📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

ইতালিয়ান বিলাসবহুল জাহাজ হাইজ্যাকের কাহিনী | Achille Lauro Hijack

জ্ঞানচিত্র11:48

Transcription

আজ আমরা ফিরে যাব 1985 সালের এক শ্বাসরুদ্ধকর অক্টোবরে। শ্বাসরুদ্ধকর। কারণ সেই সময় সমুদ্রের বুক চিড়ে এগিয়ে চলা এক বিলাসবহুল ক্রুজশেপ, একেলে লাওরো, হঠাৎ করেই জড়িয়ে পড়ে এমন এক ঘটনার ভেতর যার প্রতিটি ধাপ ছিল রহস্য, টানাপোড়েন আর আন্তর্জাতিক চক্রান্তে মোড়া।

আনন্দ আর আরামের প্রতিশ্রুতি দিয়ে রওনা দেওয়া সেই জাহাজে যাত্রা শুরুর ঠিক চতুর্থ দিনেই এক অদৃশ্য ঝড় নেমে আসে যাত্রীদের জীবনে। হঠাৎ করেই বদলে যায় সবকিছু। জাহাজের ভেতর গুঞ্জন, অস্থিরতা আর সেই মুহূর্ত থেকেই শুরু হয় এমন এক নাটকীয় অধ্যায় যা আজও ইতিহাসের পাতায় শ্বাসরুদ্ধকর এক গল্প হয়ে জ্বলজল করছে। একেলে লাওরো নামটা শুনে মনে হতে পারে একটা সাধারণ বিলাসবহুল জাহাজ। জাহাজটা তৈরি হয় 1965 সালে।

1985 সালের অক্টোবর, এই জাহাজটি ইতালির জেনোয়া বন্দর থেকে 800রও বেশি যাত্রী আর ক্রু নিয়ে 11 দিনের একটা ভূমধ্যসাগরীয় যাত্রায় পাড়ি জমায়। এই যাত্রাপথে জাহাজটির যেসব বন্দরে থামার কথা ছিল তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল মিশরের আলেকজান্ড্রিয়া এবং ইসরাইলের আশদোৎ বন্দর। সবকিছুই ঠিকঠাক চলছিল। তিনটা দিন পার হল নির্বিঘ্নে। কিন্তু চতুর্থ দিনে, অর্থাৎ 7ই অক্টোবর, শুরু হলো এক ভয়ঙ্কর অধ্যায়।

জাহাজটি যখন আলেকজান্ড্রিয়া ছেড়ে আসদদের দিকে রওনা হলো, ঠিক তখনই চারজন অস্ত্রধারী লোক তাদের অস্ত্র লুকিয়ে সাধারণ যাত্রীরূপে ছদ্মবেশে জাহাজে উঠে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যেই তারা জাহাজটি দখল করে নেয়। এই ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করে। মিডিয়া, আন্তর্জাতিক কূটনীতি, গোয়েন্দা সংস্থা সবাই একযোগে নড়ে বসে। আচ্ছা, হাইজ্যাকারদের লক্ষ্য কি ছিল? তারা কি পরিকল্পিতভাবেই এই রক্তাক্ত বার্তা দিতে চেয়েছিল? নাকি এর পেছনে ছিল আরো বড় কোন ভূরাজনৈতিক ষড়যন্ত্র? এবং পরবর্তীতে এই সন্ত্রাসীদের কি হাল হয়েছিল? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর নিয়েই জ্ঞানচিত্রের আজকের আয়োজন। আজকের ভিডিওতে আমরা জানবো একেলে লাওরো হাইজেকের একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত।

জ্ঞানচিত্র চ্যানেলে আপনি নতুন হলে অনুরোধ করবো সাবস্ক্রাইব করে পাশে থাকা বেল বাটনটি অন করে দিন। তো যেমনটা বলছিলাম, 7ই অক্টোবর 800র বেশি যাত্রী আর ক্রুনিয়ে আলেকজান্ড্রিয়া থেকে জাহাজটা ছেড়ে যাওয়ার পর জাহাজেরই কিছু লোক হঠাৎ করেই একে-47 রাইফেল বের করেই যাত্রীদের অপহরণ করে। আর সাথে সাথে জাহাজের নিয়ন্ত্রণও নিয়ে নেয়। সে সময় 748 জন যাত্রীর মধ্যে 651 জন যাত্রী আলেকজান্ড্রিয়ায় পিরামিড ভ্রমণে গিয়েছিল। ফলে জাহাজে মাত্র 97 জন যাত্রী আর কিছু ক্রু সদস্য ছিলেন। হাইজ্যাকারদের কবলে পড়ার পর জাহাজ থেকে রেডিও স্টেশনে একটা বার্তা পাঠানো হয়। এবং এর পরপরই জাহাজ হাইজ্যাকের এই ঘটনা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

