📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Surah Ya Sin || Part 4: Ayah 2 || Be Amazed with Quran ||

Straight Path16:14

Transcription

সূরা ইয়াসিনের দুই নাম্বার আয়াত। আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম। ওয়াল কুরআনিল হাকিম। প্রজ্ঞাময় কোরআনের কসম।

প্রথম আয়াতে আমরা দেখেছি আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সূরাটি শুরু করেছেন দুইটি অক্ষর দিয়ে, ইয়ে এবং সিন। এরপরে আল্লাহ সুবহানাতালা যেই জিনিসটা আমাদের সামনে তুলে ধরছেন সেটা হচ্ছে ওয়াল কোরআনিল হাকিম। সো, প্রথম পার্ট যেটা সেখানে হচ্ছে ওয়া দিয়ে শুরু করা হয়েছে। এটাকে বলা হয় শপথের ওয়াও। ওয়া আল কসম। এখানে এরাবিকে এটা হচ্ছে একটা ইউনিক ফর্ম। যেখানে হচ্ছে শপথ করা হয়। এবং এই শপথটা দিয়ে বুঝা যায় যে এ শপথ করে যে জিনিসটার কথা বলা হয় সেই জিনিসটা গুরুত্ব বুঝানোর জন্য এই শপথটা করা হয়ে থাকে। এবং এর মাধ্যমে যেন আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আমাদেরকে বলছেন, এটেনশন দাও, মনোযোগ দাও। তারপরে যে জিনিসটা আসছে সেটা তোমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সো, এখানে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা শপথ করেন জিনিসের। এবং এ শপথ করার মাধ্যমে আরেকটা জিনিস আমরা যেটা দেখি সেটা হচ্ছে যে এই শপথের মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানা তাআলা আমাদের পরবর্তী যে কথাটা বলছেন সেটাকে একটা সাক্ষী হিসেবে আমাদের সামনে উপস্থাপন করছেন। এবং তখন সেই যে জিনিসের শপথ করা হয় আসলে সে জিনিসটা হচ্ছে যে জিনিসটা আসলে গুরুত্ব বেশি, সে জিনিসটার মূল্য বেশি এবং সেই জিনিসটার আলাদা একটা ভাবমূর্তি রয়েছে সেটা বুঝানোর জন্য। তো, এরাব কালচারে আমরা দেখি যে যখন কারো মনোযোগকে কেন্দ্রীভূত করতে চায় তখন সে জিনিসটাকে শপথ করা হয়ে থাকে এবং এর মাধ্যমে এটা যে ইম্পর্টেন্ট, এটার যে আর্জেন্সি সেটা বুঝানো হয়ে থাকে।

যেমন কোরআনে আমরা দেখি আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বিভিন্ন জিনিসের শপথ করেছেন এবং শপথ করার পরে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা পরবর্তীতে যে কথাগুলো বলেছেন সেই কথাগুলো হচ্ছে আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যেমন সূরা আল আসর আমরা সবাই এটার সাথে পরিচিত। আসর সময় শপথ করা হয়েছে এবং এখানে সময়কে হচ্ছে আমাদের জন্য সাক্ষী করা হয়েছে যে সময় হচ্ছে সাক্ষ্য দিচ্ছে যে মানুষ হচ্ছে ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত রয়েছে। অর্থাৎ, এই যে সময়টা এ সময়টা হচ্ছে আমাদের জন্য একটা প্রুফ, আমাদের জন্য একটা এভিডেন্স যে মানবজাতি হচ্ছে ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত। এখানে আমরা দেখি যে এই সূরা আসরের সময় শপথ করে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন যে আমাদের সবচেয়ে বড় যে লস বা ক্ষতি হচ্ছে সেটা হচ্ছে সময়ের লস এবং এর মাধ্যমেই হচ্ছে মানবজাতি সাফার করছে এবং এখান থেকে তাদের মুক্তি নাই যদি না তারা পরবর্তী চারটি কাজের কথা বলা হয়েছে।

