📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Surah Ya Sin || Part 28: Ayah 20/B|| Care about Your Community !!

Straight Path25:41

Transcription

সূরা ইয়াসিনের 20 নাম্বার আয়াতে আমরা প্রথমে দেখেছি রাচুল শব্দটা দিয়ে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা কতগুলো অর্থ আমাদের মাঝে নিয়ে এসেছেন এবং এর গুরুত্বটা আমরা এখানে বুঝেছি।

তো এই আয়াতে যেভাবে শুরু হয়েছে সেখানে বলা হচ্ছে ওয়াজমিন আলমাদিনাতি রাজমিন আসল মাদিনা। এর অর্থ হচ্ছে দূরবর্তী অবস্থান, শহরের একটা দূরবর্তী স্থান থেকে, সফারেস্ট পার্ট অফ দা সিটি। এখানে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে দেখাচ্ছেন যে শহরের দূরবর্তী এলাকা থেকে লোকটি ছুটে আসলো এবং এখানে মাদিনা শব্দটা ব্যবহার করা হয়েছে।

এর আগে আমরা দেখেছি যখন এই এলাকার লোকদেরকে বোঝানো হচ্ছিল তখন বলা হয়েছিল আল কারিয়া শব্দটা, যেটার অর্থ হচ্ছে শহর। এবং আরাবিক ল্যাঙ্গুয়েজ অনুযায়ী এটা হচ্ছে একটা ছোট গ্রাম ধরনের বুঝানোর জন্য কারিয়া শব্দটা ব্যবহার করা হয়ে থাকে এবং খুব বেশি মানুষ সেখানে থাকে না। কিন্তু এখানে বলা হচ্ছে আকসাল মাদিনা। মাদিনা মানে হচ্ছে বিগ সিটি। বড় শহরকে বুঝানোর জন্য হচ্ছে মাদিনা বলা হয়ে থাকে। তাহলে আমরা দেখি যে এটা এমন একটা জায়গা ছিল যেখানে বেশ ভালো পপুলেশন ছিল এবং বড় একটা শহর ছিল। এবং সেখান থেকে সেই শহরের শেষ প্রান্ত থেকে একজন ছুটে আসলো।

সো তাফসীকারকগণ বলেছেন যে এই যেই লোকের কথা বলা হয়েছে তিনি তার নাম ছিল হাবিব আন নাজ্জার এবং কোন কোন তাফসীকারক তার সম্পর্কে কিছুটা বিস্তারিত বর্ণনা আমাদেরকে দিয়েছেন এবং সেখানে বলেছেন যে তিনি হচ্ছেন একজন এমন একজন মানুষ ছিলেন যিনি ছিলেন সিনসিয়ার অর্থাৎ খুব ইবাদতকারী ছিলেন। তিনি মানুষকে অনেক বেশি দান খয়রাত করতেন। চ্যারিটির ব্যাপারে তার উদার হস্ত ছিল এবং তার শারীরিক সমস্যা থাকার কারণেও সমস্যা থাকা সত্ত্বেও সে হচ্ছে অন্যদেরকে সাহায্য করতেন।

এবং এখানে আমরা দেখি যে কথাটা বলা হয়েছে যে আকল মাদিনা শহরের শেষ প্রান্ত থেকে এই কথাটা কেন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা উল্লেখ করলেন। আমরা দেখি যে কোরআনে যে শব্দগুলোই আল্লাহ ব্যবহার করেছেন প্রত্যেকটা শব্দের স্পেশাল কারণ রয়েছে অথবা বিশেষ অর্থ রয়েছে সেখানে এবং যে জিনিসগুলো আমাদের জানার দরকার নাই সেগুলো কিন্তু আল্লাহ সুবহানাতালা উল্লেখ করেন নাই। তাহলে যে জিনিসটা উল্লেখ করেছেন সেটার উপরে আমাদেরকে একটু গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে যে আখাল মদিনা দূরবর্তী ফার এওয়ে ফ্রম সিটি। তার মানে হচ্ছে তিনি শহরে থাকতেন না এবং তিনি শহরের বাইরে গ্রামাঞ্চলে থাকতেন এবং সেখান থেকে তার যে একটা কমফোর্টেবল পজিশন ছিল যে সেখানে তিনি যেমন ছিলেন সেটাতে তিনি অভ্যস্ত ছিলেন। কিন্তু যখন তিনি দেখলেন যে তিনজন মেসেঞ্জার পরপর তাদেরকে ডাকছে অথচ তারা এখনো সাড়া দিচ্ছে না বরং তারা এগ্রেসিভ হয়ে গিয়েছে। সে মেসেঞ্জারদের উপরে অটাক করতে যাচ্ছে। তখন সেই দূরবর্তী এরকম একটা ক্রান্তিকালে এমন একটা কঠিন অবস্থার মধ্যে সে তার কমফর্টেবল পজিশন ছেড়ে শহরের দূর প্রান্ত থেকে ছুটে আসলো।

