📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Surah Ya Sin || Part 23: Ayah 17|| Convey Message Clearly !!

Straight Path12:30

Transcription

সূরা ইসনের 17 নাম্বার আয়াতে বলা হচ্ছে, "ওমা আলাইনা ইল্লাল বালাগুল মুবিন।" পরিষ্কারভাবে আল্লাহর বাণী পৌঁছে দেওয়াই আমাদের দায়িত্ব। তাহলে আমরা আগের আয়াতেও দেখলাম যে তারা এ কথাই শুধু বলে যাচ্ছেন যে আমরা আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত রাসূল। এ ব্যাপারে আল্লাহ জানেন। এখানে অস্বীকার করার কোন কিছু নাই এবং আমাদের কাজ যেটা সেটা হচ্ছে যে পরিষ্কারভাবে আল্লাহর বাণীকে তোমাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

সো, এখানে এই লোকদের সাথে এখনকার সিচুয়েশনটা যেটা সেটা আমরা দেখি যে দিন দিন পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে, আরো বেশি কঠিন হচ্ছে। তারা বেশ আরো বেশি রুড হচ্ছে, এগ্রেসিভ হচ্ছে। তারা বিভিন্নভাবে তাদেরকে অপ্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। তারপরও আমরা দেখি যে এই রাসূল, তাদের কথা যে রাসূলগণ এসেছেন তারা হচ্ছে তাদের কথা কন্টিনিউ করে যাচ্ছেন। সো, তাদের কাজ হচ্ছে পরিষ্কারভাবে আল্লাহর বাণী পৌঁছে দেওয়া এবং সেটাই তারা কন্টিনিউয়াসলি করে যাচ্ছেন এবং সে মেসেজটাকে যেভাবে পৌঁছে দেওয়ার কথা আল্লাহ সুবহানা তায়ালা বলেছেন, সেই মেসেজটাই তারা পৌঁছে দিচ্ছে।

সো, এখানে আমরা দেখি যে তারা তাদেরকে ফোর্স করে নাই, তাদের উপরে জোর করে চাপিয়ে দেয় নাই। বরং আল্লাহ সুবহানা তায়ালা যে দায়িত্ব তাদেরকে দিয়েছেন, বারবার সে দায়িত্বের উপরেই তারা ফোকাস করছেন। এখানে যে কথা বলা হয়েছে যে "ওয়ামা আলাইনা", যে আমরা তোমাদের উপরে আমাদের তোমাদের উপরে আমাদের যে দায়িত্ব সেটা হচ্ছে এরকম যে এটা সেটা ছাড়া অন্য কিছুই না। যে কাজটা আমাদের জন্য পাঠানো হয়েছে সেটা হচ্ছে "বালাগুল মুবিন", যে সঠিকভাবে ক্লিয়ারভাবে তোমাদের কাছে মেসেজটা পৌঁছে দেওয়া। এটাই হচ্ছে স্পেসিফিক রেসপন্সিবিলিটি। তো উম্মত দায়ী হিসাবে আমাদের কাজ হচ্ছে আসলে কে দ্বীনের পথে আসবে আসবে না সেটা জাজ করার কোন সুযোগ আমাদের নাই। আমাদের কাজ হচ্ছে ক্লিয়ারলি মেসেজ পৌঁছিয়ে দেওয়া।

