Transcription
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। সূরা ইয়াসিনের 33 থেকে 50 নম্বর আয়াত।
এটা হচ্ছে সূরা ইয়াসিনের তিন নাম্বার প্যাসেজ বলা যায়। প্রথম দুইটা প্যাসেজ নিয়ে অলরেডি আমরা আলোচনা করেছি। এটা হচ্ছে মিডেল পার্ট অফ দা সূরা এবং সূরার মূল কনসেপ্ট যেটা সেটা হচ্ছে এখানে খুব দৃঢ়ভাবে আলোচনা করা হয়েছে। পুরা সূরাটাতেই আমরা দেখি যে মাক্কী সূরার যে বৈশিষ্ট্য যে তিনটা বিষয়ের উপরে গুরুত্ব দেওয়া হয়ে থাকে তাওহীদ, রিসালাত এবং আখিরাত খুব পাওয়ারফুলি আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই তিনটা বিষয়কে নিয়ে এসেছেন এই পুরা সূরাতে।
প্রথম যে অংশটুকু আমরা আলোচনা করেছি সেখানে আমরা দেখেছি আল্লাহ সুবহানাতায়ালা খুব জোরালোভাবে প্রফেটহুড অথবা নবুয়ত মেসেঞ্জারশিপ রাসূলের রাসূলের যে বাণী বা তার যে অবস্থান সেটা নিয়ে তিনি আলোচনা করেছেন। আবার শেষের দিকে যেয়ে আমরা দেখি যে সেখানে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আখিরাতের জীবন এবং সেখানে আমাদের যে জবাবদিহিতা করতে হবে সে ব্যাপারে আলোচনা করেছেন। আর মিডল পার্ট যেটা আমরা এখন আলোচনা করব সেটাতে আমরা দেখবো যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে আমাদের সামনে প্রেজেন্ট করছেন তাওহীদের বিষয়টা।
সো তাওহীদ অর্থাৎ আল্লাহর একত্ববাদ এই বিষয়টা আসলে আমাদের জন্য বেসিক ফাউন্ডেশন বলা যায় যে এই তাওহীদের জ্ঞান আমাদের মধ্যে যদি সুস্পষ্ট না থাকে তাওহীদের বিশ্বাস যদি সুস্পষ্ট না হয় তাহলে বাকি দিকগুলো ঈমানের যে বাকি অংশগুলো সেগুলো সবসময়ই অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। সো এখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আমাদেরকে বলে দিচ্ছেন যে এই যে মানুষের ঈমান বা মানুষের বিশ্বাস সেগুলো কি দিয়ে নির্ধারিত হয়। কিভাবে মানুষ একসেপ্ট করে এবং কিভাবে তৌহীদের যে ভিত্তিপ্রস্ত সেটা স্থাপন করা যায়। যারা হচ্ছে ঈমানদার তারা সবসময় হচ্ছে আল্লাহ সুবহানা তাআলার প্রতি কমিটেড। এবং তারা কিভাবে এই মূল বিশ্বাসের উপরে জীবন ধারণ করেছে সেটাও আমরা দেখতে পাবো এই সূরার মধ্যে।
সো এইখানে আমাদেরকে বুঝতে হবে যে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা কোরআনে তাওহীদ একত্ববাদ ওয়াননেস অফ আল্লাহ এই জিনিসটাকে খুব ঘন ঘন আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন এবং সেখানে আমরা দেখি এটা এই কারণে যে তাওহীদের বিশ্বাস যদি না থাকে তাহলে আমাদের যে উন্নত মানব হিসাবে মুসলিম হিসাবে আমাদের যে অবস্থান সেটা কখনোই আসলে পরিচিত হতে পারে। সো এখানে আমরা দেখি আল্লাহ সুবহানা তাআলা মুসলমানদেরকে উদ্দেশ্য করে এ কথাগুলো বলছেন যে আল্লাহ প্রতিনিয়ত কোরআনের মধ্যে আমাদেরকে শিক্ষা দিয়ে গিয়েছেন যে আল্লাহর অস্তিত্ব এবং আল্লাহর একত্ববাদ এই জিনিসটা সম্পর্কে আমরা যাতে সচেতন থাকি এবং আল্লাহকে আমরা সঠিকভাবে বুঝতে পারি যেজন্য আমরা দেখি আল্লাহ বিভিন্ন ধরনের বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে আমাদেরকে হচ্ছে এই তাওহীদের শিক্ষাটা দিয়েছেন।
