Transcription
আমরা এখন মূল হাদিসটা নিয়ে আলোচনা শুরু করবো, ইনশাআল্লাহ।
সো, হাদিসটাতে আমরা দেখেছি এটা সাত নাম্বার হাদিস ইমাম নববীর 40 হাদিস গ্রন্থের মধ্যে এবং সেখানে আমরা দেখেছি বলা হয়েছে যে দ্বীন বা ধর্ম হচ্ছে নাসিহা। সো, এই হাদিসটি মুসলিম শরীফে বর্ণনা করা হয়েছে। এখান থেকে এটা অথেন্টিক সিটি সম্পর্কে আমাদের কোন ধরনের সন্দেহ থাকে না।
এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম এই যে দ্বীন হচ্ছে নাসিহা, এ কথাটা তিনি তিনবার বলেন এবং তারপরে তিনি বলেন যে এটা কার জন্য? তারা হচ্ছে এই সিনসিয়ারিটি হচ্ছে আল্লাহর জন্য, তার বইয়ের জন্য, তার রাসূলদের জন্য, তার মুসলমানদের যে নেতৃত্ব তাদের জন্য এবং সাধারণ মুসলমানদের জন্য। এই হাদিসটাকে ক্লাসিফাই করা হয়েছে এবং অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে যে এটা হচ্ছে নলেজ বা জ্ঞানের ওয়ান থার্ড। ইমাম আশরাফি এবং এরকম আরো অনেক স্কলার এটাকে দ্বীনের জ্ঞানের ওয়ান থার্ড বলেছেন। কারণ এটা হচ্ছে মুসলমানের সাথে আল্লাহ এবং সমাজের যে সম্পর্কটাকে সেটাকে সুন্দরভাবে স্থাপিত করেছে।
এখানে আমরা দেখি যে নাসিহার পাঁচটা দিক তুলে ধরা হয়েছে এবং সেখানে এসেছে হচ্ছে আল্লাহর প্রতি নাসিহা, আল্লাহর কিতাব অর্থাৎ কোরআনের প্রতি নাসিহা, রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লামের প্রতি নাসিহা এবং লিডারদের প্রতি নাসিহা এবং কমন মুসলিমদের জন্য নাসিহা। এটাকে বলা হয়ে থাকে যে ইসলামিক যে ইথিক বা সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি এটার একটা কম্প্রিহেন্সিভ সামারি যেটা আমাদেরকে দেখায় যে আমাদের জীবনের প্রত্যেকটা দিকেই হচ্ছে সিনসিয়ারিটি অথবা নাসিহার দরকার রয়েছে। আলেমগণ বলেছেন যে হাদিসটা হচ্ছে কম্প্রিহেন্সিভ এবং এটা হচ্ছে আমাদের হোল রিলিজিয়ন বা দ্বীনকে আনকম্পাস করে। যেমনভাবে হাদিস অফ জিব্রীল হচ্ছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবং কোন কোন স্কলার বলেছেন যে আমরা যদি ইসলামের সব রুলিংসও হারিয়ে ফেলি। শুধু এই হাদিসটাই আমরা মনে রাখি তাহলে এটাই হচ্ছে পুরা ইসলামের এক চতুর্থাংশের দায়িত্ব পালন করে। কারণ এখান থেকেই হচ্ছে অনেক ধরনের রুলিংস ডেরাইভ করা যায়।
