Transcription
বাংলাদেশ গোটা বিশ্বের অন্যতম সম্ভাবনাময় একটি দেশ। 17 কোটি মানুষের এই দেশে শুধুমাত্র ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীতেই পড়াশোনা করছে প্রায় এক কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী। আর এরাই কিন্তু আগামীর বাংলাদেশ।
2023 সালে বাংলাদেশের প্রথাগত কারিকুলামে এসেছিল বিশাল এক পরিবর্তন। কিন্তু সেই পরিবর্তনের জন্য আমাদের শিক্ষার্থী, শিক্ষক কিংবা অভিভাবক কেউই আসলে রেডি ছিল না। নতুন কারিকুলামে নবম দশম শ্রেণীতে থাকছে না বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগ বিভাজন। আমরা এই নতুন কারিকুলাম মানি না, মানবো না। স্কুলে বাচ্চাদেরকে রান্না শেখানো, কাগজ কাটা, কাগজ কাটা! আমার বাচ্চা কি খোলা বানানো শিখবে? নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষক হিসেবে আমি সমস্যা ফিল করছি যে বিজ্ঞানের উপর ভর করে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব, সেই বিজ্ঞানের প্রতি ছিল অবহেলা। শুধু তাই না, শিক্ষার্থীরা আসলেও কিছু শিখতে পারছে কিনা সেটা বোঝারও আসলে কোন উপায় ছিল না।
তবে চিন্তার কোন কারণ নেই। নতুন বছরে পড়াশোনা ফিরছে আগের রূপে। এবার মেধার যাচাই হবে শতভাগ। শিক্ষার্থীরা আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ, তাই ছোটবেলা থেকেই তাদেরকে এমন ভাবে তৈরি করতে হবে যাতে করে তারা জয় করতে পারে গোটা বিশ্বকে। আর এসিএস ফিউচার স্কুলে আগামীরা এই লিডারদের গড়তে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞা।
এতদিন এসিএস এর কার্যক্রম ছিল এইচএসসি ও ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্রিক। তোমাদের সিনিয়র ভাইয়া আপুরা এসিএস কে চিনত কলেজে ভর্তি হওয়ার পর বা ভর্তি পরীক্ষার সময়। তখন তাদের একটাই কথা, "আপনাদের আগে কেন পেলাম? আপনাদের আগে পেলে হয়তো আমাদের পড়াশোনাটা আরো সহজ হয়ে যেত।" তোমাদের এই অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। আমাদের সিনিয়র ভাইয়া আপুরা যেটা পায়নি, তোমরা এবার সেটা পেতে যাচ্ছ। আমাদের পুরো অভিজ্ঞতা নিংড়ে দিতে এবার আমরা আসছি তোমারই পড়ার টেবিলে।
একজন শিক্ষার্থীর জীবনে তার বাবা-মায়ের পরে সবচাইতে বড় ভূমিকা রাখে তার শিক্ষক। সেটা হোক পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন কিংবা তার নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ গঠন। সব ক্ষেত্রেই তাই এসিএস ফিউচার স্কুলে তোমরা কাদের কাছে পড়বে এটার উপরে গুরুত্ব দিয়েছি আমরা সবচাইতে বেশি। আর তাইতো তোমাদের পড়াতে আমরা একত্রিত করেছি মেধাবী, দক্ষ ও অভিজ্ঞ এমন একঝাক তরুণ শিক্ষক নিয়ে। দেশের সবচাইতে সেরা টিচার প্যানেল বুয়েট, মেডিকেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশ সেরা সব ইনস্টিটিউটের ভাইয়া আপুদের পাত্র তোমাদের শিক্ষক হিসেবে।