এবং আমরা জানি যে শহরের লোকজন একটু ডিফারেন্ট হয়ে থাকে গ্রামের লোকজনের চেয়ে এবং এখানে আমরা দেখি যে এই লোক দেখতে পাচ্ছিল যে তারা এগ্রেসিভ হয়ে গিয়েছে এবং সে কারণে সে প্রোঅ্যাক্টিভ হয়ে সেখানে ছুটে এসেছে। এই লোক কিন্তু মেসেঞ্জার ছিলেন না। এ লোক আল্লাহ প্রেরিত পুরুষ ছিলেন না। কিন্তু তারপরও হচ্ছে তিনি তার কমফর্টেবল পজিশন থেকে ছুটে এসেছেন প্রোঅ্যাক্টিভলি মানুষকে সচেতন করার ব্যাপারে যখন সিচুয়েশন খুব এগ্রেসিভ হয়ে গেল এবং খুব কঠিন অবস্থায় চলে আসলো তখন তিনি সামনে আসলেন।

তো আমরা দেখি এখানে যে তার এই যে সামনে আসা এবং পরবর্তীতে ইয়াস আ শব্দটা বলা হয়েছে যেটার অর্থ হচ্ছে দৌড়িয়ে আসা এবং ইয়াস আ শব্দটা হচ্ছে যে কোন জিনিসের প্রতি হচ্ছে খুব আর্জেন্সি ফিল করা যে এটার জন্য প্রচেষ্টা চালানো যে কোন জিনিসকে আমরা কোন জিনিসকে পাওয়ার জন্য যখন এফোর্ট দিয়ে সেটার দিকে ছুটে গেলাম তখন সেটাকে ইয়াস বলা হয়ে থাকে। এখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা ইয়াস শব্দ স্পেশালি ব্যবহার করেছেন। যেটা এসেছে সাই থেকে। সাই শব্দটার সাথে আমরা খুব পরিচিত। আমরা জানি যে আমরা যখন ওমরা করতে যাচ্ছি, হজ করতে যাচ্ছি তখন সাফা মারওয়াতে সাই করে থাকি। এবং সাইটা কি? সাইটা কিন্তু আস্তে আস্তে হাটা না। সেখানে আমরা দ্রুত হাঁটছি এবং কোন টার্গেটে পৌঁছানোর জন্য, একবার সাফায় পৌঁছানোর জন্য, একবার মারওয়ায় পৌঁছানোর জন্য সেখানে সে টার্গেট বা গোলে পৌঁছানোর জন্য আমরা দ্রুত হেঁটে যাচ্ছি। সেটাই হচ্ছে সাই।

তো এখানে ইয়াসা বলা হচ্ছে যে সেই লোক তার যে টার্গেট, তার যে গোল, মানুষকে হুশিয়ার করা, সাবধান করা, সচেতন করে দেওয়া তার একটা মিশন রয়েছে। সে মিশনের জন্য সে ছুটে গেল এবং এই যে ছুটে যাওয়াটা এখানে আমরা দেখি যে তার এই এক্সপ্রেশনটার মাধ্যমে তার ভিতরের যে আর্জেন্সি তিনি যে এই ব্যাপারটা নিয়ে কতটুকু সচেতন ছিলেন, চিন্তিত ছিলেন, মানুষকে নিয়ে সচেতন ছিলেন সেটা আমরা দেখি। এবং এই হাঁটাটা বা দৌড়ে যাওয়াটা হচ্ছে উইথ সেন্স অফ পারপাস একটা উদ্দেশ্য নিয়ে দৌড়ে যাওয়া এবং সূরা জুমাতে আমরা যেমন দেখি যে নয় নাম্বার আয়াতে আল্লাহ বলেছেনল্লাহ যে তোমরা আল্লাহর স্মরণে দ্রুত এগিয়ে যাও। সো এখানে আমরা দেখি সেইম ইয়াসা শব্দটা ব্যবহার করা হয়েছে এবং এখান থেকে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে এই লোক যিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে এর গুরুত্ব কতটুকু মানুষ ক্ষতির মধ্যে চলে যাচ্ছে সেই ক্ষতি থেকে মানুষকে বাঁচানোর জন্য তিনি দ্রুত ছুটে আসলেন।

