📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Surah Ya Sin || Part 45: Ayah 37|| Lesson in Day & Night!!

Straight Path12:44

Transcription

আউজুবিল্লাহ মিনাশ শাইতানির রাজিম।

সূরা ইয়াসিনের 37 নাম্বার আয়াত।

আল্লাহ সুবহানা তায়ালা মুসলিমদের জন্য এক নিদর্শন। রাত্রি, আমি তা থেকে দিনকে অপসারিত করি, তখনই তারা অন্ধকারে থেকে যায়। তাহলে এখানে আমরা দেখি যে 33 থেকে 36 নাম্বার আয়াত পর্যন্ত আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আয়াতুল্লাহুম বলে কিছু কথা শুরু করেছিলেন যে সেই নিদর্শন, কিছু নিদর্শনের কথা যে পাঁচটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিস আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন। সেখানে এখন 37 নাম্বার আয়াতে দেখি তিনি বলছেন ওয়া আয়াতু মানে আবারো তিনি কিছু নিদর্শন আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন।

33 থেকে 35, 36 নাম্বার আয়াত পর্যন্ত যে নিদর্শনগুলো আমরা দেখি সেগুলো হচ্ছে রিলেটেড টু প্লেস, কোন জায়গার সাথে রিলেটেড। মাটি থেকে আমরা কি কি জিনিস পাচ্ছি সেগুলোর সাথে রিলেট করে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে বলে দিচ্ছেন যে তার সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা করলে আমরা কখনোই তার যে শক্তি সেটা সম্পর্কে ভুল ধারণার মধ্যে চলবো না। এখানে 37 নাম্বার আয়াত থেকে আমরা দেখি আল্লাহ আরো কিছু নিদর্শনের কথা বলছেন এবং এই যে নিদর্শনগুলো এখন বলবেন সেগুলো হচ্ছে সময়ের সাথে রিলেটেড। দিন, রাত, চাঁদ, সূর্য। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সেই সময়ের সাথে রিলেট করে আমাদের সামনে কিছু নিদর্শন বলছেন। আয়াতুল্লাহুম আবারো তিনি এখানে বলছেন যে নিদর্শন তাদের জন্য প্রুফ, তাদের জন্য প্রমাণ। তাদের জন্য।

তো এখানে আমরা দেখি যে এই যে 33 থেকে 36 নাম্বার আয়াত পর্যন্ত যে বিশেষ পাঁচটা জিনিসের কথা বলা হয়েছে এগুলো আমরা কখনোই কিন্তু ইগনোর করতে পারি না। প্রতিনিয়ত এগুলো আমাদের চোখের সামনে আমরা দেখছি কিন্তু আমরা চিন্তা করছি না। আবার এখন যে নিদর্শনগুলো কথা বলা হচ্ছে সময়ের সাথে রিলেটেড সেগুলো আমরা দেখছি কিন্তু চিন্তা করছি না। তো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে এখানে চিন্তা করার আহ্বান করছেন যে রাত এবং দিনের কথা বলা হচ্ছে। রাতটা কি? রাতটা হচ্ছে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য। সো প্রশান্ত। এটা হচ্ছে অনেকটা হচ্ছে মৃত মাটির মত। আবার দিনটা কি? দিনটা হচ্ছে আমাদের কাজের সময়। যেমন মাটির বুকে যখন গ্রোথ হয় সেই সময় একটিভ অ্যাক্টিভিটি আমরা দেখতে পাই। দিনটা হচ্ছে সেরকম। সো আগের আয়াতের সাথে আমরা যদি মিলাই তাহলে দেখব যে এখানেও আল্লাহ দিন এবং রাতের কথা এখানে বলছেন। সেখানে আমরা দেখি যে মৃত মাটি থেকে যেমন গাছ জীবনের সঞ্চার হচ্ছে তেমনি আমাদের মৃত্যুর পরেও আমাদের জীবনের সঞ্চার হবে এবং সেটা হবে কিভাবে? মৃত মাটিতে জীবনের সঞ্চার হয়েছে বৃষ্টির মাধ্যমে। আর আমাদের যে জীবনের সঞ্চার হবে পুনরুজ্জীবন হবে সেটা হচ্ছে সিঙ্গায় ফুক দেওয়ার মাধ্যমে। সো আমরা যদি এই দুনিয়ার ঘটনার সাথে একটু রিলেট করি তাহলে আখিরাতকে বুঝা আমাদের জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।