ইতালিয়ান ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট টিম ব্যস্ত হয়ে পড়ে জাহাজটিকে উদ্ধার করে আনতে। কারণ হাইজ্যাক হওয়া জাহাজটি ছিল ইতালির। শুরুর দিকে আমেরিকান সরকার এই ব্যাপারে তেমন একটা মাথা ঘামায় না। কিন্তু যখনই তারা জানতে পারে হাইজ্যাক হওয়া জাহাজটিতে আমেরিকান নাগরিকও আছে, তখনই তারা ব্যস্ত হয়ে পড়ে জাহাজটিকে পুনরুদ্ধারের জন্য। কিন্তু বিপত্তি বাধে অন্য জায়গায়। কারণ এই ঘটনায় ততক্ষণে তিনটি দেশ জড়িয়ে পড়েছে। জাহাজটিতে আমেরিকান নাগরিক ছিল। আবার সেই জাহাজটি ছিল ইতালির। অন্যদিকে আবার হাইজ্যাকের ঘটনা ঘটে মিশরে। এই কারণে তারা আসলে ভেবে পাচ্ছিল না যে কোন দেশের আগে অ্যাকশন নেওয়া উচিত।

আমেরিকা চেয়েছিল জাহাজটি যেহেতু ইতালির, তাই ইতালিয়ান সরকারের উচিত সর্বপ্রথম ব্যবস্থা নেওয়া। কিন্তু ইতালিয়ান সরকার চাইছিল কোনো রকম সংঘাত কিংবা রক্তপাতে না জড়িয়ে ব্যাপারটিকে সমাধান করতে। কারণ তারা চাচ্ছিল না ভূমধ্যসাগরের দেশগুলোর কাছে ইতালির নাম খারাপ হোক। অন্যদিকে আমেরিকান সরকার চাচ্ছিল ক্ষমতার জোরে ছিনতাইকারীদের আটক করা। এই কারণে আমেরিকান সরকার আশেপাশের সমস্ত ভূমধ্যসাগরীয় দেশগুলোকে মানা করে দেয়, যেন তারা হাইজ্যাক হওয়া জাহাজটিকে নিজেদের সীমানার মধ্যে আসতে না দেয়।

এর পরপরই হাইজ্যাকাররা তাদের আসল পরিচয় এবং হাইজ্যাক করার মূল উদ্দেশ্য সকলের সামনে আনে। সবাই জানতে পারে এই ঘটনার পেছনে ছিল ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী প্যালেস্টাইন লিবারেশন ফ্রন্ট। সেদিন পিআরএফ এর চারজন সদস্য বিভিন্ন দেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করে যাত্রী সেজে জাহাজে উঠেছিল। হাইজ্যাকারদের মধ্যে ছিল 23 বছর বয়সী ইউসুফ মাজিদ আল মুলকি, 23 বছর বয়সী আহনাফ মারুফ আল আসাদী, 20 বছর বয়সী ইব্রাহিম ফাতাহের আব্দুল আতেফ এবং 17 বছর বয়সী বাসাম আল আসকার। তবে জাহাজে প্রবেশ করার সময় তাদের লাগেজ তল্লাশী করা হয়নি, যা সে সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই প্রকাশ করে।

হাইজ্যাকারদের মূল দাবি ছিল ইসরাইল যেন তাদের পিএলএফ এর পঞ্চাশ জন ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেয় এবং যদি দুপুর তিন টার মধ্যে তাদের দাবি পূরণ না করা হয়, তাহলে জাহাজে থাকা মানুষগুলো একে একে প্রাণ হারাতে শুরু করবে। হাইজ্যাকারদের দেওয়া ডেডলাইন পার হয়ে গেলেও এর মাঝে তাদের দাবিগুলো কেউই পূরণ করতে আসেনি কিংবা তাদের সাথে কোনো আলোচনাও করতে আসেনি। তিনটার পর তারা সিরিয়ার তারতুস বন্দরে খবর পাঠায় যে তারা একজন আমেরিকান নাগরিককে হত্যা করেছে। তবে সেখান থেকে কেউ কোনো রকম রেসপন্স না করে উল্টো তাদেরকে চলে যেতে বলা হয়। যখন তারা বুঝতে পারলো যে তাদের চাল এখানে কাজ করবে না, তখন তারা জাহাজটিকে সাইপ্রাসের দিকে নিয়ে যায়। ততক্ষণে এবার পুরো আমেরিকায় ছড়িয়ে গেল যে হাইজ্যাকারদের হাতে একজন আমেরিকান নাগরিক নিহত হয়েছে।

