📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Surah Ya Sin || Part 64: Ayah 61|| Follow ONLY the Path of Allah||

Straight Path18:19

Transcription

সূরা ইয়াসিনা 61 নাম্বার আয়াত। আউজুবিল্লাহ মিনাশ শাইতানির রাজিম। "তোমরা আমার ইবাদত করো এটাই সরল পথ।"

সাত নাম্বার আয়াতে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলে দিয়েছেন যে শয়তানের ইবাদত যেন আমরা না করি। কারণ শয়তান হচ্ছে আমাদের প্রকাশ্য শত্রু। এবং এই আয়াতে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন আমাদের কি করা উচিত। আমাদের উচিত আল্লাহর ইবাদত করা। কারণ এটাই হচ্ছে সিরাতুম মুস্তাকিম।

এখানে আমরা দেখি তিন নাম্বার জিনিসটা যেটা বলা হয়েছে যে আগের যে নেগেটিভ ওয়ার্নিং গুলো ছিল সেগুলোর এগেন্স্টে আমরা দেখি এখানে পজিটিভ বইয়েতে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন যে, "হা, সিরাতুল মুস্তাকিম।" এটাই হচ্ছে সিরাতুল মুস্তাকিম এবং আল্লাহ সুবহানাতায়ালার রহমতের মধ্যে রয়েছে। এটাই হচ্ছে সেই রশি। যে রশিটা হচ্ছে আমাদেরকে আল্লাহ সুবহানা তাআলার সাথে আমাদেরকে কানেক্টেড করবে। এবং আমাদের জন্য এটাই হচ্ছে একটা বর্ম যেটা হচ্ছে শয়তানের ক্ষতিকর পথ থেকে আমাদেরকে দূরে সরিয়ে রাখবে।

সো এই সরল পথ পাওয়ার জন্য আমাদেরকে কি করতে হবে? শয়তানের ইবাদত থেকে নিজেদেরকে মুক্ত করে আল্লাহর ইবাদতের দিকে নিজেদেরকে ধৃঢ় করতে হবে। তো এখানে আমরা দেখি যে "আরবুদু" শব্দটি এবার এসেছে। সো "আরবুদু" শব্দের অর্থ হচ্ছে ইবাদত করা। করা। এই জিনিসটা আমরা আগেই জেনেছি। কিন্তু আল্লাহর ইবাদত বলতে আসলে কি বুঝানো হয়? আল্লাহর ইবাদতের যে অর্থ সেটা হচ্ছে টোটাল অবিডিয়েন্স। যে পরিপূর্ণভাবে আল্লাহর অনুগত হওয়া। আল্লাহর কাছে নিজেকে সপে দেওয়া এবং সেই অনুযায়ী নিজেকে ডিভোটেড করা। সেইভাবে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার পথে কাজ করা। এটাই হচ্ছে ইবাদত।

এটা হচ্ছে কম্বিনেশন হচ্ছে একটা সিনসিয়ার বিলিফ। অর্থাৎ আপনার ইখলাস বা আল্লাহ সুবহানা তায়ালার সন্তুষ্টির জন্য সন্তুষ্টির বিষয়টা হচ্ছে মূল বিশ্বাসের মধ্যে রেখে কোরআন এবং সুন্নাহর যে শিক্ষা সেটার সাথে যুক্ত থেকে স্পিরিট অফ ইহসান অর্থাৎ এক্সিলেন্সের জন্য সবচেয়ে উত্তম হওয়ার জন্য চেষ্টা করা। এমনভাবে আল্লাহকে আমাদের ইবাদত করতে হবে যেন আমরা তাকে দেখি। যদি আমরা তাকে দেখি এই ফিলিংসটা না আনতে পারি তাহলে তিনি আমাদেরকে দেখছেন।

