📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Surah Ya Sin || Part 52: Ayah 46|| Look at the Signs of Allah Carefully ||

Straight Path16:46

Transcription

সূরা ইয়াসিনের 46 নাম্বার আয়াত।

আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম।

ইল্লাহ যখনই তাদের পালনকর্তার নির্দেশাবলীর মধ্য থেকে কোন নির্দেশ তাদের কাছে আসে তখনই তারা তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। আগের কয়েকটি আয়াতে আল্লাহ সুবহানা তা’আলার যে শক্তি এবং তার যে প্রজ্ঞার নিদর্শন সেটা আমরা দেখতে পাই। আসমান এবং জমিনের মাঝে আল্লাহ সুবহানা তা’আলা সেদিকে আমাদেরকে দৃষ্টিপাত করতে বলেছেন। মানুষকে তিনি ইনভাইট করেছেন তারা যাতে তাদের সৃষ্টিকর্তাকে তাকে চিনতে পারে এবং তারা যাতে এই বিশ্বাসটা তাদের মধ্যে রাখে এই সৃষ্টির দিকে তাকিয়ে যে এই সৃষ্টিকর্তা হচ্ছেন এক এবং অদ্বিতীয় এবং তিনি আমাদের ইবাদতের যোগ্য। অন্য কেউ এই ইবাদতে শরিক হতে পারে না।

এবং এইখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানা তা’আলার যেই নিদর্শন সেটা দেখানোর সাথে সাথে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন যারা এই সত্যটাকে রিজেক্ট করে তাদের জন্য কি ধরনের পানিশমেন্ট রয়েছে। আল্লাহর জীবন্ত উদাহরণ আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন এবং এর আগে যে জাতি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে তাদের কথা উল্লেখ করে আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন যে আল্লাহ এক আল্লাহকে ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করার ফলাফল কি হতে পারে। এবং এখানে আমরা দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই আয়াতগুলোর মাধ্যমে তৎকালীন সময়ে মক্কার যারা অবিশ্বাসী ছিল তাদেরকে শিক্ষা দিচ্ছেন এবং এই শিক্ষাটা যুগে যুগে প্রত্যেকের থেকে প্রত্যেক মানুষের জন্যই এপ্রোপ্রিয়েট কেয়ামত পর্যন্ত যারাই হচ্ছে চারপাশে তাকিয়েও আল্লাহর নিদর্শনগুলো দেখেও আল্লাহকে স্মরণ করে না বা আল্লাহর একত্ববাদকে বিশ্বাস করে না।

এখানে আমরা দেখি যে একদিকে বিশ্বাসীদের ভূমিকা আরেকদিকে অবিশ্বাসীদের ভূমিকা। বিশ্বাসীরা তাদেরকে ডাকছে মুমিনরা তাদেরকে ডাকছে আল্লাহ সুবহানা তা’আলার যে শাস্তি সেটাকে ভয় পাওয়ার জন্য যে যেটা এই দুনিয়াতেও আসতে পারে অথবা দুনিয়ার পরে যে চিরন্তন জীবন রয়েছে আখিরাত সেখানেও আসতে পারে এবং তাদেরকে বলা হয়েছে যে তোমরা যদি এই শাস্তির প্রতি বিশ্বাস রাখো তাহলে এই এটাই তোমাদের জন্য উত্তম হবে। কিন্তু আমরা দেখি যে অবিশ্বাসীরা বারবারই হচ্ছে এগুলো গুলোকে অস্বীকার করেছে, কথা শুনতে অস্বীকার করেছে, মানতেও অস্বীকার করেছে। এবং তাদের এর আগের আয়াতে আমরা দেখি যে তারা মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে যখন তাদের কাছে এই সত্যকে উপস্থাপন করা হয়ে থাকে এবং তাদেরকে বলা যখনই তাদেরকে বলা হয় যে তোমরা আল্লাহ নিদর্শনগুলো দেখো এবং সেগুলো দেখে তোমরা এখান থেকে যেই গাইডলাইন পাচ্ছ, যে লেসন পাচ্ছ সেগুলোকে তোমরা গ্রহণ করে নাও। তখনই দেখা যায় যে তারা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।

