমি জানি আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করব কিন্তু তারপরেও হচ্ছে আমার দ্বারা খারাপ হয়ে যেতে পারে কারণ আমরা হচ্ছে মানুষ আমাদের ভুল হওয়াটা স্বাভাবিক আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছে আমরা চাচ্ছি যে যদি ভুল করে আমি কিছু করে ফেলি কোন অন্যায় করে ফেলি সেটার জন্য তুমি আমাদেরকে শাস্তি দিও না। সেটার জন্য তুমি আমাদেরকে রক্ষা করো। মিসগাইডেন্স থেকে তুমি আমাদেরকে রক্ষা করো। শাস্তি থেকে তুমি আমাদেরকে রক্ষা করো এবং নিজের ভুলটা আমরা এখানে স্বীকার করে নিচ্ছি।

সো এখানে আমরা এটা বলছি যে আমি জানি যে আমি যখন কোন ভুল করে ফেলি সেই ভুল কাজের একটা কনসিকুয়েন্স আছে আমি সেটা স্বীকার করে নিচ্ছি এবং সেই ভুল কাজটা থেকে আমি যেমন বিরত থাকতে চাই তেমনি সেটার যে কনসিকুয়েন্স যে শাস্তি যে ফলাফল সেটা থেকেও আমি তোমার কাছে সাহায্য চাই যেটা আমরা দেখি যে আদম আলাইহিস সালাম যখন ভুল করেছিলেন তখন আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছে তিনি যে কথা বলেছিলেন সেটা হচ্ছে রব্বানা সলামনা আনফুসানাল্লাতালানা হামলানাুনা হামলানা মিনাল খাস।

এখানে আমরা দেখি যে এই যে দোয়াটা তিনি করেছিলেন যে রব রব্বানা যে রব বলে তাকে ঘোষণা করেছেন যে আমি আমরা নিজেদের উপরে অন্যায় করেছি এবং তুমি যদি আমাদেরকে ক্ষমা না করো তুমি যদি আমাদের উপর রহম না করো তাহলে আমরা হচ্ছি যারা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে বা যারা হচ্ছে ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব। তো আমরা আমাদের কাজের দায়িত্ব নিজেরা স্বীকার করে নিচ্ছি। কিন্তু তার সাথে সাথে আল্লাহ সুবহানা তায়ালার কাছে এর যে কনসিকুয়েন্স ফলাফল সেটা থেকেও রক্ষা পেতে যাচ্ছি।

এখান থেকে আমরা আমাদের যে গুনাহ বা অন্যায় বা ভুল ত্রুটিগুলো হয়ে যাচ্ছে সেগুলোকে আমরা রিকগনাইজ করছি এবং এর মাধ্যমে যেটা হচ্ছে সেটা হচ্ছে যে আমি নিজে একাউন্টেবল হচ্ছি নিজের কাজের ব্যাপারে। আমরা কাউকে ব্লেম করছি না যে না শয়তানের কারণে এটা হয়ে গেছে। আমার বন্ধু-বান্ধব এটা করতে বলেছে। আমার সন্তানের জন্য আমি এটা করেছি। কারো উপরে কোন দোষারোপ না দিয়ে আমার নিজের কাজের দায়িত্ব আমি নিজে নিয়ে নিচ্ছি।

সো আমি যখন প্রত্যেকটা কাজের ব্যাপারে এভাবে একাউন্টেবল হব তখন দেখা যাবে যে এই ভুল করার মাত্রা কমে যাবে। ভুল থেকে আমি নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারব এবং অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দিয়ে বেঁচে বাঁচার চেষ্টা করবো না। কারণ আমরা জানি আমাদের নিজেদের কাজের ফলাফল আমাদের নিজেদেরকেই বহন করতে হবে।

তারপরে যে কথাটা আসছে এখানে সেটা হচ্ছে আবুলাকাবিনেমাতিক আলাইয়া আবুলাকাবিম আমি একনলেজ করছি তোমার যে নিয়ামতগুলো রয়েছে সুবহানাল্লাহ। এত সুন্দরভাবে এই কথাগুলো বলা হয়েছে যে আমি এটাও স্বীকৃতি দিয়েছি যে তুমি আমাদেরকে যেসব নেয়ামত দান করেছ সে নেয়ামতগুলোর ব্যাপারে এবং সাথে সাথে আবারও বলছি যে ওয়াবুলাকা বিজামবি আমি যে ভুলগুলো করেছি গুনাহগুলো করেছি সেগুলোর ব্যাপারেও আমি একনলেজ করছি যে আমি জানি আমি এগুলো করে ফেলেছি।

যখন আমি আল্লাহর ব্লেসিংস গুলো সম্পর্কে আসলে সচেতন হব আল্লাহর নেয়ামতগুলো নিয়ে সচেতন হব তখন আমরা আরো বেশি লজ্জিত হব যখন আল্লাহ সুবহানা তায়ালাকে আমি অমান্য করছি। কারণ আল্লাহ সুবহানা তাআলার এ নেয়ামত গুলোকে ব্যবহার করেই আমি আবার আল্লাহ সুবহানা তাআলার বিরুদ্ধাচরণ করছি। তার এগেন্স্টে কাজ করছি। তাকে ডিজভবে করছি। তার তার কথাগুলোকে অমান্য করছি যখন যেই মুহূর্তে আমি তার নিয়ামতগুলো উপভোগ করছি সেই সময়।

তো এটা আমাদের লজ্জার পরিমাণ বাড়িয়ে দিবে এবং এর মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে আমি আরো বিন্নিত হতে পারছি। সো আমি আল্লাহ সুবহানাতায়ালার ক্ষমাকে এপ্রিশিয়েট করতে পারবো না যতক্ষণ পর্যন্ত না আমি এপ্রিশিয়েট করতে পারবো তার নিয়ামতগুলোকে।

