📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] || Isra & Miraj/3 || Part : 76 || LIFE OF PROPHET MUHAMMAD (SAW) ||

Straight Path21:26

Transcription

এ পর্যায়ে বেশ কিছু ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে। ঐতিহাসিকগণ এই ঘটনাগুলোকে সংশ্লিষ্ট করেছেন এই মিরাজের যে যাত্রাপথ, সে যাত্রাপথের সাথে। এবং সেটা ঠিক যাবার সময় ফিরে আসার সময় সে ব্যাপারে কিছু কনফিউশন আছে। কিন্তু এই ঘটনাগুলো সংঘটিত হয়েছিল সেই কথা বর্ণনা করা হয়েছে।

তো তারা যখন মসজিদে আকসাতে যাওয়ার পথে যাত্রা করছিলেন, সেখানে রাস্তার মধ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেখবেন যে কিছু মানুষ হচ্ছে জমিতে বীজ বপন করছেন। তারপরে তারা সে মাটিটাকে উজিয়ে দিচ্ছেন এবং পর কিছুক্ষণ পরেই তারা পরের দিনই তারা হচ্ছে সেখান থেকে ফসল তুলে নিয়ে আসছেন। তো যখনই তারা ফসল তুলে নিয়ে আসেন, দেখা যায় যে আবারো জমিতে নতুন করে ফসল হচ্ছেন হচ্ছে নতুন করে ফসল হচ্ছে আবার হচ্ছে রেডি হয়ে যাচ্ছে জন্য।

সো সুবহানাল্লাহ! এখানে জিব্রাইল আলাইহিস সালাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বললেন যে, এই লোকগুলো হচ্ছে তারা যারা করছে প্রতিনিয়ত আল্লাহর পথে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য স্ট্রাগল করে যাচ্ছে। সো তাদের যে ভালো কাজ, সেই ভালো কাজটা হচ্ছে ৭০০ গুনে মাল্টিপ্লাই করা হচ্ছে। এবং যখনই তারা কোন কিছু খরচ করে, যখনই যেভাবে তারা কোন কিছু খরচ করে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার জন্য, নো ম্যাটার স্মল যে যত কমই হোক না কেন, আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সেটাকে অনেক গুনে বাড়িয়ে দিয়ে আলাদা তাদের কাছে পৌঁছে দেন। এবং সেটাই আমরা দেখতে পাই যে সে কৃষকদের অবস্থা। যে যারা একজন কৃষক, তার যে সাফল্য, সে সাফল্যটা হলো যখন সে অসংখ্য ঘরে তুলতে পারে এবং সেটার জন্য তার সপ্তাহের পর সপ্তাহ মাসের পর মাস আসলে সময় দিতে হয়, পরিশ্রম করতে হয়, পরিচালনা করতে হয়, তারপরে সেই ফসলটা পায়। কিন্তু এখানে আমরা দেখছি যে সেই কৃষকরা একই দিনে হচ্ছে বীজ বহন করছে, একই দিনে সেখান থেকে আবার হারভেস্টিং করছে, যেটা নরমালি আমরা কখনো চিন্তাই করতে পারি না। আমাদের বর্তমান জীবনের মধ্যে যতই আমরা টেকনোলজি ইমপ্রুভ করি না কেন, সেটার জন্য অবশ্যই কিছু সময় লাগবে, শ্রম দিতে হবে, চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে যাবে। কিন্তু এখানে আমরা দেখি যে তারা ইমিডিয়েট রেজাল্ট পাচ্ছে। আল্লাহ সুবহানাতায়ালার পথে যারা কাজ করে, আল্লাহ সুবহানাতায়ালার পথে যারা তাদের থেকে ব্যয় করে, আল্লাহ সুবহানাল্লাহ তায়ালা এভাবেই তাদেরকে সম্মানিত করেন এবং তাদের পুরস্কারকে অনেক অনেক গুনে বাড়িয়ে দেন।

