📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Surah Ya Sin || Part 30: Ayah 22|| Think about The Originator & Your Accountability

Straight Path12:13

Transcription

সূরা ইয়াসিনের 20 নাম্বার আয়াতে যে ব্যক্তির কথা বলা শুরু করা হয়েছিল 20 নাম্বার আয়াতে এসো আমরা দেখি যে তার কর্তার কন্টিনিউয়াস কন্টিনিয়াসলি চলছে। এখানে বলা হচ্ছে আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম। "আমার কি হলো যে যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং যার কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে আমি তার এবাদত করব না?" সুবহানাল্লাহ। এখানে আমরা দেখি যে তার যেই যুক্তি তার যে কথার আবেদন সেটা কিভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে যে তিনি তার লোকদের সামনে বিভিন্ন ধরনের এভিডেন্স তুলে ধরছেন যে কেন তাদের এই মেসেঞ্জারদেরকে ফলো করা উচিত।

সো এখানে আমরা দেখি যে প্রথমে তার বলা হয়েছে যে তারা তোমাদের কাছ থেকে কোন রিওয়ার্ড আশা করে না যে কিছু পাওয়ার আশায় তারা এরকম কথা বলছে সেটা না। এবং আরেকটা হচ্ছে যে তারা রাইটলি গাইডেড। তোমরা জানো যে তাদের জীবন কত সুন্দর এবং সুন্দর পথে পরিচালিত।

এখন তিনি আবার এটাকে রেশনালাইজ করার চেষ্টা করছেন যে, এই মেসেজটা, যে মেসেজটা তারা দিচ্ছে সেই মেসেজটার ব্যাপারে। তো এখানে আমরা দেওয়ার একটা পয়েন্ট দেখতে পাচ্ছি যে এখানে একদিকে হচ্ছে মেসেঞ্জারদের রাইটিয়াসনেসের কথা, তাদের যে তাকওয়াভিত্তিক জীবন সেটার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তারপরে হচ্ছে তারা যে মেসেজটা দিচ্ছে সেই মেসেজটাকে তুলে ধরা হচ্ছে। তো এখানে আমাদেরকে বুঝতে হবে যে যে জিনিসটা সেটা হচ্ছে যে এই দুইটা জিনিসই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ যিনি এই মেসেজটা দিচ্ছেন এবং যে মেসেজটা দিচ্ছেন দুইটাই হচ্ছে কতটুকু গ্রহণযোগ্য সেটা মানুষ যাচাই করে থাকে।

সো এখানে আমরা দেখি একটা ইন্টারেস্টিং পয়েন্ট তিনি তুলে ধরেছেন দেওয়ার ক্ষেত্রে যেটা হচ্ছে যে তিনি এখানে কথা বলছেন নিজের ব্যাপারে। কিন্তু কোন এরোগেন্ট ওয়েতে না যে নিজে অনেক বড় হয়ে গিয়েছি। আমি ঈমান গ্রহণ করে তোমাদের চেয়ে ডিফারেন্ট হয়ে গিয়েছি সেভাবে না আবার তাদেরকে একিউজ করে দোষী সাব্যস্ত করেও তিনি বলছেন না বরং কথাগুলো তিনি বলছেন নিজের উপরে নিয়ে যাতে হচ্ছে মানুষ এটা নিয়ে একটু চিন্তাভাবনা করে। এখানে বলা হচ্ছে "ওয়ামালিয়া"। "ওয়ামালিয়া" অর্থ হচ্ছে যে আর আমার কি হয়েছে এরকম। এখানে অর্থটা এরকম আসে যে এবং কি আছে এমন যেটা আমাকে কোন জিনিস আমাকে আমাকে যে সৃষ্টি করেছে তার ইবাদত থেকে দূরে সরিয়ে রাখছে অথবা কেন আমি এই যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন তার ইবাদত করছি নাইুডন্দু যে আমি তার ইবাদত করব। এখানে আমার কি হয়েছে কেন আমি এটা করবো না। এই যে একটা সেন্স অফ কোশ্চেনিং এবং কিউরিসিটি সেই জিনিসটা সামনে নিয়ে আসা হয়েছে এবং এখানে যে যে প্রশ্নটা করা হচ্ছে এই প্রশ্নটা আসলে উত্তর পাওয়ার জন্য করা হচ্ছে না। এই প্রশ্নটা করা হচ্ছে যাতে তারা মানুষ মানুষ এই কথাগুলো শুনে চিন্তা করে যে এই কথাগুলো শুনবে সে যেন আরেকটু গভীরভাবে রিফ্লেক্ট করে যে এই যে সৃষ্টিকর্তার কথা বলা হয়েছে যার ইবাদত করার কথা বলা হচ্ছে তিনি কে এবং কেন আমাকে এটা করতে হবে এবং এই রিজনিংটা আমরা এখানে দেখতে পাচ্ছি।

