📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Surah Ya Sin || Part 15: Ayah 11/B || Glad Tidings for Forgiveness & Noble Reward!

Straight Path19:18

Transcription

তো এই সেকেন্ড কোয়ালিটির মধ্যে আল্লাহ সুবহানাতালা একটু অড করে দিয়েছেন খাশি রাহমানা বিল গাইব বিল গাইব স গাইব শব্দের অর্থ হচ্ছে ইনঅবসেন্স। যখন কেউ অনুপস্থিত থাকে, যখন তারা হচ্ছে অন্য সবার থেকে দূরে সরে থাকে, যখন আমরা একা একা কোথাও অবস্থান করছি, আমার ঘরের প্রাইভেসির মধ্যে আমি আছি সেরকম অবস্থানটা হচ্ছে বিল গায়েব।

সো কোরআনের যে পারফেক্ট মিনিং বা কোরআনের যে কথা আমাদের জন্য সেটাকে আমরা যদি ইন্টার্নালাইজ করতে পারি, বুঝতে পারি তাহলে দেখবো যে, সেটার জন্যই আমরা তাজ্জব হয়ে যাব। অবাক হয়ে চিন্তা করব যে কিভাবে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এত সুন্দর করে আমাদের জন্য এই কথাগুলো বলে রেখেছেন। তিনি বলছেন যে তোমরা ভয় পাও সেই আর রহমানকে যখন তোমরা একান্তভাবে একা একা থাকো। অর্থাৎ কখনোই তুমি এমন চিন্তা করবা না যে আর রহমান তোমাকে দেখতে পাচ্ছে না। স যিনি আর রহমান যিনি তোমাকে সমস্ত কিছু দেখছেন তিনি তোমাকে ওয়াচও করছেন। তিনি প্রতিনিয়ত দেখছেন। তুমি কি করছো? তুমি তার রহমত নিচ্ছ। তার যে নেয়ামতগুলো আছে সেটা উপভোগ করছো। আর সেখানে সেই উপভোগ করতে করতেই তুমি কি কাজ করে যাচ্ছ সেটাও তিনি দেখে যাচ্ছেন।

সো যখন আমরা একা থাকি তখনই আসলে আমাদের চরিত্রের যে আসল রূপটা সেটা প্রকাশ পায়। সো যখন আমি এই অবস্থাতে বিল গায়েব যে যখন অন্য কেউ সেখানে থাকবে না সেই অবস্থাতেও আমি যদি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করে যেতে পারি আল্লাহর কথা স্মরণ করে নিষিদ্ধ কাজ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারি তখনই বুঝা যাবে যে এই খাসিয়াটা আমার উপরে কাজ করছে। যারা হচ্ছে মুনাফিক যারা হচ্ছে হিপোক্রেট তাদের চেহারাটা কি রকম তারা শুধুমাত্র ভালো কাজ করে যখন মানুষ সামনে থাকে মানুষের সাথে থাকে কারণ তারা না হলে তাদের আসল চরিত্র প্রকাশ হয়ে যাবে এবং যখন তারা একা থাকে তখন দেখা যায় যে তারা হোকেয়ারস যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার নির্দেশের ব্যাপারে তারা পুরোপুরি গাফলাতে নিমজ্জিত হয়ে যায়।

যখন আমরা ভালো কাজ করব গোপনে সেটাই হচ্ছে আমাদের এখলাসকে প্রকাশ করবে। আমি কতটুকু সিনসিয়ার সেটা প্রমাণ করার জন্য বা সেটা নিজের কাছে নিজের মধ্যেই দেখার জন্য স্কলারগন বলেছেন যে তুমি এটলিস্ট 24 ঘন্টার মধ্যে একটা কাজ করবা যেটা লুকিয়ে যেটা কেউ কখনো জানবে না এবং সেই কাজটা করতে তোমার কতটুকু কষ্ট হয় তুমি কতটুকু আনন্দ অনুভব করো সেটা দিয়েই তুমি বুঝতে পারবা যে তোমার সিনসিয়ারিটি কতটুকু রয়েছে তোমার এখলাস কত মজবুত সেখানে।