যেটা আমাদের দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে অনেক লম্বা সময় ধরে আমাদেরকে পরিশ্রম করতে হচ্ছে। কিন্তু আখেরাতের দৃষ্টিতে আমরা যদি চিন্তা করি যে, এই যে আমরা ১০ বছর, ২০ বছর অথবা ৩০ বছর আল্লাহর পথ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আখেরাতের জীবনের তুলনায় এটা হচ্ছে জাস্ট চোখের একটা পলকের মতো। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সেটাই দেখানো হলো যে, যারা এই স্ট্রাগলটা কন্টিনিউ করে, যারা আল্লাহর পথে টিকে থাকার জন্য চেষ্টা করে থাকে, তাদের কলগুলো তারা এরকম মাল্টিপল ফোল্ডে তার কাছে পেয়ে যাবে। এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেটাকে তার সামনে সেটাকে ডেমোনস্ট্রেট করা হয়।

তারপরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার যাত্রার পথে একটা খুবই সুন্দর সুঘ্রাণ তিনি পান এবং তার সাথে হচ্ছে সুন্দর বাতাস এসেছিল যে তিনি কখনো আগে এক্সপেরিয়েন্স করেন নাই যে এত সুন্দর সুঘ্রাণ, এত মিষ্টি বাতাস তিনি কখনো পান নাই। এবং তিনি জিব্রাইল আলাইহিস সালামকে জিজ্ঞাসা করলেন যে, এত সুন্দর সুঘ্রাণটা কোত্থেকে আসছে? জিব্রাইল আলাইহিস সালাম বললেন যে, এই সুঘ্রণটা আসছে একজন মহিলার কাছ থেকে, যে হচ্ছে ফেরাউনের যে কন্যা, সে কন্যা চুলার সাথে অর্থাৎ তার চুল টেক কেয়ার করতো। তো তার মানে হচ্ছে ফেরাউনের বাসায় একটা লাশের মতো আজ সেটা একজন বাসীর মত তাকে রাখা হতো কাজের জন্য। এবং তার যে সন্তান, সেই সন্তান এবং তার থেকে এই সুগন্ধটা আসছে।

এবং তখন জিব্রাইল আলাইহিস সাল্লাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জানালেন যে, আসলে কেন তারা এই সুখামের অধিকারী হয়েছে। সেটা হচ্ছে যে, একদিন এই মহিলা, যিনি হচ্ছেন দাসী ছিলেন, তিনি হচ্ছেন ফেরাউনের কন্যার চুলা চিনি ছিলেন এবং সেই সময় তার হাত থেকে চিরুনিটা পড়ে যায়। তো জাস্ট হাত থেকে পড়ে যাওয়ার পরে সে এটাকে তুলে আনে এবং খুতবার সময় সে বলে হচ্ছে বিসমিল্লাহ। এই বিসমিল্লাহ শোনার পরেই হচ্ছে ফেরাউনের কন্যা বলল যে, কথা বলছো? আমার বাবার কথা যে, কারণ ফেরাউন নিজেকে লয় বলতো। সে নিজেকে রাজ্যে রাজ করত। তখন সে মহিলা বলল যে, না, সে মহিলা বলল যে, না, সে হচ্ছে আমার এবং তোমার রব আল্লাহ।

তখন সে মেয়ে কি করল? তার বাবার কাছে যেয়ে সে ব্যাপারে নালিশ করল যে, তুমি যা বলছো সেটা আমি জানিয়ে দিব। কারণ তারা খুবই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করত যে, ফেরাউনের ফ্যামিলি অথবা যারা সমাস ছিল তার আয়ত্বে যারা ছিল, যে ফেরাউনকেই তারা রজব রাজ বলে জানত এবং কেউ যদি সেটা না মানতো তাদেরকে সাথে সাথে হচ্ছে হত্যা করে আনতো। সো সে ফেরাউনের মেয়ে যেয়ে তার বাবাকে বলল এবং ফেরাউন সেই মহিলাকে ডেকে আনলেন। তার হোল ফ্যামিলিকে ডেকে আনলেন। তো কিছু বর্ণনায় এসেছে যে, তার স্বামী এবং তার দুজন ছোট ছেলেও তাদের সাথে ছিল এবং তাদের সামনে আসলেন এবং তাদেরকে তখন বলল যে, তুমি আমাকে ছাড়া অন্য কোন লর্ডকে মানো। এই মুহূর্তে তোমরা হচ্ছে তোমার এই ধর্মকে পরিত্যাগ করো এবং আবারো হচ্ছে ফেরাউনের উপাসনায় ফিরে আসো। আদারওয়াইজ তোমাদেরকে হত্যা করা হবে।