তো, এখানে আমরা দেখি আল্লাহ সুবহানা তাআলা শপথ করছেন কোন জিনিসের। আল্লাহ শপথ করছেন কোরআনেল হাকিম যে কোরআন হচ্ছে ফুল অফ উইজডম। এবং এখানে তারপরে আমরা দেখি পরের আয়াতে বলছেন, ইন্নাকালা মিনাল মুরসালিন যে নিশ্চিতভাবে আপনি হচ্ছেন রাসূলগণের মধ্য থেকে একজন। তো, এখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা শপথের বিষয়টা এখানে তুলে ধরা হয়েছে এমনভাবে যে কোরআন আমাদের জন্য সাক্ষ্য হচ্ছে। কোরআন আমাদের জন্য প্রমাণ হিসেবে চলে এসেছে যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হচ্ছেন মেসেঞ্জারদের মধ্য থেকে বা রাসূলগণের মধ্য থেকে একজন। কোরআন সাক্ষ্য হচ্ছে কেয়ামতের দিন এই কোরআনই আমাদের সামনে সাক্ষী দিবে যে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম হচ্ছেন একজন রাসূল এবং সেখানেই সেখান থেকেই সেটার প্রমাণ চলে আসবে।

সো, এভাবে আমরা দেখি যে ওয়া দিয়ে শুরু করার মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা পরবর্তী যে কথাগুলো বলছেন সেগুলোর গুরুত্ব আমাদের সামনে তুলে ধরছেন যেন আমরা মনোযোগ দিই ওই কথাগুলোকে শোনার জন্য। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে শপথ করছেন যেই জিনিসের, কোরআনের শপথ। সো, এখানে আমরা দেখি যে কোরআন শব্দটা নিজেই হচ্ছে এটার অর্থটাকে বুঝিয়ে দেয়। যেমন কোরআন শব্দটা এসেছে কফ, র, হামজা এই তিনটা রুট লেটার থেকে। এর অর্থ হচ্ছে কোন কিছু পড়া। এবং যখন এই করা শব্দের শেষে হচ্ছে আলিফ এবং নুন যুক্ত হচ্ছে তখন এটা বুঝায় হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে। যেমন আমরা আল্লাহর নাম জানি আর রাহমান, রাহমা হচ্ছে দয়ামারসি বুঝানো হয়ে থাকে। কিন্তু যখন রাহমান বলছি তখন সেটার অর্থ হচ্ছে শেষে আলিফ এবং নুন যুক্ত হওয়ার কারণে বুঝানো যা বুঝানো হচ্ছে যে প্রচুর পরিমাণে রহমত সেখানে বুঝানো হচ্ছে।

এখানেও আমরা দেখি যখন কোরআন শব্দটা বলা হয়েছে যদিও আমরা কোরআন নামেই এটাকে বুঝি। কিন্তু এই শব্দটারও হচ্ছে বিশেষ একটা অর্থ রয়েছে। এর অর্থ হচ্ছে যেটা প্রচুর পরিমাণে বেশি পরিমাণে পড়া হয়ে থাকে। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা হচ্ছে এই সূরাটা শুরুই করেছেন কোরআনের শপথ করে করে এবং আমরা দেখি যে এর মধ্যে এই যে সূরাটার কথা বলা হচ্ছে। সূরা ইয়াসিন নিজেই হচ্ছে অধিক পাঠিত একটি সূরা। যে আমরা সূরা ইয়াসিন প্রতিনিয়ত পড়ে থাকি। অনেকেই হচ্ছে এটা রেগুলার প্র্যাকটিসের মধ্যে নিয়ে আসছে। কোরআন যেমন অধিক অধিক পঠিত একটি বিষয়ের নাম বলা হয়েছে তেমনিভাবে সূরা ইয়াসিনও হচ্ছে অধিক পরিমাণে পড়া হয়ে থাকে।