যখন আমরা আসলে বিল সিক্রেটলি ইবাদত করি তখন সেই জিনিসগুলো আমাদের জন্য আসলে অনেক বেশি উপকারী হয়ে যায়। যেমন আমরা যখন কোন ইবাদত হচ্ছে গোপনে করি তখন নাম্বার ওয়ান যে জিনিসটা আমরা দেখতে পাই সেটা হচ্ছে আমাদের সিনসিয়ারিটি। তখন আমরা শুধুমাত্র আল্লাহ সন্তুষ্টির জন্য এই কাজটা করছি। কাউকে দেখানোর জন্য করছি না। কেউ জানবে না। তো আমার মূল উদ্দেশ্যই থাকবে শুধুমাত্র আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য। কারণ আল্লাহ সবসময় দেখছেন আমাকে। সো যখন আমি এভাবে শুধু আল্লাহর জন্য কাজ করব মানুষের প্রশংসা পাওয়ার কথা তখন আমার মাথায়ও আসবে না বা অন্য কোন দুনিয়াবী স্বার্থ হাসিল করার কথা চিন্তা আসবে না তখনই বুঝা যাবে যে আমি সিনসিয়ার আমি ইখলাসের সাথে এই কাজটা করছি কারণ আমরা জানি যে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন ইন্নামাল আমাবিনিয়াত যে আমাদের প্রত্যেকটা কাজ হচ্ছে নিয়তের উপরে নির্ভরশীল যত সিনসিয়ারলি আমি কাজটা করব তত বেশি সেটা আল্লাহর কাছে পছন্দনীয় হবে।

সেকেন্ড যে জিনিসটা আমরা দেখি যে সিক্রেটলি ইবাদত করার ফলাফল সেটা হচ্ছে রিয়া থেকে আমি নিজেকে বাঁচাতে পারব। রিয়া হচ্ছে এমন একটা সাংঘাতিক জিনিস যেটা হচ্ছে যেটাকে বলা হচ্ছে সিক্রেট শিরক। যে গোপনে আল্লাহ সুবহানা তাআলার সাথে কাউকে সহযোগী করাটাই হচ্ছে রিয়া। তার মানে হচ্ছে আমি যখন অন্যের সামনে আমার নামাজকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছি। মানুষকে দেখানোর চেষ্টা করছি। মানুষকে দেখিয়ে কাজ করছি। দান খয়রাত করছি। সেগুলো তখন আল্লাহর জন্য না হয়ে মানুষের জন্য হয়ে যাবে। পাছে লোকে কিছু বলে সেই ভয়ে আমি সেই কাজগুলো করছি। তখন সেখানে আসলে গোপনভাবে সেই গোপন শিরক রিয়া আমাদের মাঝে প্রবেশ করছে এবং যার মাঝে রিয়া থাকবে তার কাজগুলো আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে কখনো কবুল হবে না। স সেটা থেকে আমরা তখন বাঁচতে পারব।

থার্ড যে জিনিসটা আমরা দেখি যে যখন আমরা সিক্রেটলি ইবাদত করি সেটা আমাদের অন্তরের যে শান্তি সেটাকে বাড়িয়ে দেয়। আমাদের ঈমানকে শক্তিশালী করে দেয়। সো যত বেশি আমরা এই ক্লাসের সাথে ইবাদত করতে পারব তত বেশি আমরা ঈমানের যে সুইটনেস সেটা আসলে টেস্ট করতে পারব এবং সেটা আমাদের ইবাদতের মজাটাই হচ্ছে বাড়িয়ে দিবে এবং এর মাধ্যমে আমি আসলে আরো বেশি আল্লাহ সুবহানা তায়ালার কাছাকাছি যেতে পারব।