তখন সেই দাসী বললেন যে, দ্যাটস ফাইন। যদি আপনি আমাদেরকে হত্যা করতে চান, তাহলে আমি শুধু একটা ফেভার আপনার কাছ থেকে চাইবো। আমি বলল কি? তখন তিনি বললেন যে, যখন আপনি আমাকে হত্যা করবেন, তারপরে এটলিস্ট আমাদের যেই মৃতদেহটা, সেটাতে সেটাতে মাটি চাপা দিবেন। এটাকে বাইরে ফেলে রাখবেন না। সো কারণ বলল যে, ঠিক আছে, তোমার জন্য আমি করতে পারি। যেহেতু তুমি অনেকদিন থেকে আমাকে সার্ভিস দিচ্ছ, সে কারণেই তোমাকে আমি কবর দিল, মাটি চাপা দিল।

তখন ফেরাউন কি করলো যে, একটা গর্তের মত পড়লো। সেখানে হচ্ছে জ্বলন্ত ধাতু। সেই এমনভাবে সেটাকে উত্তপ্ত করা হলো যে, সেই মেটালটা ধাতব বস্তুটা হচ্ছে লিকুইডে পরিণত হলো। এবং তারপরে সেই মহিলাকে নিয়ে আসা হলো এবং তাকে সেই গর্তের মধ্যে আগুনের গর্তের মধ্যে তাকে ফেলা হলো এবং সেখানে সে আগুনের সিদ্ধ হয়ে সাথে সাথে তার মৃত্যু হলো। এবং সেইম জিনিস সে তার আদার ফ্যামিলি মেম্বারসদের জন্য করল।

যখন সেই মহিলার পূর্বে একটা নার্সিং বেবি ছিল, যে হচ্ছে দুধ পশু বেবি, যে এখনো খুবই ছোট, সেই বেবিকে যখন আগুনে ফেলা ফেলতে লাগল, তখন সে বেবি কথা বলে উঠল যে, ও মাই ফ্যামিলি, ও মাই মাদার, তোমরা থেমে যেও না। তোমরা যে আল্লাহকে বিশ্বাস করো, সে বিশ্বাস থেকে তোমরা পিছনে ফিরো না। বরং এই সুযোগটা তোমরা নাও, কারণ তোমরা হচ্ছে হকের উপরে আছো। সুবহানাল্লাহ! সে ছোট বাচ্চা, যে এখনো কথা বলতে শিখে নাই, সেই বাচ্চা তখন তাদেরকে সাপোর্ট দিল, সাহস দিল, মোটিভেট করলো এবং তারপরে হচ্ছে তাদেরকে যখন সে হত্যা করা হলো, তারা শাহাদাতের মর্যাদা পেল এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেই শহীদের যে সুখরা, সেটা সেখান থেকে পাচ্ছিলেন। সুবহানাল্লাহ!

তো এখানে আমরা দেখি যে, সেই মহিলা বা তার পরিবার ফেরাউনের মত একটা আগ্রাসী সাম্রাজ্যে থেকেও তারা যেটাকে হক বলে জেনেছে, সত্য বলে জেনেছে, সেটাকে ওপেনলি বলতে তিনত করে তাদের ঈমান ছিল, এত মানুষ তাদের ইয়াকিন ছিল, এত গভীর যে তারা তাদের সত্য থেকে তারা ফিরে আসে নাই। কোলের বাচ্চা পর্যন্ত তাদেরকে সাহস দিয়েছে। তারপরে আমরা দেখি যে ঘটনা ঘটে। সেখানে বলা হয়েছে যে, তারপরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বাইতুল মাদাসে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে আমরা দেখি যে, বায়তুল মাকদাসে তখন সেই সময়ে বিভিন্ন বর্ণনা এসেছে যে, সেখানে তেমন মসজিদ বা উপাসনার স্থান ছিল না। কারণ তখন সেই সময়ে জেরুজালেম ছিল রোমান কন্ট্রোলে এবং রোমান যারা ছিল, তারা এই হলে যে জায়গাটা বা মসজিদুল আকসার যে জায়গাটা, সেটা মেনলি একটা জাম্পিয়ার যেখানে ময়লা আবোজনা ফেলা হয়, সেখানে সেই জায়গায় পরিণত করে এটাকে। কিন্তু যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার কাছে আসলেন, তিনি দেখলেন বাইতুল মাকদাস যেমন আগে ছিল, সেরকমভাবে এবং আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তাকে বায়তুল মাকাদাসকে আবার অরিজিনাল ফরমেটে নিয়ে এসেছিলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য।

এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখন সেখানে বোরাককে একটা খামের সাথে তিনি বা খুঁজির সাথে তিনি বাঁধতেন এবং বলা হচ্ছে যে, আগে যারা প্রকৃত ছিল, তারাও তাদের যে বহনকারী প্রাণী ছিল, তাদেরকে সেই খুঁজির সাথে বাধতেন। অর্থাৎ, সেই ঐতিহাসিকভাবে একইভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার পূর্ববর্তী নবীদেরকে অনুসরণ করেছিলেন। তো এখানে আমরা দেখতে পাই যে, সুলাইমান আলাইহিস সালাম এই খুঁটিটাকে ব্যবহার করেছিলেন এবং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ঠিক ১৫০০ বছর আগের যে অরিজিনাল ফরমেট, সেই ফরমেটটাই সেখানে নিয়ে এসেছিলেন এবং আল্লাহ সুবহানাতায়ালার যে ক্ষমতা, সে ক্ষমতার প্রকাশ আমরা এখানে দেখতে পাচ্ছি।

এবং এখানে আসার পরে যে ঘটনা ঘটে, সেটা হচ্ছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু বাতুল মাকাদাসে দুই রাকাত নামাজ পড়েন। সো এখানে আমরা দেখি যে, বিভিন্ন স্থানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুই রাকাত নামাজ পড়ে আল্লাহকে স্মরণ করে পড়ে এসেছেন এবং এখানে এসে তিনি যে দুই রাকাত নামাজ পড়েন, সেখানে বলা হয়েছে যে, তার পিছনে হচ্ছে অন্য যে নবীরা যখন পর্যন্ত এসেছে, অর্থাৎ ১ লক্ষ ২৪ হাজার মত নবী দুনিয়াতে এসেছিলেন, তাদের তারা বুঝে তার পিছনে নামাজ পড়েন। এখানে বিভিন্ন বর্ণনা এসেছে। একটা বর্ণনা এসেছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুই রাকাত নামাজ পড়েন এবং যখন তিনি নামাজ পড়ে ফিরে দাঁড়ান, তিনি দেখেন যে সব নবীর আগে যত নবী এসেছিলেন, তারা সবাই তার পিছনে দাঁড়িয়ে আছেন এবং এখান থেকে আমরা দেখতে পাই যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জানতেন না। কিন্তু সবাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের লিডিংটাকে সেখানে মেনে নিয়েছিলেন।

