📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Surah Ya Sin || Part 18: Ayah 12/C || Everything is Recorded !!

Straight Path15:53

Transcription

তাহলে আল্লাহ সুবহানা তাআলা এখানে বলছেন যে আমরাই হচ্ছে মৃতকে জীবন দান করছি এবং আমরাই তোমরা যা কিছু পিছনে ফেলে আসছো এবং যা কিছু তোমাদের সামনে আছে সেগুলোকে লিপিবদ্ধ করে রেখেছি।

সো এখানে আসার শব্দটা বলা হয়েছে। সো এটার একটা অর্থ হলো যে আমরা যে কাজগুলো আসলে করে ফেলেছি সেগুলোর যে কনসিকুয়েন্স সেগুলোর যে পরিণাম সেখান থেকে যে ফলাফল আসছে সেই ফলাফলের কথা বলা হয়েছে। এটাকে যদি লিটারাল অর্থে ধরা হয় তাহলে দেখা যাবে যে এই আফলা শব্দের অর্থ হচ্ছে পারচিহ্ন। আমাদের ফুটস্টেপের কথা এখানে বলা হয়েছে।

যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের একটা ঘটনা। কিতাব স্বীকারগণ উল্লেখ করেছেন যে সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই আয়াতটা নাযিল হয়েছে এবং সেটা হচ্ছে মদিনা শহরের শেষ প্রান্তে বা শহরের বাইরের দিকে অবস্থিত একটা গোত্র ছিল সে গোত্রটার নাম হচ্ছে বনু সালিমা এবং বনু সালিমা গোত্রের ঘটনা প্রসঙ্গে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই কথাগুলো বলেছেন বলেও তাফসীকারকগণ জানিয়েছেন।

বনু সালিমা ইসলাম কবুল করার পর তাদের যখন তাদের কাছে ইসলামের কথা প্রথম আসলো তারা ইসলাম কবুল করল এবং ইসলামকে তারা কন্টিনিউয়াসলি সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছিল এবং তাদের যে অবস্থান ছিল যেখানে তাদের গোত্র অবস্থান করতো সেটা হচ্ছে বর্তমান যে জান্নাতুল বাকী সে জান্নাতুল বাকীর কাছাকাছি কিন্তু তখনকার জন্য শহরের শেষ প্রান্তে ছিল সো মসজিদে নববী থেকে তাদের দূরত্বটা অনেক বেশি হয়ে যেত স তারা ঠিক করল যে যেহেতু তাদের দূরত্বটা অনেক বেশি হয়ে যায় তারা বেশি বেশি হচ্ছে মসজিদে অবস্থান করতে পারছে না অনেক ডিস্টেন্স পার হয়ে তাদেরকে মসজিদে যেতে হচ্ছে তারা যদি কাছে অবস্থান করে তাহলে সে মসজিদে তারা খুব তাড়াতাড়ি যেতে পারবে এবং বেশি সময় অবস্থান করতে পারবে।

তো সেই প্রসঙ্গে দেখা গেল তারা সেটা প্ল্যান করতে লাগলো যে তারা তাদের বর্তমান অবস্থান থেকে সরে গিয়ে মসজিদের কাছাকাছি একটা অবস্থানে এখন থেকে থাকবে এবং সে যখন তাদের এ ধরনের চিন্তা আসলো যে তারা এই কাজটা করতে যাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের নিকটবর্তী হওয়ার জন্য তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম এই কথা শুনে তাদেরকে ডাকলেন এবং বললেন যে আমাদের কাছে আমার কাছে এই খবর এসেছে যে তোমরা মসজিদের কাছাকাছি স্থানান্তরিত হতে যাচ্ছ। তারা বলল হে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম আমরা এটা আশা করছি। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আ সাল্লাম বললেন যে হে বন সালমা তোমরা তোমাদের ঘরে অবস্থান করো। কারণ তোমাদের এই পায়ের ঝাপগুলো রেকর্ড করা হচ্ছে। তোমরা যেইভাবে পায়ের ফুট স্টেপ ইউজ করছো যত বেশি ফুট স্টেপ হচ্ছে সেটা আল্লাহ সুবহানা তা'আলার দরবারে রেকর্ড হচ্ছে। সো তোমরা তোমাদের ঘরেই অবস্থান করো এবং তোমাদের এই পায়ের চিহ্নগুলো আল্লাহ সুবহানা তা'আলার কাছে অলরেডি রেকর্ড হয়ে যাচ্ছে।