তবে যেহেতু হাইজ্যাকারদের শনাক্ত করা গেছে, তাই ইটালিয়ান সরকার তৎকালীন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাতের সাথে যোগাযোগ করে। আর এই ইয়াসির আরাফাত ছিলেন প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যান। যখন জিজ্ঞেস করা হলো যে তারা এগুলোর সাথে জড়িত কিনা, তখন তিনি শুধু উত্তরে 'না' বলেননি, পাশাপাশি ছিনতাই হওয়া জাহাজকে উদ্ধারের জন্য একটা নেগোসিয়েশন টিম তৈরি করে মিশরে পাঠিয়ে দেন। আর এই টিমের মধ্যে আবু আব্বাসও ছিল। আপনাদেরকে জানিয়ে রাখি, এই আবু আব্বাসই কিন্তু পিএলএফ এর লিডার ছিলেন।

আবু আব্বাস সেখানে পৌঁছানোর পর হাইজ্যাকারদের কমান্ড করে তারা যেন আত্মসমর্পণ করে। আর হাইজ্যাকাররাও তার কথা মেনে নিয়ে আত্মসমর্পণ করে। আত্মসমর্পণ করার পর আবু আব্বাস জাহাজের ক্যাপ্টেনের সাথে কথা বলে তার কাছে ক্ষমা চায়। আর হাইজ্যাকারদের সাথে আলাদা হয়ে কিছু কথা বলে। ইতালি এবং মিশর চাচ্ছিল এই সমস্যার সমাধানে যেন তাদের হাত দিতে না হয়। কারণ মূল সমস্যা ছিল ইসরাইল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে। কিন্তু আমেরিকান সরকার সেই হাইজ্যাকারদের জঙ্গি হিসেবে ধরে নেয়। অন্যদিকে আবার ইতালির ও মিশরের চাচ্ছিল হাইজ্যাকারদের পিএলও এর হাতেই তুলে দেওয়া হোক এবং তারাই ছিনতাইকারীদের শাস্তির ব্যবস্থা করবে। কিন্তু জাহাজের ক্যাপ্টেন ঘোষণা দিয়ে বসে জাহাজে থাকা প্রতিটা মানুষ সুরক্ষিত আছে। আর এই ঘোষণা শোনার পর ইতালি এবং মিশর হাইজ্যাকারদের নিঃশর্তে মুক্তি দিতে রাজি হয়ে যায়।

কিন্তু আসল সত্যটা হচ্ছে, একটু আগে বলা আমেরিকান নাগরিকের জীবননাশের ঘটনাটা আসলেই সত্য। যখন হাইজ্যাকারদের কোনো বন্দরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না, তখন তারা ক্ষিপ্ত হয়ে চলাচলকারী 69 বছর বয়সী মার্কিন যাত্রী লিওন ক্লিনহোফারকে গুলিবিদ্ধ করে। নিহত করার পর তার দেহ হুইলচেয়ার সহ সমুদ্রে ফেলে দেয়। হাইজ্যাকাররা মূলত জাহাজের ক্যাপ্টেনকে বন্দুকের নলের মুখে রেখে জিম্মি করে তাকে দিয়ে ওই বক্তব্য প্রচার করিয়েছিল। তাদের করা নির্মম হত্যাকাণ্ড বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় তোলে। কারণ যেই হাইজ্যাকারদের নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া হলো, তারা আসলে একটা বিরাট বড় অপরাধ করে পালিয়ে গেছে। আর এই ঘটনার সম্পূর্ণ দায় তখন আসতে শুরু করে মিশরের উপর। কারণ মিশর থেকেই তো তারা পালিয়েছে।

ইতালিয়ান সরকার মিশরের কাছে প্রস্তাব পাঠায়, তারা যেন হাইজ্যাকারদের ইতালির কাছে তুলে দেয়। কিন্তু মিশরের প্রেসিডেন্ট জবাব পাঠায় যে হাইজ্যাকাররা কোথায় আছে সেটা তারা জানে না। অন্যদিকে আমেরিকার গোয়েন্দারা খবর পেয়ে যায় যে মিশর সেই হাইজ্যাকারদের একটা বিমানে করে তিউনিশিয়া পাঠিয়ে দেবে। 10ই অক্টোবর সন্ধ্যা ছয় টার দিকে মিশরের আলমাজা এয়ারবেজ থেকে এই বিমানটি তার যাত্রা শুরু করবে আর ওই বিমানে করেই চারজন হাইজ্যাকার তিউনিশিয়া পৌঁছে যাবে।