সো আমরা আমাদের চোখের সামনে প্রতিনিয়তই দিন-রাতের পরিবর্তন দেখছি। এটা হচ্ছে অন্ধ ব্যক্তি ছাড়া আর কেউ এটাকে অস্বীকার করতে পারবে না। কিন্তু আমরা আসলে কতটুকু এই জিনিসগুলো দেখে বিস্মিত হই। একজন অন্ধ ব্যক্তির কথায় আমরা যদি চিন্তা করি যে সে কখনোই চোখে দেখে নাই এবং তাকে সার্জারি করা হলো বা কোনভাবে মিরাকুলাসলি সে তার চোখের শক্তি ফিরে পেল সে যখন দিনের আলো দেখবে সে যখন রাতের স্নিগ্ধতা দেখবে সে কি পরিমাণ অবাক হবে আপনারা চিন্তা করতে পারেন যে আমরা দেখি অনেক সময় যে অন্ধ থাকার পরে যখন চিকিৎসার পরে সে চোখে দেখতে পায় তখন সেই রং দেখা কালারগুলো চিনতে পারা প্রিয় মানুষকে দেখতে পা সেগুলো দেখার যে আনন্দ এই যে দিনের আনন্দ দেখবেন একজন অন্ধের কাছে দিন এবং রাতের পার্থক্যটা কোথায় কিন্তু সে যখন এই দিনের আলো দেখতে পাবে সে যেরকম আশ্চর্য হবে অবাক হবে আমরা প্রতিদিন দেখছি একই জিনিস আমাদের মনের মধ্যে সেটা এতটুকু পরিবর্তন আনে না। তো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে বলছেন যে চোখের সামনে আমাদের জন্য নিদর্শন রয়েছে সে নিদর্শনগুলো নিয়ে তোমরা চিন্তা করো।

এখানে যে নিদর্শনের কথা বলা হয়েছে সেটা হচ্ছে আললাইল নাসলাহু মিনহু নাহারা যে তাদের জন্য একটা নিদর্শন হচ্ছে রাত যে রাতটাকে দিন থেকে দূরে সরিয়ে আনা হয়। নাসলা শব্দটা সালাখা থেকে এসেছে। সালাখা শব্দের অর্থ হচ্ছে বিচ্ছিন্ন করা। এটা মূলত ব্যবহার করা হয় যে পশুর গায়ে থেকে যখন চামড়া বিচ্ছিন্ন করে নিয়ে আসা হয় চামড়া খুলে নিয়ে আসা হয় তখন সেটাকে হচ্ছে সালাখা বলা হয়ে থাকে। সো কোন জিনিস থেকে কোন জিনিসকে আলাদা করে নেওয়া বুঝানোর জন্য সালাখা বলা হয়ে থাকে। এবং এটা হচ্ছে এরকম যে একটা জিনিস থেকে আরেকটা জিনিসকে দূরে সরিয়ে আনা এবং শেষ পর্যন্ত এটাকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে নেওয়া সেটাই হচ্ছে সালাখা। তো এখানে বলা হচ্ছে যে দিনকে রাতকে হচ্ছে দিনের থেকে আলাদা আলাদা করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সো এখানে একটা প্রাণীর থেকে প্রাণীর গায়ের থেকে চামড়াকে যেমন খুলে নেওয়া হয় খুলে নেওয়ার পরে কি হয় আমরা দেখি যে ভিতরের যে ফ্ল্যাশটা সেটা কিন্তু দেখা যায়। সো আল্লাহ সেরকম একটা উদাহরণ আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন যে রিয়েল যে অবস্থাটা সেটা হচ্ছে রাতের অবস্থান অন্ধকারটা। সেখানে দিনের আলো এসে সে অন্ধকারকে দূর করে দেয়। এখন আমরা যখন দিনটাকে দূরে সরিয়ে নিয়ে আসি তখন শুধু রাতের অন্ধকারটা থেকে যায়। সো আলোটা হচ্ছে একটা অস্থায়ী ব্যাপার এবং আমরা দেখি যে যখন এই আলোটা থাকে না তখন হচ্ছে আলোটা যখন আসে তখন এই পৃথিবীর অন্ধকারটা দূর হয়ে যায়। সো যেটা হচ্ছে অন্য সময় অন্ধকারের মধ্যে থাকতো। সো এখানে বলা হচ্ছে যে রাতটাকে দিন থেকে পিলেওয়ে করা হয়। স্ট্রিপ অফ করা হয়। তারপরে হচ্ছে দুইটাকে সেপারেট করে রাখা হয় এবং যখন এই দিনের আলোটা সরিয়ে নেওয়া হয় তখন এটা আরো বেশি অন্ধকারে পরিণত হয়ে যায়। সো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে জিজ্ঞাসা করছেন আমাদেরকে চিন্তা করতে বলছেন এই যে দিন এবং রাতকে এভাবে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হচ্ছে। একটা থেকে আরেকটা দূরে সরিয়ে দিয়ে তোমরা পুরো অন্ধকার রাজ্যে চলে যাচ্ছো। এই জিনিসটা কে করছে? উই ডিড ইট। নাসলাহু নাসলাহু মানে হচ্ছে আমরা আমরা এই কাজটা করছি। তো আল্লাহ সুবহানা তাআলা নিজের যে শক্তি সেটা এখানে আমাদেরকে দেখাচ্ছেন এবং তার ক্ষমতা তার যে পাওয়ার সেটা আমাদেরকে বুঝার জন্য আহ্বান করছেন এবং তারপরে তিনি বলছেন যেহুম মুসলিমুন।