পারা শব্দের অর্থ হচ্ছে পড়া। আর কোরআন শব্দের অর্থ হচ্ছে যেটা অধিক পরিমাণে পড়ানো হয়ে থাকে। কারানা শব্দটা থেকেও এই কোরআনের উৎপত্তি হতে পারে। কফর আনুন। কারানা শব্দের অর্থ হচ্ছে কোন জিনিসকে একত্রিত করা, কালেক্ট করা, সংগ্রহ করা। এবং এখান এখান থেকে আমরা দেখি যে কোরআন হচ্ছে সবচেয়ে বেশি পাঠ করা হয়ে থাকে এবং কোরআন কিন্তু কালেক্ট করা হয়েছে। কোরআন একবারে নাযিল হয় নাই। কোরআন অল্প অল্প করে নাযিল হয়েছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম এর উপরে। তারপর হচ্ছে এটাকে একত্রিত করা হয়েছে। একসাথে করা হয়েছে। সো, কারানা শব্দ দিয়ে সেটাও বুঝানো হয়ে থাকে।

কারানা শব্দের আরেকটা অর্থ হচ্ছে যে সব সময়ের সঙ্গী। কনস্ট্যান্ট কম্পিয়ন বুঝানোর জন্য কারানা শব্দটা বলা হয়ে থাকে। সো, কোরআন হতে হবে আমাদের সব সময়ের সঙ্গী। কোরআনকে আমাদের সাথে এমনভাবে অতপ্রতভাবে জড়িয়ে নিতে হবে যে কোরআনের সাথে আমরা যেন মিশে যেতে পারি। কোরআন আসার উদ্দেশ্য হচ্ছে সেটা যে কোরআনকে আমরা এমনভাবে গ্রহণ করব আমাদের জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে আমরা যেন কোরআনের নির্দেশ মেনে চলতে পারি।

সো, কোরআনের যেই ডেফিনেশন বলা হয়েছে যে এর প্রত্যেকটা অংশ এখানে গুরুত্বপূর্ণ। যেই অংশটা যেই ডেফিনেশন অনুযায়ী কোরআন কি সেটা আমরা বুঝতে পারি। কোরআন হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার সেই আশ্চর্যজনক কথা যেগুলো হচ্ছে নবী রাসূল নবী রাসূলদের মধ্যে যিনি হচ্ছেন সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম এর উপরে এটা নাযিল হয়েছে। তো, এটা হচ্ছে আল্লাহর স্পিচ। এখানে আর কারো কোন স্পিচ নাই। কারো কোন কথা এটার মধ্যে আসতে পারবে না। এটা নাযিল হয়েছে হচ্ছে শেষ নবী রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম এর উপরে এবং সেটা এসেছে হচ্ছে বিশ্বাসে জিব্রাইল আলাইহিস সালামের মাধ্যমে। সো, কোরআন সরাসরি হচ্ছে জিব্রাইল আলাইহিস সালামের মাধ্যমে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসেছে এবং এটা হচ্ছে ম্যানুস্ক্রিপ্ট লিখা আছে। এটা একটা মূল গ্রন্থ রয়েছে যেটা হচ্ছে লাওহে মাহফুজে সংরক্ষিত করা আছে এবং আমাদের কাছে যে কোরআন এসে পৌঁছেছে সরাসরি আল্লাহ থেকে জিব্রাইল আলাইহিস সালামের মাধ্যমে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের কাছে এর মধ্যে আর কোন কিছু আসতে পারে না। আর কোন কিছু এর এই যে চেঞ্জ নারেশনের যে চেইন সেটার মধ্যে আর কেউ ইনভল্ভড না।

এবং যখন কোরআন পড়া হয় সে কোরআনটা হচ্ছে একটা ইবাদতের অংশ। আর কোন বই আমরা দেখি না যে এই বইটা পড়া হচ্ছে ইবাদতের অংশ বা এই বইটা পড়লে হচ্ছে রিওয়ার্ড পাওয়া যায়। কিন্তু কোরআনের প্রতি হরফে হরফে হচ্ছে আমাদের জন্য পরিষ্কার রয়েছে এবং ইবাদত হিসেবে এটাকে পড়া হয়ে থাকে। এটা সূরা আল ফাতিহা দিয়ে শুরু হয় এবং সূরা আন নাস দিয়ে শুরু হয়। তো, এই প্রত্যেকটা পয়েন্ট হচ্ছে কোরআনকে বুঝার জন্য ইম্পর্টেন্ট এবং সেই কোরআনের শপথ আল্লাহ সুবহানা তাআলা করেছেন এবং কোরআনের শপথ করতে যেয়ে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা কোরআনের একটা বিশেষণ এখানে যোগ করেছেন। সে কোরআনটা কি? কোরআনটা হচ্ছে আল হাকিম। সুবহানাল্লাহ।

আমরা যদি এখন কোরআনের গুরুত্ব আমরা সবাই জানি। একজন মুসলমান হিসেবে যে কোরআন আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু কেন কোরআন গুরুত্বপূর্ণ সেটা বুঝতে হলে এই বিশেষণটা আমাদেরকে বুঝতে হবে। আল্লাহ কোরআনকে বিশেষিত করেছেন আল হাকিম বলে। আল হাকিম শব্দটার অর্থ একটা অর্থ হচ্ছে ওয়াইজ। এখানে হচ্ছে বুদ্ধিমান। এর মধ্যে প্রজ্ঞা রয়েছে। এর মধ্যে হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা প্রচুর পরিমাণে হচ্ছে হিকমা দিয়ে দিয়েছেন। হিকমা শব্দটার অর্থ হচ্ছে উইজডম অথবা প্রজ্ঞা। এই যে আল্লাহ সুবহানাতালা কোরআন আমাদের কাছে দিয়েছেন এই কোরআন হচ্ছে ফুল অফ উইজডম। এবং এটা হচ্ছে আমাদের জন্য সে কারণে মিরাকুলাস। এটা হচ্ছে আশ্চর্যজনক। আমাদের জন্য এখানে সাইন্সের কথা বলা আছে। এখানে বিভিন্ন নবীদের কথা বলা হয়েছে। ভবিষ্যৎবাণী করা হয়েছে এবং এটা এমন ভাষায় আমাদের কাছে আছে এবং এমন ভাষায় কোরআনকে নাযিল করা হয়েছে যে সেটাও হচ্ছে অবিস্মরণীয় যে এর মত করে আর কোন ল্যাঙ্গুয়েজ বা এমনভাবে বর্ণনা করার মত আর কোন বই এ পৃথিবীতে নেই।

সো, এখানে আমরা দেখি যে এর যেই প্রজ্ঞা সে প্রজ্ঞাটা হচ্ছে গভীর এবং প্রচুর পরিমাণে আমরা এর মধ্যে সেই ধরনের বুদ্ধি এবং প্রজ্ঞার জিনিস পাই। ওয়াইজ যেসব বর্ণনা আল্লাহ সুবহানাতায় কাছ থেকে এসেছে সেটা আমরা জানি। এখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তার সেই উইজডম দিয়ে আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন যে কিভাবে আমাদের জীবন পরিচালনা করতে হবে। কিভাবে কাজ করলে আমরা একটা সফল জীবন ধারণ করতে পারবো। সফলতার দিকে যেতে পারবো। আমাদের জীবনের অর্থ কি? এই কোরআনের মধ্যে আমরা দেখি যে আমাদের যত সমস্যা রয়েছে সমস্ত সমস্যার কিউর বা সমাধান আল্লাহ সুবহানাতায়ালা দিয়ে দিয়েছেন।