এসএস ফিউচার স্কুল থেকে পুরো একটা জেনারেশনের ফিউচার বিল্ড করার দায়িত্ব নিতে চাই আমরা। সবাই মিলে একটা গোটা জেনারেশনকে এমন ভাবে গড়ে তুলতে চাই যাতে করে তারা পাল্লা দিতে পারে উন্নত বিশ্বের সাথে। যা দেখো বইয়ের পাতায়, তাকে লেখো পরীক্ষার খাতায়। স্কুল জীবনে পড়ালেখার গোল কিন্তু কেমন মুখস্ত করে ভালো নম্বর অর্জন। বরং তুমি যদি সঠিক পদ্ধতিতে বুঝে বুঝে নিয়ম মাফিক পড়ালেখা করো, ভালো ফলাফল করার পাশাপাশি কিন্তু সেগুলো তোমরা রিয়েল লাইফেও কাজে লাগাতে পারবে।
তাই এসিএস ফিউচার স্কুলে থাকছে দেশের টিচারদের সাথে বছরব্যাপী পর্যাপ্ত সংখ্যক লাইভ ক্লাস। যেখানে আমরা রিয়েল লাইফ এক্সাম্পল দিয়ে যেকোনো টপিকের সকল কনসেপ্ট ক্লিয়ার করে দিব। ক্লাস সিক্স, সেভেন ও এইট এর জন্য থাকছে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ক্লাস। এবং ক্লাস নাইন ও টেন এর জন্য থাকছে বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন এবং জীববিজ্ঞান ক্লাস। ক্লাসে পড়া ক্লাস বুঝছো কিনা তা যাচাইয়ের জন্য থাকছে রিয়েল টাইম পুল। আর কোন কনফিউশন থাকলে কমেন্ট করে ক্লিয়ার করে নিতে পারবে ইনস্ট্যান্টলি। প্রতিটা চ্যাপ্টার শেষে পেয়ে যাচ্ছ আমাদের টিচারদের তৈরি স্পেশাল নোট। ক্লাস শেষে পড়াশোনা যেন নিরুদ্দেশ হয়ে না যায় সেজন্য থাকছে আফটার ক্লাস অ্যাসেসমেন্ট বা পোস্ট চ্যাপ্টার কুইন। ক্লাস মিস করলেও চিন্তা নেই, সব ক্লাস থাকবে রেকর্ডেড। প্রয়োজন মতো দেখে নিতে পারবে যখন খুশি তখন, এমনকি পরীক্ষার আগের রাতেও। আর সাথে থাকছে 24/7 আনলিমিটেড কুইজ। যত খুশি প্র্যাকটিস করতে পারলে। সপ্তাহ শেষে তোমার প্রোগ্রেস কতটুকু তা ট্র্যাক করতে কিন্তু থাকছে কান্ট্রি ওয়াইড লিডারবোর্ড। আর লিডারবোর্ডে নিয়মিত জায়গা করে নিতে পারলে এবং রেগুলার অ্যাপে যদি তুমি ক্লাস করো তাহলে কিন্তু তুমি পেয়ে যাবে রিওয়ার্ড পয়েন্টস। আর এই রিওয়ার্ড পয়েন্টস দিয়ে তুমি ক্লেইম করতে পারবে সব এক্সাইটিং রেওয়ার্ডস।
শুধু স্টুডেন্টস নয়, অভিভাবকদের জন্য থাকছে প্যারেন্টস প্রোফাইল। যেখানে সন্তানের পড়াশোনার প্রোগ্রেস দেখতে পারবেন সহজেই। শিক্ষার্থীর প্রোগ্রেস এবং সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে থাকবে মান্থলি প্যারেন্টস মিটিং। এছাড়াও অভিভাবকদের সচেতনতা এবং প্যারেন্টিং ডেভেলপমেন্ট নিয়ে আয়োজন করা হবে 44 টি ইফেক্টিভ সেশন। যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীর পড়াশোনা সহ ওভারঅল প্রপারলি সাপোর্ট করতে পারবেন।