কেন তার এই আর্জেন্সি কেন তিনি এমনভাবে ছুটে আসলেন যে মনে হচ্ছিল এখানে স্টেট অফ ইমারজেন্সি ঘোষণা করা হয়েছে তার কারণ হচ্ছে তিনি দেখছিলেন যে মানুষগুলো সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তারা নিজেদেরকে আরো ক্ষতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে এই থ্রেট দেওয়ার মাধ্যমে মেসেঞ্জারদেরকে হত্যা করার হুমকি দেওয়ার মাধ্যমে তাদেরকে শাস্তি দেওয়ার মাধ্যমে। এবং এখানে আরেকটা জিনিস আমরা দেখতে পাই যে বলা হচ্ছে যে সে দৌড়ে আসলো। তো সাধারণত আমরা দেখি গ্রামাঞ্চলে যারা থাকে তাদের ঘোড়া থাকে উট থাকে তাদের বাহনের যন্ত্র থাকে এখন যেমন গাড়ি সাইকেল এগুলার কথা আমরা চিন্তা করতে পারি। কিন্তু সেই লোক দৌড়ি আসল। একটা হতে পারে যে সে এত আর্জেন্ট মানে এত বেশি এ ব্যাপারে উদগ্রিপ ছিল যে সে গাড়ির কাছে যাওয়া বা তার হর্সের কাছে উটের কাছে যাওয়ার কথা সে চিন্তাও করতে পারে নাই সে ছুটে এসেছে যে কোনভাবে তাদেরকে সাবধান করা যায় কিনা। আরেকটাই অর্থ হতে পারে যে তার আসলে তেমন কোন রিসোর্স ছিল না যে গাড়ি ঘোড়া হর্স অথবা হচ্ছে উট যাই বলি না কেন তার বাহনের জন্য তার তেমন ব্যবস্থা ছিল না কিন্তু তারপরও সে কিন্তু থেমে থাকে নাই।

তো এইখানে আমরা দেখি যে আমরা যখন সচেতন হই বা আল্লাহর দ্বীনের প্রয়োজনে এগিয়ে যেতে হয় তখন আমার রিসোর্স নেই। এ কথা বলে বসে থাকার কোন সুযোগ নাই। আমার মনের মধ্য থেকে যখন সে তারণা আসবে সেই তারণায় আমাকে এগিয়ে যেতে হবে। স আমরা এটা বলতে পারি না যে না আমি তো আমার এই সুযোগ নাই। আমার এই অসুবিধা সে কারণে আমি করতে পারছি না। দ্বীনের ক্ষেত্রে আমাদেরকে কোন ধরনের অজুহাত দেখানোর আসলে সুযোগ নাই। আমি যদি বুঝি এর গুরুত্ব তাহলে যেভাবেই হোক না কেন আমি এগিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করব। এবং এটা এমন না যে আমি বলব যে ও আমি যেমন আছি তেমনই থাকবো। আমি এখান থেকে পরিবর্তন হতে পারবো না। কারণ এভাবেই আমার সারা জীবনটা চলে এসেছে। এই অবস্থা ছেড়ে আমি যেতে পারবো না। কিন্তু আমরা দেখি যে সেই লোক তার কাজের ব্যাপারে এত তৎপর ছিল। সে তার কমফর্টেবল পজিশন থেকে শহরের বাইরে আরামদায়ক অবস্থায় নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিল। কিন্তু সেখান থেকে সে বের হয়ে এসেছে। শুধুমাত্র মানুষকে ক্ষতি থেকে বাঁচানোর জন্য।

তো এখানে আমরা দেখি যে তার যে আর্জেন্সি তার যে কমিটমেন্ট সেটা আমরা এখানে দেখতে পাচ্ছি এবং তার যে ডিটারমিনেশন যে ক্রিটিক্যাল একটা সিচুয়েশন এই মেসেজটা তাকে দিতে হবে এবং সে জানে যারা এই মেসেজ দিচ্ছে তারাই ক্ষতি সম্মুখীন হচ্ছে। কিন্তু এটা তাকে বিরত রাখে নাই এই কাজ করা থেকে। কারণ সে জানে এই কাজটা কত গুরুত্বপূর্ণ। সো মানুষকে সচেতন করা, সতর্ক করা, তাদেরকে হচ্ছে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচানোর জন্য এই যে চেষ্টা, একজন মানুষ হিসেবে, একজন দ্বীনদার হিসেবে, ঈমানদার হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের আসলে এটা একটা কর্তব্য।

সো এখানে সেই মেসেঞ্জাররা হচ্ছে, ঠিকই তাদের যে মেসেজটা দেওয়ার কথা ছিল, সেটা দিয়ে যাচ্ছে। এই লোক এগিয়ে না গেলেও পারতো, তার কি দরকার? যেখানে মেসেঞ্জাররা ব্যর্থ হচ্ছে সেখানে তার যাওয়ার তো কোন দরকার নাই। কিন্তু তারপরও সে এগিয়ে গিয়েছে। তার কারণ হচ্ছে সে মনে করছে যে আমি তাদের মধ্য থেকে একজন হয়তোবা আমার কথাটা তারা আরেকটু ভালো করে শুনতে পাবে। হয়তোবা আমি যদি তাদেরকে বলি বা বুঝাতে পারি তাহলে তারা এই ক্ষতি থেকে নিজেদেরকে বাঁচাতে পারবে।

