📱

Get Our Mobile App

Take your business learning on the go!

Download on the App StoreGet it on Google Play

[BANGLA LECTURE] Surah Ya Sin || Part 40: Ayah 33/B|| You Must have to Return to Him!!

Straight Path8:05

Transcription

এ 32 নাম্বার আয়াতে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা তাদের জন্য নিদর্শন আছে এবং সে নিদর্শনটা কি সেটা এখানে বলছেন আল আরদুল মাইতা যে এই আরদ আরদ মানে হচ্ছে পৃথিবী মাটি আর মাইতা শব্দটির অর্থ হচ্ছে মৃত এখানে সেই মাটির কথা বুঝানো হচ্ছে যে মাটিটা হচ্ছে শুকন খটখটে নির্জীব যেখানে প্রাণের কোন চিহ্ন নেই। ব্যারেনল্যান্ড যেটাকে বলা হয় সেটাকে বুঝানো হচ্ছে যে আল আরদুল মাইতাতু আহ নাহা এখানে বলা হচ্ছে যে এ পৃথিবী মাটির অবস্থানটা হচ্ছে লাইফলেস স্টেট যেখানে কোন ভেজিটেশন নাই, গাছপালা নাই। জীবনের কোন লক্ষণ সেখানে নাই। সেরকম একটা মৃত মাটির কথা আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন যে সেই মৃত মাটিকে তিনি হচ্ছেন আহিয়াইনাহা।

সো সেখানে জীবন নিয়ে আসেন এবং সেই জীবনটা কিভাবে আনেন যে আল্লাহ বলছেন আহিয়াইনা হাইয়া মানে হচ্ছে গিভ লাইফ। স আমরা এদেরকে জীবন দান করি। স এখানে হা বলতে বুঝানো হচ্ছে এই মাটিকে যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন এই মৃত মাটিকে জীবন দান করার কাজটা আমরা করে থাকি। স এটা হচ্ছে একটা প্রসেস যার মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং সেই বৃষ্টি এসে শুকনো খটখটে মাটির মধ্যেই হচ্ছে প্রাণের সঞ্চার করে এবং আমরা জানি এই বৃষ্টির একটা বিশেষ ভূমিকা রয়েছে আমাদের ইসলামিক কনসেপ্ট থেকে যদি আমরা চিন্তা করি যে এই প্রোফাউন্ড সিগনিফিকেন্স রয়েছে এটা আল্লাহ সুবহানাতায়ালার দয়ার একটা সিম্বল এবং সাথে সাথে আল্লাহর যে শক্তি তিনি আমাদেরকে যে জীবিকা দান করেন তার একটা মাধ্যম হচ্ছে এই বৃষ্টি এবং কোরআনের মধ্যে আমরা দেখি যে যখনই বৃষ্টির কথা বলা হয়েছে ম্যাক্সিমাম সময়ে এটার সাথে এটা দিয়ে বুঝানো হয়েছে আমাদের পুনরজ্জীবনের কথা অথবা ডিভাইন গাইডেন্স যেটা আল্লাহর কাছ থেকে উর্ধ আকাশ থেকে আমাদের কাছে এসেছে আল কোরআন সেটার কথা বুঝানো হয়েছে যেমন সূরা কাহাফে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা বলেছেন তাদের কাছে প্রার্থিব জীবনের উপমা বর্ণনা করুন তা পানির ন্যায় যা আমি আকাশ থেকে নাযিল করি অতঃপর এর সংমিশ্রণে শ্যামল সবুজ ভূমিজল লতাপাতা নির্গত হয়। অতঃপর তা এমন শুষ্ক চূন্ন বিচূর্ণ হয় যে বাতাসে উড়ে যায়। আল্লাহ এ সবকিছুর উপর শক্তিমান।