এখানে যে কথাটা বলা হয়েছে যে "বালাগাল মুবিন", এইটা হচ্ছে খুব ইম্পর্টেন্ট একটা ইনফরমেশন বা ইম্পরটেন্ট ওয়ার্ডস বলব যেটা আমাদের জন্য ইম্পরটেন্ট বুঝায় সেটা হচ্ছে "বালাগা"। "বালাগা" শব্দের অর্থ কি? পৌঁছানো। সো, এখানে আমরা দেখি যে এটা হচ্ছে কমিউনিকেশন করা। যে আমরা ইনফরমেশনটা ঠিকমত পৌঁছে দেওয়া সেটাই হচ্ছে "বালাগা"। সো, একটা মেসেজ ডেলিভারি দেওয়ার যে প্রসেস, সেই প্রসেসটা এখানে বলা হয়েছে এবং "বালাগা" শব্দটা দিয়ে বুঝানো হয় যে মেসেজটা এমনভাবে কারো কাছে পৌঁছানো যেন এটা সঠিকভাবে যাকে কাছে যাওয়া দরকার তার কাছেই ডেলিভারি দেওয়া হয় এবং সেটা তার অন্তরে প্রবেশ করে। যে একজন মানুষের হৃদয়ে যখন যেয়ে সেটা আঘাত করবে তখন সেটাকে "বালাগা" বলা হয়ে থাকে। তো এটা হচ্ছে একটা পাওয়ারফুল কমিউনিকেশন সিস্টেম। যেটা হচ্ছে যে মেসেজটা আমরা দিব সেটার একটা ইমপ্যাক্ট থাকবে।

তা আমরা মেসেজ আসলে দিতে পারি যেকোনভাবে। একটা কথা বলতে হবে। বলে ফেললাম সেটা না। বরং "বালাগা" শব্দের অর্থ হচ্ছে এমনভাবে কথাটা যার কাছে পৌঁছানো দরকার তাকে আমরা এমনভাবে উপস্থাপন করব যেটা তার অন্তরে স্থান পাবে। আবার তার সাথে আমরা দেখি যে বলা হয়েছে "মুবিন"। "আল মুবিন" শব্দের অর্থ হচ্ছে যেটা অর্থ হচ্ছে ক্লিয়ার, যে সেলফ ক্লারিফাইং। যে এই ডেলিভারিটা কিরকম হতে হবে? এই ডেলিভারিটা হচ্ছে ভেরি ক্লিয়ার, প্রেসাইজ এবং আন্ডারস্ট্যান্ডেবল মেসেজ। এটাই আমাদের কাজ। সো, এটা শুধুমাত্র মেসেজ পৌঁছানো না, মেসেজটা হচ্ছে ক্লিয়ারলি পৌঁছানো। যে কথাটা বলা হচ্ছে সেই কথাটা বোধগম্য কিনা, তার আন্ডারস্ট্যান্ডিং লেভেল অনুযায়ী হচ্ছে কিনা, সেটা আমাদেরকে চিন্তা করতে হবে।

স, এখানে অন্য কোন কিছুর দরকার নাই আসলে। যে আমরা অন্য কোন মাধ্যমে বা অন্য কোন কিছু দিয়ে মানুষকে বুঝানোর চেষ্টা করব সেটা প্রয়োজন নাই। আমাদের জন্য কোরআনই এনাফ। কোরআনের কথাগুলো আমরা যদি সঠিকভাবে মানুষকে বুঝাতে পারি, তাদের অন্তরে স্থান দিতে পারি তাহলেই হচ্ছে আমাদের দাওয়াত সম্পূর্ণ হলো। সো, এখানে আমরা দেখি যে তাদের তারা কন্টিনিউয়াসলি একটা কথাই বলে যাচ্ছেন। তারা মেসেঞ্জার, তাদের কাজ হচ্ছে আল্লাহর কথাগুলো প্রচার করে যাওয়া। সো, এটাই তাদের জব এবং এই জবটা করার ব্যাপারে আমরা দেখি যে তারা নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের কাজে কোন ধরনের কিন্তু যত বাধাই আসুক, কাজ বন্ধ হচ্ছে না। স, এটা এফেক্টিভ কমিউনিকেশন হচ্ছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় ইসলামের দাওয়াত দেওয়ার ক্ষেত্রে।