তো এখানে তার এই যে রাস তার যে আর্জেন্সি সে জিনিসটা আমরা দেখতে পাচ্ছি এবং এটা হচ্ছে অনেকটা ন্যাচারাল ইনক্লিনেশন যে আমাদের ফিতরার মধ্যে রয়েছে যে তার ফিতরা এত সাউন্ড ছিল এত সুস্থ ছিল যে সে হচ্ছে তার জীবন পর্যন্ত এখানে বিলিয়ে দিতে কুন্ঠাভূত করে নাই সো এইখানে মানুষকে সচেতন করাটা এজন্য যে সে আসলে মানুষকে ভালোবাসে মানুষের ক্ষতি থেকে তাদেরকে বাঁচাতে চায়। সো আল্লাহ সুবহানা তায়ালা এরকম অল্প ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শব্দ দিয়ে আমাদেরকে আসলে বুঝিয়ে দিচ্ছেন যে কোরআনকে আমরা যদি বুঝে পড়ি তাহলে আমরা কেউ চুপ করে বসে থাকতে পারবো না। আমাদের নিজেদের মধ্যে সেই ইগারনেস তৈরি হবে। সে আর্জেন্সি তৈরি হবে এবং আল্লাহ ওয়ান্টস আস টু ফোকাস অন দিস ওয়ার্ডস। যে এই শব্দগুলো আল্লাহ এজন্যই দিয়েছেন যে আমরা এগুলো নিয়ে চিন্তা করি এবং এটার একটা রিফ্লেকশন আমাদের জীবনে আমরা দেখাই।

সো শহরের সেই যারা হচ্ছে শহরে অনেক ধনী মানুষ ছিল ইনফ্লুয়েনশিয়াল পিপল ফ্যাশনেবল পিপল তারা ছিল ততখনকার সমাজের গর্ব কিন্তু তাদেরকে যখন ডাকা হলো তখন তারা বিরোধিতা করল তারা বিভিন্ন ধরনের অশুভ লক্ষণের কথা বলল এবং তাদেরকে অ্যাটাক করতে শুরু করলো এবং সেই লোক এরকম পরিস্থিতিতে নিজের জীবনের হুমকি সামনে থাকা সত্ত্বেও সে বের হয়ে এসেছে। কারণ এটাই তার মিশন। এটাই তার কাজ এবং সে সেটা বুঝতে পেরেছিল।

এ ব্যাপারে আমরা দেখি যে ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করা হয়েছে যে এই শহরের লোকেরা তারা তাদের রাসূলদেরকে হত্যা করতে উদ্বুদ্ধ হলো এবং এই সময় সেখানে একজন লোক দৌড়ে আসলো শহরের দূর প্রান্ত থেকে যেন সে তার মানুষদেরকে সহযোগিতা করতে পারে। এবং তারা তাফসিকার বলেছেন যে তার নাম ছিল হাবিব এবং সে হচ্ছে সাধারণত রশ্শি দড়ি এগুলা নিয়ে কাজ করত এবং সে অসুস্থ ছিল এবং তার ল্যাপ্রোসিস বা কুষ্ঠ রোগ ছিল কিন্তু তারপরও সে হচ্ছে চেরিটেবল ছিল দানশীল ছিল এবং তার যেই আয় হতো সেটা অর্ধেক সে হচ্ছে দান করে দিত এবং তার ফিতরাটা ছিল সুস্থ ফিতরা যে ন্যাচারালি সে ভালো কাজের দিকে উদ্বুদ্ধ হতো।

তো এখানে আমরা দেখি যে আমরা বেশ কিছু বর্ণনা পাই এই বিশিষ্ট লোকের ব্যাপারে। যদিও আমরা জানি না যে এটা কতটুকু সঠিক। যেমন এটার ব্যাপারে আরো কিছু বর্ণনা এসেছে যে আরো কিছু হিস্টরিক্যাল ন্যারেশনে বলা হয়েছে যে এই যার কথা বলা হয়েছে তিনিও প্রথমদিকে মূর্তিপূজারী ছিলেন এবং তিনি শহরে দুইজন মেসেঞ্জার যখন এসেছিল তখন তাদের সাথে যখন তার সাক্ষাৎ হলো তখন তাদের যে শিক্ষা সে শিক্ষার প্রভাব তার উপরে পড়লো এবং তিনি সেটা নিয়ে তার ঈমান ঈমান গ্রহণ করলেন এবং আবার নিজের জায়গায় ফিরে গেলেন তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে তার মূর্তি পূজার সময় তার জীবন আর ঈমানদার অবস্থায় তার জীবনের পার্থক্যটা এবং যে কারণে তিনি যখন তার শহরের লোকেরা রিজেক্ট করছিল সেই মেসেজ সে কারণে তিনি তাদেরকে বাঁচানোর জন্য এগিয়ে এসেছিলেন কারণ তিনি দুই দিকের জীবনেই দেখেছেন এবং তিনি দেখেছেন যে তার ঈমানের জীবনটাই হচ্ছে কত লাভবান বা সেখান থেকেই হচ্ছে তিনি আল্টিমেটলি সাকসেসফুল হতে পারবেন।