সো এর মাধ্যমে আমরা দেখি যে আল্লাহ আমাদের মাঝে একটা শাইনেস লজ্জার ভাব আমাদের যে মডিস্টি সেই ব্যাপারটাকে সচেতন করে করিয়ে দিচ্ছেন এবং সাথে সাথে আল্লাহ সুবহানাতায়ালাকে অমান্য করার মত সেমলেস কাজ থেকে নিজেদেরকে দূরে সরিয়ে রাখার ব্যাপারে আমরা নিজেদেরকে সচেতন করছি।

ইবনুল কাইয়ুম রহমাতুল্লাহ আলাইহি এই অংশটার ব্যাপারে বলেছেন যে এই যে এখানে বলা হচ্ছে আবু লাকাবিয়াতিক আলাইয়া যে আমার উপরে যে নেয়ামতগুলো এসেছে সেগুলো একনলেজ করছি এবং আমি আমার গুনাহগুলোকে এডমিট করছি। এটা কম্বাইন করে হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার যে অসীম নেয়ামত আমাদের উপরে রয়েছে এবং সাথে সাথে এটার মাধ্যমে আমরা সচেতন হচ্ছি যে আমাদের মানুষ হিসেবে আমাদের মধ্যে যে ডিফেক্ট রয়েছে এবং আমরা যে ভুল ত্রুটিগুলো করে ফেলি সেই জিনিসগুলো আমরা এখানে স্বীকার করে নিচ্ছি।

সো আমরা যখন আল্লাহর নেয়ামতগুলোর কথা চিন্তা করব সেগুলো বুঝার চেষ্টা করব এবং সে নেয়ামতগুলো কার কাছ থেকে এসেছে সেটা নিয়ে চিন্তা করব তখন দেখা যাবে যে যে এই নেয়ামতগুলো প্রতিনিয়ত আমাদেরকে দিচ্ছেন তাকে আমরা আরো বেশি ভালোবাসতে পারব তার আরো বেশি করে প্রশংসা করব তার প্রতি আমরা আরো বেশি করে কৃতজ্ঞ হব আর যখন আমরা আমাদের এই নিজস্ব গুনাহগুলো সম্পর্কে সচেতন হব সেটা আমাদেরকে আরো বেশি হাম্বল করবে বিনয়ী করবে এবং আল্লাহ সুবহানা তাআলার দিকে তওবা করে ফিরে আসার মত অনুভূতি আমাদের মাঝে আরো বেশি বেশি করে সৃষ্টি করবে।

সো যে হচ্ছে এই এটা রিকগনাইজ করতে পারছে আল্লাহ সুবহানা তাআলার রাস্তায় চলার ক্ষেত্রে সে হচ্ছে দুইটা জিনিসের উপরে এখানে দেখা যাচ্ছে যে বেশি করে সে মনোযোগ দিতে পারছে একটা হচ্ছে যে নিজের ফল্ট নিজের যে গুনাহ সেই গুনাহগুলোর ব্যাপারে সে সচেতন হতে পারছে এবং অন্যদিকে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা নেয়ামতের ব্যাপারে সে নেয়ামতগুলোকে আরো বেশি করে রিকগনাইজ করতে পারবে পারছে।

সো একজন মুমিনের জার্নিটাই হচ্ছে এরকম যে সে একদিকে আল্লাহ নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা আদায় করবে আরেকদিকে হচ্ছে নিজের ভুলগুলো সম্পর্কে সচেতন হবে এবং যখন সে এভাবেই পথ চলতে থাকবে তখন তার অবস্থাটা হবে সে পাখির মত যে যতক্ষণ পর্যন্ত তার এই দুইটা পাখা রয়েছে যে একদিকে নিজের ভুল সম্পর্কে সচেতন হওয়া আরেকদিকে হচ্ছে আল্লাহর নেয়ামতগুলো সম্পর্কে সচেতন হওয়া। এই দুইটা হচ্ছে একটা পাখির দুইটা পাখার মতো। যখন সে এই দুইটা জিনিসের মধ্যে ব্যালেন্স করবে তখন তার চলাটা অনেক সুন্দর হবে। সে সুন্দরভাবে উঠতে পারবে। যখনই একটা পাখা তার এখান থেকে নষ্ট হয়ে যাবে বা এ ব্যাপারে তার ত্রুটি হবে তখনই দেখা যাবে যে তার সে উড়ার শক্তি বা সে ব্যালেন্স করার শক্তিটা তার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

তো সুবহানাল্লাহ যে এত সুন্দরভাবে ইবনুল কাইয়ুম রহমাতুল্লাহ আলাইহি এই জিনিসটাকে উপস্থাপন করেছেন যে আল্লাহর পথে আল্লাহর দ্বীনের পথে একজন মুমিন হিসেবে টিকে থাকতে হলে এই দুইটা জিনিস সবসময় আমাদেরকে পাশাপাশি রাখতে হবে দুইটা জিনিসের মধ্যে আমাদেরকে ব্যালেন্স করতে হবে। এতক্ষণ পর্যন্ত আমরা যা বললাম সেগুলো হচ্ছে আমাদের এরপরের যে কথা সেই কথার জন্য নিজেদেরকে প্রস্তুত করা একটা ক্ষেত্র তৈরি করলাম আল্লাহ সুবহানা তায়ালার সাথে এবং তারপরে আমরা কি বলছি নাহুলাফ ইল্লা আমাদেরকে ক্ষমা করুন। কারণ তুমি ছাড়া আর কেউই আমাদেরকে ক্ষমা করতে পারে না।