যেমন সূরা গাশিয়াতে আমরা দেখি সেখানে বলা হয়েছে আল্লাহ বলছেন যে তোমরা কি উটগুলোর দিকে তাকাও না কিভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে এদেরকে আকাশের দিকে তাকাও না কিভাবে এটাকে উঁচুতে উঠানো রাখ উঠিয়ে রাখা হয়েছে তোমরা পাহাড়ের দিকে তাকাও না কিভাবে এগুলো খাড়া হয়ে আছে তোমরা মাটির দিকে তাকাও না যে কিভাবে এগুলোকে মাটিকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। স আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সেখানে আসলে এই প্রশ্নগুলো করার মাধ্যমে আমাদের চিন্তার জগতকে খুলে দিচ্ছেন যে তোমরা যখন তোমাদের চারপাশে তাকাবে তখনই দেখবে সেখানে আল্লাহর অস্তিত্ব রয়েছে এবং যে আল্লাহ এগুলো সৃষ্টি করেছেন তার সৃষ্টি কৌশল যে কত সুমহান এবং সেটা হচ্ছে খুব নিখুতভাবে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা করেছেন সেটাও তোমরা বুঝতে পারবে এবং যখন তোমরা এটা বুঝতে পারবে তখন এটাও বুঝতে পারবে যে তোমাদেরকে আবার রিজায়েকশনেরর জন্য পুনর্জীবনের জন্য আল্লাহর সামনে হাজির হতে হবে।
সো আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আমরা দেখি যে বারবার এই জিনিসগুলো কোরআনে আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন যেন আমরা প্রতিনিয়ত মাটির বুকে হাঁটতে আকাশের দিকে তাকিয়ে গাছের দিকে তাকিয়ে আল্লাহর সৃষ্টির দিকে তাকিয়ে আল্লাহর অস্তিত্বকে বুঝতে পারি এবং আল্লাহর একত্ববাদকে আমরা নিজেদের মনে দৃঢ় করে নিতে পারি। সো এটা হচ্ছে একটা এলিমেন্টারি লেসন কোরআনের যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বারবার বিভিন্নভাবে এই তাওহীদের শিক্ষাটাকে আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন এবং তার প্রমাণ আমরা দেখি 33 নাম্বার আয়াত থেকেই শুরু হয়েছে যেখানে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজীম।
"আরদু মাইতুল আহনামিনহাব" তাহলে এখানে আল্লাহ সুবহানা তাআলা বলছেন যে তাদের জন্য একটি নিদর্শন মৃত পৃথিবী আমি একে সঞ্জীবিত করি এবং তা থেকে উৎপন্ন করি শস্য তারা তা থেকে ভক্ষণ করে। তাহলে প্রথমেই আমরা এখানে দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা মাটিকে পৃথিবীকে আমাদের সামনে উদাহরণ হিসেবে নিয়ে আসছেন যে পৃথিবীটা হচ্ছে মৃত্যুবস্তুর মত কিন্তু তারপরে আমরা দেখি এখান থেকে জীবন সঞ্চারিত হচ্ছে কারণ হচ্ছে আল্লাহ সুবহানা তালা এর মধ্যে পানি দিচ্ছেন বৃষ্টির মাধ্যমে এবং সেখান থেকে যে খাবার আসছে সে খাবার দিয়ে আমরা নিজেরা নিজেদেরকে জীবিত রাখছি।
