📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

Ncert EXEMPLER | Electromagnet টোটাল প্রশ্ন সলভ |Railway Group D General Science

WB Exam Portal50:32

Transcription

তো আজকে আমি তোমাদের ইলেকট্রোম্যাগনেট টোটাল কমপ্লিট করাচ্ছি এনসিআরটি এক্সাম্পলার সেটা থেকে টোটাল সব কোশ্চেন করিয়ে দেব।

বলছে যে একটা চুম্বক ক্ষেত্রের সম্পর্কে রেখা সম্পর্কে নিচের কোনটা ভুল? অর্থাৎ হোয়াট ইজ দা রং স্টেটমেন্ট হেয়ার ইন রেসপেক্ট টু দা ম্যাগনেটিক ফিল্ড লাইন্স? ম্যাগনেটিক ফিল্ড লাইনস সম্পর্কে এখানে কোন কথাটা ভুল আছে।

আমি একটা ম্যাগনেটিক ফিল্ড লাইনসকে যদি এখানে আগে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করি তারপর তোমাদের এটা বলে দিচ্ছি। এই হচ্ছে ধর একটা ম্যাগনেট রয়েছে এবং এটা বার ম্যাগনেট। ঠিক আছে? এটা একটা কি? বার ম্যাগনেট। বার ম্যাগনেট। তো বার ম্যাগনেটের ক্ষেত্রে আমি যদি দেখি আমি দেখব যে বার ম্যাগনেটের এইটা হচ্ছে আমাদের এস। এটা হচ্ছে আমাদের নর্থ। আমরা ধরে নিচ্ছি এটা নর্থ। এটা সাউথ। ঠিক আছে? ওকে?

তো আমরা কি দেখব? আমরা দেখবো যে বার ম্যাগনেটের যদি আমরা চুম্বক লাইনগুলোর কথা বলি তাহলে আমরা দেখব যে সেগুলো আমাদের নর্থ থেকে বেরোয় এবং সাউথে গিয়ে তোমাদের কি করে? ম্যাচ করে। তা আমি উল্টো আকছি। যেহেতু আমার লাইনটা সোজা হওয়ার দরকার। বেসিক্যালি কি হয়? এরা নর্থ থেকে বের হয়। ঠিক আছে? এরা কি করে? এরা নর্থ থেকে বের হয় এবং কি করে? এরা সাউথে গিয়ে দিকে যায় এবং সেটা চুম্বকের বাইরে যায়। আমরা সবাই জানি এটা।

যদি আমি এদিকেও একটা রেখা আকি তাহলে আমি দেখব সেটা নর্থ থেকে বেরচ্ছে এবং সেটা সাউথের দিকে যাচ্ছে। ঠিক আছে? নর্থ থেকে বেরচ্ছে এবং সেটা কি হচ্ছে? সাউথের দিকে যাচ্ছে। এটা মাথায় রাখতে হবে। এটা চুম্বকের বাইরে। চুম্বকের ভেতরে কি করে? চুম্বকের ভেতরে যেটা করে এই যে রেখাটা ধর আমি একেছিলাম এটা কি হবে? তোমাদের সোজা সাউথ টু নর্থে যাবে। ম্যাচ করবে এবং বেরিয়ে যাবে। ঠিক আছে? এবং এই রেখাটাও কি করব? সোজা সাউথ টু নর্থ যাবে। ম্যাচ করবে এবং বেরিয়ে যাবে। ঠিক আছে? ম্যাচ করাতে গিয়ে আমার লাইনগুলো একটু বেকে গেছে। তোমরা ভাববে বেকবে না। সোজা থাকবে। ইকুই ডিস্ট্যান্টটা একবার সাথে। যদি এখানে আরেকটা লাইনও টানি তাহলে আরো বেটার বুঝতে পারবে। চল লাল নিয়ে নি। ঠিক আছে। জাস্ট মিনিট। এই ঠিক আছে। এবং এটা কি হবে? ভিতরে যখন যাবে তখন এটা সাউথ টু নর্থ যাবে। আমি আকছি হয়তো উল্টো কারণ উল্টো আকলে আমার সুবিধা হয়। তাই এই রেখাটা ভালো আসে। তাই একচুয়ালি কি হয়? এটা নর্থ থেকে বের হয়ে এবং সাউথের দিকে যায়। ঠিক আছে? একচুয়ালি কি হয়? এটা নর্থ থেকে বের হয়ে সাউথের দিকে যায়। ওকে?

দেখো এটা নর্থ থেকে বের হচ্ছে সাউথের দিকে যাচ্ছে। নর্থ থেকে বের হচ্ছে সাউথের দিকে যাচ্ছে। সবকটাই তাই। তো মনে রাখবে চুম্বক ক্ষেত্র রেখাগুলো চুম্বকের বাইরে নর্থ থেকে সাউথের দিকে যায়। চুম্বকের ভেতরে সাউথ টু নর্থ যায়। কারণ এটা ঘুরে আসছে না। আর দেখো এরা কিন্তু একটা বন্ধ বক্ররেখা তৈরি করে। অর্থাৎ ক্লোজড কার্ভ লাইন তৈরি করে। এখানে লেখাও আছে আমি লিখে দিচ্ছি তোমাদের ক্লোজড কার্ভ আমি জানি এই চ্যাপ্টার ক্ষেত্রে ইংরেজি করলে অসুবিধা হয় অনেকের আর অসুবিধা হওয়ারই কথা কারণ এমন এমন বাংলা হয় যেটা আমরা নরমাল লাইফে বাংলাগুলো ইউজ করি না বন্ধ বক্ররেখা অদ্ভুত ব্যাপার যাই হোক ক্লোজড কার ক্লোজ কার্ভ মানে কি দেখ এগুলো কার্ভ লাইন এগুলো পরিষ্কার বক্ষরেখা তো নয় ক্লিয়ার সার্কেল তো নয় কিন্তু বক্ষরেখা এবং এগুলো বন্ধ বক্ষরেখা দেখো এগুলো লালটা দেখো কোনভাবেই থেমে যায়নি কোথাও পাক খাচ্ছে বারবার ঠিক আছে এটা হচ্ছে বন্ধ বক্ষরেখা ওকে তো এটা তো আমাদের কারেক্টই হচ্ছে তো বি তো আমাদের কারেক্ট আমরা দেখতেই পাচ্ছি এও আমাদের কারেক্ট কেন কারেক্ট এটা উত্তর মেরু হবে ঠিক আছে উত্তর আমি তোমাদের ঠিক করে দিচ্ছি এখানে অনেক সময় বাংলা করতে গিয়ে এরম হয় এটা উত্তর মেরু হবে তো দেখো এটা উত্তর মেরু মানে কি বলছে কোন একটা বিন্দুতে চুম্বক ক্ষেত্রের দিক চুম্বক কম্পাসের উত্তর মেরু যেদিকে সেইদিকে নির্দেশ করে মানে তুমি যদি এখানে একটা কম্পাস কম্পাসকে রাখো এই জায়গাটা তুমি যদি কম্পাসকে রাখো তুমি দেখবে কম্পাসের মুখ এইদিকে ডিনোট করছে তুমি যদি এইখানে একটা কম্পাসকে রাখো তুমি দেখবে কম্পাসের মুখ তোমাদের এইদিকে ডিনোট করছে এরকম ভাবে ডিনোট করবে তুমি যদি এই পয়েন্টে একটা কম্পাস রাখ তুমি কম্পাসের মুখ এদিকে ডিনোট করছে। তুমি যদি এখানে একটা কম্পাসকে রাখো তুমি কম্পাসের মুখ এদিকে ডিনোট করছে।

এখন কম্পাসের মধ্যে দুটো দিক থাকে। একটা হচ্ছে এইরকম একটা হচ্ছে এইরকম। কম্পাসের এরকম দুটো দিক থাকে। নরমাল কম্পাসে এরকম দুটো দিক থাকে। ঠিক আছে? ছোট করে তোমাদের এগুলো করে দিচ্ছি। মনে রাখবে এইটাকে আমরা নর্থ বলি। আর এই পয়েন্টটাকে আমরা সাউথ বলি। এটাকে আমরা নর্থ। এই পয়েন্টটাকে আমরা সাউথ বলি। কম্পাসকে নাও তুমি। কম্পাসের মধ্যে এই দুটো দিক থাকে। যেদিকে তীর থাকে তাকে নর্থ বলে। উল্টো দিকটাকে সাউথ বলে। ঠিক আছে? তো মনে রাখবে কম্পাসের সুচ যেদিকে নর্থ ডাইরেকশন বলবে সেদিকেই চুম্বক ক্ষেত্রগুলো রেখাগুলো আসে। সেদিকে কি আসে? সেদিকেই চুম্বক ক্ষেত্র রেখাগুলো আসে। ঠিক আছে? তুমি যদি এখানে রাখো তো এদিকে ডিনোট করবে। এখানে রাখলে এদিকে ডিনোট করবে। এদিকে রাখলে এদিকে ডিনোট করবে। এদিকে রাখলে ভেতর দিকে ডিনোট করবে। অর্থাৎ সাউথ দিয়ে ঢুকে যাচ্ছে। নর্থ দিয়ে আস সাউথ দিয়ে ঢুকছে। দেখো তাই হচ্ছে বেসিক এখানে। এবং এই পয়েন্টগুলো তুমি যোগ কর। তুমি এরকম একটা বন্ধ বক্ররেখা পাবে। এটা কেন হয়? তোমাদের প্রশ্ন হয়তো বুঝলাম কেন হয়? এর কারণ হচ্ছে দেখো আমরা দেখতে পেলাম এইটা নর্থ তাহলে এই অপোজিটটা আমাদের সাউথ ঠিক আছে এইটা আমাদের যদি নর্থ হয় তীর চিহ্নটা যদি নর্থের দিকে ডিনোট করে অপোজিট আমাদের সাউথের দিকে ডিনোট করবে তো তুমি যদি কম্পাসকে এখানে রাখো তাহলে এটা একটা ছোটখাট চুম্বকী তো আমরা জানি এক চুম্বকের নর্থ আরেক চুম্বকের সাউথকে কি করে ট্রাক্ট করে ওই জন্য সাউথের দিকটা কি হবে নর্থের দিকে হয়ে যাবে ঘুরে যাবে আর নর্থ নর্থকে বিকর্ষণ করবে ফলে নর্থ উল্টো দিকে চলে যাবে নর্থ কি করবে উল্টো দিকে চলে যাবে সো চুম্বকের নর্থ যেদিকে সেদিকেই কি হবে চুম্বক ক্ষেত্রের রেখাগুলো ডিনোট করবে। কারণ এই চুম্বক ক্ষেত্রে রেখাগুলো কি করবে? ধাক্কা মারবে। মেরে নর্থকে ওদিকে করে দেবে। আর সাউথকে নিজের দিকে টেনে নেবে। সেই জন্যই কি হবে? নর্থ এদিকে চলে আসবে। আর সাউথ ওর দিকে চলে যাবে। ঠিক আছে? তো এইভাবে আমরা বলতে পারি যে প্রথম যে স্টেটমেন্ট সেটা আমাদের কারেক্ট। আর বি তো আমাদের কারেক্টই আছে। এও কারেক্ট। বিও কারেক্ট।

সি দেখো বলছে চুম্বক ক্ষেত্র রেখাগুলি সমান্তরাল এবং সমান দূরত্বের যদি হয় তবে তারা শূন্য ক্ষেত্রে শক্তির প্রতি করে। তুমি দেখতে পাচ্ছ চুম্বক ক্ষেত্রের রেখাগুলো সমান্তরাল মানে প্যারালাল টু ইচ আদার এন্ড সমান অর্থাৎ ইকুইডিস্ট্যান্ট টু ইচ আদার। সেটা কোথায় হচ্ছে? চুম্বকের ভেতরে। মনে রাখবে চুম্বক রেখাগুলো কোন দন্ড চুম্বকের ভেতরে বা সলিনয়েডের ভেতরে কি করে? তারা একে অপরের সাথে ইকুইডিস্ট্যান্ট হয়। অর্থাৎ সমান দূরবর্তী হয় একে অপরের থেকে। এবং তারা প্যারালাল হয়। একে অপরের থেকে কি হয়? তারা প্যারালাল হয়। অর্থাৎ সমান্তরাল হয়। আর এরকম যখন হয় তখন তারা ইউনিফর্ম তোমাদের ফিল্ড স্ট্রেন্থকে প্রকাশ করে। অর্থাৎ ইউনিফর্ম চুম্বক শক্তিকে প্রকাশ করে। একই টাইপের চুম্বক শক্তিকে প্রকাশ করবে। সব সব জায়গায় একই ধরনের শক্তি এখানে তারা বল প্রয়োগ করবে। যেহেতু সেইটা হবে তার মানে শূন্য ক্ষেত্রের নয় ইউনিফর্ম ক্ষেত্রের শক্তি প্রকাশ করে। এইজন্য এটা ইনকারেক্ট আমাদের। সব জায়গায় সমান শক্তি প্রকাশ করবে। তাদের শক্তি জিরো হয়ে যাবে না। ঠিক আছে? এইটাই আমাদের কারেক্ট। একচুয়ালি অর্থাৎ সি এখানে আমাদের রং। সেজন্য সি আমাদের অপশন হবে।

নেক্সট বলছে চুম্বক ক্ষেত্রের আপেক্ষিক শক্তি ক্ষেত্র রেখাগুলোর ঘনিষ্ঠতা ডিক দ্বারা বোঝানো। এটা মানে কি? মনে রাখবে চুম্বক ক্ষেত্রের রেখাগুলো যত কাছাকাছি আসবে তত চুম্বকের শক্তি বৃদ্ধি পাবে। ঠিক আছে? চুম্বক তত বেশি ফোর্স প্রয়োগ করতে পারবে। তো মনে রাখবে চুম্বক ক্ষেত্রের শক্তি সবথেকে বেশি কোথায় হয়? পোলগুলোতে হয়। মেরুগুলোতে হয়। সাউথ এবং নর্থ। এখানেই চুম্বক ক্ষেত্রের যে রেখাগুলো সেগুলো নিজের একে অপরের কাছাকাছি আসে। ঘনিষ্ঠতা মানে ক্লোজনেস। তার সবথেকে ক্লোজ কোথায় হয়? পোলে। যত ক্লোজ হবে তত কি হবে? তাদের শক্তি বৃদ্ধি পাবে। অর্থাৎ চুম্বকের শক্তিও বৃদ্ধি পাবে। আর যত তারা দূরে যাবে তত কি হয়? চুম্বক ক্ষেত্রে শক্তি কমে যায়। পোলগুলোতে এজন্য শক্তি বেশি হয়। অন্য জায়গায় শক্তি কম হয়। অর্থাৎ চুম্বক ক্ষেত্রের রেখাগুলোর যে ঘনিষ্ঠতা ক্লোজনেস তা দ্বারা আমরা বুঝতে পারি চুম্বক ক্ষেত্রের শক্তি কোথায় কতটা সেটাই এখানে ডি দাগে একটু ঘুরিয়ে বাংলায় বলা আছে। তো ডিও আমাদের কারেক্ট। কারেক্ট কোনটা না? সি আমাদের কারেক্ট নয়। ঠিক আছে?