সো এই যে ইবাদত সেই ইবাদতটা হচ্ছে কমপ্লিট সাবমিশনেরর মাধ্যমে আসে এবং এটার জন্য আমাদের আউটার এবং ইনার বোথ অকশনস দরকার হয়। তাহলে এখানে আমরা দেখছি যে এই টোটাল অবিডিয়েন্স সাবমিশন এবং ডিভোশন আসতে হবে ইন অল অ্যাসপেক্টস অফ লাইফ। আমাদের জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে। সো এটা হতে পারে রিচুয়ালস যে আমরা বাহ্যিক যে ইবাদত করি সেটার ক্ষেত্রে। এটা হতে পারে হচ্ছে আমাদের বাহ্যিক ইবাদত বলতে যে জিনিসগুলা বুঝায় যে নামাজ রোজা হজ্ব যাকাত। তার বাইরেও এই জিনিসগুলার প্রতিফলন ঘটতে হবে আমাদের দুনিয়াবী প্রতিটা কাজের মধ্যে।

তাহলে এই ইবাদত বলতে আমরা কি বুঝি সেটা আসলে আমাদেরকে ভালো করে বুঝতে হবে। কারণ আমরা যখনই ইবাদতের কথা বলি আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠে নামাজ পড়তে হবে রোজা রাখতে হবে। এই জিনিসগুলো কিন্তু ইবাদত হচ্ছে আমাদের প্রতিটি কাজের মধ্যে। এনি পারমিসিবল অকশন আমাদের জন্যঅক্ট অফ ইবাদা হয়ে যাবে যদি এর মধ্যে কিছু জিনিস থাকে।

নাম্বার ওয়ান ইনটেনশন নিয়ত। নিয়তের মধ্যে সিনসিয়ারিটি থাকতে হবে। শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য। একই কাজ আমি করলাম। সেখানে একটা হচ্ছে আল্লাহ সন্তুষ্টির জন্য। আরেকজন করলে হচ্ছে মানুষকে দেখানোর জন্য। সেইম নামাজ দুই রাকাত নামাজ আমরা পড়লাম। যে আল্লাহ সন্তুষ্টির জন্য মন কথা মনে রেখে নামাজটা পড়লো তারটাই ইবাদত হলো। আর যে মনে করল যে না পড়লে মানুষ কি বলবে অথবা না পড়লে আমার বাবা মা রাগ করবে সেজন্য পড়লাম তার এটা সে ইবাদতের ক্যাটাগরি থেকে বের হয়ে গেল।

সোশোইং অফ অথবা অন্যদের কাছ থেকে ভ্যালিডেশনে আশা করে কোন কাজ করলে সেটা ইবাদতের যে স্পিরিট সেটাকে নষ্ট করে দেয়। সো নাম্বার ওয়ান হচ্ছে ইনটেনশন সিনসিয়ারিটি।

নাম্বার টু হচ্ছে ফলোইং সুন্নাহ। সো আমরা যেই কাজই করি না কেন সেটা যদি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের শিক্ষা অনুযায়ী হয়। কারণ রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লামের জীবন হচ্ছে কোরআনের সম্পূর্ণ প্রতিফলন। তো তার শিক্ষা অনুযায়ী তার কাজ অনুযায়ী যদি হয় তাহলে সেটা ইবাদতের মধ্যে গণ্য হবে।

থার্ড যেটা সেটা হচ্ছে যে তৌহীদের যে শিক্ষা সেই বিশ্বাসটা আমাদের মধ্যে থাকতে হবে। যে আমরা যার ইবাদত করছি তিনিই হচ্ছেন আমার সোল ক্রিয়েটর ওনার সাস্টেইনার। তিনি হচ্ছেন একমাত্র মাবুদ। তিনি ছাড়া আর কারো জন্য আমি করছি না।

আরেকটা জিনিস হচ্ছে তাকওয়া যে প্রতি মুহূর্তে পাবলিকলি এবং প্রাইভেটলি প্রতিটা কাজে আমি আল্লাহর কথা স্মরণ রাখছি। এই কয়েকটা বৈশিষ্ট্য যদি আমাদের মধ্যে থাকে তাহলে যেকোনো পারমিসিবল অ্যাকশনেই ইবাদত হয়ে যাবে।