তো সুবহানাল্লাহ। এখানে আমরা দেখি যে কিভাবে এই মৃত মাটির মধ্যে জীবনের সঞ্চার হচ্ছে। সবুজ গাছপালা শুরু হচ্ছে। আবার সেটা নির্জীব হয়ে যেতে পারে। স এই যে বৃষ্টির থেকে আমরা ফিজিক্যালি আমরা দেখতে পাচ্ছি যে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা মৃত মাটিকে জীবিত করছে। তার সাথে সাথে আমরা দেখি বৃষ্টির সাথে কানেক্টেড রয়েছে রিজারেকশন অর্থাৎ পুনরজ্জীবন। যেটা ইয়ামুদ্দিন যেদিন আমাদেরকে হিসাব দিতে হবে আল্লাহ সুবহানা তা'আলার কাছে সেখানে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা কোরআনে বারবারই আমাদেরকে বলেছেন যে বৃষ্টি যেমন মৃত মানুষকে জীবিত করে তুলে তেমনিভাবে আল্লাহ সুবহানাতায়ালাও মানুষ যখন মারা যাবে সেই মৃত মানুষকে আবার জীবিত করতে পারেন এটা আল্লাহর আল্টিমেট পাওয়ার ওভারলাইফ এন্ড ডেথ এবং এটা আমরা সব ঈমানদারী বিশ্বাস করি আবার বৃষ্টির সাথে কানেক্টেড হচ্ছে ডিভাইন গাইডেন্স আল কোরআন সো কোরআনও হচ্ছে বৃষ্টির মত যেটা আমাদের মৃত অন্তরকে আবার জীবিত করতে পারে যে গাইডেন্স অর্থাৎ আল্লাহর পথ থেকে সহজ পথে দিশা সঠিক জ্ঞান এবং ঈমানের মাধ্যমে আমাদের এই মৃত অন্তরটা জীবিত হয় যেমনভাবে বৃষ্টি হচ্ছে মৃত মাটিকে জীবিত করে থাকে এটা ডিপেন্ড করে আমরা দেখি যে কোন কোন মাটিতে বৃষ্টি পানিটা পড়লো এবং পুরোটা পানি হচ্ছে সেই মাটি শুষে নিল এবং সেটা হচ্ছে সেখান থেকে খুব ভালো ফসল উৎপাদন করল। আবার কিছু মাটি আছে শুকন এত শুকন খটখটে যে এর উপর দিয়ে পানি পড়লে পানি গড়িয়ে পড়ে যায়। সেটা সে পানিটাকে নিতে পারে না। আবার কিছু মাটি আছে যেটা কিছুটা নেয় আর কিছুটা হচ্ছে তার থেকে সরে যায়। সো মানুষের অন্তরটাও হচ্ছে এরকম। মানুষের অন্তরগুলো আল্লাহ বিভিন্নভাবে আমাদের অন্তরগুলোকে তৈরি করেছেন এবং আমরা আমাদের ঈমান দিয়ে অথবা সঠিক পথে যাওয়ার আগ্রহ নিয়ে সেই হার্টকে চেঞ্জ করি। সো কতটুকু রিভলেশন আমরা নিতে পারবো সেটা ডিপেন্ড করে আমাদের অবসরশন ক্ষমতা কতটুকু আমাদের হার্টে আমরা আমাদের হার্টকে কতটুকু ক্লিন রেখেছি সেই রিভলেশনকে নেওয়ার জন্য। এবং এর মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানা তাআলা এই দুনিয়ার জীবনের যে ক্ষণস্থায়িত্ব সেটাকেও বুঝিয়ে থাকেন যে যখনই এই বৃষ্টির কথা বলা হচ্ছে।

সো সংক্ষেপে বলা যায় যে বৃষ্টি হচ্ছে একটা পাওয়ারফুল সাইন। আল্লাহর উইজডম পাওয়ার এবং তার যে ইমেন্স মার্সি সেগুলোকে যাতে ঈমানদারদের ঈমান আরো বৃদ্ধি পায়। তারা আরো বেশি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে এবং তাদের জীবনের যে উদ্দেশ্য সেটার উপরে রিফ্লেক্ট করে। সাথে সাথে আল্লাহ সুবহানা তাআলা তাদেরকে যে জীবিকা এবং তার প্ল্যান অনুযায়ী যে আমাদের জীবন কাটাতে হচ্ছে সেটার উপরে তারা বিশ্বাস রাখে।

তারপরে আমরা দেখি আল্লাহ সুবহানাতালা এখানে বলছেন এই আয়াতেজনা মিনহা আখরাজনা খজা শব্দের অর্থ হচ্ছে কোন জিনিস বের করে নিয়ে আসা। আল্লাহ এটা থেকে বের করে নিয়ে আসেন হাব্বান। যে হাব্বান মানে হচ্ছে গ্রেন। শস্য বুঝানোর জন্য হাব্বান শব্দটা বলা হয়ে থাকে। সো আল্লাহ সুবহানা তায়ালা এই মাটি থেকে তখন শস্য বের করে নিয়ে আসেন। এটা আল্লাহর একটা মিরাকুলাস বলা হয় যে একদম ম্যাজিকের মত গাছ হয় যে মাটির বুক থেকে কিভাবে এই গাছগুলো বেরি হয়ে ওঠে। তারপরে আবার সেটার মধ্যে ফসল ফলে একই মাটিতে একই বৃষ্টির পানি পেয়ে বিভিন্ন ধরনের ফসল আমরা দেখতে পাচ্ছি। আমাদের জন্য আল্লাহ সুবহানাতায়ালা দিয়ে দিয়েছেন বিভিন্ন স্বাদের বিভিন্ন গন্ধের একেকজনের রুচি অনুযায়ী আমরা ডিফারেন্ট জিনিস খেতে পারছি। এবং তারপরে তিনি বলছেন ফামিনহ ইয়াকুলুন যে তারপরে তোমরা এখান থেকে খেতে পারো।

তাহলে এই যে আল্লাহ সুবহানা তা'আলার এই অবিশ্বাস্য শক্তি আমরা এখানে দেখতে পাচ্ছি যে আল্লাহ সুবহানা তা'আলার মিরাকল আমরা দেখতে পাচ্ছি যে আমাদের জীবন ধারণের জন্য শুধু আমাদের না সমস্ত পশুপাখি সমস্ত জীবিত জিনিসের জীবন ধারণের জন্য আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই জীবনটাকে মৃতবা মাটি থেকে বের করে নিয়ে আসেন তাহলে এটা আমাদেরকে আসলে একটা ডিপ ইনসাইট দেয় যে আমরা প্রত্যেকেই হচ্ছে এই যে জীবনদান এবং প্রত্যেকেই হচ্ছে এখান থেকে যে ফসল দেওয়া হচ্ছে সেটা থেকে উপকৃত হচ্ছে। এমন কেউ বলতে পারবে না যে না আমি এখান থেকে কিছু নেই না। সো আমি আল্লাহর অকৃতজ্ঞ হব। আমি আল্লাহকে স্বীকার করবো না। বরং প্রত্যেকটা জিনিস আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে আমাদেরকে এক আল্লাহর উপরই ডিপেন্ড করতে হচ্ছে। এবং তিনিই পারেন এই সাইকেলটাকে কমপ্লিট করতে। এটা তার শক্তিতেই সম্ভব। আর কারো শক্তিতেই এটা সম্ভব না।

সো এখানে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আমাদেরকে সাথে সাথে স্মরণও করিয়ে দিচ্ছেন যে আল্লাহ যেমন এই মৃতকে জীবিত করতে পারেন আমাদেরকেও তিনি জীবিত করতে পারেন। সো রিজারেকশন একাউন্টেবিলিটি এই জিনিসগুলো আমাদের সামনে আসছে। মক্কার মানুষদের সামনে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই সত্যটাকে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন যে তোমরা যতই সত্যকে অস্বীকার করো না কেন তোমাদের চোখের সামনে তোমরা এই জিনিসগুলো প্রতিনিয়ত দেখতে পাচ্ছ। কিন্তু তারপরও তোমরা অস্বীকার করছো। অথচ তোমরা জানো এর পিছুতে কে রয়েছে? কে এই কাজগুলো করছে। সো সে আল্লাহ যদি এভাবে মৃত থেকে জীবিতকে করতে পারে তাহলে তোমাদেরকে কেন করতে পারবে না? তাদের সামনে আল্লাহ সুবহানা তা'আলা সেই প্রশ্ন রেখেছেন এবং সাথে সাথে আমাদের জন্য এই জিনিসটাকে দিয়ে দিয়েছেন আই ওপেনার হিসেবে যাতে আমরা আল্লাহ সুবহানা তা'আলার এই শক্তির উপরে বিশ্বাস করে আল্লাহর উপরে আমাদের বিশ্বাসটাকে আরো মজবুত করতে পারি।