আবার আরেকটা বর্ণনা এসেছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, আমি আমাকে অন্য নবীদের মধ্যে দেখতে পাই এবং সেখানে মুসা আলাইহিস সালাম ছিলেন, যিনি নামাজ পড়ছিলেন এবং মুসা আলাইহিস সালামের বর্ণনা তিনি দেন যে, তিনি ছিলেন একজন টল স্ট্রং মাসকুলার ম্যান, যে খুব শক্তিশালী ছিলেন। আমরা জানি যে, তার শক্তি ছিল এবং সেটাই তিনি দেখতে পান। তার গায়ের রগ ছিল ব্রামিশ কালারের। এবং তিনি বলেন যে, তখনকার সময়েশানুয়া গোত্রের মানুষ যেরকম ছিল, সেরকম ছিলেন মুসা আলাইহিস সালাম। তারপরে তিনি বলেন যে, আমি ইবনে মারিয়াম আলাইহিস সালামকে দেখতে পারি। অর্থাৎ, ঈসা আলাইহিস সালামকে তিনি সেখানে দাঁড়ানো এবং নামাজ অবস্থায় দেখেন। এবং তিনি বলেন যে, ঈসা আলাইহিস সালাম দেখতেছিল তখনকার সময়ে যেছিল ওর ইবনে মাসুদ আল সাফা তার মত ব্যক্তি। সো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আসলে তার এই জার্নিটা, তিনি সেখানে বাইতুল মাকাসে বর্ণনা দিয়েছেন। সেখানে যাদের সাথে মিট করেছেন, তাদের বর্ণনা দিয়েছেন যে, তার এটা যে জীবন্ত এবং তিনি যে নিজের চোখে দেখেছেন, সে জিনিসটা তিনি বর্ণনা করেছেন।

আরেকটা বর্ণনা দিয়ে এসেছি। তিনি বলেছেন যে, ঈসা আলাইহিস সালামের ছিলেন হোয়াইটিশ ইন কালার। সো তিনি বলেন যে, তার চুলগুলো হচ্ছে উজ্জ্বল হয়ে ছিল। পানি দিয়ে চিকনিক করছিল যে, এইমাত্র তিনি হয়তোবা একটি স্কিন বা নিয়ে এসেছেন এবং আলাইহিস সালাম মুসা আলাইহিস সালামের চেয়ে লম্বার দিক থেকে খাট ছিলেন। তারপর তিনি বললেন যে, আমি ইব্রাহিম আলাইহিস সালামকে দাঁড়ানো এবং অবস্থায় দেখলাম এবং তিনি তার একজন সাহাবীর কথা বললেন যে, সরি, তিনি বললেন যে, তিনি ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম দেখতেছিলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মতই। তো এখানে আরেকটা হাদিসে বলা হয়েছে যে, আমি ইব্রাহিম আলাইহিস সালামকে আমার চেয়ে বেশি কারো মতো আসলে দেখতে পাই না যে, তিনি এত ক্লোজলি রিজাম্বল করছিলেন ইব্রাহিম আলাইহিস সালামকে এবং আমার মত ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম এবং তার মধ্যে হচ্ছে চেহারার দিক থেকে অনেক বেশি মিল ছিল ফিজিক্যাল এপিয়ারেন্স এর দিক থেকে।

তারপরে তিনি বললেন যে, এরপরে নামাজের টাইম আসলো এবং আমাকে তখন ইমাম করা হল এবং সেখানে নামাজ পড়লাম। সো এখানে আমরা দেখি যে, দুইটা বর্ণনাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিভিন্ন ভাবে কথাগুলো এসেছে। সো মেইন কথা আমরা যেটা দেখি যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেখানে অন্য নবীদেরকে লিড করেছেন। এবং এখানে তিনি বর্ণনায় যেরকম আসছে যে, তিনি বলছেন যে, তিনি দেখলেন যে, উনারা অলরেডি দাঁড়িয়ে আছে এবং নামাজরত অবস্থায় রয়েছে। তো সেটাও আমরা দেখি যে নামাজের যে গুরুত্ব, যে সব নবী রাসূল তারা মারা গিয়েছেন, কিন্তু তারপরেও তারা সেই নামাজের গুরুত্বটা বুঝেছেন। নামাজ যত অবস্থায় ছিলেন এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে নিয়ে নামাজ পড়েছেন। সো নামাজ হচ্ছে তাদের সর্বক্ষণের সঙ্গী ছিল। বিভিন্ন নিয়মে হয়তোবা, কিন্তু তারা সবাই হচ্ছে সে নামাজের সাথে পরিচিত ছিলেন এবং তাদের সাথে তাদের গভীর বন্ধন ছিল।