চল নেক্সট দু নম্বরে। পরের প্রশ্ন।

দু দাগ। বলছে যে যদি বিন্যাসে সুইচটি অফ করা হয় এখানে হয় হবে এবং চুম্বক ক্ষেত্রের রেখাগুলি আনুমিক সমতল এবি সিডি এর উপর আকা হয় তাহলে রেখাগুলো কেমন হবে? একটা জিনিস ভালো করে মাথায় রাখো। ফাস্ট আগে একটা ব্যাপার বুঝে নাও। ধরো এখানে তোমাদের একটা কার্ডবোর্ড আছে। ঠিক আছে? এক মিনিট। এখানে ধরো তোমাদের একটা কার্ডবোর্ড আছে। আর সেই কার্ডবোর্ডের মধ্যে দিয়ে তুমি একটা লাইনকে পাস করিয়েছো এবং সেটা একটা ব্যাটারির দ্বারা এখানে কোথাও একটা যুক্ত আছে। ঠিক আছে? এই ব্যাটারি দ্বারা কি হয়েছে? সেই লাইনটা এখানে কোথাও একটা যুক্ত আছে। এখানে একটা ব্যাটারি আছে। ছোটখাট ছোটখাট ব্যাটারি আছে। এই জায়গায় তো ব্যাটারি লাইনটাকে তুমি যোগ করিয়ে এটা প্লাস। এটা তোমাদের মাইনাস। তো কি হচ্ছে? কারেন্ট এর মধ্যে দিয়ে পাস করছে। পাস করছে। পাস করছে। ঠিক আছে? কারেন্ট এর মধ্যে দিয়ে কি হচ্ছে? পাস করছে। এর মধ্যে দিয়ে পাস করছে। অর্থাৎ কারেন্ট এখানে অন আছে। অফ না এই জায়গায় কারেন্ট কি আছে আমাদের? অন। উপরে দেখো বলেছে অফ আছে। পয়েন্ট টু নট। উপরে কি বলেছে? অন আছে। মানে অফ আছে। এখানে বলেছে অফ। আমরা বলছি যখন অন থাকবে তখন কি হবে? মনে রাখবে যখন অন হবে না তখন কি হবে জান? তখন যেটা হবে এই যে এখানে যে চুম্বক ক্ষেত্র তৈরি হবে সেটা কোসেন্ট্রিক সার্কেল হবে। অর্থাৎ এরকম একে অপরের সঙ্গে একই কেন্দ্র শেয়ার করবে এরকম সার্কেল হবে। এককেন্দ্রীয় বৃত্ত তৈরি। এককেন্দ্রীয় বৃত্ত কাকে বলে? একটা বৃত্ত আকলে। এই একটা বৃত্ত আকলে এ একটা বৃত্ত আকলে এটা সবার কেন্দ্র যদি একই হয় সাধারণত দেখা যায় যে ছোটগুলোকে বড়গুলো কি হয়েছে? রয়েছে সারকামফারেন্স করে রয়েছে। অর্থাৎ কেন্দ্র করে তোমাদের রয়েছে। একই কেন্দ্র প্রত্যেকটা বৃত্তের কেন্দ্র এক। তখন তাকে বলা হয় এককেন্দ্রিক বৃত্ত। কোসেন্ট্রিক সার্কেল বলা হয় তাকে। ঠিক আছে? এই জায়গায় যে ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি হবে সেটা কোসেন্ট্রিক হবে। অর্থাৎ এরকম হবে। যেমনটা দেখতে পাচ্ছ এই যে তারটা এই তারে যখন তড়িৎ পরিবাহিত হচ্ছে তখন তারা ম্যাগনেটে পরিণত হবে। এই তারটা কি হবে? ম্যাগনেটে পরিণত হয়েছে। এখন অর্থাৎ এই ম্যাগনেটে পরিণত হলে এই তারটা কারেন্ট ক্যারিং কন্ডাক্টর একটা ম্যাগনেট হয়। যখন ম্যাগনেট হবে তখন ডেফিনেটলি তার ম্যাগনেটিক ফিল্ড থাকবে। এই যে কাগজটা আছে বা বোর্ড আছে কার্ডবোর্ডের উপরে এই ম্যাগনেটিক ফিল্ডটা কেমন হবে? এরকম দেখতে লাগবে। কিন্তু এখানে বলল যে যদি অফ থাকে তাহলে কি হবে? যদি অফ থাকে তখন এখানে কোন কারেন্ট ফ্লোই হচ্ছে না। অর্থাৎ আই এখানে জিরো। আই এখানে জিরো। তো আই যখন জিরো এই চিত্রটা কথা বলেছে। আই যখন জিরো তখন এবি সিডি এই প্লেনের উপরে এই সমতলের উপরে কেমন তোমাদের চুম্বক ক্ষেত্র দেখা যাবে? এরকম চুম্বক ক্ষেত্র কি দেখা যাবে? দেখা যাবে না। কারণ এখানে তো কোন কারেন্ট ফ্লোই হচ্ছে না। এখানে কারেন্ট এখন অফ আছে। তো যখন কারেন্ট অফ আছে তখন এখানে কোন কারেন্ট ফ্লো হবে না। ফলে এই কন্ডাক্টর তো আর ম্যাগনেট হবে না। তখন কোন ম্যাগনেটিক ফিল্ড কাজ করবে? পৃথিবীর ম্যাগনেটিক ফিল্ড কাজ করবে। আর আমরা জানি যে পৃথিবীর ম্যাগনেটিক ফিল্ড একে অপরের সাথে ইকুইডিস্ট্যান্ট হয় এবং সমান্তরাল হয় সারফেসে। ঠিক আছে? পৃথিবীর সারফেসে পৃথিবীর ম্যাগনেটিক ফিল্ডের বৈশিষ্ট্য এইটাই। পিটি ম্যাগনেটিক ফিল্ড কেমন হয়? ইকুইডিস্ট্যান্ট হয় একে অপরের সঙ্গে। একে অপরের সাথে কি হবে? ইকুইডিস্ট্যান্ট হবে। অর্থাৎ একই দূরবর্তী হবে, সমদূরবর্তী হবে এবং তার একে অপরের সাথে প্যারালাল হবে। অর্থাৎ একটা দ্বন্দ চুম্বকের ভেতরে যেরকম কাজ করে বা সলিনয়েডের ভেতরে যেরকম কাজ করে তেমন হবে। ঠিক আছে? সো এখানে ানসার তোমাদের কি হবে? সরল রেখা একে অপরের সাথে সমান্তরাল। যেহেতু এখানে কারেন্ট ক্যারিং কন্ডাক্টর কোনরকম কোন ম্যাগনেটিক ফিল্ড উৎপন্ন করছে না। কারণ কারেন্ট অফ আছে। তখন এই চিত্রে কিন্তু আর কোনরকম কোন কোসেন্টিক সার্কেল আমরা আকতে পারবো না। নরমালি এটা হয় কখন? যখন অন থাকে এখানে তো অফ বলেছে যখন অফ হবে তখন কিন্তু এখানে পৃথিবীর ম্যাগনেটিক ফিল্ড কাজ করবে। যেটা হচ্ছে এই সবুজ দাগগুলোর কথা বলেছি। এখানে সরলরেখা হবে এবং একেবারের সাথে সমান্তরাল হবে। আরেকটা বলা যেতে পারতো ইকুইডিস্ট্যান্ট যেটা বলেনি। কিন্তু প্যারালাল হলে তার ইকুইডিস্ট্যান্ট হতে পারে নাও পারে। তো এখানে ইকুইডিস্ট্যান্ট হবে। ঠিক আছে? তো কারেক্ট আন্সার আমাদের এটা হবে। দিস লবি দা কারেক্ট আন্সার।

চলো পরের প্রশ্ন। পরের প্রশ্ন।

বলেছে একটা কাগজের সমতলে লম্বভাবে স্থাপিত একটা বৃত্তাকার লুপে যদি চাবি চালু করা হয় তাহলে কারেন্ট সেটা বহন করে। ডেফিনেটলি চাবি যদি অন করো চাবি মানে কি? এখানে সুইচ। সুইচ যদি অন করো তাহলে সেটা কারেন্ট পরিবহন করবে। তো বিন্দু এ এবং বি আছে যাদের কাগজের সমতল এবং কুন্ডলীর অক্ষে রাখা হয়েছে। তো দেখা যাচ্ছে যে যখন বিন্দু এ আর বি থেকে তুমি যখন দেখছো অর্থাৎ এ পয়েন্টে তাকে তুমি যদি চোখ দাও এই লুপের দিকে তুমি কি দেখবে যে এ পয়েন্টে কারেন্ট প্রবাহিত হচ্ছে ঘড়ির কাটার বিপরীতে। ঠিক আছে? কি হচ্ছে? ঘড়ির কাটার বিপরীতে প্রবাহিত হচ্ছে। তার মানে এ কারেন্ট ঘড়ির কাটার বিপরীতে যাচ্ছে। অর্থাৎ এন্টি কলকওয়াইজ হচ্ছে এখানে। এন্টি কলক। আর আমরা যখন বি পয়েন্টের দিকে তাকাচ্ছি। মানে এই জায়গায় যদি আমরা চোখ রাখি তাহলে আমরা কি দেখব? সেক্ষেত্রে আমরা দেখব যে এটা ক্লকওয়াইজ যাচ্ছে। এখানে এক্সাক্টলি তাই বলা আছে। দেখো বিতে বলা আছে ক্লকওয়াইজ। এ দেখো বিতে বলা আছে তোমাদের ক্লকওয়াইজ। আর এতে বলা হয়েছে তোমাদের এন্টি কলকওয়াইজ। বিতে ক্লকওয়াইজ এতে এন্টি কলকওয়াইজ। ঠিক আছে?

আরেকটা পয়েন্ট বলা হয়েছে দেখো। চুম্বক ক্ষেত্রের যে রেখাগুলো আছে ঠিক আছে? তারা বি থেকে এর দিকে যাচ্ছে। আচ্ছা এটা একটা গুড পয়েন্ট। এটা মানে কি বলে দিই। এটা মানে হচ্ছে চুম্বকের রেখাগুলো কি হচ্ছে? বি দিয়ে ঢুকছে সব। ঠিক আছে? সব তোমাদের বি দিয়ে ঢুকছে এবং বের হচ্ছে তোমাদের এ দিয়ে। ঠিক আছে? বের হচ্ছে কি তোমাদের? এ দিয়ে। বি দিয়ে দিয়ে ঢুকে এ দিয়ে বের হচ্ছে। বল এবার একটা থ্রিডি ব্যাপার বুঝতে পারছ আশা করি। ঠিক আছে? তারা কি করছে? তারা বি দিয়ে ঢুকছে এবং এ দিয়ে বেরচ্ছে। মনে রাখবে একটা দুটো পয়েন্ট এখানে বলছি। দুটো পয়েন্ট এখানে ভালো করে বলছি। শোনো এক হচ্ছে তোমাদের যখন অন্টি কলকওয়াইজ হবে তখন সেটা নর্থ হবে। তুমি যদি কোন ফেজে তাকাও এবং যদি দেখো সেখানে তোমাদের তড়ি প্রবাহ অন্টি কলকওয়াইজ তখন সেটা নর্থ হয়। আর যদি তুমি দেখো সেটা ক্লকওয়াইজ তখন সেটা কি হয়? তখন সেটা সাউথ হয়। ঠিক আছে? তো এখানে এতে বলেছে এন্টি কলক। তার মানে এটা আমাদের নর্থ। আর দিস পয়েন্ট উইল বি আওয়ার সাউথ। তোমাকে বলেছে চুম্বকের এন মেরু কোন মুখের কাছাকাছি হবে? এখানে কোন বা ড্যাশ ছিল ড্যাশ মুখের কাছাকাছি হবে? এন্সার হবে তোমাদের এ পয়েন্টের কাছাকাছি হবে বা এ মুখের কাছাকাছি হবে। ঠিক আছে? এটা কারেক্ট আন্সার হবে। এটা এটা দিয়ে বুঝতে পারি। এবার তোমরা বলবে স্যার তাহলে চুম্বক ক্ষেত্র রেখাগুলো তো নর্থ টু সাউথ যায়। এখানে সাউথ টু নর্থ এল কেন? এটা তোমাদের একটা প্রশ্ন হতে পারে। আমি তোমাদের মনে করে দেখো বলেছিলাম চুম্বক ক্ষেত্র রেখাগুলো বাইরে নর্থ টু সাউথ যায়। ভেতরে সাউথ টু নর্থ যায়। একটু আগে বলেছিলাম। তুমি এখানে ক্লিয়ারলি দেখতে পাচ্ছ। এই যে লুপটা এই লুপটা যদি একটা সলিনয়েড নাও। সলিনয়েডের একটা লুপকে যদি চিন্তা করে একটা লুপ সলিনয়েডের উপর তো প্যাচানো অনেক লুপ থাকে এখানে একটা লুপের যদি চিন্তা কর তোমাদের মনে আছে হয়তো একজন সলিনয়েড বুঝছিলাম সেখানে কি এসছিল সলিনয়েডের বাইরে সেটা নর্থ টু সাউথই যায় দেখো এটাও দেখো যদি এটা বের হচ্ছে সাপ এটা বের হচ্ছে বেরিয়ে আবার কোন দিকে ঘুরে যাবে নর্থ টু সাউথ যাবে এ নর্থ টু সাউথ যাবে কিন্তু ভেতরে কি হয় সাউথ টু নর্থ যায় এটা অনেকটা সেই ভেতরের ব্যাপারের মত কাজ হয় ওজন্য এখানে সাউথ টু নর্থ গেছে ঠিক আছে ভেতরে নর্থ টু সাউথ মানে সাউথ টু নর্থ বাইরে নর্থ টু সাউথ হয় ঠিক আছে? তো কারেক্ট আন্সার কি হবে আমাদের এ আমাদের কারেক্ট আসার হবে ঠিক আছে ক্লিয়ার তড়িৎ যদি ভালো করে বুঝ তড়িৎ যদি এন্টি কলকওয়াইজ হয় এটা এন্টি তড়িৎ যদি এন্টি কলকওয়াইজ হয় তাহলে সেটা নর্থ হবে তড়িৎ যদি ক্লকওয়াইজ দেখো তাহলে সেটা কি হবে সাউথ হবে ঠিক আছে যদিও সলিনয়েডের মধ্যে দিয়ে নর্থ সাউথ বার কর আরেকটা নিয়ম আছে আমি তোমাদের আগেরদিন ক্লকফেজ উল্টাই বলেছিলাম আরেকটা নিয়ম তোমাদের করিয়ে দেব চল পরের প্রশ্ন।

