Transcription
সূরা ইয়াসিনের মূল বক্তব্যগুলোকে আমরা পাঁচটা ভাগে মূলত ভাগ করতে পারি এবং প্রথম ভাগটা হচ্ছে এক থেকে 12 নাম্বার আয়াত। আমরা এখন 12 নাম্বার আয়াত নিয়ে আলোচনা করছি।
ফাস্ট সেকশনের যে আলোচনাটা সেখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা শুরু করেছেন কোরআনের শপথ করে। সেখানে তিনি আমাদেরকে দেখিয়েছেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যে তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত রাসূল তার মেসেজটা কনভে করা হয়েছে তার দায়িত্ব সে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথা এসেছে। তারপরে এসেছে যারা হচ্ছে ডিসবিলিভার যারা হচ্ছে তাকে বিশ্বাস করে না। আল্লাহ সুবহানাতায়ালাকে অবিশ্বাস করছে তাদের ব্যাপারে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তাদের কি পরিস্থিতি হবে সেটা এখানে বলে দিচ্ছেন এবং সাথে তিনি বলে দিয়েছেন যে কাদেরকে সতর্ক করলে কাজ হবে এবং তাদের জন্য কি পুরস্কার রয়েছে।
12 নাম্বার আয়াতে এসে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা মনে হচ্ছে যেন এই পুরা সেকশনটার একটা ফিনিশিং টাচ দিচ্ছেন এখানে যেখানে তিনি বলছেন, "আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম। ইন্নাহ মাতামাহুল্লাহ ইমামি মুবিন। আমি মৃতদেরকে জীবিত করি এবং তাদের কাজ এবং কীর্তি সমূহ লিপিবদ্ধ করি। আমি প্রত্যেক বস্তু স্পষ্ট কিতাবে সংরক্ষিত রেখেছি।" এত সুস্পষ্টভাবে আল্লাহ সুবহানাতালা এখানে বলে দিচ্ছেন যে অবিশ্বাসী কাফেররা যে কথাগুলো বলতো যে কখনোই তাদের মৃত্যুর পরে আর জীবিত করা হবে না। এটা অসম্ভব একটা ব্যাপার। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে পুরো মানবজাতির জন্য ক্লিয়ারলি বলে দিচ্ছেন যে অবশ্যই তিনি মৃত্যুর পরে জীবন দান করবেন এবং তাদের জন্য একটা নির্ধারিত দিন তিনি রেখে দিয়েছেন যেটা হচ্ছে হিসাবের দিন। কেয়ামতের দিনে হচ্ছে তাদের সমস্ত কিছুর হিসাব রাখা হয়েছে সেই হিসাবকে সেদিন দেখানো হবে। সুবহানাল্লাহ।
আমরা এখানে দেখি যে আট নাম্বার এবং নয় নাম্বার আয়াতে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা যে কথাগুলো বলেছেন সেখানে আমরা দেখি তিনি বলেছেন, "ইন্না জলনা" যে আমরা এটা করেছি, আমি এটা করেছি। এবং এখানেও আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতালা গুরুত্ব দিয়ে বলছেন যে, "ইন্না নাহন মাওতা ওনাতুবু"। এখানে আমরা যদি দেখি, "ইন্না" নিশ্চিতভাবে আমরা। এখানে আমরা শব্দটি এসেছে। তারপর আবার বলা হচ্ছে, "নাহন" আমরা। নিশ্চয়ই আমরা। আমরাই "নুহি" আমরা জীবন দান করি। "ওয়ান নাখতুবু" আমরা লিখে রাখি। তো এখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই কথাটার উপরে এত গুরুত্ব দিয়েছেন যে আমরা এটা করার ক্ষমতা রাখি। আমরা অবশ্যই এটা করব এবং এই ব্যাপারে কোন ধরনের সন্দেহ নাই।