এখানে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা প্রথমেই বলছেন আয়া আয়াত শব্দটি এখানে এসেছে। আয়াত শব্দের অর্থ হচ্ছে একটা সাইন। একটা নিদর্শন একটা প্রমাণ। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে বলছেন আয়াতুল্লাহুম। তাদের জন্য একটা প্রমাণ। তাদের জন্য একটা নিদর্শন। তাদের জন্য একটা সাইন রয়েছে। যে সাইনটা হচ্ছে স্পেশালি তাদের জন্য। এখানে লাহুম শব্দটা আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আগে নিয়ে এসেছেন। তার মানে হচ্ছে যে মানুষ যারা হচ্ছে এই কোরআনটা পড়বে সূরা ইয়াসিন পড়বে এটা নিয়ে চিন্তা করবে তাদের জন্য আল্লাহ সুবহানা তায়ালা বলে দিচ্ছেন যে এটা তাদের জন্য যেই এই আয়াতগুলো পড়ে যাবে তাদের জন্যই হচ্ছে এটা একটা প্রুফ। এটা একটা নিদর্শন তোমাদের জন্য যে আল্লাহ সুবহানা তাআলার যে অস্তিত্ব এবং তার যে ইমেন্স পাওয়ার সেটা তোমরা এখান থেকে দেখতে পাবে।
তো এখানে আমরা দেখি যে এর মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা দেখাচ্ছেন যে একজন সৃষ স্রষ্টা হিসেবে তার যে অস্তিত্ব রয়েছে এবং তার যে পারফেক্ট পাওয়ার এবং এবিলিটি রয়েছে রিজারেক্ট করার যখন মানুষ মারা যাবে সেটা তিনি এখানে আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন। এই আয়াত শব্দটা আমরা দেখি আয়াতুন বলা হয়েছে। আয়াতুন যখন বলা হয় যখন তানবিন ইউজ করা হচ্ছে তখন এটা হচ্ছে একটা কমন ফর্ম। এটাকে আরবকে নাকিরা বলা হয়ে থাকে। তার মানে হচ্ছে এটা জেনারেল সেন্সে বলা হচ্ছে। হ্যাঁ, এখানে কোন নির্দিষ্ট কোন কিছু বলা হচ্ছে না। সো এর একটা অর্থ হচ্ছে যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এরপরে যেই জিনিসটা বর্ণনা করবেন সেটার গুরুত্ব তিনি এখানে তুলে ধরছেন। আরেকটা অর্থ হচ্ছে যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার এই যে বিভিন্ন নিদর্শন রয়েছে সেটার উপরে মাল্টিপল ওয়ে রয়েছে রিফ্লেক্ট করার। সেটা নিয়ে চিন্তা করার একটা ওয়ে না নির্দিষ্ট কোন ওয়ে না আল্লাহ সুবহানা তায়ালা সেই মিরাকুলারস সাইনটা নিয়ে ডিসকাস করবেন এখানে যে মানুষ বিভিন্নভাবে এটার উপরে রিফ্লেক্ট করতে পারে।
তো যখনই আল্লাহ নিদর্শনের কথা বলে কেন আল্লাহ এই নিদর্শনগুলো আমাদের সামনে তুলে ধরেন যেন আমরা এটা নিয়ে চিন্তা করি তাদাবুর করি আমাদের মধ্যে একটা দৃঢ় বিশ্বাস যে কোরআন শুধুমাত্র যারা হচ্ছে আলেম তারা হচ্ছে কোরআন নিয়ে আলোচনা করবে অথবা কোরআনকে বুঝার চেষ্টা করবে। আর আমরা সাধারণ মানুষটা হচ্ছে অন্ধের মত পড়ে যাব। আসলে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই উদাহরণগুলো আমাদের সামনে এজন্যই দিয়েছেন যেন আমরা অন্ধ না থাকি। আমরা যাতে চোখ খুলে নিজেরা দেখতে পারি এবং তাফসীর করবেন আলেমরা। এটা ঠিক আছে যে আলেম ছাড়া অন্যদের কখনোই তাফসীর করা উচিত না। যাদের জ্ঞান রয়েছে। কিন্তু তাব্বুর মানে এটা নিয়ে চিন্তা করা। তাদাব্বুর শব্দটা হচ্ছে দুবুর থেকে এসেছে। দুবুর মানে হচ্ছে যে কোন কিছুর লেজ। তার মানে হচ্ছে যে এটাকে একদম পিছন পর্যন্ত চলে যাওয়া। মানে একটা আয়াত পড়ার পরে সেটাকে চিন্তা করে সেটার গভীরে চলে যাওয়া। সেটাকেই বলা হচ্ছে তাদাদাব্বুর। তাব্বুর করার ক্ষমতা আল্লাহ আমাদেরকে দিয়েছেন এবং তাদাব্বুর করার জন্য আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। এটা কোন নির্দিষ্ট গ্রুপের জন্য আল্লাহ সুবহানাতায়ালা রেখে দেন নাই। এটা জেনারেলি আমাদের সবার জন্য আল্লাহ এই সাইনগুলো বলে দিচ্ছেন যেন আমরা রিয়েলাইজ করি সত্য কোনটা।