সো, এই উইজডম হচ্ছে সো ডিপ যে যত আমরা হচ্ছে এটা হচ্ছে সাগর বুক সাগরের বুক থেকে যে সাগরের ডুব দিয়ে যেমন মুক্ত খুঁজা হয় এখানে হচ্ছে সেই উইজডম এর মুক্ত এখানে হচ্ছে ছড়িয়ে রয়েছে। যত আমরা এই কোরআনের মধ্যে অবগাহন করতে পারব তত বেশি মুক্ত এখান থেকে বের করে নিয়ে আসতে পারব। তাহলে এখানে একটা অর্থ আমরা দেখছি হাকিম শব্দের যে এটাতে হচ্ছে টাইমলেস এবং পারফেক্ট উইজডম রয়েছে। এখানে হচ্ছে মানবজাতির যত সমস্যা রয়েছে সমস্ত কিছু সমাধান দেওয়া আছে। স্পিরিচুয়াল গাইডেন্স দেওয়া আছে এবং প্রত্যেকটা জিনিসের সঠিক অবস্থান বুঝার জন্য যে ট্রু আন্ডারস্ট্যান্ডিং দরকার সেই আন্ডারস্ট্যান্ডিং এর রিফ্লেকশন হচ্ছে এই কোরআন এবং এই কোরআন হচ্ছে আল হাকিম। কারণ হচ্ছে এটা রিফ্লেক্ট করছে আল্লাহ সুবহানা তাআলার একটা গুনা গুণ আল হাকিম বা সবচেয়ে বেশি ওয়াইজ যিনি সেটাকে সেই ওয়াইজ সত্তার রিফ্লেকশন হচ্ছে আল কোরআন সেজন্য কোরআনকে আল হাকিম বলা হয়েছে।

এই হাকিম শব্দের আরেকটা অর্থ হতে পারে যেটা হুকুম থেকে আসে। হুকুম শব্দের অর্থ হচ্ছে অথরিটি। যে যার হচ্ছে যিনি হচ্ছেন বিভিন্ন ধরনের বিচারকার্য সমাধান করে থাকেন তার ক্ষমতা রয়েছে এবং যার হচ্ছে শক্তি রয়েছে সেই ক্ষমতাকে শো করার মত। সো, এই কোরআন আমাদের জন্য হচ্ছে এরকম অথরিটি নিয়ে আসছে যেখানে হচ্ছে ডিসিশন দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের ইনফরমেশন আমাদেরকে দেওয়া হচ্ছে এবং এর মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আমাদেরকে সাহায্য করছেন যে কিভাবে হচ্ছে আমরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান বের করে নিয়ে আসতে পারি। সো, কোরআনের এটা হচ্ছে এক ধরনের অথরিটিভ ফর্ম যে কোরআন নিজেই হচ্ছে সে ধরনের অথরিটি নিয়ে এসেছে আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছ থেকে।

সো, এখানে আমরা এই হাকিম বা হুকুম শব্দটা থেকে এই অর্থটা বুঝতে পারি যে এই বইটাতে হচ্ছে এমন একটা বই যে বই হচ্ছে ফুল অফ ল এবং ডিসিশন মেকিং ক্যাপাসিটি রয়েছে এবং এর মাধ্যমে রাইট এবং রং এর মধ্যে সত্য এবং মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য করতে পারি আমরা। সো, এর এই বইটার মধ্যে আমরা দেখি যে ক্লিয়ার মূলনীতিগুলো লিখা আছে। একজন মুমিনের জন্য কোন ধরনের নিয়ম ফলো করতে হবে পার্সোনাল লাইফে, সোশ্যাল লাইফে এনিওয়ার আমরা চিন্তা করতে পারি সব জায়গায় সেই নিয়মগুলো হচ্ছে এই কোরআনের মধ্যে দেওয়া আছে। সেজন্য কোরআনের আরেকটা নাম হচ্ছে আল হাকিম যে এর মাধ্যমে কোরআন অথরিটি শো করছে আমাদের মধ্যে। সো, এটা আমাদেরকে বলছে আমাদের কি করা উচিত। সো, এটা হচ্ছে আরেকটা অর্থ।

