📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Surah Ya Sin || Part 29: Ayah 21|| Be Sincere & Rightly Guided!

Straight Path19:43

Transcription

আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম। ইত্তাবিল্লাহ মহতাদুন। অনুসরণ করো তাদের যারা তোমাদের কাছে কোন বিনিময় কামনা করে না অথচ তারা সুপদ প্রাপ্ত।

২০ নাম্বার আয়াত থেকে আমরা দেখেছি আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এমন একজন ব্যক্তির কথা তুলে ধরেছেন যিনি মেসেঞ্জার ছিলেন না। কিন্তু সে মেসেঞ্জারদের উপরে যখন হুমকি এবং তাদেরকে বিভিন্নভাবে তাদের প্রতি এগ্রেসিভ ভূমিকা দেখাচ্ছিল জনপদের লোকেরা, তখন এক লোক শহরের দূর প্রান্ত থেকে দৌড়ে আসলো তাদেরকে সতর্ক করার জন্য এবং তাদেরকে আহ্বান করলো যে তোমরা রাসূলদের কথা অনুসরণ করো। তাদের কথা মেনে চলো।

তো এখানে আমরা দেখি যে যে লোকের কথা বলা হয়েছে, সে এটা অন্তরে গভীর থেকে উপলব্ধি করেছিল যে এ রাসূলদের কথা মেনে চলার মাধ্যমেই আমরা সফলতা অর্জন করতে পারি। তো আমরা এখানে দেখি যে তিনি প্রথমেই হচ্ছে ইন্টার্নালি চেঞ্জ হয়েছেন। তার যে স্পিরিচুয়াল চেঞ্জ, সে চেঞ্জ তাকে হচ্ছে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে এক আল্লাহর ইবাদত করা এবং রাসূলদের অনুসরণ করার মাধ্যম মধ্যেই সতর্কতা। ফাস্টে তার মধ্যে এই ইন্টার্নাল চেঞ্জ হয়েছে এবং যখন তার মধ্যে এই চেঞ্জটা আসলো, তখন তিনি কি করলেন? তখন অন্যদেরকে মোটিভেট করার জন্য তিনি কন্ট্রিবিউট করলেন এবং তারপরে আমরা এখন দেখি তিনি একশনে চলে এসেছেন যে তিনি তাদের সাথে কাজ করে তাদেরকে তিনি বুঝাচ্ছেন যে কেন এটা তাদের জন্য ভালো।

তো এখানে আমরা দেখি যে একজন মানুষের জন্য এই তিনটি স্টেপই আসলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে সে নিজের মধ্যে একটা পরিবর্তন অনুভব করবে যখনই সে কোরআন সুন্নাহকে বুঝতে এবং অনুসরণ করতে শুরু করবে। সেই অনু পরিবর্তন যখন তার মধ্যে হবে, তখন সে কিন্তু চুপ করে বসে থাকতে পারবে না। কোরআন হাদিস যেই পড়বে, যেই বুঝবে, সেই জানবে যে তার কাজ হচ্ছে তার আশেপাশে যারা রয়েছে তাদেরকে মোটিভেট করা। তাদেরকে পরিবর্তন করা। শুধু নিজের মাঝে সেই পরিবর্তনটা ধরে না রাখা।

তো একজন মুমিনের জন্য যখন সে কোরআন সুন্নাহর আলোকে আলোকিত হয়, সে নিজে যেমন আলোর একটা উৎস হয়ে যায়, তেমনি সে আলো হচ্ছে তার চারপাশটাকে আলোকিত করার কথা। আমরা এমন মুমিন মুসলমান দেখি যে নিজেই শুধু আলোকিত। সে মনে করে যে সে কোরআন সুন্নাহ জ্ঞান ধারণ করেছে, কিন্তু তার আশেপাশে যারা থাকে তারা সে আলোর কোন ভাগ পায় না। একজন মুমিন সত্যিকারের মুমিন যদি হতে হয়, তাহলে আমাদেরকে অবশ্যই সেই কন্ট্রিবিউশনের কথা চিন্তা করতে হবে যে আমার আশেপাশে যারা রয়েছে তাদের কাছে আমি সেই আলো ছড়িয়ে দিচ্ছি কিনা এবং এটা যখন আমি চিন্তা করব, তখন অবশ্যই আমি সেখানে ওয়ে বের করব যে কিভাবে এই কাজটা টাকে করা যায়। কিভাবে মানুষের কাছে এই কোরআন এবং সুন্নাহর কথাগুলোকে সুন্দরভাবে তুলে ধরে যা ধরা যায় যাতে তারাও হচ্ছে সুপদগামী হবে।