সো আমরা এখান থেকে দেখতে পাচ্ছি যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম তাদেরকে উৎসাহিত করলেন যে তারা দূরবর্তী অবস্থান থেকে পায়ে হেঁটে যে কষ্ট করে মসজিদে আসছে সে প্রতিটা পায়ে হাটা পায়ের চিহ্ন হচ্ছে আল্লাহ সুবহানা তা'আলার কাছে সংরক্ষিত হয়ে যাচ্ছে এবং তার মাধ্যমে তাদের যে সম্মান সেই সম্মান আল্লাহ সুবহানা তা'আলার কাছে বাড়ছে সো এখানে আমরা মূলনীতিটা কি দেখছি মূল মূল যে ভাবটা এখানে প্রকাশ পাচ্ছে সেটা সেটা হচ্ছে যে আমরা যখন কোন ভালো কাজ করি সেটার জন্য যে পরিমাণ এফোর্ট দেই সময় দেই যা কিছু ইনভেস্ট করি আমাদের নিয়ত সমস্ত কিছু হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার দরবারে লিখা হয়ে যাচ্ছে এর সাথে সংশ্লিষ্ট সমস্ত কিছু এবং আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সমস্ত কিছুই সংরক্ষিত করে রাখবেন এবং তার যেই ফলাফল সেটা আমাদেরকে দিবেন।

আমরা দেখি যে একজন সাহাবী বর্ণনা করেছেন এভাবে যে আমি একবার আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে নামাজ পড়ছিলাম নামাজের জন্য হেঁটে যাচ্ছিলাম এবং আমি খুব দ্রুত হেঁটে যাচ্ছিলাম। তখন আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু আমার হাত ধরলেন এবং আমার হাত ধরে তিনি কিছুটা দূরত্ব হেঁটে গেলেন। যখন আমরা নামাজ পড়লাম তখন আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন যে যখন আমি দ্রুত হেঁটে গিয়েছি জায়েদ ইবনে সাবিতের সাথে জায়েদ ইবনে সাবিত এবং তখন তিনি বললেন যে হে আনাস জায়েদ রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন যে হে আনাস তুমি জানো না যে প্রত্যেকটা ফুট স্টেপ প্রত্যেকটা পায়ের ছাপ রেকর্ড করা হচ্ছে তুমি কি জানো না যে প্রত্যেকটা পায়ের ছাপ রেকর্ড করা হচ্ছে। অর্থাৎ আমরা যখন মসজিদের দিকে হেঁটে যাই তখন সে প্রতিটা হাঁটা যে প্রতিটা কদম সেটা আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছে রেকর্ড হয়ে যাচ্ছে এবং সেটার জন্য আমাদের সওয়াবও বেড়ে যাচ্ছে।

সো তাফসীকারগণ বলেছেন যে এই আয়াতের যে ব্যাখ্যা সে অনুযায়ী যে যখন মানুষ মসজিদের দিকে হেঁটে যায় সেটা হচ্ছে রেকর্ড করা হয় এবং দূরত্ব বেশি হলে কদম বেশি হবে এবং সে কারণে তাদের সওয়াবও বেড়ে যাবে। সো একজন মানুষের যে ভালো কাজ সে ভালো কাজগুলো নিজেরা যখন করে সেটার জন্য যেমন সওয়াব হয় এখানে আমরা দেখি যে সাহাবারা তাবেঈনরা তারা একজন আরেকজনকে সেই ভালো কাজের শিক্ষা দিয়ে গিয়েছেন তাদের তারা যা শিখেছেন অন্য সিনিয়র সাহাবাদের কাছ থেকে তারা আবার অন্যদেরকেও সেটা শিখিয়েছেন এমনিভাবে তাদের কাজের যে ভালো কাজের কনসিকুয়েন্স সেটাও আমরা দেখি যে পরবর্তীতে অন্যরা সেটা অনুসরণ করার কারণে তাদের আমল সেখানে বৃদ্ধি পাচ্ছে স এভাবে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে বনু সালামার যে ফুটস্টেপ বা পায়ের ছাপের কথা বলা হয়েছে সে কদমের কথা হিসাবের কথাও আল্লাহ সুবহানাতায়ালার দরবারে রেকর্ড হয়ে যায় সে কথাটা এই আয়াতের মাধ্যমেও প্রমাণিত হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন আসারাহুম তাদের যে লাস্টিং এফেক্ট তাদের কাজের যে রিমেনিং এফেক্ট সেটার কথা এখানে বলা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে আমরা দেখছি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা একদিকে পায়ের ছাপের কথা বলছে একদিকে আমরা যে কাজগুলো করেছি সেই কাজের ফলাফলের কথা বলেছেন।