এবং আরেকটা বর্ণনা এসেছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলছেন যে, আমি যখন ইসরাতে গমন করি, তখন আমি মূসা (আঃ) এর কবরের পাশ দিয়ে যাই এবং সেখানে তাকে নামাজ অবস্থায় দাঁড়ানো এবং নামাজরত অবস্থায় দেখতে পাই। তো আমরা দেখি যে, অন্য নবীরাও তারা নামাজকে কত গুরুত্ব দিয়েছেন এবং সেটার সাথে তারা কত বেশি হচ্ছে নিজেদেরকে কালেক্টেড করেছিলেন।

সো এখানে আমরা দেখি যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এই ১ লক্ষ ২৪,০০০ নবী রাসূল যারা এসেছিল, তাদেরকে রিজয় করা হয়েছে। সো তার যে নেতৃত্ব, তার যে লিডারশিপ, সেটা যে আনপ্যারালাভ এবং তিনি যে সম্মানের দিক থেকে অত উচ্ছে, সেটা আমরা এখানে দেখতে পারি যে, তিনি যে শুধু সাইয়েদুল আম্বিয়া ছিলেন তাই না, বা ইমাম আল মুরসালিন ছিলেন তাই না, বরং তিনি হচ্ছেন সব উম্মাহর লিডার হিসেবে তিনি আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছে সমানত ছিলেন। এবং একটা হাদিসেও তিনি বলেছেন যে, আমি হচ্ছি লিডার বা সাইড অফ অল চিলড্রেন অফ আদান অফ দ্যা ডে অফ জাজমেন্ট। যে হাশরের ময়দানে যখন বিচারের কাজ শুরু হবে, তার আগে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলছেন যে, সব নবীদের মধ্যে তাকেই তখন লিডারশিপ দেওয়া হবে। তিনি সবার প্রতিনিধিত্ব করবেন এবং তিনি বলছেন যে, আমি এটা কোন অহংকারের কারণে বলছি না, বরং আল্লাহ আমাকে সম্মান দিয়েছে, এটাই আমাদেরকে তিনি জানাচ্ছেন।

এবং এখানে আমি আমরা আরেকটা জিনিস দেখি যে, স্কলার যেভাবে ইন্টারপ্রিট করেছেন, তারা বলছেন যে, সব নবীরা হচ্ছে একটা সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড়িয়েছিলেন। সো তারা সবাই যে সম্মানের দিক থেকে, আগে যত নবী রাসূল এসেছেন, তারা সবাই হচ্ছে একই রকম সম্মানের অধিকারী আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছে, যেটা আমরা কোরআনে দেখতে পাই সূরা বাকারার ২৭৫ নাম্বার আয়াতে বলা হয়েছে যে, আমরা নবী রাসূলদের মধ্যে কোন ধরনের ডিস্টিংশন অথবা পার্থক্য করি না, সবাই ছিলেন আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছে সম্মানিত। সেখানে কোন নবী আছেন যাদের হচ্ছে একজন ফলোয়ারও ছিল না। আবার কোন নবী আছেন যাদের অনেক ফলোয়ার ছিল। সো ফলোয়ার কতজন ছিল, সেটা কোন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার নেই। এখানে আমরা দেখি সম্মানের দিক থেকে তারা কতটুকু আল্লাহর দায়িত্ব বা নির্দেশগুলো পালন করেছেন, সেটাই হচ্ছে তাদের সম্মানের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।

সো আমরা দুনিয়াবী জীবনে দেখা যায় যে, এখনকার যেই সময়, সেখানে আমরা দেখি যে কার কতজন ফলোয়ার আছে, কার কতজন শেয়ার হলো, সেই জিনিসগুলো দিলে হচ্ছে সবার সম্মান মূল্যায়ন করা হচ্ছে। অথচ আল্লাহ সুবহানাতায়ালার দৃষ্টিতে এফোর্ট। রেজাল্ট কি হলো, সেটা কোন ব্যাপার না। কতটুকু এফোর্ট দিচ্ছে আল্লাহ সুবহানু তায়ালার নির্দেশ পালন করে, সেটি হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। সো এখানে আমরা দেখি যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই যে নামাজে লিড করলেন, সেখানে সেখান থেকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে ফাইনাল এবং মেসেঞ্জার, সেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি এবং আল্লাহ সুবহানাল্লাহ তায়ালা বলেছেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাধ্যমেই হচ্ছে এই রিসালাতের যে পথ, সেটা বন্ধ হলো। তিনি যে সেখানে হিসেবে কাজ করছেন, সেটাও এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি।