তো এখানে আমরা দেখি যে তিনি বলছেন যে ফাস্টে তিনি বলছেন মুরসালুন যে তোমরা এই যে মেসেঞ্জাররা তোমাদের কাছে এসেছে তাদেরকে অনুসরণ করো। তারপরে তিনি আবারো বলছেন এখানে এখানে আমরা দেখি যে কাদেরকে ইত্তাবা শব্দটা আমরা দেখেছি ফলো করা। ফলো করা হচ্ছে সিনসিয়ারলি ফলো করা এবং এর মাধ্যমে নিজের মধ্যে পরিবর্তন আনা। এই যে একটা কমান্ডাবাত্তাবি অনুসরণ করা। এইটা কমান্ডটা হচ্ছে একটা দাওয়াত। আসলে একটা ইনভাইটেশন যে তাদেরকে আরজ করা। তাদেরকে গুরুত্বটা বুঝানো এবং সেদিকে আহ্বান করা।

এবং কাদেরকে তিনি কাদের ব্যাপারে তিনি এ কথাটা বলছেন মাললা যে মান যে তারা হচ্ছে কে হভার লা ইয়াসলুকুম আজরা। তারা তোমাদের কাছে ইয়াসলা সালা মানে হচ্ছে আস করা কোন কিছু চাওয়া জিজ্ঞাসা করা। তারা তোমাদের কাছে চায় না কোন আজর। আজর মানে হচ্ছে রিওয়ার্ড। তারা সেই লোক যারা তোমাদের কাছ থেকে কোন পুরস্কার আশা করে না। এইখানে হচ্ছে সেই মুরসালুন যাদেরকে অনুসরণ করার কথা তিনি প্রথমেই বলেছেন। সেই মুরসালুনদের মেসেঞ্জারদের যে পরিচয় যে কারেক্টারিস্টিক সেটা কি? কারেক্টারিস্টিক তিনি তুলে ধরছেন যে তারা হচ্ছে যে কাজটা করছে সেটা তোমাদের কাছ থেকে কোন পুরস্কার পাওয়ার জন্য করছে না। তার মানে হচ্ছে তাদের মধ্যে সিনসিয়ারিটি রয়েছে, ইখলাস রয়েছে। তারা কি করছে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, আল্লাহর কা খুশির জন্য এই কাজটুকু করছে এবং যে কাজটা করছে সে কাজটার ব্যাপারে তারা ডেডিকেটেড। সে কাজটা তারা খুব আন্তরিকভাবে করছে। সেটা তোমাদের কাছ থেকে কিছু পাবে। তোমরা তার প্রশংসা করবে। তোমরা তাকে ধনসম্পদ দান করবে। তোমরা তাকে ক্ষমতা দিবে। এর কোনটাই তোমরা তোমাদের কাছে সে চাচ্ছে না। সো তারা তোমাদের কাছ থেকে কোন ধরনের পরি কোন ধরনের রিটার্ন তোমাদের কাছে চাচ্ছে না। তারা যে তোমাদেরকে এই সত্য পথের দিকে ডাকছে জীবনের হুমকি নিয়ে।

তো সেটা হচ্ছে তাদের ফাস্ট পরিচয় এখানে দেওয়া হচ্ছে। মুরসালুন অথবা মেসেঞ্জারদের কাজ কি? তাদের কাজ হচ্ছে তারা যে মেসেজটা জেনেছে সঠিক সে মেসেজটা অন্যদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। সো এটা হচ্ছে একটা জেনুইন ডিজায়ার যে তারা সত্যটাকে তাদের সাথে শেয়ার করতে চায় কোন দুনিয়াবী প্রাপ্তির আশায় না। এবং আজও শব্দটার অর্থ পুরস্কার। আজ শব্দটা এই পুরস্কারের অর্থ হচ্ছে যে যখন আমি কোন কাজ করি সে কাজের কারণে সেখান থেকে আমি কোন কিছু পাওয়ার আশা করি তখন সেটাকে আজর বলা হয়ে থাকে। তার মানে হচ্ছে এটা আমার রাইট। আমি একটা কাজ করছি সুতরাং এটা আমাকে দেওয়া। আমি এত ঘন্টা কাজ করেছি সেটার জন্য আমাকে এই পারিশ্রমিকটা দেওয়া। আমি আপনার কোন উপকার করেছি এর এক্সচেঞ্জে আপনি আমার জন্য আরেকটু উপকার করলেন। এটা হচ্ছে আমার প্রাপ্য। আজরটা হচ্ছে সেই প্রাপ্য জিনিস।