আরেকটা অর্থ এখানে হতে পারে সে অর্থটা হচ্ছে যে জাতিগুলো ধ্বংস হয়ে গিয়েছে তাদের কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ তাদের যে ধ্বংসাবশেষ সে ধ্বংসাবশেষ বুঝানোর জন্য আসারা বলা হয়েছে যে এই জাতিগুলোই একদিন সগর্বে এই দুনিয়ার বুকে নিজেদের দম্ভ প্রকাশ করে গিয়েছে। আভিজাত্য তাদের প্রভাব প্রতিপত্তি দেখিয়ে গিয়েছে। আজকে শুধু তাদের ধ্বংসাবশেষ তোমরা দেখতে পাচ্ছ। তোমরা যখন সফরের জন্য বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছো তখন এই ধ্বংসাবশেষের পাশ দিয়েই যাচ্ছো। এবং আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তাদের আমলগুলো লিখে রেখেছেন এবং তাদের যে ধ্বংসাবশেষ তোমরা দেখতে পাচ্ছ সেগুলো এজন্য তোমাদের জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে যেন তোমরা এখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারো। তোমরা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নাও।

তাহলে এই ধ্বংসাবশেষে কথা বুঝানোর জন্য হচ্ছে যেগুলো সেই জাতিগুলো তাদের পিছনে ফেলে গিয়েছে সেগুলো আমাদের জন্য হচ্ছে রিমাইন্ডার হিসেবে কাজ করছে আমরা যাতে সেই জাতিগুলোর পরিণাম সম্পর্কে সচেতন হই এবং নিজেদের কাজের ব্যাপারে সচেতন হই সে কথা এখানে বলা হচ্ছে সো প্রত্যেকটা কাজের কনসিকুয়েন্স ফলাফল আমাদেরকে ভোগ করতে হবে সো এ কথা চিন্তা করলেই আসলে গায়েশিউরে ওঠে যে আমাদের যে ভালো কাজগুলো সেগুলোর কনসিকুয়েন্স তো অবশ্যই সেগুলো ফলাফলের কারণে আমাদের আমলনামা অনেক সমৃদ্ধ হয়ে যাবে। হাউ এবাউট আওয়ার ব্যাড ডিডস আমরা যে খারাপ কাজ করে ফেলি খারাপ কথা বলে ফেলি খারাপ চিন্তা করে ফেলি এবং যে খারাপ কাজের প্রভাব আমরা সমাজে রেখে যাচ্ছি আমার পরিবারের মধ্যে আমার সন্তানের মধ্যে আমার কমিউনিটির মধ্যে যে আমাকে দেখে অন্যরা কোন খারাপ কাজে অনুপ্রাণিত হচ্ছে কিনা সেই ব্যাপারে আসলে আমাদেরকে অনেক অনেক বেশি সতর্ক হতে হবে। না হলে আমাদের অজান্তেই দেখা যাবে আমাদের আমলনামায় সে খারাপ কাজগুলোর পরিমাণ বাড়তেই থাকবে।

তারপরে আমরা দেখি আল্লাহ বলছেন ওলাশাইন ইমাম মুবিন প্রত্যেকটা জিনিস আহনা আমরা আহ শব্দটা শব্দটার অর্থ হচ্ছে কোন জিনিসকে সংরক্ষিত করে রাখা। এটাকে এমনভাবে সংরক্ষণ করা যেন এটা কখনোই হারিয়ে না যায়। এটাকে রেকর্ড করে রাখা। এটা মানুষের কাছে এক্সেসিবল হওয়া যেটা মানুষ সহজে দেখতে পাবে সেই অবস্থার মধ্যে রাখাকে ইহসা বলা হয়। পুরানো দিনে হচ্ছে মানুষ যখন খুব প্রেসাইজলি গণত যে একটা একটা পাথর একটা জালের মধ্যে রেখে যাতে হচ্ছে কখনো তাদের গোনার মধ্যে ভুল না হয়ে যায় সেভাবে সূক্ষ্মভাবে গোনার যে পদ্ধতি সেটাকেও হিসা বলা হয়ে থাকে।

