📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Surah Al Qadr || Ayah 2: When is Laylatul Qadr|| Part 4

Straight Path13:02

Transcription

সূরা আল কদরের দুই নাম্বার আয়াত। আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম। ওমালাইলাতুল কদর শবে কদর সম্পর্কে আপনি কি জানেন?

এখানে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা প্রথমেই বলেছেন যে এই কোরআনকে তিনি একটা মহিমান্বিত রাতে নাযিল করেছেন। যে রাতটা হচ্ছে লাইলাতুল কদর। এরপরে আল্লাহ বলছেন তুমি লাইলাতুল কদর সম্পর্কে কি জানো? যেটা প্রশ্নটা হচ্ছে অনেকটা এরকম যে তোমাকে তুমি এ সম্পর্কে কি চিন্তা করো যে এই রাতের যে শক্তি, এই রাতের মধ্যে যে মহিমা বা বারাকা রয়েছে এ সম্পর্কে তোমার কতটুকু জানা রয়েছে।

আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এর পরবর্তী আয়াতগুলোতে দেখা যাবে যে এই প্রশ্নের জবাব আমাদেরকে তিনি নিজেই জানিয়ে দিচ্ছেন। এখানে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন, ওয়ামা শব্দটা হচ্ছে কোরআনে যখন ইউজ করা হয় একটা উদ্দেশ্য হচ্ছে তাজিব, যে এটা হচ্ছে অবাক আজব বুঝানোর জন্য, এমেজমেন্ট বুঝানোর জন্য এটা ব্যবহার করা হয়। যে কেউ যখন কোন একটা জিনিস দেখে থ হয়ে যায়, অবাক হয়ে যায়, নির্বাক হয়ে যাচ্ছে সে আজব অবস্থা বুঝানোর জন্য হচ্ছে এই মা শব্দটা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আবার মা শব্দটা ব্যবহার করা হয়ে থাকে তাফকিম, অর্থাৎ এই জিনিসটাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য।

তো এখানে দুইটা জিনিস আমরা দেখতে পাচ্ছি যে এই যে মা আল্লাহ সুবহানাতালা এখানে ইউজ করেছেন। একটা উদ্দেশ্য হচ্ছে যে একটা সেন্স দেওয়া যে একটা অবাক করা ভাব, আশ্চর্য ভাব নিয়ে আসা যে মানুষরা লাইলাতুল কদর সম্পর্কে কতটুকু জানে। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে বলছেন যে এই পৃথিবীর কি আছে এমন যেটা তোমাকে লাইলাতুল কদর কি সেটাকে অনুধাবন করতে সাহায্য করবে। তুমি কি অনুধাবন করতে পারছো এর গুরুত্বটা? অর্থাৎ এই কদরের অর্থ আমরা বুঝলাম। কদর সম্পর্কে এত কিছু জানলাম। কিন্তু আসলে কি আমি রিয়েলাইজ করতে পারছি যে এই লাইলাতুল কদরটা আসলে কতটুকু সম্মানিত?

সো এখানে আল্লাহ সুবহানা তায়ালার মূল উদ্দেশ্য যে এটা কখন সেটা বিশেষভাবে জানানো না। বরং এটা হচ্ছে যে কত গুরুত্বপূর্ণ সেই জিনিসটাকে আমাদের সামনে তুলে ধরা। তো এখানে একদিক থেকে আল্লাহ কোশ্চেন করছেন, আরেকদিকে হচ্ছে আমাদের মধ্যে সে কোশ্চেনের উত্তর জানার জন্য যে আগ্রহ, সেই আগ্রহটা তিনি আমাদের মধ্যে সৃষ্টি করছেন। সো এখানে মা আদরাকা বলা হচ্ছে। স এর মাধ্যমে অর্থটা হচ্ছে কি তোমাকে জানাবে? কি এমন আছে যেটা তোমাকে এমনভাবে জানাতে পারবে যে লাইলাতুল কদরটা কি জিনিস।

এখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতালা পরবর্তী আয়াতগুলোতে আমাদেরকে জানিয়ে দিচ্ছেন যে এর যে গ্রেভিটি, এর যে গুরুত্ব, এর যে সম্মান সেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি। এখানে ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহ আনহুর দুই ধরনের অপিনিয়ন এখানে বলেছেন যে কবে এই লাইলাতুল কদর হতে পারে। তো এই নিয়েও আমরা দেখি যে মা আদরাকা তুমি কি জানো যে আল্লাহ সুবহানাতালা এখানে পাস্ট টেন্স ইউজ করেছেন। যখন ইদ্রিকা শব্দটি ইউজ করা হয় এটা হচ্ছে প্রেজেন্ট টেন্স। তখন আল্লাহ সুবহানা তায়ালা সাধারণত হচ্ছে এন্সার বলে দেন না। কিন্তু যখন আদরাকা বলা হয় তখন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সেটার ন্সার এবং সেটা ব্যাখ্যা আমাদেরকে জানিয়ে দেন। এবং যেটা আমরা পরবর্তীতে ঠিকই দেখতে পাচ্ছি যে আল্লাহ সুবহানাতালা আমাদেরকে জানিয়ে দিচ্ছেন যে লাইলাতুল কদর আসলে কি?