ফোর্থ যে জিনিসটা সেটা হচ্ছে যে যখন আমরা এই গোপন কাজগুলো করি সেগুলার পুরস্কারও আল্লাহ সুবহানা তাআলা আমাদের জন্য অনেক বেশি পরিমাণে বাড়িয়ে দিবেন এবং সেটা হচ্ছে আমাদের জন্য একটা ট্রেজার হিসেবে কাজ করবে আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে। সো আমরা দেখা যায় কিছু কাজ আছে যেগুলো আমাদের মানুষের সামনে বরাবরই করা হয়ে যাবে। বেসিক কাজগুলোর কথা আমরা যদি চিন্তা করি যে কালেমা মানুষের সামনে আমাকে ঘোষণা দিতে হয় নামাজ রোজা হজ্ যাকাত এ সমস্ত কিছুই হচ্ছে মানুষের সামনে আমি করছি কিন্তু মানুষ কিন্তু জানতে পারে না যে আমার ইখলাস কতটুকু মানুষ জানে না যে কোন কতটুকু আমি আল্লাহ সুবহানাতায়ালার জন্য করছি কতটুকু আল্পানে মানুষের প্রশংসা পাওয়ার জন্য এগুলো করছি অথবা মানুষের কাছে বড় হওয়ার জন্য করছি সো প্রত্যেকটা কাজের মাঝেই ইখলাস লুকিয়ে থাকবে এবং সেখানে আমি চেষ্টা করব যে গোপনভাবে কিছু করার জন্য যে কাজগুলো হচ্ছে আমাকে এই রিয়া অথবা মানুষের প্রশংসা পাওয়া থেকে আকাঙ্ক্ষা থেকে নিজেদেরকে দূরে সরিয়ে রাখবে।

সো সিক্রেট ইবাদতের মধ্যে আমরা চিন্তা করতে পারি যে আমরা কিছু ফরজ নামাজ যেটা আমি জামাতে পড়ছি বা মানুষের সাথে পড়ছি তার বাইরে নফল নামাজ সুন্নত নামাজ পড়ার জন্য চেষ্টা করা একা একা বেশি বেশি করে আল্লাহর জন্য জিকির করা যত বেশি সেগুলো মানুষকে দেখিয়ে আমার করতে হবে না আমরা অনেক সময় দেখি যে হয়তোবা গুনাহ সুবিধার জন্য অথবা নিজের মেন্টাল পিসের জন্য আমরা তাসবি হাতে নিয়ে অথবা কাউন্টার হাতে নিয়ে জিকির করছি সেটা কিছু সময় আমরা চিন্তা করব চেষ্টা করবো সেগুলো নীরবে সিক্রেটলি গোপনে করার জন্য আল্লাহ সুবহানা তাআালার কাছে দোয়া করব আমি বিনয়ের সাথে প্রাইভেটলি এটা হচ্ছে আল্লাহর সাথে আমার নিজের একটা কনভার্সেশন যেটা অন্য কারো জানার কোন সুযোগ নাই আমরা সাদাকা কিছু সাদাকা হয়তোবা আমরা প্রকাশে দিয়ে ফেলি মানুষের সামনে কিন্তু কিছু সাদাকা এমন করা উচিত যে জিনিসটা হচ্ছে কেউ জানবে না আল্লাহ সুবহানাতায়ালা ছাড়া সো এরকমভাবে আমরা আরো বেশি ভালো কাজ গোপনে করার ব্যাপারে চেষ্টা করতে পারি। যেটা আমাদেরকে খাসির রহমানা বিল গাইবের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ দিবে। যেমন হচ্ছে অন্যদেরকে গোপনে মাফ করে দেওয়া। আমরা সবার সামনে বললাম যে হ্যাঁ ঠিক আছে তোমাকে আমি মাফ করে দিলাম। কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা আমি অন্তর থেকে যখন কাউকে মাফ করে দিব সেটা আমার জন্য আসলে রিওয়ার্ডিং হয়ে যাচ্ছে। পুরস্কারের কারণ হয়ে যাচ্ছে। আমরা অন্যদের জন্য তাদের অবসেন্সের দোয়া করা সেটাও হচ্ছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যখন অন্যদের অনুপস্থিতিতে দোয়া করা হয় তখন সেই দোয়াটা আল্লাহ সুবহানা তায়ালা কবুল করে নেয় এবং শুধু তাই না বরং ফেরেশতারা তার জন্য বলতে থাকে যে তুমি তোমার ভাইয়ের জন্য বোনের জন্য যে দোয়া করেছ সেটা তোমার জন্য প্রযোজ্য এবং সেটা তারা আমিন বলে। সো সেটাও তাদের জন্য কবুল হয়ে যায়। অন্যদের ভুল ত্রুটিগুলো গোপন করার জন্য চেষ্টা করা। আমরা রাতের বেলা আল্লাহর সামনে চোখের পানি ঝরাবো যেটা অন্য কেউ জানবে না। সো এভাবেই হচ্ছে আমাদেরকে বেশি বেশি করে গোপনে কাজ করার চেষ্টা করতে হবে। আমাদের প্রকাশ্য কাজগুলোর সাথে সাথে তাহলে আমরা আল্লাহ সুবহানা তাআালার এই সতর্কীকরণ যে সতর্ক করার জন্য আল্লাহ সুবহানা তায়ালা যে রিমাইন্ডার কোরআন আমাদের সামনে দিয়ে দিয়েছেন সে কোরআনের হচ্ছে প্রভাব আমাদের উপরে আরো বেশি অনুভব করতে পারব।