সো, শব্দ হচ্ছে একেকটা উইপনের মত, অস্ট্রিয়ের মত। সো, সেই অস্ট্রেয়ার যে টার্গেট সেটা হচ্ছে মানুষের অন্তর। সো, আমাদের কথাগুলো এমন হতে হবে যেন এটা আমাদের কান দিয়ে প্রবেশ করে আমাদের অন্তর পর্যন্ত, হৃদয় অন্তর পর্যন্ত চলে যায় এবং সে অন্তরে যেয়ে এটা সুন্দর একটা জায়গা খুঁজে নিতে পারে। সো, এই "বালাগুলল মুবিন"টা হচ্ছে যেন তেন কমিউনিকেশন না। এটা হচ্ছে একটা ট্রান্সফরমেটিভ কমিউনিকেশন যার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে পরিবর্তন আসবে, চেঞ্জ আসবে। মূলত চেঞ্জটা আসে আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছ থেকে। তিনি আমাদেরকে জীবন থেকে মৃত্যু দেন। তিনি হচ্ছেন আল মহি, তিনি হচ্ছেন আল মুমিন। তিনি আমাদেরকে আবার মৃত্যু থেকে জীবন দান করতে পারেন। তিনি আমাদের রিসাসিটেট করেন। তিনি আমাদের জীবন ধারণের প্রয়োজনীয় সমস্ত কিছু দেন। আমাদের কাজ হচ্ছে মেসেজটা সঠিকভাবে ডেলিভারি দেওয়া।

সো, উই হ্যাভ টু গিভ আওয়ার বেস্ট। যে আমরা যখন আমাদের বেস্ট এফর্ট দিব তখন আল্লাহ আমাদেরকে সাহায্য করবে। কিন্তু আমাদের ফার্স্ট কাজ হচ্ছে ফাস্ট স্টেপটা আমাদেরকে দিতে হবে। আমরা যখন এক পায়ে এগিয়ে যাব আল্লাহ তখন দুই পায়ে এগিয়ে যাবেন। আমরা যখন হেঁটে আগাবো আল্লাহ তখন দৌড়ে আগাবেন। কিন্তু ফাস্ট স্টেপটা আমাদেরকে দিতে হবে। ফার্স্ট কাজটা আমাদেরকে শুরু করতে হবে। সো, রাসূলদের জব ছিল কি? ক্লিয়ারলি মেসেজটাকে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যেন মানুষের মাঝে পরিবর্তন আসে। এটাই হচ্ছে "বালাগুল মুবিন"।

স, আমাদের কাজ হচ্ছে যে মানুষেরকে সঠিকভাবে সঠিক কথাগুলো সঠিক মানুষের কাছে সঠিক ভাষায় সঠিক পরিবেশে উপস্থাপন করব যাতে তার মধ্যে চেঞ্জ আসতে পারে। "মুবিন" শব্দটা আরেকটা জিনিস আমরা দেখি যেটা আবানা থেকে আসছে। সেটার অর্থ হচ্ছে কোন জিনিসকে সেপারেট করা। এই "বালাগল মুভিন"টা হচ্ছে এমন ধরনের মেসেজ যেটা হচ্ছে সত্য থেকে মিথ্যাকে সেপারেট করতে পারে। সো, "বালাগা" মানে কোন একাডেমিক প্রেজেন্টেশন না। যে বোরিং ওয়েতে কোন একটা থিসিস পড়ে গেলাম। কোন একটা ফর্মুলা বলে গেলাম সেটা কিন্তু "বালাগা" না। "বালাগা" হচ্ছে যেটা হৃদয়কে স্পর্শ করে যায়।