তো লাইলাতুল কদর আসলে কখন সেই জিনিসটা নিয়ে আমাদের মধ্যে দেখা যায় যে বিভিন্ন ধরনের মতামত রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের কথা আমাদের মধ্যে চলে আসছে। স ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহ আনহু এ ব্যাপারে দুইটা অপিনিয়ন দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে এটা 23 তম রাতে অথবা 27 তম রাত্রে পড়ে। সো ম্যাক্সিমাম তাফসীরগণ বলেছেন যে এটা 27 তম রাতে পড়ে রমাদানের। এবং এখানে ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহ আনহু খুবই ইন্টারেস্টিং একটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে যে কেন তিনি মনে করেন এটা 27 তম রাতে। তো সেটা তিনি বলেছেন যে লাইলাতুল কদর লিখার জন্য নয়টা বর্ণ নয়টা হরফ লাগে এবং লাইলাতুল কদর ইটসেলফ হচ্ছে এই সূরার মধ্যে তিনবার বলা হয়েছে। স যখন আমরা তিন দিয়ে নয়কে গুণন করি তখন সেটা হচ্ছে 27 হয়ে যাচ্ছে। সো এটা হচ্ছে ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহুর নিজে যে অভিমত এবং আরেকটা বলা হয়েছে যে এই সূরাতে হচ্ছে 30 টা হচ্ছে শব্দ রয়েছে এবং 30 দিনে হচ্ছে একটা মাস এবং ঠিক 30 তম 27 তম শব্দটা হচ্ছে হিয়া হিয়া দিয়ে এখানে লাইলাতুল কদরকে বুঝানো হয়েছে এবং সে কারণে অনেকে এই 27 তম রাতটিকেই হচ্ছে লাইলাতুল কদর চিন্তা করছে।

স আমরা যত বেশি এটা নিয়ে পড়াশোনা করছি তত আমরা দেখতে পাচ্ছি যে এই লাইলাতুল কদর আসলে কোন রাত সেই ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট করে কেউই আমরা জানি না। কারণ হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে সুনির্দিষ্ট করে এটা জানান নাই। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামও আমাদেরকে সুনির্দিষ্টভাবে বলে দেন নাই। তো সে কারণে দেখা যায় যে ম্যাক্সিমাম স্কলারের মতামত যেটা সেটা হচ্ছে যে আমাদের আসলে চেষ্টা করা উচিত রমাদানের শেষের 10 দিন হচ্ছে চূড়ান্তভাবে প্রচেষ্টা চালানো যেন কোন রাত আমাদের মত মিস না হয়ে যায় কোনভাবেই আমরা লাইলাতুল কদরকে হারিয়ে না ফেলি সেজন্য প্রতি রাতেই আমরা যেন চেষ্টা করি একটা রাতের উপরে ফোকাস না করে।

তো যার কারণে দেখা যাবে যে আমাদের বর্তমান সময়ে দেখা যায় যে কোথায় চাঁদ উঠেছে কোথাও একই এরিয়াতে দেখা যায় একদিন আগে একদিন পরে চাঁদ দেখা নিয়ে সমস্যা। এই সমস্ত সমস্ত সমস্যার অবসান ঘটিয়ে যা আমাদের করা উচিত বলে স্কলারগণ বলছেন সেটা হচ্ছে যে শেষের 10 দিনেই লাইলাতুল কদর রয়েছে। সো এই 10 দিনেই আমরা 10 রাতই যেন আমরা আল্লাহ সুবহানা তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য চেষ্টা করি প্রত্যেকটা রাতকেই গুরুত্ব দিয়ে।