যখন এই দিনের আলোটাকে রাত থেকে দূরে সর সরি দিনের আলোটাকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তখন রাতের অন্ধকারটা থাকছে তখন বলা হচ্ছে মুসলিমুন যে তোমরা তখন সে অন্ধকারের মধ্যে চলে যাও। তো এখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতালা এমন একটা এক্সাম্পল আমাদের সামনে দিয়েছেন। খুব এপারেন্ট একটা খুব যেটা আমরা সবসময় দেখে থাকি যে যখন হচ্ছে সূর্যটা ডুবে যাচ্ছে, সূর্যের আলোটা চলে যাচ্ছে তখন আমাদের জন্য কি থাকছে? নাইট। ডার্কনেসটা থাকছে। এবং নাইট এবং ডার্কনেসটা আমরা কি কি? নেগেটিভ দিক থেকে দেখি। আর দিনের আলোটাকে আমরা পজিটিভ দিক থেকে দেখি। সো এই নেগেটিভিটিটা থেকে যায় এখানে যখন সেখান থেকে পজিটিভ জিনিসগুলোকে দূরে সরিয়ে নেয় এবং এই পজিটিভিটি যদি না থাকে তখনই সেটাকে তাদেরকে বলা হচ্ছে মুসলিমুন। মুসলিমুন মানে হচ্ছে যাকে হচ্ছে কাউকে এটা হচ্ছে কাউকে হচ্ছে অন্ধকারের মধ্যে রেখে দেওয়া। সেই যে তাদেরকে অন্ধকারের মধ্যে তখন রেখে দেওয়া হয় এবং সে কারণেই তাদেরকে মুসলিমুন বলা হচ্ছে এবং আমরা যদি ঠিক আগে সূরা ইয়াসিনের প্রথম দিকে আমরা যখন পড়েছিলাম যারা আসলেই অন্ধকারের মধ্যে রয়েছে যারা কাফের অবিশ্বাসী যারা অস্বীকারকারী তাদের অবস্থাটা কি ছিল তারা হেদায়েতের আলো চায় নাই হেদায়েতের আলো না চাওয়ার কারণে আল্লাহ তাদের অবস্থা এমন করে দিয়েছেন তাদের সামনে ওয়াল পিছনে ওয়াল এবং উপর থেকেও তাদেরকে ঢেকে দিয়েছেন। তো কমপ্লিট একটা ডার্কেসনেস এর মধ্যে তারা চলে গিয়েছিল। তো আল্লাহ সুবহানা তায়ালা বলছেন যে এই যে ডার্কনেসের মধ্যে মানুষ থাকছে তার কারণ হচ্ছে তার কাছ থেকে আলোটাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সো যখনই হচ্ছে আমাদের ভিতর থেকে এই পজিটিভিটিটা চলে যায় তখন আমাদের মধ্যে এ নেগেটিভ অন্ধকার দিকটা থেকে যায়।

তো এখানে আমরা দেখি সূরা ইমরানে আল্লাহ বলছেন যে নিশ্চয়ই আসমান ও জমিন সৃষ্টিতে ইন্নাফ সামাওয়াত আসমান এবং জমিন সৃষ্টিতেলাফললাইহি রাত এবং দিনের আবর্তনে নিদর্শন রয়েছে বোধ সম্পন্ন লোকের জন্য যারা আসলে চিন্তা করবে তাদের জন্য। সো এই দিন এবং রাতের আবর্তন এই যে দিন এবং রাত একটা আরেকটার পরিপূরক এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি সেখানে আমরা দেখি যে আমরা অনেক সময়ই হচ্ছে এই পরিবর্তনটার দিকে কিন্তু তাকাই না। কারণ এটা হচ্ছে ডেইলি অকারেন্স। প্রতিদিনই হচ্ছে। কি চিন্তা করবো এটা নিয়ে। অথচ আমরা যদি একটু চিন্তা করি তাহলে আমরা চিন্তা করতাম যে কিভাবে এই দিনটা আসলো? কিভাবে রাত আসলো? যেদিন সূর্য উঠে না সেদিন কেমন লাগে? যেই জায়গায় দিনে ঘন্টার পর ঘন্টা হচ্ছে বা দিনের পর দিন হচ্ছে সূর্যের আলো দেখা যায় না সেই দেশে সেই জায়গার মানুষগুলোর অনুভূতি কি? তাদের উপরে এটার এফেক্ট কেমন পড়ে। আমরা যখন এগুলো চিন্তা করব তখন আমরা বুঝতে পারবো যে কি পরিমাণ নেয়ামতের মধ্যে আমরা আছি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে এরকম রাত এবং দিন দিয়েছেন একেকটা একেক কাজের জন্য এবং এই দিনের আলো যখন আসছে তখন আমাদের মধ্য দিকে ভয়ভীতি দূর হয়ে যাচ্ছে আবার যখন রাতের অন্ধকার আসছে তখন আমরা প্রশান্তির দিকে চলে যাচ্ছি এটা সম্ভব হতো না যদি না এই আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই আবর্তনের সিস্টেমটা আমাদের মধ্যে রাখতেন এই যে পরিবর্তন সে পরিবর্তন আল্লাহ সুবহানাতালা আমাদের জন্য রেখেছেন। আমরা এই পরিবর্তনের কারণে কতটুকু সুবিধা পাচ্ছি ফিজিক্যালি মেন্টালি সবদিক থেকে শুধু আমাদের জন্য না এনিমেলস এবং ভেজিটেশন এর জন্য যে কত গুরুত্বপূর্ণ সেটা আমরা বুঝতে পারছি না। কিন্তু যখন এটাকে ছিনিয়ে নেওয়া হবে তখন আমরা বুঝতে পারবো যে আমরা কি হারিয়েছি।