হাইজ্যাকারদের নিয়ে মিশর থেকে যখন বিমানটি আকাশে টেকঅফ করে, তখন তখন আমেরিকার কয়েকটি যুদ্ধ বিমান, রেডার প্লেন সেই বিমানটিকে আকাশপথেই ঘিরে ধরে। প্রায় দেড় ঘন্টা আকাশে থাকার পরও পাইলট মিশরের এয়ারবেজের সাথে যোগাযোগ করতে পারেনি। কারণ রেডার প্লেন সেই বিমানটির রেডিও সিগন্যালে গন্ডগোল বাঁধিয়ে দিয়েছিল। এরপর আমেরিকান এয়ারফোর্সের কথা মেনে নিয়ে চারজন হাইজ্যাকার সহ পাইলট সেই বিমানটিকে ইতালিতে ল্যান্ড করে। আর আমেরিকার এই অপারেশনের ব্যাপারে কারোরই তখন জানা ছিল না। এমনকি ইতালিয়ান সরকারও তখন জানতে পেরেছিল যখন বিমানটি ল্যান্ড করার জন্য ইতালিতে এসে পৌঁছায়।

এবার যেহেতু সেই বিমানটি ইতালিতে ল্যান্ড হয়েছে, হাইজ্যাক হওয়া জাহাজটিও ইতালির ছিল, এমনকি এক ব্যক্তির জীবননাশের ঘটনাও ইতালিয়ান জাহাজেই ঘটেছে, তাই ইতালিরই সর্বপ্রথম অধিকার ছিল হাইজ্যাকারদের বিচার করার। কিন্তু ওইদিকে আবার আমেরিকা চেয়েছিল ওই হাইজ্যাকারদের বিচার তারাই করবে। তাই বিমানটি ল্যান্ড করার পরপরই 80 জন আমেরিকান সেনাবাহিনী ওই বিমানটিকে ঘিরে ফেলে। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে সেদিন আমেরিকার 80 জন সেনাবাহিনীকে ইতালির তিনশ জন সেনাবাহিনী ঘিরে ফেলে। এভাবেই কয়েক ঘন্টা ধরে একে অন্যকে ঘিরে রাখার পর পরদিন সকালে ওয়াশিংটন থেকে একটা কল আসে এবং সেখানেই আমেরিকান সৈন্যদের বলা হয় তারা যেন পেছনে সরে যায়।

কিন্তু সেই বিমানে শুধুমাত্র ওই চারজন ছিনতাইকারী ছিল না। তাদের সাথে ছিল ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাতের পাঠানো পিএলএফ এর লিডার আবু আব্বাস। আর এই কারণেই অনেকেই ভাবতে পারেন এই সম্পূর্ণ হাইজেকিং এর ঘটনার পরিকল্পনাটা ছিল আবু আব্বাসের। কিন্তু যথাযথ প্রমাণ না থাকায় ইটালিয়ান সরকার আবু আব্বাসকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। আর বাকি চারজন হাইজ্যাকারদের মধ্যে আমেরিকান নাগরিক হত্যাকারী হাইজ্যাকারকে 30 বছর। আর বাকি তিনজন ছিনতাইকারীকে 15 থেকে 25 বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে শোনা যায়, তারা ওই জাহাজটিকে হাইজ্যাক করতে চায়নি। অর্থাৎ জাহাজ হাইজেকিং এর কোনো পরিকল্পনাই তাদের ছিল না। বরং তাদের মূল পরিকল্পনা ছিল এই জাহাজে করেই তারা ইসরাইলের আসুক বন্দরে পৌঁছে সেখানে হামলা চালাবে। কিন্তু জাহাজের একজন ওয়েটার খাবার সার্ভ করতে এসে খোলা দরজার ফাঁক দিয়ে হাইজ্যাকারদের কাছে থাকা বন্দুকগুলো দেখে ফেলে এবং তখনই তারা আর কোনো উপায় না পেয়ে সবাইকে জিম্মি করে ফেলে। ওদিকে আবার নিহত 69 বছর বয়সী আমেরিকার নাগরিকের মরদেহ 13ই অক্টোবর উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

জ্ঞানচিত্রের আজকের আয়োজন এ পর্যন্তই। এতক্ষণ সাথে থাকার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো লাগলে ভিডিওটিতে একটি লাইকও দিতে পারেন। সাথে শেয়ার করতে পারেন আপনার বন্ধুদের সাথে। এমনি নিত্য নতুন অজানা আর ইন্টারেস্টিং সব ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করে জ্ঞানচিত্রের সাথেই থাকুন।