তো, এই হাদিসটার প্রথম যে অংশ সেখানে বলা হয়েছে আদ্দিনুন নাসিহা। আদন শব্দটা বলা হয়েছে। আদ্দিন শব্দের অর্থ আমরা বলে থাকি ধর্ম, রিলিজিয়ন। আসলে এর অর্থ হচ্ছে জীবন পদ্ধতি, ওয়ে অফ লাইফ এবং এর আরেকটি অর্থ হচ্ছে যে আনুগত্য অথবা আল্লাহর নিকট নিজেকে সমর্পণ করে দেওয়া। এ সমস্ত কিছুই হচ্ছে দ্বীনের অংশ। সো, এখান থেকে আমরা দেখি যে একটা দ্বীন বা আমাদের জীবনের কম্প্রিহেন্সিভ একটা স্ট্রাকচার যদি আমরা চিন্তা করি আমাদের ঈমান, আমাদের আমল এবং সাথে সাথে আমাদের মোরাল কন্ডাক্ট নৈতিক চরিত্রের কথা যদি চিন্তা করি এই সমস্ত কিছুই হচ্ছে এই দ্বীনের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। এখানে নাসিহা হচ্ছে কোর এসেন্স অফ দন যে দ্বীনের ফাউন্ডেশন হিসেবে নাসিহাকে বলা হচ্ছে ফান্ডামেন্টাল পিলার হিসেবে বলা হচ্ছে। তার মানে মানে হচ্ছে নাসিহা ছাড়া আমাদের পুরা ধর্মটা অথবা আমাদের জীবন পদ্ধতি যেটা সেটা হচ্ছে অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। এবং এখানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম এই নাসিহা শব্দটা বলার মাধ্যমে যে দ্বীনকে ইনক্লুড করেছেন সেখানে ইসলাম, ঈমান এবং ইহসান সমস্ত কিছুই চলে আসে।
আমরা দেখি যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম তার খুব সংক্ষিপ্ত কথার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ কথা তুলে ধরেন। যেমন অন্য হাদিসে বলা হয়েছে যে হজ হচ্ছে আরাফা। অর্থাৎ অন্যান্য হুকুম আহকাম অবশ্যই হজে পালন করতে হবে। কিন্তু মেইন এসেন্স বলতে যেটা বুঝানো হয়ে থাকে সেটা হচ্ছে আরাফা। আরাফার দিনটাই হচ্ছে মূল টার্গেট হজের জন্য। এরকমভাবে আমরা দেখি যে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এখানে বলছেন যে ধর্ম হচ্ছে নাসিহা। অর্থাৎ আমাদের এই ধর্ম পালন করার জন্য মূল যে জিনিসটার প্রতি আমরা খেয়াল করবো, টার্গেট করবো যেটাকে ফুলফিল করার জন্য চেষ্টা করব সেটা হচ্ছে নাসিহা।
সো, নাসিহা শব্দটার অর্থ কি? নাসিহা শব্দের সাধারণ অর্থ আমরা উপদেশ বলে থাকি। কিন্তু নাসিহার যদি আমরা লিঙ্গুইস্টিক অর্থের দিকে তাকাই তাহলে এই কথাটা এই হাদিসটা দিয়ে কি বোঝানো হয়েছে? সেটা বোঝা আমাদের জন্য অনেক বেশি সহজ হয়ে যায়। সো, নাসিহা শব্দের একটা অর্থ হচ্ছে টু পিউরিফাই। পরিশুদ্ধ করা, পরিষ্কার করা, কোন জিনিসের মধ্য থেকে যে অনাকাঙ্ক্ষিত জিনিসগুলো রয়েছে সেই জিনিসগুলোকে সরিয়ে দিয়ে সেটাকে ইমপ্রুভ করা। এটাকে হচ্ছে নাসিহা বলা হয়ে থাকে। নাসিহা শব্দের আরেকটা অর্থ হচ্ছে যখন কোন জিনিস ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে সেগুলোকে একত্র করা। আবার নাসিহা শব্দের অর্থ হচ্ছে সেলাই করা। যেমন কোন একটা কাপড় ছিড়ে গেল, টুটে গেল সে কারণে হচ্ছে জিনিসটা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল তখন সেই কাপড়টাকে সেলাই করে যে একটার সাথে আরেকটাকে আবার কানেক্টেড করা হচ্ছে এটাকেও নাসিহা বলা হচ্ছে।
তাহলে এখানে আমরা নাসিহা দিয়ে দেখতে পাচ্ছি যে এটা এমন একটা অ্যাকশন যেটার মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে পিউরিফাই পরিশুদ্ধ করি। যেটার মাধ্যমে আমার মধ্য থেকে অপছন্দনীয় যে জিনিসগুলো রয়েছে সেগুলোকে দূর করে আমি আমাকে আমার উন্নততর সংস্করণে পরিণত করি। নাসিহা হচ্ছে সেই জিনিস যে জিনিসটা হচ্ছে দ্বীনের প্রত্যেকটা জিনিস যেগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে সেগুলোকে কানেক্টেড করে দিনকে পরিপূর্ণ করে এবং এই নাসিহা হচ্ছে এমন একটা জিনিস যে আমরা এই নাসিহার মাধ্যমে এই উপদেশের মাধ্যমে আমরা কি করি? আমাদের সমস্যাগুলো সমাধান করার জন্য চেষ্টা করি এবং সমস্যা সমাধান করার মাধ্যমে আমরা একে অপরকে নিজেদের কাছাকাছি নিয়ে আসি।
এ ব্যাপারে আমরা দেখি যে একজন বিখ্যাত আলেম রাগুব আল ইসফাহানী তিনি বলেছেন যে শরিয়া যে ডেফিনেশন দিয়েছে নাসিয়ার সেটা হচ্ছে যে নাসিয়া হচ্ছে এমন একটা কাজের সন্ধান করা অথবা এমন এক কথা বলা যেটার মধ্যে হচ্ছে শুধু ভালো রয়েছে এবং যেটা হচ্ছে অন্যের ভালোর জন্য অন্যকে উন্নত করার জন্য বলা হয়ে থাকে। সো, এটা হতে পারে একটা কাজ। এটা হতে পারে একটা কথা। কিন্তু এর পেছনে ইনটেনশন কি? ইনটেনশন হচ্ছে শুধুই ভালো চাওয়া এবং অন্যকে ভালো করার উদ্দেশ্যেই হচ্ছে এই কথা বা কাজ করা।
তাহলে এখান থেকে আমরা দেখি আরেকজন স্কলার ইবনে আল আসির তিনি বলেছেন যে নাসিয়া একটা শব্দ। যেটা আসলে একটা বাক্যকে বর্ণনা করে। মানে একটা শব্দের মধ্য দিয়ে পুরা একটা বাক্যের কথা চলে আসে। ইভেন একটা বাক্য দিয়েও আসলে এটা পুরাটা এত কম্প্রিহেন্সিভ এটা যে পুরা এটা বুঝানো যায় না। তো এর অর্থ হচ্ছে যে যাকে আমি এই নাসিহা দিচ্ছি যার উদ্দেশ্যে কথা বা কাজ করছি সেটার উদ্দেশ্য একটাই সেটা হচ্ছে আমি তার ভালো চাই। সো, একটা শব্দ দিয়ে এটাকে আসলে ব্যাখ্যা করা যায় না।
ইবনুল আল খাত্তাবী এবং ইবনে হাজর আল খাত্তাবি এবং ইবনে হাজর তারা বলেছেন যে এরাবিক ল্যাঙ্গুয়েজে এমন কোন শব্দ নাই যেটা হচ্ছে নাসিহার মত কম্প্রিহেন্সিভ। এই ওয়ার্ডটা আমরা আসলে আমাদের নিজেদের ভাষায় বর্ণনা করাটা খুবই কঠিন। এটাকে আমরা ডিফারেন্ট এঙ্গেল থেকে চিন্তা করে এটাকে এটার যে মিনিং সেটাকে বুঝতে হবে। কারণ আমরা যদি ট্রান্সলেট করি তাহলে একটা অর্থ হচ্ছে সিনসিয়ারিটি অথবা হচ্ছে একান্তভাবে কোন কিছু চাওয়া সেটাকে আমরা এখানে বলতে পারি।