সো আমরা দেখি যে যদি সূর্যের দূরত্বটা আরো বেশি দূরে হতো পৃথিবী থেকে তাহলে আমরা কিরকম ঠান্ডার মধ্যে পড়ে যেতাম। অথবা এটা যদি আরেকটু কাছে থাকতো আমাদের তাহলে আমাদের কি অবস্থা হতো? আমরা কিরকম গরম বা উত্তাপের মধ্যে আমাদের খারাপ অবস্থা হয়ে যেত। আবার দিন লম্বা হলে সেটাও যেমন আমাদের জন্য কষ্টকর, রাত লম্বা হলে সেটাও আমাদের জন্য কষ্টকর। সো যদি আমাদের অন্তর অন্ধ না হয়ে থাকে তাহলে এই সিস্টেমটা দেখেই একজন মানুষ স্বীকার করতে বাধ্য যে এর পিছনে একজন সৃষ্টিকর্তা রয়েছে যিনি এই সমস্ত কিছুকে এত সুন্দরভাবে হারমনির সাথে কোন ধরনের সমস্যা ছাড়া বছরের পর বছর বছরের পর বছর হচ্ছে কন্ট্রোল করে চলছেন এবং তখন তার মনে হবে না যে অন্য কাউকে এর সাথে শরী করা যায় এই শক্তির সাথে শরী করা যায়। সো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই উদাহরণ গুলো আমাদের সামনে দিচ্ছেন যে আমাদের এই আল্লাহকে চেনার জন্য বেশি দূরে যেতে হবে না। আল্লাহ আমাদের অস্তিত্ব তার আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়ত জানান দিচ্ছেন।

সূরা কাসাসে আল্লাহ সুন্দর করে বলছেন বলুন ভেবে দেখোতো আল্লাহ যদি রাত্রিকে কেয়ামতের দিন পর্যন্ত স্থায়ী করেন তবে আল্লাহ ব্যতীত এমন উপাসকে আছে যে তোমাদেরকে আলো দান করতে পারে। তোমরা কি তবু কর্ণপাত করবে না? বলুন ভেবে দেখোতো আল্লাহ যদি দিনকে কেয়ামতের দিন পর্যন্ত স্থায়ী করেন তবে আল্লাহ ব্যতীত এমন পশ কে আছে তোমাদেরকে রাত্রি দান করতে পারে যাতে তারা বিশ্রাম তোমরা বিশ্রাম করবে তোমরা কি তবুও ভেবে দেখবে না তিনি শিয় রহমতে তোমাদের জন্য রাত ও দিন করেছেন যাতে তোমরা তাতে বিশ্রাম গ্রহণ করো তার অনুগ্রহ অন্বেষণ করো এবং যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো। তাহলে আল্টিমেটলি আমরা দেখতে পাচ্ছি এই কথাগুলো বলার পিছনে আল্লাহ চান যে আমরা ভেবে দেখি আমরা চিন্তা করি আমরা রিফ্লেক্ট করি আমরা আসলেই আমাদের ব্রেইনটাকে কাজে লাগাতে শিখি। সো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা শেষ করছেন কিভাবে এই আয়াতটার মধ্যেও আমরা দেখি ওলাকুম তাশুন যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো। এই কথাটা বারবার কেন আল্লাহ সুবহানাতালা আমাদেরকে বলছেন আমাদেরকে একটু চিন্তা করতে হবে আমরা কি আসলেই কৃতজ্ঞ আমরা কি সঠিকভাবে সেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারছি।