📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Surah Ya Sin || Part 37: Ayah 30,31|| Learn from Previous Nations!!

Straight Path13:01

Transcription

সূরা ইয়াসিনের 30 নাম্বার আয়াত। আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম। ইয়াসত আইবাসন ইল্লা বান্দাদের জন্য আক্ষেপ যে তাদের কাছে এমন কোন রাসূ আগমন করেনি যাদের প্রতি তারা বিদ্রুপ করে না।

31 নাম্বার আয়াতে আমরা দেখি যে তাদেরকে ধ্বংস করে দেওয়ার পরে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন, ইবাদ। এই যে হাসরা শব্দটা এখানে বলা হয়েছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার যে রাগ, আল্লাহ সুবহানাতায়ালা যে তাদের উপরে কত অসন্তুষ্ট সেটা এর মাধ্যমে প্রকাশ পায়। হাস শব্দটার অর্থ হচ্ছে যখন খুবই স্ট্রং একটা ওয়ার্ড এটা এবং এর মাধ্যমে বুঝানো হয়ে থাকে যে কেউ যখন কমপ্লিটলি আশাহীন অবস্থার মধ্যে চলে যায় তখন সেটাকে হাসরা বলা হয়ে থাকে। যেমন আমরা দেখি যে সূরা মুলকের মধ্যে বলা হয়েছে যে সমজবালা বাসখা হাসি শব্দটা হাসরা থেকে এসেছে যে তুমি বারবার তাকিয়ে দেখো তোমার দৃষ্টি ব্যর্থ ও পরিশ্রান্ত হয়ে তোমার দিকে ফিরে আসবে। অর্থাৎ এমন একটা অবস্থায় আসবে যে তারপরে আর কিছু আশা করা যায় না সেখান থেকে। সেরকম একটা অবস্থা।

তো হাসরা শব্দটা দিয়ে এটাই বুঝানো হয়েছে যে হাসরাতান আলাল ইবাদ। দেখি যে ইবাদ আবদ শব্দটা আল্লাহ সুবহানাতালা পছন্দ। এখানে আল্লাহ সুবহানাতালা ইবাদ শব্দটা যে আল্লাহর স্লেভ এই শব্দটা ব্যবহার করছেন যখন আল্লাহ সুবহানাতালা যারা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে তাদের কথা বুঝাচ্ছেন। তো এখানে আমরা দেখি যে প্রত্যেককেই আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আসলে ভালোবাসেন। প্রত্যেকের জন্যই তারমার রয়েছে। কিন্তু তারপরে তারা নিজস্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হেদায়েতের পথ থেকে যখন দূরে সলে যায় তখন একটা হোপলেস সিচুয়েশনেরর মধ্যে চলে যায়। সো আল্লাহ তাদেরকে অভিশপ্ত করেছে। এজন্য তারা হোপলেস হয়েছে অথবা আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তাদের ভালো চান না সেটা না। বরং তারা নিজেরা এই রাস্তাটা নিজেদের জন্য পছন্দ করে নিয়েছে। সো তারা যখন তাদের কাছে সত্য এসেছে, সত্যকে অস্বীকার করেছে। যারা সত্য নিয়ে এসেছে, তাদের নিয়ে হাসিট্টা করেছে। তাদেরকে টর্চার করেছে এবং তাদের সাথে ইনএপ্রোপ্রিয়েটলি ট্রিট করেছে। সো এটা হচ্ছে একটা রিগ্রেট। এটা হচ্ছে একটা হতাশা। সো এটা হতাশার চেয়েও বেশি যে এমন একটা অবস্থা যে যেখান থেকে আর ফিরে আসার কোন সুযোগ থাকে না এবং এটা আমরা দেখি যে এর আগে যে শব্দ তীব্র শব্দের মাধ্যমে তাদেরকে ধ্বংস করা হয়েছে এটা ছিল তাদের ফিজিক্যাল পানিশমেন্ট আর এটাকে আমরা বলতে পারি তাদের জন্য সাইকোলজিক্যাল পানিশমেন্ট।