আমরা প্র্যাকটিক্যাল এক্সাম্পল যদি দিতে চাই যে ইবাদত কি শুধুমাত্র মসজিদে অথবা আমাদের জায়নামাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ তা কিন্তু না। বরং আমাদের জীবনের প্রতিটা কাজই ইবাদতের মধ্যে গণ্য হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় যে আমরা যীবিকা অর্জনের জন্য কাজ করি সেটাও আমাদের জন্য ইবাদত হবে যদি আমরা হালাল কাজ করি অনেস্ট ওয়েতে কাজগুলো করি তাহলে সেটাও হচ্ছে ইবাদত হবে। আমরা যে শিক্ষা গ্রহণ করছি জ্ঞান অর্জনের জন্য চেষ্টা করছি সেটাও আমাদের ইবাদত হবে যদি আমরা সেটা আল্লাহ সন্তুষ্টির জন্য করে থাকি এবং তার মাধ্যমে সোসাইটির যে বেনিফিট সেটার কথা আমরা চিন্তা করে থাকি। আমাদের ফ্যামিলি লাইফ বাচ্চাদের দেখাশোনা করা বাবা-মার দেখাশোনা করা আমাদের আত্মীয়স্বজনের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখা প্রত্যেকটা ইবাদত হবে যদি আমরা কোরআন এবং সুন্নাহ অনুযায়ী করি। সোশ্যাল ইন্টারেকশন সেটাও হচ্ছে আমাদের জন্য ইবাদত হতে পারে। এক অন্যদের দিকে তাকিয়ে হাসা অবশ্যই হচ্ছে মাহরাম গায়ের মাহরাম চিন্তা সত্য কথা বলা রাস্তা থেকে হার্মফুল জিনিস সরিয়ে দেওয়া মানুষকে সাহায্য করা প্রত্যেকটা জিনিস হচ্ছে আমাদের ইবাদত হয়ে যাবে যদি আমাদের ইনটেনশন ঠিক থাকে। আমাদের পার্সোনাল হ্যাবিট আমরা খাচ্ছি পানি পান করছি চা পান করছি ঘুমাচ্ছি প্রত্যেকটা জিনিসই হচ্ছে ইবাদত হতে পারে যদি আমরা তার মাধ্যমে আল্লাহর সাথে আমাদের সম্পর্ককে মজবুত করার কথা চিন্তা করি। আমাদের এথিক্যাল কন্ডাক্ট আমরা যদি আমাদের বিজনেস ট্রানজেকশনের সদ হই আমরা যদি চিটিং এভয়েড করি, আমরা যদি হারাম জিনিসগুলোকে এভয়েড করি, প্রত্যেকটা জিনিসই হচ্ছে আমাদের জন্য ইবাদত হয়ে যাবে।

তাহলে ইবাদতের কয়েকটা টাইপ রয়েছে। সে ইবাদতের একটা হচ্ছে বাদানি বলা হচ্ছে যেটা হচ্ছে ফিজিক্যাল। যেমন নামাজ ফাইভ ডেইলি প্রেয়ারস। রোজা আমরা না রমজানের রোজা অথবা সুন্নত নফল রোজা রাখছি। কোরআন পড়া এগুলো হচ্ছে ফিজিক্যাল বা বাদানি ইবাদত।

আরেকটা হচ্ছে মালি। অর্থাৎ আমাদের অর্থ ফিনান্সিয়াল যে জিনিসগুলো। আমরা যে যাকাত দিচ্ছি সাদাকা দিচ্ছি সেগুলো এক ধরনের ইবাদত।

আরেকটা হচ্ছে কম্বাইনড আমাদের ফিজিক্যাল এবং ফাইনান্সিয়াল দুইটা জিনিসকে একসাথে করে যেমন হচ্ছে আমরা হজ করছি আল্লাহর পথে কাজ করছি সেগুলো হচ্ছে আমাদের ইবাদত।