তার মানে এই যে মেসেঞ্জাররা এত কষ্ট করছেন তারা তাদের সার্ভিস দিচ্ছেন। তারা তাদের টাইম স্যাক্রিফাইস করছেন। তাদের এনার্জি, তাদের মানি, তাদের রিসোর্স, তাদের ওন ট্যালেন্ট, ইন্টেলেক্ট সমস্ত কিছু তারা খরচ করছেন কি জন্য? তোমাদের বেটারমেন্টেরর জন্য। তোমাদের উন্নত করার জন্য। তোমাদের সিচুয়েশনটা চেঞ্জ করার জন্য। তোমাদেরকে যদি তারা যে সার্ভিসটা দিচ্ছে সেটার জন্য তোমাদেরকে যদি পে করতে হতো যে তারা তোমাদের এরকম উন্নত করার জন্য চেষ্টা করছে। আমরা জানি কি বিভিন্ন প্রজেক্টের জন্য প্রজেক্ট ম্যানেজার থাকে এবং সে প্রজেক্ট ম্যানেজারকে বেশ ভালো স্যালারি দিয়ে রাখা হয় যেন সে এটাকে ভালোভাবে এফেক্টিভ ওয়েতে কমপ্লিট করতে পারে বা সেটাকে সামনে নিয়ে আসতে পারে।

তো এই যে মোরসালুন যারা তারা কি করছেন? তোমাদের জন্য এই যে তাদের সমস্ত সময় অর্থ সম্মান সমস্ত কিছু বিসর্জন দিচ্ছেন যাতে হচ্ছে তোমরা হেদায়েতের পথে আসতে পারো। তারা যদি এজন্য তোমাদের কাছে পরিণামের কিছু চাইতো তাহলে এটাও জাস্টিফাইড হতো। তারা এটা ডিজার্ভ করে। সো কিন্তু তারা কি করে যে ইন রিটার্ন তাদের তারা যেটা ডিজার্ভ করে সেটাও তারা চাচ্ছে না। এটা যে তাদের কত বড় নোবেলিটি সেটা আমরা বুঝতে পারি যে আমরা দুনিয়াতে যারা আসলে একটু মানুষের সাথে চলাফেরা করি তখন দেখি যে কেউ আসলে বিনা পয়সায় কোন কাজ করতে চায় না। প্রত্যেকটা কাজের পিছনেই হচ্ছে একটা উদ্দেশ্য থাকে। কিন্তু এ মেসেঞ্জারদের ব্যাপারে তাদের পরিচয় হিসেবে তিনি বললেন যে তাদের আর কোন টার্গেট নাই। তোমাদের কাছ থেকে তারা আর কিছু চায় না।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লামের ব্যাপারে আমরা জানি যে তাকে কিভাবে ব্রাইভ করা হচ্ছিল। তাকে বলা হয়েছিল যে তুমি যদি সম্পদ চাও তোমাকে আমরা আমাদের সবার সম্পদ একত্র করে তোমাকে দিয়ে দেওয়া হবে। তুমি যদি ক্ষমতা চাও তোমাকে আমাদের লিডার করে নেওয়া হবে। তুমি যদি সুন্দরী নারী চাও তোমাকে তাও দেওয়া হবে। তো এভাবে হচ্ছে তাকে বিভিন্নভাবে বলা হচ্ছিল যে তারপরও তুমি যদি এ পথ থেকে ফিরে আসো তাহলে আমরা যেকোন কিছু করতে রাজি আছি। কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম যিনি একটা সম্মানিত অবস্থানে ছিলেন সেখান থেকে তিনি তাকে গণক তাকে কবি তাকে পাগল বলে উপাধি দেওয়া হলো। কিন্তু তারপরও তিনি কিন্তু তার এই দায়িত্ব ছেড়ে দেন নাই।