স আল্লাহ সুবহানা তা’আলা এখানে 46 নাম্বার আয়াতে বলছেন যে যখনই তাদের কাছে কোন নির্দেশ এসেছে তখনই দেখা যায় যে তারা সেখান থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। অর্থাৎ এক আল্লাহকে জানার পরেও তারা সেটাকে মানতে স্বীকার করে এবং তার নির্দেশগুলোকে তারা গ্রহণ করে না। এখানে বলা হচ্ছে ওমাতহিমমিন আয়াতমিন আয়াত রব্বিহিম যে যখন তাদের কাছে আল্লাহর যে নিদর্শনগুলো রয়েছে সে তাদের রব। এখানে রব শব্দটা বলা হয়েছে যে রব হচ্ছে আমরা জানি রব শব্দের অর্থ হচ্ছে যিনি আমাদেরকে দুনিয়াতে এনেছেন যিনি আমাদের দুনিয়াতে যা কিছু প্রয়োজন সমস্ত প্রয়োজন তিনি আমাদেরকে মিটিয়ে থাকেন তিনি হচ্ছেন আমাদের মুরুব্বি তিনি আমাদেরকে গাইড করেন আমাদেরকে তারবিয়া বা প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন সো আমাদের এই জীবনে চলার পথে যা কিছু দরকার সেটা আসছে রবের কাছ থেকে এবং সেই রবই আমাদেরকে কিছু আয়াত কিছু নিদর্শন আমাদের সামনে রেখে দিয়েছেন। প্রতিনিয়ত এবং এগুলো হচ্ছে তাওহীদের নিদর্শন, একত্ববাদের নিদর্শন এবং নবী রাসূলরা যে সত্যকে আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন সে সত্যের নিদর্শন সেই রবের কাছ থেকে যে নিদর্শনগুলো আসে তার মধ্য থেকে কিছু যখন তাদের কাছে তুলে ধরা হয়।

আমরা জানি এর আগের আয়াতগুলোতে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা নিদর্শন তুলে ধরেছেন জমিন থেকে কিছু নিদর্শন তুলে ধরেছেন আসমান থেকে। কিছু নিদর্শন তুলে ধরেছেন হচ্ছে আমাদের সামনে বিস্তৃত সমুদ্র থেকে। সো আল্লাহর এ নিদর্শনগুলো দেখার পরেও দেখা যায় যে যখন তাদেরকে কোন নির্দেশ দেওয়া হয় তাদের হৃদয়ে সেটি স্থান পায় না। তারা কি করে যে সেই সাইনটা দেখে যে এই নিদর্শনগুলো একদিকে যেমন তার সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে আরেকদিকে এই কোরআনের আয়াতগুলোর মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানা তা’আলা সেই সৃষ্টির নিদর্শনগুলোর প্রতি আমরা যাতে খেয়াল করি সেটাকে সেটা আহ্বান জানানো হয়েছে এবং এই বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে যেদিকেই আমরা তাকাই আমরা যদি নিজের দিকে তাকাই আমরা যদি ইতিহাসের দিকে তাকাই তাহলে সেখানে প্রচুর নিদর্শন রয়েছে এবং সে নিদর্শন গুলো তার আমাদের রব আমাদের জন্য দিয়ে দিয়েছেন যাতে আমরা অন্ধ হয়ে না থাকি যাতে আমরা সত্যটাকে জানতে পারি এবং তারপরেও কি হচ্ছে তাদের অবস্থানটা হচ্ছে এরকম ইল্লা মরিন তারা মরিদ হয়ে যাচ্ছে যে তারা যারা হচ্ছে কোন কিছু থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় মুখ ফিরিয়ে নেওয়া ছাড়া তারা আর কিছুই করে না সো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন তারা তাদের কাজ একটাই সেটা হচ্ছে তারা মুখ ফিরিয়ে নেয় তাদেরকে যখন এই কথাগুলো বলে বলা হয় সো তারা সেটা গ্রহণও করে না সেটা থেকে যে বেনিফিট বা উপকার পাওয়ার কথা সেটাও পাওয়া যায় না সো তারা নিজের ইচ্ছায় ইনটেনশনালি উইলিংলি আল্লাহর সাইনগুলো থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় আল্লাহর আয়াতগুলো থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় সেটা আমরা দেখি দুনিয়ার আয়াত বা দুনিয়াবীর যে নিদর্শন সেগুলো অথবা কোরআনের আয়াত হোক সে কথাগুলো তারা শুনতে চায় না। এর মাধ্যমে তাদের যে স্টাবরনেস, তাদের যে অরোগেন্স সেটাই আসলে প্রমাণিত হয়।