আচ্ছা, তোমরা কি দেখছো অনেকক্ষণ ধরে আমাদের এই ফ্রেমের মধ্যে কে জানি ওকে ঝুঁকিয়ে দিচ্ছে? এই স্যার, এদিকে আসেন। এদিকে আসেন। ও হচ্ছে এআই বট না, ও হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম এআই স্টাডি বাডি, কিউরিসিটি। চলো আমরা দেখে নেই কিউরিসিটিতে তোমরা কি কি পাচ্ছ। কিউরিসিটি কেন তোমার স্টাডি বাডি জানো? কারণ তুমি যদি ওকে যেকোনো প্রশ্ন করো বা যেকোনো প্রশ্নের ছবি তুলে ওকে দাও, তাহলে সাথে সাথে সেই প্রশ্নের সমাধান ও করে দিবে। শুধু তাই না, তোমার কখন ক্লাস, কখন এক্সাম সে সম্পর্কে আপডেটও কিন্তু কিউরিসিটি তোমাকে দিয়ে দিবে। এবং তোমাদের মধ্যে প্রশ্ন হতে পারে যে ভাই, তাইলে কিউরিসিটি কি ঘুমায়? কিউরিয়াসিটি তোমাদের জন্য দিনে 24 ঘন্টা, সপ্তাহে সাত দিন অ্যাক্টিভ থাকবে। কিউরিসিটি নিয়ে আরো অনেক মজার তথ্য আছে তোমাদের সাথে সামনে ইনশাল্লাহ শেয়ার করব।
আমরা চাই আমাদের স্টুডেন্টদেরকে এমন ভাবে গড়ে তুলতে যেন তারা গ্লোবাল লেভেলে কম্পিট করার মত অলরাউন্ডার হয়ে ওঠে। আর তাই এসিএস ফিউচার স্কুল থেকে এই ওয়ার্ল্ড ক্লাস পড়াশোনার পাশাপাশি স্কিলস দুনিয়ায় আমাদের শিক্ষার্থীদের এগিয়ে রাখার জন্য নিয়ে আসছি এক্সক্লুসিভ ক্লাবস। আমাদের অনেকেরই ইংলিশে কথা বলতে নিলে গা ছমছম করে, হাত পা ঠান্ডা হয়ে যায়। ঠিক সেই সমস্যাটাকে সলভ করতেই ইংলিশের বেসিক থেকে স্টার্ট করে স্পোকেন ইংলিশ একদম কনফিডেন্ট হওয়ার জন্য লঞ্চ হচ্ছে স্পোকেন ইংলিশ।
আচ্ছা, কেমন হতো বলতো তোমাদের বয়ে থাকা সাদাগুলো লেখাগুলো চোখের সামনে তোমরা ভিজুয়ালাইজ করতে পারছো? নিত্য নতুন বিভিন্ন ধরনের আবিষ্কার ও প্রযুক্তি নিয়ে নিজেদের আপডেট করতে তোমাদের জন্য থাকছে সাইন্স ক্লাব। হেলদি থাকতে চাও কিন্তু? তাহলে কি করা যায়? স্পোর্টস এন্ড ফিটনেস ক্লাবে এখনই জয়েন করে ফেলো টু এনসিওর ইউর ফিজিক্যাল ওয়েলবিং। আর রিলিজম ক্লাবে নিজ ধর্ম সম্পর্কে জানো আরো ভালোভাবে। ধর্মের মূল শিক্ষা, শান্তি ও মূল্যবোধের উপর জ্ঞান অর্জন করতে যুক্ত হয়ে যাও আমাদের এই ক্লাবে। তোমরা যারা নিজের দক্ষতা এবং ক্রিয়েটিভিটি দেখে কিছু পড়তে চাও তাদের জন্য আর্টস এন্ড কালচার ক্লাব হতে পারে একদম পারফেক্ট চয়েস।
এসিএস ফিউচার স্কুল শুধুমাত্র একটা অনলাইন এডুকেশনাল প্লাটফর্মই না, বরঞ্চ আমাদের লক্ষ্য ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ বিকাশের জন্য প্রতিটি স্টেপে তাদের পাশে থাকা। নতুন বাংলাদেশে পড়াশোনার এক নতুন অধ্যায়ে তোমাদেরকে নিয়ে প্রবেশ করতে আমরা প্রস্তুত। তোমরা প্রস্তুত?