সো এই সত্যকে রিয়েলাইজ করতে হলে অবশ্যই আমাদেরকে এটা নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে হবে এবং আল্লাহ এখানে বলছেন যে সত্য হচ্ছে যে মাটিটা হচ্ছে একদম মৃত হয়ে থাকে এবং সেই মাটিটা থেকে জীবনের সঞ্চার হচ্ছে। সো একটা মৃত মাটি যেটাকে দেখে মনে হয় যে শুকনো খটখটে হয়ে আছে এখান থেকে কোন ক্রমেই জীবিত কোন কিছু বের হওয়া সম্ভব না সেখানেই যখন এক পশলা বৃষ্টি হলো সেখানে হচ্ছে আমরা দেখি যে সবুজে ভরে যাচ্ছে আবার সেটা জীবিত হয়ে উঠলো তার মানে এটা আল্লাহর জন্য মোটেও কঠিন কিছু না। জাস্ট একটা রেইনের মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানা তাআলা এই মাটির মধ্য থেকে আমাদের জন্য কত প্রয়োজনীয় জিনিস তিনি বের করে নিয়ে আসছেন যে এখান থেকে হাব্বান যে গ্রেনস বীজ শস্য তিনি বের করে নিয়ে আসছেন এবং যখন এই সিটটা মাটিতে রাখা হয় তখন এটাকেও দেখে মনে হয় শুকন খটখটে একটা বীজ যখন আমরা সংরক্ষণ করি এটাকে কিন্তু শুকিয়ে সংরক্ষণ করা হয় এবং সেই শুকন খটখটে জিনিসটা থেকেই আমরা দেখি ঠিক সুন্দর করে দুইটি পাতা গজিয়ে যাচ্ছে। যাদের গার্ডেনিং করার অভ্যাস আছে অথবা যারা গ্রাম অঞ্চলে দেখেছেন যে কিভাবে ফসল তৈরি করা হয় তারা এই জিনিসটা আরো বেশি ভালোভাবে রিয়েলাইজ করতে পারবেন যে শুকন মাটি সেই শুক্ত মাটির মধ্যে শুকনো বীজ রাখা হলো সেখানে একটু পানি দিলেই কি সুন্দর তরতর করে গাছ বের হয়ে আসছে।
সো আল্লাহ সুবহানা তায়ালা এই যে মৃতকে জীবিত করতে পারছেন তোমাদের চোখের সামনে প্রতি মুহূর্তে প্রতিবছর প্রতি সিজন চেঞ্জের সাথে সাথে তোমরা এটা দেখতে পাচ্ছ তাহলে আল্লাহ সুবহানা তাআলার পক্ষে এর পরের প্রগ্রেশন এর পরের কাজটা করা কেন অসম্ভব হবে? সূরা বাকারাতে আল্লাহ সুবহানাতালা বলে দিয়েছেন "লাকুম লাআন্নাকুম তাআকিলুন" যে এভাবেই আল্লাহ তাআলা তোমাদের জন্য শিয় নিদর্শন বর্ণনা করেন যাতে তোমরা তা বুঝতে পারো। তাহলে এই আয়াতগুলো দেওয়ার উদ্দেশ্য। আয়াত মানে এখানে কোরআনের আয়াত বলা হয় নাই। এখানে আয়াত বলতে নিদর্শন আমাদের চোখের সামনে যে সাইনগুলো দেওয়া হয়েছে এই সাইন আল্লাহ এজন্য দিয়েছেন আমরা যাতে চিন্তা করি আমরা যাতে বুঝতে পারি আমরা যাতে উপলব্ধি করতে পারি।
স আল্লাহ সুবহানাতালা এই আয়াতগুলোর মাধ্যমে আমাদেরকে এখানে বুঝিয়ে দিচ্ছেন যে আমাদেরকে অবশ্যই এটা কানেকশনটা বুঝার চেষ্টা করতে হবে আমাদেরকে রিফ্লেক্ট করতে হবে চিন্তা করতে হবে যখন আয়াত শব্দটা কোরআনে ব্যবহার করা হচ্ছে তখনই বুঝা যাচ্ছে যে এটা হচ্ছে ভেরি অবভিয়াস একটা আনভয়েডেবল সাইন যে এটা দেখবেই মানুষ এটা মানুষ চিন্তা করতে বাধ্য এটা নিয়ে যদি আমার মনকে আমি উন্মুক্ত রাখি। স তুমি চেষ্টা করলেও এটা মিস করতে পারবে না আমরা কেউ কি চেষ্টা করলেও মিস করতে পারব যে একটা গাছ যখন দেখি উইন্টারে একেবারে পাতা ঝরে এমন শুকনো হয়ে আছে যে সেখানে জীবনের কোন চিহ্ন নাই স্প্রিং আসার সাথে সাথে কিভাবে গাছটা সবুজ পাতায় অথবা ফুলে ফুলে ভরে যাচ্ছে চোখ দেখবেই এটা কিভাবে শুকন খটখটে মাটি থেকে গাছ বের হয়ে আসছে কেউই এটাকে এভয়েড করতে পারবে না।