স আল্লাহ বলছেন যে যখনই তাদের কাছে অসংখ্য অসংখ্য নিদর্শন রয়েছে আল্লাহর সেগুলোর কিছু তাদের সামনে উপস্থাপন করা হয় তখনই তারা এ ধরনের কাজ করে যে এই ধরনের লোকেরা যারা হচ্ছে এইরাদ অথবা তারা হচ্ছে মরিদ। তারা এরোগেন্টলি অহংকারবসত সেগুলোর কথা সেগুলো নোটিস না করতে বা সেগুলোর কথা সেগুলোর কথা না বুঝতে চেষ্টা করে এবং এখানে আমরা দেখি যে 30 নাম্বার আয়াতেও আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সেই জনপদের লোকদের কথা যখন বলেছিলেন তখন সেই জনপদের লোকদের কাজের একটা উদাহরণ দিয়েছিলেন যে তারা তাদের কাছে যে রাসূল এসেছিল তাদেরকে তারা মক করতো তাদেরকে নিয়ে হাস্যকৌতুক করতো। তাদের কথা তারা মেনে নিত না এবং আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এটাই আমাদেরকে দেখাচ্ছেন যে এই আয়াতগুলো এই নিদর্শনগুলো হচ্ছে সে রাসূলদের মতো রাসূল যেমন আল্লাহ সুবহানা তা’আলার কাছ থেকে যে কথাগুলো এনে সেগুলো মানুষের সামনে উপস্থাপন করতেন তেমনিভাবে এই আয়াতগুলো আল্লাহ সুবহানা তা’আলা মানুষের সামনে রেখে দিয়েছেন।

একজন মুমিন বা একজন ঈমানদার তার পরিচয় কি? সে যখন বিশ্বাস করে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার একত্ববাদের এর উপরে সে জানে যে সবকিছুর উপরে ক্ষমতাবান হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তার পরিচয় প্রকাশ পায় তার চরিত্রের মাধ্যমে তার কথার মাধ্যমে তার কাজের মাধ্যমে যে সবখানে আমরা দেখি তখন নৈতিকতার অবস্থান থাকে যাদের মধ্যে ঈমান নাই তখন দেখা যায় তারা সেই নৈতিক নৈতিকতার সীমাকে লঙ্ঘন করে কারণ আল্লাহ সুবহানাতায়ালা যেভাবে তাদেরকে চলতে বলেছে তারা সেটার বিপরীত কাজ করতে থাকে এবং যে কারণেই হচ্ছে দেখা যায় যত ভালো মানুষই হোক না কেন নবী রাসূলরা যখন তাদের কাছে এসেছে তাদেরকে নিয়ে তারা মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে হাস্যকৌতুক করেছে এবং তার মাধ্যমে তাদের চরিত্রের যে দুর্বলতা সেটাই আসলে প্রতিফলিত হয়।