সো এখানে আরেকটা ঘটনা এসেছে কোন কোন তাফসীরকারগণ বলেছেন যে তার নাম হাবিবান নাজ্জার যেটা আমরা আগেও দেখেছি এবং তিনি শহরের শেষ প্রান্তে থাকতেন কারণ তার কুষ্ঠ রোগ ছিল সেজন্য মানুষের সাথে তিনি উঠাবসা করতেন না এবং তিনি হচ্ছেন মূর্তি পূজা করতে থাকতেন এবং 70 বছর পর্যন্ত মূর্তি পূজা করেছেন এবং সে মূর্তিদের কাছে তিনি প্রতিনিয়ত দোয়া করতেন যেন তার উপরে দয়া করা হয় তার যে ল্যাপ্রোসি রোগ রয়েছে সেটা থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। কিন্তু মূর্তিদের কাছ থেকে তিনি কোন ধরনের সাড়া পান নাই।

যখন রাসূলুল্লাহ শহরে আসলো এবং তিনি তাদেরকে দেখলেন এবং তারা তাকে আল্লাহর পথে দাওয়াত দিল তখন তিনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন যে এটা যে সত্যি সেটার কোন প্রমাণ তোমাদের কাছে আছে? তখন তারা বলল যে হ্যাঁ আমরা আমাদের প্রভুর কাছে লর্ডের কাছে রবের কাছে দোয়া করবো। কারণ তিনিই হচ্ছেন সবচেয়ে শক্তিশালী এবং তিনি তোমাকে যা স্পর্শ করেছি সেটা থেকে মুক্তি দিবেন। তখন হাবিব বললেন যে এটা তো খুবই অদ্ভুত। কারণ আমি আমার যাদেরকে আমি প্রভু মনে করি, আমার রব মনে করি তাদেরকে আমি 70 বছর ধরে তাদের কাছে ইবাদত করছি এবং চাচ্ছি আমাকে যেন এটা থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। কিন্তু তারা সেটা করতে পারে নাই। কিভাবে তোমাদের রব এটাকে রিমুভ করতে পারে একদিনে? তখন তারা বলল যে হে আমাদের রব হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী এবং তিনি যা চান তাই হয়। তখন তারা বলল যে এই যে মূর্তিগুলোকে তোমরা তুমি পূজা করছো তারা তোমার কোন উপকারে লাগবে না এবং তারা তোমার কোন ক্ষতিও করতে পারবে না। এবং হাবিব তখন আল্লাহ এবং তার রাসূলদের উপরে বিশ্বাস করলেন এবং তার মেসেঞ্জাররা তার জন্য দোয়া করলো। আল্লাহ তাদের দোয়াকে কবুল করে নিলেন এবং তাকে সেই রোগ থেকে মুক্ত মুক্তি দিলেন এবং তখন সেই লোক আসলে বুঝতে পেরেছিলেন যে সত্যিকারের রবকে এবং তার লোকেরা জনপদের লোকেরা সেটাকে অস্বীকার করে কি পরিমাণ ক্ষতির মধ্যে চলে যাচ্ছে।

তো তিনি যখন নিজে উইটনেস করলেন নিজে এটা সাক্ষ্য হলেন তখন সেটার ব্যাপারে নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে তিনি এগিয়ে গেলেন তাদেরকে সাবধান করার জন্য।

স এখানে আমরা আরেকটা জিনিস দেখি যেটা সেটা হচ্ছে যে কলা ইয়া কওমি তিনি বললেন যে হে আমার জনগণ ইয়া কওমি ইয়া কওমি শব্দটা আমরা দেখি যে খুবই স্পর্শকাতর একটা শব্দ আমার জন মানুষ আমার লোকেরা এখানে সেটা হচ্ছে এভাবেই বলা হচ্ছে যে তিনি তাদেরকে কত আন্তরিকভাবে ভালোবাসেন এখানে এই কওমি শব্দটা ইয়া কওমি বলে যেই কথাটা বলা হচ্ছে এটাই হচ্ছে এটা ফিলড আপ উইথ এমপ্যাথি এন্ড বিলঙ্গিং যে আমি তোমাদের একজন আমি তোমাদের ভালো চাই আমি তোমাদের কষ্টে কষ্ট অনুভব করি এবং সেই কথাটাই তিনি এখানে বলছেন যে ইয়া কওমি আমরা পরবর্তীতে দেখব যে এই লোক তার কমিউনিটির পিপলকে কত বেশি ভালোবাসতেন তাদের জন্য কত বেশি কেয়ার করতেন যে তিনি তাদেরকে এমনভাবে ডাকলেন যে তাদের তারাদের দেরকে ডাকাটা যেন তার অন্তরে ছুয়ে যায় এবং তিনি তাদেরকে কি বললেন তিনি বললেন যে ইত্তাবি ইত্তাবিউল মুরসালিন ইতাবি মানে হচ্ছে ফলো করা অনুসরণ করা তোমরা এই মেসেঞ্জারদেরকে অনুসরণ করো তাদের কথা শোনো তাদেরকে মেনে চলো।