সো এখানে আমরা দেখি যারা সিনসিয়ারলি আল্লাহ সন্তুষ্টির জন্য কাজ করে তারা আসলে পরিণামের ভয় করে না। তারা আল্লাহ সন্তুষ্টির জন্য যে কোোন স্যাক্রিফাইস করতেই রাজি থাকে। সেটা তাদের ইগো হোক, সেটা তাদের চরিত্রের পরিবর্তন হোক, সেটা তাদের কথাবার্তার পরিবর্তন হোক, কাজের পরিবর্তন হোক, তাদের নিজ পক্ষ থেকে পয়সা খরচ করার দরকার হোক। সেটার ব্যাপারে তারা কখনো কুন্ঠাবোধ করে না। কারণ তাদের একটাই উদ্দেশ্য সেটা হচ্ছে আল্লাহ সন্তুষ্টি অর্জন।

সো এই যে মুরসালনরা কাজ করছেন তারা কি আসলে কোন রিটার্ন আশা করেন না? তারা অবশ্যই রিটার্ন আশা করেন। তাদের রিওয়ার্ড তাদের আজর আসবে হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতালা থেকে। সে কারণে তারা মানুষের কাছে কিছু চায় না। কারণ মানুষের কাছ থেকে যখন সে কিছু পাওয়ার আশা করবে তখন তার সেন্সিয়ার মধ্যে ফাটল ধরবে।

সো এখানে একটা কোশ্চেন অবশ্যই আসে যে তাহলে আমরা যারা এই কোরআন শিখায় যারা হচ্ছে দ্বীনের কথা বলে তাদেরকে আমরা কেন পে করতে যাব? সো এই পে করা আর হচ্ছে আল্লাহ সন্তুষ্টির জন্য কাজ করা সেটার কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। আমরা যেরকম সবার জীবিকা নির্বাহের জন্য কাজ করি। তারাও তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য তাদের খরচ গুলো পরিপূর্ণ করার জন্য তাদেরও কিছু আর্নিং এর প্রয়োজন রয়েছে। সো এখানে আমরা দেখি যে যারা আসলে সত্যিকারভাবে আল্লাহর জন্য কাজ করছে তারা যে সময় দিচ্ছে সে সময়টা পরিপূর্ণভাবে আমাদের পক্ষেও পেমেন্ট করা আসলে কখনো সম্ভব না। যতটুকু করি সেটা হচ্ছে শুধুমাত্র তাদেরকে সম্মানিত করার জন্য। তাদের পুরো যে এফর্ট তাদের যে স্যাক্রিফাইস সেটাকে আমরা কখনোই মূল্য দিয়ে পরিশোধ করতে পারবো না।

সো এখানে মেসেঞ্জারদের কথা বলা হয়েছে যে কখন একটা সমাজে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা নবী রাসূলদেরকে পাঠান যখন সেখানে একটা সিরিয়াস প্রবলেম দেখা যায় যেখানে সমাজে একটা ইমব্যালেন্স তৈরি হয়। ম্যাক্সিমাম মানুষ যখন অন্যায়ের মধ্যে নিয়োজিত হয়ে যায় এবং সেই সময়ে তাদেরকে উদ্ধার করার জন্য আল্লাহ সুবহানাতায়ালা হচ্ছে নবী রাসূলদেরকে পাঠিয়েছেন। আমরা জানি লুত আলাইহি সালামকে পাঠিয়েছেন যখন সেখানে সামাজিক সমস্যা যে গেয়ে লেসবিয়ান এবং এ ধরনের সমস্যা যখন তুঙ্গে চলে গিয়েছিল। সেই সময় লুত আলাইহিস সালামকে পাঠানো হয়েছে। ইব্রাহিম আলাইহিস সালামকে পাঠানো হয়েছে হোল কমিউনিটির বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য যেখানে তারা মূর্তিপূজায় আসক্ত হয়ে পড়েছিল। ইভেন তার বাবা পর্যন্ত সেই কাজে নিয়োজিত ছিল।

সো আমরা দেখি যে মানুষ সমাজের প্রবলেম নিয়ে কথা বলে কিন্তু যারা যারা এই প্রবলেম নিয়ে কথা বলে কাজ করে তাদের পার্সোনাল লাইফই থাকে হচ্ছে করাপ্টেড। কিন্তু এখানে বলা হচ্ছে যে যে নবী রাসূলদের কথা এখানে বলা হচ্ছে তারা হচ্ছে পারফেক্ট। তাদের মেসেজ ক্লিয়ার। তাদের লাইফ পারফেক্ট এবং তারা তোমাদের কাছে কোন ধরনের আজর বা পুরস্কার তোমাদের কাছ থেকে আশা করে না। সূরা হুদে বলা হয়েছে হে আমার জাতি আমি এজন্য তোমাদের কাছে কোন মজুরি চাই না। আমার মজুরি তারই কাছে যিনি আমাকে পয়দা করেছেন। তো তোমরা কেন বুঝো না?