সো এখানে আমরা যদি এই নিদর্শনগুলো যারা গ্রহণ করেছে তাদের সাথে যারা গ্রহণ করে নাই তাদের পার্থক্যটা দেখতে চাই তাহলে দেখব যে যারা নিদর্শনকে গ্রহণ করেছে তারাই ঈমানদার এবং সেই ঈমানের কারণে তাদের ভিতরে যে আলোর প্রভাব দেখা যায় ঈমানের আলো তাদের অন্তরে প্রবেশ করে কোরআনের আলো সেটাকে আরো বেশি আলোকিত করে তোলে এবং যেটা তাদের স্পিরিচুয়াল এবং মোরাল যে ক্যারেক্টার সেটার মধ্যে আমরা প্রতিফলিত হতে দেখি। এবং সে কারণেই আমরা দেখি কোরআনে বারবার আল্লাহ সুবহানাতায়ালা ঈমানদারদের বৈশিষ্ট্য বলতে যেয়ে তাদের চরিত্র কেমন হবে যে তারা হচ্ছে মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করবে তাদের আচার ব্যবহার ভালো হবে তাদের নীতি নৈতিকতা সীমা তারা মেনটেইন করে চলবে সেই জিনিসগুলো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বর্ণনা করেছেন।

আমরা দেখি যে যারা হচ্ছে ঈমানদার যারা আল্লাহকে ভয় করে তাদের মধ্যে আল্লাহর ভয়টা এত সূক্ষভাবে উপস্থিত থাকে যে তারা প্রতিটা ক্ষেত্রেই আল্লাহর উপস্থিতিটাকে জানান দেয় বা আল্লাহর উপস্থিতিটাকে মেনে নিয়ে আল্লাহ যে আছেন এবং আল্লাহর নির্দেশ আমাদেরকে মানতে হবে সেই কথাটা স্বীকার করে নিয়ে তারা প্রতিনিয়ত কাজ করতে থাকে। একটা ঘটনা বর্ণিত আছে এরকম যে বনী ইসরাইলের একজন লোক তার হচ্ছে একসময় কিছু টাকা ধার করার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তখন সেই লোক আরেকজনের কাছে যায় এবং তার কাছে কিছু ধার চায়। তখন যার কাছে ধার চাওয়া হয় সে বলে যে তোমার জন্য তোমার দায়িত্ব কে নিবে যে তুমি যদি টাকা ঠিকমত পরিশোধ করতে না পারো। তখন সে বলল যে আমার জন্য ওয়াকিল হিসাবে গার্জিয়ান হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট। তখন যে ধার দিবে সে এটা নিয়ে কোন তর্ক করলো না। সো সে বলল যে আমাদের জন্য একজন সাক্ষী নিয়ে আসি তাহলে। তখন সেই লোক বলল যে আমার জন্য আল্লাহই হচ্ছে সাক্ষী হিসেবে যথেষ্ট। সে লোক সেটাও মেনে নিল এবং তারপরে হচ্ছে তাদের যেই ধার দানকারী এবং ধার গ্রহণকারী দুইজনের বাড়ির মাঝখান দিয়ে হচ্ছে তারা সেপারেটেড ছিল একটা নদী দিয়ে। সো সেই যে লোক টাকা ধার করল তখন সে বলল যে আমি একটা সার্টেন ডে এবং টাইমে এই জায়গাতে ফিরে আসবো তোমার কাছে এ টাকাটা ধার ফেরত দেওয়ার জন্য। তারপরে সময় গড়িয়ে গেল সেই লোক যখন নদীর কাছে আসলো তখন দেখা গেল যে নদীতে হচ্ছে অনেক বেশি পানি। সো যে ফেরিগুলা তখন কাজ করত সে নদীতে পারাপারের জন্য সে ফেরিগুলা ছিল না। এত বেশি পানি সেখানে ছিল। তখন যেই লোক ধার দিয়েছিল সেই লোক যে ধার নিয়েছিল সে সেখানে টাকা নিয়ে বসে থাকলো। কিন্তু সে হচ্ছে তখন চিন্তিত হয়ে পড়লো। যে সে কথা দিয়েছিল। কিন্তু সে কথাটা সে রাখতে পারছে না কারণ এত পানি এবং ফেরি আসার কোন ব্যবস্থা নাই তাহলে সে কিভাবে হচ্ছে সেই লোককে টাকাটা দিবে এবং সে অপেক্ষা করতে লাগলো আরো বেশি হতাশায় ভুগতে লাগলো তখন সে দেখল যে তার সময় পার হয়ে যাচ্ছে তখন সে একটা কাঠের খন্ড নিয়ে আসলো সে কাঠের খন্ডের মধ্যে সে একটা ছিদ্র করল এবং সেখানে তার টাকাগুলোকে সংরক্ষণ করল এবং তার সাথে একটা নোট লিখে দিল যার কাছ থেকে টাকাধার করেছিল যে এই সেই মানি যেটা টা আমি তোমার থেকে ধার নিয়েছিলাম এবং যদি এটা তোমার কাছে পৌঁছায় তাহলে তোমার সাথে আমার যে চুক্তি হয়েছে সেটা এখানেই কমপ্লিট হয়ে গেল। তারপরে সে হচ্ছে সে কাঠের খন্ডটাকে নদীতে ছুরি মারলো এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করতে লাগলো যেন এই কাঠের খন্ডটা সেই লোকের কাছে যেয়ে পৌঁছায়।