এ কথাগুলো কে শুনছে? এ কথাগুলো শুনছে আরবের কাফের কুরাইশরা এবং তাদের কাছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই কথাটাই তুলে ধরছেন যে আমার বান্দারা যখন এই পর্যায়ে চলে যায় তখন তখন তারা কমপ্লিটলি হোপলেস অবস্থায় পড়ে যায় যে তাদের অনুতাপ এবং হতাশা এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় সেখান থেকে তারা তাদের আর ফিরে আসার কোন সুযোগ থাকে না এবং তারা নিজেদেরকে পরিবর্তন করতে পারে না। সো আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা বলছেন যে তাদের যে সাইহা যে তীব্র শব্দ এবং তার মাধ্যমে তারা যে ক্ষম অর্থাৎ নির্জীব বা নিষ্প্রাণ হয়ে গেল মাটির মধ্যে তারা মৃত অবস্থায় পড়ে থাকলো। তাদের জন্য আর ফিরে আসার কোন উপায় নাই। অথচ আল্লাহ সুবহানাতালা এর আগে কতবার তাদেরকে সুযোগ দিয়ে দিয়েছেন। সো এটা তাদের জন্য একটা আনফরচুনেট থিং যে দুর্ভাগ্যবসত যে তারা সত্যটাকে বুঝতে না পেরে নিজেদের জন্য এই ধ্বংসটাকে নিয়ে এসেছে। সো এখানে কোরাইশদেরকে বলা হচ্ছে যে দেউড টেক এ লেসন যে এখান থেকে তাদের একটা শিক্ষা নেওয়া উচিত যে সেই লোকদের কি হয়েছিল যখন তারা মেসেঞ্জারদেরকে ডিনাইট করেছিল এবং সত্যের পথ ফলো করতে অস্বীকার করেছিল।

ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন যে ইয়াসতান আলাল ইবাদত। তার মানে হচ্ছে হাই এই মানবজাতি এবং মানবজাতিকে প্রতি আফসোস প্রকাশ করা হয়েছে এবং কাতাদা রহমাতুল্লাহ আলাইহি বলেছেন যে এটা হচ্ছে মানবজাতির জন্য একটা আফসোস যে হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার নির্দেশগুলোকে অমান্য করেছে। এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা নিজে তাদের জন্য এমন অনুতাপ করছেন যে তারা অনুতাপের শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে এবং তারপরে বলা হচ্ছে যে ইল্লা এই শব্দটার অর্থ হচ্ছে কাউকে নিয়ে হচ্ছে হাসিট্টা করা তা কাউকে নিয়ে মজা করা এবং তার চেয়েও একটু বেশি যে এটা করা হয় একদম বোকার মত করে স কাউকে কাউকে নিয়েই আসলে হাসিট্টা করা উচিত না যে হাসিঠাট্টা করে তাকে তুচ্ছ করা অথবা অপদস্ত করা তাকে হচ্ছে অসম্মানিত করা এটা আমাদের কোন ক্রমেই উচিত না। তারা হচ্ছে এমন একটা অবস্থা মধ্যে চলে আসে যে তারা এই হাসিঠাট্টার যে পর্যায়ে চলে যায়।

এখানে আমরা দেখি যে হিস্ট্রিতে বারবারই এ ধরনের ঘটনা ঘটে আসছে যে প্রত্যেকবার যখন তাদের কাছে কোন নবী বা রাসূল পাঠানো হয়েছে তারা হাসি ধাট্টা করেছে। তারা তাকে নিয়ে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মজা করেছে। বিভিন্নভাবে তাকে অপদস্থ করার জন্য চেষ্টা করে বলেছে। ওকে এটা করে দেখাও। তাহলে আমরা দেখব যে সত্যি তুমি নবী। নবীরা সেগুলো আল্লাহ সুবহানা তাআালার কাছে চেয়ে নিয়ে আসার পরেও তারা তখন তাদেরকে অস্বীকার করতে থাকে। স যেরকমই হোক না সিচুয়েশন হোক না কেন প্রতিটা ক্ষেত্রেই দেখে গিয়েছে যেই গোমরা লোকেরা কখনোই হচ্ছে সত্যকে কবুল করে নেয় নাই বা সঠিক পথে নিজেদেরকে পরিচালিত করে নাই। সো আল্লাহ সুবহানা তায়ালা এখানে বলছেন যে তাদের যে রিগ্রেট অথবা হতসা সেটা প্রকাশ পাবে হচ্ছে ডে অফ জাজমেন্টে যখন তারা তাদের শাস্তি দেখতে পাবে নিজের চোখে তখন তারা আফসোস করবে যে কেন তারা আল্লাহর নির্দেশগুলোকে শুনে নাই এবং কেন তারা দুনিয়াতে অবিশ্বাসী হয়েছিল। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে বলছেন যে তাদের কাছে এমন কখনোই এমন নবী এসেছে কিন্তু তারা মক করে নাই হাসি ঠাট্টা করে না এরকম কিন্তু হয় নাই। সো তারা কোরআনে বারবার আমরা এই উদাহরণগুলো দেখে থাকি যে এর মাধ্যমে তারা নিজেদের জীবনটাকে ধ্বংস করে এবং আখিরাতের যে চিরন্তন জীবন সেখানেও তারা ধ্বংসের মুখোমুখী হয় এবং বারবার এটা হিস্ট্রিতে রিপিট হচ্ছে। এবং এখানে আমরা দেখি যে সূরা জুকরুকে বলা হচ্ছে সেম ধরনের কথা যে ওয়াকামারসালনামিন নাবিফিল আউয়ালিন যে পূর্ববর্তী লোকের কাছে আমি অনেক রসূই প্রেরণ করেছি যারা কি করেছে ওয়াতহমিন ইল্লা যখনই তাদের কাছে কোন রসূল আগমন করেছে তখনই তারা তার সাথে ঠাট্টা বিদ্রুপ করেছে এটা এক মানে একটা জনপদের কথা না এরকম বারবারই হয়েছে যে এই ধরনের লোক ইতিহাসে আগেওছিল ছিল এখনো আছে ভবিষ্যতেও থাকবে এবং তাদের পরিণাম কি হবে আল্লাহ সুবহানা তাআলা সেটা এখানে বলে দিচ্ছেন এবং 31 নাম্বার আয়াতে তাদেরকে সাবধান করা হচ্ছে।

আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম। আলাময়ার আহলামিনাল আনাহুম ইলাইহিমলাজ তারা কি প্রত্যক্ষ করে না তাদের পূর্বে আমি কত সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেছি যে তারা তাদের মধ্যে আর ফিরে আসবে না। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে আসলে সেই সেই আরবের কাফের কুরাইশদেরকে উদ্দেশ্য করে বলছে যে তারা তো আদ জাতি সামদ জাতি তাদের ঘটনা জানে এবং জানার পরেও তারা কিভাবে এটা চিন্তা করে যে তারা সেইম পথ অনুসরণ করবে অথচ তাদের জন্য ক্ষতির সম্ভাবনা হবে না বরং তাদের জন্য আগের যে জাতিগুলো রয়েছে সেই জাতিগুলার জীবনে তাদের জন্য শিক্ষা রয়েছে স আল্লাহ বলছেন যে তোমরা কি সে শিক্ষা নাও না যে আগের যারা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে তাদের পথে তোমরা ফলো করছো তোমরা সে ধ্বংস হওয়ার ভয় করছো না। সো তারা এই পৃথিবীতে এসেছে এবং এই পৃথিবীতে তারা আর ফিরে আসবে না। তাদেরকে ফিরে যেতে হবে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছে। সো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই কয়েকটা আয়াতে আমরা দেখি জনপদের ঘটনা উল্লেখ করার মাধ্যমে মানুষের চোখকে বিবেককে খুলে দেওয়ার এখানে চেষ্টা করেছেন এবং কোরাইশদেরকে এখানে তিনি সতর্ক করে দিচ্ছেন।

ইয়ার মানে হচ্ছে যে দেখা তোমরা কি দেখো না এই দেখাটা আসলে নট ইন রিয়েলিটি যে তারা কিভাবে দেখবে কারণ তারা তো তখন উপস্থিত ছিল না যখন এই ধ্বংসটা হয়েছে এটা হচ্ছে যে তোমরা কি দেখো না তোমরা কি আসলে উপলব্ধি করো না তোমরা কি তোমাদের বিবেক দিয়ে চিন্তা করো না স ইয়রা শব্দটা দিয়ে মূলত বুঝানো হয় তোমরা দেখো রিফ্লেক্ট করো এবং নিজের মধ্যে পরিবর্তন আনো তুমি যদি বলো যে না আমি নিজেকে চেঞ্জ করবো এই কথাটা যদি আমাদের ব্রেনের মধ্যে ঢুকে যায় তাহলে উইল নেভার চেঞ্জ। স আমাকে হচ্ছে প্রতিটা মুহূর্তে আমার মন এবং বিবেককে উন্মুক্ত রাখতে হবে যে হ্যাঁ যখনই আমি দেখব যে কোন একটা জিনিস উত্তম কোন একটা জিনিস ভালো সেটার জন্য আমার অন্তরকে ওপেন করে দিব তখন দেখা যাবে যে আমি আমার জন্য সেই কাজটা করার জন্য চেষ্টা করা সহজ হয়ে যাবে। স আমাদের পরিবর্তনটা ডিপেন্ড করবে আমাদের রেসপন্সেরর উপরে। আমরা যদি ওপেন হই গ্রহণ করার জন্য তখনই দেখা যাবে যে আমরা নিজেদেরকে পরিবর্তন করতে পারব।

