📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

বানান এর নিয়ম সহজ ভাষায় বোঝানো হয়েছে। বাংলা ২য় পত্র । HSC 2024 I Nirob Sir

Nirob Sir12:43

Transcription

হ্যালো শিক্ষার্থী বন্ধুরা! তোমাদের জন্য এখন থাকছে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ—ব্যাকরণের। সেটা হচ্ছে বানান। বানান কিভাবে সঠিক ভাবে লিখতে হয় তার নিয়ম থাকবে আজকে এবং সাজেশন থাকবে।

এর আগের ভিডিওতে আমি উচ্চারণের নিয়ম দেখিয়ে দিয়েছিলাম। যদি সেই ভিডিওটা মিস করে থাকো, তাহলে কিন্তু অনেক কিছুই মিস করবে পরীক্ষার সময়। তোমাদের বাংলা দ্বিতীয় পত্রের দুই নম্বর প্রশ্নে এরকম আটটা ভুল বানান দেওয়া থাকবে। সেই আটটা ভুল বানান থেকে পাঁচটা বানান তোমাদের সঠিক করতে হবে। এই অংশটা অনেক সহজ। এই অংশটা যদি তোমরা দিতে পারো, তাহলে এর পরিবর্তে যে অথবা হিসেবে প্রশ্ন দেওয়া প্রয়োজন পড়ে, সেটা আর দরকার পড়বে না। সময়ও বাঁচবে এবং নম্বরটাও সহজে পাওয়া যায়। তো বানানের নিয়মগুলো আজকে একবারে সঠিকভাবে, সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দিব। তোমরা একটু মনোযোগ সহকারে ক্লাসটা দেখো।

এখানে দেখো, বানান আছে অপরাণ্য। এ বানানটা ঠিকই ছিল এতদিন। আমরা এভাবেই লিখতাম। কিন্তু নতুন নিয়ম অনুসারে এ বানানটা হবে অ প র আকারে। রা এবং এবং হর নিচে লিখতে হবে। এই দন্তন্যটা অপরণ্য বানানটা এভাবে লিখতে হবে। আরেকটা বিষয় বন্ধুরা, এখানে যে প আছে, এছাড়া অন্যান্য যে অর্ধমাত্রা বা মাত্রাহীন বর্ণ আছে, সেগুলো কিন্তু সঠিক ভাবে লিখতে হবে। তা না হলে বানান যে তুমি ঠিক লিখেছো, তাতেও কিন্তু নম্বর পাবে না। তাহলে চিহ্ন বানানটা একইভাবে লিখবে। চ এর স্বীকারে চি এবং হ লিখে তার নিচে ন লিখবে।

এবার চলে আসো জিবি, অর্থাৎ আইনজীবী, পেশাজীবী, শ্রমজীবী, কৃষিজীবী। এগুলো যত ধরনের জিবি আছে, সেগুলো কিভাবে লিখতে হবে? আইন ঠিকই লিখবে এবং জিবি বানানে দুইটাই দীর্ঘকার লিখবে। আইনজীবী। একইভাবে শ্রমজীবীটা লিখবে। এটা বুঝতে পারবে যে জিবি বানান যত আছে, জয় এর দীর্ঘ ইকার এবং বয় দীর্ঘ ইকার। অন্যান্য যে শব্দগুলো আছে, যেগুলো জিবি দিয়ে শেষ হয়, সবগুলো দীর্ঘ ইকার বসিয়ে দেবে।