এবং এখানে আরেকটা জিনিস যেটা, যত নবী রাসুল এসেছেন, সবার মেসেজ একই কি ছিল? যে ইউনিটি অফ দা প্রফেটিক মেসেজ। এবং সেখানে মসজিদুল আকসার যে ইম্পরটেন্স আমাদের লাইফে এখন পর্যন্ত, সেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই মসজিদুল আকসাকে মুক্ত করে দিন, আমরা যেন সবাই সেই মুক্ত মসজিদুল আকসাতে নামাজে অংশগ্রহণ করতে পারি। সো মসজিদুল আকসা সম্মানিত, আমরা দেখতে পাই, কারণ তখন পর্যন্ত মসজিদে আকসাই ছিল হচ্ছে মুসলমানদের ডিরেকশন, তাদের কিবলা। সো সুবহানাল্লাহ! কে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা মসজিদুল আকসাকে একটা সম্মানিত করেছেন এবং আমাদেরকে সম্মানিত করুন, যেন আমরা সেই মসজিদ আকসায় নামাজ পড়তে পারি এবং সেটাকে মুক্ত অবস্থায় দেখতে পারি।

আরেকটা ছোট্ট ঘটনা এখানে ঘটেছে, সেটা দিয়ে আমরা এক্সটার ঘটনা শেষ করব ইনশাল্লাহ। তো এখানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দুইটা জিনিস অফার করা হয়েছে। যখন তিনি নামাজ শেষ করলেন, তখন জিব্রাইল আলাইহিস সালাম তাকে তিনটা পাত্রের মধ্যে এনে দিলেন। একটা পাত্রে ছিল মিল্ক, দুধ। আরেকটা পাত্রে ছিল ওয়াইন। তখন তিনি বললেন যে, আপনি পছন্দ করুন, আপনার উম্মার জন্য পছন্দ করুন। তো এই যে পছন্দটা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম করবেন, এই যে সিলেকশন প্রসেসটা দেওয়া হয়েছে, এটা শুধু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য না, এটা তার উম্মার জন্য প্রযোজ্য হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার ক্ষেত্র অনুযায়ী পছন্দ করলেন কি? পছন্দ করলেন মেইল। তখন জিব্রাইল আলাইহিস সালাম বললেন যে, আপনি আপনার ফিতরা পছন্দ করেছেন।