তো এই নিদর্শনগুলো আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আমাদেরকে দিয়েছেন যাতে আমরা এঙ্গেজ হই অবজর্ব করি আল্লাহ সুবহানা তাআলার এই নেয়ামতগুলোকে এবং এটা ইমিডিয়েটলি আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে কেউ একজন রয়েছেন সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী যেখানে আমি অসম্ভব মনে করি যে জিনিসটাকে সেটাকে তিনি সম্ভব করে দিতে পারেন। এটার জন্য আমার কনশাস এফর্টের দরকার হয় না। এটা অটোমেটিক্যালি আমাদের মাথার মধ্যে চলে আসে যে হ্যাঁ এটা কেউ একজন করতে পারে না হলে এটা কিভাবে হলো? কিন্তু আমরা গভীরে যেয়ে চিন্তা করি না।
সো এই চিন্তা না করার কারণেই দেখা যায় যে আল্লাহর অস্তিত্ব আমাদের চারপাশে যেভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে আমরা সেটাকে ওভারলুক করে যাই। সো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছে যে তোমরা তাকাও এদিকে এবং তোমরা এখান থেকে শিক্ষা নাও যে কিভাবে আল্লাহর ব্যাপারে চিন্তা করতে হবে। এবং আমরা এই জিনিসগুলোর দিকে তাকালাম এটা এবং আল্লাহর ব্যাপারে আমরা চিন্তা করলাম না। তাহলে এখান থেকে আসলে তিনটা এখান থেকে মূলত যে জিনিসটা বুঝা যায় সেটা হচ্ছে এক নাম্বার যে আমার ইন্টেলেক্টে সমস্যা আছে। আমার বুদ্ধিতে সমস্যা আছে। মেন্টাল এওয়ারনেস বা কনশাসনেস সমস্যা আছে। আমি একটা বেহুশ মানুষের মত দুনিয়াতে চলে যাচ্ছি। চারদিকে কি হচ্ছে সে ব্যাপারে আমি মোটেও সচেতন না। আমার সেই পরিমাণ বুদ্ধি নাই যেটা দিয়ে আমি এই চোখের সামনে দেখা জিনিসটা দেখে বুঝতে পারি বা চিন্তা করতে পারি।
সেকেন্ড যে জিনিসটা সেটা হতে পারে যে আমার যে ফিতরা আল্লাহ সুবহানাতায়ালা দিয়ে দিয়েছেন সেটাতে কমতি পড়ে গিয়েছে। আমরা জানি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা প্রত্যেকে একটা ফিতরা দিয়ে তৈরি করেছেন। এটা হচ্ছে আমাদের স্বভাবজাত শক্তি। যে প্রত্যেকটা মানুষকে যখন সৃষ্টি করা হয়েছে তখন তাকে যে ফিতরা দেওয়া হয়েছে সে জানে কোনটা ভালো সেটাকে ভালো হিসেবে চিন্তা এবং কোনটা খারাপ সে খারাপ হিসেবে এবং তারপর তার পরিবেশ তার বাবা-মা তাকে হচ্ছে পরিবর্তন করে তার ধর্মকে চেঞ্জ করে এই ফিতরার মধ্যে যখন আমার গ্যাপ পড়ে যাবে ব্রেক পড়ে যাবে কোন ডেফিসিয়েন্সি হবে তখন দেখা যাবে যে এই আয়াতগুলো এই সাইনগুলো চোখের সামনে দেখার পরেও আমরা সেটাকে বুঝতে পারবো।
তাহলে আমাদেরকে ইমিডিয়েটলি যে জিনিসটা চিন্তা করতে হবে যে আমার মনকে জাগিয়ে তুলতে হবে। আমার বুদ্ধিকে বুদ্ধির দরজাকে খুলে দিতে হবে। আমার ফিতরার মধ্যে যে অন্ধকার চলে এসেছে সে অন্ধকার সে কালির লেয়ার পড়ে গিয়েছে সে কালির লেয়ারকে দূর করে দিয়ে এটাকে ক্লিন করে নিতে হবে। একজন এরাব কবি বলেছেন যে প্রত্যেকটা জিনিসের মধ্যেই মিরাকুলাস সাইন রয়েছে। যেই জিনিসটা হচ্ছে পয়েন্ট আউট করছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এক এবং অদ্বিতীয়।