এবার চলে আসো আবিষ্কার, পুরস্কার, তিরস্কার। এ ধরনের যত সর ক যে যে যুক্তবর্ণ আছে। এটা একটা সহজ নিয়ম আছে। পরীক্ষার সময় যদি দন্তস্য ক এর আগের অক্ষরের সাথে রস ইকার থাকে, তাহলে এটা দন্তস্যটা মধ্যস্য হয়ে যাবে এবং দন্ত এবং সয় ক আগ্র অক্ষরের সাথে যদি রস ইকার না থাকে, তাহলে এটা দন্তস্য হয়ে যাবে। এটা একটা বুদ্ধি। আরেকটা সস্তা বুদ্ধি আছে, সেটা হচ্ছে পরীক্ষার সময় এই ধরনের যত আবিষ্কার, পুরস্কার, তিরস্কার আসবে, তোমরা দন্তস্য ক দেখলে এটাকে মূর্দন্স ক বানিয়ে দিবে এবং মধ্যনস ক থাকলে দন্তস্য ক বানিয়ে দেবে। তাহলে কিন্তু হয়ে যাবে। তবুও নিয়মটা দেখিয়ে দিলাম। এই যে দন্তস্য ক আগের অক্ষর, অর্থাৎ বয়সাতে যদি রসইকার থাকে, তাহলে এটা মধ্যস্য হয়ে যাবে। তো বানানটা লিখতে হবে এভাবে: আবিশ। এখানে মধ্যস ককারে কাব এবং বয় শূন্য র। আবিষ্কার। তাহলে এখানে পুরস্কার বানানে আছে মুদ্যন্স, তোমাকে লিখতে হবে দন্তস্য। এখানে বানানটা আছে ইতিপূর্বে। এ বানানটা ভুল। এটা হবে ইতপূর্বে। রসই ত এখানে বিসর্গ দিতে হবে। তারপরে পড়বে…

শিক্ষার্থী বন্ধুরা, বানানের যত নিয়ম আছে, নিয়মগুলো তোমরা মনে রাখতে পারবে না। তবে প্রাকটিস এবং চোখের একটা নজর আছে না? চোখের নজরে বা চোখের দৃষ্টিতে এগুলো চিনে নিতে হবে। কারণ বানান ভুল হলে তোমার চোখেই কিন্তু বাঁধবে। তাই যত তুমি নিয়ম পড়বে, এত নিয়ম পারবে না। চোখে দেখো এবং অভ্যাস করো। এটার বানান দেওয়া আছে ইতিমধ্যে। ইতিমধ্যে পুরা বানানটাই ভুল। এটা হচ্ছে ইতোমধ্যে। ইত মধ্যে। তরস্বীকারকে তোমরা ত ওকার দিয়ে দিবে।

গীতাঞ্জলি, শ্রদ্ধাঞ্জলি, পুষ্পাঞ্জলি এগুলো নিয়ে কিন্তু একটা আসে। এটাও তোমাদের সঠিক করতে হবে। গীতাঞ্জলি বানানে কি ভুল আছে? দেখো, গীতা লিখলাম এবং ইয়ো জয়নজ লিখবে। আর লয় দীর্ঘ ইকার আছে, এটা রস ইকার লিখতে হবে। একইভাবে শ্রদ্ধাঞ্জলি বানানে দুইটা ভুল আছে। দেখো, তালব্যস এটা ঠিক আছে। আর এই যে দ ধ ধ টাকে আলাদা লিখতে হবে। এখানে লিখবে দপরে ধ। আলাদা লিখতে হবে, লাগিয়ে দিতে হবে এর সাথে। শ্রদ্ধা ইয়জ ব্যঞ্জটা লিখবে এবং ল এরটা এভাবে লিখবে। সাধারণত তোমরা তোমরা পরীক্ষার সময় ইয়জনটা এভাবে লিখো: ইয়ন নিচে বর্গীয় জ লিখো। এখন থেকে তোমাদের এভাবে লেখার অভ্যাস করতে হবে। তাহলে বিষয়টা সুন্দর হবে এবং কাটার সম্ভাবনা থাকবে না। এভাবে দিয়ে তারপরে এখান থেকে টান দিবে এবং এখানে এরকম চিহ্ন দিলে কিন্তু ইয়ে জয়নজ হয়ে গেল। আবার একটু দেখো। একবারে প্যাচ দিয়ে ডর মত। এখানে লিখবে বা বর্গীয় মতে লিখবে। এখান দিয়ে এটা টান দেবে এবং এখানে এভাবে লিখবে। তাহলে দেখতে সুন্দর হবে। এভাবে না লিখে এখন নতুন নিয়মে এভাবে লিখো। তাহলে গীতাঞ্জলি, শ্রদ্ধাঞ্জলি। এই নিয়মটা গেল।