সো এখানে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আগের যুগের যারা এসেছে আহলাকনা কাবলাহুম যারা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে তো তাদের পূর্বে মিনাল কুরুনি কুর মানে হচ্ছে জেনারেশন টু জেনারেশন এখানে দেখতে বলা হয়েছে যে তাদের অবস্থা কি তোমরা দেখো না তাদের অবস্থা নিয়ে তোমরা কি চিন্তা করো না স তারপরে বলা হচ্ছে আনাহুম ইলাইহ লা ইয়ারজিয়িন তারা সেদিকে আর ফিরে আসবে না। রাজিয়া শব্দের অর্থ হচ্ছে রিটার্ন করা। ফিরে যাওয়া। স এটা হচ্ছে প্রেজেন্ট এবং ফিউচার টেন্সে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই লোকগুলো ফিরবে না। কখনোই ফিরবে না আবার তাদের কাছে। সো লেট নাইট পর্যন্ত ওয়েট করে তাদের জন্য কোন লাভ নাই। কারণ তারা কখনোই আসবে না। তারা এমনভাবে ধ্বংস হয়েছে যে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা দুনিয়ার বুক থেকে তাদেরকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছেন এবং তাদের পক্ষে আর ফিরে আসা সম্ভব না। সো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তাদেরকে বলে দিচ্ছেন এবং এটা হয়তোবা এ কারণেও বলছেন যে, যেই জনপদের কথা বলে বলা হয়েছে আমরা জানি সেই জনপদের নাম আল্লাহ সুবহানাতায়ালা উল্লেখ করেন নাই। কোন জায়গায় আছে সেটাও বলেন নাই। এটা হয়তোবা এই কারণে যে তাদের এমনভাবে তাদেরকে ট্রেসলেস করা হয়েছে। সেটা উল্লেখ করলেও মানুষ এখন বুঝতে পারবে না যে সেটা কোন জায়গা বা কোন জনপদের কথা বলা হয়েছে। সে কারণে হয়তোবা আল্লাহ এটাকে উল্লেখ করেন নাই।

সূরা মুমিনুনে আল্লাহ বলেছেন যে আমাদের পার্থিব্য জীবনী কাফেররা কিভাবে জবাব দেয় যে আমাদের পার্থিব জীবনী একমাত্র জীবন। আমরা মরিও বাঁচি এখানে এবং আমরা পুনরুত্থিত হব না। সো তাদের দৃঢ় বিশ্বাস এটা যে এই দুনিয়াটাই সব এই দুনিয়াতে যা কিছু আছে সেগুলো নিয়েই তারা হচ্ছে বেঁচে থাকতে চায়। সো তারা হচ্ছে এরকম ইগনোরেন্ট অজ্ঞ মূর্খ হয়ে থাকাটাকেই হচ্ছে বেছে নিয়েছে এবং তারা মনে করে যে তারা আর কখনো পুনরুদ্ধিত হবে না এবং সে কারণেই হচ্ছে তারা সাহস পায় যে এই ধরনের অজ্ঞতার কাজ করতে অথবা এরোগেন্স শো করতে এখানে। সো এখানে যারা হচ্ছে অবিশ্বাসী তাদেরকে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলে দিচ্ছেন স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন যে তোমরা তোমাদেরকে রক্ষা করো সিমিলার ডিস্ট্রাকশন থেকে এবং তোমাদের এটাও জানা উচিত যে তারা যেরকম দুনিয়ার বুকে আর ফিরে আসতে পারবে না তোমরাও হচ্ছে এরকম ধ্বংস হয়ে গেলে আর কখনো ফিরে আসতে পারবে না তারা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে এবং পৃথিবীর বুক থেকে তাদেরকে মুছে দেওয়া হয়েছে এবং তারা পৃথিবীতে ফিরে আসার আর চান্স পায়নি সো তোমাদেরও সে ধরনের কোন সুযোগ নাই কোরাইশদেরকে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে সতর্ক করে দিচ্ছেন।

সো এখানে আমরা দেখি যে ইন্টারেস্টিংলি আন্নাহ হুম ইলাইহুম যে তাদের কথা বলা হয়েছে। সো তাদের দিয়ে কি বুঝানো হয়েছে যে এখানে তাফসীকারগণ বলেছেন যে এটাতে যে জাতিগুলো ধ্বংস হয়ে গিয়েছে তাদের কথা এখানে বলা হয়েছে যে তারা আর কখনো পৃথিবীতে ফিরে আসবে না। সো আমরা জানি তারা আখিরাতে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছে ফিরে আসবে। কিন্তু পৃথিবীতে তাদের আর কখনো ফিরে আসা হবে না। এটা বুঝানোর জন্য আল্লাহ সুবহানা তাআলা এ শব্দগুলো ব্যবহার করতে পারেন।