তো আসলে প্রত্যেকটা জিনিস আমাদেরকে চোখ খুলে দেখিয়ে দেয়। কিন্তু আমরা অন্ধ সেজন্য দেখি না। অন্ধ আমরা বাহ্যিক দিক থেকে না। আমাদের মনটা অন্ধ হয়ে গিয়েছে। সে কারণে আমরা এখন চিন্তা করতে পারি না। বেদুইন যারা তারা হচ্ছে পরিবেশের মধ্যে উন্মুক্ত পরিবেশের মধ্যে থাকে তারা আল্লাহর দেওয়া এই নেয়ামতগুলোর মধ্যেই বড় হচ্ছে এবং তাদের যেই চিন্তাভাবনাটা সেটাও হচ্ছে এই পরিবেশের মতই নিষ্কলঙ্ক বা নিষ্কলুষ বলা যায় যে তারা ওপেনলি চিন্তা করতে পারে মুক্ত চিন্তার অধিকারী বলা যায় যদিও তারা শিক্ষিত না।
একজন বেদুইন একবার একজন লোককে চ্যালেঞ্জ করল যে তোমরা সবকিছুর জন্যই একটা প্রমাণ রয়েছে তো তোমার কি প্রমাণ যে আল্লাহ আছে এবং আল্লাহর অস্তিত্বের উপরে আমাদেরকে বিশ্বাস করতে হবে। সো সে বেদুইনকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল। সে বেদুইন তখন জবাব দিল যে একটা ক্যামেলের ড্রপিংস যখন দেখো যখন আমরা দেখতে পাই যেইয়ের মধ্যে বালির মধ্যে বা মাঠের মধ্যে পড়ে রয়েছে ড্রপিংস গুলো তাহলে বুঝতে পারলাম যে এখানে একটা উট ছিল। আমরা যখন বালির উপর দিয়ে কেউ হেঁটে যায় তার পায়ের হাঁটার চিহ্ন তা পদচিহ্ন আমরা দেখি তখন আমরা বুঝি যে কেউ হেঁটে গিয়েছে না হলে এই পদচিহ্ন কোত্থেকে আসলো আমরা যখন দেখি যে এই পৃথিবীতে মাটির উপরে গাছপালা দিয়ে ভরা আকাশটা হচ্ছে তারা দিয়ে ভরা এবং সাগরটা হচ্ছে ঢেউয়ে ভরা এগুলো কি আমাকে বলে না যে আল্লাহ আছে এইখানে এগুলো কিভাবে হলো।
সো এই যে প্রতিটা নিদর্শন তারা চোখ খুলে দেখছে এবং অন্তর দিয়ে উপলব্ধি করছে। সে কারণেই তারা আল্লাহর অস্তিত্বকে বুঝতে পারছে। একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম একবার হেটে যাচ্ছিলেন একজন বেদুইন পাশ দিয়ে। তখন সে বেদুইন একটা দোয়া করছিল এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম সেখানে দাঁড়িয়ে গেলেন তার দোয়াটা শোনার জন্য এবং তার দোয়ার ভাষাটা সুবহানাল্লাহ। এত সুন্দর সে লোক বলছিল যে তুমি যে হচ্ছ আমাকে যে সে তুমি যাকে হচ্ছে কোন চোখ দেখতে পারে না যাকে কোন অন্তর কমপ্রিহেন্ড বা অন্তর সেটাকে পুরোটা গ্রাস করতে পারে না সে তুমি যে তোমাকে তোমার যতটুকু প্রশংসা পাওয়ার দরকার সেই প্রশংসা তোমার যোগ্যতা অনুযায়ী বা তুমি যেটুকু ডিজার্ভ করো সে অনুযায়ী প্রশংসা করতে পারে না এবং যে হচ্ছে আমাদের চারপাশে যা কিছু হচ্ছে সমস্ত ঘটনা ঘটাচ্ছে কিন্তু নিজে কখনো কোন পরিবর্তন হয় না।