আমরা দেখি সূরা কফে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলেছেন মানখা রাহমানবিল মনিযে হচ্ছে না দেখে সে আল্লাহকে ভয় করছে। এখানে শেখ হাসি রহমানা বিল গায়েব দেখছি যে সে রহমানকে সে দেখে না কিন্তু তার নিয়ামতগুলো সে উপভোগ করছে। তার মাধ্যমে তার অস্তিত্বকে উপলব্ধি করছে এবং সে কারণেই তাকে ভয় করছে। সে তার কথা এখানে বলা হয়েছে। সো আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন যে সতর্কীকরণ তাদের জন্যই কাজ করবে যারা হচ্ছে কোরআনকে যথার্থভাবে অনুসরণ করবে এবং যখন তারা একা থাকে তখন না দেখে সে আল্লাহকে তারা ভয় পাবে এবং তার জন্য সে হচ্ছে প্রতিনিয়ত তার মনে সেটার প্রভাব বিরাজ করবে এবং তার কাজের মধ্যেও সে পরিবর্ত পরিবর্তনটা দেখা যাবে।

তারপরে এখানে বলা হয়েছে যে ফাবাশিরহুবিমাকফাতন কারিম সফ যখন হচ্ছে তুমি এই দুই কোয়ালিটির মধ্যে যে হচ্ছে না দেখে সে আল্লাহকে ভয় করছে। এখানে শেখ হাসি রহমানা বিল গায়েব দেখছি যে সে রহমানকে সে দেখে না কিন্তু তার নিয়ামতগুলো সে উপভোগ করছে। তার মাধ্যমে তার অস্তিত্বকে উপলব্ধি করছে এবং সে কারণেই তাকে ভয় করছে। সে তার কথা এখানে বলা হয়েছে। সো আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন যে সতর্কীকরণ তাদের জন্যই কাজ করবে যারা হচ্ছে কোরআনকে যথার্থভাবে অনুসরণ করবে এবং যখন তারা একা থাকে তখন না দেখে সে আল্লাহকে তারা ভয় পাবে এবং তার জন্য সে হচ্ছে প্রতিনিয়ত তার মনে সেটার প্রভাব বিরাজ করবে এবং তার কাজের মধ্যেও সে পরিবর্ত পরিবর্তনটা দেখা যাবে।

তারপরে এখানে বলা হয়েছে যে ফাবাশিরহুবিমাকফাতন কারিম সফ যখন হচ্ছে তুমি এই দুই কোয়ালিটি দেখতে পাবা এই দুই কোয়ালিটি কেউ অর্জন করবে তাকে সতর্ক করবা তখন হচ্ছে মানে অতঃপর তুমি কি করছো বাশিরহুবাশার মানে হচ্ছে সুসংবাদ দেওয়া গলেটাইডিং তাকে তুমি সুসংবাদ দাও এখন কিসের সুসংবাদ আল্লাহ বলছেন বিমাগফাতিন যে ক্ষমার সুসংবাদ তাকে দাও ফরগিভনেস যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন যে যখন তাদের মধ্যে এই দুইটা কোয়ালিটি থাকবে তখন দেখবা তখন তাদের জন্য তুমি ক্ষমার সুসংবাদ নিয়ে আসো এবং তারপরে তিনি বলছেন যে আজরিন কারিম যে দুইটা জিনিস আমরা এখানে দেখতে পাচ্ছি একটা হচ্ছে তাকে ক্ষমার সুসংবাদ দাও আরেকটা হচ্ছে তাকে পুরস্কার দান করো যেটা হচ্ছে কারিম স এখানে আমরা দেখি যে প্রথমে আমাদের যে জিনিসটা দরকার আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছে সেটা হচ্ছে ক্ষমা। তারপরে হচ্ছে পুরস্কারের কথা আসছে।