সো সেই লোক হচ্ছে তখন আসলে সে কি করবে সেটা বুঝতে না পেরে তার জান ট্রান্সপোর্টেশন ছিল না তার সেই লোকের কাছে পৌঁছানোর কোন ব্যবস্থা ছিল না সেই সময় হচ্ছে সে আর কোন উপায় না পেয়ে এই কাজ করল অন্যদিকে দেখা যায় যে নদীর অন্য পাশে যে টাকা ধার দিয়েছিল সেটি অপেক্ষা করছিল এবং সে দেখছিল যে নদীর কি অবস্থা কোন ফেরি আসছে না এবং সে বুঝতে পারছিল যে সেই লোকে আসার কোন সুযোগ নাই তখন খন সে অপেক্ষা করে বাড়ি ফিরে আসার জন্য চিন্তা করতে লাগলো। সো বাড়ি ফেরার আগে সে চিন্তা করল যে কিছু কাঠ কুড়িয়ে নিয়ে যাই বাড়িতে। সেটা তার হচ্ছে প্রয়োজনে লাগবে। সো সে দেখতে পেল যে একটা কাঠের খন্ড ভেসে ভেসে আসছে এবং সে সেটাকে বাড়িতে নিয়ে গেল এবং বাড়িতে নিয়ে সে কাঠের খন্ডটা কাটতে শুরু করল। তখন সে কাঠের খন্ডের মধ্যে সে তার টাকা এবং নোটটা পেল। সো তার মানে সে টাকা পেয়ে গিয়েছে এবং তার যে চুক্তি ছিল সেই চুক্তি কমপ্লিট হয়ে গিয়েছে। তারপরে যেই লোক টাকা ধার করেছিল সে তো আসলে যায় না এই লোক পাবে কিনা এখনকার মতো যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল না যে একটা ট্যাক্স পাঠিয়ে দিবে অথবা একটা ইমেইল অথবা ফোন করে দিবে। সো সে তখন হচ্ছে চিন্তা করতে লাগলো যদি এই লোক টাকা পেয়ে না থাকে তাহলে অবশ্যই আমাকে আবার সেই টাকাটা পরিশোধ করতে হবে এবং সে কিছুদিন অপেক্ষা করল পানি নদীর পানি কমে গেল এবং সে আরো কিছু টাকা যোগাড় করে তারপরে সে নদী পার হয়ে যেয়ে যার কাছ থেকে টাকা ধার করেছিল তার বাড়িতে যেয়ে উপস্থিত হলো তখন সে বলল যে আমি আমার টাকা ফেরত দিতে এসেছি যেটা আমি নির্দিষ্ট সময়ে করতে পারি নাই। তখন যে লোক টাকা ধার দিয়েছিল সে চিন্তা করল যে সে তো সে টাকাটা সে কাঠের খন্ডটা সে পেয়েছে। সে লোক আসলে তখন বলতে পারত যে সে পায় নাই অথবা এক্সট্রা টাকাটা সে নিয়ে নিতে পারতো। কিন্তু এখানে আমরা দেখি যে তাদের দুজনের ঈমানই এত শক্ত ছিল, মজবুত ছিল যে তারা আল্লাহর উপরে ভরসা করেছে আল্লাহকে সাক্ষী হিসেবে মেনে নিয়েছে এবং তাদের যে দায়িত্ববোধ সেই ব্যাপারে কোন ধরনের গাফলতি করে নাই। সো দুইজনের ঈমানই এত মজবুত ছিল যে কেউ কারো সাথেই আসলে এখানে ধোঁকা দেওয়ার কোন ব্যবস্থা নাই। কারণ তারা জানে যে আল্লাহ সাক্ষী হিসেবে যথেষ্ট এবং আল্লাহ অবশ্যই সবকিছু দেখছেন।