এখানে মেসেঞ্জাররা যে দাওয়াতটা দিচ্ছেন সেই লোক সেটাকে নিজে গ্রহণ করেছে এবং অন্যদেরকে সেই ভাবে ডাকা শুরু করেছে শব্দ দিয়ে বুঝানো য় যে কোন জিনিস খুব মনোযোগের সাথে শোনা একটা ওপেন মাইন্ড এবং হার্ট নিয়ে আমার মধ্যে আগে থেকেই কোন চিন্তাভাবনা রয়েছে। আমি যখন কোরআন পড়ছি তখন সেই চিন্তাভাবনার সাথে মিলে কিনা সেটা দেখার চেষ্টা করছি। তাহলে কোরআন কিন্তু আমাদেরকে হেদায়েত কোরআন থেকে আমরা হেদায়েত পাবো না। কোরআনকে এটা অনুসরণ করা হলো না। বরং আমাকে আসতে হবে উন্মুক্ত মন নিয়ে অন্তর নিয়ে। যেই মেসেজটা এখানে দেওয়া আছে সেই মেসেজটা বুঝার তাগাদান নিয়ে তাগিদ নিয়ে আমাকে হচ্ছে এই কোরআনটা পড়তে হবে এবং এই ইত্তাবা শব্দের মধ্যে যে অনুসরণ করো শুধু তুমি নিজে অনুসরণ করো না বরং অন্যদেরকেও এই অনুসরণ করার ব্যাপারে অনুপ্রাণিত করো। সো তিনি বলছেন যে এই মেসেঞ্জারদেরকে তোমরা অনুসরণ করো অন্যদেরকে অনুসরণ করার ব্যাপারে সচেতন করে দাও তাদের মধ্যে সেই প্রেরণাটা জাগিয়ে দাও।

সো এখানে আমরা একদিকে দেখি তার লোকজনের জন্য ভালোবাসা আরেকদিকে দেখি যে তিনি কিভাবে মানুষকে গাইড করছেন। সো তিনি এটা চিন্তা করেন নাই যে মেসেঞ্জাররা পারে নাই আমি এখানে কি আমার তো এখানে কোন ক্ষমতা নাই সেটা তিনি চিন্তা করেন নাই। বরং তিনি যখন দেখেছেন যে তার জনপদের লোকদের জন্য এটা দরকার তখন অন্য কে কি করলো সেটা চিন্তা না করে তার যে রেসপন্সিবিলিটি তার যে দায়িত্ব সে জিনিস তাকে হচ্ছে সামনে ঠেলে দিল এবং সে কারণেই তিনি হচ্ছেন এই কাজটা করার ব্যাপারে উদ্বিগ্ন হলেন এবং সেই উদ্বেগের ফলাফল আমরা দেখতে পাচ্ছি তার এই কথাতে।

একজন মুমিন বা একজন ঈমানদার একজন বিশ্বাসীর ভূমিকাটা কি রকম একজন বিশ্বাসীর ভূমিকাটা হচ্ছে তারা হচ্ছে মেসেঞ্জাররা নবী রাসূলগণ যা বলেছেন সেটা সঠিক অনুসারী হয়। সো জাস্ট ফলো দা মেসেঞ্জার। তার কথা হচ্ছে এটা যে তারা যা বলছে সেটা নিয়ে তোমার খুব ক্রিটিক্যালি চিন্তা করার দরকার নাই। যে এটা সঠিক না বেঠিক সেটাও তোমার এখন চিন্তার দরকার নাই। কারণ তোমার মন মগজ এখনো সেটা বুঝার মত রেডি হয় নাই। তারা যা বলছে শুধু সেটাই ফলো করে নাও। আমরা জানি যে সূর্যের আলোটাই চাঁদের মধ্যে রিফ্লেক্ট হচ্ছে এবং সেই চাঁদের স্নিগ্ধ আলোয় আমরা আমাদের রাতগুলোকে আলোকিত হতে থাক দেখি। তেমনিভাবে নবী রাসূলদের যে আলো সেই আলোটাই হচ্ছে মুমিনের গায়ে পড়ে এবং মুমিন সেটাকে রিফ্লেক্ট করতে থাকে। সো এটা এমন না যে নবী রাসূলদের কাজ ছিল শুধু তারাই করবে। বরং তাদের অনুসারী হিসাবে আমাদের কাজ হচ্ছে তারা যে কথাগুলো বলে গিয়েছেন সেই কথাগুলো ফলো করা এবং সেগুলো ফলো করার ব্যাপারে অন্যদেরকে উদ্বুদ্ধ করা।