যখন আমরা সচেতনভাবে ঈমানদার হই তখন দেখা যাবে আমাদের গিল্ট ফিলিংটা আসলে অনেক বেড়ে যায়। যখনই যে কাজটা করি কথা বলি আমার মনে হবে যে আমি কথাটা কি সঠিকভাবে বলেছি? আমার এই কথাটা এভাবে বলা কি ঠিক হয়েছে? আমি কি এই কথা বলার মাধ্যমে কাউকে হার্ট করলাম? অথবা আমি চিন্তা করি যে আমার নামাজটা কি সঠিকভাবে আমি পড়ছি? সেখানে কি বিনয় ছিল? খুশি ছিল? নামাজটা কি আল্লাহর কাছে কবুল হবে? তখন আমরা যত বেশি ঈমান সম্পর্কে সচেতন হই তত বেশি হচ্ছে আমরা নিজেদের যেই শর্টকামিংস গুলো সেগুলো আসলে আমরা আরো বেশি বুঝতে পারি। এবং সেই অবস্থাতে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন যে এই যে আমাদের একটা অনুতপ্ত হৃদয়ের সৃষ্টি হয় আল্লাহ তখন সুসংবাদ দিচ্ছেন যে তাকে তুমি সুসংবাদ দাও ক্ষমার। এবং এটা যে আমাদের জন্য কত বেশি দরকার সেটা আমরা প্রতিনিয়ত টের পাই যে আমি প্রতিনিয়ত ভুল করে ফেলছি। প্রতিনিয়ত আমি যতই আল্লাহর পথে থাকার জন্য চেষ্টা করছি দেখা যাচ্ছে কোন না কোনভাবে আমি এমন কিছু করে ফেলছি যেটা আল্লাহ সুবহানাতায়ালা পছন্দ করবেন না এবং সেটা আমাকে আরো বেশি অনুতপ্ত করে দেয়। অনেক সময় আমরা গিভ আপ হোপ যে এত ভুল করে ফেলছি আল্লাহ মনে হয় আমাকে মাফ করবেন না। কিন্তু আল্লাহ বলছেন যে তাদেরকে তুমি ক্ষমার সুসংবাদ দিয়ে দাও।

আরেকটা জিনিস আমরা এখানে দেখি যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের তৎকালীন অবস্থা আমরা যদি দেখি যে নবুয়তের আগ পর্যন্ত 40 টা বছর তিনি যে মানুষের কাছে ছিলেন তারা তাকে আলআমিন জানতেন তারা তাকে আস সাদিক জানতেন তিনি সেই আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগে থেকেও সবার কাছে তিনি ছিলেন একটা সুন্দর চরিত্রের এক্সাম্পল এবং তিনি যেই কথা বলতেন সেটাকে তারা বিনা দ্বিধায় মেনে নিত। তার ডিসিশনকে তারা বিনা বিধায় মেনে নিত এবং তারকে সবাই এক বাক্যে স্বীকার করে নিয়েছিল যে তার মত ভালো মানুষ আর নাই তাদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম মানুষ বলতে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকেই তারা বুঝতো। সেই মানুষটা যখনই নবুয়ত লাভ করে সেই আল্লাহর একত্ববাদের কথা তাদেরকে বলল, তখন তাকে যিনি সবার মাথার উপরে ছিলেন তার নামেই তারা অপবাদ দিতে থাকলো যে তিনি মিথ্যুক, তিনি কবি, তিনি গণক, তিনি তাদেরকে হয়েছে বানানো কথা শোনাচ্ছেন। সো এখানে আমরা দেখতে পাই যে একজন সম্মানিত মানুষ শুধুমাত্র আল্লাহর দ্বীনের কথা বলার জন্য কমপ্লিটলি রিজেক্টেড হলেন তার কাওম থেকে।