এবার নিয়ম হচ্ছে স্টেশন, পোস্টমাস্টার, হেডমাস্টার কিংবা ফটেস্টেট। অর্থাৎ যে ইংরেজি শব্দগুলো আমরা বাংলায় লিখি। তো ইংরেজি ভাষা থেকে যে শব্দগুলো এসেছে, যেগুলোর সাথে সর ট আছে, এগুলো সবসময় দন্তস্য হবে। তাহলে স্টেশন বানান দন্তস্য নিচে ট, তার মধ্যে তারপর তালব্যস এবং ন। এখানে কিন্তু মধ্যস্য দেওয়া আছে। তোমাকে দন্তস্য লিখতে হবে। একইভাবে পোস্টমাস্টার। এটা কিন্তু ইংরেজি শব্দ বাংলায় এসেছে, বাংলায় লেখা হয়েছে। তাই এখানে যে মধ্যস্য আছে, এটাকে দন্তস্য লিখতে হবে। পর উপরে অর্ধমাত্রা, তারপরে দন্তসের নিচে ট। পোস্ট ম আকারে মা দিলাম এবং আবারো দন্তস্যর সাথে ট এবং বয় শূন্য র। হেডমাস্টারও এভাবে লিখবে: হেডমাস্টার। কারণ ষষ্ঠ যত আছে সব দন্তস লিখবে। এভাবে তোমরা অন্য যে শব্দগুলো আছে, যেমন যেমন ফটোস্টেট কিংবা স্টেডিয়াম ওগুলোকে দন্তস্য টা দেবে।

এবার গুরুত্বপূর্ণ একটা নিয়ম দেখো। শব্দটা আছে মুহুর মুহু। এখানে আছে রস্য উকার, রস উকার, রস উকার এবং দীর্ঘ উকার। মনে রাখবে, যদি প্রথম থেকে রস্য উকার শুরু হয় আর চারটা হয়, তাহলে সবগুলোতেই রস্য উকার হবে। তাহলে বানানটা হবে এরকম এবং যে রেপ্টটা আছে দিবে। চারটাই কিন্তু রস্য উকার হবে। কিন্তু প্রথম থেকে যদি রস্য উকার শুরু হয়ে দুইটা বা তিনটা হয়, তাহলে এরকম হবে: প্রথমে চামচ, তারপরে কাটা চামচ। আবার দেখো চামচ, কাটা চামচ, চামচ। তিনটা হইলে বা দুইটা হইলে। এবার উচ্চারণটা, বানানটা দেখো। ময়সকারে মুয় দীর্ঘ উকার এবং তয় রেপ। মুহূর্ত। এখানেও দেখো মুমুস। বানানটা হবে মরসকারে মুয় দীর্ঘ উকারে মুদ্ধস রেপ।

এবার নতুন আরেকটা নিয়ম। প্রথম থেকে যদি রসইকার হয়। দেখো, একটা রস, দুইটা এবং তিনটা আছে। তাহলে প্রথমটা চামচ, পরেরটা কাঁটা চামচ এবং পরেরটা চামচ। অর্থাৎ রস ইকার, দীর্ঘ ইকার, রস্যকার। এখানেও তাই: রস ইকার, দীর্ঘ ইকার, রস্যকার। এভাবে দিবে। এবার বানানটা দেখো: বি ভি সি কাকেইভাবে পি পি লি কা। এরপর আরেকটা নিয়ম: প্রতিযোগী অথবা প্রতিযোগিতা, সহযোগী, সহযোগিতা, যোগী, উপযোগিতা, মনোযোগী, মনোযোগিতা। একই নিয়ম। যদি সবার শেষে গয় গ থাকে, তাহলে এটা দীর্ঘ ইকার হয়ে যাবে। অর্থাৎ প্রতি যো এবং গয় দীর্ঘ ইকার হয়ে যাবে। কিন্তু যদি প্রতিযোগী না হয়ে প্রতিযোগিতা হয়, তা থাকে তাহলে কিন্তু এটা রসইকার থাকবে। এখানে দেখো খেয়াল করে: প্রতিযোগী গয় দীর্ঘ ইকার। কিন্তু প্রতিযোগিতা বা সহযোগিতা যদি হয়, তাহলে কিন্তু রসইকার হয়ে যাবে। এটা বানানটা হবে এরকম। সহযোগী। আশা করি বিষয়টা বুঝতে পারবে। প্রতিযোগী হলে দীর্ঘ ইকার, সহযোগী হলে দীর্ঘ ইকার, উপযোগী হলে দীর্ঘ ইকার। আর যদি প্রতিযোগিতা হয়, সহযোগিতা, উপযোগিতা, মনোযোগিতা, তাহলে গ এর উপর রসিকার হবে।