বলেছে একটা দীর্ঘ সোজা সলিনয়েডের মধ্যে কারেন্টের জন্য নর্থ এবং সাউথ পোল তৈরি হয়েছে ধরো একটা এটা তোমাদের হচ্ছে কুপরিবাহী একটা পদার্থ ঠিক আছে কুপরিবাহী পদার্থ এই পদার্থের উপরে তুমি কি করেছো? তুমি তারের এখানে তোমাদের প্রলেপ দিয়েছো। ঠিক আছে? অর্থাৎ তার এখানে উইন করিয়ে দিয়েছো। এইভাবে উইন করিয়েছে। এবং এটা কি তৈরি হয়েছে তোমাদের? সলিনয়েড সাপ ধর তৈরি হয়েছে। এ তোমাদের সলিনয়েড। প্লাস মাইনাস এ সলিনয়েড। ঠিক আছে? এবার দেখো আমি তোমাদের একটু আগেই বললাম যেটা সেটা হচ্ছে যদি তুমি দেখো যে তুমি যদি এখানে এই পয়েন্টে তাকাও এবং এই পয়েন্টে তাকিয়ে তুমি যদি দেখছো যে তোমার এই যে তারের উইন্ডিংটা কেমন তড়িৎ প্রবাহ কেমনভাবে প্রবাহিত হচ্ছে এইভাবে অর্থাৎ দেখো এই পয়েন্টে তুমি দেখতে পাচ্ছ তড়িৎ প্রবাহ ক্লকওয়াইজ যাচ্ছে যখন তড়িৎ প্রবাহ ক্লওয়াইজ যায় তখন সেটা আমরা কি বলব সাউথ বলব আর এদিকে সাউথ হলে এটা আমাদের নর্থ হবে একটু আগে তোমাদের বলেছি তাই না এদিকে সাউথ হলে এটা আমাদের কি হবে নর্থ হবে যদি তুমি এদিক দিয়ে তাকিয়ে দেখো তুমি দেখবে এটা এন্টি কলকওয়াইজ হচ্ছে তাকিয়ে দেখো এটা এন্টি কলকওয়াইজ হচ্ছে এখানে চোখ রাখলে তুমি ক্লকওয়াইজ দেখবে তবে এটা সাউথ এদিকে দেখলে যদি সাউথ এটা নর্থই হবে। ঠিক আছে? এটা থেকে আমরা বুঝতে পারলাম এটা সাউথ আর নর্থ আমাদের বেরিয়ে গেল। ঠিক আছে? আচ্ছা এটাকে বলা ক্লক ফেস রুল। এবার দেখো এবার আমরা যদি এখানে চুম্বক ক্ষেত্র আকতাম্ব করি। আমরা কি দেখব? চুম্বক রেখাগুলো নর্থ থেকে বেরচ্ছে। আমি তোমাদের এই পার্টটা মুছে দিচ্ছি। ঠিক আছে? এটা তো তোমরা বুঝতেই পেরেছ। চুম্বক ক্ষেত্র রেখাগুলো কি হচ্ছে? নর্থ থেকে বেরচ্ছে এবং সাউথে গিয়ে ঢুকছে। সিম্পলি এই যাচ্ছে। আবার নর্থ থেকে বেরচ্ছে। সাউথে গিয়ে ঢুকছে। সিম্পলি এই যাচ্ছে। ঠিক আছে? এভাবে হবে আমাদের বেরবে অর্থাৎ এটা বিহেভ করবে কেমন এটা দন্ড চুম্বকের মত বিহেভ করবে সলিনয়েড ইজ বিহেভ লাইক এ দন্ডচুম্বক ঠিক আছে সলিনয়েড কেমনভাবে বিহেভ করে সরি আমি কিরকম ইংলিশ বললাম সলিনয়েড বিহেভ লাইক এ বার ম্যাগনেট সলিনয়েড বিহে লাইক এ বার ম্যাগনেট ঠিক আছে তো এখানে ানসার তোমাদের কোনটা হবে এখানে বলেছে সলিনয়েডের ভিতরের ক্ষেত্রগুলো সরলরেখার আকারে থাকবে যা নির্দেশ করে যে ওর ভেতরে যে সমস্ত বিন্দুতে চুম্বক ক্ষেত্রগুলো সমান একটু আগে বলেছি সলিনয়েড বার ম্যাগনেটের মত বিহেভ করে সো বার ম্যাগনেটের ভেতরে চম্বক রেখাগুলো কেমন ছিল প্যারালাল টু ইচ আদার ছিল এবং ইকুইডিস্ট্যান্স ছিল তারানে এরা ইউনিফর্ম চুম্বক ক্ষেত্রকে প্রকাশ করে ইউনিফর্ম চুম্বক ক্ষেত্র মানে চুমুত্র একই সমস্ত বিন্দুতে চুমুত্র একই সলিনয়েডের ক্ষেত্রে সেটা হয় এটা তো আমাদের কারেক্টই আছে নেক্স বলছে সলিনয়েডের অভ্যন্তরে উৎপাদিত শক্তিশালী চুম্বক ক্ষেত্রটি কয়েলের ভিতরে রাখা নরম লোহার মত চুম্বকীয় উপাদান কেউ চুম্বকে পরিণত করার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। এটাও কিন্তু কারেক্ট। আমরা যদি এই জায়গায় পেন্সিল বা পেনের অংশ ব্যবহার না করে এই পয়েন্ট এটাকে যদি আমরা সফট আয়রন ব্যবহার করি নরম লোহা সফট আয়রন যদি আমরা ব্যবহার করি তাহলে কি হবে? এটা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটে পরিণত হবে। শক্তিশালী ইলেক্ট্রোম্যাগনেটে পরিণত হয়। তো বি অপশনটা আমাদের কারেক্ট। নেক্সট বলছে সলিনয়েডের সাথে যুক্ত চুম্বক ক্ষেত্রের প্যাটার্ন একটি বার ম্যাগনেটের চারপাশে চুম্বক ক্ষেত্রের প্যাটার্ন থেকে আলাদা। না আলাদা নয়। এটা এক হবে। সো সি আমাদের কারেক্ট। কারণ সি আমাদের এখানে রং আছে। এখানে বলেছে কোনটা ভুল বিবৃতি চুজ করতে বলেছে। তো সি আমাদের ভুল বিবৃতি। একই হয় লাইক বার ম্যাগনেট। বিহেভ লাইক এ বার ম্যাগনেট। দন্ডচুম্বকের মত কাজ করে। বার ম্যাগনেটের বাংলায় হচ্ছে দন্ডচুম্বক। ঠিক আছে? নেক্সট কি বলছে? নেক্সট বলছে এন এবং এস অবস্থান পরিবর্তন করে যদি সলিনয়েডের মধ্য দিয়ে কারেন্টের দিক পরিবর্তন কর। এটাও কারেক্ট। পোলারিটি অফ দা ম্যাগনেটিক ফিল্ড উইল বি চেঞ্জ ইফ দা পোলারিটি অফ দা কারেন্ট ক্যারিং কন্ডাক্টর চেঞ্জ। যদি কারেন্ট ক্যারিং কন্ডাক্টরের প্লাসটা মাইনাস মাইনাসটা প্লাস করে দাও তখন এই পোলারিটিও কি হয়? ম্যাগনেটিক ফিল্ডের চেঞ্জ হয়। তো এটাও আমাদের কারেক্ট। তো অপশন কোনটা হবে? সি আমাদের কারেক্ট নয়। সেটাই আমাদের এখানে ন্সার হবে। ঠিক আছে?

চল নেক্সট পরের প্রশ্ন।

আচ্ছা এস আর এন এই যে তোমাদের সলিনয়েড এটা বার করার আরেকটা নিয়ম আছে। সেটাকে বলায় সলিনয়েড রাইট থাম রুল। রাইট থাম রুল নয় বা ফ্লেমিং এর রাইট হ্যান্ড রুল বা লেফট হ্যান্ড রুল নয়। সলিনয়েড রাইট থাম রুল। সেটা কি করে হয় সেটা চল একটু দেখে নেব। সলিনয়েড রাইট হ্যান্ড গ্রিপ রুল দেখো এটা কি এটা কিন্তু তোমাদের ওই যে আরেকটা রুলস হয় তোমরা জানো যেটা কারেন্ট ক্যারিং কন্ডাক্টরের মানে ওপরে তুমি যদি বুড়ো আঙ্গুলটাকে প্লেস করো প্লেস করে যদি এটাকে যদি এরম করে ধরো ঠিক আছে হাত হাতটা যদি এরম করে ধরো তাহলে একটা রুলস হয় ও রুলসটা নয় এটা ঠিক আছে একটু ডিফারেন্ট ওরকমই কিন্তু একটু ডিফারেন্ট এই রুলসটা বলে তোমাদের ধর এখানে একটা সলিনয়েড আছে দেখতে পাচ্ছ যেমন তোমাদের সলিনয়েড আছে দেখতে পাচ্ছ এখানে ঠিক আছে এবং কি করা হয়েছে তুমি দেখো কারেন্ট ক্যাটিং কন্ডাক্টর কোন থেকে কোন দিকে জড়ানো হয়েছে তুমি দেখতে পাচ্ কারেন্ট ক্যাটিং কন্ডাক্টর এইভাবে তোমাদের জড়ানো হয়েছে। ঠিক আছে? দেখো এইভাবে এসছে তোমাদের জড়ানো হয়েছে। তাই না? অর্থাৎ কারেন্টটা প্রবাহিত হচ্ছে এইভাবে। এইভাবে প্রবাহিত হচ্ছে। দেখো কারেন্টগুলো সব এভাবে প্রবাহিত হচ্ছে। এখানে দেখ কারেন্ট এভাবে প্রবাহিত। তারের একদিক এই কালো কন্ডাক্টরের মানে কুপরিবাহী এটা কন্ডাক্টর তো নয়। ঠিক আছে? নন কন্ডাক্টর কুপরিবাহী। তার ওদিকে ঢুকে গেছে। এবং তারপর এদিক দিয়ে আবার বেরিয়ে আসছে। ঠিক আছে? এইভাবে গেছে না কারেন্ট। এইভাবে গেছে। এগুলোকেই তোমার আঙ্গুল ধরো। এগুলো কি ধর তোমার আঙ্গুল তুমি যদি তোমার ডান হাত থেকে এভাবে প্লেস করো তাহলে তুমি দেখবে তোমার বৃদ্ধাষ্ট মানে বুড়ো আঙ্গুল এদিকে ডিনোট করছে এটা হচ্ছে তোমার নর্থ এটা হচ্ছে তোমার সাউথ হয়ে যাবে ঠিক আছে অল এটা মাথায় রাখবে কি বললাম এটাকেই যদি তুমি তোমার হাত ধরো এটা দেখো হাতের মতটা সেভ করে যদি তুমি হাত ধর তুমি দেখবে তোমার বৃদ্ধাঙ্গুষ্ট কোন দিকে ডিনোট করবে তোমার বৃদ্ধাঙ্গুষ্ট দেখবে এইদিকে ডিনোট করছে ঠিক আছে তোমার বৃদ্ধাঙ্গুষ্ট দেখবে এইদিকে ডিনোট করছে এই যেমন ছবিতে দেখানো আছে যেহেতু তোমার বৃদ্ধাঙ্গুষ্ট এদিকে ডিনোট করছে তুমি অলওয়েজ মাথায় রাখবে তোমার নর্থ এদিকে ডিনোট ঠিক আছে? এটাও তোমার কিন্তু একটা সলিনয়েড রাইট হ্যান্ড থাম রুল কে বলা হয় এটা। মানে রাইট হ্যান্ড গ্রিপ রুল বা থামরুল গ্রিপ কেন? কারণ গ্রিপ করছে তুমি ধরছো আর থামটা দেখবে তোমার এইদিকে ডিনোট করবে। যেমন এই ছবিতে পাশের ছবিতে দেখানো আছে। এর একটা উল্টো কেস হয়। সেটাও তোমাদের একটু বলে দি। উল্টো কেসটা কি? উল্টো কেসটা কি? এই হচ্ছে ধরো তোমার সলিনয়েড আছে। ঠিক আছে? আর এবারে তুমি একটা কাজ কর। তুমি কি করছো? তারটাকে এইভাবে না দিয়ে তুমি কি করছো? তারটাকে পিছন দিক দিয়ে নিয়ে গেছে। ঠিক আছে? তুমি কি কর? তারটাকে মিনিট। তারটাকে তুমি পিছন দিক দিয়ে নিয়ে গেছে। ঠিক আছে? এইভাবে নিয়ে গেছো। এবারে দেখো তারটাকে তুমি কি করেছো বলতো? পিছন দিক দিয়ে নিয়ে গেছে। ভালো করে খেয়াল করো।