আল্লাহ সুবহানা তায়ালা কাফেরদের যে কথা সে কথাটাকে এমনভাবে এখানে রিজেক্ট করছেন খুব স্ট্রংলি আল্লাহ সুবহানা তায়ালা তাদের কথাটাকে রিজেক্ট করে এখানে বলছেন যে আমরাই সেটা করতে পারি এবং আমরাই সেটা করব। এবং এখানে আমরা দেখি যে বলা হচ্ছে, "ইন্না নাহন" মানে হচ্ছে যে আমরা জীবন নিয়ে আসি। "নহিয়াল মাওতা" যে হচ্ছে অলরেডি মৃত। "মাউথ" মৃত পিপল। সো এখানে আমরা দেখি আল্লাহ সুবহানাতায়ালা মৃতদেরকে জীবিত করার কথা এখানে ঘোষণা করে দিচ্ছেন। সো এখানে এক নাম্বার যে জিনিসটা আমরা দেখি মৃতদেরকে জীবিত করার ব্যাপারে যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে মৃত্যুর পরে যে একটা জীবন রয়েছে সেটাকে সুনিশ্চিত করছেন। কেয়ামতের দিনে আমাদের সবাইকে পুনরজ্জিত করা হবে এবং এটাই ছিল নাম্বার ওয়ান অবজেকশন মুশরিকদের পক্ষ থেকে যে মৃত্যুর পরে জীবিত করা সম্ভব না। কিভাবে আমাদেরকে জীবিত করবে যখন আমরা আমাদের হাড়গুলো মাটির সাথে ধুলর সাথে মিশে যাবে। আল্লাহ সুবহানা তাআলা বলছেন যে এটা তার জন্য অসম্ভব কিছুই না।
সেকেন্ড যে জিনিসটা আমরা এখান থেকে দেখতে পাই সে জিনিসটা হচ্ছে যে ঈমানের কথা। এখানে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা বলেছেন যে সূরা আনআমে তিনি বলেছেন, "আর যে মৃত ছিল অতঃপর আমি তাকে জীবিত করেছি এবং তাকে এমন একটি আলো দিয়েছি যা নিয়ে সে মানুষের মধ্যে চলাফেরা করে। সে কি ওই ব্যক্তি সমতুল্য হতে পারে যে অন্ধকারে রয়েছে সেখান থেকে বের হতে পারছে না? এমনিভাবে কাফেরদের দৃষ্টিতে তাদের কাজকর্মকে সুশোভিত করে দেওয়া হয়েছে।" সো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে বলছেন যে আল্লাহ মানুষকে জীবন দান করেন এবং সেই জীবন দানের একটা এক্সাম্পল হিসেবে তিনি বলেছেন যে তাদেরকে তিনি ঈমান দান করেন। সো আল্লাহ এখানে সেই আগে পূর্ববর্তী আয়াতগুলোতে তাদের কথা বলেছেন যারা তাকে বিশ্বাস করে না এবং এখানে তিনি বলছেন যে যারা যাদের হচ্ছে ঈমান আছে তারা আসলে তারাই হচ্ছে জীবিত কারণ তাদেরকে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই ঈমানের রোশনাই দিয়ে তাদের অন্তরকে তিনি জাগিয়ে দিয়েছেন। সো এখানে সেই ঈমান আনার কথা জীবিত করার কথা হতে পারে যে তাদের ঈমান দান করা তাদের ঈমানকে পুনরুজ্জীবিত করা।
এবং একটা হাদিসে আছে তিরমিজি শরীফে হাদিসে যেখানে বলা হয়েছে যে, "আল্লাহকে স্মরণ করে আর যে আল্লাহকে স্মরণ করে না তাদের উদাহরণ হচ্ছে এরকম যে তারা জীবিত আর তারা মৃত।" স আল্লাহকে স্মরণ করার মাধ্যমেই হচ্ছে আমাদের ঈমানটা জীবিত হয় এবং সেই ঈমানকে জীবিত করার একটা এক্সাম্পল হতে পারে যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে মৃত অবস্থা থেকে জীবিত অবস্থার মধ্যে নিয়ে আসেন ঈমানের কারণে। এবং তারপরে আমরা দেখি যে বলা হচ্ছে মৃতকে জীবিত করা একটা আমরা দেখলাম যে একটা হচ্ছে আমাদের শারীরিকভাবে জীবিত করা হতে পারে যেটা আমরা আখিরাতের জন্য। আরেকটা হচ্ছে আমাদের স্পিরিচুয়াল যে স্পিরিট সেটার কথা বলা হতে পারে যে আমাদের আত্মিকভাবে জীবিত করার কথা।