তাহলে এই যে মেসেঞ্জাররা এসেছেন তারা বললেন যে একজন মেসেঞ্জারের রোল কি? একজন দায়ীর রোল কি? যারা সত্যকে মানুষের কাছে তুলে ধরতে চায়, কোরআনের কথাকে মানুষের কাছে তুলে ধরতে চায় তাদের দায়িত্ব হচ্ছে ক্লিয়ারলি এবং এফেক্টিভলি সে মেসেজটাকে তুলে ধরা। আউটকাম কি হবে, এটা কি একসেপ্ট করবে নাকি রিজেক্ট করবে সেটা আমরা জানিনা। সেটা নির্ধারণ করার দায়িত্ব আল্লাহ সুবহানাতায়ালা। তিনিই ভালো জানেন কার জন্য তিনি সেটাকে কবুল করবেন, কার জন্য কবুল করবেন না। কিন্তু আমার দায়িত্ব হচ্ছে এই কথাগুলোকে পৌঁছে দেওয়া এমনভাবে যেন হৃদয়ে একটা জায়গা করে নিতে পারে। আমরা যদিও চাই যে প্রত্যেকটা মানুষ যার কাছে আমরা যাই সে বিশ্বাস করুক, সে গাইডেড হোক। কিন্তু আল্লাহ হচ্ছেন সর্বময় ক্ষমতা অধিকারী। তিনি হচ্ছেন মানুষের মনের কন্ট্রোলার। যেটা আমরা বলি, "ইইয়া মুকাল্লিবুল কলব, সাবিত কলবি আলা দিনিক।" তিনিই হচ্ছেন আমাদের কলবের কন্ট্রোলার। সুতরাং তার কাছেই হচ্ছে আমরা দোয়া করব। আমরা এখানে আমাদের কাজ হচ্ছে প্রেজেন্ট করা। কোন শক্তি দেখানো না, কোন শক্তি প্রয়োগ করানো না। এবং যখন হচ্ছে আমরা দেখি বিরোধিতা হয়েছে সে পরিস্থিতিতে আমরা আমাদের কনভিকশন এবং কনভিডেন্স নিয়ে আমরা আমাদের কাজে এগিয়ে যাব যখন যেভাবে প্রয়োজন হয়।

সূরা ইব্রাহিমে বলা হয়েছে, "হালাগুল নাস" যে এই "বালাগের" কথা এখানে বলা হয়েছে যাতে এত দ্বারা ভীত হয় এবং যাতে জেনে নেয় যে উপাশ তিনি একক এবং যাতে বুদ্ধিমানরা চিন্তাভাবনা করে। যারা হচ্ছে "উলুল আলবাব", যাদের বুদ্ধি রয়েছে যাদেরকে আল্লাহ আকল দিয়েছেন তারা ঠিকই যখন তাদের কাছে এই সত্যটাকে উপস্থাপন করা হবে সঠিকভাবে তারা সেটাকে কবুল করে নিবে। সো, এখানে আমরা দেখি যে "বালাগা" দিয়ে এই দায়িত্বটাকেই বুঝানো হয়েছে যে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় কনভে করা, পৌঁছে দেওয়া, সঠিকভাবে উপস্থাপন করা।

এবং সূরা মায়েদাতে বলা হয়েছে, "হে রাসূল পৌঁছে দিন আপনার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে আপনার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে আর যদি আপনি এরূপ না করেন, তবে আপনি তার পয়গাম কিছুই পৌঁছালেন না। আল্লাহ আপনাকে মানুষের কাছ থেকে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফেরদেরকে পথ প্রদর্শন করেন।" তাহলে আমরা এখানে দেখি যে যে দায়িত্ব মেসেঞ্জারদেরকে দেওয়া হয়েছে সে দায়িত্বটা হচ্ছে প্রতিপালকের পক্ষ থেকে যা কিছু এসেছে সেগুলোকে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। সো, এটাই হচ্ছে দায়িত্ব এবং এই কোরআনের কথাগুলোকে পৌঁছে দেওয়ার মেইন দায়িত্ব এখন আমাদের উপরে এসে পড়েছে।