সো এখানে আমরা দেখি যে, মিল্ক এবং ওয়াইনের মধ্যে যদি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে যেটা উপস্থাপন করা হয়েছে, অবশ্যই সেটা হালাল। তাহলে জিবরীল আলাইহিস সালাম অফার করতেন না। এটা এক্সক্লুসিভ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য যে প্রিপারেশনটা নিয়ে আসা হয়েছে। এখানে আমরা দেখি যে, মিল্ক কোত্থেকে আসেন হচ্ছে ফ্রম এনিমাল। তো সেই এনিমেল আল্লাহ সুবহান তায়ালা সৃষ্টি করেছেন। ১৬ নাম্বার সূরার ৬৬ নাম্বার আয়াতে তিনি বলেছেন যে, তিনি তোমাদেরকে পানিও পান করেন তাদের পেট থেকে, অর্থাৎ তাদের ব্লাড এবং তাদের এক্সপ্রেশন থেকে যে ফ্রিডটা আসে, সেই পিওর মিল্ক, যেটা তোমাদের জন্য হচ্ছে পানির উপযোগী, সেটা তিনি তোমাদের জন্য সার্ভ করে থাকেন, ব্যবস্থা করে থাকেন। এবং একটা হাদিসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, কোন জিনিসই খাবার এবং ফাইনাল হিসাবে মিল্কের চেয়ে মিল্কের রিপ্লেসমেন্ট বা সাবস্টিটিউট হতে পারে না। সো মিল্ক হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য স্পেশাল একটা নিয়ামা, যেটা আমাদের নিউট্রিশন দেয় এবং যেটা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রশংসা করেছেন এবং আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আবার আরেকদিকে আমরা দেখছি কেন ওয়াইন দেওয়া হলো? ওয়াইন কিভাবে তৈরি করা হয়? ওয়াইন তৈরি হয় করাপ্টেড ফারমেন্টেড জিনিস থেকে। আমরা জানি যে আমল অথবা অন্যান্য উপাদান যেগুলোকে পচি অনেকদিন প্রসেস করে তারপরে হচ্ছে ব্যাকটেরিয়াল ইনভাস্টেশনের মাধ্যমে এই ওয়াইনটা তৈরি করা হয়ে থাকে। তো এটা কি করে আমাদের শরীরে যখন যায়, তখন আমাদের শরীরে যে স্বাভাবিক যে প্রক্রিয়া, সেটাকে বন্ধ করে এবং আমাদের পরিবার আমাদেরকে দূষিত করে দেয় এবং যে কারণে আমরা দেখি যে, যখনই কেউ ওয়াইন খায়, তার বুদ্ধি লাভ করে, চিন্তা ভাবনা স্লো হয়ে যায়। একজন সাহাবা বলেছিলেন যে, আল্লাহর শপথ, যদি ওয়াইন নিষিদ্ধ না করা হতো, তাহলে যে কোন বুদ্ধিমান মানুষে আসলে এটা এভয়েড করত, কারণ ক্ষতিকর দিকগুলো এত বেশি।

সো এখানে আমরা দেখি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মিল্ক এবং যেকোন একটা চুজ করতে বলা হয়েছে এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেমন পিওর, তেমনিভাবে তিনি পছন্দ করেছেন যে জিনিসটা পিওর, যেটা পিওর জিনিস থেকে আসে এবং যেটা আমাদের জন্য পিওরলি নিউট্রিশিয়াল, তিনি আমাদেরকে আমাদেরকে এর জন্য পছন্দ করেছেন এবং তিনি বলেছেন জিবরীল আলাইহিস সালাম বলেছেন যে, দিস ইজ ফর ইওর উম্মাহ। যেটা আপনার উম্মার জন্য এবং সো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এই সুসংবাদ দেওয়া হলো যে, আপনার উম্মাহ হচ্ছে প্রিয় ফিতরার উপরেই থাকবে ইনশাআল্লাহ।

সো এখানে আমরা দেখি যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে দুইটা অফার দেওয়া হলো এবং তাকে বলা হলো যে, আপনি ফিতরটাকেই পছন্দ করেছেন। সো এর মাধ্যমে আমরা দেখি যে, মিল্ক হচ্ছে আমাদের সিম্বলাইজ করে হচ্ছে ইসলামকে, যে জিনিসটা প্রিয়, যে জিনিসটা আমাদের বৃদ্ধি করছে এবং যে জিনিসটা আমাদের ভালোর জন্য অত্যন্ত দরকারি। ইসলাম হচ্ছে সেরকম একটা জিনিস এবং যদি টু মাচ যদি আপনি করেন, সেটা আপনার ডাইজেশনের জন্য খারাপ হতে পারে। সো ইসলাম হচ্ছে আমরা যদি মডারেট থাকি, ইসলামের নির্দেশগুলো নিয়ে আমরা অতিরঞ্জিত কোন কিছু না করি এবং সীমানার কাছে ঘুরাঘুরি না করি, তাহলে কি হবে? মডারেট ইসলামটাই হচ্ছে আমাদের সাকসেসের জন্য উপযোগী হবে এবং এটা আমাদেরকে ইনটক্সিকেটেড করবে না, এটা আমাদেরকে হচ্ছে খারাপ পথে যাওয়া থেকে আমাদেরকে মুক্ত রাখবে।

তো এরপরে আমরা ইনশাআল্লাহ আলমিরাজের ঘটনা উল্লেখ করব যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বায়তুল মাকাদাস থেকে উদ্ধার আকাশে গমন করেন এবং সেখানে এই ঘটনা ঘটেছিল।