এবার গুরুত্বপূর্ণ একটা নিয়ম। এখানে বানানটা দেওয়া আছে দারিদ্রতা। এই শব্দটাই ভুল, বানানটাই ভুল। দারিদ্রতা বলতে কোন শব্দ নাই। শব্দটা হচ্ছে দরিদ্রতা। দরিদ্রতা। অথবা তুমি এটাকে দারিদ্র লিখতে পারো। দারিদ্র। এখানে জফল হবে। এখানে আবার দারিদ্র আছে। দেখো, এই দারিদ্র আর এই দারিদ্রটা দেখো, বানানে ভুল আছে। তাহলে এই বানানটা হবে দারিদ্র। কিন্তু দ এর সাথে একটা জফলাদিত হবে। তাহলে এটা সঠিক বানান হয়ে গেল। এরপর একইভাবে দৈন্যতা। দৈন্যতা শব্দটাই ভুল, বানানটাই ভুল। এ শব্দটা হবে দ্বীনতা। দ্বীনতা। এটা ভাষাগত ভুল। কারণ বিশেষ্য বিশেষণ সম্পর্কে ধারণা থাকলে এগুলো ভালো পারবে। তা না হলে এখন এভাবে পড়ে নাও অথবা এটাকে এভাবে লেখা যাবে: দৈন্য। দৈন্য ঠিক আছে। দ্বীনতাও ঠিক আছে। কিন্তু দৈন্যতা কথাটা ঠিক নেই।

আরেকটা মহা গুরুত্বপূর্ণ শব্দ: নূন্যতম। এই বানানটা আমরা সবসময় ভুল করি। এই বানানটা হবে নয় দীর্ঘ উকার জফ। এখানেই হবে। তারপরে নূন্যতম। শব্দটা আছে নূনতম। কিন্তু আমরা বলি নূন্যতম। প্রাণীবিদ্যা। কিন্তু আমরা এতদিন এভাবেই লিখতাম। কিন্তু এখন প্রাণীবিদ্যা বানানটা সংশোধন করা হয়েছে। মূর্ধন্য ঠিকই হবে কিন্তু রস্যিকার দিতে হবে। প্রাণীবিদ্যা। প্রণয়ন। প্রানের উপর নির্ভর করে, প্রাকটিসের উপর। প্রণয়ন বানানে প্রথমে প্রথম যে ন আছে, ন টা মধ্য হবে, পরেরটা দন্তান্য থাকবে। প্রজ্জ্বলন বানানটা পরের পেলাম। প্র বর্গীয় যার নিচে একটা ব লিখতে হবে, ল এবং শেষে ন লিখতে হবে। আমি ভুলে দুইটা বর্গীয় জা লিখে ফেলছিলাম। ব্রাহ্মণ বানানটাও তোমরা ভালোমতো খেয়াল করবে। বয়ফলা আকার আর এখানটা এভাবে লিখতে হবে। খিয় এর মতো যে আমরা লিখি, এটা লিখে এখান দিয়ে এভাবে টান দিবে আর এখানে লিখতে হবে। মধ্যর উপরে কিন্তু অর্ধমাত্রা। বাণিজ্য বানানে মধ্য সামান্য ভুল দেওয়া থাকবে পরীক্ষার সময়, সেটা ঠিক করতে হবে। এটার বানান আমরা সবসময় বাঙালি লিখি। আসলে এটা বাঙালি না, বাঙালি। বানানেও ভুল, উচ্চারণেও ভুল। সান্ত্বনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পরে এর যে শব্দগুলো আছে, সেগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ বানান। সান্ত্বনা বানান দন্তস্য আকার নর নিচে ত নিচে ব দিতে হবে। এটার ব্যাকরণিক যে প্রয়োগ, এটা কিন্তু অনেক কঠিন। এ কারণে আমরা সরাসরি বানানটা শুদ্ধ করে শিখাচ্ছি। যদি ব্যাকরণিক প্রয়োগ শিখতে চাও, তাহলে কিন্তু অনেক সময় লাগবে। শিরচ্ছেদ বানানটা কোথায় ভুল আছে? দেখো, প্র্যাকটিস করবে তাহলে ভুল হবে না। শির এবং এখানে যে চ আছে, এখানে ছোট্ট একটা তালব্যস লিখবে এবং এখানে ছ লিখবে। তাহলে বানানটা হবে এরকম: শিরচ্ছেদ। শারীরিক বানান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রয় দীর্ঘ ইকার এবং তারপরে রয় রস ইকার। সন্ন্যাসী বানান শুধু ন দুইটা দিতে হবে। বানানটা যেভাবে করা হয়েছে, ব্যাকরণবিদরা যেভাবে করেছেন, তোমাদের সেভাবেই শিখতে হবে।