সো প্রত্যেকটা ইবাদতের জন্য আমাদের প্র্যাকটিক্যাল পারপাস বা উদ্দেশ্য থাকতে হবে। একটা হচ্ছে তাকওয়া অর্জন করা। আমাদের প্রত্যেকটা কাজের মধ্যে আমরা যদি আল্লাহর কথা স্মরণ করি সেটা হচ্ছে আমাদের ইবাদতের পারপাস ফুলফিল করবে।

আরেকটা হচ্ছে আমাদের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করা। আমাদের মধ্যে বিনয়, কৃতজ্ঞতা বোধ, মাইন্ডফুলনেস এগুলো যখন আমরা নিয়ে আসবো তখন আমাদের ইবাদতে পরিপূর্ণতা আসবে। এবং ডিসিপ্লিন ডেভেলপ করা। অর্থাৎ এর মাধ্যমে আমরা আমাদের জীবনের মধ্যে প্যাশেন্স অর্থাৎ সবরের প্র্যাকটিস করব। পারসিভারেন্স অর্থাৎ কোন কাজে লেগে থাকার জন্য চেষ্টা করব। আমাদের ক্যারেক্টার বা চরিত্রের উন্নয়ন করব। এই পারপাসগুলো আমাদের ইবাদতের মধ্যে থাকতে হবে।

সো এই কাজগুলো করার জন্য আমাদেরকে যেই জিনিসগুলোর প্রতি খেয়াল করতে হবে যে আমাদের ইবাদতকে আমরা এক্সিলেন্স অর্থাৎ ইহসানের পর্যায়ে নিতে হলে আমাদের খুশু বাড়াতে হবে অর্থাৎ ডিপ কনসেন্ট্রেশন এর সাথে আমাদের অন্তরকে আল্লাহমুখী করে কাজ করতে হবে। বেশি বেশি করে অবশ্যই আমরা কম্পালসারি যেগুললা ফরজ সেগুললা যেগুললা করব তার সাথে সাথে সুন্নত নফলের মাধ্যমে আল্লাহ এবং রাসূলের সাথে আমাদের সম্পর্ককে বৃদ্ধি করতে হবে। জিকির আমাদের অন্তরকে আমাদের জীব বা ময়েস্ট রাখতে হবে আল্লাহ স্মরণ দিয়ে। কোরআন কোরআনের সাথে আমাদেরকে আষ্টে পৃষ্ঠে লেগে থাকতে হবে কোরআন পড়বো বুঝবো রিফ্লেক্ট করবো আমাদের জীবনের মাঝে সেটার উপস্থিতি যেন আমরা দেখতে পাই। এবং দোয়া প্রতি মুহূর্তে আল্লাহর কাছে আমাদেরকে দোয়া করতে হবে যেন আমাদের প্রতিটা কাজ এই ইবাদতের শামিল হতে পারে।

এভাবেই হচ্ছে আমরা ইবাদতের ব্যাপারে মনোযোগী হব ইবাদতের ক্যাটাগরিতে পড়ছি কিনা সেটার প্রতি খেয়াল করব এবং আমাদের হচ্ছে কনসিস্টেন্সি মেনটেইন করার জন্য চেষ্টা করতে হবে। এবং কনসিস্টেন্সি মেনটেইন করার জন্য আমরা কিছু ওয়ে ফলো করতে পারি।

নাম্বার ওয়ান হচ্ছে স্টার্ট স্মল। সো আমরা কোন কাজ অনেক বেশি করে ওভারহেলমিং যাতে না হয়ে যায়। আমরা অল্প অল্প করে কাজ শুরু করতে পারি কিন্তু রেগুলারলি করব। এটা হচ্ছে সুন্নাহ ওয়ে।