তো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন যে আমরা এই প্রত্যেকটা জিনিসকেই হচ্ছে সুসংরক্ষিত করে রেখেছি। কোথায় সুসংরক্ষিত করে রেখেছি? ইমামিম মুবিন। ইমাম শব্দটার অর্থ হচ্ছে বুক অফ ডিডস। এই যে আমাদের আমলনামা। ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন যে ইমাম হচ্ছে আমাদের আমলনামার যে বই আমলের যে বই যে আমলনামা রয়েছে আমাদের নিজের কাজের যে রেকর্ড রয়েছে সেটাকে বোঝানো হয়েছে। কারণ হচ্ছে এটাকে মানুষের সামনে সেদিন প্রেজেন্ট করা হবে। মানুষের সামনে দেখানো হবে এবং আজকের দিনে হচ্ছে যারা যারা হচ্ছে ভালো কাজ করেছে সেদিন সেই তাদেরকে হচ্ছে যারা ডান হাতে হচ্ছে দেওয়া হবে তাদের আমলনামা এবং তার মানে হচ্ছে তাদের জন্য আল্লাহ সুবহানাতায়ালা জান্নাত লিখে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ এবং যারা হচ্ছে খারাপ কাজ করবে তাদের আমলনামা হচ্ছে তাদের বাম হাতে দেওয়া হবে।

সো এখানেও আমরা দেখি যে এই যে একাউন্টেবিলিটি আমার নিজের কাজের দায়িত্ব নিজে নেওয়ার যে শিক্ষা সেটা আল্লাহ সুবহানা তায়ালা এখানে দেখাচ্ছেন আমাদেরকে যে প্রত্যেকটা কাজে রেকর্ড করা আছে। সো তোমার কাজের কনসিকুয়েন্স তোমাকে ভোগ করতে হবে। সো তুমি এখনই সাবধান হও যে তোমার কাজ কি ধরনের ফলাফল তৈরি করছে পৃথিবীর বুকে। সো আমরা এই দুনিয়ার বুকে যা কিছু করি সেটাই আমাদের ফলাফল নির্ধারণ করবে আখেরাতে যে আমাদের জন্য কি আছে। সো এই দুনিয়াটা হচ্ছে আমাদের জন্য একটা মরেজিকার মত একটা মোহের স্থান এখানে বা এটা হচ্ছে আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হচ্ছে আমাদের আল্টিমেট রেজাল্টটা ডিপেন্ড করবে হচ্ছে আমরা এই দুনিয়ার এই মোহক্ষেত্রের মধ্যে কিভাবে নিজেদেরকে মোহমুক্ত রেখে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার জন্য নিজেদেরকে নিবেদিত করেছি সেটার উপরে।

সো আমাদের এই দুনিয়ার কাজের উপরে ডিপেন্ড করবে যে আমার আখেরাতের ফলাফল কি হবে। এ কারণেই বলা হয়েছে যে দুনিয়াটা হচ্ছে শস্যক্ষেত্র। এখন আমি এটাকে কিভাবে কাল্টিভেট করব? এখানে কি রকম ফসল ফলাবো? সেটাকে কিভাবে আমি পরিচর্যা করব সেটার উপরে ডিপেন্ড করবে আখেরাতে আমি কি ফসল তুলবো।

সো আমরা এখানে দেখি যে ইচ এন্ড এভরি সিঙ্গল থিং কুল্লাশাইন এটা হচ্ছে প্রথমেই এ কথা বলে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা এই শব্দটার উপরেই গুরুত্ব দিয়েছেন যে ছোটখাট কোন জিনিসই হচ্ছে বাদ পড়বে না প্রত্যেকটা ছোট ছোট ভালো কাজ সেটাও যেমন হিসাব করা হবে প্রত্যেকটা বিন্দু বিন্দু খারাপ কাজেরও হিসাব করা হবে সো কোন কিছুই আমাদের জন্য আসলে ফেলনা না প্রত্যেকটা জিনিসই হচ্ছে আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সেটাই হচ্ছে প্রিজার্ভ করে রাখা হচ্ছে সংরক্ষিত করে রাখা হচ্ছে এবং এই সংরক্ষণ তাফসীকারকন বলেছেন যে এদের দুইভাবে সংরক্ষণের কথা বলা হতে পারে এখানে একটা হচ্ছে যে ফেরেশতারা যে আমাদের কাজগুলো সারাক্ষণ লিখে রাখছেন কিরামেন কাতেবিন সম্মানিত দুই লেখক এবং তাদের সেই আমলের যে হিসাব সেটা এবং এই যে আমলের হিসাব সে আমলের হিসাবে কোন ধরনের রদবদল করা কিন্তু সম্ভব না একটাভাবেই সম্ভব সেটা হচ্ছে আমরা যদি আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছে তওবা করি তাহলে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আল্লাহ আমরা দোয়া করি আল্লাহর কাছে যে আল্লাহুম্মা ইন্নাকফুন যে আফন শব্দটা দিয়ে বুঝায় যে হে আল্লাহ তুমি আমার গুনাহগুলোকে একদম মুছে দাও যে এমনভাবে মুছে দাও যে তারপরে সেটা কোন ট্রেস থাকবে না কোন চিহ্নমাত্র থাকবে না তো আমরা যখন আল্লাহর কাছে এভাবে গুনাহ মাফের জন্য তওবা করে ফিরে আসতে পারবো তখন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আল আফু এগুলোকে এভাবে রিমুভ করে দিতে পারেন।