আকাঙ্ক্ষা বানান সবচেয়ে বেশি পরীক্ষায় আসে। এই বানানটা, এই বানানটা ভুলটা দেখো। যেহেতু ভুল বানান আমরা শুদ্ধ করছি, তাই সবকিছুর ব্যাখ্যা হয়তো এখানে দেওয়া সম্ভব না। আকাঙ্ক্ষা বানানে এখানে ও লিখবে, ও এর উপর মাত্রা দিবে না। তারপরে খিও আকার দিবে, কি এর উপরে মাত্রা দিবে। সরস্বতী বানানে প্রথম স এর উপর কিন্তু কোন প্রেসার বা চাপ পড়ে না। এ কারণে এটা দন্তস্য থাকবে, বটা থাকবে না। তারপরে বাকিগুলো ঠিকই আছে। সংবর্ধনা বানানটাও ভুল, উচ্চারণটাও ভুল। এই কারণে এটা সংশোধন করতে হবে। বানানটা হবে এরকম: সংবর্ধনা। ধর উপরে যেন অর্ধমাত্রা থাকে। এটা খেয়াল থাকে যেন ধর উপরে কোনভাবে মাত্রা টেনে দেওয়া যাবে না। এরপর স্বামীগৃহ। স্বামীগৃহ বানানে সয় বাপ ফলা আকার কিন্তু ময় দীর্ঘ ইকার না, ময় রস ইকার। তারপরে গৃহ। সুস্বাগত শব্দটাই ভুল, বানানো ভুল। সুস্বাগত বলতে কোন শব্দ নাই। আসলে বানান নাই। আসলে বানানটা হবে স্বাগত। এরপর আছে সুমিসিন। সুমিসিন শব্দের অর্থ যুক্তিযুক্ত। সুমিসিন বানান ময় দীর্ঘ ইকার হবে এবং চয় দীর্ঘ ইকার হবে।

তো শিক্ষার্থী বন্ধুরা, বানান যতটা না বোঝার, তার চেয়ে অনেক কিন্তু বেশি গুণে তোমাদের এটা চোখের নজর দিয়ে রাখতে হবে। কারণ বানান সংশোধন করা তুলনামূলক একটু কঠিন, উচ্চারণের তুলনায়। তবুও আবার এত কঠিন না যে তোমাদের এটা ছেড়ে যেতে হবে। তো আজকে যেই 40 টা দিলাম, এই 40 টার মধ্যে থেকে অনেকগুলো কমন পড়বে। আসলে আমার উদ্দেশ্য ছিল বানানের নিয়মগুলো একটু দেখিয়ে দেওয়া। এছাড়াও বানানের মূল সাজেশন যেটা টা পরীক্ষার আগে, সেটা অবশ্যই পেয়ে যাবে। এছাড়াও বাংলা দ্বিতীয় পত্রের সবগুলো ব্যাকরণের বিস্তারিত বর্ণনার নির্মিত অংশে বর্ণনা, ইংরেজি, বাংলা, আইসিটি, অন্যান্য বিষয় সব বর্ণনা, সাজেশন, নৈবেত্তিক সমাধান সবকিছু পাবে।