সেকেন্ড যে জিনিসটা সেটা হচ্ছে যে স্ট্যাক করা। যে আমি যা করেছিলাম তার সাথে হচ্ছে আমার এক্সিস্টিং যে হ্যাবিট আছে সেটার সাথে হচ্ছে আরেকটা কাজ অড করলাম সেটাকে সমৃদ্ধ করার জন্য। যেমন আমি হয়তোবা হাঁটতে বের হই প্রতিদিন এটা আমার ফিজিক্যাল ফিটনেসের জন্য দরকার। আমি এই হাঁটতে বের হওয়ার সময় আমি চিন্তা করলাম যে আমি হাঁটার সাথে সাথে জিকিরটা করবো সাথে সাথে। তাহলে দেখা যাবে আমি হাঁটলাম এবং জিকির করলাম। সো আমার হ্যাবিটের মধ্যে আমি এক্সট্রা জিনিস এড করলাম।

এই ইবাদতের মানকে বাড়ানোর জন্য এবং থার্ড যে জিনিসটা দরকার এই কনসিস্টেন্সি মেনটেইন করার জন্য রাইটিয়াস কোম্পানি। সো ভালো বন্ধু ভালো সঙ্গী ভালো একটা গ্রুপ হচ্ছে আমাদের ঈমানকে জাগ্রুক রাখার জন্য ঈমানকে চালু রাখার জন্য ইবাদতের মাঝে নিজেকে লিপ্ত রাখার জন্য হচ্ছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আমরা যখন ইবাদতের এই কনসেপ্টটা বুঝে ফেলি তখন আল্লাহর এ নির্দেশটা বুঝা আমাদের জন্য অনেক সহজ হয়ে যায় যে আবু তোমরা আমার ইবাদত করো। আবুদনি। সো তোমরা আমার ইবাদত করো যে তোমরা আমার ব্যাপারে যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন সেটা আমাদের জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে এপ্লাই করতে হবে।

সূরা বাকারা এই এক্সাম্পলটা আমরা দেখতে পারি যে আল্লাহ বলছেন হে ঈমানদারগণ তোমরা পবিত্র বস্তু সামগ্রী আহার করো যেগুলো আমি তোমাদেরকে রুজি হিসেবে দান করেছি এবং শুকরিয়া আদায় করো আল্লাহর যদি তোমরা তারই বন্দেগী করো। এই যে আল্লাহ বলছেন যে ইন কুনতুম ইয়াহুতাবুদ যদি তোমরা তার ইবাদত বন্দেগী করো তাহলে কি কাজ করতে হবে আমরা খাবো সে জিনিসটাও আমাদের ইবাদত হচ্ছে যদি সেটা হালাল হয় হালাল ওয়েতে উপার্জন করা হয় এবং সেটার জন্য আমরা গ্রেটফুল হই কৃতজ্ঞ হই। তাহলে একদিকে আমরা দেখছি যে কোরআন সুন্নাহ অনুযায়ী যে কাজটা করা হবে এবং তার মধ্যে আমার মধ্যে কৃতজ্ঞতার চর্চা বাড়বে সেটাই আমার জন্য ইবাদত হয়ে যাচ্ছে।

স আল্লাহ সুবহানা তাআলা চান যে আমরা তারপরে তার প্রতি আরো বেশি ডেডিকেটেড হই। তার প্রতি আমরা আরো বেশি ডিভোটেড হই। আমাদের জীবনের জীবনটা কমপ্লিটলি হচ্ছে তার সন্তুষ্টির জন্য হোক। যখনই এটা আমরা চিন্তা করব তার প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা বাড়বে। কৃতজ্ঞতা আমাদের ঈমানকে বাড়বে। ঈমান বাড়ার কারণে আমরা আরো বেশি ইবাদতে মশগুল হব। এটা হচ্ছে একটা সাইকেলের মত। যে একটা আরেকটার উপরে ইনফ্লুয়েন্স করতে থাকে। একটাকে বেড়ে গেলে অন্যগুলা বাড়বে। একটা কমে গেলে অন্যগুলার মধ্যেও সেটার প্রভাব ফেলবে।