তারপরে বলা হচ্ছে, "নাকতুবু" শব্দের অর্থ হচ্ছে টু রাইট ডাউন কোন কিছুকে রেকর্ড করা। এখানে আমরা দেখি যে এক প্রথমে বলা হচ্ছে আমাদেরকে পুনরউজীবিত করা হবে। তারপরে এখানে একাউন্টেবিলিটির কথা বলা হয়েছে। এটা হচ্ছে মুশরিকদের আরেকটা অবজেকশন। সেখানে তারা চিন্তা করত যে কিভাবে এত মানুষ প্রত্যেকেই হচ্ছে একাউন্টেবল করা সম্ভব। তারা যা করেছে সেটা সম্পর্কে কিভাবে তাদেরকে প্রশ্ন করা সম্ভব। কিভাবে সেটা রেকর্ড করা সম্ভব? আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন যে আমরা সমস্ত কিছু লিখে রাখছি। এখানে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে জানিয়ে দিচ্ছেন যা কিছুই হচ্ছে আমরা করছি সেটা এবং "মাকদ্দামও আসারাহুম"। তারা যা কিছু করছে এবং তারা তাদের পিছনে যা এফেক্ট রেখে যাচ্ছে এ সমস্ত কিছুই আমরা লিখে রাখছি।
সো এখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা দুই ধরনের কাজের কথা বলছেন যেটা রেকর্ড করছেন। একটা হচ্ছে যেটা আমরা সামনের দিকে পাঠিয়ে দিচ্ছি এবং আরেকটা হচ্ছে যেটা আমাদের পিছনে থেকে যাচ্ছে। সো আমরা যেটা সামনের দিকে পাঠিয়ে দিচ্ছি, "মা কদ্দামু"। বলা হচ্ছে যে সামনে যা কিছু আছে সামনে যা পাঠাচ্ছি। তো সে সামনে যা পাঠাচ্ছি সেটা কি? সেটা হচ্ছে যে একজন মানুষ এই দুনিয়ার বুকে যে কাজগুলোই করে না কেন সেটা ভালো হোক অথবা খারাপ হোক সেটার জন্য সে পুরস্কৃত অথবা শাস্তি পাবে আখেরাতের জীবনে এবং এগুলো সমস্ত কিছুই আল্লাহ সুবহানা তায়ালা রেকর্ড করে রেখেছেন এবং মানুষের কোন কাজই আসলে হারিয়ে যাবে না কোন কাজই হচ্ছে জাজ করা ছাড়া আল্লাহ ছেড়ে দিবেন না। এবং সে যদি ভালো কাজ করে তাহলে সে হচ্ছে পুরস্কার পাবে এবং সে যদি খারাপ কাজ করে তাহলে তার জন্য শাস্তি ব্যবস্থা রয়েছে।
এখানে আমরা দেখি আল্লাহ সুবহানা তায়ালা বলে দিচ্ছেন আমাদেরকে যে সামনে যা কিছু পাঠিয়েছে এবং আবার তারপরে বলেছেন, "আসারাহুম" যে তাদের পিছনের যে এফেক্ট। "আসারা" যে তাদের এটাকে ফুটস্টেপ বলা হয় পায়ের চিহ্ন। সেটা তাদের পিছনে যে পায়ের চিহ্ন রেখে আসছে সেটার কথা। অর্থাৎ যে কাজগুলো সেই কাজগুলোর কথা বলা হচ্ছে যে কাজগুলো মানুষ পিছনে ফেলে এসেছে এবং সেগুলো হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা রেকর্ড করে রাখছেন। এখানে তাফসীকারকগণ বলেছেন যে এটা মানুষ বুঝাতে পারে যে আল্লাহ সুবহানাতালা এখানে বুঝাতে পারেন যে যে হচ্ছে যে কাজগুলো ভালো অথবা খারাপ যে কাজগুলো সে তার সারা জীবনে করেছে এবং সেই কাজগুলো যখন অন্যদের দ্বারা অনুসরণ হয়েছে তারা সেই কাজগুলো করেছে। ইভেন তার মৃত্যুর পরেও সেই কাজগুলো এখানে বলা হচ্ছে যেগুলো হচ্ছে রেকর্ড করা হচ্ছে সেই মৃত ব্যক্তির নামে। এবং সে যদি ভালো কিছু কাজ করে থাকে, ভালো কিছু শিক্ষা দিয়ে থাকে তাহলে মৃত্যুর পরও সে সেটার জন্য পুরস্কার পেতে থাকবে। আর সে যদি ভালো খারাপ কাজ করে থাকে অথবা খারাপ কিছু শিক্ষা দিয়ে থাকে তাহলে সেটার জন্য মৃত্যুর পরও সেটা তার আমলনামায় লিখা হবে এবং সেটার কনসিকোয়েন্স হিসেবে সে শাস্তি পাবে। সো উভয় ক্ষেত্রে আমরা দেখি যে অন্যদের দ্বারা যে কাজগুলো হচ্ছে আমাদেরকে অনুসরণ করে সেগুলো আবার মৃত্যুর পরও আমাদের আমলনামায় লিখা হতে থাকবে। সেটা আমি নিজে করি অথবা শিক্ষা দেই বা আমাকে দেখে কেউ শিখে এ সমস্ত কিছুই হচ্ছে এর অন্তর্ভুক্ত।