তুমি তারটাকে কি করেছো? ওদিক দিয়ে এদিকে নিয়ে গেছ। পিছন দিক দিয়ে নিয়ে গেছো। তখন এইগুলোই হয়ে যাবে তোমার হাতের আঙ্গুল। অর্থাৎ হাতের আঙ্গুলগুলোর সামনের দিকটা আবার দেখা যাবে। নোখগুলো দেখা যাবে আঙ্গুলে। এখানে কি নোখগুলো দেখা যাচ্ছিল? এই কেসে দেখো এই কেসটা দেখো তোমাদের আঙ্গুলের নোখগুলো দেখা যাচ্ছে না। এবার এই কেসে দেখো নোখগুলো দেখা যাবে। ঠিক আছে? এইভাবে তোমার কারেন্টটা প্রবাহিত হচ্ছে। ঠিক আছে?

যখন এইভাবে কারেন্ট তুমি ধরবে তুমি দেখবে তোমার হাতের বুড়ো আঙ্গুল এটা যদি তোমার হ্যান্ড হয় তোমার হাতের বুড়ো আঙ্গুল এইদিকে ডিনোট করবে দেখবে তোমার হাতের বুড়ো আঙ্গুল এইদিকে ডিনোট করবে তখন এইটা সরি সরি সরি তোমার হাতের বুড়ো আঙ্গুল দেখবে এইদিকে ডিনোট করছে না ওইদিকে এইদিকে ডিনোট করবে ঠিক আছে কোন দিকে ডিনোট করবে এইদিকে এইদিকে ডিনোট কর হাতের বুড় এইদিকে থাকবে এইদিকে ডিনোট করবে আর এইদিকে তখন হয়ে যাবে তোমার সাউথ এবং এইদিকে তখন তোমাদের হয়ে যাবে নর্থ বলো বুঝলে কিনা তা মনে রাখতে হবে এটা এটা কিন্তু ডান হাতের কামাল এটা কিন্তু বাম হাতের বাম হাতের কামাল নয় এটা এটা অনলি ডান হাতের কামাল। ঠিক আছে? কি বললাম আমি? এই এইভাবে যখন ডিনোটো করবে তখন এগুলোই তোমার আঙ্গুল। যদি এগুলো আঙ্গুল ধর তুমি দেখবে নর্থ তোমার এদিকে ডিনোট হবে। কারণ তোমার বুড়ো আঙ্গুল এইদিকে ডিনোট করবে। ঠিক আছে? তখন এটা হয়ে যাবে নর্থ। আর এইটা হয়ে যাবে তোমার সাউথ।

তো দুটো রুলস আছে। একটা হচ্ছে ক্লকফেজ রুল। একটা তোমাদের রাইট হ্যান্ড গ্রিপ রুল। সলিনয়েড রাইট হ্যান্ড গ্রিপ রুল। দুটো দিয়ে বার করা যায়। নর্থ এন্ড সাউথ। দুটোই ইজি। প্র্যাকটিস থাকলে দুটো ইজি লাগবে। চল পরের প্রশ্ন।

আচ্ছা পরের প্রশ্নে যাওয়ার আগে ফ্লেমিং এর বামাস নিয়ম বুঝে নাও। কারণ পাঁচ নম্বর দাগে ফ্লেমিং এর বামাস্থ নিয়মেরই এপ্লিকেশন আছে। ঠিক আছে? মনে রাখবে তুমি যদি তোমার হাতের তর্জনী এ হচ্ছে তর্জনী। যেমন এখানে তুমি একটা এ্যানিমেশন হ্যান্ড দেখতে পাচ্ছ এটা রিয়েল হ্যান্ড। তো বাম হাতের তর্জনীকে তুমি যদি নাও দুভাবেই এটাকে রিপ্রেজেন্ট করানো যায়। দুটই বাম হাত। ডান হাত কোনটাই নয়। তুমি যদি বাম হাতের তর্জনীকে নাও। আর তুমি যদি বাম হাতের মধ্যমাকে নাও আর তুমি যদি বাম হাতের বুড়া অংকে নাও এবং তাদেরকে যদি 90 ডিগ্রি এঙ্গেলে একে অপরের সাথে প্লেস করো। ঠিক আছে? 90 ডিগ্রি এঙ্গেল। পয়েন্ট টু বি নোটেড। 90 ডিগ্রি এঙ্গেলে যদি একে অপরের সাথে প্লেস করো। ঠিক আছে? তাহলে তুমি দেখতে পাবে এই হচ্ছে তোমাদের বুড়ো আঙ্গুল। এ হচ্ছে তোমাদের মধ্যমা। এ হচ্ছে তোমাদের তর্জনী। ঠিক আছে? তাহলে তুমি মনে রাখবে এই যে তর্জনী তর্জনী ডিনোট করবে ম্যাগনেটিক ফিল্ডকে এম ফর ম্যাগনেটিক ফিল্ড। যদি ম্যাগনেটিক ফিল্ডকে বিয়ে দিয়ে রিপ্রেজেন্ট করানো হয় একচুয়ালি। তো এই যে তোমাদের মধ্যমাঝখানে যেটা আছে মধ্যমা। মধ্যমা তোমাদের ডিনোট করবে কাকে? এটা মাঝখানে মনে রাখবে এটা মাঝখানে আছে। মধ্যমা এটা এটা তর্জনী। এটা বৃদ্ধাষ্ট। তর্জনী অলওয়েজ ম্যাগনেটিক ফিল্ড ডিনোট করে। মধ্যমা তোমাদের এইযে মধ্যমা এটা তোমাদের ডিনোট করবে কাকে? এটা তোমাদের ডিনোট করবে কারেন্ট কে। সি ফর কারেন্ট ডাইরেকশন অফ কারেন্টকে। এইটা তোমাদের ডিনোট করবে কাকে? ফোর্সকে ডিনোট করবে। ঠিক আছে? এ কাকে ডিনোট করবে? ফোর্স এটা বুঝলে কিনা? এটা যদি বুঝতে পারো তাহলে তুমি পাঁচ নম্বর দাগের প্রশ্নটাকে হাওয়ায় ওড়াবে। কোন প্রবলেম হবে না। ঠিক আছে? আবারো বলছি ভালো করে বোঝ।