সো আল্লাহ সুবহানা তাআালার প্রতি কৃতজ্ঞতা যা কিছু তিনি আমাদেরকে দিয়েছেন কোনটাই আমি এন্টাইটেল না কোনটাই আমি বলতে পারি না যে আমি নিজে থেকে পেয়েছি। প্রত্যেকটা জিনিস তার কাছ থেকে আসা প্রতি ব্যাপারে কৃতজ্ঞ হয়ে এই গাইডলাইনের জন্য আমরা আল্লাহর কাছে আরো বেশি করে কৃতজ্ঞ হব।

আল্লাহ বলছেন যে হাজা সিরাতু মুস্তাকিম। এটাই হচ্ছে স্ট্রেট পাথ। সিরাতু মুস্তাকিম নিয়ে আমরা আগেও আলোচনা করেছি। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা পয়েন্ট করছেন হাজা বলে এখানে পয়েন্ট করছেন যেটা খুব কাছে। হাজা শব্দটা যখন বলা হয় এটার অর্থ হচ্ছে কোন কাছের জিনিসকে বুঝানো হয়। জালিকা যখন বলা হয় তখন সেটা হচ্ছে ফার বুঝানো হয়ে থাকে। তো এখানে আল্লাহ বলছেন হাজা সিরাতু মুস্তাকিম যে এটা তোমার অনেক কাছে আছে। এটা তোমার খুব নিকটবর্তী। এটা এটেনেবল। এটা এমন না যে তোমার জন্য অসাধ্য কিছু। জাস্ট তোমার মানে রিচের মধ্যে রয়েছে তোমার গ্রাবের মধ্যে রয়েছে। তুমি ইচ্ছা করলেই সেটাকে পেতে পারো।

এইটা হচ্ছে সো ন্যাচারাল। আমাদের ফিতরা আমাদেরকে সেই পথে নিয়ে যাচ্ছে। এটা আমাদের জন্য সহজ। সো আমরা এই সহজ পথটাকে ফেলেই আমাদের মধ্যে হচ্ছে ক্রিটিক্যাল জিনিসগুলো চলে আসে। শয়তানের ওয়াসওয়াসায় তখনই আমরা আল্লাহর ইবাদত থেকে সরে যাচ্ছি। এর কারণে রাফ এবং হার্ট কনসিকুয়েন্স গুলো আমাদেরকে দেখতে হয়। আমরা নিজেরাই আমাদের রিলিজিয়নকে ডিফিকাল্ট করে ফেলি। অথচ আল্লাহ বলছেন এটা সহজ। এটা স্ট্রেট। এটা আমাদেরকে আমাদের জন্য এটেন্ড করা সহজ যদি আমরা শুধুমাত্র আল্লাহর নির্দেশগুলো মেনে চলি।

স আমাদের মনকে অন্তরকে আসলে এই জিনিসগুলোর অনুসরণ করাতে হবে। সো আমরা যত বেশি এগুলার অনুশীলন করব, এক্সারসাইজ করব, তত বেশি আমরা এই সিরাতুল মুস্তাকিম এর পথে নিজেকে টিকিয়ে রাখতে পারব। এবং এই সিরাতুল মুস্তাকিমের পথে টিকে থাকতে হলে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে তিনটা জিনিস দিয়েছেন। যেটা আমরা একদম সূরা প্রথম দিকে জেনেছি। আমাদের চারপাশে তার নিদর্শনগুলো ছড়িয়ে দিয়েছেন যেন আমরা আল্লাহর কথা এক সেকেন্ডের জন্য ভুলে না যাই। আমি নিজের দিকে তাকালেই আল্লাহর কথা যেন আমার স্মরণ হয়। আল্লাহ আমাদের সামনে পূর্ববর্তী জাতিগুলোর কথা বলে দিয়েছেন যাতে আমরা সফলতা এবং বিফলতার পার্থক্য বুঝতে পারি। কিভাবে আমরা সাকসেসফুল হব সেটা আমরা চিন্তা করতে পারি। আল্লাহ আমাদের জন্য রিভিলেশন দিয়ে দিয়েছেন। কোরআনকে দিয়ে দিয়েছেন যে পুরো গাইডলাইন তোমার এখানে রয়েছে। তুমি শুধু এটা ফলো করো। তাহলেই তোমরা হচ্ছে সিরাতুল মুস্তাকিমের পথে থাকতে পারবে।