কোরআনে হাকিমের আরেকটা সোর্স হতে পারে সেটা হচ্ছে মোহকাম। মোহকাম শব্দটা থেকে এই হাকিম শব্দটা আসতে পারে এবং সেই মোহকাম শব্দের অর্থ হচ্ছে পারফেকশন। যে এটা এত বেশি অর্গানাইজ যেটা আমরা চিন্তাই করতে পারি না। একদম পারফেক্টলি অর্গানাইজড ওয়েতে কোরআনটাকে আমাদের সামনে দেওয়া হয়েছে। আমরা জানি যে কোরআন হচ্ছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম এর কাছে 23 বছর ধরে নাযিল হয়েছে এবং সেটা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামের কাছে লিখিত আকারে আসে নাই। তিনি জিব্রাইল আলাইহি সালামের মুখে শিখেছেন এবং তারপরে তিনি সেটা রিপিট করেছেন এবং সেটা সাহাবাদেরকে জানিয়েছেন। আমরা দেখি একজন মানুষ যখন কথা বলে পাঁচ মিনিট কথা বললেও দেখা যাবে যে তার কথার মধ্যে প্রথমে যে কথাটা বলছিল পরের কথায় হয়তোবা তার কিছুটা হলেও ডিফারেন্স থাকবে। আবার দেখা যায় যে কয়েক বছর ধরে যখন কথা কোন কথা বলা হচ্ছে তখন আল্টিমেটলি আমরা দেখি যে কথার মাঝে কিছু চেঞ্জ চলে আসছে। অথচ কোরআন যদি আমরা পড়ি তাহলে দেখব যে যদিও এটা ওরালি রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এর কাছে এসেছে কিন্তু 23 বছর ধরে নাযিল হওয়ার পরেও এর মধ্যে কোন ধরনের কন্ট্রাডিকশন নাই। কোন ধরনের বই পীরত্ব আমরা দেখতে পাই না এবং খুবই সুন্দর সমন্বয় করে এই কোরআনকে আমাদের সামনে নিয়ে আসা হয়েছে যে প্রত্যেকটা ওয়ার্ড প্রত্যেকটা সেন্টেন্স হচ্ছে এত সুন্দরভাবে গঠিত যে যেই শুনবে সেই বলবে যে এটা কোন মানুষের কথা হতে পারে না এবং সো ক্লোজলি নিড যে একসাথে এত সুন্দরভাবে এটাকে গড়ে তোলা হয়েছে যে এর মধ্যে কোন ধরনের ত্রুটি আমরা কখনো খুঁজে পাই না।

তো, আল্লাহ সুবহানা তা'আলা কোরআনকে আল হাকিম বলছেন যে এটা ফুল অফ উইজডম এটার মধ্যে হচ্ছে এমন ডিসিশন এমন মূলনীতি দেওয়া আছে যেটা আমাদের চলার পথের জন্য অত্যন্ত দরকারি এবং এটা যদিও মুখের কথা কিন্তু তারপরও আমরা দেখি যে এটা সো ওয়েল অর্গানাইজ একটা অংশের সাথে আরেকটা অংশে আমরা কোন ধরনের বৈপিরত্ব কখনো দেখতে পাই না। তো, এখানে আমরা দেখি যে সূরা লোকমানে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন যে তিলকা আয়াতুল কিতাবিল হাকিম। এগুলা হচ্ছে সেই ওয়াইজ বুক প্রজ্ঞাময় কিতাবের আয়াত। সুবহানাল্লাহ।

সে কোরআনের কথা এখানে বলা হয়েছে। কোরআনকে আল হাকিম বলার মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাতালা আমাদেরকে দেখিয়ে দিচ্ছেন এটা ডিভাইন অরিজিন। যে এটা যে মানুষের সৃষ্টি না। এটা আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছে এসেছে। এবং এটার যে ভূমিকা মানুষকে মানবজাতিকে গাইড করার জন্য এটাই হচ্ছে আল্টিমেট সোর্স। সেটা আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আমাদের সবাইকে জানিয়ে দিচ্ছেন।