তো এ ব্যাপারে আমরা বিভিন্ন হাদিস পেয়েছি সে হাদিসগুলো নিয়ে কিছুটা আলোচনা করবো যে কি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম কি বলেছেন আমাদেরকে। একটা হাদিসে এসেছে যেখানে তিনি বলেছেন যে তোমরা লাইলাতুল কদরকে খুঁজো রমাদানের শেষ 10 রাতে। সো তোমরা তোমাদের মধ্যে কেউ যদি দুর্বল হও অথবা তোমাদের করার সমর্থ না থাকে তাহলে হচ্ছে তোমরা শেষের সাত রাতে হচ্ছে লাইলাতুল কদরকে খুঁজতে থাকো। তাহলে এখানে আমরা দেখি যে মূলত শেষের 10 দিনের উপরে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম নিজে আমাদেরকে এই নির্দেশ দিয়ে দিয়েছেন।

এবং আরেকটা হাদিসের মধ্যে আমরা দেখি যেখানে তিনি বলেছেন যে ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের কয়েকজন সাহাবী তাদের স্বপ্নের মধ্যে দেখেছেন যে লাইলাতুল কদর হচ্ছে লাস্ট সাত রাতে রমাদানের শেষ সাত রাতের মধ্যে হচ্ছে লাইলাতুল কদর রয়েছে তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহিলাম তাদেরকে বললেন যে তার মানে দেখা যাচ্ছে যে তোমাদের সবার স্বপ্নই লাইলাতুল কদর কবে সেটার ব্যাপারে শেষ সাত রাতকেই বুঝাচ্ছে এবং যে হচ্ছে লাইলাতুল কদরকে খুঁজতে চায় তার এই সাত রাতের মধ্যেই খোঁজা উচিত এবং এটা বুখারী শরীফের হাদিস। তাহলে এখানে আমরা আরেকটু ফোকাস যেটা দেখতে পাচ্ছি সেটা হচ্ছে লাস্ট সেভেন নাইট এর উপরে আমাদেরকে আরো বেশি করে ফোকাস দিতে হবে।

বুখারী শরীফের আরেকটা হাদিসে এসেছে যেখানে বলা হয়েছে যে আবু সাঈদকে জিজ্ঞাসা করা হলো আবু সালামা থেকে এটা বর্ণনা করা হয়েছে যে লাইলাতুল কদর কবে? তখন তিনি বললেন যে আমরা ইতেকাফ করছিলাম রমাদানের মাঝামাঝি সময়ে মিডল থার্ডে হচ্ছে মাঝের এক তৃতীয়াংশে হচ্ছে আমরা ইতেকাফ করছিলাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে। 20 তারিখ রাতের রমাদানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম আসলেন। সকালবেলা তিনি আসলেন এবং আমাদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন যে আমাকে বলে দেওয়া হয়েছিল কবে লাইলাতুল কদর। কিন্তু আমি সেটা ভুলে গিয়েছি। স তোমরা হচ্ছে লাইলাতুল কদরকে খোঁজ করো রমাদানের শেষ 10 রাতের মধ্যে। স্বপ্নে আমি দেখেছিলাম যে আমি পানি এবং কাদার মধ্যে হচ্ছে সেজদা করছি। স তোমরা যারা আমার সাথে এতেকাফে ছিলা তাদের হচ্ছে আর পরবর্তী 10 দিনের জন্য আবার ফিরে আসা উচিত।

এবং এই সময়ে কিরকম দেখা যাবে যে দোর ওয়াজ নো সাইন অফ ক্লাউডস ইন সকাই। যে এই সময় যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম এই কথাগুলো বলছেন সেই সময় হচ্ছে কোন মেঘ ছিল না কিন্তু হঠাৎ করে একটা মেঘ চলে আসলো এবং সেখানে হচ্ছে বৃষ্টি বর্ষণ করা শুরু করলো এবং মসজিদের ছাদ থেকে বৃষ্টির ফোঁটা পড়তে লাগলো এবং তারপরে হচ্ছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম তাদেরকে নামাজ পড়ালেন এবং তিনি সেখানে যে স্বপ্নে যেরকম তিনি দেখেছিলেন যে পানি এবং কাদার মধ্যে সেজদা করছেন এবং তিনি সেখানে সেজদা করলেন এবং তিনি বললেন যে আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামের কপালে কাদার দাগ দেখেছি। তাহলে এখান থেকেও আমরা দেখতে পাই যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম যদিও তাকে জানানো হয়েছিল লাইলাতুল কদর কবে কিন্তু তারপরে তিনি ভুলে গিয়েছিলেন এবং শেষ 10 রাতে হচ্ছে তাকে লাইলাতুল কদর খুঁজতে নির্দেশ দিয়েছেন।