কি বললাম আমি? আমি বলতে চাইছি যে যদি তুমি এইদিকটাকে ম্যাগনেটিক ফিল্ড ধরো। এটাকে যদি তুমি কারেন্ট ধরো তাহলে এটাকে তুমি কি ধরবে? ফোর্স ধরবে। ঠিক আছে? কি ধরবে? ফোর্স ধরবে। ঠিক আছে? এবার এই যেটা বললাম এটা এখানে রিপ্রেজেন্ট করা। এইটাকে তুমি ধরছো এই বুড় আঙ্গুল একে তুমি কি ধর? এটাকে তুমি ধর ফোরস। এ ফর ফোরস। ঠিক আছে? এইটা দেখো তার সঙ্গে। আচ্ছা আরেকটা জিনিস এরা সবকটা কিন্তু একে অপরের সাথে 90 ডিগ্রিতে থাকবে। অল তিনটেই তিনটের সঙ্গে 90 ডিগ্রতে থাকবে। আমি এখানে একটা রিপেন্ এটাকে এটাকে এটাকে তোমাকে 90 ডিগ্র এঙ্গেলে এমন করে ধরতে হবে। ঠিক আছে? এর সঙ্গে এখানে যে এঙ্গেল তৈরি সেটা তোমাদের 90 ডিগ্র এঙ্গেল তৈরি হয়। ওকে? এর সঙ্গে এটা যে এঙ্গেল তৈরি হবে সেটা তোমাদের 90 ডিগ্রি এঙ্গেলই তৈরি হবে। এখানে যদিও দেখানো যায় না হাতে। তবে তুমি ধরতে পারলে এরকম দেখাবে। এটা তোমাকে এটা কি? এটা তোমাদের মধ্যমা ক্লিয়ারলি দেখতে পাটা তোমাদের কারেন্টকে ডিনোট করবে। আর এই হচ্ছে তোমাদের তর্জন। এটা কাকে ডিনোট করবে? এটা তোমাদের ম্যাগনেটিক ফিল্ড এম ফর লিখেছি যেহেতু ম্যাগনেটিক ফিল্ডকে ডিনোট করবে। এবার এইটাকে আবার এইভাবে রিপ্রেজেন্ট করো না। এদিকে দেখতে পাচ্ছ তোমাদের হ্যান্ড দিয়ে বোঝানো রয়েছে। পরিষ্কার দেখো এখানে কি দেখাচ্ছে বলে দিচ্ছি। দেখতে পাচ্ছ এই হচ্ছে তোমাদের সেই তর্জনী বা মধ্যমা সরি তর্জনী। তর্জনী তোমাকে আগে ডিনোট করে ম্যাগনেটিক ফিল্ড। এই হচ্ছে তোমাদের মধ্যমা মাঝের আঙ্গুল। এটা কাকে ডিনোট করে? তোমাদের কারেন্টকে দেখ ডাইরেকশন অফ কারেন্ট। আর এইটা কাকে ডিনোট করে? মানে তোমাদের বৃদ্ধাঙ্গুষ্ট কাকে ডিনোট করবে? ডাইরেকশন অফ ফোর্সকে। পয়েন্ট নোটে এটা লেফট হ্যান্ড নট রাইট হ্যান্ড। ঠিক আছে? যেমন এখানে দেখো দুটো চুম্বক রাখা হয়েছে। তুমি দেখতে পাচ্ছ পরিষ্কারভাবে চুম্বকের যে রেখাগুলো ক্ষেত্রগুলো সেটা চুম্বকের বাইরে আছে। দেখ এই চুম্বকের বাইরে যাচ্ছে। অর্থাৎ নর্থ টু সাউথ যাবে। দেখ নর্থ সাউথ গেছে এটা। ঠিক আছে? তো এইভাবে তুমি এলাইন করলে দেখো চুম্বকের ক্ষেত্র নর্থ টু সাউথ যাচ্ছে। তুমি এই লাইনটাকে এই যে আঙ্গুলটাকে এইভাবে রেখে। এটা ম্যাগনেটি ফিলড ডিনোট করছে এভাবে রেখেছো তুমি ঠিক আছে আর তুমি ক্লিয়ারলি দেখতে পাচ্ছ যদি এভাবে তুমি রাখো তাহলে তোমার ডাইরেকশন অফ ফোর্স কোন দিকে হবে উপর দিকে হবে তাহলে তোমার ডাইরেকশন অফ কারেন্ট কোন দিকে হবে এদিকে হবে অর্থাৎ বাইরে বেরিয়ে আসবে কোন দিকে বেরিয়ে আসবে বাইরে এবার এই যে রিয়েল হ্যান্ডের যে ছবিটাকে ভালো করে দেখো এটাই তোমাদের একটু পরে কাজে লাগবে দুটোই সেম যেভাবে যেভাবে রাখতে বলবে আমাকে সেভাবে সেভাবে রাখতে হবে তাই না ওজন্য আমি দুটো ছবিতে তোমা দেখ দুটই তোমাদের বামস্ত ঠিক আছে এবার চল কোশ্চেন যাব তাহলে বেটার বুঝতে পারবে এই হচ্ছে সেই পাচ দাগের প্রশ্ন দেখো এখানে কি বলছে বলছে চিত্রের সমতলে একটা অবিন্দু চুম্বক ক্ষেত্র বাম থেকে ডানদিকে বিদ্যমান আছে অর্থাৎ লেফট টু রাইট গেছে অর্থাৎ এই যে দাগগুলো দেওয়া হয়েছে এগুলো সব চুম্বক ক্ষেত্রের দাগ দেখো এগুলো তীরটা কোন দিক থেকে কোন দিকে আছে লেফট থেকে রাইটে গেছে যেমনটা আমরা দেখতে পাচ্ছি ঠিক আছে আর কি বলা হচ্ছে আর বলছে ক্ষেত্রটিতে একটি ইলেকট্রন দেখানো হয়েছে ইলেকট্রন এদিকে প্রবাহিত হয় যেদিকে ইলেকট্রন যায় তা উল্টো দিকে প্রোটন প্রবাহিত আমরা সবাই জানি ঠিক আছে যদিও প্রোটন স্থির থাকে সেই অর্থে তো এখানে বলা হয়েছে ইলেকট্রন যেদিকে প্রোটন এদিকে যাচ্ছে ঠিক আছে কারণ ইলেকট্রন আমরা জানি যেহেতু নেগেটিভ তড়িৎ ধর্মী হয় তো পজিটিভ টার্মিনালের দিকে ছোটে। আর প্রোটন যেহেতু পজিটিভ হয় ফলে ও নেগেটিভ টার্মিনাল দিকে ছুটবে। সোজা কথা বলতে কনভেনশনালি আমরা যদি বলি আর আমরা এটাও জানি যে কারেন্টের ফ্লো যেদিকে ইলেকট্রন যায় তার উল্টো দিকে হয় কনভেনশনালি। একচুয়ালি হয় না। কিন্তু কনভেনশনালি কি হয়? কারেন্টের ফ্লো কি হয়? যেদিকে আমাদের ইলেকট্রন যায় তার উল্টো দিকে প্রবাহিত হয়। ঠিক আছে? তার উল্টো দিকে প্রবাহিত হয়। এবার তুমি একটা জিনিস ভালো করে দেখো। আমরা দেখতে পাচ্ছি পরিষ্কারভাবে এইটা আমাদের ম্যাগনেটিক ফিল্ড লাইনকে প্রকাশ করছে। তর্জনী আমাদের অলওয়েজ ম্যাগনেটিক ফিল্ড। আমি এম বলে লিখছি একচুয়ালি বি দিয়ে প্রকাশ করা হয়। ঠিক আছে? আর এইটা আমাদের কাকে প্রকাশ করবে? কারেন্টকে প্রকাশ করবে। ঠিক আছে? এইটা আমাদের সি ফর কারেন্টকে প্রকাশ করছে। তাহলে এই যে এদিকে দেখতে পাচ্ছ বুড়ো আঙ্গুল। এ কাকে প্রকাশ করবে? এ প্রকাশ করবে ফোর্সকে। তুমি ক্লিয়ারলি দেখো ফোর্স কিন্তু দেয়ালের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে। এটা একচুয়ালি আমারই বাড়ির দেয়াল। তো দেয়ালের মধ্যে তুমি দেখতে পাচ্ছ ঢুকে যাচ্ছে। ঠিক আছে? ফোর্স কি করছে? দেয়ালের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে। দেখো দেয়ালের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে। ঠিক আছে? তো আমরা এখানেও সেম জিনিসটা দেখবো। এখানে কি দেখবো? তো তাহলে যদি আমরা দেখি কারেন্ট আমাদের ওপর দিকে যাচ্ছে। ম্যাগনেটিক ফিল্ড আমাদের এইদিকে যাচ্ছে। তাহলে ফোর্স কোন দিকে কাজ করবে? এই যে এখানে যেমন দেয়ালের ভেতর দিকে ঢুকে গেছে। এটা কাজ করবে পেপারের ভেতর দিকে। এটা যদি একটা পেপার ভাবি তার উপর ছবিটা আকার পেপারের ভেতর দিকে কাজ করবে। তো দেখো ফার্স্ট লাইনেই বলেছে যে এই যে ইলেকট্রন আর প্রোটন কি করবে? উভয়ই কাগজের সমতলের মধ্যে প্রবেশ করছে এমন বল অনুভব করবে। সমতলের মধ্যে মানে কি? পেপারটাই সমতল। তার মধ্যে প্রকাশ করছে সরি প্রবেশ করছে তার মধ্যে প্রবেশ করছে এমন বলকে কি করবে অনুভব করবে তো কারেক্ট আন্সার আমাদের এই হবে ঠিক আছে চল পরের প্রশ্ন ছগ বাণিজ্যিক বৈদ্যুতিক মোটর ব্যবহার করা না নিচের কোনটি দেখ বাণিজ্যিক বৈদ্যুতিক মোটর মনে রাখবে স্থায়ী চুম্বক কখনো ব্যবহার করা হয় না সেটা বৈদ্যুতিক মোটর হোক আর জেনারেটর হোক অলওয়েজ আমরা ইলেকট্রোম্যাগনেটকে ব্যবহার করি ঠিক আছে সো এইটা আমাদের ইনকারেক্ট আন্সার হয়ে যাবে সি তো সি এখানে কারেক্ট হচ্ছে কারণ এখানে বলেছে ব্যবহার কোনটা করে না এইটা ব্যবহার করে না আর্মেচার ঘনর জন্য বাণিজ্যিক বৈদ্যুতিক মোটরে ইলেকট্রোম্যাগনেট ব্যবহার করা হয়। সো এটা কারেক্ট। আর আর্মেচার ব্যবহার করা। আর্মেচার বেসিক্যালি কি? একটা আয়তাক্ষেত্রাকার সফট আয়রন কোর ব্যবহার করা হয়। একটা আয়তা ক্ষেত্রাকার এরকম আয়রন কোর ব্যবহার করা হয়। ঠিক আছে? এটাই বেসিক্যালি ঘোরে। এবং এটা একটা সফট আয়রন কোরের হয় এবং তার সঙ্গে কি তার উপর কি করা হয়? একটা তারের কুন্ডলী দিয়ে দেওয়া হয়। এই তারের কুন্ডলী দিয়ে যে কয়েল তৈরি হচ্ছে এটাকে আমরা কি বলি? এটাকে আমরা বলি আর্মেচার। ঠিক আছে? তো আর্মেচার অবশ্যই কারেন্ট বহনকারী কুন্ডলীতে কার্যকরীভাবে পাকের পরিবাহী সংখ্যা বাড়িয়ে মনে রাখবে এই যে পরিবাহী তার আছে এই পরিবাহী তারের পাক সংখ্যা যত বাড়ানো হয় তত এটা দ্রুত ইলেকট্রোম্যাগনেটে পরিণত হয় এবং ইলেক্ট্রোম্যাগনেটের যে ক্ষমতা সেটা অনেক বেড়ে যায় অর্থাৎ এই জায়গাটাতে যে তারের কুন্ডলী বাড়ানো হচ্ছে যত তুমি এর পাক সংখ্যা বাড়াবে না তত এর ম্যাগনেটিজম বেড়ে যাবে অর্থাৎ চুম্বক ক্ষেত্রের যে ক্ষমতা পাওয়ার সেটা কি হবে বেড়ে যাবে ওকে আরো বেশি শক্তিশালী হবে এটা ওকে তো বি তো আমাদের কারেক্ট কারণ পাক সংখ্যা বাড়ানোই হয়। যত বাড়াবে তত বাড়বে। স বাড়ানো হয়। এছাড়া কি করা হয়? একটা নরম লোহার কোর ব্যবহার করা হয়। যার উপর কুন্ডলি পাকানো হয়। এটা কারণ হচ্ছে নরম লোহার কোরের উপর কুন্ডলী পাকালে সেটা সবথেকে ভালো তড়িৎ চুম্বকের কাজ করে। ঠিক আছে? সো কারেক্ট আন্সার আমাদের কি হবে? সি এখানে কারেক্ট আন্সার হবে। কারণ এও ঠিক, বিও ঠিক, ডিও ঠিক। এই তিনটে ঠিক। ঠিক নয় কোনটা? এইটা আমাদের ঠিক নয়। যেহেতু এটা ঠিক নয়। এটাই আমাদের কারেক্ট হবে। কারণ এখানে বলেছে কোনটা ব্যবহার করে না। ঠিক আছে? চল পরের প্রশ্ন।

এটা খুব ভালো প্রশ্ন। আমি তোমাদের মনে আছে হয়তো ফ্লেমিং এর রাইট হ্যান্ড রুল করিয়েছিলাম। ঠিক আছে? তো অর্থাৎ জেনারেটর এসি ডিসি জেনারেটর করেছিলাম। সেখানে এই প্রশ্নটা রেখেছিলাম। মনে করে দেখো যে কিভাবে দুটো কয়েলের মাধ্যমেও কিন্তু আমরা ম্যাগনেটিজম মানে ম্যাগনেটিজিম এর মাধ্যমে আমরা কি করতে পারি? কারেন্ট উৎপন্ন করতে পারি। এই যে তোমাদের এখানে যে চিত্রটা আকা হয়েছে এটা বেসিক্যালি ম্যাগনেট থেকে কারেন্ট উৎপন্ন হওয়ার চিত্র। ঠিক আছে? ম্যাগনেট থেকে উৎপন্ন হচ্ছে এখানে? কারেন্ট উৎপন্ন হচ্ছে। কারেন্ট থেকে ম্যাগনেট নয়। কিন্তু এটা হচ্ছে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন এর উপর বেস করে এটা হয়। ঠিক আছে? অর্থাৎ জেনারেটর রুল কাজ করে। অর্থাৎ দেখো যখনই আমরা জেনারেটর বলব এটা মাথায় রাখবে। যখনই আমরা জেনারেটর বলব তখনই মনে রাখবে তার মানে আমরা বলছি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন। ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন। ঠিক আছে? নেক্সট তার সঙ্গে রিলেটেড হচ্ছে ফ্লেমিং এর। ঠিক আছে? ফ্লেমিং ফ্লেমিং রাইট হ্যান্ড রুল। রাইট হ্যান্ড রুল। নট লেফট হ্যান্ড। রাইট হ্যান্ড। এই তিনটে কথা একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত। জেনারেটর তার সঙ্গে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন তার সঙ্গে ফ্লেমিং এর রাইট হ্যান্ড রুল। ঠিক আছে? এই তিনটে কথাকে একদম মাথায় বসিয়ে নাও। এই তিনটির উপর প্রশ্ন পড়ছে যে কোনটা কার সঙ্গে রিলেটেড? এটা কি দ্বারা করা হয়? জেনারেটরের শক্তি বা জেনারেটর কার্য কিসের উপর নির্ভর করে? ফ্লেমিং এর রাইট হ্যান্ড রুলের উপর নির্ভর করে এবং ওটা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন উপর নির্ভর করে। তুমি দেখে নাও খুলে। এই বিগত কতগুলো শিফে বারবার পড়েছে প্রশ্নটা। ঠিক আছে? তিনটি যা কথা বল প্রশ্নটা আসে।