তিনি কখনোই কোন কষ্ট বা ট্রায়াল স্টিমুলেশন পরীক্ষার ভয় করেন না। তিনি হচ্ছেন জানেন যে কতটুকু একটা পাহাড়ের ওজন। তিনি জানেন এক্স্যাক্টলি কতটুকু পানি রয়েছে এই পৃথিবীতে। তিনি এক্সাক্টলি জানেন যে আকাশ থেকে কত ফোঁটা বৃষ্টি বর্ষিত হবে। তিনি জানেন এক্সাক্টলি মাটির বুকে কয়টা পাতা পড়ছে গাছ থেকে। তিনি জানেন এক্সাক্টলি যে অন্ধকার রাতে যখন সমস্ত কিছু লুকিয়ে থাকে সেখানে এক্স্যাক্ট নাম্বার এন্ড ডিটেলস অফ এভরিথিং তিনি জানেন যখন হচ্ছে দিনের বেলা যতটুকু আলো বিকৃত হয় সে আলোর পরিমাণ একটা আকাশ যেমন অন্য একটা আকাশ থেকে লুকিয়ে থাকতে পারে না লুকাতে পারে না আল্লাহ সুবহানা তায়ালার কাছ থেকে এবং একটা মাটি অন্য মাটি থেকে লুকাতে পারে না আল্লাহ সুবহানাতায়ালা মাটিতে যা আছে সেটাও কোন কিছু লুকাতে পারে না আল্লাহর কাছ থেকে। এবং একটা পাহাড় যেটা হচ্ছে একদম এর গভীর গুহা পর্যন্ত কেউ লুকিয়ে থাকতে পারে না যে আল্লাহ তাকে জানবে না এবং একটা সমুদ্রের একদম গভীরে যেও কেউ লুকাতে পারে না যেটা আল্লাহ সুবহানাতায়ালা জানবে না।
তো আল্লাহর এই ক্ষমতাটা এই ন্যাচারের সাথে মিলিয়ে উপলব্ধি করাটা আল্লাহকে সেভাবে চিনাটাই হচ্ছে আমাদের জন্য সার্থকতা। এবং সূরা আনামে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা বলেছেন "তার কাছে অদৃশ্য জগতের চাবি রয়েছে এগুলো তিনি ব্যতীত কেউ জানেন না স্থলে এবং জলে যা আছে তিনি জানেন কোন পাতা ঝরে না কিন্তু তিনি তা জানেন কোন শস্য কণা মৃত্তিকার অন্ধকার অংশে পতিত হয় না এবং কোন আদ্র শুষ্ক দ্রব্য পতিত হয় না কিন্তু তা সব প্রকাশ্যক গ্রন্থে রয়েছে"।
তো আল্লাহ সুবহানা তায়ালা হচ্ছেন তিনি যার সম্পর্কে অজানা যার অজানা কোন কিছু নাই তিনি সমস্ত কিছু জানেন এবং সমস্ত কিছু তিনি কন্ট্রোল করছেন। এযে কত সুন্দর একটা উদাহরণ আমরা এখানে দেখতে পাচ্ছি যে একটা পাতার কথা বলা হয়েছে। এত ছোট এত ইনসিগনিফিকেন্ট আমাদের পায়ের নিচে কত পাতা ঝরে পড়ে মচমচ করে ভেঙ্গে আমরা এগিয়ে যাই এবং ওটা নিয়ে আমরা চিন্তাও করি না। অথচ এভ্রি সিঙ্গল লিভ যে প্রতিটা পাতা যে এক গাছ থেকে পড়ে নিচে সেটা আল্লাহর হুকুমে হয় এবং আল্লাহর জ্ঞান ছাড়া সেটা সম্ভব হয় না।
সো এই লোকেরা আসলে আল্লাহকে এই বেদুইনদের কথা যে বলা হলো যে আল্লাহ যেভাবে বলেছে তারা ঠিক সেভাবেই হচ্ছে আল্লাহকে বিশ্বাস করছে সেভাবেই আল্লাহকে তারা চিনতে পারছে এবং আরেকটা জিনিস যেটা আমরা দেখি যে কোরআন হচ্ছে আমাদের মাঝে জিনিসগুলোকে এমনভাবে ফুটিয়ে তোলে যে একটা জিনিস কিভাবে প্রোগ্রেসিভলি চেঞ্জ হচ্ছে কিভাবে এটার মধ্যে পরিবর্তন আসছে এবং এইটা দেখে আমরা যাতে আল্লাহর অস্তিত ব্যাপারে আর কোন ধরনের সন্দেহ না রাখি।
স আয়াত বা নিদর্শন হচ্ছে আল্লাহ সুবহানা তাআালার পক্ষ থেকে একটা ডাইরেক্ট ডিরেকশন আমাদের জন্য। স এটা শুধুমাত্র যে এই কথা শুনে আমরা অবাক হয়ে যাব, তাজ্জব হয়ে যাব সেটা না বরং এটা আমাদের রিফ্লেক্ট করার জন্য, রিমাইন্ড করার জন্য এটা আমাদের জন্য একটা ওয়েকআপ কল। সো এই রিমাইন্ডার বা ওয়েকআপ কয়ালটা হচ্ছে যখন আমাদের সামনে আসে আমরা যখন রিমাইন্ডার বলি তার মানে হচ্ছে অলরেডি একটা জিনিস জানা আছে এটা কোন নতুন ইনফরমেশন না। সো পুরানো জিনিসটাকে যে জিনিসটা আমরা অলরেডি জানি রিয়েলাইজ করেছি সেই জিনিসটাকে আবার আমাদের সামনে তুলে ধরা।