আরেকটা হাদিসে এসেছে বুখারী শরীফের হাদিস যেখানে বলা হয়েছে যে লাইলাতুল কদর সম্পর্কে জানানোর জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম বের হয়ে আসলেন এবং সেই সময় দেখা গেল দুইজন মুসলমান নিজেদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক করছিলেন এবং তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন যে আমি তোমাদেরকে লাইলাতুল কদর সম্পর্কে জানাতে এসেছিলাম কিন্তু যেহেতু এই দুইজন মানুষ হচ্ছে ঝগড়া করছিল এর কারণে হচ্ছে আমার মন থেকে এই কথাটুকুকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সো এটাও তোমাদের ভালোর জন্য হতে পারে। সো তোমরা হচ্ছে 29, 27 এবং 25 তারিখের রমাদানে হচ্ছে লাইলাতুল কদরকে খোঁজ করো।

তো সুবহানাল্লাহ আমরা দেখি যে এখানে লাইলাতুল কদরের ব্যাপারে বলা হয়েছে যেটা যে আমরা দেখতে পাই বিভিন্ন হাদিস থেকেও যে শেষ 10 রাতের বেজোর রাতগুলোতে লাইলাতুল কদরকে খুঁজতে বলে দেওয়া হয়েছে। সো আমরা সেটার উপরে ইনশআল্লাহ ফোকাস করব।

সো এখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা এখানে স্পেশালি লাইলাতুল কদরের কথা বলছেন যে তোমরা কি বললে তোমরা এর গুরুত্ব বুঝতে পারবে কিভাবে তোমরা একে গুরুত্বের সাথে নিবে। তো সুবহানাল্লাহ আমরা দেখি যে আমরা যদি সুস্পষ্টভাবে জানতাম যে বিভিন্ন তাফসীকারকগণ এটাকে এভাবে ব্যাখ্যা করেছেন যে যদি কেন আমাদেরকে সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হলো না যে কোন রাতটা যদিও রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম জেনেছিলেন কেন তাকে ভুলিয়ে দেওয়া হলো। তো সে ব্যাপারে বলা হয়েছে যে আমরা যখন হচ্ছে সুনির্দিষ্টভাবে জানতাম যে এই রাতটাই হচ্ছে লাইলাতুল কদর কিন্তু আমরা জানি যে আমরা আসলেই কতটুকু গাফলার মধ্যে কতটুকু হচ্ছে অসচেতনতার মধ্যে চলে যায় যে সুস্পষ্ট জানার ভাবে জানার পরও আমরা যদি সে রাতটাকে খোঁজার চেষ্টা না করি বা সে রাতটা ইবাদত না করি তাহলে সেটা আমাদের জন্য কত অসম্মানজনক হতো।

তো সুবহানাল্লাহ যে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আমাদের উপর থেকে সে বার্ডেনটা তুলে নিয়েছেন যে নিশ্চিতভাবে জানার পরও আমরা যদি এটাকে অবহেলা করছি দেখা যেত তাহলে অবশ্যই আল্লাহ সুবহানা তাআালার এই নেয়ামতটা আমরা কখনো পেতাম না। আরেকটা কারণ হতে পারে সেটা হচ্ছে যে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা তার রহমতের দরজা আমাদের জন্য এমনভাবে খুলে দিয়েছেন যে রমাদানের প্রত্যেকটা রাতই আমাদের জন্য স্পেশাল রাত। সো আমরা একটা রাতের মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে আমরা যখন 10 টা রাত খুঁজবো লাইলাতুল কদরকে তখন দেখা যাবে যে আমাদের এই আমলের পাল্লা অনেক ভারী হচ্ছে আমরা আরো বেশি আল্লাহ সুবহানা তাআলার নৈকট্য অর্জন করতে পারছি এবং আরো বেশি এই রমাদান থেকে একটা রমাদান থেকেই এই 10 দিন থেকে আমরা অনেক অনেক বেশি রিওয়ার্ড নিতে পারবো আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছ থেকে এবং আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছ থেকে ক্ষমা তখন আমরা আরো বেশি করে আশা করতে পারব পারব।

একদিক থেকে হচ্ছে আমাদের অবহেলার দরুণ। আমরা যাতে আল্লাহ সুবহানা তাআলার সামনে লজ্জিত না হই সেটা যেমন একটা কারণ হতে পারে তেমনিভাবে আমাদের জন্য আল্লাহ সুবহানাতায়ালা অফুরন্ত সুযোগ করে দিয়ে দিয়েছেন যেন আমরা প্রতিটা রাতকেই সম্মানের সাথে কাজে লাগাই এবং তার মাধ্যমে আমাদের আখেরাতকে আমরা আরো বেশি সুন্দর করতে পারি।