সো এই সিরাতুল মুস্তাকিম টাই হচ্ছে আমাদের জন্য একটা লাইফ লং। কন্টিনিউয়াস জার্নি অফ ফেইথ। যেখানে আমরা হচ্ছে আল্লাহর আনুগত্য করব। আমাদের স্পিরিচুয়াল ডিভোশন থাকবে। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের শিক্ষা অনুযায়ী আমরা চলবো। এটা একটা ব্যালেন্স ক্রিয়েট করে আমাদের মধ্যে ইনার স্পিরিচুয়ালিটি এবং এক্সটার্নাল ইসলামিক ল এর সাথে আমাদের এডারেন্স বাড়ানোর মাধ্যমে। আমরা যত বেশি আল্লাহর নির্দেশগুলোর সাথে সংযুক্ত থাকবো। আমাদের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করব, তত বেশি এই সিরাতুল মুস্তাকিমের পথে আমরা টিকে থাকতে পারব।

তো এটার জন্য আমরা কি করতে পারি? এই সিরাতুল মুস্তাকিমকে এচিভ করার জন্য এবং মেনটেইন করার জন্য ফাস্ট যে জিনিসটা সেটা হচ্ছে আমাদেরকে ঈমান এবং জ্ঞানের সাথে তৃঢ়ভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে।

নাম্বার ওয়ান আমাদেরকে আল্লাহর উপরে সঠিক বিশ্বাস রাখতে হবে। আল্লাহর সম্পর্কে আমাদেরকে জানতে হবে। রুবুবিয়া, উলুহিয়া, আসমাউল হুসনা এই জিনিসগুলার ব্যাপারে সুস্পষ্ট ধারণা আমাদের থাকতে হবে এবং সে অনুযায়ী আল্লাহকে আমাদের মেনে নিতে হবে।

সেকেন্ড যে জিনিসটা আমাদেরকে অবশ্যই অবশ্যই জ্ঞান অর্জন করতে হবে। জানতে হবে ফান্ডামেন্টালস কি রয়েছে? ইসলামের মূলনীতি কি? কিভাবে আমরা সেগুলোকে অনুসরণ করতে পারি? জ্ঞানের পথ থেকে দূরে সরে যাওয়ার কোন উপায় নাই। বরং যারা জ্ঞানের পথে থাকে তাদের জন্য বলা হয়েছে যে তারা যেন জান্নাতের পথে চলছে তাদের জন্য দুনিয়া এবং বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে যা কিছু রয়েছে একদম সাগরের অতলে যে সৃষ্টি রয়েছে তারা পর্যন্ত তার জন্য দোয়া করতে থাকে ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করতে থাকে জ্ঞানের পথে অটল থাকা।

থার্ড যে জিনিসটা আমাদের ঈমান এবং জ্ঞানকে বৃদ্ধি করার জন্য কোরআন কোরআনকে পড়তে হবে কোরআনকে বুঝতে হবে কোরআনকে আমাদের লাইফে ইমপ্লিমেন্ট করতে হবে।

সেকেন্ড ওয়ে হচ্ছে এই ঈমান এবং জ্ঞানকে বৃদ্ধি করার সাথে সাথে সেকেন্ড যে জিনিসটা সেটা হচ্ছে রাইটিয়া সেকশন অথবা সৎ কাজ আমলে সালেহকে নিজেদের জীবনে এস্টাবলিশ করা। সেটার জন্য নামাজের ব্যাপারে আমাদের সিনসিয়ার হতে হবে সুন্নাহকে আমাদের জানতে হবে আমাদের আচরণ আমাদের এটিকেট আমাদের ব্যবহারের মধ্যে পরিবর্তন আনতে হবে হারাম জিনিস থেকে নিজেদেরকে দূরে সরিয়ে রাখতে হবে।