এবার দেখো এখানে বলেছে চিত্রে একটা বেসিক একটা চিত্র আছে। সেই চিত্রে একটা কুপরিবাহী নলাকার রড। এটা একটা কুপরিবাহী নলাকার রড। মানে এটা কোন সফটওয়ার আয়রন কোর নয়। নরমাল তার উপর কি করা হয়েছে? দুটো কয়েলকে পাকানো হয়েছে। এ একটা কয়েল। আমি নাম দিচ্ছি এটাকে কয়েল এ। আর এটাকে আমি কয়েল বি বলে লিখে দিচ্ছি। ঠিক আছে? তোমাদের বোঝানো সুবিধার স্বার্থে। আমি যখন এ কয়েল বলব বুঝবে এইটা। বি কয়েল বললে বুঝবে এইটা। আরেকটা জিনিস লক্ষ্য করো। এ কয়েলের সাথে কারেন্ট যুক্ত আছে। কিন্তু বি কয়েলের সাথে কেবলমাত্র একটা গ্যালভোনোমিটার যুক্ত আছে। মানে কোন কারেন্ট যুক্ত নেই। গ্যালভোনোমিটার কি কাজে লাগে? কোথাও কোন কারেন্ট আছে কিনা? সেটাকে ডিটেক্ট করার জন্য সেটা আদৌ আছে কিনা তার উপস্থিতিকে আমাদের সামনে আনার জন্য আমরা গ্যালভোনমিটার ইউজ করি। এ কয়েলটাকে বলা হয় প্রাইমারি কয়েল। কারণ এ কয়েলই বেসিক্যালি কারেন্ট যাবে। আর বি কয়েলটাকে বলা হয় কি? তোমাদের সাপ্লিমেন্টারি কয়েল বা ওর সঙ্গে আনুষঙ্গিক কয়েল। ঠিক আছে? তো এই হচ্ছে তোমাদের বেসিক্যালি পারমানেন্ট কয়েল। মানে সরি প্রাইমারি কয়েল নট পারমানেন্ট। প্রাইমারি কয়েল। আর ভি হচ্ছে তোমাদের সেকেন্ডারি বা সাপ্লিমেন্টারি কয়েল। এবার তো কি করা হয়? দেখো এখানে বলছে যে প্রাথমিকভাবে চাবি ঢোকানো হয়নি। তার মানে চাবি কোথায় আছে? এই জায়গায় চাবি আছে। ডেফিনেটলি যেখানে ব্যাটারি থাকবে সেই জায়গাতেই চাবি থাকবে। কারণ ব্যাটারিকে অফ বা অন করার জন্য চাবি ব্যবহার করা হয়। চাবি মানে কি? এখানে সুইচ বলতে পারো। তুমি চাবি না বলে ওটাকে সুইচ বল। যদি তোমার সমস্যা হয় তুমি সুইচ বলতে পারো। চাবি ঢোকানো হয়নি। কথার অর্থ হচ্ছে সুইচ অফ ছিল। এখানে ঠিক আছে? এখানে কি ছিল? সুইচ অফ ছিল। চাবি ঢোকানো হলো। মানে সুইচ অন হলো। এবার সুইচ ছিল অন হল। আর তারপরে আবার সরানো হলো মানে সুইচ আবার অফ করা হলো। এই জায়গায় কি হয়েছে তোমাদের? সুইচ অফ করা হচ্ছে। তো তুমি ক্লিয়ারলি দেখো এখানে তিনটে জিনিস ঘটছে। প্রথমে সুইচ অফ ছিল। তারপর কি করা হলো? সুইচ অন করা হলো। তারপর আবার কি করা হচ্ছে? সুইচ অফ করা হচ্ছে। ঠিক আছে? তো সুইচ যখন অফ ছিল তখন অফই ছিল। কিন্তু সুইচ অন করার পর অফ করা হলো। এই ব্যাপারটা একটা ইম্পর্টেন্ট পয়েন্ট। ঠিক আছে? ধর তুমি সুইচ অফই রেখেছো। তো পাখা তো ঘুরবে না। নরমালি থাকবে। কিন্তু তুমি যখন সুইচ অন করবে পাখা ঘুরতে থাকবে। কিন্তু তুমি যখন সুইচ অফ করবে পাখার গতি আস্তে আস্তে কমতে থাকছে অর্থাৎ একবার অন করার পরে অফের কিন্তু একটা গুরুত্ব চলে আসে এখানে ব্যাপারটা তাই হয় কি হয় দেখো এখানে বলছে এর ফলে কি কি ঘটবে তাহলে তাহলে কি হবে দেখো এখানে একটা কথা দেওয়া রয়েছে তাহলে যদি এটা করা হয় এইযে তাহলে কি হবে কি হবে গ্যালভনোমিটারের বিচ্যুতি সবসময় শূন্য থাকবে অর্থাৎ যখন তুমি অন অফ ছিল তখন তো শূন্যই ছিল এটা তো কারেক্ট এই জায়গায় আমি জি ফর জিরো লিখে দিচ্ছি কারণ কোন এখানে হবে না কারণ সুইচ অফই আছে কিন্তু অন করার অফ করছো তখনও কি একই হবে? অন করার সময়ও কি কোন বিচ্যুতি দেখাবে না? এই গ্যালভোনমিটার যে কানাটা আছে না এই কানাটা কি একবার এদিক ওদিক করা সেটা কি হবে না? মানে সবসময় কি জিরোই থাকবে? এটা কিন্তু ইনকারেক্ট। সবসময় জিরো থাকবে না। নেক্স বলছে গ্যালভনোমিটার একটি ক্ষণস্থায়ী বিচ্যুতি হবে। অর্থাৎ গ্যালভমিটার সাময়িক সময়ের জন্য তার কাটা এরকম ছিল। তো এরকম হয়ে যাবে কাটাটা। ঠিক আছে? এরকম এদিক ওদিক করবে। কিন্তু এটি শীঘ্রই আর থাকবে না এবং চাবিটি সরানো হলে তার কোন প্রভাব নেই। আমি একটু আগে বলেছি অন করার সময় অবশ্যই বিচ্যুতি ঘটবে। অফ করার সময় একবার বিচ্যুতি আসবে। দেখো এই যে এখানে বি পয়েন্ট বলা হয়েছে যে এটা পড়লাম এটা কিন্তু রং রং কেন দেখো এর এইটুকু কারেক্ট এই থাকবে না পর্যন্ত কারেক্ট কিন্তু তারপরে কিন্তু রং আছে মনে রাখবে এখানে দুইটা নিয়ে খেলা চলছে একচুয়ালি কি হয় ব্যাটারি এ কে টানে আর এ বি কে টানে আর বি আবার গ্যালভনোমিটারকে টানে অনেকটা সেই নাক টানলে মাথা আসেটা সেরকম ঠিক আছে তো এই হচ্ছে নাক নাককে টান ফলে মাথা আসছে আর মাথার সাথে সবই চলে আসছে ব্যাপারটা এরকম এবং এটা কখন হয় দুবার হয় একবার অন করার সময় হয় একবার অফ করার সময় হয় অর্থাৎ দুবার এখানে গ্যালভনোমিটার কি করবে এখানে তোমার ডিফ্লেকশন শো করবে তবে অন করার সময় যদি এদিকে শো করে অফ করার সময় কিন্তু বিপরীত দিকে শো করবে মাঝখানে জিরো থাকবে ঠিক আছে তুমি যদি অন রাখো তাও জিরো থাকবে অফ রাখো তাও জিরো থাকবে শুধুমাত্র অন করার সময় একবার এটা কাটাটা এদিক হয়ে যাবে আবার অফ করার সময় কাটাটা এদিক হবে কিন্তু তারপর আবার জিরোতে চলে আসবে ঠিক আছে তো এইটা কিন্তু আমাদের ইনকারেক্ট কারণ এখানে বলেছে যে যখন চাবিটা সরানো হবে মানে যখন সুইচ অফ করা হবে তখন কোন প্রভাব পড়বে না প্রভাব পড়বে কারণ এখানে ডিফ্লেকশন শো হবে সেজন্য এটা আমাদের ইনকারেক্ট নেক্সট বলছে গ্যালভনোমিটারের ক্ষণস্থায়ী বিচ্যুতি থাকবে যা আর থাকবে না ডিফ্লেকশন একই দিকে হয় ডিফ্লেকশন একই দিকে হবে না ডিফ্লেকশন বিপরীত দিকে হবে যখন তুমি অন করছো তখন ডিফ্লেকশন যেদিকে হবে অফ করার সময় ডিফ্লেকশন বিপরীত দিকে হবে এখানে সেটাই বলা হয়েছে গ্যালভোনমিটারের ক্ষণস্থতি বিচ্যুতি থাকবে যা শীঘ্রই আর থাকবে না কিন্তু ডিফ্লেকশন কোন দিকে হবে বিপরীত দিকে হবে তো ডি আমাদের কারেক্ট হবে এখানে আরেকবার বলছি ভালো করে বোঝো। দেখো বিতে কিন্তু কোন ব্যাটারি লাগানো নেই। তো বিতে কারেন্ট আসবে কোথা থেকে? বেসিক্যালি কি হয়? এই যে এখানে সার্কিট আছে না ব্যাটারি এই ব্যাটারি যখন অন করছো তখন কি হয়? সেটা কারেন্ট দেয় এই কয়েলকে। কারেন্টের ফলে এই কয়েল ম্যাগনেটে পরিণত হয়। ম্যাগনেট প্রবাহিত করে বি কে। বি এর এই কয়েলটাকে। আর বি এর কয়েলে ম্যাগনেট দ্বারা প্রবাহিত হওয়ার ফলে তড়িৎ তৈরি হয়। তড়িৎ গিয়ে গ্যালভনোমিটারের মধ্যে দিয়ে পাস করার সময় গ্যালভনোমিটার সেই তড়িৎকে আমাদের সামনে প্রদর্শিত করে। কিভাবে প্রদর্শিত করে? তার কাটাটাকে এদিক ওদিক করার ফলে। অর্থাৎ এখানে এতে যে তড়িৎ তৈরি হচ্ছে তার ফলে এখানে ম্যাগনেট তৈরি হচ্ছে। ওই ম্যাগনেটিজমের কারণে বিতে তড়িৎ তৈরি হচ্ছে। তার মানে ম্যাগনেট দ্বারা তড়িৎ তৈরি হলো। সেই তড়িৎই কিন্তু গ্যালভনোমিটারের মধ্য দিয়ে শো করছে। গ্যালভমিটার কিন্তু চুম্বক ক্ষেত্রের শক্তিকে দেখায় না। তড়িৎকে দেখায়। যদি তড়িৎ থাকে তাহলেই দেখাবে। আর ছিল বলে এটা এদিক ওদিক হয়েছে কাটাটা। ঠিক আছে? প্রথমে কাটাটা জিরোতে থাকে। তারপর কাটা যখন অন করো তখন একবার ডিফ্লেকশন শো করে। অর্থাৎ এদিকে শো করে। আবার যখনই তুমি অফ করবে তখন কাটাটা মানে এবার একটা জিনিস বলি। যখন তুমি অন করলে তখন একবার এদিকে হলো। তারপর কাটাটা কিন্তু আবার জিরোতে চলে আসবে। যে এবার অফ করবে তখন কি হবে? সেটা এদিকে যাবে। অর্থাৎ যেদিকে অন করার সময় ছিল তার বিপরীত দিকে কিন্তু কাটাটা অফ করার সময় যাবে। এইটুকুকে মনে রাখবে। এটা খুব ইম্পর্টেন্ট জিনিস। অন এবং অফ উভয় ক্ষেত্রেই কাটা প্রভাবিত হবে। কারণ উভয় ক্ষেত্রেই কি হবে? ম্যাগনেটিজম তৈরি হবে এবং বি কে প্রভাবিত করবে। কিন্তু অন রেখেই যদি দাও তখন কিন্তু জিরোতেই থাকবে। কোনরকম প্রভাবিত হবে না। কাটা এদিক ওদিক হবে এমন নয়। আর অফ যদি রেখে দাও তাহলে কিন্তু কোনরকম কোন পরিবর্তন আসবে না। শুধু অন করার সময় আসবে আর অফ করার সময় অনলি আসবে। সাময়িক ফ্র্যাকশন অফ সেকেন্ড এর জন্য আসবে। ঠিক আছে? চল আট দাগে।

পরের প্রশ্ন আট দাগ। দেখো এখানে তোমাদের বিভিন্ন রকমের বিবৃত্তি দেওয়া রয়েছে। কোনটা তোমাদের রাইট সেটা বলতে বলা হয়েছে। ফ্লেমিং এর ডান হাতের নিয়ম হলো প্ররচিত কারেন্ট বা ইন্ডিউসড কারেন্টের দিক জানা সহজ নিয়ম। ঠিক আছে? এটা কিন্তু কারেক্টই আছে। ফ্লেমিং এর রাইট হ্যান্ড রুল। এই দেখো নিচে তোমাদের আমি ছবি একে রেখে দিয়েছি। ক্লিয়ারলি দেখতে পাচ্ছ। তো ফ্লেমিং এর রাইট হ্যান্ড রুল কিন্তু কি বলে? দেখো ফ্লেমিং এর রাইট হ্যান্ড রুল আর ফ্লেমিং এর লেফট হ্যান্ড রুলের ক্ষেত্রে কয়েকটি জিনিস একদম সেম। ঠিক আছে? কি? সেখানেও এই তিনটি আঙ্গুলকে ব্যবহার করা হয়। ফ্লেমিং এর বাম হস্ত নিয়ম একটু আগে তোমাদের বললাম। সেখানেও আমাদের ব্যবহার করা হয় তর্জনীকে, মধ্যমাকে আর বৃদ্ধাঙ্গুষ্টকে। ফ্লেমিং এর বাম হাতের নিয়ম আর ডান হাতের নিয়মের মধ্যে মিল আরেকটা জায়গায় আছে সেটা হচ্ছে এখানেও কিন্তু তর্জনীকে ম্যাগনেটিক ফিল্ড বোঝাতে ব্যবহার করা হয় আর মধ্যমাকে কারেন্ট বোঝাতে ব্যবহার করা হয় যেমন এখানটা করা হচ্ছে কিন্তু অমিল কি এক তো ওটা বাম হাত এটা ডান হাত এটা গেল ফার্স্ট অমিল দ্বিতীয় অমিল হচ্ছে যে এই যে দেখতে পাচ্ছ বৃদ্ধাঙ্গুষ্ট ওখানে ফোর্সকে বোঝাচ্ছিল এখানে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ট মোশনকে বোঝায় বেসিক্যালি অনেক বইতে ফোর্স এন্ড মোশন দুটি লেখা থাকে তবে এসপার এনসিআরটি এটাকে আমরা ওখানে খানে ফোর্স নেব বাম হাতে ফোর্স নেব ডান হাতে আমরা মোশনকে নেব বাকি সব সেম এই তিনটি আঙ্গুলকে ওখানে যেরকম 90 ডিগ্রি এঙ্গেলে একে অপরের সাথে রাখা হয় ঠিক আছে এখানেও তেমন কিন্তু 90 ডিগ্রি এঙ্গেলে একে অপরের সাথে প্লেস করা হয়েছে অর্থাৎ এভরিথিং সেম শুধুমাত্র ওটা ডান হাত মানে সরি ওটা বাম হাত এটা ডান হাত এখানে মোশন বোঝাচ্ছে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ট ওখানে ফোর্স বোঝাচ্ছিল ঠিক আছে ক্লিয়ার হয়েছে আশা করি বাকি সব সেম এখানেও তর্জমি ম্যাগনেটিক ফিল্ডকে নির্দেশ করবে এবং কারেন্টকে নির্দেশ করবে ওখানেও তাই ছিল শুধু ওখানে মোশন মানে ফোর্স বোঝাচ্ছিল এখানে মোশন বোঝাবে এবার তোমাদের কি বলছে দেখতো এটা তো আমাদের কারেক্টই হলো এটা কারেক্ট আচ্ছা আমি এখানে বলেছে ভুল বিবৃতি তো এটা তো কারেক্ট হলো এটা তো আমরা এন্সার নয় নেক্সট বলছে ডান হাতের বুড়ো আঙ্গুলের নিয়মটি দেখো ফ্লেমিং এর ডান হাতের নিয়ম আর ডান হাতের বুড়ো আঙ্গুলের নিয়ম দুটো আলাদা জিনিস একচুয়ালি ডান হাতের বুড়ো আঙ্গুলের নিয়মকে বলা হয় ম্যাক্সওয়েলস রাইট থাম রুল ঠিক আছে ফ্লেমিং এর ডান হাতের যে নিয়ম সেটা আর ম্যাক্সওয়েলের রাইট থাম রুল এটা এ দুটো আলাদা ঠিক আছে ফ্লেমিং এর রাইট হ্যান্ড রুল ব্যবহার করা হয় ম্যাগনেট থেকে কারেন্ট এইটার ক্ষেত্রে। ঠিক আছে? আর আমরা যদি দেখি ম্যাক্সওয়েলের রাইট হ্যান্ড রুল এটা ব্যবহার করা হয় কারেন্ট থেকে ম্যাগনেটিজম হচ্ছে যখন তখন ব্যবহার করা হচ্ছে। ঠিক আছে? আশা করি পার্থক্যটা তোমাদের বোঝাতে পারছি আমি। ম্যাক্সওয়েলের রাইট থাম রুল আমাদের কি বলে? আমাদের বলে যে যদি তুমি একটা কারেন্ট কন্ডাক্টিং স্ট্রেট ওয়ার নাও। আর সেই স্ট্রেট ওয়ারের যেদিকে কারেন্ট যাচ্ছে সেইদিকে তুমি তোমার যদি রাইট থাম অর্থাৎ ডান হাতের বুড়ো আঙ্গুলকে প্লেস করো এবং তারপর যদি তুমি তোমার আঙ্গুলগুলোকে এভাবে মুড়িয়ে দাও তাহলে তোমার আঙ্গুলগুলো যেদিকে মুড়ছে সেইদিকে তোমার ম্যাগনেটিক ফিল্ড কাজ করবে বিয়ে ম্যাগনেটিক ফিল্ডকে প্রকাশ করা হচ্ছে এখানে ঠিক আছে একচুি তাই করা হয় তো তুমি যদি দেখতে পাচ্ছ কারেন্ট কোন দিকে যাচ্ছে এই পরিবাহের মধ্য দিয়ে উপর দিকে যাচ্ছে তুমি যদি তোমার আঙ্গুলটাকে এই যেদিকে যাচ্ছে সেদিকে এভাবে রাখো মানে সোজা কথা বলতে থাম্স আপ করছো আর তুমি যদি তোমার এই অপর আঙ্গুলগুলো বাদবাকি আঙ্গুলগুলো মুড়িয়ে দাও তো যেদিকে মুড়ছে সেইদিকে দেখো তোমার ম্যাগনেটিক ফিল্ড কাজ করবে। এটা হচ্ছে ম্যাক্সেলের রাইট থাম। এবার এটা উপর দিকে যাচ্ছে। যখন কারেন্ট নিচের দিকে যাবে তখন এরকম হবে।