সূরা ইমরানে বলা হয়েছে বলুন যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাসো তাহলে আমাকে অনুসরণ করো। যাতে আল্লাহও তোমাদেরকে ভালোবাসেন এবং তোমাদেরকে তোমাদের পাপ মার্জনা করে দেন। আর আল্লাহ হলেন ক্ষমাকারী দয়ালু। সো এটা বলার আমাদের কোন সুযোগ নাই যে সে হচ্ছে লিডার। সেও তার একটা পজিশন আছে। সে এই কাজগুলো করবে। আমার কিছু করার দরকার নাই। বরং ইচ এন্ড এভরি মুমিন ঈমানদার বিলিভারের জন্য আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই নির্দেশ দিয়েছেন যে আমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাসি তাহলে আমাদেরকে অবশ্যই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামকে নবী রাসূলদেরকে অনুসরণ করতে হবে। তখন আল্লাহ আমাদেরকে ভালোবাসবেন এবং আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করে দিবেন।

সো অন্যরা কি করলো সেটার জন্য বসে না থেকে বরং আমার ঈমানের তাগিদে আমাকে এগিয়ে যেতে হবে এবং আমি যে কমিউনিটিতে থাকি আমি যে মানুষজনের জন্য থাকি তারা যখন দেখি কোন ক্ষতির দিকে চলে যাচ্ছে তাদেরকে সেই ক্ষতি থেকে বাঁচানোর জন্য আমাকে চেষ্টা করতে হবে। যখন আমরা দেখবো যে কমিউনিটিতে কোন এফর্ট চলছে মানুষকে সৎপথে নেওয়ার জন্য তখন আমি আমার সাধ্যমত সেটাতে এগিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করব।

সো এখানে আমরা দেখি যে হাবিব নাজ্জার তার একটা উদাহরণ আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন যে তার যে ফিজিক্যাল চ্যালেঞ্জ তার যে অসুস্থতা সমস্ত কিছুকে অতিক্রম করে তিনি হচ্ছেন সেই বিরোধিতার কথা জেনেও সত্যকে সবার সামনে তুলে ধরেছেন এবং এই যে ঘটনাটা আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন এটার উদ্দেশ্য এটাই যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে দেখাচ্ছেন পাওয়ার অফ কনভিকশন যখন আমরা ঈমান আনি এবং ঈমানের যে মূল কথা সেটা আমরা বুঝতে পারি সেটাই আমাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করবে এবং আমার কি করণীয় সেটা আমাদের আমাদেরকে বুঝিয়ে দিবে।

হাবিব নাজ্জারের এই স্টোরিটা হচ্ছে একটা স্টোরি অফ সিনসিয়ারিটি এন্ড আর্জেন্সি। এই স্টোরিটা হচ্ছে আমাদেরকে শিখায় কিভাবে হেদায়েতের পথে নিজে টিকে থাকতে হয়। যেকোনো ধরনের এডভার্সিটি অথবা কঠিন অবস্থার মধ্যেও এবং কিভাবে অন্যদেরকে সেটা থেকে বের করে আনার জন্য চেষ্টা করতে আমাদেরকে সাহস যোগায়। সো এই গল্পটার মাধ্যমে ঘটনাটার মাধ্যমে আমরা আসলে দেখি যে আমাদের যে অ্যাকশন আমাদের যে ঈমান সেটার একটা রিফ্লেকশন আমাদের সমাজের মধ্যে থাকবে। আমরা কি করছি সেটা শুধুমাত্র ঘরের কোনায় বসে করার জন্য না। বরং যখন দরকার তখন আমাকে এগিয়ে আসতে হবে। এবং এই মেসেজটা যদি আমরা ইন্টারনালাইজ করতে পারি তাহলে সেখানে আমাদের যে ফেথফুলনেস আমাদের ঈমানের যে সিনসিয়ারিটি সেটা আমরা বুঝতে পারবো এবং রাসূলদের যে অনুসরণ করা সেই রাসূলদের অনুসরণ করার ব্যাপারে আমাদেরকে আসলে খুবই সচেতন হতে হবে।

ইসলাম দ্বীন এটা যে কোর মেসেজ সে কোর মেসেজটা আসতেছে এই কোরআনের মাধ্যমে এবং এর প্র্যাকটিক্যাল যে স্ট্রাকচার যে ফ্রেমওয়ার্ক কিভাবে আমরা এটাকে ইমপ্লিমেন্ট করব সেটা আসতেছে মেসেঞ্জারদের মাধ্যমে সো আদারওয়াইজ এটা পুরাটাই থিওরি হয়ে থাকবে এটা আমাদের কোন কাজে লাগবে না। সো এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে এই একজন মানুষের জীবনের ঘটনা উল্লেখ করে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে আসলে কতগুলা কাজের ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করছেন সচেতন হওয়ার জন্য আমাদেরকে আহ্বান করছেন। এই লোক মেসেঞ্জাররা কি করছে? তাদের দায়িত্ব এটা সেটা মনে না করে সে নিজের যে দায়িত্ব সেটার ব্যাপারে সচেতন থেকেছে।