এবং মেসেঞ্জাররা এখানে ক্লিয়ারলি উপস্থাপন করেছেন যে আল্লাহ সবচেয়ে ভালো জানেন যে তারা তার পক্ষ থেকেই তারা মেসেঞ্জার হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন এবং আল্লাহর যে নলেজ তাদেরকে দিয়েছেন এবং যে সত্যটা তাদেরকে জানিয়েছেন সেটাই তারা সিম্পলি তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছে। এর বাইরে কোন কিছুর জন্য তারা রেসপন্সিবল না। তোমরা এখন এটাকে গ্রহণ করো আর নাই করো। আমাদের কাজ হচ্ছে ডেলিভার করা এবং এটাই আমরা করে যাব। এবং যা কিছুই হচ্ছে এই মেসেজ গ্রহণ করা বা না গ্রহণ করার যে উপকারিতা অথবা ক্ষতি সেটা তোমাদের জন্যই এবং তোমরা রিজেক্ট করলেও সেটা তাদের জন্য ক্ষতির কোন কারণ হবে না।

তো এখানে আমরা দেখি যে 13 থেকে 17 নাম্বার আয়াত পর্যন্ত দুইটা জিনিস বিশেষত্ব আমাদের সামনে এসেছে। একটা হচ্ছে যে এই যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা যে সুন্দরভাবে সুন্দর কথার মাধ্যমে আমাদের সামনে কথাগুলো উপস্থাপন করেছেন সেটা আমরা দেখতে পাই যে "ইন্না ইলাইকুম মুরসালুন"। এখানেই "ইন্নাইলাইকুম মুরসালুন", "ইন্না ইলাইকুমলা মুরসালুন"। মোস্ট ডেফিনেটলি আল্লাহ সুবহানাতালা এত সুন্দরভাবে কথাটাকে উপস্থাপন করেছেন আমাদের সামনে যে আমরা দেখতে পাই যে প্রথমা প্রথম অংশে বলা হয়েছে যে আমরা তোমাদের উপরে রাসূল হিসেবে নিয়োজিত হয়েছি বা প্রেরিত হয়েছি। এরপরে আমরা দেখি এক্সট্রা "লাম" দিয়ে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা এখানে বুঝিয়ে দিচ্ছেন যে প্রথমবার তারা নিজেদেরকে ইন্ট্রোডিউস করেছেন। কিন্তু যখন বারবার তারা এই বিভিন্ন ধরনের আর্গুমেন্ট তাদের সামনে উপস্থাপন করছে তখন এটা শুধু ইন্ট্রোডাকশন না, তখন তারা হচ্ছে এটার উপরে আরো বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন যে আমরা হচ্ছে প্রেরিত পুরুষ। আমাদেরকে পাঠানোই হয়েছে এই কাজের জন্য। সো, এই যে মেসেজটা এটা আমাদের মেসেজ না, এটা পাঠানোই হয়েছে সে রাব্বুনা, আমাদের লর্ডের কাছ থেকে।

এবং সেকেন্ড যে জিনিসটা আমরা এখানে আরো দেখতে পাই সেটা হচ্ছে যে এই আয়াতগুলোর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম এবং তার অনুসারীদেরকে সান্ত্বনা দেওয়া। কুরাইশরা আমরা দেখি যে মোর এন্ড মোর এগ্রেসিভ এবং অফেন্সিভ হচ্ছিল। কিন্তু আল্লাহ সুবহানা তায়ালা এখানে মুমিনদেরকে বলছেন যে তোমরাই প্রথম ব্যক্তি না যারা এটা এক্সপেরিয়েন্স করছো। বরং এমন জনপদও আছে যেখানে হচ্ছে তিনজন রাসূল একের পর এক এসে তাদেরকে একসাথে দাওয়াত দিয়েছে তারপরেও তারা হচ্ছে রিফিউজ করেছে। স রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম যে তার দায়িত্ব নিয়ে এত বেশি চিন্তিত ছিলেন, এত বেশি উদ্দিগ্ন ছিলেন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তার উপর থেকে সেই দায়িত্বের ভার বা দায়িত্বের কষ্টকে কমিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি বলছেন যে এটা তোমার কাজ হচ্ছে শুধুমাত্র ক্লিয়ারলি মানুষের কাছে উপস্থাপন করা এবং যদি তুমি সেটা করো তাহলে তোমার দায়িত্ব শেষ। বাকিটা হচ্ছে আল্লাহ সুবহানা তাআলার হাতে।