সো এখানে আসলে তিনি তুলে ধরতে চাচ্ছেন যে এনি পসিবল রিজন নট টু ওয়ারশিপ দ্যা ক্রিয়েটর যে কেন আমরা তার ইবাদত করবো না যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন। সো এই একটা কথার মাধ্যমেই তার যে সিনসারিটি তার যে ডিভোশন সেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি এবং এখানে "আবূদু"। "আবূদু" শব্দের অর্থ হচ্ছে আমি ইবাদত করি এবং এই ইবাদতটা কি? এবাদতটা হচ্ছে সারচ আমি নিজেকে সারভেন্ট হিসাবে "আবদ"। "আবদ" মানে হচ্ছে সারভেন্ট তার দাস হিসাবে নিজেকে। "অক্ট অফ যে ডিভোশন এবং অবিডিয়েন্স" সেটা এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে আমি ইবাদত করি "আল্লাজ ফাতারানি"। "ফাতারা" শব্দের অর্থ হচ্ছে যিনি হচ্ছেন সৃষ্টি করেছেন অরিজিনেট করেছেন যিনি আমাকে একদম শূন্য থেকে তৈরি করে নিয়ে এসেছেন। "ফাতারা" শব্দের অর্থ আমরা দেখি যে কোন জিনিস শূন্য থেকে শুরু করা অরিজিনেট করা নতুন করে নতুনভাবে তৈরি করা সেটাকে হচ্ছে "ফাতারা" বলা হয়ে থাকে এবং এখানে "অরিজিনেট মি"। "অক্ট অফ ক্রিয়েশন" যেটা আল্লাহর যে সৃষ্টি সেটার কথা এখানে বলা হয়েছে যে আমাকে কে সৃষ্টি করেছে আমি কি অটোমেটিক তৈরি হয়ে গিয়েছি। তো এই প্রশ্নটা যখন আমি নিজেকে করব তখনই আমি চিন্তা করব যে যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন তারই তো সর্বময় ক্ষমতা আমার উপরে থাকার কথা আমি কিভাবে যে সৃষ্টি করেছে তার বিরুদ্ধে এরোগেন্ শো করছি তার বিরুদ্ধেই অহংকার এবং গর্ব করছি।

এখানে এবং তারপরে বলা হচ্ছে "ওয়া ইলাইহিত" এবং তার দিকেই আমাকে "রজ যে ফিরে যেতে হবে"। এখানে আমরা দুইটা জিনিস দেখতে পাচ্ছি যে এটা কিভাবে যুক্তিযুক্ত হতে পারে যে আমি তার ইবাদত করবো না যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং যার কাছে আমাকে ফিরে যেতে হবে। অর্থাৎ আমি এসেছি যার কাছ থেকে আবার আমার আল্টিমেট রিটার্ন যার কাছে হবে তার কথাই আমি শুনবো না। এটা কিভাবে তোমাদের লজিকের মধ্যে আসে এবং এখানে তিনি বলছেন যেটা যে ফাস্টে আমরা দেখি যে তিনি বলছেন "ওয়ামালিয়া আবূদু" আমি এবাদত করি বলে নিজের কথা দিয়ে শুরু করেছেন কিন্তু শেষে যখন "ওয়াইলাহিত তুরজ" বলছেন "তুরজান" বলতে হচ্ছে তোমরা সবাই হচ্ছে ফিরে যাবে। তো এই যে তার কথার যে অলংকার এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে তিনি নিজেকে দিয়ে শুরু করেছেন। কিন্তু আবার সেটাকে প্রতিফল ফলিত করছেন হচ্ছে সবার উপরে যে আমি যার আমি তার ইবাদত কেন করবো না যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন। তো প্রথমে নিজের কথা বললেন এবং প্রত্যেকেই তখন চিন্তা করবে যে তাকে কে সৃষ্টি করেছে প্রত্যেকে তখন নিজের সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা করতে বাধ্য হবে। তারপরে বলা হচ্ছে "তুরজাউন"। মানে তোমরা সবাই তার কাছে ফিরে যাবে। সো তার মানে হচ্ছে যে যে আমরা এখন এটা স্বীকার করি বা না করি আমাদের প্রত্যেককেই হচ্ছে ফিরে যেতে হবে। কেউ এটা থেকে স্কিপ করতে পারবে না।