তো, এখানে মেইনলি আমরা নাসিহা বলতে যে জিনিসটা বুঝি সেটা হচ্ছে যে কারো জন্য ভালো কিছু চাওয়া সিনসিয়ার হার্ট দিয়ে আন্তরিক অন্তর নিয়ে অন্তরের বিশুদ্ধতা নিয়ে যেটা হচ্ছে এই যে আমার চাওয়াটা সেটা হচ্ছে কোন ধরনের ডিফেক্ট থেকে মুক্ত এবং পার্টিকুলার যার জন্য আমি এটা চাচ্ছি আমি শুধু তার ভালোর জন্যই এটা করছি সেখানে কোন ধরনের ইল ফিলিং সেখানে কোন ধরনের খারাপ অনুভূতি খারাপ কোন কিছু চাওয়া থাকতে পারে না। আমি যখন কাউকে নাসিহা দিব আমি আন্তরিকভাবে এটা আমি বিশ্বাস করব এটাই হচ্ছে এই মানুষটার জন্য বেস্ট আমার ইনটেনশন এবং অ্যাকশনের দিক থেকে। সো, একদিকে আমার ইনটেনশনকে আমার নিয়তকে আমার পরিশুদ্ধ করতে হবে যে আমার আর অন্য কোন উদ্দেশ্য নাই তাকে এই কথাটা বলার পিছনে এবং আমার একশন আমার যে এক্সপ্রেশন আমি যেভাবে বলছি যেইভাবে এই জিনিসটাকে প্রকাশ করছি সেটাও হতে হবে একমাত্র ভালো চাওয়ার উদ্দেশ্যে।
সো, রাস নবী রাসূলদের একটা বিরাট গুণ যেটা ছিল তারা ছিল তাদের এই নাসিহার গুণে তারা পরিপূর্ণ ছিলেন। তাদের অন্তরে পরিশুদ্ধতা ছিল এবং মানুষের ভালোর জন্যই তারা এই উপদেশগুলো দিতেন। সো, এখানে আমরা দেখি যে আমরা উপদেশ বলি, সিনসিয়ারিটি বলি, ইখলাস বলি, যাই বলি না কেন মূল কথা হচ্ছে ওয়েল উইশিং। অন্যের ভালো চাওয়া এবং সেটা অন্তর পরিশুদ্ধ করে এবং আমার নিজের অন্তরকে আমি পরিশুদ্ধ করব। অন্যের যেই দুর্বলতাগুলো রয়েছে সেটাকে দূর করার জন্য।
সো, যেকোন ধরনের এই নাসিহা শব্দটা দিয়ে বুঝানো হয় যে পিউরিটি বিশুদ্ধতা। যেমন হচ্ছে আমরা বলি পিওর হানি। যেই হানিটার মধ্যে হচ্ছে কোন ধরনের অথবা পিওর গোল্ড। যেটার মধ্যে কোন ধরনের খাত থাকে না, কোন ধরনের ভেজাল থাকে না সেরকম পিওর বুঝানোর জন্য এই নাসিয়া শব্দটা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ইন্টেনশনালি নাসিহা যখন আমরা বলে থাকি এটা অফার করতে হবে আমাকে উইথ লাভ যে ভালোবাসা মিশ্রিত থাকবে সেটার সাথে বিনয় থাকবে সেটার মধ্যে আন্তরিকতা থাকবে সেটার মধ্যে কোন ধরনের ইগো থাকবে না নিজেকে বড় প্রমাণ করার কোন চিন্তা থাকবে না অন্যকে হেও করার কোন চিন্তা আমার মধ্যে থাকবে না এটা হবে প্রাইভেট এবং জেন্টল। সো, এটা আমরা অন্যের সামনে যে অন্যকে আমি বুঝাতে চাচ্ছি যে আমি তার ভালো চাচ্ছি কিন্তু বিহাইন্ড দা সিন আসলে আসলে আমি অন্যের সামনে তাকে হেও করতে চাচ্ছি। সে কারণে আমি যে কথাগুলো বলি সেটা নাসিহার মধ্যে পড়বে না। সো, নাসিহা বলতেই বুঝানো হয় প্রাইভেটলি এবং জেন্টলি অন্যের সম্মান যাতে কোনভাবে ক্ষুন্ন না হয় সেই জিনিসটাকে খেয়াল করে আমাদেরকে চিন্তা করতে হবে।