আমরা জানি যে তখন ট্রাইবাল যে গোত্রীয় যে প্রভাব সেটা যে নিজের গোত্রের লোক যত ভুলই করুক না কেন সে যদি ভুল করে কাউকে খুনও করে ফেলে তারা তার পক্ষে থেকে অন্য দলের অন্য গোত্রের মানুষকে হত্যা করতে কখনো কুন্ঠাবোধ করে নাই। অর্থাৎ নিজের গোত্রের মানুষের জন্য ফুল প্রটেকশন দেওয়া ছিল হচ্ছে তখনকার নিয়ম। সেই অবস্থায় আমরা দেখি যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামকে তারা ছুড়ে ফেলে দিল এবং তার প্রতি তারাই বিরূপ ধারণা পোষণ করল তার নিজের আপন লোকজনেরা। তো এখানে আমরা দেখি যে যেই দিনের কথা বলবে তাকেই হচ্ছে সম্মানের সেই সিংহাসনটা ছেড়ে ধুলোই গড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তো এই সময় স্বাভাবিকভাবে মানুষের মধ্যে ভয় লাগে যে এই যদি হয় পরিণাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের মত একজন মানুষের আমরা যখন দ্বীনকে ফলো করব তখনও দেখা যাবে যে আমার নিজের আত্মীয়স্বজন আমার আপনজন আমার বন্ধু-বান্ধব তারা সব অচেনা হয়ে গিয়েছে তারা আমাকে দূরে সরে ফেলে দিচ্ছে। মানুষের মধ্যে তখন ভয় লাগে যে আমি কি এই কথা অনুসরণ করতে যেয়ে আমার যে সম্মান সমাজে রয়েছে সে সম্মানটা আমি হারাবো? সেই সময় আল্লাহ সুবহানা তাআলা বলছেন যে তাদেরকে সুসংবাদ দাও আজরন কারিম যে তাদেরকে এমন একটা সম্মানিত অনারেবল পজিশনে সংবাদ দাও যে এই আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তার সম্মানকে উচ্চকিত করবেন কোন মানুষের ভয়ে না কোন মানুষের ক্ষতির আশঙ্কায় না মানুষের কাছ থেকে অসম্মানের ভয় না বরং তাদেরকে সুসংবাদ দাও তার আল্লাহ তাদেরকে সম্মান দিবেন পুরুষ সম্মানিত পুরস্কার তাদেরকে দান করবেন। এমন রিওয়ার্ড দিবেন যেটা তাদের সম্মানকে অনেক বেশি বাড়িয়ে দিবে। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে কমপ্লিট ফরগিভনেস এর কথা বলছেন তাদের জন্য। তাদের জন্য হচ্ছে মোস্ট জেনারাস নোবেল একটা পুরস্কারের কথা তিনি তাদেরকে এখানে জানিয়ে দিচ্ছেন।

তো এখানে আমরা দেখি যে দুইটা কোয়ালিটির কথা বলা হয়েছে। একটা হচ্ছে আমরা যদি কোরআন অনুযায়ী নিজেদের জীবনকে পরিচালনা করি তাহলে আমাদের জন্য আল্লাহ সুবহানা তায়ালা ক্ষমার দরজাকে প্রশস্ত করে দিবেন। আবার আমরা যদি আর রাহমানকে ভয় করি না দেখে এবং তার অনুশাসনকে মেনে চলার চেষ্টা করি এবং প্রতিনিয়ত সে ভয়টা আমাদের মনে থাকে তাহলে সেই আল্লাহই আমাদেরকে একটা আজ কারীম সম্মানিত পুরস্কার তিনি আমাদেরকে দান করবেন। তো এখানে দুইটা ক্রাইটেরিয়ার কথা বলা হয়েছে দুইটা শর্ত পূরণ করার কথা বলা হয়েছে এবং এই দুইটা শর্ত পূরণ করার পরে যখন আমাদেরকে সতর্ক করা হচ্ছে সে সতর্কবাণী আমাদের মনের মাঝে আরো বেশি গেথে যাচ্ছে আমরা এই দুইটা ক্রাইটেরিয়া আরো বেশি ফুলফিল করার জন্য চেষ্টা করছি এবং তার জন্য আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদের জন্য আরো বেশি পুরস্কার লিখে রাখছেন।