সো এখানে আরেকটা জিনিস যেটা আমরা দেখি যে আমাদের যখন পরিবর্তন আসবে নিজেদের মধ্যে সে পরিবর্তনটা প্রথমে নিজের মধ্যে আনতে হবে। তারপরে হচ্ছে অন্যদের জন্য সে পরিবর্তনটা চাইতে হবে। এখানে তার যে কথার যে এক্সপ্রেশনটা সেখানে আমরা দেখি যে তার কথার মধ্যে একটা ভালোবাসার একটা গভীরতা রয়েছে। প্রথমেই তিনি বলেছেন "কওমি" যে আমার কওম আমার লোক। তারপরে তিনি নিজেকে তুলে ধরেছেন যে তার নিজের কথা বললে তো অন্যদের খারাপ লাগার কথা না। তো তিনি নিজের মাধ্যমে অন্যদের চিন্তার জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করছেন এবং তাদের জন্য তিনি ভালো চান সেটা তার কথাতে প্রকাশ পাচ্ছে। এবং যেটা আমরা দেখি যে ফাস্টেই হচ্ছে আমি নিজের অবস্থা নিয়ে চিন্তা করব এবং তারপরে অন্যের অবস্থান পরিবর্তন করার জন্য চেষ্টা করব। এটাই হচ্ছে আমাদের নিয়ম। সো তিনি এটা আমাদের সামনে তুলে ধরছেন বা তখনকার লোকদের সামনে তুলে ধরছেন এভাবে যে যিনি সৃষ্টি করেছেন যার কাছে ফিরে যাব এছাড়া আমাদের আর কোন উপায় নাই তার কথাই আমরা যদি না শুনি তাহলে আমাদের পরিণামটা কি হতে পারে সে ব্যাপারটা তোমরা একটু চিন্তা করো।

ইবনে আব্বাস একবার বলেছেন যে তিনি তারা এবং খালাকা এই দুইটা শব্দের অর্থের পার্থক্য কি সেটা বোঝার জন্য চেষ্টা করছিলেন এবং তিনি ট্রাভেল করছিলেন একবারে এক কিছু বেদুইনদের মধ্য দিয়ে গেলেন যারা হচ্ছে একটা কূপের অধিকার নিয়ে তাদের মধ্যে হচ্ছে দ্বন্দ বা যুক্তি তর্ক হচ্ছিল তখন তাদেরকে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন যে তোমাদের তোমরা যে তর্ক করছো সেটার পিছনে তোমাদের কি এভিডেন্স আছে তখন একজন বলল যে "আল্লাজিতাহু" যে আমি হচ্ছে সে যে এটাকে অরিজিনেট করেছি শুরু করেছি সো তো সেই হচ্ছে এটাকে খনন করেছে ইন দা ফাস্ট প্লেস। তো এইখানে এই কথাটা বলার উদ্দেশ্য হচ্ছে যে প্রথমেই যে শুরু করে অরিজিনেট করে তাকে সেটাকেই হচ্ছে "ফাতারা" বলা হচ্ছে। তো আমাদের শুরুটা কোত্থেকে এসেছে? আমাদের শুরু বিগ ব্যাং বা অন্য কোনভাবে হয় নাই। বিবর্তন থেকে শুরু হয় নাই। বরং আমাদেরকে শুরুই করেছেন "ফাতারানি"। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে শুরু করেছেন এবং সেকেন্ড যে কথাটি এখানে বলা হয়েছে যে আমাদেরকে আবার তার কাছেই ফিরে যেতে হবে এবং এটা আমরা অলরেডি বলেছি যে ফার্স্ট পারসন থেকে সেকেন্ড পারসনে এটা চেঞ্জ হয়ে আসলে আমাদেরকে এই কনভার্সেশন আরো এঙ্গেজ করছে এবং আমাদের জন্য ফুটফর থট দিচ্ছে যে কেন এ ধরনের কথা বলা হলো।