তো এখানে আমরা দেখি যে আল্লাহকে যখন কেউ একক সত্তা হিসেবে মেনে নেন আল্লাহকে যখন রব হিসেবে মেনে নেয় আল্লাহকে যখন জানে যে তিনি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী তখন আমাদের কথা কাজ এবং স্বভাবের মধ্যে অবশ্যই পরিবর্তন হবে। আমরা সেই অস্বীকারকারীদের মত হয়ে যাব না। সো আমরা দেখি যে যখন অবিশ্বাসীদেরকে বলা হয়েছিল যে তোমরা সতর্ক হও আল্লাহর শাস্তির ব্যাপারে এবং আল্লাহর ক্রোধের ব্যাপারে যেটা তোমাদের খুব নিকটবর্তী হয়ে গিয়েছে। তাদের তখন তারা হচ্ছে তাদেরকে বলা হয়েছিল যে তোমরা তোমাদের কাজগুলো সম্পর্কে সচেতন হও। তোমাদের পূর্ববর্তী জাতিগুলোর যে অবস্থা হয়েছে সেখান থেকে তোমরা শিক্ষা দাও। তাহলে তোমাদের উপরে রহমত আসতে পারবে। আসতে পারে তখন দেখা গেল তারা এই ওয়ার্নিং থেকে সতর্কবাণী থেকে মুখ ফিরিয়ে নিল এবং তারা এরোগন্ড হয়ে গেল। স তারা যদি এই সতর্কবাণীটাকে গ্রহণ করতো আল্লাহকে বিশ্বাস করতো মেসেঞ্জারের কথা শুনতো রাসূলের কথা অনুসরণ করতো তাহলে আল্লাহ তাদের তাওবা এবং ঈমানকে কবুল করে নিতে পারতেন এবং আল্লাহ তাদেরকে সেই শাস্তি দুনিয়া এবং আখেরাতের শাস্তি থেকে তাদেরকে রক্ষা করতে পারতেন। কিন্তু তাদের পরিণামী হচ্ছে এরকম যে তারা সুসতর্ক বাণীর কথা না শুনে তারা হচ্ছে অন্ধের মত তারা যা বলেছে সেটাতেই অটল ছিল এবং তাদের অবিশ্বাসের মধ্যেই অবিশ্বাসই তাদের মধ্যেও ডিপ্রুটেড হয়েছিল এবং তাদের এই কাজ যে অবিশ্বাস সেই অবিশ্বাসের কারণেই আমরা দেখি তাদের চরিত্রের মধ্যে সে তার প্রতিফলন ঘটেছে যার একটা একটাই উপায় সেটা শো করার এটা হচ্ছে বিরোধিতা করা অস্বীকার করা এবং সত্যকে মেনে না নেওয়া।