"মাকদ্দামু" এখানে একটা অর্থ হচ্ছে যেটা আমরা সামনে পাঠিয়ে দিয়েছি। স এটা হচ্ছে গুড ইন্টেনশন ওয়ান সেন্স ফরওয়ার্ড। এটা এই অর্থ এখানে আসতে পারে। যেমন ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু থেকে বলা হয়েছে যে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন, "নিশ্চিতভাবে আল্লাহ আমরা যে ভালো এবং খারাপ কাজগুলি করি সেগুলো রেকর্ড করে রাখেন।" এবং এটা আল্লাহ সুস্পষ্টভাবে আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন। কেউ যখন একটা ভালো কাজ করে কিন্তু সে এটা করে না আল্লাহ তখন এটাকে রেকর্ড করে রাখেন একটা কমপ্লিট ভালো কাজ হিসাবে। অর্থাৎ আমি শুধু নিয়ত করলাম কিন্তু কাজটা আমরা করা হয় নাই। সেটাকেও আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা একটা ভালো কাজ হিসেবে লিখে রাখবেন। যদি আমরা নিয়ত করি এবং সেটা করে ফেলি তখন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সেটার জন্য আমাদের জন্য আমাদের আমলনামায় 10 টা রিওয়ার্ড লিখে দেন এবং সেটা 700 গুণ হতে পারে এবং তার চেয়েও বেশি হতে পারে আল্লাহ যেভাবে পছন্দ করেন।
আবার অন্যদিকে আমরা যখন কোন খারাপ কাজ করি কিন্তু সেটা খারাপ কাজের নিয়ত করি কিন্তু সেটা করি না। আল্লাহ হচ্ছে না করার জন্য আমাদের জন্য একটা কমপ্লিট গুড ডিড সেখানে লিখে দিবেন। একটা পুরস্কার সেখানে লিখে দিবেন। কিন্তু সে যদি এই খারাপ কাজটা করে ফেলে তখন সেটার জন্য একটা পানিশমেন্ট তার জন্য লিখে রাখবেন। তো এখানে আমরা দেখি আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আসলে যে আর রাহমান তার প্রমাণ আমরা প্রতিটা ক্ষেত্রে দেখতে পাই যে ভালো কাজের নিয়ত করলাম কিন্তু করলাম না। সেটার জন্য আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমার জন্য একটা রিওয়ার্ড কিন্তু লিখে দিচ্ছেন। আবার খারাপ কাজের নিয়ত করলাম কিন্তু করলাম না সেটার জন্য আল্লাহ সুবহানাতায়ালা একটা ভালো দিচ্ছেন যে আমি নিজেকে সে করাটা থেকে বিরত রেখেছি সে কারণে। আবার যখন আমি ভালো কাজ করে ফেলি নিয়ত করার পরে সেটা 10 থেকে 700 গুণ বা তার চেয়েও বেশি আল্লাহ সুবহানাতায়ালা পুরস্কার দিতে পারেন। কিন্তু যখন আমি খারাপ কাজটা করে ফেলি তখন সেটাকে কিন্তু আল্লাহ বাড়িয়ে দিচ্ছেন না। তিনি এত মার্সিফুল যে তিনি আমার জন্য শুধু একটা পানিশমেন্ট সেখানে লিখে দেখান। তো সুবহানাল্লাহ যে এই প্রত্যেকটা জিনিস হচ্ছে আল্লাহ রেকর্ড করছেন। আমি কখন নিয়ত করছি কখন সেটা করছি কখন সেটা করছি না এ সমস্ত কিছুই হচ্ছে হিসাব রাখা হচ্ছে।
এবং কিভাবে হিসাব রাখা হচ্ছে আমরা দেখি সূরা ইনফিতরে বলা হচ্ছে যে, "আলাইকুমলা হাফিজুন। নবন্ড কিরামান কাতিবিন। ইলামুনামাতাফ।" অবশ্যই তোমাদের উপরে কেয়ারটেকার তত্ত্বাবধায়ক রাখা আছে। তারা হচ্ছে সম্মানিত লেখকবৃন্দ। তারা জানে যা তোমরা কর। তো তারা প্রতিটা জিনিস কিন্তু লিখে রাখছে এবং তারা এমন ফেরেশতা যাদেরকে আমরা কোনভাবেই প্রভাবিত করতে পারবো না যে আমরা যা করছি তাই হচ্ছে প্রতিনিয়ত লিখা হয়ে যাবে। তাহলে এখানে আমরা দেখছি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা যে দ্বিতীয় কথাটা এখানে বলছেন যে আমরা যা কিছু করছি তার সমস্ত কিছুই হচ্ছে লিখা হয়ে যাচ্ছে এবং সেগুলোই আমাদের জন্য সামনে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অর্থা আমরা যে আমলটাই করছি সে আমলটাই আমার জন্য সুপারিশকারী হয়ে যাচ্ছে। ভালো বা খারাপ যেটাই হোক সে পরিণামের জন্য।