সো এখানে একজনের অস্তিত্বের খাতিরে আমরা চিন্তা করতে পারি আমার অস্তিত্বই যেখানে বিলীন হয়ে যেত যদি সেই তিনি আমাকে সৃষ্টি না করতেন তাহলে আমি কিভাবে তার প্রতি কৃতজ্ঞ হব না? আমার অস্তিত্বের কারণেই তো আজকে আমি এত কথা বলতে পারছি এতকিছু করতে পারছি এতকিছু ইনজয় করতে পারছি তাহলে তার কথা আমি কেন ভুলে যাব এবং তার বিরুদ্ধ আমি কেন করব যে না তিনি না চাইলে আমি আসতেই পারতাম না। এখানে এবং তারপরে বলা হচ্ছে "ইলাইহি" যে তার দিকেই ফিরে যেতে হবে। "হি" বলতে এখানে যিনি সৃষ্টি করেছেন যিনি ফাস্ট অরিজিনেট করেছেন সে আল্লাহ সুবহানা তায়ালার কাছে আমাদেরকে ফিরে যেতে হবে। সো "ফাতারা" বাদা "খালাকা" এগুলোর অর্থ অনেকটা আমরা কাছাকাছি দেখতে পাই যে এর মাধ্যমে যিনি শুরু করেছেন তার কথা বুঝানো হয়েছে আর "রাজীউন" "তুরজান" বলতে যার কাছে আমাদেরকে ইভেনচুয়াল রিটার্ন সেটা এখানে বুঝানো হয়েছে এবং এখানে আমরা দেখি যে এটা হচ্ছে সার্টেনিটি যে আমাদের কাছে ফিরে আল্লাহর কাছে হিসাবের জন্য আমাদেরকে ফিরে যেতেই হবে সেই জিনিসটা এখানে বুঝানো হয়েছে যে কথাটা আমরা প্রতিনিয়ত বলে থাকি "ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন"। যে নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং আল্লাহর কাছে আমাদেরকে ফিরে যেতে হবে। এই ব্যাপারে কোন ডাউট নাই। কোন সন্দেহ নাই যে আল্লাহর কাছে আমাদেরকে ফিরে যেতে হবে এবং সেখানেই হচ্ছে আল্লাহর সাথে আবার আমাদের জবাবদিহিতার জন্য দাঁড়াতে হবে।

সো এখানে আমরা দেখি তিনটা জিনিসের কথা এখানে বলা হয়েছে যে কোন কিছুর ইবাদত যদি করতে হয় তাহলে সেজন্য আমরা কোন জিনিস দিয়ে কোন জিনিসের ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করব। এক নাম্বার হচ্ছে কে আমাকে সৃষ্টি করেছেন সৃষ্টিকর্তা কে কে এটা তৈরি করেছে তাকে আমাদের চিনতে হবে। ইভেন দুনিয়াতেও আমরা যদি কোন জিনিস দেখি যে কোন জিনিস নতুন আবিষ্কার হয়েছে আমরা ফাস্টেই চিন্তা করি যে সেটা কে আবিষ্কার করেছে তিনি আমাদের সে তিনি এই আবিষ্কারের পিছনে তার কারণটা কি ছিল এবং তিনি কিভাবে গাইড করেছেন। সো ফাস্টে হচ্ছে সেই ক্রিয়েটরকে জানতে হবে। যিনি এটাকে আবিষ্কার করেছেন সে সম্পর্কে আমাদেরকে তাকে জানতে হবে। সেকেন্ড যেটা সেটা হচ্ছে যে আমাদের যে সৃষ্টির উদ্দেশ্য সেটা আমাদেরকে জানতে হবে। যে তিনি কেন পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন অহেতুকভাবে আমাদের সময়গুলোকে কাটিয়ে দেওয়ার জন্য না এর পিছনে কোন উদ্দেশ্য রয়েছে এবং থার্ড যেটা সেটা হচ্ছে যে কার কাছে আমাদেরকে ফিরে যেতে হবে। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদের ক্রিয়েটর আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আমাদের চলার জন্য উদ্দেশ্য দিয়ে দিয়েছেন এবং তার কাছে আমাদেরকে ফিরে যেতে হবে। তাহলে আমাদের সফলতা কোথায়? আমাদের সফলতা হচ্ছে সেই সৃষ্টিকর্তাকে চেনার মাধ্যমে যেই উদ্দেশ্যে তিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন সেই উদ্দেশ্য সাধন করে আমাদের জীবনকে অতিবাহিত করার মাধ্যমে এবং আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়ার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার মাধ্যমে। যখন আমরা এই তিনটা জিনিসের সমন্বয় করতে পারব এবং সেইভাবে আমরা আমাদের ইবাদত আমাদের জীবনকে সাজাতে পারব তখনই আমরা সফলতার কথা চিন্তা করতে পারব।