এখানে আমরা দেখি যে বুখারী শরীফের একটা হাদিসে বলা হয়েছে একটা সুন্দর উদাহরণ ঘটনা বলে দেওয়া হয়েছে যেখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানা তাআলার নির্দেশ যারা পালন করে এবং যারা হচ্ছে সে নির্দেশকে অমান্য করে তাদের যে একটা কম্পারিজন তুলনা আমরা সেখানে দেখতে পাই যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা একটাশিপ বা জাহাজের উদাহরণ এখানে দিয়েছেন যেটা যেখানে আমরা দেখি এটার হচ্ছে আপার কম্পার্টমেন্ট রয়েছে লোয়ার কম্পার্টমেন্ট রয়েছে সো উপরতলায় যারা থাকে তারা হচ্ছে মোর হচ্ছে আমরা জানি যে যারা হচ্ছে একটু ধনী প্রভাবশালী সম্পদশালী তারা হচ্ছে উপরতলায় থাকছে এবং নিচতলায় যারা আছে তারা হচ্ছে গরীব বা তারা হচ্ছে পুরো সেরকম বোঝানোর জন্য তো এরকম হলো যে উপরতলায় যারা থাকে তাদের এখানে হচ্ছে পানি সাপ্লাইয়ের ব্যবস্থা রয়েছে নিচতলার লোকদেরকে উপরতলায় যেতে হচ্ছে সে পানি পাওয়ার ার জন্য এবং এতে উপরতলার লোকেরা খুবই বিরক্ত হচ্ছে। তখন নিচতলার লোকেরা ঠিক করল ঠিক আছে আমরা যখন উপরে যেতে পারছি না তারা বিরক্ত হচ্ছে তখন আমরা এই জাহাজের নিচে একটা গর্ত করব তাহলে নিচের থেকে আমরা পানি পেতে থাকবো। সো উপরতলার লোকেরা তখন বলতে লাগলো যে তোমাদের কি সমস্যা? তখন তারা বলল যে তোমরা আমরা যে তোমাদের এখানে পানি আনতে যাই সেটাতে তোমরা অনেক বেশি ট্রাবল হচ্ছ। তোমাদের সমস্যা হচ্ছে, কষ্ট হচ্ছে। সো সেজন্য আমরা নিচে থেকে গর্ত করে পানি পাওয়ার ব্যবস্থা করছি। তা আমরা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছি যে নিচে যখন গর্ত করা হচ্ছে ফুটো করা হচ্ছে সেটা দিয়ে নৌকাতে বা জাহাজে পানি ঢুকছে তার মানে কি? একসময় এই নৌকাটা বা জাহাজটা ডুবে যাবে। কিন্তু এই কাজে কার্যকারণটা আমরা এখানে দেখি যে সেই উপরতলার লোকেরা তারা যদি বিরক্ত না হতো তারা যদি দেখতো যে যারা ভুল পথে পদক্ষেপ নিচ্ছে তাদেরকে সেই কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য চেষ্টা করতো এবং তারা সহনশীল হতো এবং তাদেরকে সেখান থেকে তাদের উপরতলা থেকে পানি নেওয়ার কালেকশন করার সুযোগ দিত তাহলে কিন্তু এই ঘটনাটা হতো না।

তো আমাদের অবস্থা হচ্ছে এরকম আমরা মনে করি যে যাক আমার তো কোন ক্ষতি হচ্ছে না। তার হচ্ছে তার যা ইচ্ছা তা হোক। আমার এ ব্যাপারে নাক গলানোর দরকার নাই। আমার এ ব্যাপারে কথা বলার দরকার নেই। সো কমিউনিটির মধ্যে আমরা দেখি এ ধরনের মানুষ রয়েছে। আমরা দেখব যে তারা মসজিদে হচ্ছে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য একদম সবার আগে সবার আগে যে হাজির হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কমিউনিটির কোন কাজে সমাজের কোন কাজে তাদেরকে দেখা যায় না। মসজিদে নামাজ পড়া অবশ্যই একটি ভালো কাজ। কিন্তু সেই নামাজ পড়া আমাকে উদ্বুদ্ধ করার কথা যে কমিউনিটির লোকদেরকে সেই করার জন্য আমি তাদের জন্য এগিয়ে যাব যেমন ভাবে আমি নামাজের কাতারে এগিয়ে আসছি কিন্তু তারা কমিউনিটি কোন কাজের মধ্যেই তাদেরকে দেখা যাবে না কারণ তারা মনে করে যে এটা তাদের মাথা ব্যথা তারা ধ্বংস হয়ে গেলে আমার কিছু করার নাই আমি আমার ঈমান নিয়ে টিকে থাকবো কিন্তু আমরা এটা বুঝি না যে একটা সমাজ যখন ধ্বংস হতে থাকে সেটার এফেক্ট আমার উপরেও পড়বে যেটা হাবিবান নাজ্জার বা সেই লোক বুঝতে পেরেছিলেন ওই জনপদের মধ্যে এবং তিনি তার নিজের তাগিদে সে মানুষদেরকে সচেতন করার জন্য এগিয়ে এসেছিলেন।