আর সেকেন্ড যে জিনিসটা সেটা বলা হয়েছে রেকর্ডিং এর জন্য লাওহে মাহফুজে। আমরা জানি যে আমাদের প্রত্যেকের জীবনে কি করব আমাদের কি আছে আমাদের জীবনে সমস্ত কিছু নির্ধারিত করে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সংরক্ষণ করে রেখেছেন লাওহে মাহফুজে এবং প্রতিবছর তার একটা নির্ধারিত অংশ লাইলাতুল কদরে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা দিয়ে দেন ফেরেশতাদের মাঝে তাদের দায়িত্ব বন্টন করে দেওয়ার মাধ্যমে এবং সেটাকে আমরা কিভাবে পরিবর্তন করতে পারি সেটাকে পরিবর্তন করতে পারি আমাদের দোয়া দিয়ে যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা যে কদর নির্ধারণ করে দিয়েছেন সেই কদর পরিবর্তন হবে না। কিন্তু দোয়ার মাধ্যমে আমরা সেটার মধ্যে কিছু পরিবর্তন আনতে পারি।

স এখানে আমরা দেখছি যে এই যে পুনরজীবনের দিন সেদিন মানুষ একা শুধু পুনরজীবিত হবে না। তার আমলগুলোকে তার কাজগুলোকেও এমনভাবে সংরক্ষিত করে রাখা হয়েছে যে হুবুহু সেগুলো মানুষের সামনে উপস্থাপন করা হবে। সো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে এখানে দেখিয়ে দিচ্ছেন যে আমাদের কোন কাজই আসলে ফেলনা না প্রত্যেকটা কাজের হিসাব গ্রহণ করা হবে সূরা কফে বলা হয়েছে যখন দুই ফেরেশতা ডানে ও বামে বসে তার আমল গ্রহণ করে সে যে কথাই উচ্চারণ করে তাই গ্রহণ করার জন্য তার কাছে সদা প্রস্তুত প্রহরী রয়েছে সো সুবহানাল্লাহ যে আমাদের প্রত্যেকটা কথা রেকর্ড করা হচ্ছে কোন কথা কোন কাজ হচ্ছে বিস্তৃত হচ্ছে সে ফেরেশতারা তারা সমস্ত কিছুই লিখে রাখছেন এবং এজন্য আমরা দেখি যে সূরা কাহাফে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে সাবধান করে দিয়েছেন যে সেদিনের কথা বলা হয়েছে যে তার আমলনামা সেদিন সামনে রাখা হবে তাতে যা আছে তার কারণে আপনি অপরাধীদেরকে ভীত সন্ত্রস্ত দেখবেন তারা বলবে হায় আফসোস এ কেমন আমলনামা এ যে ছোট বড় কোন কিছুই বাদ দেয়নি সবই এতে রয়েছে তারা তাদের কৃতকর্মকে সামনে উপস্থিত পাবে। আপনার পালনকর্তা কারো প্রতি জুলুম করবেন না।

তো সুবহানাল্লাহ। সেদিন এমন একটা আমলনামা আমাদের সামনে বই আমাদের সামনে আসবে যে এই বই আমি নিজের হাতে রচনা করেছি। এই বইয়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমার নিজের করা কাজ আমার নিজের কথা সেখানে লিপিবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এগুলো আমাদেরকে বলে দিয়েছেন যাতে আমরা এখন সচেতন হই। আমার বইটা কেমন হবে সেই বইটাকে আমি কিভাবে কত সুন্দর ভাবে দেখতে চাই সেটা নির্ধারণ করার সুযোগ কিন্তু আমাদের এ জীবনেই সেই জীবনে যে গিয়ে যখন আমরা বইটা দেখবো তখন যতই আফসোস করি না কেন সে বইয়ে কোন পরিবর্তন আনতে পারবো না কারণ সেখানে সাগীরা কাবিরা ছোট বড় প্রত্যেকটা কাজ লিপিবদ্ধ অলরেডি হয়ে গিয়েছে।

তো চলুন আমরা আমাদের এই বইটাকে সুন্দরভাবে লিখার কাজটা এখন থেকেই শুরু করি যেন সেদিন যে আমাদেরকে আফসোস করতে না হয়।