সো যেই কথাগুলো বলা হচ্ছে কোরআনে বা সূরা ইয়াসিনের এই আয়াতে এগুলো নতুন কোন কথা না। এগুলো আমাদের জন্য রিমাইন্ডার যে আমরা অলরেডি জানি আল্লাহ শুধু আমাদের উপলব্ধির দরজাটাকে এখানে খুলে দিতে বলেছেন। আমাদের ফিতরা যে জিনিসটাকে চায় সেই জিনিসটার জন্য নিজেদেরকে প্রস্তুত করতে বলেছেন। তো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সমস্ত কিছুই হচ্ছে এই ফিতরার উপরে ইনেট ন্যাচারের উপরে তৈরি করেছেন। যেন আমরা আল্লাহকে বিশ্বাস করি। আমরা আল্লাহর প্রতি ডিভোর্টেড হই এবং আল্লাহর ইবাদতের জন্য নিজেরা প্রস্তুত হয়ে যাই।
যেই ঘোষণা আমরা কোরআনে বলা হয়েছে যে আমাদের যখন রুহ তৈরি করা হয়েছে তখন এই প্রত্যেকটা রুহ থেকে আল্লাহ সাক্ষ্য নিয়েছেন যে আমি কি তোমাদের রব নই এবং আমরা সবাই সাক্ষ্য দিয়েছি যে হ্যাঁ আপনি আমাদের রব আমরা সাক্ষ্য দিলাম এবং সেই কথাটাই আমরা প্রতিনিয়ত সূরা ফাতিহাতে প্রতি নামাজে বলি আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামিন আমরা তার প্রশংসা করি আমরা তার কৃতজ্ঞতা আদায় করি তার প্রতি আমরা গ্রেটফুল হই প্রতিনিয়ত শুধুমাত্র নামাজে দাঁড়িয়ে এটাই এই হচ্ছে দুঃখজনক যে নামাজের পরেও এই সাইনগুলো যে আমাদের চোখের সামনে আসছে এবং আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে সেটা আমরা খেয়াল রাখি না।
সো যখনই আমরা এই স্মরণ করা জিনিসগুলো থেকে নিজেদেরকে আসলে লুকিয়ে রাখি তখনই আল্লাহর যে এক্সিস্টেন্স বা অস্থিত্বের প্রমাণ যে জিনিসগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোর ব্যাপারে ব্যাখ্যায়াল হয়ে যায়। তখনই আমাদের ঈমানের মধ্যে মরিচিকা পড়ে যায়। সো শুকর গ্রেটফুলনেস আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা হচ্ছে সেগুলোকে বাড়িয়ে দেয় এবং যত বেশি আমরা আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ হব আল্লাহ বলেছেন তিনি আরো বেশি বাড়িয়ে দিবেন এবং এটাই হচ্ছে কুফরের অপোজিট কুফর মানে হচ্ছে অবিশ্বাস করা কিন্তু আসলে তারা অকৃতজ্ঞ তার কারণ হচ্ছে তারা প্রত্যেকটা জিনিস প্রত্যেকটা নিয়ামত উপভোগ করছে করে যার নিয়ামতগুলো উপভোগ করছে তার এগেন্স্টে কাজ করছে আর শুকর হচ্ছে যে আমি যার নিয়ামতগুলোকে উপভোগ করছি দুনিয়া নিয়াতে প্রতি মিনিটে প্রতি মুহূর্তে সেটার জন্য আমি তার কাছে কৃতজ্ঞ এবং যে কারণে আমি আরো বেশি করে নিজেকে তার প্রতি অনুগত করে দিচ্ছি।
এটা শুধু লিপ সার্ভিস না যে মুখে আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ বললাম বরং বরং ভলান্টারিলি আল্লাহ সুবহানা তাআলার জন্য কৃতজ্ঞতায় মন ভরিয়ে দিয়ে তার সামনে ইবাদতে দাঁড়ানোটাই হচ্ছে এই কৃতজ্ঞতা অথবা শুকরিয়া। যেই হচ্ছে এই রিমাইন্ডার গুলো আয়াতগুলো চোখের সামনে দেখবে দেখে শুধু সুবহানাল্লাহ বলে বসে থাকবে না বরং অন্তরকে আলোকিত করবে সেই আসলে এই ইবাদতে মনোযোগ দিচ্ছে এবং আল্লাহ সুবহানা তাআলা একটা সাইন দিয়ে এখানে শুরু করেছেন সে সাইনটা হচ্ছে মৃত মাটি এবং সেই মৃত মাটির মধ্য থেকে কিভাবে জীবনের সঞ্চার হচ্ছে যে ফসলের মাধ্যমে এবং সেই ফসল খেয়ে আমরা আমাদের জীবিকা নির্বহণ করছি আমরা জীবিত থাকছি সুবহানাল্লাহ।