সো এখানে আমরা দেখি যে খুব একটা একটা শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে এটা একটু গ্রামাটিক্যাল ব্যাপার যে মানতাবা মান শব্দটা বলা হয়েছে মান শব্দটা হচ্ছে জেনারেল ফর্মে ইউজ করা হয় যদি বলা হতো আল্লাহ সেই লোক দোস পিপল তাহলে সেটা হতো মোর স্পেসিফিক একটা বিষয় কিন্তু আল্লাহ বলছেন মানতাবাযে কেউ এনিওয়ান এটার মধ্যে হচ্ছে কোন স্পেসিফিক কোন ক্রাইটেরিয়া নাই কোন ব্যক্তি সেটা আমরা জানি না হভার ফলো কোরআন এখানে আমরা একটা জিনিস চিন্তা করতে পারি যে যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম মানুষকে দাওয়াত দিচ্ছেন তখন গ্রুপ অফ পিপলকে তিনি তার কওমের সবাইকে তিনি দাওয়াত দিচ্ছেন তিনি জানেন না যে কার অন্তরে কি আছে কে কি চিন্তা করছে তা সবাই হচ্ছে তার কাছে রেন্ডম পারসন কারণ অন্তরের খবর তিনি জানেন না আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে বলছেন যে তোমার কাজ হচ্ছে সতর্ক করা তাদের অন্তরের খবর জানার কোন দরকার নাই বরং ইন জেনারাল সবাইকেই হচ্ছে সতর্ক করতে হবে আমাদেরকে কিন্তু এ সতর্ক করার পর তারাই হচ্ছে এটা দ্বারা প্রভাবিত হবে। তাদের মধ্যে এটা এফেক্ট দেখা যাবে। যাদের মধ্যে অলরেডি আল্লাহর ভয় আছে তখন তাদের মধ্যে সতর্কতা কাজ করবে এবং তাদের ঈমান বৃদ্ধি পাবে। স আমরা জানি যে ঈমানের লেভেল হচ্ছে ফ্লাকচুয়েট করে। কখনো বাড়ে কখনো কমে এবং সেটা এজন্যই বাড়ি কমে যে সতর্ক বাণীগুলো কোরআনের কথাগুলো কিভাবে আমাকে এফেক্ট করছে সেটার উপরে ডিপেন্ড করবে যে আমার ঈমানের লেভেল বাড়লো না কমলো এবং সেটা আমি কিভাবে বুঝবো যে আমি কতটুকু কোরআন পড়ছি কতটুকু কোরআন বুঝছি কতটুকু কোরআনকে আমি আমার জীবনে স্থাপন করছি আমি কতটুকু গোপনে আল্লাহ সুবহানাতায়ালাকে ভয় করে যাচ্ছি এটা হচ্ছে আমাদের ঈমানের লেভেলকে যে আন্দাজ করতে হচ্ছে সহযোগিতা করবে।

তো সুবহানাল্লাহ এই আয়াতটাতে আমরা দেখি 11 নাম্বার আয়াতটা এত প্রফাউন্ড এত গভীর মিনিং আল্লাহ সুবহানা তায়ালা দিয়ে দিয়েছেন এখানে যে এখানে সতর্কতা হচ্ছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামকে বলছেন যে এই সতর্কতা কাজ করবে শুধুমাত্র যারা কোরআনকে বিশ্বাস করে অনুসরণ করে শিক্ষাগুলোকে এবং আল্লাহ সুবহানা তায়ালাকে ভয় করে চলে ইভেন সিন হিম যে আল্লাহকে তারা দেখে নাই কিন্তু তার যে নিয়ামতগুলো সেগুলোর মাধ্যমে আল্লাহকে তারা পারসিভ করতে পারছে এবং সেই সেই বান্দারা হচ্ছে তোমার মেসেজ যখন শুনবে তখন সেটাতে গুরুত্ব দিবে এবং সেখান থেকে তারা লাভবান হবে। সো তারাই হচ্ছে সেই লোক যারা আল্লাহকে বিশ্বাস করে তার রহমতের উপরে যাদের আশা রয়েছে এবং তার শাস্তির ব্যাপারে তারা ভয় করে। তারা ভয় করে আল্লাহকে ইন পাবলিক এন্ড ইন প্রাইভেট। এবং যারা হচ্ছে এই বান্দাগুলো যারা হচ্ছে এই সতর্কবাণী এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামের শিক্ষা থেকে উপকৃত হচ্ছে তাদের জীবনে পরিবর্তন আনছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আদেশ দিচ্ছেন যে আল্লাহ তাদের জন্য সুসংবাদ দিয়ে দিচ্ছেন ক্ষমার এবং পুরস্কারের এবং আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তাদেরকে জানিয়ে দিচ্ছেন এখানে ঘোষণা দিয়ে যে আল্লাহ তাদের ক্ষমা গুনাহ গুলোকে মাফ করে দিবেন এবং তাদের জন্য এভারলাস্ট কাস্টিং প্যারাডাইস দান করবেন।