সো তাদের যেটা প্রাপ্তির আশা সেটা হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছে। কোন নবী রাসূলই কারো কাছে আসলে কখনো কোনো মজুরি চায় নাই। কোন ধরনের কম্পেনসেশন বা বেতন সেখানে চায় নাই এবং সেটাই তিনি ফাস্টে উল্লেখ করলেন যে এরকম যাদের অনুভূতি এরকম যাদের কাজ করার ব্যাপারে সিনসিয়ারিটি তোমরা কেন তাদের কথা শুনবা না। এখানে তো তারা কোন কিছু পাওয়ার আশায় তোমাদের কাছে করছে না বা তোমাদের কোন ক্ষতিও হচ্ছে না।

এবং দ্বিতীয় যে পরিচয় তিনি দিলেন সেটা হচ্ছে ওয়াহুম মুহতাদুন। এবং তারা হচ্ছে মুহতাদুন। মুহতাদুন মানে কি? মহতাদুন মানে হচ্ছে রাইটলি গাইডেড। যারা সঠিক পথে পরিচালিত। এই লোকেরা শুধুমাত্র যে সিনসিয়ার তোমাদের কাছে কোন কিছু পাওয়ার আশা করে না সেটা না বরং তারা সঠিক পথে নিজেদেরকে পরিচালিত রাখে।

সো এই যে রাইটলি গাইডেড পিপলদের কথা বলা হয়েছে তারা তোমাদেরকে কি জন্য ডাকছে? শুধুমাত্র এক আল্লাহর ইবাদত করার জন্য কোন ধরনের অংশীদার না রেখে এবং তারা তারা যে এই কথাগুলো বলছে সেটা তোমাদের ফিতরার অংশ। সেটা দিয়েই তোমাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে। তোমরা সবাই জানো সঠিক কোনটা। পে কোনটা ভালো কোনটা খারাপ কোনটা এবং সেখানেই সেই পথেই তারা নিজেরা নিয়োজিত এবং সেখানে তাদেরকে তোমাদেরকে তারা ডাকছে।

এখানে আমরা দেখি দুইটা জিনিস খুবই খুবই গুরুত্বপূর্ণ যখন আমরা আল্লাহর পথে কাজ করব। একটা হচ্ছে সিনসিয়ারিটি। মানুষের থেকে কিছু পাওয়ার আশা না করে বরং আল্লাহ সুবহানা তাআলার কাছ থেকে আমরা রিওয়ার্ড পাওয়ার আশা করব সেই উদ্দেশ্যে। এবং সেকেন্ড যেটা সেটা হচ্ছে যে সঠিক পথে পরিচালিত হওয়া।

স যারা হচ্ছে দুনিয়াবী কোন পুরস্কার পেতে চায় না এবং যারা হচ্ছে সঠিক পথের অনুসারী তারাই হচ্ছে সত্য এবং সঠিক পথে সঠিক পথে অন্যদেরকে পরিচালিত করতে পারে। স আমরা এই আয়াতটার উপরে যদি চিন্তা করি তাহলে আমরা এখন একটু রিফ্লেক্ট করতে পারি যে বর্তমান সমাজে আমরা কাদেরকে অনুসরণ করতে পারি। তারা কি সিনসিয়ার? তারা কি রাইটলি গাইডেড?

সো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এখানে আমাদেরকে আসলে সে মূল বেসিক জিনিসটা আমাদেরকে এখানে শিখিয়ে দিচ্ছেন যে যাদেরকে আমরা অনুসরণ করতে চাই তারা অন্য কোন কারণে এটা করছে কিনা। নাম যস খ্যাতি অর্থ কোন কারণে তারা সেটা করতে চাচ্ছে কিনা। আরেকটা হচ্ছে যে তারা যে কথাগুলো বলছে সেটা কোরআন হাদিস অনুযায়ী বলছে কিনা। এই দুইটা জিনিস যদি থাকে আমার মনে হয় যে তাদের কথা শোনার ব্যাপারে আমাদের কুন্ঠাবোধ করা উচিত না এবং এর মাধ্যমে আমরা আসলে মিনিংফুল গাইডেন্স এর দিকে নিজেদেরকে নিয়ে যেতে পারবো।