যদি তুমি কারেন্টকে নিচের দিকে দাও, অর্থাৎ উল্টে গেছে। এখন তো দেখতে পাচ্ছ আঙ্গুল আমাদের নিচের দিকে আছে। কারণ এখানে থাম কাকে পয়েন্ট করছে? কারেন্টের প্রবাহকে পয়েন্ট করছে। কারেন্টের প্রবাহ যেদিকে, থামও সেদিকে দাও। এবং অলওয়েজ মনে রাখবে এটা রাইট থাম। অর্থাৎ ডান হাতের আঙ্গুলের কথা বলছি আমি। ডান হাতকে বলছি আমি। ঠিক আছে?

তো ডান হাত যদি তুমি নিয়মটাই এখানে রাইট থাম রুল এবং তুমি যদি আঙ্গুলগুলোকে কার্ভ করো, আঙ্গুলগুলোকে কার্ল করো, তুমি দেখতে পাচ্ছ এদিক দিয়ে এদিকে যাচ্ছে দেখো হ্যান্ডগুলো কোন দিকে যাচ্ছে এইদিক থেকে এদিকে। ঠিক আছে? তো বিও কি হবে? এদিক থেকে এদিকে যাবে। ম্যাগনেটিক ফিল্ড এই থেকে এদিকে কাজ করবে। তো তোমাদের এরকম দুটো ছবি দিয়ে বলতে পারে যে কোনটা রাইট কোনটা রং। এরকম বলে দিতে পারে। তো রেল তো সবকিছুই করছে আশা করি। তো এটা কিন্তু আমাদের কারেক্ট হচ্ছে যে বিদ্যুৎ পরিবহনকারী প্রবাহীর কারণে চুম্বক ক্ষেত্রের দিক নির্ণয় করতে এটা ব্যবহার করা হয়। ঠিক আছে? তো এটাও আমাদের কারেক্ট। ওকে সো এটা এটা তো কারেক্টই হলো। কারেক্ট তো আমাদের আনসার নয়।

নেক্সট বলছে এসি এবং ডিসির মধ্যে পার্থক্য হলো ডিসি সবসময় একই দিকে প্রবাহিত হয়। যেখানে এসি পর্যাক্রমের দিক পরিবর্তন করে। আমি তোমাদের এসি ডিসি জেনারেটর কিছুদিন আগেই করিয়েছি। সেখানেও তোমরা জানো। ঠিক আছে? এটা আমি করিয়েছিলাম।

নেক্সট হচ্ছে ভারতে প্রতি ১ বাই ৫০ সেকেন্ডে এসি দিক পরিবর্তন করে। এইটা আমাদের রং। তো কারেক্ট আন্সার আমাদের এটাই হবে বেসিক্যালি। কারণ এটাই আমাদের রং হবে। এখানে বলেছে কোনটা? ভুল বিবৃতি। তো অপশন ডি কারেক্ট হবে আমাদের। ঠিক আছে? মানে এখানে আনসার হবে। এটা কেন রং সেটাও তোমাদের বলে দিই।

দেখো আমরা জানি যে আমাদের এখানে ভারতে আমাদের কত হয় বলেছিলাম। মনে করে দেখো। এখনো সেই ভিডিওটার উপরে যে তোমাদের থাম্বনেল আছে তাতেই প্রশ্নটা আছে। দেখো সেটা দিয়ে এক্সামারের প্রশ্ন আছে। আমি বলেছিলাম ভারতে আমাদের এসি কারেন্টের যে ফ্রিকোয়েন্সি হয় সেটা হয় ৫০ হজ। মনে করে দেখো ওই ভিডিওটা দেখো। ভিডিও থামনেলেই প্রশ্নটা আছে যে ভারতে এসি কারেন্টের ফ্রিকোয়েন্সি কত? তাই না? বা ডিসি কারেন্টের ফ্রিকোয়েন্সি কত? এরকম দিয়ে প্রশ্ন আছে।

ভারতে এসি কারেন্সির যে ফ্রিকোয়েন্সি হয় সেটা একটু আগে তোমাদের বললাম ৫০ হজ। এটার মানে কি? এটার মানে হচ্ছে ওয়ান সেকেন্ডে ও ৫০ বার পাক খায়। ঠিক আছে? আর প্রতি এক পাকেও দুবার কি করে? ওর দিক পরিবর্তন করে। তাহলে ৫০ বারে কতবার দিক পরিবর্তন করবে? ১০০ বার দিক পরিবর্তন করবে। ঠিক আছে? ১০০ বার দিক পরিবর্তন করবে। তার মানে ১০০ বার দিক পরিবর্তন করতে ওর ওয়ান সেকেন্ড সময় লাগে। পয়েন্ট টুবি নোটেড। ১০০ বার দিক পরিবর্তন করতে ওর ১ সেকেন্ড সময় লাগে। তো একবার দিক পরিবর্তন করতে ওর কিন্তু ১/১০০ সেকেন্ড সময় লাগবে। এখানে আছে ১ বাই ৫০ সেকেন্ড। এইজন্য এটা ইনকারেক্ট হচ্ছে।

তো কারেক্ট আন্সার কোনটা হবে আমাদের? ডি এখানে কারেক্ট আন্সার হবে। আবার বলছি ভালো করে বোঝো। ৫০ হজ এটার মানে হচ্ছে এটা আমি তোমাদের অংক তো করেছি। জাস্ট তোমাদের বলে দিয়েছি জাস্ট। আশা করি বুঝতে পারছ। এসি কারেন্টসের যে ফ্রিকোয়েন্সি হয় সেটা ৫০ হজ। তার মানে এক সেকেন্ডে ৫০ রেভলিউশন। ঠিক আছে? ৫০ রেভলিউশন। এক সেকেন্ডে ৫০ রেভলিউশন মানে ৫০ বার পাক খায়। এক সেকেন্ডে যখন ৫০ রেভলিউশন হবে প্রতি ওয়ান রেভলিউশনে ও দুবার দিক পরিবর্তন করে। ৫০ রেভলিউশনে কতবার দিক পরিবর্তন করবে? ১০০ বার। তার মানে এক সেকেন্ডেও ১০০ বার দিক পরিবর্তন করে। কারণ এক সেকেন্ড মানেই ৫০ রেভলিউশন। ৫০ রেভলিউশন মানেই ১০০ বার। তাহলে এক সেকেন্ডে ১০০ বার। ১০০ বার যদি এক সেকেন্ডে হয় তাহলে একবার কত সেকেন্ড হবে? ১ বাই ১০০ সেকেন্ডে। এখানে বলেছে প্রতিও ১ বাই ৫০ সেকেন্ডে এসি দিক পরিবর্তন করে তা কিন্তু নয়। সার হবে তোমাদেরও বাট সেকেন্ডে সরি ১ বাই হ সেকেন্ডে। ঠিক আছে এটা তোমাদের কারেক্ট আসার হবে। ওকে ক্লিয়ার হয়েছে।

চল পরের প্রশ্ন। নয় দাগ। একটু আগে তোমাদের ম্যাক্সলে রাইট থাম রুল বললাম তার উপর বেস করে প্রথমটা দেওয়া হয়েছে প্রশ্নের দুটো চিত্র ছিল একটা হচ্ছে এইটা আর দুই হচ্ছে এইটা। কি বলা ছিল? বলা ছিল যে পশ্চিম থেকে সরি পূর্ব থেকে পশ্চিমে কাগজের সমতলের উপর একটা আনুভূমিক তারে কি হয়েছে ধ্রুবক প্রবাহ প্রবাহিত হচ্ছে অর্থাৎ ইস্ট টু ওয়েস্টে কি হচ্ছে কারেন্ট যাচ্ছে সোজা কথা বলতে এইটুকু ছবির উপর বেস করে তোমাদের বলতে বলা হয়েছে যে বিন্দুতে চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক হবে উত্তর থেকে দক্ষিণ সেটা কোথায় অবস্থান করবে সেটা বলতে বলেছে।

তুমি দেখো এই হচ্ছে আমাদের ম্যাক্সওয়েলের থামরুল। ম্যাক্সওয়েলের থামরুল অনুযায়ী আমরা কি জানি যে আমাদের যে কারেন্ট ক্যারিং কন্ডাক্টর তার যে কারেন্ট যেদিকে প্রবাহিত হবে সেইদিকে আমি আমার আঙ্গুলকে রাখবো ডান হাতের বুড়ো আঙ্গুলকে রাখবো আর বাকি আঙ্গুলগুলোকে আমি ভাজ করব কারল করব। এই যে ভাজ করলে আঙ্গুলগুলো যেদিক থেকে যেদিকে যাবে সেদিকেই দেখাবে ম্যাগনেটিক ফিল্ডের ডাইরেকশন। ঠিক আছে? তো আমরা দেখতে পাচ্ছি ম্যাগনেটিক ফিল্ড তাহলে কোন দিকে ডাইরেক্ট করবে? এদিকে ডাইরেক্ট করবে।

তুমি একটা জিনিস ভালো করে ভাব। জিনিস ভালো করে ভাব। একচুয়ালি কি হয়েছে? ম্যাগনেটিক ফিল্ডগুলো ওইদিক থেকে এসছে। প্রত্যেকটা ওদিক থেকে এসছে। তারের পেছন দিক দিয়ে পাস হয়ে ওদিকে গেছে। এবার এখানে তুমি ক্লিয়ারলি দেখো। ভালো করে এখানে ক্লিয়ারলি দেখো। এটা তোমাদের কিন্তু উত্তর থেকে দক্ষিণে নেই। এটা তো তোমাদের সাউথ বেসিক্যালি তাই না? জাস্ট এ মিনিট।

আমি যদি ম্যাগনেটিক ফিল্ড লাইনস গুলোকে তারের সামনের দিক দিয়ে দেখি। দেখ এই সামনের দিক দিয়ে রেখাগুলো কোন দিক থেকে কোন দিকে গেছে? সাউথ টু নর্থ গেছে না? দেখ রেখাগুলো ওপর দিকে গেছে। সাউথ টু নর্থ গেছে। অর্থাৎ তারের সামনের দিকে কিন্তু ম্যাগনেটিক ফিল্ড লাইন্সের রেখাগুলো সাউথ টু নর্থ যাচ্ছে। কিন্তু পেছন দিকে দেখো তুমি। দেখো পেছন দিকে দেখো তুমি নর্থ টু সাউথ যাচ্ছে। দেখো পেছন দিকে দেখো তুমি নর্থ টু সাউথ যাচ্ছে। আমি যদি এখানে দেখাই তোমাদের একচুি কি হছে ফ্রিল্যান্স রেখাগুলো এরকম পাস আউট হচ্ছে এরকম যাচ্ছে ঘুরছে আরেকটা পাস আউট হচ্ছে এরকম ঘুরছে তাই না এই হ্যান্ডেড রুলস অনুযায়ী দেখো তুমি।

তো দেখো আমরা যখন সামনের দিক দিয়ে দেখছি তখন আমরা কি দেখছি রেখাগুলো সাউথ টু নর্থ যাচ্ছে তাই না নিচ থেকে উপর দিকে যাচ্ছে। এখানে দেখ ডাইরেকশন দেওয়া হয়েছে সাউথ টু নর্থ। কিন্তু যখন আমরা পেছন দিকে দেখছি তখন দেখতে পাচ্ছি ওটা নর্থ টু সাউথ যাচ্ছে অর্থাৎ এটা এইভাবে পাস আউট হচ্ছে অর্থাৎ এইভাবে এসে এইভাবে যাচ্ছে এইভাবে এভাবে যাচ্ছে। তার মানে নর্থ টু সাউথ কোথায় হচ্ছে কোন বিন্দুগুলোতে নর্থ টু সাউথ দেখা যাচ্ছে সরাসরি তারের নিচে। তারের নিচে মানে তারের পেছনে বেসিসার আমাদের কি হবে? এইটা আমাদের কারেক্ট আসার হবে।

আমরা যখন একটা এই যেমন আমি এই স্ক্রিনটাতে এই ব্যাপারটা একেছি ঠিক আছে আমার বোর্ডের এই ব্যাপারটা একেছি আমি ক্লিয়ারলি কি দেখতে পাচ্ছি তারের পেছন দিক দিয়ে মানে তারের নিচ দিয়ে এই লাইনগুলো পাস আউট হচ্ছে ওজন্য এখানে বলা রয়েছে সরাসরি তারের নিচে অর্থাৎ তারের নিচে কোন বিন্দু থাকলে সেখানেই ম্যাগনেটিক ফিল্ড লাইনস গুলো নর্থ সাউথ যাবে। কিন্তু তারের ওপরে অর্থাৎ তারের সামনের দিকে কোন বিন্দু থাকলে সেখানে কিন্তু সাউথ টু নর্থ যাবে। তার দেখো কত মাইনুট প্রশ্ন দিচ্ছে। যদি কেউ না বুঝতে পারো ওয়েট করে যাও। আমি আবার বলব কত মাইনুট প্রশ্ন মানে প্রশ্নের ব্যাপারটা বোঝা। অর্থাৎ তোমাকে রুলস তো জানতেই হবে। তার সাথে সাথে রুলসের প্রত্যেকটা পয়েন্ট খেয়াল রাখতে হবে যে কোথায় কি হচ্ছে না হচ্ছে। ঠিক আছে?