সো, এখান থেকে আমরা দেখি যে এই নাসিহাটা হচ্ছে সিনসিয়ারলি এখলাসের সাথে করতে হবে। অর্থাৎ শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এবং আল্লাহ জানেন আমার হৃদয়ের গভীরতম পর্যায়ে কি রয়েছে সেখানে আল্লাহর কাছে আমি নিজেকে পুরোপুরি সারেন্ডার করে আল্লাহর কাছে আমি এই ব্যাপারে যাতে আমি নিশ্চিত থাকতে পারি যে আমার মনে আর অন্য কোন উদ্দেশ্য নেই এবং এর পিছনে আরেকটা কন্ডিশন থাকতে হবে যে আমি যেই জিনিসটার ব্যাপারে পরামর্শ দিচ্ছি যে জিনিসটার ব্যাপারে কথা বলছি সেই ব্যাপারটায় আমার নলেজ রয়েছে জ্ঞান রয়েছে সুস্পষ্ট সঠিক জ্ঞানের ভিত্তিতেই আমি এটা করছি এবং থার্ড যে জিনিসটা এখানে লাগবে সেটা হচ্ছে কাইন্ডনেস যে আমি খুব মানে জেন্টলনেসের সাথে রাহমার সাথে আন্তরিকতার সাথে কথাগুলো বলবো কাজটা করব এবং প্রাইভেসি। সো, এই চারটা জিনিস আমার মাথার মধ্যে থাকতে হবে যে আমি অন্যের ফল্টকে পাবলিকলি প্রচার করার জন্য এই কাজটা করছি না। সো, নাসিয়া শুধু কাউকে কে কোন কিছু করতে বলা না যে তারা কোন ভুল করছে সেটা সংশোধন করতে বলা না বরং এটা হচ্ছে সিনসিয়ার ওয়েল উইশিং যে আমি তাদেরকে ভালো করার জন্য যেটা আমি করে থাকি। সো, যেকোন ধরনের ভালো কিছু করা এবং যেকোন ভালো চিন্তার থেকে এই নাসিহার উদ্ভব বা উৎপত্তি ঘটে থাকে।
এবং এই নাসিহার ব্যাপারে এখানে কি বলা হয়েছে? সাহাবাগণ দেখেন কত সুস্পষ্টভাবে তারা কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করেন নাসিহা কি? কারণ তারা এই কথাটা উপলব্ধি করতে পারতেন, তারা জানতেন যে এটা দিয়ে কি বুঝানো হচ্ছে। তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে যে ঠিক আছে, আমরা এটা কিভাবে এপ্লাই করব? কার জন্য এই নাসিহা আমি দিব? তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন যে এটা পাঁচটা দিক রয়েছে। এই পাঁচটা দিকে আমাদেরকে খেয়াল করতে হবে। একদিকে আমরা সাহাবাদের যে ইগারনেসটা আন্তরিক আগ্রহ দেখি যে জ্ঞান অর্জনের জন্য এবং সেটাকে কাজে ব্যবহার করার জন্য। সে তার সাথে সাথে সাথে আমরা দেখি যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম সুস্পষ্টভাবে আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন যে এই নাসিয়া হচ্ছে আল্লাহর জন্য, তার যে বুক কোরআন সেটার জন্য, তার যে মেসেঞ্জার মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের জন্য, মুসলমানদের পরবর্তী লিডারদের জন্য এবং মুসলমানদের জন্য।
সো, এখানে এই নাসিহা তখনই হচ্ছে আমাদের ফুলফিল হবে, কমপ্লিট হবে যখন আমরা এই পাঁচটা জিনিসের সাথে আমাদের সম্পর্ককে মজবুত করব এবং এই সম্পর্ক মজবুত করার পিছনে আমাদের উদ্দেশ্য এবং আকাঙ্ক্ষা একটাই হবে যে আমরা এর ভালো চাই।