থার্ড যে জিনিসটা এই সিরাতুল মুস্তাকিমের পথে চলার জন্য সেটা হচ্ছে স্পিরিচুয়াল ডেভেলপমেন্ট। সেটার জন্য কনস্ট্যান্টলি আমাদেরকে তওবা করতে হবে। আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। প্রতি মুহূর্তে আমরা ভুল করছি সেই ভুল সংশোধনের জন্য চেষ্টা করতে হবে।

সেকেন্ড হচ্ছে সেটার জন্য আমাদেরকে দোয়া করতে হবে। নামাজে প্রতিদিন প্রতি রাকাতে আমরা বলছি ইহিদিনা সিরাতাল মুস্তাকিম। কিছুই বুঝলাম না। সারাজীবন এই দোয়া করে গেলাম। প্রতিদিন কমপক্ষে 17 বার আমরা এই দোয়া করি আল্লাহর কাছে। অথচ সিরাতুল মুস্তাকিম কি সেটা নিয়ে আমি চিন্তাও করলাম না। সেটা যেন না হয়। আমরা প্রতি মুহূর্তে সেটা পাওয়ার জন্য অন্তর থেকে দোয়া করব।

থার্ড যে জিনিসটা স্পিরিচুয়াল ডেভেলপমেন্টে সেটা হচ্ছে যে একটা ডিপ এবং সিনসিয়ার কানেকশন আল্লাহর সাথে তৈরি করতে হবে সিনসিয়ারিটির সাথে জিকিরের মাধ্যমে। সো আমরা দেখছি যে প্রতিটা কাজের মধ্যেই জিকির আসছে। আল্লাহর স্মরণ আসছে যে জিনিসগুলো আমাদেরকে আরো বেশি উন্নত করতে হবে।

চার নাম্বার কাজ এই সিরাতুল মুস্তাকিমের পথে চলার জন্য সেটা হবে যে যারা হচ্ছে এই পথে চলে তাদের বৈশিষ্ট্য কি সেটা জানা এবং সে অনুযায়ী ফলো করা। সেটার জন্য আমাদের নবী রাসূলদের জীবন রয়েছে সাহাবাদের জীবন রয়েছে অলি আম্বিয়াদের জীবন রয়েছে। এবং সেখানে আমরা দেখি যে তারা সবাই হচ্ছে এক্সট্রিমিজম এভয়েড করেছে। মডারেশন মধ্যমপন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে আমাদের দ্বীনের নির্দেশ। মধ্যমপন্থা অবলম্বন করতে হবে।

সেকেন্ড হচ্ছে মা স্টিটফাস্টনেস লেগে থাকতে হবে। যত ট্রায়াল আসুক, যত ধরনের টেম্পটেশন আসুক না কেন ঈমানের পথে আমাদেরকে লেগে থাকতে হবে।

হিউমিলিটি বিনয়ের সাথে আল্লাহর অবিডিয়েন্ট হতে হবে। সো এই কাজগুলো আমরা যত বেশি চেষ্টা করব এগুলো জাস্ট হচ্ছে কিছু ফুড নোটস কিছু গাইডলাইন। আমরা এর মাধ্যমে যত বেশি আল্লাহর পথে টিকে থাকার জন্য চেষ্টা করব তত বেশি সিরাতুল মুস্তাকিমে সেই ঊর্ধ্মুখী পথে আমাদের অবস্থান পরিবর্তন হবে। আমরা আরো উন্নত হতে পারব। আমরা আরো বেশি আল্লাহর পছন্দনীয় বান্দায় পরিণত হতে পারবো।