আবার বলছি ভালো করে দেখো। বলছে চিত্রে পূর্ব থেকে পশ্চিমে কাগজের সমতলে একটা আনুভমিক তার আছে এই যে এবং এই তারে দেখা যাচ্ছে পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকেই একটা কারেন্ট ফ্লো হচ্ছে দেখ এখানে টিকটা মারা রয়েছে ইস্ট টু ওয়েস্টে এখানে তোমাদের দিক নির্দেশ করার জন্য এটাও দেওয়া রয়েছে ঠিক আছে এবার বলেছে যে সেই বিন্দুটা তুমি চিহ্নিত করো যে বিন্দুতে চুম্বক ক্ষেত্রের দিক হবে উত্তর থেকে দক্ষিণ।

এবার আমরা যদি কারেন্টের ফ্লোটাকে যদি আমরা বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে রিপ্রেজেন্ট করাই তাহলে আমাদের আঙ্গুলগুলো কোন দিকে মুড়ছে দেখো এইদিকে মুড়ে যাচ্ছে কিন্তু ওটা পেছন দিকে এসে মরছে যখন আমরা সামনের দিক দিয়ে এগুলো যদি আঙ্গুল দেখি একটা আঙ্গুল দুটো আঙ্গুল চারটা আকতে পারতাম আমি আকিনি ক্লামজি হয়ে যাবে তাই ছবিটা তো যদি আমরা দেখতে পাচ্ছি যে এরভাবে ঘুরছে অর্থাৎ সামনের দিক দিয়ে তারের উপর দিয়ে বা সামনের দিক দিয়ে গেলে আমরা দেখতে পাচ্ছি সেটা সাউথ টু নর্থ যাচ্ছে দেখ ডাইরেকশনটা দেখো কিন্তু এটা তো পেছন দিক দিয়ে এসে সামনের দিক দিয়ে আসছে তো যখন পেছন দিক দিয়ে দেখছি তখন দেখতে নর্থ টু সাউথ যাচ্ছে ঠিক আছে নর্থ টু সাউথ যাচ্ছে তার মানে আমরা বলতে পারি তারের পেছন দিক বা তারের নিচ সোজা কথা বলতে তারের পেছন দিক বলতে তারের নিচ। এখানে নিচ। তারের নিচের দিকে দিয়ে গেলে আমরা দেখতে পাচ্ছি সেটা নর্থ টু সাউথ যাচ্ছে। ওখানে তাই বলেছে উত্তর থেকে দক্ষিণে যাবে সেই বিন্দুটার অবস্থান অবশ্যই তারের নিচে হতে হবে। তাদের উপরে কোন বিন্দু এমন থাকবে না যেখানে সেটা সাউথ টু নর্থ যাবে। মানে নর্থ টু সাউথ আসবে। তাহলে নিচেই সেই বিন্দু পাব যদি আমরা এখানে ধর একটা বিন্দু রয়েছে। এই বিন্দুটা দিয়ে সেটা কিভাবে পাস করছে? নর্থ সাউথে পাস করছে। এখানে একটা বিন্দু রয়েছে। এই বিন্দু দিয়ে কিভাবে পাস করছে? নর্থ টু সাউথ পাস করছে। কিন্তু যে আমরা সামনের দিকে চলে আসবে বা উপর দিকে চলে আসবে তখন দেখব যে কোন বিন্দুই দি না কেন সেটা সাউথ টু নর্থ যাবে। নর্থ সাউথ হবে না। দেখ এই একটা বিন্দু। এই একটা বিন্দু। ধরো আমি এখানে বিন্দু আখছি এক্স এটা ওয়াই এটা ধরো পি এটা ধরো কিউ এটা ধরো টি এটা ধরো আর তুমি বলো কোন বিন্দুতে আমরা দেখতে পাচ্ছি নর্থ টু সাউথ যাচ্ছে কারণ প্রশ্নে বলেছে এক্স ওয়াই বিন্দুতে আমরা দেখতে পাচ্ছি নর্থ টু সাউথ যাচ্ছে পি কিউ বিন্দুতে কি দেখতে পাচ্ছি নর্থ টু সাউথ যাচ্ছে না সাউথ টু নর্থ যাচ্ছে টিআর বিন্দুতে কি দেখতে পাচ্ছি সাউথ টু নর্থ যাচ্ছে হ্যাঁ টিআর বিন্দুতে দেখতে পাচ্ছি সাউথ টু নর্থ যাচ্ছে কিন্তু প্রশ্ন বলেছে নর্থ টু সাউথ এক্স ওয়াই এরকম যেকোনো বিন্দু তুমি এখানে নাও অর্থাৎ তারের পেছন দিকে নিতে হবে তারের নিচে নিতে হবে। হয়েছে এবার আশা করি মাথায় ঢুকে গেছে।

চলো এবার ১০ দাগে যাব। সোজা দীর্ঘ কারেন্ট পরিবাহী সলিনয়েডের ভেতরে চুম্বক শক্তি কেমন? একটু আগেই তোমাদের সলিনয়েড আমি আলোচনা করলাম বা আমি ভিডিও তোমাদের করিয়েছি। এর আগে ডেডিকেটেড ভিডিও আছে। আমি তোমাদের বলেছিলাম সেখানে সলিনয়েডের ভেতরে যদি চুম্বক ক্ষেত্রের শক্তি বল সেটা সব পয়েন্টে সমান হয়। একটু আগে বলছিলাম যেমন ইউনিফর্ম হয়। কেন ইউনিফর্ম হয় সেটাও বলেছি। কারণ রেখাগুলো জাস্ট একে অপরের সাথে প্যারালাল হয় এবং ইকুইডিস্ট্যান্ট হয়। ঠিক আছে? এবং সেটা সাউথ টু নর্থ যায়। দেখো একটু আগে তোমাদের বলেছি। এরম করে একে তোমাদের বলেছিলাম। তো কারেক্ট আন্সার আমাদের কি হবে? সব পয়েন্টে সমান হবে বা ইউনিফর্ম হবে। ঠিক আছে? এটা নিয়ে আমি আলোচনা করছি না। যেটা অলরেডি ভিডিও আছে আমার।

চল পরের প্রশ্ন। এটাও তোমাদের আমি করিয়েছি। মনে করে দেখো এসি ডিসি জেনারেটর আলোচনা করেছিলাম। তাতে আমি করিয়েছিলাম। এসি জেনারেটরকে যদি ডিসি জেনারেটর রূপান্তরিত করতে হয় তাহলে কি দরকার হয়? আমি তোমাদের বলেছিলাম সেখানে যে স্লিপ রিংগুলো থাকে আমাদের জানি আমরা দুটো স্লিপ রিং থাকে। এরকম দেখতে দুটো কি থাকে? স্লিপ রিং থাকে। ঠিক আছে? সেই স্লিপ রিংগুলোকে কিসে পরিণত করতে হয়? একটা তোমাদের স্প্লিট রিং এ কনভার্ট করে দিলে হয়ে যায়। ঠিক আছে? সেই স্লিপ রিংটাকে কিসে পরিণত করে দিতে হয়? একটা স্প্লিট রিং এ কনভার্ট করে দিলেই হয়ে যায়। ঠিক আছে? এ স্প্লিট রিং। স্প্লিট রিং এ কনভার্ট করে দিলেই হয়ে যায়। ঠিক আছে? স্প্লিট রিং মানে কি? এই রিং দুটো মাঝখান থেকে ফাঁক থাকে। আমি জয়েন করেইছি হয়তো। কিন্তু মাঝখান থেকে কি থাকে? ফাক থাকে। এটা হচ্ছে তোমাদের স্প্লিট রিং। আর এ দুটো হচ্ছে তোমাদের স্লিপ রিং। ঠিক আছে? স্লিপ রিং। ওকে? এবং এর গায়ে কি থাকে? কার্বন ব্রাশ তোমাদের লেগে থাকে। দুটোর গায়ে কার্বন ব্রাশ কি থাকে? লেগে থাকে। ঠিক আছে? দেখতে চশমাটা ভালো লাগছে। আর এই স্প্লিট রিং এর গায়েও কিন্তু তোমাদের কার্বন ব্রাশ লেগে থাকে। তো তোমরা যদি বল এই ভিডিওটা দেখার দরকার। আমি দেখ এখানে তোমাদের ছবি আসছে ভিডিও। ডেসক্রিপশন বক্সে লিংক আছে। ঠিক আছে? এসি থেকে যদি কোন জেনারেটরকে ডিসিতে রূপান্তরিত করতে হয় তাহলে সেখানে কি ইউজ করতে হয়? স্লিপ রিং এর পরিবর্তে স্প্লিট রিং ইউজ করতে হয়। এবং স্প্লিট রিং কমিউটেটর ইউজ করতে হয়। তো কারেক্ট আন্সার কি হবে আমাদের? স্প্লিট রিং কমিউটেটর ইউজ করতে হয়। বাকি সব দুটোতে সেমই থাকে।

চল পরের প্রশ্ন। পরের প্রশ্ন। আমি একচুয়ালি ফিউজ নিয়ে তোমাদের একটা ভিডিও করে দেব। কারণ ফিউজ নিয়ে বেসিক্যালি এনসিআরটিতে অনেক কিছু আছে। যদিও এখনো তোমাদের প্রশ্ন আসেনি ফিউজ নিয়ে। কিন্তু বলা যায় না। ফোর্থ ফেজে আসতে পারে। ঠিক আছে? ফিউজ নিয়ে আমি তোমাদের প্রশ্ন করে দেব। চিন্তা নিয়ে একটা ভিডিও দিয়ে দেব। ডেডিকেটেড ভিডিও।

তো বলা হচ্ছে যে এখানে শর্ট সার্কিটিং বা ওভারলোডিং কে মানে ওভারলোডিং এর হাত থেকে বাড়িতে যে যন্ত্রপাতি থাকে যেমন টিভি থাকে ফ্রিজ থাকে অন্যান্য যে ইম্পর্টেন্ট এবং দামি জিনিসপত্র থাকে এসি থাকে ঠিক আছে এগুলোকে বাঁচানোর জন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয় সেটা হচ্ছে আনসার তোমাদের হবে ফিউজ। ফিউজ ব্যবহার করা হয়। ঠিক আছে বেসিক্যালি ফিউজ দেখতে এসপার তোমাদের ইলেকট্রিক যে ডায়াগ্রাম হয় সেটা ফিউজ দেখতে তোমাদের এরকম করা হয় নরমালি এরকম দেখতে করা হয় এবং এর মাঝখানে একটা তার এড করা থাকে। এইটা হচ্ছে তোমাদের ফিউজ বেসিক্যালি। ঠিক আছে? এবং এর মা এগুলো তোমাদের মেটাল ক্যাপ থাকে। আর এইটা হচ্ছে তোমাদের কি বলতো? এটা ফিউজ তার। ফিউজ তার কি দিয়ে তৈরি হয়? ফিউজ ওয়ার। ফিউজ তার কি দিয়ে তৈরি হয়? তোমাদের টিন প্লেটেড। ঠিক আছে? টিন প্লেটেড কপার ওয়ার। নট পিওর কপার ওয়ার। পয়েন্ট টুবি নোটেড। শুধু কপার ওয়ার থাকলে কিন্তু হবে না। কারণ কপার ওয়ারের যে মেল্টিং পয়েন্ট সেটা অনেক বেশি হয়। টিন প্লেটেড কপার আয়ডের মেল্টিং পয়েন্ট মানে গলনাঙ্ক অনেক কম হয়। তো ফিউজ অন্যগুলোর থেকে ফিউজের গলনাঙ্ক কম রাখা হয়। কেন রাখা হয়? যাতে ফিউজ খুব তাড়াতাড়ি গলে যেতে পারে। গলে গেলে কি হবে? কানেকশন চলে যাবে। কানেকশন চলে গেলে কি হবে? যে শর্ট সার্কিট বা ওভারলোডিং হয়েছে সেটা আর হবে না। ঠিক আছে? সো ফিউজ তার কিন্তু খুব থিন ব্যবহার করা হয়। কারণ থিন বা পাতলা তারের রেজিস্টেন্স বা রোদ অনেক বেশি হয়। আর টিন প্লেটেড কপার ওয়ার ব্যবহার করা হয়। কারণ এর গলনাঙ্ক অনেক কম হয়। কিন্তু ফিউজের হাজারো একটা ব্যাপার আছে। এরপরেও ফিউজকে সিরিজে লাগানো হয় না, প্যারালাল লাগানো হয়। ফিউজকে লাইভ তারের সঙ্গে যোগ করা হয় না। নিউট্রাল তারের সঙ্গে যোগ করা হয়। কেন করা হয়? কি কারণে করা হয়? ইত্যাদি ইত্যাদি কারণ আছে।