সো এখানে আমরা দেখি ইসলামের যে প্রপার এবং এফেক্টিভ প্রেজেন্টার যিনি হবেন তার জীবন কি রকম হবে সেটাও আমরা দেখতে পাই। যে আমরা যখন ইসলামের পথে মানুষকে ডাকবো তখন আমাদেরও টার্গেট হবে এটা যে মানুষের কাছ থেকে কোন কিছু প্রাপ্তির আশায় না এবং সঠিক পথে নিজেদেরকে নিয়োজিত রাখা।

সো আমরা শুধুমাত্র মুখে বললাম লিখে গেলাম সেটাই যেন না হয় বরং আমাদের জীবনের মাঝে যাতে সেটার প্রতিফলন ঘটে। সো এই দাওয়ার কাজে আমরা যখন থাকবো তখন আমাদের বিহেভিয়ার আমাদের ইন্টারেকশন কেমন হচ্ছে মানুষের সাথে সেটার ব্যাপারে আমাদেরকে সচেতন থাকতে হবে যে আমরা কি মহতাদুন কিনা। আমরা কি রাইটলি গাইডেড কিনা সেটা আমাদেরকে চিন্তা করতে হবে।

এবং আমরা দেখি যে অনেক সময় যেটা বিরাট সমস্যা হয়ে যায় যে আমরা যাদেরকে ফলো করতে যাই তারা এত সুন্দর বক্তৃতা দেয় এত সুন্দর কথা বলে কিন্তু তাদের জীবনে দেখা যায় একটা মেসাকার অবস্থা যে সেখানে ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক কাজগুলো চলে যা হয়ে যাচ্ছে। তো সে কারণে হচ্ছে সব তাদের জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে তারা ইসলাম কতটুকু ফলো করছে সেটাও জানা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সূরা ফুসসিলাতে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলেছেন যে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেয় সৎকর্ম করে এবং বলে আমি একজন আজ্ঞাবহ। তার কথা অপেক্ষা উত্তম কথা আর কার হতে পারে। তাহলে যারা হচ্ছে দাওয়াত দেয় তাদের যে জিনিসগুলো তাদেরকে খেয়াল রাখতে হবে যে আমলে সালেহ তার কাজ হতে হবে সৎ সুন্দর এবং তাকে হচ্ছে পুরোপুরি হচ্ছে মুসলিম যে সাবমিশন করা যেটা যে আল্লাহ সুবহানা তাআলার নির্দেশ পালনে কোন ধরনের গাফলতি না করা সে ব্যাপারে হচ্ছে সচেতন হওয়া।

সূরা আস সফে বলা হয়েছে যে হে মুমিনগণ তোমরা যা করো না তা কেন বলো? সো আমাদের পরিচয় যেন এরকম না হয় যে আমরা মুখে একটা বলি কিন্তু কাজের সময় হচ্ছে সেটার বিপরীত করে ফেলি। আল্লাহ সুবহানা তায়ালা এটাকে খুবই অপছন্দ করেন।

সো এখানে আমরা দেখি যে আমরা যারা হচ্ছে দাওয়াতি কাজের সাথে জড়িত তাদেরকে মানুষের সাথে মিশতে হয়। মানুষের সাথে তার যে মোয়ামালাত সেটা হচ্ছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার। এবং শুধুমাত্র যাদেরকে দাওয়াত দেওয়া হচ্ছে তাদের সাথে মোয়ামালাত বা পারস্পরিক ব্যবহার সুন্দর হলে হবে না। আমার ঘরের মধ্যেও সেটাকে আমার সুন্দর করার জন্য চেষ্টা করতে হবে এবং মানুষের সাথে এমপ্যাথি নিয়ে কথা বলা তাদেরকে ছোট না করা সে জিনিসটাও হচ্ছে আমাদেরকে খেয়াল রাখতে হবে।

এখানে আমরা দেখি আমাদেরকে প্রতিটা আয়াতের মধ্যেই আমাদের রিফ্লেক্ট করার সুযোগ রয়েছে যে এই ব্যক্তি যিনি একজন সাধারণ মুসলমান হয়েও কিভাবে এগিয়ে এসেছিলেন এবং কিভাবে মানুষকে মানুষের কাছে যে জিনিসগুলো গুরুত্বপূর্ণ সেই জিনিসগুলো তুলে ধরেছিলেন সেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি।

সো এখানে আমরা দেখি যে মেসেঞ্জার এসেছেন মেসেঞ্জাররা তাদের কাজ করেছে এবং তৃতীয় মেসেঞ্জার আসার পরেও যখন তারা সফল হতে পারছিল না তখন তাদের মধ্য থেকে আরেকজন লোক চলে আসলো যিনি একজন সাধারণ মানুষ ছিলেন যিনি এগিয়ে এসেছেন এবং তাদের সাপোর্টে তিনি কথা বলা শুরু করেছিলেন যাতে তার লোকেরা হচ্ছে গাইডেড হয়।

তাহলে এখানে আমরা দেখি যে একজন নবীর সিনসিয়ারিটি আমরা কিভাবে বুঝবো? এক নাম্বার হচ্ছে তাদের কথা এবং কাজের মাধ্যমে। আর দুই নাম্বার যেটা হচ্ছে তারা হচ্ছে কোন পরিণামের আশা করবে না। যে সেলফলেসলি নিঃস্বার্থভাবে মানুষের জন্য কাজ করবে।

সো এখানে আমরা দেখি যে এই মেসেঞ্জারদের পরিচয় তুলে ধরতে যে একজন দায়ীর পরিচয় আসলে তুলে ধরেছেন আল্লাহ সুবহানা তায়ালা যে একজন মানুষ হিসেবে আমরা হয়তোবা নবী রাসূলদের মত পারফেক্ট হতে পারবো না কিন্তু আমাদের কন্টিনিউয়াস এফোর্ট থাকবে আমরা যাতে এই বৈশিষ্ট্যগুলো নিজেদের মধ্যে অর্জন করতে পারি।

এবং আমরা দেখেছি যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও ছিলেন সেটার পরিপূর্ণ একজন অনুসরণকারী যার মধ্যে এই দুইটা জিনিসেরই প্রতিফলন আমরা দেখেছি। এবং একজন একজন নবীকে কেন আমরা অনুসরণ করব নবী রাসূলদেরকে তার কারণ হিসেবেও আমরা এই আয়াতগুলোর মধ্যে দেখি যে নাম্বার ওয়ান হচ্ছে মুরসালুন যে তারা নিজে থেকে আসে নাই তাদেরকে পাঠানো হয়েছে এবং পাঠানো হয়েছে এমন একজনের পক্ষ থেকে সে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার পক্ষ থেকে যিনি আমাদের সবার জন্য হচ্ছে হায়ার অথরিটি এবং যিনি জানেন আমাদের জন্য কোনটা ভালো এবং কোনটা খারাপ।

সেকেন্ড যে জিনিসটা সেটা হচ্ছে তারা কারো কাছ থেকে কোন প্রতিদান চান না এবং এটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে প্রতিদান পাওয়ার আশা না করে যে কাজটা করা হয় সে কাজটা যে কত মহান এবং নিঃস্বার্থভাবে করা যায় সেটা আমরা দেখতে পাই যখন আমরা নিজেদের জীবনে সেটার প্রতিফলন ঘটতে দেখি।

এবং থার্ড যে জিনিসটা আমরা দেখি সেটা হচ্ছে রাইটলি গাইডেড যে তারা সঠিক পথের অনুসারী। স পুরোটা জীবনী হতে হবে এই সঠিক পথের অনুসার অনুসারী গঠিত এবং সেটা আমাদের জীবনে আমাদের কথায় আমাদের কাজে প্রতিফলিত হতে হবে। এবং যখন আমরা এ ধরনের লোককে আসলে ওয়াচ করবো তাদের দিকে তাকাবো তখন আমরাও হচ্ছে সে ইন্সপিরেশন খুঁজে পাবো যে কিভাবে আল্লাহ সুবহানা তাআলা সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে চেঞ্জ করা যায়। এটা হচ্ছে একটা এক্সাম্পলারি দৃষ্টান্ত আমাদের সামনে স্থাপন করা যে আমরা নিজেরাও যাতে এই নবী রাসূলদের পথকে অনুসরণ করতে পারি এবং এই বৈশিষ্ট্যগুলো নিজেদের মধ্যে ধারণ করতে পারি।